নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

২৬৭ বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয় পলাশী দিবসের (২০২৪) দ্বিতীয় বার্ষিকী (২০২৬) উৎযাপন হচ্ছে আজ।

০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৭

২০২৪ সালের পলাশী দিবসে এসে সাদা চামড়ার মানুষের গোলামী করার বন্দোবস্ত নিশ্চিত করা হয়েছে যেমনটা প্রথম পলাশী দিবসে (১৭৫৭) করা হয়েছিল। প্রথম পলাশী দিবসের মনিব ছিলো ইউরোপীয় সাদা চামড়ার মানুষ আর দ্বিতীয় পলাশী দিবসের মনিব হলো উত্তর আমেরিকার সাদা চামড়ার মানুষেরা। সাদা চামড়ার এই নব্য মনিবকে তার সুবিধাভোগী গোলামদের অন্যতম একজন (সাদা শকুন নামেও পরিচিত) “পরীক্ষিত বন্ধু” (১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর পাঠিয়ে, খাদ্যাভাবে জর্জরিত যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে গমের জাহাজ ফিরিয়ে নিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বন্ধু) বলে অবিহিত করেছে। তবে এনাদের সংস্করনের বিশেষায়িত ইসলাম অনুসারে এই পরীক্ষিত বন্ধুর গোলামী করা হালাল।

অবমাননাকর, অপমানজনক ও একতরফা এক চুক্তির মাধ্যমে বিনে পয়সায় দুষ্টুরাষ্ট্রের কাছে দেশ বিক্রি হয়ে যাওয়াটা এখনকার বাস্তবতা। তাই আমরা ওদের থেকে বোয়িং কিনতে বাধ্য, বেশি দামে এল পি জি কিনতে বাধ্য, গম কিনতে বাধ্য। এই পর্যায়ের লাল স্বাধীনতায় জর্জরিত হওয়ার (নাকি বোঝা বইবার) নজির আগে ছিলো কি? ১৭৫৭ এর মিরজাফর যেমন ক্ষমতাহীন দায়িত্ব নিয়ে সময় পার করেছে তেমনি ২০২৪ এর মিরজাফর গং সেরকম সময়ই পার করছে মাত্র।

বরং ইতোমধ্যেই sold out হওয়া দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ভা/রতের কাছে যে প্রতিবাদমূলক বিবৃতি (ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের কারনে) দিয়েছে, সেটাই চরম রকমের হাইস্যকর। এই বিবৃতি তো এদেশে অবস্থিত দুষ্টুরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতই দিতে পারতো (স্টেট ডিপার্টমেন্টও দিতে পারতো কিন্তু ইরান যুদ্ধ ব্যাতিব্যাস্ত ঐ ডিপার্টমেন্টের এ দেশের মতো দেশের জন্য মাথা ঘামানোর সময় বোধ করি নেই)।

আসলে সত্যের বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য মিথ্যার কলেবর সর্বদাই বড় হয়, সত্যের বিরূদ্ধে তার অস্তিত্ত্ব টিকিয়ে রাখতে দৃশ্যতঃ লম্বা/দীর্ঘ হতে হয়, মুখোশের ওপর মুখোশ আটতে হয়, যেন মানুষ কিছু সময়ের জন্য সত্যের রূপ ধারণ করা মিথ্যার পেছনে ছুটতে ছুটতে খেই হারিয়ে মিথ্যাকেই প্রকৃত সত্য বলে মেনে নেয়।

জুlie আগাগোড়াই lie মানে, মিথ্যা/myth বলেই, এই মেটিকিউলাস (reset button সমৃদ্ধ) ডিজাইনের জুlie ৩৬ দিনের, চিরাচরিত বা স্বাভাবিক ৩১ দিনের না।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৩২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আসলে সত্যের বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য মিথ্যার কলেবর সর্বদাই বড় হয়,
..........................................................................................................
আমরা এখন সেই সময় অতিক্রম করছি ।
মিথ্যাবাদী, লোভী ও দূর্ণীতি পরায়ন শাসন যতদিন এই দেশের
উপর চেপে বসে থাকবে ততদিন আমাদের কোন উন্নতি হবেনা
আর আমেরিকার গোলামী খেটে জীবন দিতে হবে ।

২| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পলাশীর সাথে হাস্যকর তুলনা ; ২০২৪ সালে মানুষ নিরুপায় ছিলো। আওয়ামী লীগের পতন জরুরি ছিলো। ভুল যেটা হয়েছে সেটা হলো সব দলকে নিয়ে একটা ইলেকশন করা । বাট প্রতিশোধের নেশায় সেটা ভেস্তে গেছে ।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪০

