শুভেচ্ছাঃ আমার দেশ : ফরহাদ মজহার
‘আমার দেশ’ পত্রিকা নতুনভাবে নতুনদের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ অক্টোবর থেকে যাত্রা শুরু করেছে। নতুন উদ্যোক্তারা সেই খুশি জানানোর জন্য ৬ অক্টোবর একটি চা-চক্রের আয়োজন করেছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে আমার নিজের বিশেষভাবে আনন্দিত হওয়ার কারণ রয়েছে। রীতিমত দুঃসাহসী হয়ে বন্ধু মাহমুদুর রহমান আমার দেশ পাবলিকেশসের অর্থ ও বিনিয়োগের দায় নিজের কাঁধে তুলে নেয়ার জন্য তার তরুণ বন্ধুদের সংগঠিত করেছেন। তার প্রতিভা সম্পর্কে আমার সম্যক ধারণা ঝড়েবক বিজ্ঞাপন
আছে, কলমযোদ্ধা হিসেবে তার লড়াকু চরিত্রও অতি ঘনিষ্ঠভাবে গত দু’বছর দেখছি। দুইয়ের সম্মিলন কদাচিৎ ঘটে। বাংলাদেশের কলাম-পাঠকরাও দেখেছেন। পত্রিকাটি একজনের নয়, অনেকের বিনিয়োগের ওপর তিনি দাঁড় করাচ্ছেন, সেখানেও দুরদর্শিতা দেখে নিশ্চিত হয়েছি। ফলে শশব্যস্ত তাকে আমার দেশ পাবলিকেশসের চেয়ারম্যান হিসেবে ছোটাছুটি মজাই লাগল। অন্যদিকে আছেন সম্পাদক আতাউস সামাদ। তার চিরাচরিত হাস্যোজ্জ্বল কায়দায় সবাইকে বলে বেড়াচ্ছিলেন-আমরা শুধু একটু চা-টা খাব, গল্প-গুজব করব আর পত্রিকাটিকে আরো ভালো কি করে করা যায় তার জন্য দু’একটি পরামর্শ, আপনাদের দোয়া, আশীর্বাদ... ইত্যাদি। অনেক স্বনামধন্য মানুষের মিশেল দেখে মনে হলো, নতুন ‘আমার দেশ’ চিন্তার বৈচিত্র্য চাইছে, কিন্তু যার ভারকেন্দ্র হতে হবে দেশের স্বার্থ। মাহমুদুর রহমান পরিষ্কার বললেন, যে কোনো মুল্যে পত্রিকা দলবাজিতার ঊর্ধ্বে থাকবে। বিশ্বাস হলো, কারণ শ্রদ্ধাভাজন তালুকদার মনিরুজ্জামান, বদরুদ্দিন উমর, মনিরুজ্জামান মিঞা, এবিএম মুসা, আনিসুজ্জামানসহ উপস্হিত প্রত্যেকেই সায় দিলেন।
সত্য যে ‘দেশের স্বার্থ’ কথাটি খুবই আবছা একটি ব্যাপার। কোন শ্রেণী বা কোন গোষ্ঠীর জন্য ‘দেশ’-বুদ্ধিজীবীরা নিজের মধ্যে সে বিষয়ে নিষ্পত্তি না করলে যে যার মতো ‘দেশ’ বুঝতে পারেন। এটা তর্ক করে মীমাংসা করা যায় না। সমাজে বিভিন্ন শ্রেণীর লড়াই-সংগ্রাম লেখালেখির মধ্যে ছায়া ফেলে। ফেলতে বাধ্য। লেখকদের শ্রেণী পক্ষপাত সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে দু’ভাবেই ঘটে। এই বিপদ থেকে লেখক রক্ষা পেতে পারেন কিভাবে? এক্ষেত্রে গান্ধীর একটি সহজ ফর্মুলা আছে। তিনি বলতেন, তুমি যখন কোনো কাজ করবে বা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে তখন তোমার কাজ বা সিদ্ধান্ত সবচেয়ে গরিব বা সর্বহারা মানষুটির ভালো করবে নাকি ক্ষতি করবে সেদিক নিয়ে ভাব। তাহলে ঠিক কাজ বা ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। অক্ষরে অক্ষরে উদ্ধৃতিটি আমার মনে নেই, কিন্তু ব্যবহারিক চর্চার দিক থেকে এটা বেশ দারুণ পরামর্শ। লেখার সময় যদি ভাবি লেখাটি লিখছি কার জন্য? কার স্বার্থে? যদি মানুষের মুখ মনে থাকে, তাদের দিনানুদিনের লড়াই-সংগ্রামের ছবি মনে আঁকা রাখা যায়, তখন লেখা কাজের হয়।
আজ নতুন ‘আমার দেশ’কে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য লেখা। ভেবেছিলাম শুধু শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করব। কিন্তু সামনে আশু বিপদ দেখছি। সে বিষয়ে আগাম হুঁশিয়ারি না জানিয়ে পারছি না।
দুই.
