নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বুদ্ধিমান হোন, সঠিক কাজটি করুন!!!!

২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৮



দক্ষিন স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চল।

এপ্রিলের ১৫ তারিখে এক সপ্তাহের জন্য এসেছি; গ্রানাডা, কর্ডোবা আর মালাগার রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছি। লোকাল কুইজিনের স্বাদ নিচ্ছি। বিশ্বখ্যাত স্থানগুলো ঘুরে দেখছি............পুরাই চিল মুডে। এলাকাগুলোকে লিটারেলি ভাজা ভাজা করে ফেলছি। চিল মুড বললাম এই জন্য যে, আগেই ঠিক করে রেখেছি শুধু ঘুরে বেড়াবো আর চিল করবো, অন্য কোন ধরনের প্যারা নিবো না। ফেইসবুকে আমি এমনিতেই ঢুকি না, ব্লগের প্রতি আকর্ষণও কমে গিয়েছে অনেকটাই। কাজেই কোন নিউজ চ্যানেলে আমি যদি না ঢুকি, তাহলে দিন-দুনিয়ার কোন খবরের পক্ষে আমার চৌহদ্দির ধারে-কাছে আসার সাধ্য নাই, ফলে স্ট্রেস বাড়ার কোন সম্ভাবনাও নাই।

২০ তারিখে ফোনে খবর পেলাম, জার্মানীতে থাকা আমার ভাতিজা একজন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা হয়েছে। আসলে প্যারাকে যতোই দুরে ঠেলার চেষ্টা করি না কেন, সে কোন না কোন ভাবে ঘাড়ে সওয়ার হবেই। এখন ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার পর আবার জার্মানীতে যাওয়া লাগবে। কিছু আত্মীয়তার এমনই বাধ্যবাধকতা যে, এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নাই একদমই।

এক ছুটি কাটিয়ে এসে আবার ছুটি নেয়া বিরাট দিগদারী একটা ব্যাপার। সপ্তাহ দুয়েক নাকে-মুখে কাজ করে বসকে ম্যানেজ করে ছুটলাম জার্মানী। পারিবারিক দায়িত্ব পালন করে ফিরে এসে আবার নাকে-মুখে কাজ শুরু করলাম যাতে ইজ্জতের উপর কোন হামলা না হয়। কাজের প্রতি আমার অতি আগ্রহ আর একাগ্রতা দেখে শেষে বস বলেই বসলো, মফিজ.........তুমি কি আসলেই বদলায়ে গেছো, নাকি আমারে দেখাইতেছ? টেনশান নেওয়ার কিছু নাই; ধীরে-সুস্থে কাজকাম করো। তোমার টেনশান দেইখা তো আমারই টেনশান হইতেছে!! এতো কাজ করলে হার্টের উপর চাপ পড়বে। শেষে না আবার দীর্ঘদিনের জন্য তোমারে ছুটি দেয়া লাগে!!!!

বসের কথায় সমস্ত শরীরে আহ্লাদী টাইপের একটা শান্তির সু-বাতাস বয়ে গেল। গত বেশ কিছুদিন যাবৎ দিন-দুনিয়ার ব্যাপারে উদাসীন থেকে উথাল-পাথাল কাজ করার সুফল হাতে-নাতে পাওয়া গেল অবশেষে। ব্যাটা এমনিতে বিরাট ঘড়েল হলেও আপাততঃ চেহারা দেখে মনে হলো হাইলি ইমপ্রেসড!! তৎক্ষনাৎ ক্রিসকে কফি কর্ণারে আসতে বললাম। কফি নিয়ে নীচে, স্মোকিং জোনে গিয়ে বিষয়টা সেলিব্রেইট করা দরকার!!!

