| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দাড়ি টুপির সাথে আরবদের আলখেল্লা পরিধান করে, সুন্নতি লেবাস ধারণ করে যারা honey nuts বেচে, তাদের চেয়ে খুব উন্নততর, সৎ লোকের সংগঠন জামায়াতে মওদুদী না। বরং ইসলাম ধর্মকে দলীয় সংকীর্ন রাজনৈতিক স্বার্থে কতভাবে অপব্যবহার করা যায় তার জলজ্যান্ত উদাহরণ হলো এই জামায়াতে মওদুদী।
প্রবাদ আছে যে, শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানা, কারণ শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করা। জামায়াতে মওদুদীদের অবস্থাও অনুরূপ। সুতরাং মওদুদীবাদী খারেজিরা যারা ধর্ম নিয়ে খেল তামাশা করে, আল্লাহর সাথে পাল্লা দেয়ার দুঃসাহস দেখায়, তারা শুধু ৭১ কেনো, তার চেয়েও ভয়াবহ নৈরাজ্যকর নৃশংস ঘটনা ঘটানোর সক্ষমতা রাখে এবং তা যেকোনো সমাজে। এদের সাথে গাঁটছড়া বাধা বা পদাঙ্ক অনুসরণ করা মানে ইহকাল পরকাল সবই বিসর্জন দেয়া। এই জামায়াতি মোনাফেকরাই ইসলামের প্রকৃত অবমাননাকারী।
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ৪৭ এ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, ৭১ এ বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে জামায়াতের ভূমিকা ছিলো গাদ্দারের। এমন কি এই ২৪ এও প্রকৃত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে তারা গাদ্দারী করেছে। এ জন্যই তারা যে বলে, যে তারা ৪৭ এর স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তার কি ভিত্তি? পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করে ৪৭ এর স্বাধীনতায় বিশ্বাস করার দাবি করা কি পাগলের প্রলাপ নয়?
কিন্তু প্রতিটা গণমুখী আন্দোলনের বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও গণ আন্দোলন পরবর্তী যাবতীয় সুফল/সুবিধাদী সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গুপ্তাবস্থায় থেকে, এই জামায়াতি রাজাকাররাই ভোগ করেছে। বিনিময়ে সমাজকে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, অস্থিতিশীলতা ও অস্থিরতা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি। সমাজের এমন কোনো ধর্মীয়/সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি (মাজার, বাউল, লালন, নাট্য ও সাংস্কৃতিক কর্মী, পাহাড়ী, হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী….) নেই যারা এই মওদুদীবাদীদের সহিংসতার শিকার হয়নি।
২০২৪ পূর্ব আন্দোলন সমুহের সাপেক্ষে "২৪ এর জুলাই আন্দোলন ও আমাদের তরুন নেতৃত্ব"।
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন:
৭১ নিয়ে বানিজ্য করলে বড়জোর ইহকালে অপমানিত/নিগৃহীত হতে হবে কিন্তু নিজ স্বার্থ রক্ষায় সকাল বিকাল ইসলামের অপব্যাখ্যা করলে, ইসলাম নিয়ে বানিজ্য করলে ইহকাল, পরকাল সবই বরবাদ হবে। সুনিশ্চিত।
২|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: জামাতিরা এখন জেলায় জেলায় শান্তি কমিটি গঠন করছে, এই শান্তি কমিটির আড়ালে তারা দেশে ইসলামের পতাকা উড়াবে।
বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা পুড়িয়ে তারা দেশে কালো কালেমার পতাকা উড়াবে।
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: এভাবেই এরা কালো কলেমার পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে, লাল-সবুজ পতাকার সাথে তুলনা করে, ইসলামের অবমাননা করছে।
লাল সবুজ পতাকা মানুষের তৈরি। আর কলেমা বা কোরআনের বানী স্বয়ং আল্লাহতাআলার। সহজ কথায় সৃষ্টির সাথে স্রষ্টার তুলনা করার মতো দুঃসাহস জামায়াতিদের মতো মোনাফেকরাই করতে পারে।
৩|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামায়াত কিভাবে জুলাই আন্দোলনের সাথে গাদ্দারি করেছে ? আন্দোলনের সবচেয়ে বড়ো স্টেক হোল্ডার জামায়াত-শিবির ।
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আওয়ামী লীগ তাদের দীর্ঘ শাসন আমলে বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের জনসমাবেশ, মিটিং, মিছিল, হরতাল, অবরোধ এসব করার কোন উপায় রাখেনি। এমনকি বিরোধী দল তাদের দলীয় কার্যালয়ে নিশ্চিন্ত মনে, সুষ্ঠুভাবে দলগত আলোচনা করতে পারতো না। লীগের শাসনামলে গোটা কয়েক প্রজন্ম দেখেইনি যে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম সমূহ কি বস্তু (খায় নাকি মাথায় দেয়?)। ভাবা যায়?