মানুষ বিশ্বাস করছে না এই সরকার নির্বাচন দেবে। আমিও করি না। অন্য সব যুক্তি বাদ দিয়ে শুধু বর্তমান অসাংবিধানিক পরিস্হিতি থেকে প্রস্হান পথ বের করা ও তা নিশ্চিত করার সংকট এখনো অত্যন্ত প্রবল। এই পরিস্হিতিতে নির্বাচন করা ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিপদ অনেকটা জেনেশুনে বিষপান করার মতো অবস্হা।
ক্ষমতাসীনরা সংবিধান বহির্ভুতভাবে ক্ষমতায় রয়েছে। আজ অবধি তাদের ন্যায্যতা জনগণের কাছে প্রমাণ করতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ সাংবিধানিক বা আইনিভাবে না হোক, নৈতিক বা রাজনৈতিক কোনোভাবেই নিজেদের ন্যায্যতা তারা প্রায় দু’বছর কাটিয়ে দিয়েও প্রমাণ করতে পারেনি। নিজেদের পক্ষে কোনো গণসমর্থনও তারা অর্জন করতে পারেনি। এই দখলদারি অবস্হান থেকে এখন প্রস্হান পথ বের করার উপায় কি? সংবিধান বা আইন-বহির্ভুতভাবে ক্ষমতা দখল করলে সংবিধান বা বিদ্যমান আইন পুনর্বহাল করা গেলে দখলদারদের ছেড়ে দেয়া হবে, তার গ্যারান্টি কি? রাজনৈতিক দলগুলো সুযোগ পেলেই সংবিধান ও আইন ভঙ্গের অপরাধে ক্ষমতাসীনদের বিচার করবে না সেই নিশ্চয়তা পাওয়ারও কোনো উপায় কি? অস্ত্রের মুখে ক্ষমতা নিয়ে নেয়া সোজা, ছেড়ে দেয়া কঠিন। এই সাধারণ বিষয়গুলো যারা জানেন তারা আদৌ নির্বাচন হবে সেটা বিশ্বাস করেন না। আমিও করি না।
শোনা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীনরা রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে কারা কারা নির্বাচন করতে পারবে আর কারা পারবে না তার একটা তালিকা ধরিয়ে দেবে। নিজেদের পছন্দমত লোক নির্বাচনে পাস করিয়ে এনে আগামী সংসদে ক্ষমতা দখল ও সব কর্মকান্ড বৈধ করার জন্য ক্ষমতাসীনরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। এটাই স্বাভাবিক। তার লক্ষণ আমরা দেখছি। নির্বাচনে পরাশক্তির ভুমিকাও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। জাতিসংঘের স্হানীয় সমন্বয়ক রেনাটা লক দেসালিয়ান জাতিসংঘ সেক্রেটারি বান কি মুনের সম্ভাব্য সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসে বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচন যেহেতু জরুরি অবস্হার মধ্যে শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, অতএব জাতীয় সংসদ নির্বাচনও জরুরি অবস্হার মধ্যে হতে পারে। (দেখুন Bangladesh Today, 7 Otcober ২০০৮)। বলেছেন, মানুষ যেন ভোট দিতে পারে তার জন্য জরুরি অবস্হা কিছুটা শিথিল হবে, বড়জোর। মনে রাখা দরকার, ১১ জানুয়ারিতে যে রাজনৈতিক বিপর্যয় ঘটেছে তার পেছনে রেনাটা লক দেসালিয়ানের প্রত্যক্ষ ভুমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘের পক্ষে একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেখানে বিগত নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়েছিল যে সেটা ‘গ্রহণযোগ্য’ বা ‘বৈধ’ গণনা করা হবে না। তার চিঠিতে সেনাবাহিনীর প্রতি হুঁশিয়ারি ছিল, যদি সেনাবাহিনী পরাশক্তির কাছে অগ্রহণযোগ্য বা অবৈধ সেই নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তা দেয় তাহলে আগামী দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে ‘খবর’ আছে (implications))। যদি সেনাবাহিনী এই নির্বাচন হতে দেয় তাহলে ইঙ্গিত হলো সেনাবাহিনী শান্তি মিশনে আদৌ চাকরি পেতে ও টাকা কামাতে পারবে কিনা সেটা বিবেচনা করে দেখা হবে।
সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধানের অধীন। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করলে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে সেনাবাহিনী অংশগ্রহণ করতে পারবে না, এই ধমকাধমকি পরে ধরা পড়েছে ভুয়া। জাতিসংঘ হেড অফিস থেকে যে বিবৃতি পাঠানো হয়েছিল সেখানে বাংলাদেশের পরিস্হিতি সম্পর্কে উৎকণ্ঠা ছিল, কিন্তু এ ধরনের কথা ছিল না। রেনাটা লক দেসালিয়ানের অফিস থেকে যখন বিবৃতিটি বাংলাদেশে প্রচার হলো, দেখা গেল এই কথাগুলো ঢোকানো হয়েছে। রেনাটারই নিজ দায়িত্বে। যে কারণে বাংলাদেশে ১১ জানুয়ারির নজিরবিহীন ‘সেনা অভ্যুত্থান’কে অনেকে বলেছেন জাতিসংঘের অভ্যুত্থান।
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে শান্তিসেনা হিসেবে জাতিসংঘ ভাড়ায় নেবে না বলে হুমকি দিয়ে তাদের দিয়ে বাংলাদেশে সংবিধানবিরোধী কাজ করার শর্ত তৈরি করেছেন রেনাটা লক দেসালিয়ান। এই তথ্য এখন কমবেশি সবারই জানা এবং এ নিয়ে লেখালেখি হয়েছে অনেক। অভ্যুত্থান ঘটানোর এই নজির ছিল অবিশ্বাস্য। যেহেতু জতিসংঘে এ ধরনের কোনো বিধিবিধান নেই, দায় একান্তই রেনাটা লক দেসালিয়ানের। সে কারণে বাংলাদেশের ১১ জানুয়ারির অভ্যুত্থান এখন দেশে ও বিদেশে ‘দেসালিয়ান ক্যু’ বা দেসালিয়ান অভ্যুত্থান নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। সেনা অভ্যুত্থানের একটা নতুন মডেল হিসেবে এখন একে নিয়ে গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
যেহেতু বাংলাদেশের ১১ জানুয়ারির অভ্যুত্থানের সঙ্গে রেনাটা নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন, এখন যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে পরাশক্তির পক্ষে তাদের জন্য প্রস্হান পথ তৈরি করে দেয়াও তার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। অতএব তিনি এখন প্রকাশ্যেই জানিয়ে দিলেন, নির্বাচনের সময় জরুরি অবস্হা বলবৎ থাকবে। জরুরি অবস্হার মধ্যেই নির্বাচন হবে। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করুক আর না করুক। জাতিসংঘ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দল পাঠাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও জরুরি অবস্হার মধ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য দল পাঠাবে। নির্বাচনের নামে কি ঘটতে যাচ্ছে তার কিছু আভাস আমরা এখন পেতে শুরু করেছি।
এটাও এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, নিবন্ধনের ছুঁতায় জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচন করতে না দেয়ার একটা চাপ তৈরি হয়েছে। সাধারণভাবে জোটের ওপর চাপ বাড়ানো হয়েছে। বড়পুকুরিয়া মামলায় আসামি হিসেবে চারদলীয় জোটের নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য, চারদলীয় জোটকে ক্ষমতাসীনদের শর্তে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা। জোট যদি নির্বাচন বর্জন করে সেক্ষেত্রে নির্বাচন বর্জনের দোষ চাপিয়ে দেয়া হবে জোটের কাঁধে। জোট নির্বাচন বর্জন করলে কি নির্বাচন হবে? পাঠক অবাক হতে পারেন, কিন্তু আমার ধারণা, যদি প্রস্হান পথ বের করা এখনকার প্রধান সংকট হয়, তাহলে পরাশক্তির সমর্থনে