নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে আল্লাহ,আমার লেখার কারণে যদি কারো অন্তরে বিভ্রান্তি আসে—তবে তুমি নিজ দয়ায় তা সংশোধন করে দাও।আমাকে কারণ বানিয়ে ক্ষতি হতে দিও না

বাজ ৩

বহু বছর আমি সময়ের সাথে বিদ্রহ করেছি, পরিশেষে নিজেকে তার হাতে ছেড়ে দিয়েছি।নফসকে জয় করা হিমালয় জয় করার থেকেও কঠিন।নফসকে জয় করা হিমালয় জয় করার থেকেও কঠিন।

বাজ ৩ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্তরে শুধু তুমি,সম্পর্কে সতর্কতা

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১৬

এটা একটি কাল্পনিক,শিক্ষনীয়,আধ্যাতিক ধাচের উপন্যাস।কিন্তু অতিরঞ্জিত কোনো কন্টেন্ট থাকতে পারে,যা আসলে অর্জনযোগ্য নয়,কিন্তু সৌন্দর্যের জন্য দেওয়া হয়েছে।পাঠকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকায়,সেটা খুলে বলা হলো।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



খুলে আর বললেন কোথায় ।
যাহোক এসে পরেছি যখন কথন তখন দু চারটি কথা বলে যাই ।
সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্কতার জন্য আবেগ ও যুক্তির ভারসাম্য ,নিজের সম্মান রক্ষা: কাউকে ভালোবেসে
নিজের সম্মান বা আত্মমর্যাদা বিসর্জন না দেয়া জরুর।
অন্তরে শুধু তুমি এই অনুভূতির সতর্কতা বাস্তবতা ও কল্পনার পার্থক্য থাকা জরুরী ।
তাই অন্তরে শুধু তুমি এই অনুভূতিকে সম্মান করতে হবে , কিন্তু সম্পর্কের সুস্থতা ও নিজের মানসিক
শান্তির জন্য সচেতন ও সতর্ক থাকা আরো বেশী জরুরী ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩০

বাজ ৩ বলেছেন: মানুষের ভিতরকার নফসকে অনুগত করার জন্য নিয়মিত আমলের কোনো বিকল্প নেই।
ইমাম ইবনূল জাওজি রহ.এর মতে নফস এবং রুহ একই জিনিস।যদি তার কথা ধরে নেই,তাহলে নফসই একসময় ইমানদার হয়ে যায় ঘষামাজা করতে করতে।কুরআন মাজিদে এই ঘষামাজা করা নফসকেই নফসুল মুতমাইন্না বলা হয়েছে বলে মনে হয়।

কিন্তু সুফিদের কিতাবাদিতে পাওয়া যায় নফস এবং রুহ সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।ভিন্ন ভিন্ন লতিফা যা শরীরের দুই স্থানে অবস্থিত রয়েছে।সুফি দরবেশরা নফসকে নাভীর নিচে এবং রুহকে বুকের ডান পাশে বলে উল্লেখ করেছেন।এবং কলবকে বলেছেন বুকের বামপাশে হৃদপিন্ডের মধ্যে।আর খফিকে বলেছেন কপালে,এবং আখফাকে খুঁজে পেয়েছেন মস্তিস্কে।
যাগগে, এগুলো আমাদের মতো সাধারন মানুষের আলোচনার বিষয় না,এবং তার কোনো দরকারও নেই।
আমাদের এখন যা দরকার তা হলো এই কাফের এবং মুনাফিক নফসকে কিভাবে মুমিন বা অনুগত বানানো যায়।
এক বুযুর্গ বলে সমস্ত লতিফার গোড়া হলো কলব।গাছের গোড়ায় পানি দিলে যেমন ডালপালা পত্র পল্লব সবুজ সতেজ হয়,অনুরুপ কলবে যিকিরের এবং ইবাদতের পানি ঢাললে রুহ ও সবুজ এবং সতেজ হয়,আমরা বুজি আর না বুঝি,অনুভব করতে পারি আর না পারি রুহ সতেজ হতে থাকে।

নফস খুবই দূরাচার এবং শক্তিশালী।নফসকে সদা ইবাদতের এবং যিকিরের মুগুর দিয়ে আঘাত করতে হয়,তবে সাধ্যের মধ্যে এবং সতঃস্ফুর্তভাবে যতটুকু সম্ভব ততটুকু আমলই যথেষ্ট।
নফসের ক্ষতি
নফস মানুষকে যন্ত্রনার মধ্যে ফেলে দেয়।ইবাদত বন্দেগী তার ভাল্লাগেনা,সে স্বাধীন আকাশে পাখীর মতো উড়তে চায়।নফস একটা গরু অথবা পশু।কুরআন মাজিদের প্রথম সূরা বাকারা অর্থাৎ গরু দিয়ে শুরু হয়েছে এবং শেষ সূরা হলো সূরাতুন নাস।
এখান থেকে আমরা সুক্ষ্ম একটি বিষয় বের করতে পারি।তা হলো মানুষের প্রাথমিক আদত হলো গরু অথবা হাম্বা।তারপর কুরআন মাজিদের উপর আমল করতে করেত সে নাছ,তথা মানুষে পরিনত হয়।অর্থাৎ প্রাথমিক পর্যায়ে এক্টা গরুর সাথে এবং মানুষের সাথে কোনো পার্থক্য থাকেনা।
ইনশাআল্লাহ আগামি পর্বে আলোচনা করবো,নফস এবং রুহ কি আলাদা নাকি একই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.