সুতরাং লীগের বিদায় যে খুব স্বাভাবিক ভাবে হবে না, এমনটাই্ ছিলো অনুমেয়। তাদের ৭১ এর চেতনা নিয়ে বানিজ্য, ব্যাংক ব্যবস্থায় লাগামহীন নৈরাজ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী ব্যবস্থায় ভুল নীতি (সমুদ্র ও স্থলভাবে গ্যাস কূপ অনুসন্ধান না করে দেশকে অতি উচ্চ মূল্যের এলপিজি জ্বালানী নির্ভর করে জ্বালানী নিরাপত্তার বারোটা বাজানো ইত্যাদি) এসব নিয়ে মানুষ ছিলো ক্ষুদ্ধ।
এখন জনগনের যে অংশটা ভেবেছিলো যে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে সবার কাছে গ্রহনযোগ্য একটা বিকল্প ব্যবস্থার বেড়িয়ে আসবে, পরমত সহিষ্ণু গনতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে তারা নিঃসন্দেহে প্রতারিত হয়েছে। জামায়াতিদের গাদ্দারীর শিকার হয়েছে।
৪|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৪:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানা, কারণ শয়তানকে ধর্ম
শেখানো মানে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করা।
..........................................................................................
শয়তানের কাজই হলো পাপ কাজ করার প্ররোচনা দেয়া আর র্ধম
ভুলে ঝগড়া ফ্যাসাদ করা । এবার শয়তান জামাতে ঢুকেছে
যে সেই দলের কথা শুনবে, সে বেহেশতের টিকেট পাবে ।
আমার কাছে মনে হচ্ছে দাজ্জালের প্রি- রিহার্সেল শুরু হয়েছে ।
৫|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৫:৩৯
মাথা পাগলা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামায়াত কিভাবে জুলাই আন্দোলনের সাথে গাদ্দারি করেছে ? আন্দোলনের সবচেয়ে বড়ো স্টেক হোল্ডার জামায়াত-শিবির ।
যেসব জনসাধারণ প্রাণ দিয়েছেন, তারা কি "জামাতের স্টেকহোল্ডার" বা "জামাতকে ক্ষমতায়" নেবার জন্য প্রান দিয়েছিলেন? তাদের মৃত্যুর সুবিধা "জামাত-পাকিস্তানরা" পাবে জানলে মাঠে নামতো? গাদ্দারিটা এই জায়গাটাতেই।
৬|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাথা পাগলা@যারা প্রাণ হারিয়েছে এরা অনেকেই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারালে কারা ক্ষমতায় আসবে ? বিএনপি-জামায়াত । জামায়াত কখনোই জুলাইয়ের সাথে বেইমানি করে নাই; তারা জুলাই ওয়ারিয়ারস দের ভাতা ফ্লাট সব দিয়েছে। ফ্রাংকেস্টাইন সরাতে হলে ছল ছাতুরির আশ্রয় নেয়া কোনো নতুন ঘটনা নয় ।
সমস্যা হয়েছে সাধারণ জনগণের ; তাদের আলাদা ভাবেই লীগের উপর বিরক্তি ছিলো। একটু সুযোগ পেতেই সেটা গড়গড়িয়ে বের হয়ে গিয়েছে । আবার এই সাধারণ মানুষই কোনো একদিন আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনবে ।
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩২
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: বোমাটা ফাটিয়েছেন শেষ লাইনে। মাঠ পর্যায়ের জনগনের সমবায়ে গড়া আওয়ামী লীগকে জনগনই ফিরিয়ে আনবে। এই একটা দলের নেতৃত্বে যে বাংলাদেশের অভ্যুদয়। সেই বাংলাদেশের নাম বেচে, বাংলাদেশের পরিচয় ধারন করেই জীবিকা নির্বাহ করছে বাকি সব মতাদর্শের দল। আওয়ামী লীগ own করে বাংলাদেশকে, মুসলিম লীগ own করতো পাকিস্তানকে। কিন্তু জামায়াত কি own করে?
