নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে আল্লাহ,আমার লেখার কারণে যদি কারো অন্তরে বিভ্রান্তি আসে—তবে তুমি নিজ দয়ায় তা সংশোধন করে দাও।আমাকে কারণ বানিয়ে ক্ষতি হতে দিও না

বাজ ৩

বহু বছর আমি সময়ের সাথে বিদ্রহ করেছি, পরিশেষে নিজেকে তার হাতে ছেড়ে দিয়েছি।নফসকে জয় করা হিমালয় জয় করার থেকেও কঠিন।নফসকে জয় করা হিমালয় জয় করার থেকেও কঠিন।

বাজ ৩ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্তরে সুধু তুমি(এই উপন্যাসের চরিত্র এবং কাহিনি কাল্পনিক)

২৬ শে নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:১৪

শিরোনাম: অন্তরের সন্ধানে
ধরন: উপন্যাসধর্মী নাটক

চরিত্রসমূহ:
রফিক — চিন্তাশীল আত্মঅনুসন্ধানী মানুষ
চাঁদ গাজী — নাস্তিক, যুক্তিবাদী, তর্কপ্রবণ
দরবেশ — উচ্চ মকামের আত্মশুদ্ধ সাধক
অন্তর — রফিকের ভেতরের অদৃশ্য কণ্ঠ

--------------------------------------------------

দৃশ্য — ১

(অল্প আলো। রফিক একা বসে আছে।)

রফিক (স্বগত):
আমি কে?
এই পৃথিবী কী?
মানুষ কোথায় ছুটছে?
আর স্রষ্টা—তিনি কি সত্যিই আছেন?

(কুরআনের আয়াতের আবহ)

কণ্ঠ:
“আর কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বাস করতে পারবে না,
যতক্ষণ না আল্লাহ বিশ্বাস দান করেন।”

রফিক:
তাহলে বিশ্বাস কি আমার ইচ্ছাধীন নয়?

(আরেকটি আয়াত)

কণ্ঠ:
“আর যে আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করে,
আল্লাহ তাকে এমন জায়গায় নিয়ে যান
যেখানে প্রকৃত ঈমান রয়েছে।”

রফিক:
তাহলে মানুষ সবাই অন্ধ?
এই অন্ধত্বের মাঝেই কি ঈমান জন্মায়?

--------------------------------------------------

দৃশ্য — ২

(পাহাড়, নদী, জঙ্গল—আলো ও শব্দের ইঙ্গিত)

রফিক:
এই চোখ দিয়ে আল্লাহকে দেখা যায় না।
তাহলে না দেখে বিশ্বাস কীভাবে আসে?

অন্তর (অদৃশ্য কণ্ঠ):
রফিক…
আমি তোমার খুব কাছেই।

রফিক:
কোথায় তুমি?
পাহাড়ে, জঙ্গলে, নদীতে—সবখানে খুঁজেছি!

অন্তর:
তুমি বাইরে গেছো,
আমি ভেতরেই ছিলাম।

--------------------------------------------------

দৃশ্য — ৩

(চাঁদ গাজীর প্রবেশ)

রফিক:
আপনি কি চাঁদ গাজী,
যিনি ধর্ম নিয়ে বিদ্রুপ করেন?

চাঁদ গাজী:
হ্যাঁ।
ধর্ম পুরনো রূপকথা।
মানুষ এখন উন্নতির পথে—
বিল্ডিং, গাড়ি, মহাকাশ!

রফিক:
তাহলে মানুষের কাজ কি
শুধু ভোগ করে মরে যাওয়া?

চাঁদ গাজী:
ধর্ম ছাড়াই সভ্যতা সম্ভব!

রফিক:
আপনি না মানলে সমস্যা নেই,
কিন্তু যারা মানে—তাদের বাধা কেন?

(নীরবতা)

--------------------------------------------------

দৃশ্য — ৪

(অন্ধকার মঞ্চ)

রফিক (স্বগত):
তর্ক করে অন্তর ভারী হয়ে গেল।
এই অন্ধকার কেন?

রফিক:
নির্জনতা ছাড়া আত্মশুদ্ধি হয় না।
নবীজি তো হেরা গুহায় ছিলেন…

(রফিক জঙ্গলের পথে রওনা হয়)

--------------------------------------------------

দৃশ্য — ৫

(ধ্যানরত দরবেশ)

রফিক:
আসসালামু আলাইকুম।

দরবেশ:
ওয়ালাইকুস সালাম, রফিক।
তোমার অপেক্ষাতেই এসেছি।

রফিক:
নাস্তিকের সাথে তর্কের পর
আমার অন্তর অন্ধকার কেন?

দরবেশ:
এটা ক্ষণস্থায়ী।
নফস অহংকার দিয়ে আলো ঢেকে দেয়।

রফিক:
উদ্ধারের পথ কী?

দরবেশ:
অবিরাম আমল।
ইচ্ছাকৃত পাপে দ্রুত তওবা।
শেষে—নফসে মুতমাইন্না।

(দরবেশ অদৃশ্য হয়ে যান)

--------------------------------------------------

দৃশ্য — ৬ (শেষ)

(ফজরের আলো। পাখির ডাক)

রফিক (কবিতা পাঠ):
আপনার চেহারা এত সুন্দর,
দেখলে শুধু তাকিয়ে থাকতে মন চায়।
আপনার বিরহে গলে যাচ্ছি,
নাই হয়ে যাচ্ছি।

(ফজরের সাদা রেখা)

রফিক (নামাজে দাঁড়িয়ে):
হে আল্লাহ,
আমাকে আমার অন্তরের কাছে ফিরিয়ে দিন।

সমাপ্ত

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.