| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চলনবিল মানবাধিকার আসক
আমি মোজাম্মেল হক। আমার স্বপ্ন আঠারো কোটি লোকের কথা বলি দুর্নিতি মুক্ত দেশ গড়ব বলে।
বুলবুল আহমেদ
নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জমানের অভিযানে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল দুই কিশোরী। বুধবার বিকালে নাটোর সদর উপজেলার দীঘাপতিয়া ও হালসা ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে আকলিমা ও শাপলা নামের দুই কিশোরীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহি হাকিম মোহাম্মদ নায়িরুজ্জমান।
নাটোর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আলী আকবর বলেন, সদর উপজেলার দীঘাপতিয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া সামসুল আলমের মেয়ে শাপলা খাতুনের অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বাল্যবিয়ে প্রস্তুতি দেখে বিয়ে না দেয়ার নির্দেশ দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। পরে, শাপলার অভিভাবক তার বয়স ১৮ বছর পুর্ন না হলে বিয়ে দিবেন না শর্তে মুচলেকা দেয়।
অপরদিকে শাপলার বিয়ে বন্ধ করে ফেরার সময় তাৎক্ষনিকভাবে খবর পেয়ে হালসা ইউনিয়নের পার খোলাবাড়িয়া গ্রামে জহুরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালান একই ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ব্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে বর সাদ্দাম হোসেনসহ বরযাত্রী পালিয়ে যায়। পরে কনের বাবা জহুরুল ইসলামকে ১৫দিনের করাদন্ড এবং বরের চাচাতো দুই সিদ্দিক আলী-৩৫ ও রায়হান আলী-২৭ কে ৭ দিনের করে কারাদন্ড প্রদান করে। শাপলা খাতুন, ১৪, খোলাবাড়িয় দাখিল মাদ্রাসার ৮ শ্রেনীর ছাত্রী।
সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জমান বলেন, বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে তিনি নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে ইমাম, কাজী ও পুরোহিতদের নিয়ে সচেতনতামুলক সভা করা হয়েছে। ফলে সদর উপজেলায় বাল্যবিয়ে দিনদিন কমে আসছে। 
©somewhere in net ltd.