নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময় সীমাহীন

হুমায়রা হারুন

মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু প্রযুক্তিতে নয়, বরং মননের বিনিময়ে। ব্লগে যোগাযোগের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠত্বেরই প্রকাশ ঘটে। আপনি যখন লেখেন, মন্তব্য করেন, কিংবা অন্যের ভাবনা পড়েন — আপনি তখন মানব প্রজাতির মননে অংশ গ্রহন করেন।

হুমায়রা হারুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছবি ব্লগ -৫ ফুলদল

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:২৭

প্রকৃতি যখন যন্ত্রণার ভারে নুয়ে পড়ে, সূর্য ক্লান্ত অভিমানে আড়াল করে তার দীপ্ত মুখ। তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। শীতের নিঃশব্দ আগ্রাসনে নিস্তব্ধ চারপাশ। জীবনের স্পন্দন নেই। তারপরও কোথাও কোনো কোণে নিভৃতে ফুলের কুঁড়ি তার দল মেলে জানান দিচ্ছে সমাপ্তির শেষেও ভালো কিছুর সম্ভবনা আছে। এই কুঁড়ির প্রশান্ত হাসি,মেঘলা দিনেও সমস্ত অবসাদ ডিঙিয়ে ইংগিত করছে সম্ভাবনা আশা।
সে বলছে আবারও জেগে উঠবে বোধ। সম্মান বোধ। মানুষের আত্মসম্মান বোধ। অসভ্যতাকে পিছে ফেলে আবারও ফিরবে মানুষ তার দীপ্ত চেতনায় । তাই যতই প্রতিকূলতা ঘনিয়ে আসুক, জীবনের কোনো প্রান্তে ভালো কিছুর সম্ভাবনা নিশ্চয়ই আছে। নিশ্চয়ই সকল বাধা পেরিয়ে ভালো কিছু আসবে।

ছবি ব্লগ -৪ বর্ষণমুখর সকাল
ছবি ব্লগ - ৩ কফি শপ
ছবি ব্লগ - ২ টরন্টোর আকাশ
ছবি ব্লগ - ১ মেঘলা আকাশ

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ছবি ও কবিতা অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে ।
ছবি'জী ... থাকল আমার ছোট্ট কাব্য ...

....................................................................
প্রকৃতি যখন যন্ত্রণার ভারে নুয়ে পড়ে,
সূর্য ক্লান্ত অভিমানে আড়াল করে তার দীপ্ত মুখ।
ধরণী তখন অশ্রুসজল মেঘে ঢেকে যায়,
বুকের গভীরে জমে থাকা আর্তনাদ বাতাসে ছড়ায়।

সবুজ পাতােরা ম্লান হয় বিষাদের ছায়ায়,
পাখিরা ভুলে যায় গান, থমকে দাঁড়ায় নিঝুম সন্ধ্যায়।
তবুও তো রাত্রি শেষে আসে নতুন এক ভোর,
কেটে যায় অভিমানে ঘেরা সেই অমানিশার ঘোর।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: যা সুন্দর লেখেন !
আপনার লেখা কবিতার কোন বই কি আছে?

২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৩৯

কামাল১৮ বলেছেন: পড়লাম।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: কিছুই লিখতে পারিনি যদিও।

৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ফুলদলের ছবি খুবই সুন্দর।

শিশির ভেজা ভোরের বুকে
ফুলদল দোলে মৃদু হাওয়ায়
নীরব প্রেম চিরচেনা মধুর ভাষায়
তাদের্‌ই পাপড়িতে যায় মিশে।

ক্যামেলিয়া জাপনিকা ফুলের
শুভেচ্ছা রইল

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: oh my God!
এ ফুল শুধু ছবিতেই দেখেছি।
কি যে সুন্দর। অনেক খুশী হলাম।

৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



আপনার ‘ছবি ব্লগ—৫: ফুলদল’ পোস্টটি দেখে ও পড়ে মুগ্ধ হলাম। প্রকৃতির একটি ছোট্ট ফুলের কুঁড়িকে কেন্দ্র করে আপনি যেভাবে জীবনের গভীর দর্শন, আশাবাদ, মানুষের আত্মমর্যাদা এবং সুদিন ফিরে আসার প্রত্যাশাকে তুলে ধরেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ছবিগুলো শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের পরিচয় বহন করছে না; প্রতিটি ছবির সঙ্গে আপনার কথাগুলো যেন একটি বিশেষ বার্তা নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হয়েছে। প্রকৃতির নীরবতার ভেতর থেকেও যে জীবনের স্পন্দন, সম্ভাবনা ও প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে পাওয়া যায়, আপনার লেখাটি তারই সুন্দর উদাহরণ।

