| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।

অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে ৯ উইকেটের বিশাল ব্য্যবধানে, সেটা আবার টেস্ট ক্রিকেটে, তাও আবার অস্ট্রেলীয়ার মাটিতেই!!
নিঃসন্দেহে এই জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের যে কোন সংস্করণে সবচেয়ে বড় বিজয় হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশে কি কীর্তিটা নাই করেছে তা বুঝতে হলে আগে জানতে হবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়া কতটা অপ্রতিরোধ্য। যে অস্ট্রেলীয়ার মাটিতে গিয়ে এশিয়ার দলগুলো নাকানিচুবানি খেয়ে আসে; শ্রীলংকার মত দল এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলীয়ার মাটিতে একটি টেস্ট ম্যাচও জিততে পারেনি, পাকিস্তান ৩২ বছর আগে একবার অষ্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিলো তাদের মাটিতে। এই শতাব্দিতে অস্ট্রেলীয়ার মাটিতে অস্ট্রেলীয়াকে হারিয়েছে শুধুমাত্র ভারত আর আজকের এই জয়ের মাধ্যমে এর সাথে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নামও।
আজাকের আগে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ অস্ট্রেলীয়াকে মাত্র একবারই হারতে পেরেছিলো টেস্ট ক্রিকেটে মিরপুরের মাঠে দূর্বল শক্তির অস্ট্রেলীয়াকে কিন্তু এবারই প্রথম পূর্ণ শক্তির অস্ট্রেলীয়াকে হারালো বাংলাদেশ তাদের নিজেদের মাটিতেই তাও আবার ৯ ইউকেটের বিশাল ব্যবধানে যা রীতিমত এক অবিশ্বাস্য বিজয়। বিষয়টা এমন না যে ভাগ্য গুনে কোন মতে টেনে হিছড়ে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে- অস্ট্রেলীয়াকে বাংলাদেশ হারিয়েছে এক প্রকার হেসে খেলেই, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো সময় জুড়ে বাংলাদেশ একক অধিপত্য ছড়িয়েছে, এক মুহুর্তের জন্যও অস্ট্রেলীয় ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
কেন এই জয় অকল্পনীয়- উপরে যার কিছু প্রমাণ দেখিয়েছি আরও কিছু প্রমাণ হচ্ছে- অস্ট্রেলীয়ার ডারউইনের সবুজ বাউন্সি পিচে অস্ট্রেলীয়ার দূর্দান্ত সব পেসারদের বল মোকাবেলা করা বিশ্বের যে কোন ব্যটারদের জন্য এক অগ্নি পরীক্ষার নাম, এমন বাউন্সি পিচে অস্ট্রেলীয়ার ইয়া লম্বা লম্বা পেসারদের পুঁচকে বাংলাদেশী ব্যাটাররা যেভাবে মোকাবেলা করলো তা দেখে মনেই হয়নি যে এটা অস্ট্রেলীয়ার মাঠ, খেলা দেখে কেউ ভুল করে ভাবতেই পারে এটা হয়তো মিরপুরের মাঠ, কিন্তু সত্যিটা হচ্ছে এটা মিরপুর না, এটা অস্ট্রেলীয়র ডারউইন।
আজ থেকে কি তাহলে অস্ট্রেলীয়ান ক্রিকেটের পতন শুরু হলো আর বাংলাদেশের উত্থান? বাংলাদেশ কি পারবে আগামী বিশ্বকাপ নিজেদের ঘরে তুলতে?
