| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
৭১-হলো আমাদের বাংলাদেশের বাঙালি জাতির প্রতিদিনের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা । ৭১ আমাদের অস্তিত্ব,একাত্তর আমাদের আত্মপরিচয়ের ইতিহাস । একাত্তর যদি মলিন বা বিলীন হয়,তখন আমি আর আমি,আমরা থাকিনা।কাজেই একাত্তর বেঁচে থাকবে প্রতিটি বাঙালির বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে । একাত্তর এগিয়ে দিবে আমাদের প্রত্যাহিক জিবনকে।একাত্তর’কে ধারন করেই আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ’কে নিয়ে যাবো উন্নতির শিখরে ।
১৯৭১-এর ৩টা সত্যিকারের গল্প
যাঁদের গলায় জুতার মালা পরাই, তাঁরা কেমন ছিলেন?
১. মুড়ির পোঁটলা হাতে মা—নাম: রমিজ উদ্দিনের মা, রাজশাহী।
১৯৭১, এপ্রিল মাস। ১৭ বছরের রমিজ গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে যাবে। যাওয়ার আগে মা ছেলের গামছায় মুড়ি, গুড় আর একটা পেঁয়াজ বেঁধে দিল।
ছেলে বলল, "মা, ফিরব তো?"
মা কেঁদে বলল, "ফিরতে হবে না বাবা। যদি দেশটা ফেরে, তুই না ফিরলেও চলবে। যা, পাকিস্তানি কুত্তাগুলারে তাড়া।"
রমিজ আর ফেরেননি। রাজশাহী কলেজ মাঠে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। আজও তাঁর মা প্রতি ১৬ ডিসেম্বর একটা মুড়ির পোঁটলা বেঁধে শহীদ মিনারে রাখেন। বলেন, 'এই নে বাবা, তোর যুদ্ধের মুড়ি।'
এই মাকে আপনি কী বলবেন? 'দালাল?'
২. হিন্দুর বাড়িতে মুসলিম যোদ্ধা, মুসলিমের বাড়িতে হিন্দু যোদ্ধা—নাম: ক্যাপ্টেন গিয়াস ও জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা।
সিলেটের এক গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনী খুঁজছে মুক্তিযোদ্ধা। ক্যাপ্টেন গিয়াস আহত। রক্তাক্ত অবস্থায় ঢুকলেন এক হিন্দু বাড়িতে। বাড়ির কর্তা বিধবা ঠাকুরমা। তিনি গিয়াসকে খাটের নিচে লুকিয়ে নিজে উঠোনে বসে গীতা পড়া শুরু করলেন।
পাকিস্তানি সেনা এসে বলল, 'মুক্তি কোথায়?'
ঠাকুরমা বললেন, 'আমার ঘরে ভগবান ছাড়া কেউ নাই। তল্লাশি নাও।'
সেনারা চলে গেলে ঠাকুরমা গিয়াসকে বললেন, "বাবা, বাঁচো। দেশটা বাঁচাও।"
আবার ঢাকায়, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে যখন পাকিস্তানি সেনা গুলি করে, তাঁর লাশ তুলে নেন তাঁরই মুসলিম ছাত্ররা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কারণ, শিক্ষক মানে ধর্ম না, শিক্ষক মানে বাবা।
এই মানবতাকে আপনি 'ধর্মহীন" বলবেন?
৩. পা হারিয়েও পতাকা হাতে—নাম: বীর প্রতীক আব্দুল হালিম, কুমিল্লা।
সেক্টর-২-এর যোদ্ধা আব্দুল হালিম। মুক্তিযুদ্ধের এক অপারেশনে পায়ে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার ঢোকে। গ্যাংরিন হয়ে পা কাটতে হয়।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে তিনি নার্সকে বললেন,' আপা, একটা লাল-সবুজ কাপড় দেন।'
নার্স অবাক হয়ে দিল। হালিম সেই কাপড় বুকে জড়িয়ে কাঁদলেন। বললেন, "পা একটা গেছে। দেশটা তো পেলাম।"
স্বাধীনতার পর তিনি ভিক্ষা করে খেয়েছেন। সরকারি সাহায্য চাননি। বলতেন, 'আমি দেশের জন্য পা দিয়েছি, ভিক্ষা করার জন্য না।'
এই মানুষটাকে আপনি 'লুটেরা, মাস্তান' বলবেন?