কফি সহযোগে বিড়ি টিড়ি টেনে ডেস্কে এসে থিতু হয়েছি মাত্র, আমার এক বন্ধু ফোন করলো।

মফিজ, ঘটনা শুনছো? কারিনা মারা গিয়েছে।

ইন্নালিল্লাহ পড়তে গিয়ে থমকালাম। কারিনা মুসলমান বিয়ে করলেও নিজে মুসলমান হয়েছে, এমনটা আমার নলেজে নাই। এখন তার জন্য কি ইন্নালিল্লাহ পড়া যাবে? সঠিক জানি না। কাজে কাজেই খানিকটা কনফিউজড টোনেই বললাম, ইসরে........খুবই খারাপ লাগছে!!! ''যাব উই মেট'' মুভিটা দেখার পর থেকেই সে আমার খুবই প্রিয় অভিনেত্রী। এই বয়সে মারা গেল? ছোট ছোট দুইটা ছেলে। একটার নাম বোধহয় তৈমুর, আরেকটার নাম যেন কি? একদমে কথাগুলো বলে একটু থামলাম। তারপরে বললাম, কিভাবে মারা গেল?

ওই প্রান্তে দেখি কোন সাড়াশব্দ নাই। একেবারে পিনড্রপ সাইলেন্ট যাকে বলে। আমার বলা কথাগুলো হজম করলো সম্ভবতঃ। তারপরে অত্যন্ত শীতল কন্ঠ শোনা গেল, তুমি কি আমার সাথে মশকরা করো? আমি কারিনা কাপুর না, কারিনা কায়সারের কথা বলছি।


আসলে কথায় কথায় কয়দিন আগে আমার বউও বলেছিল যে, কারিনা অসুস্থ। আমি ততোটা মনোযাগ দেই নাই। তখনও ভেবেছিলাম কারিনা কাপুরই হবে। ভেবেছি, বড়লোক মানুষ; ছোটখাটো সমস্যা হবে হয়তো। খুব বেশি হলে কি আর হবে..........কিছু টাকা খরচা করেই বিষয়টা সামাল দিয়ে ফেলবে। বেশ কয়েকদিন সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারনে দুনিয়াদারীর ব্যাপারগুলোতে একেবারেই অনাগ্রহী হয়ে গিয়েছিলাম। এখন বিষয়টা বিস্তারিত জেনে খুব খারাপ লাগা শুরু হলো।

মনে পড়লো, কারিনা কায়সারকে একবারই দেখেছিলাম যখন ওর বয়স বছর দুয়েক হবে হয়তো। নাদুস-নুদুস আদুরে একটা মেয়ে। কায়সার ভাইয়ের সাথে আমাদের বাসায় এসেছিল। উনি ছিলেন মোহামেডান আর জাতীয় ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড়। উনার তৎকালীন সতীর্থ জাতীয় দলের গোলকিপার কানন ভাই ছিল আমার দুলাভাইয়ের বন্ধু। সেই সুবাদে সবাই সবার বন্ধু। উনাদের পারিবারিক আরেকটা লিঙ্ক ছিলো আমার............কায়সার হামিদের মা বিশিষ্ট দাবাড়ু রানী হামিদ। আমরা একসাথে ঢাকা মহানগর দাবা লীগে খেলেছি। অবশ্য এ'সবই অতীতের কথা। বহু বহু বছর যাবৎ কোন যোগাযোগ নাই।

সেই মেয়ে এতো অল্প বয়সে চলে গেল। মনের অজান্তেই বুক চিড়ে একটা দীর্ঘানশ্বাস বেড়িয়ে এলো.............আহারে!!! জীবনটা ঠিকমতো শুরু করার আগেই ঝরে গেল!!! ফুড ভ্লগিং কন্টেন্ট ক্রিয়েশানের সুবাদে নিয়মিত স্ট্রীট ফুড খাওয়া, সেখান থেকে হেপাটাইটিস এ / হেপাটাইটিস ই বাধিয়ে লিভার বিকল। না বুঝে, না জেনে আমরা আমাদের শরীরের কতো ক্ষতিই না করি!!! ক্ষতির মাত্রা বাড়তে বাড়তে একপর্যায়ে পয়েন্ট অফ নো রিটার্নে চলে যাই।

