| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চলনবিল মানবাধিকার আসক
আমি মোজাম্মেল হক। আমার স্বপ্ন আঠারো কোটি লোকের কথা বলি দুর্নিতি মুক্ত দেশ গড়ব বলে।
নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের সিংড়ায় বড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচটি পদে গোপনে নিয়োগ দেয়ার পায়তারা চলছে এমন অভিযোগ পাওয়ায় এলাকাবাসী নিয়োগ বন্ধে সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নাটোর কোর্টে মামলা করেছে। সরকার গত ২২ শে অক্টোবর এক প্রজ্ঞাপনে সকল নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করে ৩০ ডিসেম্বর অন্য একটি পরিপত্রে নতুন আর কোন নিয়োগ না দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কয়েকজন সদস্য প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় আগে নিয়োগ দিতে না পেরে গোপনে কিছু প্রার্থী ঠিক করে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়। তারা কুবই গোপনে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ শুরু করে। শিক্ষা অফিসের কিছু অসাধু কমচারী-কর্মকর্তার যোগসাজসে নিয়োগের বৈধতা দিতে বেশী পয়সা খরচ করে ‘ব্যকডেট’ এ ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর কম পরিচিত একটি দৈনিক প্রত্রিকায় শরীর চর্চা, কাব্যতীর্থ, বাংলা শিক্ষক এবং এমএলএসএস পদে নিযোগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যাদের নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে তারা প্রায় সবাই এলাকার বাইরের তাই বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার যুবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এই অবৈধ নিয়োগ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপ উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক রফিকুর ইসলাম বলেন, এটা ম্যানেজিং কমিটির বিষয়। তিনি চাকুরি করেন মাত্র। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুসহাক আলী বলেন,স্কুর কমটিরি কিছু লোক গোপনে কয়েকজনকে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছে অএমন কথা তিনিও শুনেছেন তবে ওই ব্যপারে তার কাছে কেউ আসেনি। অবৈধ ভাবে নিয়োগের কোন ব্যবস্থা নেই। জেলা শিক্ষা অফিসার মকসেদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে নিযোগ দেয়াটা একদমই অসম্ভব ব্যপার এবং এর কোস সুযোগও নাই।
©somewhere in net ltd.