নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

একলা আমি...

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

সব মানুষের ভিতর একটা একলা 'আমি' থাকে। যে আমি হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের একাকিত্বকে আগলে রাখে। সেখানে একটা 'তুমি'ও থাকে। যে তুমি, চিরবিরহের। যে তুমি অনেক দূরের, যাকে চোখ দেখতে না‌-পেলেও, মন যাকে ছুঁয়ে থাকে। কোনো কারণই তাকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে না। অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমানেও‌ তার আসন টলায় সাধ্য কী!
অভিমান আর অনুরাগ সেখানে প্রায় সমার্থক হয়ে ওঠে। জীবনে মানিয়ে নিতে নিতে, মনে নেওয়া মানুষটা কখন যেন সমুদ্র হয়ে ওঠে। নোনা জলের জোয়ার-ভাটা আজীবন শুধু মনের তীর ছুঁয়ে যায়। মনও তাতেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।

কখনো বৃষ্টির বিকেলে, দমকা হাওয়ায় তাকে না-পাওয়ার আকুলতা ভেজায়। সে পাওয়া শরীরের স্পর্শ নয়, মনের শূণ্যতা তার জন্য পাগল হয়। কখনো বসন্তের কুহুরব বিরহকে উসকে দিয়ে যায়। ঝরা পাতা যেন বলে,- সময় যে ফুরায়! মনে হয় কে যেন আসবে বলেছিল! কই এল না তো! কার জন্য এই অনন্ত প্রতীক্ষা!

জীবনের বেশিরভাগই বিয়োগান্ত। তাই পথিক পথ হারায়। যেখানে পৌঁছাতে চায়, কিছুতেই পারে না। ফিরে আসে। যেখানে জীবন আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। নানা চরিত্রে একক অভিনয়। আসল মানুষটাও একক কিন্তু ক্ষণিকের। আর 'তুমি'? সে যে শুধুই অনুভবের, বাস্তবের সাথে তার তুমুল বৈরিতা।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌ বলেছেন: জীবন চলার পথের বিচিত্র অভিজ্ঞতা আর এর ফলে ম্যাচুরিটির মাত্রার পরিবর্তন; জানিনা আপনি কোন পথের পথিক। দিনশেষে চাওয়া পাওয়ার হিসাবটাও আর থাকে না। সব পরিস্থিতিতেই একটা উষ্ণ বাক্যাংশ বলে চলে "ইটস ওকে!" লেখা খুবই ভাল লেগেছে। আল্লাহ সর্বদা আপনাকে ভাল রাখুন।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৪

জুল ভার্ন বলেছেন: জীবনই বোধহয় সবচেয়ে বড় শিক্ষক। পথ চলতে চলতে অভিজ্ঞতা মানুষকে বদলে দেয়, চাওয়া-পাওয়ার সংজ্ঞা বদলে যায়, আর একসময় অনেক কিছু পাওয়ার চেয়েও শান্তিতে মেনে নিতে পারাটাই বড় অর্জন হয়ে দাঁড়ায়।
দিনশেষে হিসাবের খাতা আর খুলতে ইচ্ছে করে না- কে কী দিল, কে কী নিল, কোথায় পেলাম, কোথায় হারালাম। শুধু মনে হয়, যা হয়েছে, তা-ই হয়তো হওয়ার ছিল।
তাই জীবনের প্রতিটি অপ্রত্যাশিত মোড়ে, প্রতিটি অপূর্ণতার সামনে, পরিণত মনটি মৃদু হেসে বলে-
“It’s okay!”
এই দুটি শব্দের ভেতরেই কখনো কখনো লুকিয়ে থাকে জীবনের দীর্ঘতম অভিজ্ঞতা, গভীরতম মেনে নেওয়া আর এক অদ্ভুত প্রশান্তি।

২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখা খুবই ভাল লেগেছে, আর সেই সাথে প্রথম মন্তব্যটাও। + +
এই 'একলা আমি'টা চিরকালই একলাই থেকে যায়; কক্ষনো দোকলা হতে পারে না। এভাবেই একসময়....
" ফুরায় বেলা, ফুরায় খেলা, সন্ধ্যা হয়ে আসে, কাঁদে তখন আকুল-মন, কাঁপে তরাসে। কাঁদে তখন আকুল-মন, কাঁপে তরাসে, কাঁদে তখন আকুল-মন, কাঁপে তরাসে...."

