নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহিয়সী

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০২



প্রেসক্লাবের সামনে এক মেয়ে চিৎকার করে উঠলো,
আমি এক মহিয়সী কন্যা।
দুষ্টলোকেরা আমাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিলো!
প্রিয় নগরবাসী, আমার দিকে তাকান, আমার কথা শুনুন।
আমার বাবা আমায় এক কোটি টাকা মুক্তিপন দিয়ে,
আমায় মুক্ত করেছেন।
দেখো আমায়! আমি এক মহীয়সী মেয়ে!
আমার দাম এক কোটি টাকা।
মেয়েটি হাত তুলে জনতার অভিনন্দন গ্রহণ করছে।
মহিয়সী কন্যাকে ঘিরে ধরেছে সাংবাদিক আর ইউটুবাররা,
একজন বাচাল সাংবাদিক বলল, মুক্তির জন্য অভিনন্দন!
এক ইউটুবার বলল, আপনাকে ধর্ষণ করেনি তো?
মেয়েটি বলল, আমি এ প্রশ্নের উত্তর দিবো না। শুধু বলব, মেয়েদের মুক্তি নেই।
ওই দেখুন দূরে আমার প্রেমিক দাড়িয়ে আছে। সে আমায় সন্দেহ করছে।
গ্রহণ করবে না আর আমায়। নিশ্চিত আমি। মুক্তি নেই নারীর!
অথচ নারীরা হচ্ছে ধরনী। ধরনীতেই সমস্ত পুরুষের বাস।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মহিয়সী কন্যা।
.............................................
তিনি ও নারী
এ সমাজের লুটেরার হাতে পড়লে
ধর্ষনসহ যত অপকর্ম আছে, সব
কিছুর স্বাক্ষী হতে হবে !!!

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:১১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম। আপনি একাই সব ফিড দখল করে রাখছেন দেখি।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২

রাজীব নুর বলেছেন: আমি ভাই অতি সাধারণ মানুষ।
কোনো রকমে বেঁচে আছি। আমার লেখা মানেই হাবিজাবি, অগোছালো আর এলোমেলো।

৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অল্প কথায় এক গুরুত্বপুর্ণ সামাজিক সমস্যার কথা সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন ।
লেখাটিতে এক নারীর মহিয়সি নারির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা, ভুক্তভোগীর সামাজিক
অবস্থান এবং মুক্তির ধারণাকে গভীর ব্যঙ্গাত্মক ও প্রতীকী ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। এখানে দেখা যায়, অর্থের
বিনিময়ে মুক্তি অর্জন করলেও প্রকৃত সামাজিক স্বীকৃতি ও মর্যাদা নারীর জন্য নিশ্চিত হয় না। লেখাটি প্রশ্ন তোলে
শারীরিক মুক্তি কি সত্যিই মানবিক মর্যাদার সমান, নাকি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিক কাঠামো পরিবর্তন ছাড়া
মুক্তি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

বিশ্বজনীন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই রচনা মানবাধিকারের মৌলিক নীতিগুলোর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে,
বিশেষত ব্যক্তির মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং সম্মানের অধিকারের বিষয়টি। সাংবাদিক ও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া সমাজের
একাংশের সংবেদনশীলতার অভাব এবং ভুক্তভোগীকেই প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে, যা শুধু বাংলাদেশ
কেন , বিশ্বব্যাপী নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে একটি পরিচিত সামাজিক বাস্তবতা। লেখাটি এই মনস্তত্ত্বের সমালোচনা করে
এবং সহমর্মিতা ও ন্যায়বোধের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

এছাড়া লেখাটির শেষাংশে নারীকে ধরণী বা ধারণক্ষম সত্তা হিসেবে উপস্থাপন মানবসভ্যতার মৌলিক নির্ভরতার
প্রতীক। এতে সহজেই বুঝা যায় সমাজ নারীর উপর নির্ভরশীল হলেও তাকে সমান মর্যাদা দিতে প্রায়ই ব্যর্থ হয়।
ফলে লেখাটি কেবল একটি ব্যক্তিগত ঘটনার বিবরণ নয়; বরং এটি মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায় এবং
লিঙ্গসমতার প্রশ্নকে শুধু নির্দিষ্ট একটি দেশই নয় বরয় বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়।

মুল্যবান লেখাটির জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: ওরে বাবা!
বিশাল মন্তব্য করেছেন!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.