| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চলনবিল মানবাধিকার আসক
আমি মোজাম্মেল হক। আমার স্বপ্ন আঠারো কোটি লোকের কথা বলি দুর্নিতি মুক্ত দেশ গড়ব বলে।
মোজাম্মেল হক নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ -৪২ বছরেও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হত্যার বিচার হয়নি
নাটোরের বড়াইগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী আটঘরিয়া উপজেলার সীমান্তে দূর্গাপুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন হত্যার ৪২ বছর পরও খুনীদের বিচার হয়নি। ক্ষমতার পালাবদলে দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এ হত্যাকান্ড ধামাচাপাই রয়ে গেছে। বিচার না পেয়ে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন এই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বজনেরা।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৪ সালের জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে নিজ বাড়িতে নামাজরত অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনকে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সে সময় এ ঘটনায় একই গ্রামের আব্দুর রহিম ঈমান ও পার্শ্ববর্তী রামেশ্বরপুর গ্রামের মিজানুর রহমান জিন্নাহকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে সেটি ধামাচাপা পড়ে যায়। পরবর্তীতে অনেক চেষ্টার পরও নানা জটিলতায় মামলাটি আর আলোর মুখ দেখেনি। ১৯৯৭ সালে নিহতের ছেলে এশারত আলীর লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি পুনঃতদন্তের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি। দীর্ঘ চার দশক পরেও পিতৃহত্যার বিচার না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন এশারতসহ পরিবারের অন্যরা।
এ ব্যাপারে এশারত হোসেন বলেন, অনেক তদ্বির করেও আসামীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারিনি। আবার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবেও কোন মূল্যায়ন পাইনি। উল্টো আসামী পক্ষের হুমকির মুখে একমাত্র ছেলেকে সহ আমি নিজে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। এ ব্যাপারে আটঘরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহুরুল হক বলেন, তিনি জীবনবাজি রেখে আমাদের সাথে যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু স্বাধীন দেশে তার খুন হওয়া এবং বিচার না হওয়াটা খুবই অমানবিক। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার খুনীদের উপযুক্ত বিচার দাবী করছি।
- See more at: Click This Link 
©somewhere in net ltd.