বাংলাদেশে বাসায় তৈরী করা খাবারের বাইরে রাস্তাঘাটে, রেস্টুরেন্টে কিংবা দোকানে যাই খাওয়া হোক না কেন, সবই বিষ। এই বিষ নিয়মিত খেতে থাকলে এর মুল্য একটা না একটা সময়ে চুকাতে হবেই। এই আমার কথাই বলি। দেশের সিঙ্গারা আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা খাবার। এর ব্যাপারে আমি এতোটাই অবসেসড যে, দেশে যাওয়ার সময়ে প্লেনে বসেই এক্সাইটেড থাকি। প্ল্যান করি বাসায় গিয়ে প্রথম সুযোগেই গরম গরম ধোয়া ওঠা প্রমাণ সাইজের সিঙ্গারা খাওয়ার, সাথে শষা-গাজর-টমাটো-কাচা মরিচ-ধন্যাপাতা দিয়ে তৈরী কুচি কুচি সালাদ..............এক বসায় কমপক্ষে পাচটা খাবো.......এমনটা ভাবতে ভাবতে মুখের লালা গড়িয়ে পড়ে। ফ্লাইটের সুস্বাদু খাবারও পানসে মনে হয়। অথচ এই বস্তুটা একটা আপাদমস্তক বিষ।

বেশ আগে এক ফুড ভ্লগারকে বলতে শুনেছিলাম যে, এটা যেহেতু গরম তেলে ভাজা হচ্ছে, কাজেই রোগ-জীবাণু যা আছে সব মরে শেষ হয়ে যায়। কাজেই এটা নিরাপদ। কি ভয়াবহ অজ্ঞতা!!! আমাদের দেশের অনেকেরই প্রতিদিনের রুটিন স্ন্যাক্স হলো চা-সিঙ্গারা। এটা ভাজার পরে এর উপর যে ধুলা-বালি পড়ে, তার কথা বাদই দেই। যেই তেলে এটা ভাজা হয়, সেটা ট্রান্স ফ্যাট; যা হার্ট-লিভারের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। এটাতে ব্যবহৃত ময়দা হলো রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট। এর ভেতরের যে আলু, সেটাও কার্বোহাইড্রেট। পুরাই একটা বিষের প্যাকেজ। এই বস্তু নিয়মিত খেলে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলোর লাভ বৃদ্ধি ছাড়া আর কোন লাভ নাই।

বহুল আলোচিত ফুচকার কথাই ধরি না কেন!!! দৈনিক ইত্তেফাকের একটা রিপোর্ট বলছে.........ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকা/চটপটিতে ৭ কোটি পর্যন্ত পায়খানার জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। সাধে কি এতো টেস্টি হয়!!!!! :P

একইভাবে বাইরের প্রতিটা খাবার ব্যবচ্ছেদ করলে এক ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে। দেশে অনেকেরই ফিলোসফি এমন যে, একদিন তো মরতেই হবে, কাজেই এইসব মুখরোচক খাবার না খেয়ে মরার চাইতে খেয়ে মরাই ভালো। কিন্তু এটা ভাবে না যে, মরার আগে কি কি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। দেশে কোন পরিবারের একজন সদস্য কায়দামতো একটা অসুখ বাধাতে পারলে তা পুরো পরিবারকে পথে বসানোর জন্য যথেষ্ট। আর মারা যাওয়ার আগে নিজের এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য বোনাস হিসাবে পাওয়া যাবে সীমাহীন নরক যন্ত্রণা।

নামী-দামী রেস্টুরেন্টের খাবারকেও নিরাপদ ভাবার কোন কারন নাই। অভিজাত স্টোরের দামী রুটি-কেক-বিস্কুট, সেটা যদি প্যাকেটজাতও হয়, তবুও সেটা বিষ। সরাসরি বিষ। একটু ভাবেন..........কি কি উপাদান দিয়ে সেইসব খাবার বানানো হয়। আর সেইসব উপাদান আপনার শরীরে ঢুকে কি কি সর্বনাশ করে। নিজের বুদ্ধিতে নিজে মারা খাচ্ছেন, খান; কিন্তু পরিবারসুদ্ধ সবাইকে বিপদে ফেলার কোন অধিকার নিশ্চয়ই আপনার নাই।

