নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

রোকসানা লেইস

প্রকৃতি আমার হৃদয়

রোকসানা লেইস › বিস্তারিত পোস্টঃ

জীবন এক মরীচিকা

১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:২৬


ফেসবুক এ কতজনই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় সবার সাথে কথা হয় না। তানিম ছেলেটি কবে থেকে ফেসবুক এ ছিল মনে নেই। একসময় সে যোগাযোগ করল আমার লেখা, পড়ার আগ্রহ দেখালো। আমি কি কবিতা, গল্প লিখি জানতে চাইল। জানালো সে একজন প্রকাশক, ইচ্ছে স্বপ্ন নামে একটি প্রকাশনা আছে।
এক সময় গল্প, কবিতা সবকিছুই ফেসবুক এ পোস্ট করতাম। চুরি হয় বলে, এখন আর সে ভাবে গল্প, কবিতা সাহিত্যের কিছু আর পোস্ট করিনা। নিজের গল্প, ভ্রমণ বিষয়ে কিছু লিখা পোষ্ট করি। অনেক সময় সেটাও দেখি চুরি হয়ে করে ফেলে মানুষ। আরেকজনের ভ্রমণ বা নিজের গল্প কিভাবে নিজের গল্প হয় তা জানিনা।
তানিমকে পুরানো কিছু লেখা দিলাম ফেসবুক থেকে। আমার লেখা গানের লিংক দিলাম, পুরানো ফেসবুক এর পোস্ট থেকে। রকমারিতে আমার বই আছে পড়তে পারে ইচ্ছে হলে জানালাম।
মাঝে মাঝেই তানিম ফোনে কথা বলতো। ওর ভোর রাত তখন। রাত জেগে কাজ করতো। এত রাতে কথা বলছো কেন ঘুমাতে যাও বলতাম। বলত কাজ করতে করতে টায়ার্ড হয়ে গেছি, এখানে বিদ্যুতের আলো আর অন্ধকার। কালো কালো অক্ষরের সাথে থেকে ক্লান্ত হয়ে গেছি। আপনাদের ওখানে তো দিন একটু দিনের আলো দেখান। শীতকালের তুষারধবল মাঠ দেখে বলতো ঠান্ডা লাগছে আমার। এত বরফের ভিতরে কিভাবে থাকেন। আমি লন্ডনে ছিলাম, কিন্তু এত বরফ দেখি নাই। সিলেটিরা তো লন্ডনেই থাকে, তুমি ফিরে গেছো কেন? আমি জানতে চাইলে বলত ভালোলাগে না । বইয়ের সাথে থাকতে খুব ভালো লাগে। প্রকাশনী আছে, "ইচ্ছে সপ্ন প্রকাশনী" ইচ্ছে গুলো পূরণ করার জন্য প্রকাশনীটি করেছি। আমার প্রকাশনীটি বাংলা বাজারে একদম যেখান থেকে বই প্রকাশ শুরু হয়েছিল। দেশে আসলে আসবেন।
ও আমাকে ভিডিও কলে সাজানো গোছানো সুন্দর অফিসটি দেখাতো। সারি সারি সাজানো বই মাটি থেকে ছাদ পর্যন্ত উঠে গেছে অনেক নতুন বই। বলত এই রুমের পাশে আমার একটা রেস্ট রুম আছে। এখানেই আমি মাঝে মাঝে কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেলে ঘুমাই।
আমি বলতাম রেস্টরুম বলো না। আমেরিকায় টয়লেটকে রেস্টরুম বলে। ও বাচ্চাদের মতন অবাক হতো আবার হাসত, জানতাম না তো । আপনার কাছে শিখলাম। আমার রেস্টুরুমকে তাহলে কি বলবো? আমি বলতাম বাংলায় বলো আরামের ঘর। তুমি যাও আরাম করো ঘুমাও ।
ও কথার পরে কথা একটা থেকে অন্যটাতে চলে যেত। নিজের কথা বলতে খুব ভালোবাসতো। মাঝে মাঝে মজা করে, উল্টাপাল্টা কথা বলত। তার মাঝখান দিয়ে বলতো আপনার লেখা খুব ভালো। আমি পড়ি, সেজন্যই আপনাকে খুঁজে পেয়েছি। আমি আপনার বই করবো। আমি বললাম, করো। পান্ডুলিপি পাঠিয়ে দিব, টাকা-পয়সা চাইবে না। আজকালতো লেখকের টাকা দিয়ে বই করার নিয়ম হয়ে গেছে। আপনার বই নিজেই করবো পাঠান পান্ডুলিপি। কবিতার বই করব। আমি বললাম ছোটগল্পের বই।
আমি ভাবতাম সে মজা করছে। কথাগুলো সিরিয়াস হয়ে গেলো কথা বলতে বলতে। চব্বিশ সালের নভেম্বর থেকে বই করার জন্য তাগদা দিতে থাকলো। টাকা-পয়সা দিয়ে আজকাল বই প্রকাশ করতে হয় এজন্য আমি বই প্রকাশ করবো না সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তানিম কোন টাকা-পয়সা নিবে না আমার থেকে বই করে দিবে। কিন্তু শর্ত হলো বই প্রকাশের সময় আমাকে থাকতে হবে। অনেকটা সময় পরে তামিমের জোড়াজুড়িতে লেখাগুলো খুঁজে বের করে আবার পান্ডুলিপি করতে বসলাম।
লিখতে লিখতে এত গল্প জমা হয়ে আছে নিজেরই জানা ছিল না। বেছে বেছে কিছু গল্প নিয়ে তানিমকে পাঠালাম। এ বছরের বইমেলা রোজার জন্য পিছাল মার্চে। এছাড়া সেভাবে বইমেলা জমে নাই । বইটা বইমেলার পরেই করবে জানাল। আমার কোন তাড়া ছিল না, সে যখন করে করুক। যখন গল্পগুলো পাঠালাম আমি একটু সিরিয়াস কয়েকদিন সে আর যোগাযোগ করে না। ভাবলাম আমার গল্প না আর কারো নামে ছাপিয়ে দেয়। আজকাল মানুষকে পুরো বিশ্বাস করতে পারি না। সন্দেহ উঁকি দেয়।
বেশ কিছুদিন পর ফোন করল, গম্ভীর কণ্ঠ বানিয়ে বলল, আপনার বইটা করব না। সারাদিনের ব্যাস্ততার পর কেবল কাজ থেকে ফিরেছি, এখন ঘরের একগাদা কাজ । তার মধ্যে এ রকম কথা আমার বেশ রাগ হলো। ওকে বললাম। এ কথাটা প্রথমেই বলতে পারতে। আমার পান্ডুলিপি নেয়ার পর কেন বলছো। আমি তো বই করতে চাইনি। আমি টাকা দিব না সে তো আগেই বলেছি। ও বলে আমি ও তো টাকা চাইনি আপনার কাছে। তাহলে বই করবে না কেন? এমনি আমার ইচ্ছা।
বই না করলে শুধু আমার সময় নষ্ট করালে কেন। আমার উতপ্ত কথার মাঝে,একটি মেয়ে কথা বলে উঠল, মেয়েটির কথার মাঝে হাসির আভাস। আপা আপনার বই ও করবে। আপনার লেখা ওর খুব ভালোলেগেছে। ও আসলে এমন মজা করে। আপনাকে ক্ষেপিয়ে দিয়ে ও মজা করছে। আমি বললাম, তুমি কে? পরে জানলাম ওর স্ত্রী যে নিজেও লেখালেখি করে।
মাস তিন আগে একদিন হঠাৎ করে ফোন করল, আপনার বইয়ের প্রচ্ছদটা করে ফেলি। লেখার কাজগুলো গুছিয়ে ফেলেছি । সব ঠিকঠাক করে রাখি এ বছরের শেষে ছাপিয়ে ফেলবো এতে আপনার বই চলে আসবে বইমেলার শুরুতে।

