| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো লেখক ও চিন্তাবিদ তাতে কোনও সন্দেহ নেই। অনেক সত্যি কথাই উনি বলেছেন। কিন্তু আবার একই সাথে উনার অনেক বক্তব্য অতিরঞ্জিত এবং প্লাউজিবল বা আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত। যেমন এই ভারতের ব্যাপারে আমাদের নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন । বক্তব্যটি বেশ কিছু দিক দিয়ে বিচার করা যায়। এক দিক দিয়ে দেখলে উনি ঠিকই বলেছেন, দেশের সমস্ত দিকেই ভারত, দোকানে বাজারে গেলেই ভারতীয় জিনিস, ভারতের টাটা গাড়ি সমানে দেশে চলছে, চিকিৎসা করাতে গেলে আকছারই ভারত যেতে হচ্ছে, ভারতীয় টিভি চ্যানেল আর নাচ গানে প্রজন্ম মেতে আছে, আর তারপরও আমরা ভারতবিদ্বেষী। কী ভয়ানক ভণ্ডামি!!
কথা হচ্ছে এই বক্তব্য হল সেটাই যেটা একটু আগেই বললাম অর্থাৎ plausible. যা বলেছেন আপাতদৃষ্টিতে খুবই যৌক্তিক, সন্দেহ নাই।
কিন্তু এখানে কথা আছে। প্রথম কথা হচ্ছে আমরা ভারতীয় জিনিস ব্যবহার করছি খাচ্ছি কোনটাই মিথ্যে নয় ঠিকই, কিন্তু এগুলো কোনটাই আমরা মাগনা বা ফ্রি খাচ্ছি না। অনেকটাই নিরুপায় হয়ে নিজের গাঁটের টাকায় কিনতে বাধ্য হচ্ছি। কারণ আমাদের দেশের বাজার ব্যবস্থা এমনভাবে দাঁড়িয়ে গেছে যে সস্তায় কিনতে হলে ভারত থেকে আনা ছাড়া এক দিক দিয়ে যেমন উপায় নেই, তেমনি আবার বিকল্প কোনও সোর্স থেকে যে এগুলো এদেশের আমদানিকারকরা আনবে সেটাও হয়ে উঠছে না। এক দিক দিয়ে ব্যবসায়ীদের লোভ এর জন্য দায়ী। কারণ সস্তায় ভারত থেকে এনে বেশী দামে বিক্রি করে এরা মুনাফা করছে। চাইলে এরা পাশের দেশ মিয়ানমার বা থাইল্যান্ড থেকেও এগুলো আমদানি করতে পারে। কিন্তু ভারত থেকে আমদানি করে যে মুনাফা এরা করবে সেটা থাইল্যান্ড বা মিয়ানমার থেকে আমদানি করে সেটা হবে না । তাতে কস্ট পড়বে বেশী। আবার দেশে সেগুলোর দামও পড়বে বেশী। আমরা এদের লোভের কাছে বন্দী হয়ে রয়েছি। যার কারণে অনেকটাই নিরুপায় হয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো তারা যা আনে সেটা কিনতে বাধ্য হচ্ছি। এটা পুঁজিবাদী ব্যবস্থারই ফসল। কারণ পুঁজিবাদ শুধুমাত্র মুনাফা করাকেই সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়। অন্য সমস্ত বিষয় তার কাছে গৌণ। আর তার ওপর এদেশের সমাজ যে কী লোভী সেটা নতুন করে ব্যাখ্যা করারও কিছু নেই। যদিও বাজারে থাইল্যান্ড, চীন বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসও পাওয়া যায়, তবে পরিমাণে কম।
আর নাচ গান , টিভি চ্যানেল এসব সাংস্কৃতিক দিক নিয়েও কথা আছে। ভারতের সাথে আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগটা ঐতিহাসিক নানা কারণেই গভীর। