| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপলক
তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।
খাম্বা তারেক ওরফে খাল তারেক ওরফে কার্ড বাবা... তারপর হবে বন্যা বাবা। কিন্তু কেন এই ভবিষ্যৎবানী?
পানি সবসময় উঁচু থেকে নিচু জায়গায় গড়িয়ে যায়। বাংলাদেশের বিশাল বিশাল নদীগুলাে মানব সৃষ্ট কারনে এবং প্রাকৃতিক কারনে এখন নাব্যতা শূন্য। উপরন্তু ভরাট হয়ে গেছে। ফলে উজানের পানি অগভীর নদীতে এসে চারপাশের বিস্তীর্ন এলাকায় ছড়িয়ে যায়।
খাল কাটাতে আসছে বছরগুলোতে যে সুবিধা হবে, হু হু করে নদীর পানি শহরে বা গ্রাম থেকে গ্রামে তলিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আগের সরকারে ছিল এক ডিজিটাল প্রতিবন্ধী বিজ্ঞানী আর এখন আমরা পেয়েছি, খালকাটা কামলা বিজ্ঞানী। দুটোই সময়ের অনুপযোগী।
কিন্তু খাল কাটায় এত উৎসাহ কেন?
১) দ্রুত নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষার ইমেজ তৈরী করা।
২) সরকারী কোষাগার ফাকা করে তৃণমূল পর্যায়ে টাকা পৌছিয়ে দেয়া।
৩) মৃত নদীকে খাল হিসেবে ঘোসনা করা এবং জমি দখল করতে সুবিধা দেয়া।
৪) খাল কে বৃহৎ ড্রেনে পরিনত করা এবং আশপাশের দখলবাজদের আজীবনের জন্যে সু্বিধা দেয়া।
৫) স্বল্প খরচে হৈ হৈ রৈ রৈ করে দেখানো যে সরকার এবং দলীয় চামচা কর্মীরা খুব এক্টিভ এবং জনহিতৈষী।
৬) খাল কেটে কুমির আনা মানে বন্যা কবলিত এলাকার পরিধি বাড়ানো। ফলাফল ত্রান তৎপরতার অযুহাতে বিদেশী সহায়তার নামে দান খয়রাত আহরণ।
৭) দেশের ইমেজ নষ্ট করে উন্নয়নশীল তালিকা থেকে স্বল্প উন্নত দেশের তালিকায় ফিরিয়ে এনে বাণিজ্যিক সুবিধা পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কর মৌকুফের অছিলা খোজা।
খালকাটা কামলা বিজ্ঞানীর বাবা আশির দশকে যে খাল বিল খনন করার উদ্দ্যোগ নিয়েছিল, সেটা সময়োপযোগী ছিল। ৪৭ বছর পেছনে ফেরার কোন মানে হয় না। তাও হতো, যদি অন্য কোন জাতীয় গুরুত্বপূর্ন কার্যাদি না থাকত। দেশের অনেক সেক্টর আছে, যেখানে চোখ ফেরানো খুব জরুরি। অর্থ শুধু ব্যয় করলেই চলে না, সেখান থেকে অর্থ ফিরে পাওয়ার উপায়ও ভাবতে হয়।
আজকের খোড়া খাল, কালকেই ভরাট হবে। বাঙালী এখন খাল ভরাটে অভ্যস্ত। নদী দখলে সিদ্ধহস্ত। মৃতপ্রায় বা দূষণে পরিপূর্ন নদী থেকে আর্থিক সুবিধা পাওয়া এখন দু:স্বপ্ন। এই সেক্টরে ইনভেস্ট এখন বোকামী।
নদীগুলো যদি তারুন্য ফিরে পেত, নদীর পানিতে অনেক স্রোত থাকত বা গভীরতা থাকত, তাহলে খালগুলো নিজে থেকেই বেঁচে উঠত। বহু জায়গায় স্থানীয়রা নিজেরাই খালকে পুন:রুদ্ধার করত। অথবা পর্যায়ক্রমে খাল খনন করা যেত। এখনি অগ্রাধিকার প্রজেক্ট হবার যোগ্যতা রাখে না এই খাল খনন।
রিজভী, জাহেদ উর রহমান বা মাহদী আমিন মিডিয়াতে বসে এত যে বক বক করে, ১৭ বছর হিসু আটকিয়ে ক্ষমতার গতিতে বসে কি মাথার ঘেলু ইয়ে দিয়ে বের করে দিয়েছে? খাম্বা তারেক কে উপদেশ দিতে পারে না? এইসব বকর বকর উপদেষ্টা কার আঁটি বাধতেছে? খাম্বা তারেক যে অদূর ভবিষ্যতে বন্যা বাবা/ ত্রানকর্তা উপাধি পাবে, বকর বকর কমিটি সেটা বোঝে না?
২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:০২
অপলক বলেছেন: কেমনে?