খেলার সংক্ষিপ্ত স্কোর-
অস্ট্রেলীয়া ১ম ইনিংস: ১৯৮, ২য় ইনিংস ২৮৪
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪২৬, ২য় ইনিংস ৫৭/১
প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ: হাসান মাহমুদ।
আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার সাবেকদের কারও কাছে এই হার ‘অত্যন্ত লজ্জার’, কারও কাছে ‘সবচেয়ে বড় অঘটন’
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: তথ্যগত ত্রুটি ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, আপটেড করে দিয়েছি। আসলে অস্ট্রেলীয়াকে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ যে হারাতে পারে এটা আমার কাছে এখনো অবিশ্বাস্য, যদিও ২০১৭ সালের অস্ট্রেলীয়া দলটি ছিলো দ্বিতীয় সারির দূর্বল দল, এবং খেলা হয়েছিলো মিরপুরের মাঠে, যে কারণে উক্ত জয়টি আমার মনে খুব একটা দাগ কাটেনি তাই উক্ত জয়ের কথা আমি একদম ভুলে গিয়েছিলাম।
ধন্যবাদ।
২|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আসলেই ভালো খবর ।
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যদি সিরিজই জিতে যায় তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করবে আগামী অন্তত ১০ বছর, বাংলাদেশ হয়ে যাবে বাংলাদেশ প্রো।
গবেষণায় দেখা গেছে অস্ট্রেলীয়ার মাটিতে যদি কোন খেলোয়ার বা দল যদি একবার ভালো খেলে তাহলে উক্ত খেলোয়ারের বা দলের খেলার ধরণই পাল্টে যায় পরবর্তী কালে।
৩|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৯
শেরজা তপন বলেছেন: অভিনন্দন অবশ্যই প্রাপ্য। অনেকদিন পরে সবার ক্রিকেটের প্রতি উৎসাহ দেখে ভালোই লাগছে।
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আসলে এটা এমনই এক জয়, যে জয়ের ফলে অনেক ঘুমন্ত ক্রিকেট ফ্যানরাও জেগে উঠেছে বা নড়েচড়ে বসেছে।
এটা সত্যিই দূর্দান্ত এক জয়। এই একটা মাত্র জয়ের ফলে বাংলাদেশের খেলার ধরণই পাল্টে যেতে পারে আগামী বছরগুলোতে।
৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:০৫
ভুয়া মফিজ বলেছেন: ২০১৭ সালের অস্ট্রেলীয়া দলটি ছিলো দ্বিতীয় সারির দূর্বল দল আপনার মন্তব্য পড়ে একটা কৌতুক মনে পড়ে গেল। যাকগে, আপনার সেই তথাকথিত দ্বিতীয় সারির দূর্বল দলে ছিল স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার, প্যাট কামিন্স, নাথান লায়ন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, উসমান খাজা ইত্যাদি খেলোয়াড়। জাস্ট আউট অফ কিউরিওসিটি, তখনকার অস্ট্রেলীয়ার প্রথম সারির শক্তিশালী দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের নাম বলেন দেখি!!! আমার স্মৃতিশক্তি খুবই দূর্বল, একেবারেই মনে করতে পারছি না!!!!! ![]()
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৩৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: একমাত্র ডেভিড ওয়ার্নার এবং নাথান লায়ন ছাড়া ওই দলের কেউ'ই তখন অতটা ফর্মে ছিলো না, সেই হিসেবে আমি তাদের দূর্বল দল বলেছি, ওরা মিরপুরের খাড়খড়ে চৌচির পিঁচে খেলে অতটা অভ্যস্ত না, যে কারণে পরিবেশ পরিস্থিতি সবকিছু তাদের প্রতিকুলে ছিলো।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২১
ভুয়া মফিজ বলেছেন: যে অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাদেশ আজ পর্যন্ত কোন টেস্টে হারতে পারেনি সেই অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে ৯ ইউকেটের বিশাল ব্যবধানে হারানো রীতিমত এক অবিশ্বাস্য বিজয়। তথ্যে ভুল আছে। ২০১৭ এর অগাষ্টে মিরপুরে বাংলাদেশ প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারায়।

এটা অজিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট জয়, তবে এই টেস্ট জয়ের মাহাত্ম্য আরো অনেক দিক দিয়েই অতুলনীয়। বিশাল অভিনন্দন টাইগার বাহিনীকে। আশা করি দ্বিতীয় ম্যাচেও ক্যাঙ্গারুদেরকে দৌড়ের উপরে রাখবে!!!