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সুতরাং তাদের সাথে সাংস্কৃতিক এই যে যোগাযোগ এটা আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না চাইলেও। তার ওপর আমাদের দেশের দেশের টিভি চ্যানেলগুলো এক দিক দিয়ে আমাদের দেশের সংস্কৃতিকে যেমন আকর্ষণীয়ভাবে এদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারছে না, মানুষ যেন এগুলোর দিকে চেয়ে ভারতের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে রাখে সেরকমভাবে রিপ্রেজেন্ট করতে পারছে না তেমনি এগুলো আমাদের তেমন কোনও নতুনত্বও দিতে পারছে না বা সুন্দর কোনও কিছু দিতে পারছে না। আমাদের দেশের সিনেমা এক সময় পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে দেখা গেলেও এখন তার যে চরম হতশ্রী দশা তাতে করে এগুলোর নামও মুখে নেয়া যায় না। আমাদের দেশের শিল্প সঙ্গীত যারা চর্চা করেন তারাও নিয়মিতভাবে কোনও উপভোগ্য, রুচিশীল, মননশীল এবং আকর্ষণীয় কিছু আমাদের উপহার দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
চিকিৎসার ব্যাপারেও আমাদের দেশের চিকিৎসকরা যেরকম চূড়ান্ত অদক্ষতা আর অপেশাদারি মনোভাব প্রদর্শন করে আসছেন নিয়মিত তাতে করে সস্তায় মানসম্মত চিকিৎসার আশায় অগত্যা ভারতের দিকেই যেতে বাধ্য হচ্ছে এদেশের মানুষ।
এই ব্যাপারগুলোও আমলে রাখা উচিৎ।
এখন কথা হচ্ছে এই যে আমরা এইরকম একটা অবস্থার ফলে ভারত আর ভারতীয়রা যাই বলবে আর আমাদের ওপর নানা রকমের অন্যায় করবে সেই সবকিছুই কি মেনে নেব? তাদের ওপর নানা কারণে নির্ভরশীল হয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছি বলে তাদের দাসত্ববৃত্তি করতে হবে?
সবাই (এক নিতান্ত ভারতের প্রতি দাসানুদাস মনোভাবাপন্ন আর আওয়ামী লীগের অন্ধ সমর্থক বাদে ) জানেন রাজনৈতিকভাবে বিগত আওয়ামী লীগ আমলে ভারত আমাদের সাথে কী করেছিলো আর আজও কীরকম অবন্ধুসুলভ আচরণ ভারত করছে। তো এই সবকিছু তাহলে মেনে নিতে হবে?
এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দরকার দেশের উৎপাদন ও বণ্টনের নানা সংস্কার এবং আমদানির ক্ষেত্রে বিকল্প উৎসের দিকে বেশী নজর দেয়া, যাতে ভারত নির্ভরতা কমে আসে। নিজের দেশের ভেতর অনেক সংস্কার করা দরকার এজন্য। এখানে ভারতকে খুব বেশী দোষ দিয়ে লাভ নেই। নিজের দেশের উৎপাদনশীলতা না বাড়াতে পারলে ওদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতেই হবে।
আরেকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে নিজের দেশের নানা অবস্থার কারণে আমাদের বিদেশের ওপর আমদানি নির্ভরশীল হতেই হয়। আমাদের সব জিনিসই আমরা কিন্তু ভারত থেকে আনি না বা আমদানি করি না। চীন থেকে আনি, জাপান থেকে আনি, ইউরোপের ফ্রান্স-জার্মানিসহ নানা দেশ থেকেই নানা জিনিস আমদানি করি বা আনি। তো এই আমদানি নির্ভরশীলতার অর্থ কি এটাই যে তাদের প্রতি আমাদের দাসত্ববৃত্তি অবলম্বন করতে হবে?
এই যেমন চীন থেকে আমরা অনেক কিছুই আনি। বিশেষ করে আমাদের ইলেকট্রিক এবং ইলেক্ট্রনিক বেশীরভাগ জিনিসই আমরা আমদানি করি চীন থেকে। এখন তার মানে কি এটাই দাঁড়ায় যে আমরা তাদের দাসত্ববৃত্তি করছি, না এই কারণে তাদের প্রতি আমাদের দাসত্ববৃত্তি করা উচিৎ?
