| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কলিমুদ্দি দফাদার
“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”
১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর সরাসরি নামাজ। সবমিলিয়ে ১৫-২০ মিনিটে কার্যক্রম।নামাজ শেষ করে মানুষ আবার যার যার কর্মস্থলে ফিরে যায়। ব্যক্তিগত ইবাদত ও দোয়া অবশ্য যার যার নিজস্ব বিষয়। মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় তে অবস্থিত ঐতিহাসিক যে বড় মসজিদ সেখানকার গ্রান্ড মুফতির দেখি মুখে দাড়ি নাই!!!!! কি তেলেসমাতি!!! বাংলাদেশের কোনো কোনো মজিদ মিয়া হলে হয়তো সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করতেন—“ কি মিয়া, মুখে নবীর সুন্নত কই?” যাইহোক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষের মুখে তুলনামূলক কম দাড়ি দেখা যাওয়ার পেছনে অবশ্যই জেনেটিক ও বংশগত কারণও রয়েছে।
২।আজকে অনেক দিন পর দেশে এসে জুমার নামাজ পড়লাম। মসজিদে বিদ্যুৎ নেই, এসি বন্ধ, প্রচণ্ড গরম এবং মানুষের ভিড়—সব মিলিয়ে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বাংলাদেশ মসজিদ গুলোতে আজান ১২:৩০ দিলে ও জামাত শুরু হলো প্রায় ১:৩০টায়। আরো মজার বিষয় হচ্ছে প্রায় সকল মসজিদে নামাজের সময় ১:৩০ লেখা থাকলেও বাস্তবে জামাত শুরু হয় ১:৩৫, ১:৪০-৪৫ এ। এর কারন ইমাম সাহেবের দের বেহুদা বাংলা বয়ান। কার্ল মার্কস রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, আইনস্টাইন, নিউটন, চিকিৎসা সম-সাময়িক রাজনীতি, বৈশ্বিক যুদ্ধ এমন কোন বিষয় নাই হুজুরেরা জানেন না। এরপরেই সাহায্যের আর্জি; এক খতিব স্ট্রোক করেছেন সবাই যেন সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেই বলে আবেদন আর সাথে জাকাত, পরকালে দানের নেয়ামত জুড়ে দিয়ে একটি হাদিস মেরে দিলেন ইমাম সাহেব। আমাদের সভাপতি সাহেব পাঁচ হাজার টাকা দান করেছেন আলহামদুলিল্লাহ!!! আরো এক ভাই ১ হাজার দিয়েছেন। সুন্নতের চার রাকাত নামাজের পর খুতবার আগে আবারো দানের বাটি চালান......
দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলো এখন এক একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রুপ নিয়েছে। মসজিদ কমপ্লেক্স বানানো বা এর উন্নয়নের কে কেন্দ্র করে চলে কোটি টাকা খেলা। দেশের সার্বিক রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলায় মান অনন্ত নিচু ও নৈতিক অবক্ষয় চরম মাত্রায় নিচু হলে ধর্মীয় আলেমদের ভালো করার সুযোগ ছিলো। কিন্তু তারা ও চলেছেন ধর্মীয় আবেগকে বেঁচে.....
ছবিতে সম্প্রতি তোলা পুত্রাজায়া মসজিদের কিছু চিত্র।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
দেশের এই বিদ্যুৎ ক্রাইসিস হুজুরদের উচিত ছিলো নামাজের সময় সংক্ষিপ্ত করা। এসি,ফ্যান, লাইট দেশের কয়েক লক্ষ মসজিদে দীর্ঘ সময় বসে থেকে বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে।
২|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি যে বিষয়টি বলতে চেয়েছেন সেটার আলাপ না বাড়ানোই ভালো। ইহা চুপচাপ হজম করে যেতে হবে ।
৩|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬
নাহল তরকারি বলেছেন: লেখাটি পড়ে মনে হলো, মূল প্রশ্নটি আসলে দাড়ি, খুতবার দৈর্ঘ্য কিংবা মসজিদের সাজসজ্জা নয়; বরং ইবাদতের সঙ্গে আমাদের আখলাক, দায়িত্ববোধ ও আত্মশুদ্ধির সম্পর্ক কতটা গভীর—সেটি। নামাজ অবশ্যই আল্লাহর প্রতি বান্দার গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, আর মসজিদ আল্লাহর ঘর—তাই মসজিদ পরিচালনায় অপচয়, অস্বচ্ছতা বা ধর্মীয় আবেগকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবশ্যই প্রয়োজন।
তবে একই সঙ্গে মনে রাখা দরকার, কোনো দেশের মানুষের দাড়ি কম বা বেশি হওয়া দিয়ে তাদের ঈমান কিংবা ধর্মীয়তার মাত্রা নির্ধারণ করা যায় না। আবার খুতবা দীর্ঘ হওয়া বা মসজিদে কোনো আয়োজন থাকা মানেই তা ধর্মের ব্যবসা—এমন সাধারণীকরণও যথাযথ নয়।
আমার মনে হয়, আমাদের প্রয়োজন ধর্মকে ছোট করা নয়, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে আরও জবাবদিহিমূলক, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক করা। ইবাদত যেন মানুষকে সময়ের মূল্য, পরিচ্ছন্নতা, সততা, আমানতদারি ও মানুষের হক আদায়ের শিক্ষা দেয়—সেখানেই তো ধর্মের সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায়।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইবাদতের পাশাপাশি উত্তম চরিত্র ও দায়িত্বশীল জীবনযাপনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
৪|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০৪
আহমেদ জী এস বলেছেন: কলিমুদ্দি দফাদার,
এটা মনে হয় ঠিকই বলেছেন - দেশের অধিকাংশ মসজিদগুলো এখন এক একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রুপ নিয়েছে। মসজিদ কমপ্লেক্স বানানো বা এর উন্নয়নের কে কেন্দ্র করে চলে কোটি টাকার খেলা।
সহ-ব্লগার নাহল তরকারি র মন্তব্যের প্রথম প্যারার সাথে সহমত.......
৫|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫১
কলাবাগান১ বলেছেন: নাহল তরকারির এ আই রিপ্লাই এর সাথে 'স হমত'
৬|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০৭
নিমো বলেছেন: দেশ ভর্তি মসজিদ, তাই দেশে হওয়া পাপ কাজগুলো নিশ্চয়ই মঙ্গল গ্রহের কাফির, মুশরিক, মালাউন, তাগুতিরা এসে করে।
৭|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১
নূর আলম হিরণ বলেছেন: ঢাকা শহরের অনেক মসজিদের ভিতরে জায়গা না হওয়ায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া হয়। প্রচন্ড রোদে কিংবা মাঝে মাঝে বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার উপক্রম থাকে। তখনও মসজিদের ইমাম লম্বা খুতবা ও লম্বা সুরা দিয়ে নামাজ পড়ায়। ইমামের এটা মাথায় রাখা উচিত বাইরের মানুষ অনেক কষ্টে রাস্তায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে।
আমার এক বন্ধু ওমান থাকে, ও বলেছে যদি ইমাম বুঝতে পারে মসজিদ ছাড়িয়ে রাস্তায় মুসল্লী দাঁড়িয়েছে তখন নামাজের মধ্যে থাকা সূরা গুলি খুব ছোট করে পড়ে যাতে বাহিরের মুসুল্লিদের কষ্ট কম হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের হুজুর রা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ হুজুর ।