একদিন ফোন করে বলল, কাল আপনার সময় হবে আমাদের বিকালে? ওরা একটা সাহিত্য আলোচনা করবে অনলাইনে, সেখানে আমাকে রাখতে চায়। রাত গভীর সময় হবে এখানে সেটা সমস্যা না। কিন্তু পরদিন কাজের দিন হওয়ায় খুব ভোরে আমার বেরুতে হবে। তাই ওর অনলাইনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারলাম না সেদিন। পরের বার হবে আগে থেকে জানিও তাহলে সময় রাখতে পারব। এক সাথে অনেক কিছু করতে শুরু করেছিল।
একদিন জানলাম ওর ছেলেটার খুব শরীর খারাপ হাম হয়েছে হামের প্রকোপ সে সময় মহামারীর আকার ধারণ করেছে। বাবা হিসেবে ছেলের জন্য খুবই চিন্তিত । এর কিছুদিন পরই শুনলাম ওর হার্টের সমস্যা অসুস্থ ছিল বেশ কিছুদিন। দেশে গেলে ওর সাথে দেখা করতেই হবে। দেশে গেলাম তানিমের সাথে দেখা করার সময় করতে পারলাম না। ফোনে কথা হলো মন খারাপ করলো। বই প্রকাশের সময় থাকত্ই হবে, আবদার করল। গত পরশু তানিম চলে গেছে এ পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে। কত সপ্ন ছিল তার কত কিছু করার। সব থেমে গেল তার সাথে। দেশে গেলেও আর ওর সাথে দেখা হবে না ভাবতেই পারছি না বিষয়টা।
পরশুদিন ফেসবুকে ছিলামই না সারাদিন ব্যাস্ততার জন্য।
গতকাল মাঝরাতে ফেসবুক এ খবরটা দেখে স্তব্ধ হয়েই বসে থাকলাম। কত আর বয়স হয়েছিল ছেলেটার, ইচ্ছে স্বপ্ন নিয়ে ইচ্ছে পূরণের জন্য খাটাখাটি করতো আব্দুল্লাহ আল তানিম। অথচ সব রেখে অন্য লোকে পাড়ি জমিয়েছে এত তাড়াতাড়ি । স্বপ্নগুলো রয়ে গেল, তানিম চলে গেলে অন্যলোকে। তার আত্মার শান্তি কামনা করি। ভালো থাকুক তানিম যেখানে আছে।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