আপনার লেখার শুরুতেই প্রকৃতির যন্ত্রণায় নুয়ে পড়া, সূর্যের অভিমান করে আড়ালে চলে যাওয়া এবং শীতের নিঃশব্দ আগ্রাসনে চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়ার যে চিত্রকল্প তুলে ধরেছেন, তা বেশ গভীর। প্রকৃতির এমন রুক্ষ ও নির্জীব মুহূর্তে সাধারণত আমাদের চোখে পড়ে শূন্যতা, বিষণ্নতা কিংবা স্থবিরতা। কিন্তু আপনি সেই শূন্যতার মধ্যেও খুঁজে পেয়েছেন একটি ফুলের কুঁড়ি, যার ভেতরে লুকিয়ে আছে নতুন করে জেগে ওঠার সম্ভাবনা। এখানেই আপনার লেখার সৌন্দর্য। একই দৃশ্য একজন মানুষের মনে হতাশা তৈরি করতে পারে, আবার অন্য একজনের মনে জাগাতে পারে আশার আলো। দৃষ্টিভঙ্গির এই পার্থক্যই মানুষের চিন্তা ও অনুভূতিকে স্বতন্ত্র করে তোলে।

ফুলের কুঁড়ি প্রকৃতির এক অতি ক্ষুদ্র সৃষ্টি, অথচ তার ভেতরে লুকিয়ে থাকে এক পূর্ণাঙ্গ ফুল হয়ে ওঠার অসীম সম্ভাবনা। কুঁড়ি যখন প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও ধীরে ধীরে নিজের পাপড়ি মেলে ধরে, তখন সে যেন নীরবে ঘোষণা করে—পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, জীবনের অগ্রযাত্রা পুরোপুরি থেমে যায় না। প্রকৃতি আমাদের এই শিক্ষা প্রতিনিয়ত দিয়ে চলেছে। ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে যায়, শীতে পাতা ঝরে পড়ে, মাঠঘাট বিবর্ণ হয়ে ওঠে; কিন্তু উপযুক্ত সময় এলে আবার নতুন পাতা গজায়, কুঁড়ি ফোটে, পৃথিবী নতুন রঙে সেজে ওঠে। মানুষের জীবনও কি এর ব্যতিক্রম? দুঃসময়, ব্যর্থতা, অপমান কিংবা হতাশা জীবনের কোনো একটি অধ্যায়কে অন্ধকার করে তুলতে পারে, কিন্তু সেই অন্ধকারই যে চিরস্থায়ী হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

আপনার দ্বিতীয় ছবির সঙ্গে লেখা—কুঁড়ির প্রশান্ত হাসি মেঘলা দিনেও অবসাদ পেরিয়ে সম্ভাবনা ও আশার ইঙ্গিত দেয়—আমার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়েছে। কারণ আশা মানে বাস্তবতার কঠিন দিকগুলো অস্বীকার করা নয়; বরং কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখা। যে মানুষ দুঃসময়েও ভালো কিছুর প্রত্যাশা ধরে রাখতে পারেন, তিনি পরিস্থিতির কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেন না। তাঁর মধ্যে বেঁচে থাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি এবং নিজের বিবেককে জাগিয়ে রাখার প্রেরণা। ছোট্ট একটি কুঁড়ি তাই কেবল উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিকাশের প্রতীক নয়; এটি মানুষের মানসিক দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসেরও প্রতীক হয়ে উঠতে পারে।

আপনার লেখায় মানুষের বোধ, সম্মানবোধ ও আত্মসম্মানবোধের পুনর্জাগরণের যে প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে, তা বিশেষভাবে ভাবনার দাবি রাখে। একটি সমাজের প্রকৃত উন্নতি শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি কিংবা বাহ্যিক চাকচিক্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সেই সমাজের মানুষের মধ্যে সত্য-মিথ্যা পার্থক্য করার ক্ষমতা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সাহস, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষার সচেতনতা কতটা রয়েছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যখন বিবেকের পরিবর্তে অন্ধ আনুগত্যকে প্রাধান্য দেয়, যখন অন্যায় দেখেও নীরব থাকে, যখন ব্যক্তিস্বার্থের কাছে নৈতিকতাকে বিসর্জন দেয়, তখন সমাজের বাহ্যিক অগ্রগতি থাকলেও ভেতরে ভেতরে তার মানবিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