এফবি তে পাওয়া একজনের মন্তব্য হুবুহু কপি পেস্ট করে দিলাম।
//ছাত্রশিবিরের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক— ডাকসু ভিপি— আবু সাদিক কায়েম আজ বলেছে, ‘২০২৪ সালের ১৭ জুলাই— মূলত ঐদিনই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।’ বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামি এর আগে বলাবলি করেছে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫ আগস্ট। বৃহত্তর জামায়াত এও বলে থাকে— বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে আসলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট। অর্থাৎ জামায়াতের কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাদিবস অনেকগুলো। কথিত আছে— ‘নাইয়ার এক নাও, নিনাইয়ার শতেক নাও’। এর মানে, যার নৌকা আছে, তার নৌকা মূলত একটাই, সে অন্য কারও নৌকায় চড়ে না বা চড়ার প্রয়োজন বোধ করে না। পক্ষান্তরে, যার নৌকা নেই, তাকে শত-শত নৌকায় চড়তে হয়। আরও কথিত আছে— যার স্বামী আছে, তার এক ভাতার; যার স্বামী নেই, তার দশ ভাতার।
জামায়াতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাতা আমির সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদি ভারতবর্ষের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অন্তত ১৯৩০ সাল থেকে অক্লান্তভাবে লেখালিখি করেছেন, লেখালিখি করেছেন উপমহাদেশে মুসলমানদের জন্য আলাদা আবাসভূমি পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধেও। মওদুদি ১৯৪১ সালে জামায়াতে ইসলামি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মূলত ভারতবর্ষের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের জন্মের বিরোধিতা করার জন্য। আর ১৯৭১ সালে জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গিয়ে স্বজাতির ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। ফলে, জামায়াত একাত্তরেরও পরাজিত শক্তি, সাতচল্লিশেরও পরাজিত শক্তি; সাতচল্লিশের ১৪ আগস্টও জামায়াতের পরাজয়দিবস, একাত্তরের ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরও জামায়াতের পরাজয়দিবস। জামায়াতের জন্য যেহেতু সব দিবসই পরাজয়দিবস এবং যেহেতু জামায়াতের কোনো বিজয়দিবস বা স্বাধীনতাদিবস নেই, সেহেতু জামায়াত এখন নতুন করে বিজয়দিবস ও স্বাধীনতাদিবস খুঁজছে। এজন্যই অন্যদের বিজয়দিবস একটা, স্বাধীনতাদিবসও একটা; কিন্তু জামায়াতের একেক নেতাকর্মীর বিজয়দিবস ও স্বাধীনতাদিবস একেক রকমের। অন্যদের স্বামী আছে, তাই অন্যদের ভাতার একজন করে; জামায়াতের স্বামী নেই অথবা জামায়াতের স্বামীসংখ্যা দশ বা ততোধিক।//
-কীর্তিমান মানব
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫২
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আসলেই জামাতে ইসলামি ইসলামের আদর্শে আদর্শিত নয়।তারা ক্ষমতার জন্য ইসলামকেও বেঁচে দিবে বলে মনে হয়