গবেশনামুলক ও জনসেবামুলক কাজে অতি ব্যস্ততার মাঝে আছি ।
একটু ফুরসত পেলে আপনার এই সাহিত্য কর্ম বিষয়ে মনযোগ
দিব ইনশাল্লাহ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: মানুষ এভাবেই কত স্বপ্ন রেখে চলে যায়
না ফেরার দেশে
কষ্ট লাগলো

৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: রোকসানা লেইস,




জীবন আসলেই এক মরীচিকা!!!!!
ভালো থাকুক তানিম, যেখানে আছে......

৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




বেশ সময় নিয়ে লেখাটি পড়লাম । লেখাটি পড়তে গিয়ে বারবার মনে হলো কিছু মানুষ খুব অল্প সময়ের পরিচয়েও
জীবনের খুব গভীর জায়গায় জায়গা করে নেন। তানিমের সঙ্গে আপনার সম্পর্কটিও যেন ঠিক তেমনই এক অদ্ভুত,
অথচ আন্তরিক সাহিত্যিক সম্পর্কের গল্প। শুরুতে একজন ফেসবুকের পরিচিত মানুষ, তারপর লেখার পাঠক, এরপর
প্রকাশ কম কথায় কথায় যে সম্পর্কটি ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তা শুধু একটি বই প্রকাশের সম্পর্ক হয়ে
থাকেনি; তার মধ্যে বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা, স্নেহ এবং এক ধরনের আত্মিক যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল।

বিশেষ করে তানিমের কথাগুলো কালো কালো অক্ষরের সাথে থেকে ক্লান্ত হয়ে গেছি, বইয়ের সারি দিয়ে সাজানো
অফিস দেখানো, নিজের ‘রেস্টরুম’কে ‘আরামের ঘর’ বলা শেখা, আপনার লেখা পড়ে বই করার আগ্রহ এসব ছোট
ছোট স্মৃতিই মানুষটিকে আমাদের সামনে জীবন্ত করে তুলেছে। একজন প্রকাশক হিসেবে সে শুধু বই ছাপতে চায়নি;
মনে হয়েছে, সে বই এবং লেখকদের ঘিরে নিজের একটি স্বপ্নের জগৎ তৈরি করতে চেয়েছিল। ‘ইচ্ছে স্বপ্ন’ নামটির
মধ্যেও যেন তার নিজের জীবনদর্শনটি লুকিয়ে ছিল অন্যের ইচ্ছা ও স্বপ্নকে বইয়ের মাধ্যমে বাস্তব করে তোলা।

আপনার লেখার সবচেয়ে বেদনাদায়ক জায়গাটি আমার কাছে মনে হয়েছে আপনি যখন সন্দেহ করেছিলেন, হয়তো
বইটি আর হবে না, হয়তো পাণ্ডুলিপি নিয়ে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে; অথচ আজ বুঝতে পারছেন, মানুষটি আসলে
তার নিজের মতো করেই এগোচ্ছিল। তার মজা করে ভয় দেখানো, আবার স্ত্রীকে দিয়ে সেই ভয় ভাঙানো এসব স্মৃতি
আজ আর নিছক মজার ঘটনা নয়; এগুলোই হয়ে গেছে হারিয়ে যাওয়া একজন মানুষের অমূল্য স্মৃতি।

সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয় শেষের অসমাপ্তিটুকু। বইটি করার কথা ছিল, প্রচ্ছদও তৈরি হয়ে গিয়েছিল, বছরের শেষে
ছাপার পরিকল্পনা ছিল, বইমেলার শুরুতে বইটি হাতে তুলে দেওয়ার স্বপ্ন ছিল। অথচ বইটি প্রকাশের আগেই
প্রকাশক মানুষটি চলে গেলেন। একটি বইয়ের পাণ্ডুলিপি তখন শুধু একটি পাণ্ডুলিপি থাকে না তা হয়ে যায় একজন
চলে যাওয়া মানুষের অসমাপ্ত স্বপ্নের দলিল।

আপনার নিজের কথাতেও সেই অপূর্ণতার বেদনা খুব স্পষ্ট দেশে গিয়ে দেখা করার সুযোগ হলো না, শুধু ফোনে কথা
হলো; আর এখন দেখা করার সেই সুযোগটি চিরতরে শেষ। জীবনে আমরা কত মানুষকে ভাবি, সময় হলে দেখা হবে,
পরে কথা হবে, একদিন বসব অথচ সেই ‘একদিন’ যে কখনও আসবে না, তা আমরা আগে থেকে জানি না।
তানিমের চলে যাওয়া সেই চিরন্তন সত্যটিই আবার মনে করিয়ে দিল।

আরও একটি বিষয় এই লেখাটিকে বিশেষ করে তুলেছে আপনি শুধু তানিমের মৃত্যুর কথা জানাননি; তাঁর স্বপ্ন
দেখার ক্ষমতাটিকেও স্মরণ করেছেন। একজন তরুণ মানুষ রাত জেগে বইয়ের কাজ করতেন, নিজের প্রকাশনী
গড়ে তুলেছিলেন, লেখকদের লেখা পড়তেন, নতুন বই করার পরিকল্পনা করতেন, সাহিত্য অনুষ্ঠান আয়োজন
করতে চাইতেন অর্থাৎ নিজের সামর্থ্যের মধ্যে একটি সাহিত্যিক জগৎ তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন। মানুষ চলে
যায়, কিন্তু তার স্বপ্ন, তার করা কাজ এবং অন্য মানুষের জীবনে রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলো থেকে যায়।

তাই তানিমের জন্য সবচেয়ে সুন্দর শ্রদ্ধা হয়তো শুধু শোক প্রকাশ নয়। তার অসমাপ্ত স্বপ্নগুলোর প্রতি সম্মান
দেখানোও এক ধরনের শ্রদ্ধা। আপনার বইটি যদি শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়, সেটি শুধু আপনার একটি বই হবে
না; সেটি তানিমের সঙ্গে আপনার অসমাপ্ত কথোপকথনেরও একটি স্মারক হয়ে থাকবে। প্রচ্ছদটি যদি সত্যিই
তার তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে সেই প্রচ্ছদের ভেতর দিয়ে যেন তার স্বপ্নটিও পাঠকের হাতে পৌঁছাবে।

মানুষ আসলে কতদিন বেঁচে থাকল, তার চেয়েও বড় কথা সে কতগুলো মানুষের মনে কী রেখে গেল। তানিম
হয়তো খুব অল্প বয়সেই চলে গেলেন, কিন্তু একজন লেখককে বই করার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, একজন লেখকের
বহু পুরোনো লেখা আবার পাণ্ডুলিপিতে ফিরিয়ে এনেছেন, সাহিত্য নিয়ে কথা বলেছেন, প্রকাশনার একটি স্বপ্ন
গড়ে তুলেছেন। এগুলোও এক ধরনের বেঁচে থাকা।

তানিমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর পরিবার, বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান যেন এই অপূরণীয় শোক
সহ্য করার শক্তি পান। আর আপনার এই স্মৃতিচারণটি তাঁর জন্য শুধু একটি শোকলেখা হয়ে না থেকে একজন
স্বপ্নবান তরুণ প্রকাশকের জীবন ও অসমাপ্ত স্বপ্নের একটি মূল্যবান স্মারক হয়ে থাকুক।

কিছু মানুষ চলে যান, কিন্তু তাঁদের সঙ্গে আমাদের যে কথাগুলো অসমাপ্ত থেকে যায় সেগুলোই হয়তো শেষ
পর্যন্ত সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি হয়ে থাকে। তানিমও তেমনই একজন হয়ে থাকবেন। তাঁর ইচ্ছে ও স্বপ্নগুলো
পূর্ণ হোক তিনি যেখানে আছেন, শান্তিতে থাকুন।

সুন্দর এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ, এই কাহিনী পাঠে আমিউ আমার অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত একজন কিশুরী মেয়ের
এক করুন জীবন কাহিনীর কিয়দংশ নিয়ে একটি গল্প লেখার অনুপ্রেরনা নিয়ে গেলাম। গল্প লেখার হাত আমার
একেবারেই নাই জানিনা কতটুকু সফল হব ।

শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.