অনেক আগের একটা টিভি কমার্শিয়ালের পাঞ্চ লাইন ছিল এমন, ''বুদ্ধিমান হোন, সঠিক কাজটি করুন''। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও দেশে ঘরের বাইরের যে কোনও খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য এই কথা কয়টা খুবই প্রাসঙ্গিক। মনে রাখবেন, প্রিভেনশান ইজ বেটার দ্যান কিওর!!!! সেই সাথে একটা বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবাদও স্মরণে রাখবেন............আজ বুঝলি না, বুঝবি কাল; পাছা থাপড়াবি, পারবি গাল।

পরম করুণাময় কারিনা কায়সারকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।।


ফটো ক্রেডিটঃ আমার কমদামী মোবাইল। ফটোটার বিষয়ে কয়েকটা কথা বলা জরুরী। প্রথম দিনে মালাগার টোরেমলিনোস সিটি সেন্টারে স্থাপিত এই সাদা মার্বেল পাথরের ভাস্কর্যটা দেখে ভাবলাম.........পাইছি!!! এইটা নিশ্চিত বিখ্যাত আন্দালুসিয়ান ষাড়ের ভাস্কর্য। সাথে বোনাস হিসাবে আছে ম্যাটাডোর। পরে দেখি, সবই ভুল। ষাড়টা গ্রীক মিথোলজি অনুযায়ী ষাড়ের ভং ধরা দেবতা জিউস। আর ম্যাটাডোর যারে ভাবছি, সে একজন রাজকুমারী, নাম ইউরোপা!! কি তামশা!!! X(

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




তামাশাই বটে!
সিঙ্গারা, ফুচকা, চটপটি খাবো নাতো, খাবো কি? এদের চেয়ে মজাই বা কি?????? এরা তো সব জাতীয় খাবার! :D
এই প্রসঙ্গে একটা জোকস বলি--- এক কাক একদিন গাব খেতে গিয়ে গাবের আটিই খেয়ে ফেলেছে। তো পেটের ভিত্রে তান্ডব নাচ চলছে। হাগু না করে থাকা যাচ্ছেনা। কাক তো হাগুতে বসেছে কিন্তু গাবের আটি বা বিচি তো বেরুচ্ছে না। দম বন্ধ করে কয়েকবার কোৎ কোৎ করেও কাজ হলোনা। তখন সে প্রতি কোৎ এর সাথে প্রতিজ্ঞা করতে থাকলো- "আর গাব খাবোওওওও না"... আর খাব খাবোওওওও না! আগের চেয়েও অনেক জোরে জোরে কোৎ এর চেষ্টা আর প্রতিজ্ঞার পরে ফুচুৎ করে গাবের আটিটা কাকের মলদ্বার দিয়ে ছিটকে বেড়িয়ে এলো- । আহ কি আরাম....শান্তিতে চিল্লিয়ে উঠলো কাক -- " গাব খাবোনা খাবো কি ? গাবের চেয়ে মজা কি?" :P =p~
আমাদেরও সেই রকম দশা হবার কথা বলে বুদ্ধিমান হওয়ার তরিকা বাৎলাইলেন মনে হয়........ :||

২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কাক নিয়া আপনের জোকটা অসাধারন লাগলো। এই ধরনের কাকরে বলে কাউয়া, আর তাদের আত্মঘাতি চালাকীর কারনে বলা হয় ''কাউয়া চালাক''। এই ধরনের কাউয়ারা বেশি চালাকি করতে গিয়াই ধরা খায়। বেশ কিছু বিখ্যাত মানুষরুপী কাউয়া আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত যে তার নাম কি জানেন? :-B

সিঙ্গারা, ফুচকা, চটপটি খাবো নাতো, খাবো কি? অবশ্যই খাইতে হবে। এগুলির চেয়ে পুষ্টিকর খাবার এই দুইন্যায়ই নাই। :P

