নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বাধীনচেত একজন কবি ও লেখক। লিখতে এবং অন্যের লেখা পড়তে ভালোবাসি। ভীষণ ভ্রমণ পিপাসু সময় পেলেই ঘুরতে বের হই। অবসরে মুভি দেখি এবং বই পড়ি।

খন্দকার সাইফুর রহমান আরিফ

খন্দকার সাইফুর রহমান আরিফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

তত্ত্ব কথায় কাজ নাই আসন্ন দূর্ভিক্ষ মোকাবেলায় সরকারি পদক্ষেপ চাই

০১ লা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:০০

তত্ত্ব কথায় কাজ নাই আসন্ন দূর্ভিক্ষ মোকাবেলায় সরকারি পদক্ষেপ চাইঃ

দূর্ভিক্ষ অতি সন্নিকটে এটা আমরা কম বেশী সবাই জানি। অনেকেই উপর দিয়ে স্বীকার করতে না চাইলেও ভেতরে ভেতরে কিন্তু ঠিকই মানি। শুধু গলাবাজি করে কি আর শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায়? আমি রাজনীতি, অর্থনীতি অতোটা বুঝি না। আমার সাধারণ মাথায় এটা স্পস্ট যে, দূর্ভিক্ষ খুব দূরে নয়। একটা ব্যাপার ভেবে আমার অবাক লাগে সরকারের এতো নীতি নির্ধারক, এতো অর্থনীতিবিদ, এতো বিশেষজ্ঞ দল তারা কি একটি বারের জন্য ভেবে দেখলো না যে, শুধু মাত্র ডিজেলের দামটা মিলিমাইজ করলে সব কিছুই নিয়ন্ত্রণে থেকে যেতো। এক ডিজেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব পড়েছে প্রতিটা সেক্টরে প্রতিটা ক্ষেত্রে। সরকার তো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেয়। জাতীয় বাজেট থেকে কি এটা দেয়া যেতো না? সরকার যদি ভর্তুকি দিয়ে ডিজেরের দামটা ঠিক রাখতো তাহলে পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন ব্যয়সহ সবই সহনীয়মাত্রায় থেকে যেত। এই এক ডিজেলের দাম বাড়াতে সব কিছুর দাম এখন আকাশচুম্বি। সাধারণ জনগন যাদের স্বল্প আয় তাদের জীবন এখন ওষ্ঠাগত। মধ্যবিত্তদের কি চরম অবস্থা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত তালমিল করে চলতে হচ্ছে। আর দায়-দেনা বেড়েই চলেছে। সমনে যে কি অপেক্ষা করছে সে একমাত্র মহান অল্লাহই ভালো জানেন। সরকারের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আর্কষণ করছি এখনি ব্যবস্থা না নিলে এ তান্ডবে ভেসে যাবে দেশ, জনগন সব।



ছবিঃ সংগৃহিত

উন্নত বিশ্বেরই এখন ঘুম হারাম এই চিন্তায়। আর আমাদের মতন স্বল্প আয়ের দেশ সেটা কেমন করে সামাল দেবে কে জানে? অনেকে ভাবছেন আমাদের নিজস্ব উৎপাদন আছে, খাদ্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ তাই আমাদের সমস্যা তেমন হবে না। দূর্ভিক্ষ শুরু হলে উৎপাদনও ব্যহত হবে। সার, বীজ, কীটনাশকসহ সব কিছুর কৃত্তিম সংকট তৈরী হবে। আর আড়তদার, মজুদদারদের কথা নাই বা বললাম। সব থেকে সমস্যায় পড়বে মধ্যবিত্তরা। না পাড়বে সংসার চালাতে না পাড়বে রাস্তায় নামতে। সেই করোনাকালিন সময়ের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশংকা হচ্ছে। মহান আল্লাহ আমাদের এহেন পরিস্থিতি থেকে মুক্ত রাখুন সেই দোয়াই করি।




ছবিঃ সংগৃহিত

বহু দূর্ভিক্ষ এসেছে দেশ ও সরকার সেটা মোকাবেলায় করেছে। বিদেশী বহু দেশ তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিছে। এবারের প্রেক্ষাপটটা একটু আলাদা। এবার সবাই নিজে বাঁচলে বাপের নাম অবস্থা। সবাই নিজেদের সমস্যায় হিমশিম খাবে বলে মনে হচ্ছে। তাই সরকারকে আগে ভাগে ভেবে চিন্তে মোকাবেলার পথ ভেবে রাখতে হবে। সমস্যা এলে তখন সমাধানের চিন্তা করলে মহা বিপদে পড়বে সরকার, দেশ তথা জনগন। ভাবতেই মাথা ঝিমঝিম করে, গা শিওরে উঠছে। লক্ষ লক্ষ লোক চাকুরী হারাবে। ছোট খাটো ব্যবসায়ীরা দেওলিয়া হবে। অনাহারী, অর্ধহারী জনগনের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠবে বিশ্বের বাতাস। বাতাশে লাশের গন্ধ। মরা পচা লাশ পড়ে থাকবে এখানে ওখানে। কি এক দূর্বিসহ সময় আগত। জানিনা এদেশের জনগন সেটা কিভাবে মোকাবেলা করবে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:১১

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সরকার কি আমাদের মত সাধারন জনগনের কথা কখনও ভেবেছে।তারা আছে কি ভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকবে।
আপনি আর নতুন পোষ্ট দিচ্ছেন না কেন?

২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:২২

খন্দকার সাইফুর রহমান আরিফ বলেছেন: একেবারে ঠিক বলেছেন ভাই। একটু ব্যস্ত ছিলাম। অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.