| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের প্রবক্তা শফিক রেহমানকে নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে। জেনে না জেনে অনেকেই শফিক রেহমানকে নিয়ে আজে বাজে মন্তব্য করতে ছাড়েন না। আবার গোপনে গোপনে শফিক রেহমানের প্রদর্শিত পথে হাটতেও লজ্জা বোধ করেন না।
ইউরো বার্তার পাঠকদের জন্য সাংবাদিক শফিক রেহমানের জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরা হলো।
বিশিষ্ট টেলিভিশন উপস্থাপক, চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট এবং চলচ্চিত্র সংগ্রাহক শফিক রেহমান ১৯৩৪ সালের ১১ নভেম্বর বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহন করেন। উনার আদিবাড়ী ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর। পিতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সাইদুর রহমানের চাকুরীর সুবাদে পিতার কর্মস্থল বগুড়ায় জন্মগ্রহন করেন তিনি।
শফিক রেহমান ১৯৯৩ সালে প্রথম বাংলাদেশে ভ্যান্টোইনস ডে বা বিশ্ব ভালবাসা দিবস প্রবর্তন করেন। ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভের পর উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের জন্য যুক্তরাজ্যে গমন করেন। ১৯৫৭ সালে যুক্তরাজ্য গমনের পর শফিক রেহমান চার্টার্ড এ্যাকাউন্টিং বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী নেন। সে সময় তিনি পড়াশনার পাশাপাশি হাওয়াইয়ান সঙ্গীতে তালিম নেন।এরপর ১৯৬৮ সালে তিনি ঢাকা ফিরে আসেন। ঢাকায় তিনি চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে লন্ডনে অবস্থান করেন। সে সময় তিনি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর অধীনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে জনমত তৈরীর জন্য সক্রিয় অংশ নেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন তিনি।
শফিক রেহমান যুক্তরাজ্যের প্রথম চারটি বেসরকারী রেডিও এর একটি স্পেকট্রাম রেডিও স্টেশন স্থাপন করেন ১৯৮৮ সালে। সাংবাদিক হিসেবে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক, ইংরেজী সাপ্তাহিক দি এক্সপ্রেস এবং বিবিসি৪র বাংলা বিভাগে কাজ করেছেন। স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের শাসনামলে তিনি জনপ্রিয় সাপ্তাহিক যায় যায় দিন প্রতিষ্ঠা করেন। এ সময় এরশাদের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিবেদন করে সামরিক শাসকের রোষানলে পতিত হন তিনি। এরশাদ এ সময় উনাকে বাংরাদেশ থেকে বহিষ্কার করেন। এরশাদের শাসনামলে ছয় বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন এ সাংবাদিক।
এরশাদের পতনের পর দেশে ফিরে আবার যায় যায় দিন এর প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত হন শফিক রেহমান। ১৯৯৩ সালে তিনি বাংলাদেশে প্রথম বিশ্ব ভালবাসা দিবস চালু করেন। যা এখনো তরুন সমাজে যথেষ্ট সমাদর পাচ্ছে।
সাপ্তাহিক যায় যায় দিনকে তিনি দৈনিকে পরিনত করেন। ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করার জন্য শফিক রেহমানকে সম্পাদকের পদ হারাতে হয়। পরবর্তীতে তিনি মৌচাকে ঢিল নামে অপর একটি ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন।
নির্ভীক ও অবিচল এ সাংবাদিক সাপ্তাহিক যায় যায় দিনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রচুর সাংবাদিক ও লেখক সৃষ্টি করেছেন। শফিক রেহমানকে পিছনে অনেক আজে বাজে কথা বললেও বাংলাদেশের অনেকেই এখনো বিশ্ব ভালবাসা দিবসে পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেন না।
২|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:০৭
তানভীরএফওয়ান বলেছেন: শফিক রহমানরা জাতির জন্য ক্যানসার ছাড়া অন্য কিছু নয়
৩|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:১০
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
শফিক রহমানরা জাতির জন্য ক্যানসার ছাড়া অন্য কিছু নয়।
অতচ আগে উনি ছিলেন বাম উদারপন্থি, ৯৩ তে গনআদালত গঠনেও তার ভুমকা ও সমর্থন ছিল। ১৯৯৭ এর পরে উনি ভোলপাল্টে নিজেকে নেড়িকুকুর ঘোষনা করেন।
৬ বছর আগে পিসিতে বাংলা লিখতে পারতাম না, তখনকার একটি লেখা পড়ুন।
এক স্বঘোসিত নেড়িকুকুরের গল্প
৪|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:১৪
মিতক্ষরা বলেছেন: শফিক রেহমানকে সরকার যেভাবে গ্রেপ্তার করেছে তাতে তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রমানিত হয়। অবশ্য ১৫৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত এই সরকারের কাছ থেকে এর চেয়ে ভাল কিছু তো আর আশা করা যায় না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৪
চাঁদগাজী বলেছেন:
শফিক রহমানরা জাতির জন্য ক্যানসার ছাড়া অন্য কিছু নয়; এদের কারণে বাংলাদেশে দুস্টরা সবকিছু দখল করে নিয়েছে; সে নিজেও বিএনপি থেকে প্লট নিয়েছে।