নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল যেখান থেকে বাংলাদেশ একবিন্দু সুবিধাও পায়নি ভবিষ্যতেও পাবেনা। এই প্রকল্পটির জন্য ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ১৬০ কোটি ডলার বা প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকা ঋণ নেয় সরকার শর্তথাকে যে, কোন কারণে স্থাপনার ধ্বংস হয়ে গেলেও পুরোটাকা বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে ভারত কোন দায় নেবেনা অথচ দুই দেশের শেয়ার ৫০:৫০। ভারত লাভের ৫০ শতাংশ নেবে কিন্তু ক্ষতির ৫০ শতাংশ নেবেনা।

প্রকল্পটির ৫০ শতাংশের মালিক বাংলাদেশ হলেও স্থাপন, পরিচালনা ও বিদ্যুৎ বিক্রি সবকিছুরই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল ভারতীয়দের হাতে। প্রকল্পের মাটি ভরাট থেকে শুরু করে সব কার্যক্রম করে ভারত সরকার। লোকবলও নেওয়া হয় ভারত থেকে। যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও নদী ড্রেজিং থেকে সব কাজই এককভাবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান করেছে। মোংলা বন্দর জেটি থেকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার নৌপথটিতে ‘ড্রেজিং করপোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান নামমাত্র কাজ করে ১১৯ কোটি টাকা তুলে নেয়। দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, এসব কাজে বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণপর্যায়ে প্রায় দুই হাজার ভারতীয় নাগরিক কাজ করেছে। নামে মাত্র কয়েকজন বাংলাদেশি প্রকৌশলী কাজের সুযোগ পেয়েছিল প্রকল্পটিতে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবস্থানকালীন ভারতীয় নাগরিকদের খাবার-দাবার থেকে শুরু করে তাদের ব্যবহারের যাবতীয় সরঞ্জমাদিও ভারতীয় ঠিকাদার সরবরাহ করত। হাজার হাজার লোকের এ বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যে প্রকল্পের আশপাশে একটি টং দোকানও গড়ে তুলতে পারেনি কোনো বাংলাদেশি।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের মধ্যে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও মানহীন যন্ত্রপাতির কারণে শুরুতেই হোঁচট খায়। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসার কয়েকদিনের মধ্যে এটি বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন কারণে গত এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে।

০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের সঙ্গে সঙ্গে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ভারতীয় নাগরিকরাও পালিয়ে যান। তাদের পলায়নের পর ভারতীয় নাগরিকদের উচ্চ বেতনের বিষয়টি সামনে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উচ্চ বেতনের ৯ জন ভারতীয় কর্মকর্তা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করতেন। ভারতীয় নাগরিকদের উচ্চ বেতন ও অর্থ লোপাটের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দুদক থেকে উদ্যোগ নেওয়ার পর চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি কাউকে না জানিয়ে তারাও সবাই পালিয়ে যায়।

বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয়দের বাড়তি বেতন-সুবিধায় অসম চুক্তিটি এতোটাই ভায়ানক ছিল যে সমমানের একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর বেতনের চেয়ে ভারতীয় একজন প্রকৌশলী বেতন নিয়েছে ২৫ গুণ।

তাই তো ড্রাকুলা হাসিনা বলেছিল, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।


বিস্তাতির এখানে দেখুন।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার দেশ মনে হয়, এআই দিয়ে অনুসন্ধান করে রিপোর্ট বানিয়েছে। এআই কে ডিরেকশন দিলে রামপাল নিয়ে সেইম লেখা আসে । যাই হউক জরুরি কথা হলো শুধু রামপাল নয় আদানির থেকে বিদ্যুত নেয়াটা গলার ফাঁস হয়ে গেছে । যখন আমাদের এলএনজি টারমিনালে কারিগরি ত্রুটি হয় ঠিক সে সময় আদানি খারাপ আবহাওয়ার কথা বলে বিদ্যুত কমিয়ে দেয় । বিষয়টা যাচাই করার দরকার । বকেয়া নাকি অন্য কোনো কারণে এমনটা করছে সরকার নজর দিক । প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১৪ টাকা ৮৬ পয়সা করে আমরা কিনে নেই। এত এক্সপেনসিভ বিদ্যুত আর কোনোটাই নয় । এসব কারনে সাবসিডি বেড়ে গিয়েছে । এখন সরকার দফায় দফায় দাম বাড়াবে সাবসিডি কমিয়ে নিতে । পাশাপাশি তেল আমদানি করে ফাও এক বিলিয়ন ডলার ভারত কে দিয়ে চলেছি। নিজেরা সক্ষমতা অর্জনের বালাই নেই । বিদ্যুত নিয়ে যেসব কারসাজি হয়েছে ইহা বিরল ঘটনা ।

২| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: হাসিনা ভারতের সংগে যত চুক্তি করেছে তার কোন চুক্তিই বাংলাদেশের ফেভারে হয়নি সবগুলো চুক্তিতেই ভারত ষোলআনা লাভবান হয়েছে। একারণেই হাসিনা বলতো আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত তা চিরকাল মনে রাখবে।

৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫০

মাথা পাগলা বলেছেন: বাংলাদেশের টাকায় মুদির দেশ চলে। আপা ক্ষমতায় নেই তাই এখন মুদির দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে।

৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যাক ভালো হয়েছে এখন সব দোষ হাসিনার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে দায় সারা যাবে। ;)

৫| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮

জুল ভার্ন বলেছেন: আফায় এখন গিদি

৬| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: গ্যাস-বিদ্যুৎ সুবিধা কেমন পাচ্ছেন এখন?

৭| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: এভাবে শাক দিয়ে আর মাছ ঢাকা যাবে না। বিএনপি ক্ষমতায় বসে লীগের পুনরাবৃত্তি করে চলেছে। তারেক রহমান তেল গ্যাস সংকট নিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান না দিয়ে নিল্লজ্জের মত সমালোচনা করছে যাদের মাধ্যমে তিনি লন্ডন থেকে দেশে এসে ক্ষমতায় বসেছেন!! আবার ব্যঙ্গ করে এনসিপিকেই সমাধান দিতে বলছেন!! এরপর হাসনাত আব্দুল্লাহ যখন সমস্যার শিকড় তুলে ধরেছে এবং সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছে , এরপর আর কোণ কথাই শোনা যাচ্ছে না বিএনপির তরফ থেকে। উলটা জাতির দৃষ্টি ঘোরাতে ভারত সফর নাটক জারি রেখেছে!! পুরাই পুরাই লীগের স্টাইল!! নীচে হাসনাতের ফেসবুক স্ট্যাটাস-


Hasnat Abdullah

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।
আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহন করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।
এক. চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল যে সমাধান ইতিমধ্যেই টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬–১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। ( কমেন্টে সংযুক্ত)
অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে। ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যারা। মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।
দুই. মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি, গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার।
এনসিপি'র দেওয়া ৩০ দিনের জন্য ৫টি, মধ্যমেয়াদি (৬-১৮ মাস) ৬টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ৪টি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে নিন প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধীদল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।
তিন. ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত। সচিবালয়ে যাঁরা এসেছেন তাঁরা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী FSRU-তে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।
চার. আজ আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন? এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল SLA ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা ,যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।
পুনরাবৃত্তি করছি- প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান' বলে না। এটা হচ্ছে 'আই হ্যাভ নো প্ল্যান' এর টেস্টিং'।
একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আল্টিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয়না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে।
এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়লো! এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?
সবশেষে, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।

৮| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

শেরজা তপন বলেছেন: বিএনপির ভাবগতিক সুবিধার দেখছি না।
আমরা অনেকেই অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে ওই দলের নির্বাচন নিয়ে ভয়ঙ্কর রকম পাগলামীর জন্য সন্দেহ করেছিলাম।
লীগকে ফের জাতে ঊঠানোর ধান্দায় বেশ কিছু বুদ্ধিজীবি অক্লান্ত পরিশ্রম করুছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.