বাংলাদেশ জন্ম নেবার পর থেকে কোন সরকার আমজনতার রক্ত চুষে খায়নি? কিন্তু কখনও কখনও চুপ থাকতে পারি না। স্বগতোক্তির মত কথা বেরিয়ে আসে। চোখে আঙ্গুল দিয়ে ভুল দেখিয়ে দেই। কিন্তু জানেন-ই তো, যেখানেই চিৎকার করিনা কেন, আমার মত সাধারন মানুুষের কথা জায়গা মতো পৌঁছায় না। অরণ্যে রোদন আর কি...
২|
২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:১৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আপনার ভবিষ্যৎ বাণী সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা ই মনেহয় বেশি। এইসব ছাতা-মাতার কার্ড আর খাল-খনন বিভিন্ন জেলা সফরে সফর অপ্রয়োজনীয় অর্থ নষ্ট দেশের এই সার্বিক অর্থনৈতিক টানা-পোড়নে। ওনার বরং কমপক্ষে এক বছর কার্যালয় থেকে সরকারি খরচ কমানো সহ অর্থনীতি চাঙ্গা করার দিকে বেশি মনোযোগী হওয়ার দরকার ছিলো।
যাইহোক তবে একথা ও সত্যি বিএনপি সহ তারেক জিয়ার সরকার কে এখন ই কোর্ট মার্শাল করে সমালোচনা করার সময় হয় নাই সময় সবকিছু বলে দিবে। সম্প্রতি যে বাচ্চা মেয়েটি মারা গেছে প্রধানমন্ত্রী হয়ে শোকার্ত পরিবারের বাসায় শান্তনা দেবার বিষয়টি প্রশংসার দাবী রাখে......
২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:০৮
অপলক বলেছেন: ওনার বরং কমপক্ষে এক বছর কার্যালয় থেকে সরকারি খরচ কমানো সহ অর্থনীতি চাঙ্গা করার দিকে বেশি মনোযোগী হওয়ার দরকার ছিলো।
এ ব্যাপারে আপনার সাথে এক মত আমিও...ধন্যবাদ।
৩|
২৩ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৭
নতুন বলেছেন: তারেক জিয়ার ব্যক্তিগত কাজ গুলি ভালোই করছেন। কিন্তু দলের উপরে নিয়ন্ত্রয়ন কতটুকু সেটার উপরে নির্ভর করবে দলের সাফল্য।
উনি ব্যক্তিগত ভাবে বেশ পরিবর্তিত হয়েছেন এতো দিন বিদেশে থেকে সেটা বোঝা যায়।
এখন যদি উনার পাশে শক্ত কিছু মন্ত্রি, নেতা উনার ভাবনার সাথে একমত হয়ে কাজ করে তবেই ভালো কাজগুলি দেখা যাবে।
কিন্তু দলে যেই পরিমানে আমলিগ, জামাতের গুপ্ত আছে তাতে মনে হয় না দূনিতি, সন্ত্রাস, দখলবাজী বন্ধ করা এতোটা সহজ হবে।
২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:০৭
অপলক বলেছেন: গদিতে যারা বসে সবাই একই চিজ... ভালোর চেয়ে মন্দের তালিকা বড়। তার উপর স্বল্প শিখিত বা ব্যবসায়ীরা এখন মন্ত্রি মিনিষ্টার। যেটা আরও খারাপ।
৪|
২৩ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: গালি-গালাজ না করেও তো গঠনমূলক আলোচনা করা যেত-
খাল খননে উপকার আছে। তবে উজান থেকে পর্যাপ্ত পানি না আসলে শুকনো মৌসুমে খুব একটা লাভ হবে না।
আপনি যে কথাটা বললেন যে, খাল খননের ফলে বন্যা কবলিত এলাকার বিস্তৃতি বাড়বে, তা একেবারেই ঠিক না। বন্যার স্থায়িত্ব ও মাত্রা উল্টো কমার কথা। উপরন্তু ঢাকা/বরেন্দ্রসহ কিছু এলাকায় খাল পুনরুদ্ধারসহ খাল খনন করে ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো খুবই জরুরী।
তবে অন্যান্য এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানিই যথেস্ট কৃষিকাজের জন্য, এ বিষয়ে গবেষণা আছে- বেশির ভাগ এলাকায় ভুগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ ঘটে।
২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:১১
অপলক বলেছেন: অস্বীকার করছি না খাল খননে উপকার আছে। কিন্তু সেটা স্থান কাল এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বুঝে করা দরকার ছিল।
সামান্য খাল খনন করতে যদি প্রধানমন্ত্রীকে স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়, তারপর বরাদ্দ নেই বলে খনন কাজ থামিয়ে দিতে হয়, তাহলে তার চেয়ে হাস্যকর আর কিছু নেই জনাব আলামিন।
৫|
২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:০২
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আরিচা-গোয়ালন্দ বাঁধ নিয়েও কিছু বলুন।
এই বাধ তো বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে দেবে বলে শুনছি।
৬|
২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৭
এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো বলেছেন: আপনার মতো বিজ্ঞানী সামুব্লগে খুব দরকার।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগেই ভালো ছিলেন ?