২| ২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

করুণাধারা বলেছেন: সিঙ্গাড়া আমারও খুব প্রিয়। কালো কুচকুচে মবিল মেশানো তেলে ভাজে বলে সেই সিঙ্গারার স্বাদ অসাধারণ হয়।

এখন বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি শেষ হলেই গিয়ে চার-পাঁচটা সিঙ্গারা কিনে এনে খেয়ে তারপরে আপনার পোস্ট নিয়ে কিছু বলবো।

২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কালো কুচকুচে মবিল মেশানো তেলে ভাজে বলে সেই সিঙ্গারার স্বাদ অসাধারণ হয়। হক কথা। আর এর উপরে ধুলাবালির কোটিং পড়লে স্বাদ বহুগুনে বাড়ে। ;)

আপনাদের ওখানে বৃষ্টি, আর আমার এখানে খটখটা রোদ আর গরম। এখন সকাল ৯:৪০। বিকাল তিনটা নাগাদ তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রিতে উঠে যাবে। ভয়াবহ অবস্থা!!!

দেশে তো রেস্টুরেন্টগুলোতে সিঙ্গারা ভাজা হয় সকাল ১০/১১ টার দিকে। দুপুর বেলা কি আর টাটকা ভাজা সিঙ্গারা পাবেন? বাসী সিঙ্গারা খায়া মজা নাই। কথাগুলি জেলাসী থেকে বললাম; কারন জানেনই তো, দেশের মতো মন চাইলেই এখানে সিঙ্গারা পাওয়া এবং খাওয়ার উপায় নাই। :((

৩| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮

মায়াস্পর্শ বলেছেন: বাহিরে খাবার খুব কম খাওয়া হয়। মাঝে মাঝে খাই।
বাংলাদেশের বাহিরে থাকি, এখানে না চাইলেও হাইজেন মেইনটেইন করতে হয় হোটেল / রেস্টুরেন্টগুলোর।
মরতে তো হবেই, একটু স্বাস্থকর খাবার খেয়েই মরি।
বাংলাদেশী হোটেলগুলোতে গেলে দেশি নোংরামির একটা ফ্লেভার থাকবেই, তাই আর যাই না।

২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলে বিদেশে থাকলে দেশের মতো বাইরের খাবার খাওয়ার সুযোগ কম, কারন দেশের মতো যেখানে সেখানে খাবার পাওয়া যায় না। অবশ্য ব্যাপারটা নির্ভর করে কোন দেশ, সেটার উপরে। তবে আমি 'ইন জেনারেল' বললাম কারন বাংলাদেশীরা তো আর বাংলাদেশের চাইতে পিছিয়ে থাকা দেশে যায় না!!!

মরতে তো হবেই, একটু স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েই মরি। আমরা বাংলাদেশীরা এতো স্বাস্থ্যকর চিন্তা করলে তো সমস্যাই ছিল না। আমরা ভাবি, মরবোই যখন পছন্দের খাবার খেয়েই মরি। বিষয়টা হলো, দেশের পছন্দের খাবারগুলো সবই মরন ডেকে আনা খাবার!!! X(

বাংলাদেশী হোটেলগুলোতে গেলে দেশি নোংরামির একটা ফ্লেভার থাকবেই, তাই আর যাই না। আপনি কোন দেশে আছেন জানি না, তবে বৃটেনে কোন রেস্টুরেন্টেরই বেশীদিন অস্বাস্থ্যকর স্ট্যাটাস মেইনটেইন করার সুযোগ নাই। নিয়মিত ভিজিট হয়। উল্টাপাল্টা পেলেই বিশাল আকারের ফাইন, এমন কি ট্রেড লাইসেন্সও বাতিল হয়ে যায়। সুতরাং এই ধরনের রিস্ক একেবারে ছ্যাচড়া না হলে কেউ নেয় না।

৪| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

শায়মা বলেছেন: আমি নিজেও কারিনা কায়সারকে চিনতাম না। তবে রানী হামিদ আর তার ছেলেকে চিনতাম। আরও চিনতাম তার চাচা চাচীকে। আগাখানের টিচার ছিলো। যাইহোক তুমি কারিনা কায়সারের দাদীর সাথে দাবা খেলেছো শুনে আকাশ থেকে পাতালে পড়লাম ভাইয়ু!!!!!!!!