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭

জুল ভার্ন বলেছেন: শ্রদ্ধেয় ভাইজান, কিছু মানুষ বোধহয় জন্ম থেকেই “একলা আমি”- তাদের পাশে মানুষ আসে, কিছুটা পথ হাঁটে, তারপর কোনো এক অদৃশ্য সন্ধিক্ষণে হারিয়ে যায়। “একলা”টা তাই কখনো “দোকলা” হয়ে ওঠে না; শুধু সঙ্গের স্মৃতিগুলো আরও গভীর হয়।
জীবনের শেষ বিকেলে এসে তখন সত্যিই মনে হয়-
“ফুরায় বেলা, ফুরায় খেলা, সন্ধ্যা হয়ে আসে...”
চারপাশের কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়, আর বুকের ভেতর জমে থাকা না-বলা কথাগুলো আকুল হয়ে ওঠে। তখন আর কাউকে দোষ দেওয়ার থাকে না, অভিমান করারও নয়- শুধু মনে হয়, এতটা পথ একাই কি হেঁটে এলাম!

হয়তো জীবন এমনই-
কিছু মানুষ সঙ্গী হওয়ার জন্য আসে, আর কিছু মানুষ আসে একাকীত্বের অর্থটা বুঝিয়ে দিতে।
শেষ পর্যন্ত “একলা আমি” একলাই থেকে যায়;
শুধু সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে তার হৃদয়ে বারবার প্রতিধ্বনিত হয়-
কাঁদে তখন আকুল-মন, কাঁপে তরাসে...

৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ভালো লাগলো

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

নাহল তরকারি বলেছেন: সুন্দর।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৯

জুল ভার্ন বলেছেন:

৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২

নাহল তরকারি বলেছেন: এক দেশে এক লোক ছিলো। সে অমর হয়ে যায়। তার বাপ মা, বন্ধু, ভাই বোন সবাই মারা যায়। তার স্ত্রী সন্তান, নাতি নাতনি সবাই মারা যায়। এই ভদ্রলোক তাতেও বৃদ্ধ হয় না। জুয়ানই থেকে যায়। এক সময় দুনিয়াতে সবাই মারা যায়। সব পশুও মারা যায়। তারপরেও সে একা জীবিত থাকে।

আমি ঐ বেডার একাকিত্ব অনুভব করছি।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০

জুল ভার্ন বলেছেন:

৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১

শায়মা বলেছেন: এমনই এক লেখা আমি আজ সকালে ফোনে বসে বসে লিখছিলাম নাস্তা খাবার সময়।
নিজের এক জগত নিয়ে যার খবর কেউ জানে না । নিজের মনে একলা জগৎ! :)

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০০

জুল ভার্ন বলেছেন: "নিজের মনে একলা জগৎ”- কী অদ্ভুত এক পৃথিবী! সেখানে মানুষের ভিড় নেই, অথচ কত মানুষ বাস করে; কোনো কোলাহল নেই, অথচ কত না-বলা কথার নিঃশব্দ প্রতিধ্বনি শোনা যায়।
কখনো সেখানে পুরোনো স্মৃতি এসে দরজায় কড়া নাড়ে, কখনো হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো ফিরে আসে, আবার কখনো নিজের সঙ্গেই নিজের দীর্ঘ কথোপকথন।
এই একলা জগতে কেউ বিচার করে না, কেউ প্রশ্নও করে না। তাই হয়তো এখানেই মানুষ সবচেয়ে বেশি নিজের মতো করে কাঁদতে পারে, হাসতে পারে, স্বপ্ন দেখতে পারে।
শেষ পর্যন্ত মানুষের সবচেয়ে আপন ঠিকানাটা হয়তো নিজের মনই- যেখানে একা থেকেও মানুষ কখনো সত্যিকার অর্থে একা নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.