জরুরি অবস্হা জারি রেখে ক্ষমাসীনদের বৈধতা দেয়ার জন্য জোটকে বাদ দিয়েও নির্বাচন হতে পারে। নির্বাচন হবে ক্ষমতাসীনদের তৈরি তালিকা অনুযায়ী। তারা ঠিক করে দেবেন, কে নির্বাচন করতে পারবে কে পারবে না। এই নির্বাচনে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে যারা ক্ষমতাসীনদের বৈধতা দেবে। এই নির্বাচনে যে সরকার আসবে তারা স্হায়ী হবে না। কিন্তু যদি এতে সাংবিধানিক বৈধতা মেলে তাতে অসুবিধা কি? এটাই হচ্ছে পরাশক্তি ও তাদের তাঁবেদার ক্ষমতাসীনদের হিসাব।
ব্যারিষ্টার রফিকুল হক রেনাটা লক দেসালিয়ানসহ বিদেশি কুটনীতিকদের সমালোচনা করেছেন। তিনি ঠিকই বলেছেন, কুটনীতিকরা ভিয়েনা কনভেনশন লংঘন করছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে কুটনীতিবিদদের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল ইন্টারেষ্ট গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। ব্যারিষ্টার রফিকুল হক সেই প্রতিবাদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন, এটা খুশির কথা। কারণ পরাশক্তির পক্ষে কুটনীতিকদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ যদি আমরা বন্ধ করতে না পারি তাহলে বেশ বড় ধরনের অস্হিতিশীল অবস্হার মধ্যে আমরা নিপতিত হব। তিনি আরো বলেছেন, ফখরুদ্দীন আহমদ সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে নির্বাচনের সময় জরুরি অবস্হা প্রত্যাহারের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফিরে এসে উল্টা কথা বলছেন। ব্যারিষ্টার রফিকুল হক বলেছেন, এটা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর চাপে ঘটেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি ক্ষমতাসীনরা জরুরি অবস্হা বহাল রাখার জন্য জিদ করে, আর রাজনৈতিক দলগুলো শর্ত দিতে থাকে তাহলে নির্বাচন হবে না। আমরা তার সঙ্গে একমত।
নির্বাচন হওয়া বা না হওয়াটা আশু বিপদের কারণ নয়। নির্বাচন না হওয়ার দোষ রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দেয়াটা কঠিন হয়ে উঠেছে-এটাই বিপদের কারণ। সাধারণ মানুষ এই খেলার মর্মটা ধরে ফেলেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এ অবস্হায় নির্বাচন না করার আর কি ছুঁতা বাকি থাকে? আর কি হতে পারে? আগাম হঁশিয়ারিটা এজন্যই।
এই পরিস্হিতিতে মানুষ যখন বলাবলি শুরু করে যে খুব বড় ধরনের কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা হবে। বিস্ফোরণ। রাজনীতির নেতা-নেত্রীদের জানের ক্ষতি করার চেষ্টা হতে পারে। মানুষ পরস্পরকে বলে-দেখছেন না, শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন না। খালেদা জিয়াও নিরুত্তাপ। চতুর্দিকে সতর্কতা। যদি বোমা মেরে দিয়ে বলা হয় এসব ইসলামী জঙ্গিদের কাজ, সাধারণ মানুষ বুঝবে কিভাবে? মানুষ এই ভেবে উৎকণ্ঠিত ও অস্হির যে আইন-শৃঙ্খলার বড় ধরনের কোনো অবনতি যদি ঘটেই যায়, তাহলে বাংলাদেশ কি আদৌ টিকবে?
হয়তো এসব নিছকই উৎকণ্ঠা, কানকথা থেকে রবারের মতো টেনে লম্বা করা অস্হির সময়ের কড়চা। কিন্তু উৎকণ্ঠার এই কানকথাগুলোও সময়ের লক্ষণ যখন মানুষ কোথাও আর কোনো নিশ্চয়তা খুঁজে পায় না।
এই অনিশ্চিত সময়গুলোই ভয়ঙ্কর। হুশিয়ারিটা এজন্যই।(সুত্র. আমার দেশ,৯/১০/২০০৮)
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