যাইহোক এমনিতে আমি রাস্তার ফুচকা সিঙ্গারা খাইনা। তবে খাই ইনা বললে তো চলবে না। স্কুলে তো মাঝে মাঝেই ঐ রাস্তার দোনাকের সিঙ্গারাই আনা হয়। আর দু এক সময় পাল্লায় পড়ে ভেলপুরি ফুচকা বা পাপরি চাট! উৎসবের পাপরি চাট খেয়ে ভাবি আহা এক্কেরে ভদ্দরনোক পাপরি চাট খাচ্ছি বুঝি। আসলে যাহা বাহান্ন তাহাই তিপান্ন!!

তবে কারিনা কায়সারের মৃত্যুর পর বাইরের যে কোনো খানাই খেতে গেলেই আমার সন্দিহান চোখ আর মন কেমন যেন পিট পিট করছে।

তবে সাত কূল খেয়ে এক কূলে এসে চোখ পিটপিটায় কি আর হবে!!! :(

২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসাবে কারিনা কায়সারকে আমিও চিনতাম না। পরে এইসব লিঙ্ক বের হলো আর কি!!!

যাইহোক তুমি কারিনা কায়সারের দাদীর সাথে দাবা খেলেছো শুনে আকাশ থেকে পাতালে পড়লাম ভাইয়ু!!!!!!!! আকাশ থেকে সাবধানে পড়ো। হাত-পা ভাঙ্গলে আমি দায়ী না। এমনিতেই তোমার পায়ে সমস্যা; যদিও এখন আবার নাচানাচি শুরু করছো, তারপরেও সাবধানের মাইর নাই!!!! :P

বিষয়টা হলো, দাবা খেলায় বয়স কোন ব্যাপার না। সবই ব্রেইনের কারুকাজ। আমি জিয়াউর রহমানের সাথেও খেলেছি। আবার ভাইবো না, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা বলছি। দাবাড়ু জিয়াউর রহমান........... সে তখন ফিদে মাস্টারও হয় নাই। বয়সে আমার চাইতে অনেক ছোট। :)

আসলে দেশে থাকলে এইসব টেস্টি খাবার একেবারে না খেয়ে থাকা যায় না। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন মাত্রা না ছাড়ায়। যতোটা কম খাওয়া হয় আর কি। মডারেশান ইজ দ্য কি!!!

তবে সাত কূল খেয়ে এক কূলে এসে চোখ পিটপিটায় কি আর হবে!!! :( এইটা ভুল কথা। আমাদের শরীর শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে। তাকে যত্ন নিলে সে এইসব ভুলত্রুটি খুব দ্রুত শুধরে নেয়ার চেষ্টা করে। যেমন, খুব ভালোভাবে নিয়ম মেনে চললে ৫/৬ মাসের মধ্যে একটা ফ্যাটি লিভার আবার আগের মতো হয়ে যায়। তাই শেষ পর্যায়ে যাওয়ার আগেই আমাদের স্বভাব চরিত্র বদলাতে হবে। অবশ্য যারা খাদক গোত্রের, তাদেরকে এইসব গেয়ানের কথা বলে কোন লাভ নাই। এদেরকেই কাউয়া চালাক বলা হয়!!!! B:-/

৫| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কায়সার হামিদের মা বিশিষ্ট দাবাড়ু রানী হামিদ।
আমরা একসাথে ঢাকা মহানগর দাবা লীগে খেলেছি।

.....................................................................................
ঐ সময়ে আমি ও দাবা লীগ খেলতাম
রেটিং খুব একটা আহামরি ছিলনা,
একদিন সবাই দেখি আমার টেবিল ঘিরে দাড়াঁয়ে আছে
জনাব সুজাউদ্দিন আমার কাছে কোনঠাসা হয়ে হারছে ।
এরপর আর সময় ও ধৈর্য রাখতে পরি নাই ।
তাহলে আপনার সঙ্গে কি দেখা হয়েছিলো ???