আমাদের ভারতের প্রতি বিদ্বেষ মূলত তার রাজনৈতিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধেই, ভারতের রাজনৈতিক নানা অপকৌশলের বিরুদ্ধেই। ভারতের মানুষের বিরুদ্ধে নয়। ভারতের জিনিস কিনছি বা উপযুক্ত বিকল্প না থাকায় ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছি বলে তাদের দাস হয়ে থাকার জন্য নয়।
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: এজন্যই আমি পোস্টে বলেছি বিকল্প উৎস থেকে সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু এটা সম্ভব হচ্ছে না সরকারের অবস্থানের কারণেই। হয়তো আওয়ামী লীগ বিদায় নেয়ার পর বি এন পি ক্ষমতায় এসে যাতে টিকে থাকতে পারে সেজন্যই ভারতের সাথে আঁতাত করছে, যাতে ভারতের স্বার্থের ক্ষতি না হয়। সেজন্যই হয়তো আমাদের মন্ত্রী মহোদয় শেষমেশ অন্য কোনও উৎস থেকে ডিজেল না কিনে ভারতের কাছ থেকেই কিনছেন। গোটা ব্যাপারটাই আসলে রাজনৈতিক। এরা আসলে দেশের স্বার্থের দিকে একদমই তাকায় না। মধ্যপ্রাচ্যে না হয় যুদ্ধ চলছে। কিন্তু অন্য তেল উৎপাদনকারী দেশ, যেমন ধরুন পূর্ব এশিয়ার ব্রুনেই, তাদের কাছ থেকেও তো ডিজেল কিনতে পারতো সরকার। পারতো কি না? সেসব না করে এইসব ধড়িবাজ ক্ষমতাশালী রাজনীতিবিদরা এতো কিছুর পরও ফের ভারতের দিকেই মুখ ঘোরাচ্ছেন। আমরা এদের হাতেই তো বন্দী। করবেনটা কী?
২|
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:১৪
আহমেদ জী এস বলেছেন: অন্তর্জাল পরিব্রাজক,
আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের লোভী চরিত্রের সঠিক চিত্রায়ন করেছেন। দেশে ভারতীয় পণ্যের বেশুমার আধিপত্যের জন্যে দায়ী আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের লোভ । আপনি ঠিকই বলেছেন - কারণ সস্তায় ভারত থেকে এনে বেশী দামে বিক্রি করে এরা মুনাফা করছে। চাইলে এরা পাশের দেশ মিয়ানমার বা থাইল্যান্ড থেকেও এগুলো আমদানি করতে পারে। কিন্তু ভারত থেকে আমদানি করে যে মুনাফা এরা করবে সেটা থাইল্যান্ড বা মিয়ানমার থেকে আমদানি করে সেটা হবে না । তাতে কস্ট পড়বে বেশী। আবার দেশে সেগুলোর দামও পড়বে বেশী। আমরা এদের লোভের কাছে বন্দী হয়ে রয়েছি।
এর পাশাপাশি ক্ষমতায় থাকার জন্যে আমাদের দেশের অপদার্থ রাজনীতিকদের ভারতপ্রীতিও কম দায়ী নয়। এসব অপদার্থ ও ভন্ড রাজনীতিকদের নিয়ে গঠিত সরকারই আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের একচ্ছত্র ভাবে ভারতীয় পণ্য আমদানীতে উৎসাহ দিয়ে পারমিট বা ইমপোর্ট লাইসেন্স দিয়ে থাকে সম্ভবত যা অন্য দেশের বেলায় সহজে জোটেনা।
আপনি এটাও ঠিক বলেছেন -- এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দরকার দেশের উৎপাদন ও বণ্টনের নানা সংস্কার এবং আমদানির ক্ষেত্রে বিকল্প উৎসের দিকে বেশী নজর দেয়া, যাতে ভারত নির্ভরতা কমে আসে। নিজের দেশের ভেতর অনেক সংস্কার করা দরকার এজন্য। নিজের দেশের উৎপাদনশীলতা না বাড়াতে পারলে ওদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতেই হবে।
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৭
অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: এইসব অপদার্থ রাজনীতিবিদরাই তো এদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা। চাইলেই কিন্তু বিকল্প উৎস থেকে জিনিস সংগ্রহ করা যায়। কিন্তু এসব ক্ষমতাশালী রাজনীতিবিদদের শয়তানির কারণেই তো ভারতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছি। এটা তো কোনোভাবেই কাম্য নয়। এদের যদি সদিচ্ছা থাকতো তাহলে অন্য দেশ থেকে আমদানির জন্য আমদানিকারকদের লাইসেন্স বা পারমিশন দিতে কোনও প্রতিবন্ধকতা প্রশাসন তৈরি করতো না। ওদিকে ইস্টার্ন রিফাইনারিকেও সংস্কার করা যেতো যাতে বিদেশ থেকে ক্রুড পেট্রোলিয়াম দেশে এনে রিফাইন করে দেশের চাহিদা ঠিকমতো মেটানো যায়। দুনিয়ার অনেক দেশই এভাবে নিজের দেশের যাবতীয় তেলের চাহিদা মেটায়। কিন্তু আমাদের দেশ যারা চালায় তাদের এসব ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ বা নজর কোনটাই নেই। আর ব্যবসায়ীদের কথা তো বললামই।
৩|
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুমায়ূন আজাদের কথার ভালো একটা কাউন্টার দেওয়া যায়, কিন্তু আপাতত পড়ে গেলাম।
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৯
অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: তো দিন না কাউণ্টার। পড়ে কৃতার্থ হই।
৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ভৌগলিক কারণেই বাংলাদেশর ভারতের বলয় থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। এভাবে দেশ ভাগ করা ঠিক হয়নি- পশ্চিম বঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মনিপুর সহ সমগ্র সেভেন সিস্টার বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ ছিলো হাজার মাইল দূরের পাকিস্তানের সাথে কোন মতেই বাংলাদেশকে জুড়ে দেয়া ঠিক হয় নি।
বাংলাদেশকে একটি স্বয়ং সম্পুর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে দুটি পথ খোলা আছে- ১: বাংলাদেশকে ভারতের সাথে যোগ দিতে হবে আথবা ২: উপরোক্ত রজ্যগুলো বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ একটি আধা রাষ্ট্র হিসেবে টিকে আছে কোন মতেই এটিকে স্বয়ং সম্পুর্ণ একটি রাষ্ট বলা যায় না।
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪০
অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: দেশভাগের ইতিহাস পড়েছেন কখনো ভালো করে? পশ্চিমবঙ্গের কথা না হয় বাদই দিলাম। আসাম, ত্রিপুরা, মনিপুরসহ সেভেন সিস্টার্সকে কীসের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ ছিল বলে মনে করেন? সেসব দেশের মূল ধারার অধিবাসীরা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিকরণ কখনো চেয়েছে? তারা আমাদের কর্তৃত্ব, আমাদের অধীনতা কখনো মেনে নেবে? কখনো বলেছে সেরকম কিছু? "আধা রাষ্ট্র" আর "স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্র" এ দুটি বিষয় কীভাবে ব্যাখ্যা করেন একটু বুঝিয়ে বলবেন কি? আর বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার যে দুটি তরিকা দিলেন সেগুলো কীসের ভিত্তিতে, কার বানানো?
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের ভারতের প্রতি বিদ্বেষ মূলত তার রাজনৈতিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধেই,
ভারতের রাজনৈতিক নানা অপকৌশলের বিরুদ্ধেই।
............................................................................................................
তবে আমাদেরকেও ভদ্র ও সহনশীল আচরন করতে হবে ।
কথায় কথায় বলব দিল্লী না ঢাকা আবার রাত বলব ভাই
ডিজেল সাপ্লাইটা একটু তারাতাড়ি দিবেন ???