নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাসিক সবুজের বুকে লাল তরঙ্গ চলনবিল

চলনবিল মানবাধিকার আসক

আমি মোজাম্মেল হক। আমার স্বপ্ন আঠারো কোটি লোকের কথা বলি দুর্নিতি মুক্ত দেশ গড়ব বলে।

চলনবিল মানবাধিকার আসক › বিস্তারিত পোস্টঃ

তীব্র খরায় পুড়ছে ফসলের মাঠ

০১ লা মে, ২০১৬ সকাল ৮:১৪

News24nd.com
তীব্র খরায় পুড়ছে ফসলের মাঠ

মোজাম্মেল হক নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরসহ জেলার ৬টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র তাপদাহে পুড়ছে ফসলের মাঠ। টানা খরায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র সেচ সংকট। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাদাম, ভুট্রা, কালাই, তিল, পাট, আখসহ বিভিন্ন রবিশস্য ফসল টানা তীব্র খরায় শুকিয়ে মরে যাওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে, তেলের দাম বেশি হওয়ায় ফসলের জমিতে সেচ দিতে পারছেন না অনেক কৃষক। ফলে অনেক ব্যায়ে চাষ করা ফসল নিয়ে শঙ্কায় দিন পার করছেন জেলার চাষীরা। চলতি রবিশস্য মৌসুমে তীব্র খরায় কৃষকদের আর্থিক লোকসান কমাতে উদ্বৃত্ত কৃষি বরাদ্ধের আবেদন জানিয়েছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নাটোর সদর উপজেলার শংকরভাগ মাঠের অধিকাংশ জমিই শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। বাদাম, কলাই, ভূট্টা, তিলসহ অন্যান্য ফসল শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। জমিতে পোকার আক্রমনও মাত্রারিক্তভাবে বেড়েছে। তীব্র খরা ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ কার্য পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার, জমিতে কোন রকমে একবার সেচ দিলেও সেচ দেওয়ার সাথে সাথেই শুকিয়ে যাচ্ছে সেচের পানি। প্রতিদিন পোকা-মাকড়ে আক্রান্ত হচ্ছে নতুন নতুন ফসলের জমি। সারাদিন তীব্র রৌদ্রের কারনে জমির পোকা দমনে ঠিকমত ¯েপ্র করা যাচ্ছে না। এতে চলতি রবিশস্য মৌসুমে আর্থিক লোকসানের আশংকা করছেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা। শুধু মাঠের ফসল নয়, তীব্র খরায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে আম, কাঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন ফল-ফলাদি। এছাড়া, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আম-কাঠাল পেকে যাওয়ায় তা পরিমানে কম, অপরিপক্ক ও পোকায় আক্রান্ত হচ্ছে। তবে অচিরেই বৃষ্টিপাত না হয়ে এভাবে যদি খরা চলতে থাকে তবে মাঠের সব ফসল মারা যাবে। যতটুকু ফসল ঘরে আসবে তা দিয়ে আর সংসার চলবে না বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক বকুল আলী জানান, ৭১’এর যুদ্ধের পর থেকে এখন পর্যন্ত এবারের মত খরা আমি আর কোনদিন দেখিনি।
মজুরী বিক্রি করে ২বিঘা জমিতে বাদাম লাগিয়েছিলাম। তীব্র খরায় পাট, কলাইয়ের মত বাদাম পুড়ে মরে গেছে। এবছর আর উৎপাদন ব্যয় উঠানো সম্ভব নয়।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক শ্যামলাল তেলী জানান, এই মুহূর্ত্বে ফসলের জন্য বৃষ্টিপাত হওয়া অতি জরুরী। কৃষকদের আর্থিক লোকসান কমাতে সংশ্লিষ্ট মহলের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আলহাজ উদ্দিন আহম্মেদ জানান, দু’তিনটি উপজেলায় তীব্র খরায় ফসলের সমস্যা হচ্ছে তবে তা পরিমানে কম। তাছাড়া, খরা কমবেশি লেগেই আছে। বৃষ্টিপাত না হওয়াতে জমিতে সেচের পরিমান বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.