২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তাহলে আপনার সঙ্গে কি দেখা হয়েছিলো ??? হতেও পারে!!! সেবা প্রকাশনীর কাজি আনোয়ার হোসেনের ভাই কাজি মাহবুব হোসেনও আমাদের সাথে খেলতেন। বেশ ভালো দাবাড়ু ছিলেন।

৬| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

আরোগ্য বলেছেন: বহুদিন পর আপনের পোস্ট পাইলাম, ভালা আছেন নি? আমি বি এহন ব্লগে আহনের তেমন টাইম পাই না, যদিও কয়েক মাস আগে থেইকা ব্লগ থেইকা দুর দুর আছি, কিমুন জানি হয়া গেছে সামু। তাবি আহি কারণ সামুর লগে ভালোবাসার সম্পর্ক। যাই হোক আমার বিজি থাকনের কারণ আমার পোস্টে দিসি, আপনের মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি, শীঘ্রই আইবেন, ছোট লেখা মাগার কথা গুরুত্বপূর্ণ। !:#P

বর্তমানে নিউজ টিউজও তেমন দেহি না। ভোটের পর আমার মুড ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে বদলাইসে। দুঃখে আর শরমে কেওর লগে পলিটিকাল প্যাচালও পারি না। কারিনা কায়সার যেদিন মারা গেছে তার দুদিন আগে তার সম্পর্কে জানসি। মানুষ মুখের মজায় স্বাস্থ্যের বারোটা বাজায়, আমার ভাইটারে লয়াও চিন্তায় আছি। রুচির এমন বিপর্যয় হইসে ঘরের খাওন ওর স্বাদ লাগে না। ফার্স্ট ফুড আর বাম্বু টাইনা কি যে মজা আমার বুজে আহে না। আল্লাহ সব মানুষরে ভালো খাওনের রুচি আর ভোক দান করুক।

৭| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

মিরোরডডল বলেছেন:





ট্রিপ থেকে এসে যদি ছবি ছাড়া এমন একটা পোষ্ট দেয়, সেটা ইনকমপ্লিট মনে হয়। একটা ছবি এনাফ না।
যদিও এটা ছবি ব্লগ বা ভ্রমণ ব্লগ না, তারপরও কিছু ছবি মাস্ট।

জার্মানীতে থাকা আমার ভাতিজা একজন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা হয়েছে। এখন ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার পর আবার জার্মানীতে যাওয়া লাগবে।

Congratulations!
আমাদের ভুম দাদু হয়েছে।
তো দাদুভাই কি নবজাতক নাতনীকে দেখতে যাবে?
এতো ছোট বেবি সব একরকম লাগে দেখতে।
হ্যান্ডেল করাও কঠিন।
বাবু আরেকটু বড় হলে, কয়েক মাস হলে কোলে নিয়ে মজা, গুল্লু গুল্লু, নাদুস নুদুস।

৮| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বুদ্ধিমান হওয়া এবং সঠিক কাজটি করা- এটা হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে কঠিন কাজ।

৯| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: দীর্ঘদিন আপনি সামুতে নেই। ভেবেছিলাম আপনি মরে গেছেন।

১০| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৭

করুণাধারা বলেছেন: স্পেন দিয়ে শুরু ফুচকায় শেষ! ভ্রমণ থেকে নাতি, দাবা, হেলথ টিপস! ঝরঝরে লেখা। লাইক করেছি।

নাহ্ ! সিঙ্গারা খাই নাই। একটু সমঝে চলা ভালো।

কারিনা কায়সারকে আগে জানতাম না। এভাবে প্রাণবন্ত একজন মানুষ দূষিত খাবার খেয়ে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেল, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। মেয়েটির বাবা- মা মনে হয় মেয়ের ব‍্যাপারে তেমন সচেতন ছিলেন না।

আপনার এই সচেতনতানূলক পোস্ট পড়ে মনে পড়ল রাশেদ ভাইকে নিয়ে লেখা পোস্টের কথা। কেমন আছেন আপনার রাশেদ ভাই?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.