সবশেষে একটা হিসাব
২ লাখ যোদ্ধার মধ্যে ১০ জন খারাপ হতেই পারে। পৃথিবীর সব সেনাবাহিনীতেই থাকে।
কিন্তু ১০ জনের জন্য ১,৯,৯০ জন রমিজ, হালিম আর গিয়াসকে গালি দেওয়া যায় না।
তাঁরা ফেরেশতা ছিল না। তাঁরা মানুষ ছিল। ক্ষুধা লাগত, ভয় লাগত, বাড়ির কথা মনে পড়ত। তবুও তাঁরা ট্রিগার টিপেছে। আপনার-আমার জন্য।
তাই গলায় জুতার মালা না ভাই।
তাঁদের ছবির সামনে একটা লাল-সবুজ পতাকা রাখেন। আর নিজের বুকের ভেতর এক ফোঁটা সম্মানের জল।
(বি.দ্র. এই ছবি ও লেখা তৈরিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করা হয়েছে ॥
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ॥
১০ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:০২
ক্লোন রাফা বলেছেন: আপনার কি ধারণা বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ? বিএনপি’র রাজনীতি আর জামাতের রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক । বাংলাদেশে আছে ২টা পক্ষ । স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারি পক্ষ ।
এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি ।
সরকার এবং বিরোধী দল দ’টো হওয়ার কথা ছিলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের । দুর্ভাগ্য আমাদের, সেটা আজো পাইনি আমরা ।
২|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:১৯
নাহল তরকারি বলেছেন: কোন বেডায় মুক্তিযুদ্ধ কে অস্বীকার করে? কেউ তো এই যুদ্ধ কে অস্বীকার করে না।
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯
ক্লোন রাফা বলেছেন: রিয়েলি....৩২ কি শেখ হাসিনার সম্পত্তি নাকি সম্ভ্রম হারানো তিন লক্ষ মা বোনের পিতার ঠিকানা⁉️ কেউ দাড়িয়েছে নাকি আমরা শ্লোগান শুনলাম খাম্বা তারেক জানেন নাকি ৩২-এর দখল নিলাম!
শাবল , হাতুড়ি, বুল ডোজার কি আমি চালেয়ছি নাকি রুখতে জিবন বিপন্ন হলো আমার ভাইয়ের! জয় বাংলা কি আওয়ামী লীগের শ্লোগান নাকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার শ্লোগান? জিয়াউর রহমানও এই শ্লোগান দিয়ে যুদ্ধ করেছে।সাত বীর শ্রেষ্ঠ কি আওয়ামী লীগের সন্তান নাকি সমগ্র বাংলাদেশের সূর্য সন্তান!
মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পড়িয়েছে কে আওয়ামিলীগ নাকি লালবদর আর তৌহিদী জনতা । আমরা না আওয়ামিলীগের দোষর বা আপনাদের ভাষায় স্বৈরাচারের দোষর । আপনারা কার দোষর যে রুখে দিতে পারেন নাই । সমগ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতিকের অপমান⁉️
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।
৩|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় কে অস্বীকার করেছে? জামায়াত অস্বীকার করেছে বা কটূক্তি করেছে—কিন্তু তারা তো মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশও নয়। তাহলে এত দুশ্চিন্তা কিসের? আর শেখ হাসিনাকে তো বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার চেষ্টাও চলছে। নেত্রীকে দেশে ফিরে আসতে বলুন। সরকারের পক্ষ থেকে তো সব ইতিবাচকই দেখা যাচ্ছে।
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬
ক্লোন রাফা বলেছেন: রং বদলে যাচ্ছে এত দ্রুত‼️বঙ্গবন্ধুর কোটেশন ব্্যবহার / স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান’কে আন্দোলনকে উজ্জীবিত করতে অপব্যবহার করে। ঠিক ৫ই আগস্ট কি আমরা সমগ্র মুক্তিযুদ্ধের অপমান প্রত্যক্ষ করিনি ⁉️
আপনাদের আর জামাতের মধ্যে পার্থক্য কি? তারা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছে আর আপনারা তাদের সমর্থন করেছেন এটুকুই পার্থক্য ।
শেখ হাসিনার পাসপোর্ট না দিয়ে কিংবা ট্রাভেল পাস না দিয়ে সরকার চায় ফিরে আসুক। ইহাকে তামাশা নাকি ভানুমতির খেল বলে? ১/১১ পারেনি শেখ হাসিনা ‘কে রুখতে আর জিয়াউর রহমান পারেনি । দেখি তার ছেলে কি করে শেখ হাসিনার আগমন ঠেকাতে পারে কিনা ।
৪|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৩৮
নতুন বলেছেন: দেশের সাধারন জনগন কোনদিনই মুক্তিযুদ্ধাদের অবদান অস্বীকার করেনা। দেশের জনগন জাসিকে কোনদিনই ক্ষমতায় পাঠাবেনা। জাসির প্রতি ঘৃন্যা প্রতিটা বাংলাদেশীর মনে থাকবে।
কিন্তু যখন আমলীগ, ছাত্রদলের নেতাদের সন্ত্রাসী করে আর শিবিরের কর্মী ভদ্র, মেধাবী তখন জনগন অবশ্যই আপাতো ভালোদেরই ভালো বলবে তাইনা?