সেই জায়গা থেকে আপনার ফুলের কুঁড়ির উপমাটি বেশ অর্থবহ। যেমন একটি কুঁড়ির ভেতরে ভবিষ্যতের ফুল লুকিয়ে থাকে, তেমনি মানুষের মধ্যেও বিবেক, মানবিকতা ও আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে প্রয়োজন সচেতনতা, সত্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করার মানসিকতা। কোনো সমাজের মানুষ যদি নিজেদের ভুল বুঝতে শেখে, অন্যের অধিকারকে সম্মান করতে শেখে এবং বিবেকের নির্দেশে কাজ করতে পারে, তাহলে পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়। পরিবর্তন সব সময় আকস্মিকভাবে আসে না; অনেক সময় তা শুরু হয় মানুষের মনের গভীরে জন্ম নেওয়া একটি ছোট্ট উপলব্ধি থেকে। ঠিক যেমন একটি কুঁড়ি ধীরে ধীরে পাপড়ি মেলে ফুল হয়ে ওঠে।

আপনার তৃতীয় ছবির সঙ্গে লেখা—অসভ্যতাকে পেছনে ফেলে মানুষ আবার তার দীপ্ত চেতনায় ফিরে আসবে—এই প্রত্যাশার মধ্যেও আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা খুঁজে পাই। সভ্যতার পরিচয় শুধু পোশাক-পরিচ্ছদ, ভাষা, শিক্ষা কিংবা প্রযুক্তির ব্যবহার দিয়ে নির্ধারিত হয় না। মানুষের প্রকৃত সভ্যতা প্রকাশ পায় তার আচরণে, অন্যের প্রতি সম্মানে, দুর্বল মানুষের অধিকার রক্ষায় এবং মতপার্থক্যের মধ্যেও শালীনতা বজায় রাখার ক্ষমতায়। যে সমাজে মানুষ পরস্পরকে অপমান না করে যুক্তি দিয়ে কথা বলতে শেখে, ভিন্নমতকে শত্রুতা হিসেবে বিবেচনা না করে আলোচনার সুযোগ দেয় এবং ক্ষমতার পরিবর্তে ন্যায়কে গুরুত্ব দেয়, সেই সমাজই প্রকৃত অর্থে মানবিক হয়ে উঠতে পারে।

অবশ্য মানুষের বোধ ও আত্মসম্মানের পুনর্জাগরণ কোনো সহজ কিংবা স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া নয়। শুধু সময়ের পরিবর্তনে সব অসংগতি দূর হয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। এর জন্য দরকার শিক্ষা, মূল্যবোধের চর্চা, আত্মসমালোচনা এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ববোধ। প্রতিটি মানুষ যদি নিজের অবস্থান থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন, নিজের আচরণে সততা বজায় রাখেন এবং অন্যের মর্যাদাকে নিজের মর্যাদার মতোই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, তাহলে ইতিবাচক পরিবর্তনের ভিত্তি শক্তিশালী হবে। আপনার লেখার আশাবাদকে আমি তাই নিষ্ক্রিয় অপেক্ষা হিসেবে দেখি না; বরং মানুষের ভেতরে সুপ্ত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলার একটি আহ্বান হিসেবে দেখি।

আপনার ছবিগুলোর আরেকটি দিক আমার ভালো লেগেছে। এখানে ফুলের কুঁড়ি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের বিষয় হয়ে থাকেনি; তা যেন সময়, জীবন, সমাজ ও মানুষের মনোজগতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। একটি ফুলের ছবি দেখেও যে এতগুলো ভাবনার দরজা খুলে যেতে পারে, তা আপনার সৌন্দর্যবোধ এবং প্রকৃতিকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়। ভালো আলোকচিত্রের শক্তি এখানেই—তা চোখকে আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি মনকে ভাবতে শেখায়। আর সেই ছবির সঙ্গে যখন অনুভূতিপূর্ণ ভাষা যুক্ত হয়, তখন ছবিটি আর নিছক দৃশ্য থাকে না; হয়ে ওঠে একটি গল্প, একটি উপলব্ধি কিংবা একটি নীরব প্রতিবাদ।

