ব্লগের আমি ব্লগের তুমি ব্লগ দিয়ে যায় চেনা

গল্প : সংকট ২
০৯ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:০১
সহকর্মী হিসেবে শওকতের সঙ্গে সিন্ডির খানিকটা বন্ধুত্বমতো আগেই ছিলো। সিন্ডি রাজি হয় বন্ধুর উপকারটি করতে। টাকাপয়সা বা অন্য কোনো লেনদেনের ব্যাপার নেই। তার নিজের কিছু এসে যায় না। কোনো লোকসান কিছু নেই, শওকতের এ দেশে থাকার কাগপত্রের যদি একটা গতি হয়ে যায়, ক্ষতি কি? আর সে নিজে বিয়ে করবে না...
- ১০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৬৮বার পঠিত
গল্প : সংকট ১
০৯ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১২:১৩
ফোনে সিন্ডির গলার স্বর অস্থির। কিছু তাড়াও আছে বলে মনে হয়। কিন্তু তার উচ্চারণ ঘন ও একাগ্র, কথা স্পষ্ট। সাওকাট, আই নীড টু স্পীক টু ইউ। তোমার কি সময় আছে? ইট’স ভেরি ইমপর্ট্যান্ট।
শওকত বলে, বেশ তো, বলো।
ফোনে নয়, সামনাসামনি বলতে চাই।
কখন, কবে বলো।...
- ৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৬৬বার পঠিত
গল্প : যাই (শেষ কিস্তি)
২২ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:০৪
৩.
'নিভৃত মনের বনের ছায়াটি ঘিরে
না-দেখা ফুলের গোপন গন্ধ ফিরে
আমার লুকায় বেদনা অধরা অশ্রুনীরে
অশ্রুত বাঁশি হৃদয়গহনে বাজে...'
দিনরাত্রি তাঁর সমস্ত মনপ্রাণ জুড়ে সুর খেলা করে, অথচ গলায় সুর নেই। সবার থাকে না। কিন্তু গান শুনতে বা ভালোবাসতে নিজের গলায় সুর না থাকলে কোনো ঊনিশ-বিশ হয় না। এই অন্ধকারে রবির পাশে রিকশায় বসে......
- ৯টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২১৮বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ৭)
২১ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৯:৪৮
২.৪
এক জীবনে কতোকিছু প্রত্যক্ষ করা হলো! কতো আলো-আঁধারি এই পৃথিবীর! বড়ো হয়ে উঠতে উঠতে পেয়েছিলেন পৃথিবীর সর্বশেষ বড়ো যুদ্ধ। পতিত জাপান-জার্মানী। হিরোশিমা-নাগাসাকি। বৃটিশ তাড়াও। এরই মধ্যে দেশে অন্নের অনটন, অনাহারী মানুষের এমনই অবস্থা যে অবস্থাপন্নের দুয়ারে ভাত চাওয়ারও সাহস নেই, ভাতের ফ্যান চায়! হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা। বিভক্ত ভারতবর্ষ। পাকিস্তান জিন্দাবাদ এলো।...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৫৯বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ৬)
২১ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:১৩
২.৩
মেয়েটাই সবসময় খোঁজখবর রাখে। একদিন-দু'দিন পরপর ঢাকা থেকে ফোন করে ঝর্ণা, ঈদে-পরবে আসে। রঙ্গন দাদু-নানীর বড়ো ভক্ত। ও-ই প্রথম নাতি, আর ওকেই তো সবসময় চোখের সামনে পাওয়া যায়। বড়ো ছেলেটির ঘরে ছেলেমেয়ে এলো ওরা দেশের বাইরে যাওয়ার পর। নাতনিকে প্রথম দেখলেন ওরা দেশে বেড়াতে এলে, ডোরার তখন তিন বছর। খানিক...
- ৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২২১বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ৫)
২০ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
২.২
এখন তাঁর সঙ্গী বলতে, বন্ধু বলতে তো এক জোহরা বেগম। এই গত অগাস্টে তাঁদের বিয়ের পঞ্চাশ বছর হলো। ঝর্ণা একটা উৎসবমতো করবে। ঘটা করে এসব পালন করার রীতিনীতির সঙ্গে ভালো পরিচয় ঘটেনি, খানিক আপত্তি তাঁর ছিলোই। তবু রাজি হয়েছিলেন, একটা উপলক্ষ করে সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে, এ-ই বা কম কি!...
- ৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪১৮বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ৪)
২০ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:০১
২.১
অন্ধকার থাকতে ভোরবেলা উঠে গোসল সেরে ফেলার অভ্যাস। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় সারা বছর এবারক হোসেন কাকভোরে গোসল সেরে হাঁটতে বেরিয়ে যান। কোনো কারণে এদিক-ওদিক হয়ে গেলে মনে হয়, দিনটা ঠিকমতো শুরু করা হলো না। আজও দিনের শুরুতে অন্যরকম কিছু ঘটেনি। মর্নিং ওয়াক সেরে ফিরে আলু ভাজা দিয়ে দুটো রুটি খেয়েছিলেন। আলু খেতে...
- ১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৯২বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ৩)
১৯ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১১:২৯
১.৩
তাঁর জানা হয়ে গেছে, এই রাতের পরের ভোরটি আর দেখা হবে নাÑ- ‘ঢাকো তবে ঢাকো মুখ, নিয়ে যাও দুঃখ সুখ / চেয়ো না চেয়ো না ফিরে Ñ / হেথায় আলয় নাহি Ñ অনন্তের পানে চাহি / আঁধারে মিলাও ধীরে...’। এখন শুধু সহ্য করে যাওয়া আর অপেক্ষা করা। শেষের সে সময়টা...
- ১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৮১বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ২)
১৮ ই জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৫
১.২
পেছনে তাকিয়ে নিজের বসত বাড়িটিকে আরেকবার দেখলেন। দেখতে পেলেন না, জোহরা বেগম তখনো দাঁড়িয়ে আছেন গেটের কাছে, ঝাপসা দুই চোখ তাঁরই দিকে।
বাড়ির দিকে চোখ ফিরিয়ে এবারক হোসেনের মনে হলো, এই বাড়িটিকে কি তাঁর জাগতিক অর্জনের প্রতীক মনে করা যেতে পারে? হয়তো পারে। ছেলেমেয়েদের মানুষ করার সঙ্গে সঙ্গে একই রকম যত্নেœ-ভালোবাসায়...
- ১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৯০বার পঠিত
গল্প : যাই (কিস্তি ১)
১৮ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১১:০৬
১.১
আমার অনেক ঋণ রয়ে গেলো তোমার কাছে!
ভেজানো দরজার কাছে দাঁড়িয়ে অস্পষ্ট স্বরে প্রায় স্বগতোক্তির মতো বলেন এবারক হোসেন। তাঁর গলা ধরে আসে। জোহরা বেগম এমনিতে সহজে ভেঙে পড়ার মানুষ নন, কিন্তু কথাগুলো তো শুধু কথা নয়, তার পেছনে কিছু একটা যেন লুকানো। ভাবতে চান না এমন কথা মনে আসে, তাহলে...
- ৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৯৩বার পঠিত