নাকি সন্ত্রাসীরা আমলীগ হলেও তাদের ভালৌ বলতে হবে???
দেশের ৫% রাজনিতিকরা জাসি বা অন্যরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করে রাজনিতির কারনে।
আবার আমলীগের মাঝে কিছু নেতা কর্মীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করে টাকার পাহাড় বানিয়েছে। তারাই মুক্তিযুদ্ধের ইমেজ নস্ট করেছে, বির্তকিত করেছে মুক্তিযোদ্ধাদের।
আপনি যখন মুখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করবেন আর দূনিতি, সন্ত্রাস করবেন তখন মানুষ বিকল্প খুজবেই।
সেই কারনেই হিরো আলমকেও মানুষ ভোট দেয়।
আমলীগ যদি সঠিক পথে চলে তবে জনগন অবশ্যই সমর্থন করবে।
জনগন চায় সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ, দুনিতি মুক্ত সমাজ।
৫|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:১৪
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: আপনার মতো আরও লেখক দরকার আজকের মত দেশের এই অবস্থায় ।
৬|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের সঙ্গে জামায়াতের অনেক পার্থক্য আছে। আমরা আওয়ামী লীগের বিকল্প চেয়েছি, কারণ দেশ থেকে প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়লে কে আসবে? স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি–জামায়াতই আসবে।
আওয়ামী লীগ যদি সুশাসন নিশ্চিত করত, তাহলে এত কিছু ঘটত না। এত লুটপাট ও দুর্নীতির কারণেই তাদের জনপ্রিয়তা আজ প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। ভবিষ্যতে বিএনপি–জামায়াতও যদি একই ধরনের কাজ করে, তাহলে জনগণ তাদের বিরুদ্ধেও একইভাবে ব্যবস্থা নেবে। এরপর ক্ষমতায় আসবে কারা ?
অন্যদিকে, জামায়াত তাদের বাবা-দাদাদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার রাজনীতি করছে। জামায়াত এত শক্তিশালী হলো কীভাবে? এর দায় সম্পূর্ণভাবে আওয়ামী লীগের। সাধারণ মানুষ এমনিতেই জামায়াতকে সমর্থন দেয় না ।
৭|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:২৬
রাজীব নুর বলেছেন: ৭১ মুছে ফেলা যাবে না। নো নেভার।
৮|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৭
নতুন বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: ৭১ মুছে ফেলা যাবে না। নো নেভার।
১০০% সঠিক। তবে ৭১ এর চেতনা বিক্রি করে দূনিতি সন্ত্রাস করা যাবেনা। - এটা ঠিক করেন তবে জাসি দেশে পাত্তা পাবেনা।
আর ভারত আমদের বন্ধু ভেবে তাদের বেশি সুবিধা দেওয়া যাবেনা। তাদের সাথে ন্যাজ্য মুল্যে ব্যবসা করতে হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৪৪
কলাবাগান১ বলেছেন: কিছু রাজাকার পন্হী ছাড়া আর কেউ ই ২৪ জুলাই কে ৭১ এর বিকল্প ভাবে না। এক হিজবুতী এস্টাবলিশ করার চেস্টা করেছিল যে এটা নাকি দ্বিতীয় স্বাধীনতা, তবে সেটা বেশী হালে পানি পায় নাই..।