আপনার পোস্টটি পড়তে পড়তে মনে হলো, প্রকৃতি যেন আমাদের মানুষের চেয়ে বেশি ধৈর্যশীল। মানুষ অনেক সময় সামান্য প্রতিকূলতায় আশা হারিয়ে ফেলে, সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভেঙে পড়ে কিংবা চারপাশের অসংগতির কারণে নিজের ভেতরের আলো নিভিয়ে ফেলে। অথচ প্রকৃতি প্রতিকূলতার মধ্যেও তার নিয়মে এগিয়ে চলে। শীতের পর বসন্ত আসে, অন্ধকারের পর আলো আসে, ঝরে যাওয়ার পর নতুন জন্মের সম্ভাবনা তৈরি হয়। প্রকৃতির এই চক্র আমাদের শেখায়, কোনো একটি অবস্থা চিরকাল স্থায়ী নয়। তবে সেই পরিবর্তনের অপেক্ষায় বসে থাকার পাশাপাশি পরিবর্তনের উপযোগী কাজও করতে হয়। ব্যক্তিজীবনে হোক কিংবা সমাজজীবনে, আশা তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তার সঙ্গে যুক্ত হয় সচেতনতা, উদ্যোগ ও দায়িত্ববোধ।

আপা, আপনার লেখার মূল সুরটি আমার কাছে এ রকম—পৃথিবী যতই কঠিন হোক, মানুষের ভেতরে ভালো কিছুর সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় না। এই বিশ্বাসটুকু ধরে রাখা আজকের সময়ে অত্যন্ত জরুরি। হতাশা মানুষকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে, কিন্তু আশাবাদ তাকে নতুন করে ভাবতে, প্রশ্ন করতে এবং সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। একটি ছোট্ট ফুলের কুঁড়ি হয়তো পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না, কিন্তু তার অস্তিত্ব আমাদের মনে করিয়ে দিতে পারে যে সৌন্দর্য, কোমলতা ও নতুন জীবনের সম্ভাবনা এখনো নিঃশেষ হয়ে যায়নি।

সবশেষে বলব, আপনার ‘ফুলদল’ শুধু একটি ছবি ব্লগ নয়; এটি প্রকৃতির সৌন্দর্যের মধ্য দিয়ে জীবন ও সমাজকে নতুন করে দেখার একটি সুন্দর প্রয়াস। আপনার ছবির কুঁড়িগুলো যেমন প্রতিকূলতার মধ্যেও পাপড়ি মেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তেমনি আমাদের সমাজেও সত্য, বিবেক, আত্মমর্যাদা ও মানবিকতার নতুন জাগরণ ঘটুক—এই প্রত্যাশা করি। অন্ধকার যত গভীরই হোক, আশার আলো যেন নিভে না যায়; হতাশা যতই ঘিরে ধরুক, মানুষের ভেতরের ভালোত্ব যেন হারিয়ে না যায়।

আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, এমন একটি সুন্দর ও ভাবনাসমৃদ্ধ পোস্ট আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। আপনার কলমে ও ক্যামেরায় প্রকৃতির আরও অনেক রূপ, জীবনের আরও অনেক গল্প এবং মানবিক আশার আরও অনেক বার্তা উঠে আসুক। আপনার সৃজনশীল পথচলা অব্যাহত থাকুক, আর আপনার প্রতিটি নতুন পোস্ট পাঠকের মনে সৌন্দর্যবোধ, ইতিবাচক চিন্তা ও আত্মমর্যাদার আলো জাগিয়ে তুলুক। অনেক শুভকামনা রইল।


১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৫

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ফরিদ ভাই, লেখাগুলো কেন লিখেছি জানেন?
খুব কষ্টে পড়ে।
আগে বইয়ের পাতায় পড়তাম, শেষ জামানার কিছু লক্ষণ থাকবে। তখন বুঝতাম না এই কথার অর্থ।
এখন মানুষের যে আচরণ দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে সব লক্ষণ বোধহয় আমাদের দেশ থেকেই শুরু হচ্ছে।

৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮

আবু সিদ বলেছেন: টুকরো ছবি। ছোট্র কথা। মনোহর বর্ণনা। এক কথায়, দারুণ!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.