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: হাসার জন্য আবেগই যথেষ্ট।

হাসতে থাকুন।

/অবমাননাকর, অপমানজনক ও একতরফা এক চুক্তির মাধ্যমে বিনে পয়সায় দুষ্টুরাষ্ট্রের কাছে দেশ বিক্রি হয়ে যাওয়াটা একটা বাস্তবতা। আমরা বোয়িং কিনতে বাধ্য, বেশি দামে এল পি জি কিনতে বাধ্য, গম কিনতে বাধ্য? এই পর্যায়ের লাল স্বাধীনতার ভোগ (নাকি বোঝা বইবার) নজির আগে ছিলো কি? মিরজাফর যেমন ক্ষমতাহীন দায়িত্ব নিয়ে সময় পার করেছে তেমনি ২৪ এর মিরজাফর গং সেরকম সময়ই পার করছে। বরং ইতোমধ্যেই sold out দেশের মানে আমাদের দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ভারতের কাছে যে প্রতিবাদমূলক বিবৃতি (ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের কারনে) দিয়েছে, সেটাই হাইস্যকর। এই বিবৃতি তো দুষ্টুরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় বা অন্ততঃ এদেশে অবস্থিত দুষ্টুরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতই দিতে পারতো।

/প্রতিশোধ নিয়েছে কারন কিছু যুদ্ধাপরাধী ফাসির দড়িতে লটকেছে বলে। এছাড়া আর বিশেষ কোন কারন ছিলো কি? বিরোধী হিসেবে যাত্রার ফলাফল তো বিম্পী ও জাশির একই রকম হওয়ার কথা ছিলো। গুম কমিশনের রিপোর্ট অনুসারে কথিত গুম হওয়া জাশির ৭৫% ই জ্যান্ত ফেরত এসেছে আর তার বিপরীতে বিম্পীর মোটে (১০০-৬৮)=৩২%। গুপ্ত হয়ে, হেলমেট পরে, ১৭ বছর ফ্যাসিবাদীদের দোসর হয়ে ঘি মাখন খেয়ে, প্রশাসনে শেকড় গেড়ে, জাশি victim card এর খেলা খেললো ১০০%।

আম্লীগ তার কৃতকর্মের ফল পেয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ধ্বংশ করার কারনে তার বিদায় হয়েছে অস্বাভাবিক ভাবে। কিন্তু তাই বলে "৭১-এর মতো ২৪ যেন হারিয়ে না যায়" এই বক্তব্য প্রদানের মতো ঔদ্ধত্য দেখার জন্য জনগন ২০২৪ এ আত্মত্যাগ করেনি। এই সকল স্বাধীনতা বিরোধীদের গুপ্ত এজেন্ডা ঘুর্নাক্ষরেও টের পেলে মানুষ রাস্তায় নামতো না। ধর্মীয় আবেগের (যেখানে ধর্মীয় আদর্শ শুন্য) অন্তঃসার শুন্যতার সাথে এদেশের মানুষ সেই ১৯৪৭ থেকেই পরিচিত। ও দিয়ে ১৯৪৭ এর পাকিস্তান টিকেনি, এই ২০২৬ এর পাকিস্তানও নড়বড়ে।

৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: আওয়ামীলীগের পতনে শুধু খুশি হয়েছিলো- জামাত শিবির। তারা তাদের নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে পেরে খুশি।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: তবে ওরা স্বীকার করুক আর নাই করুক, দিনশেষে ওরাও ভেতো বাঙ্গালী। ১৭ বছর বছর গুপ্ত থেকে, হেলমেট পরে, কথিত ফ্যাসিস্টের দোসর হয়ে, প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় শেকড় গেড়ে, ঘিটা মাখনটা খেয়ে গেলো। গুপ্ত হওয়া সত্তেও গুম হওয়ার victim card এর খেলা খেললো। এতো কিছুর পরেও আর ২ টা বছর ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারলো না। বেহুদা ৭১ এর স্মৃতি বিজরিত স্থাপনা সমূহ নির্বিচারে ধ্বংশ করে নিজেদের আসল রূপ প্রকাশিত করে ফেললো। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত গুপ্ত থাকতে পারলে তো আবেগি জনগন অন্ধের মতো ওদেরই ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতো।

যাক আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে। এই সুযোগে, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে গুপ্ত হয়ে থাকা লাল বদরদের চেনা হয়ে গেছে।

৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: জুলাইয়ে বাংলাদেশে যা ঘটেছে তার সবটাই ঘটেছে ইউক্রেনে ২০১৩ সালে। ময়দান ক্যু নামে খ্যাত সেই ঘটনায় রুশপন্থী সরকারকে উৎখাত করা হয়। তৎকালীন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেই ঘটনার পরিকল্পনার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ২০২২ সালে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে গেল জুলাই ক্যু। আর বাইডেন ছিলেন প্রেসিডেন্ট। একই চিত্রনাট্য অনুসারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতের সাথে যুদ্ধ জড়ানোর জন্য যা যা করার দরকার তার সবটাই ধীরে ধীরে করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য মার্কিন বাহিনীর সামরিক ঘাঁটি প্রয়োজন। যুদ্ধ শেষে ভারত পাবে চিকন নেক সংলগ্ন বিশাল এলাকা। সেখানে বাংলাদেশী হিন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ হলেও হতে পারে।

৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: ময়দান ক্যু'র সফল পরিণতি হয় ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। যার শুরু হয় ২০১৩ সালের নভেম্বরে মাসে। তৎকালীন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন এবং পরিবর্তে রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পথ বেছে নেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.