নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া অপরাধীদের শাস্তি দিতেন। এইভাবে, অনেক ধর্ষক, মাফিয়া, ডাকাতদের, খুনিদের তিনি শাস্তি দেন। আমাদের দেশের তৌহিদি জনতা গ্রুপটি কি তাঁকে ফলো করছেন?!

একটি দেশে যখন বিচারহীনতা প্রবল হয়ে দেখা দেয়, আইনের ফাঁক-ফোকর গলে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, সমাজে তখন এইভাবেই ডার্ক জাস্টিসদের উত্থান ঘটে। এর প্রতিকার কি? কীভাবে ডার্স জাস্টিসদের হাত থেকে রক্ষা পাবেন?

আপনাকে অপরাধ করা ছেড়ে দিতে হবে। খুন-ধর্ষন-হত্যা-ডাকাতি ছেড়ে দিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তবেই, ডার্ক জাস্টিসদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

তবে, যারা ধর্মের অপব্যবহার করেন, তাঁরা কোনক্রমেই ডার্ক জাস্টিস নন। এই জন্যে খুব জলদি ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অধীনে আন্তঃ ধর্মীয় বোর্ড তৈরী করতে হবে যাঁদের কাজ হবে মানুষকে আইনের প্রতি আবারও শ্রদ্ধাশীল করানো।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১৯

নতুন বলেছেন: তাওহীদি জনতা নামে মব সন্ত্রাসকে ধর্মীয় রং দিয়ে অন্যায় করা হচ্ছে।

তাওহীদি জনতা নামে যারা মব করতে আসবে তাদের জালি বেত দিয়ে ঠিক মতন পেটানো হইলেই সব সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে।

গান বন্ধ করা, মাজার ভাঙ্গা, লাস তুলে আগুন দেওয়া, হিন্দুদের উপরে আক্রমন, জ্যন্ত পুড়িয়ে মারা এগুলি কখনোই ধর্মীয় কাজ না।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:২২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




দেশে প্রচলিত আইন ও বিচারের উপর আস্থা নিয়ে আসুন।
তাহলেই, ডার্ক জাস্টিস বন্ধ হইয়ে যাবে।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

মেঘনা বলেছেন: ইসলাম তাওহীদি জনতাদের শাসন করতে পারছেনা কাজেই এর দায় ইসলাম কেও নিতে হবে।

৩| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

মেঘনা বলেছেন: ইসলাম তাওহীদি জনতাদের শাসন করতে পারছেনা কাজেই এর দায় ইসলাম কেও নিতে হবে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




ইসলাম পারছে না, এই কথাটা মিথ্যা বলেছেন।
আপনি যদি কাউকে দায়িত্ব না দিয়েই বলেন যে - সে দায়িত্ব পালন করে নাই, সেটা কি ঠিক বলেছেন?

ইসলামকে দায়িত্ব দিয়ে দেখুন, তা পারে কি না।

ধন্যবাদ।

৪| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন:
দেশে প্রচলিত আইন ও বিচারের উপর আস্থা নিয়ে আসুন।
তাহলেই, ডার্ক জাস্টিস বন্ধ হইয়ে যাবে।
ধন্যবাদ নিরন্তর।


মাজারে আক্রমন, গানবাজনা বন্ধ, নৌকাবাইচ বন্ধ, মানুষকে ব্লাসফেমীর অভিযোগে আগুনে পুড়িয়ে মারা এইগুলি সুচিন্তিত ঘটনা।
কিছু মানুষ এটা করে ধর্মীয় রংদিয়ে অপরাধ আড়াল করে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




ব্যাপারটা তদন্ত করে দেখতে হবে কোন এঙ্গেল থেকে এসব করা হয়েছে।
'কজ এন্ড একশন' বুঝতে হবে।

আমার জানা মতে, কোন মাজারে আক্রমন হয় নাই। তথ্যটা ভুয়া। তবে, লালসালু সব জায়গায় আছে।
গানবাজনা নিষিদ্ধ করে নাই কেউ। তবে, বেলেল্লাপনা সব জায়গাতেই আছে।
নৌকাবাইচ বন্ধের নির্দেশ দেয় নাই কেউ।
এমনকি আগুনে পুড়ানোর রীতি ব্রিটেন বা ইউরোপে থাকলেও ইসলামী জগতে নেই।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৫| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তৌহিদী জনতা ডার্ক জাস্টিস-এর আগে বলাৎকারীদের ওপর জাস্টিস করা উচিত ছিল। অন্তত এটা ঠিক হলে কোমলমতি শিশুরা বেঁচে যেত। দেশে এখন আর কোনো ধর্ষণের নিউজ নেই, সব জায়গায় শুধু বলাৎকার আর বলাৎকার।

৬| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩

অরণি বলেছেন: বলাৎকার কারীদের নপূংশক করে দেওয়া উচিত।

৭| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যারা ধর্মের অপব্যবহার করেন, তাঁরা কোনক্রমেই ডার্ক জাস্টিস নন।
.....................................................................................................
যেখানে আইন নাই সেখানে অনেক অনৈতিক বিষয় সমূহ সমাজে দেখা দেয় ।
মব কালচার একজন নবেল লরিয়েটের সৃষ্টি ,
সুতরাং তাকে যাদুঘরে এত সহজে দিবেন না, বরং এর ফলাফল উপভোগ করুন ।

৮| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২

নতুন বলেছেন: আমার জানা মতে, কোন মাজারে আক্রমন হয় নাই। তথ্যটা ভুয়া। তবে, লালসালু সব জায়গায় আছে।
গানবাজনা নিষিদ্ধ করে নাই কেউ। তবে, বেলেল্লাপনা সব জায়গাতেই আছে।
নৌকাবাইচ বন্ধের নির্দেশ দেয় নাই কেউ।


এক পীরের মাজার ভেঙ্গে পীরের লাশ তুলে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিলো সম্ভবত।
পুলিশ লাইনের সাংস্কৃতিক অনুস্ঠান করতে দেয় নাই।
বিশ্বকাপ খেলা হারাম বলে অনেক আলোচনা হয়েছে
নৌকা বাইচ বন্ধের জন্য কথা হয়েছে পরে তাদের সাথে আলোচনা করে পরের বছর বাইচ হবেনা সেই সর্তে বাইচ হয়েছে।

দেশের ধামিকেরা সম্ভবত ১% সহী ধর্ম মানেন। বাকীরা সবাই ধান্দাবাজ।

৯| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০৭

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: তৌহিদি জনতা হলো স্বঘোষিত একত্ববাদী মুসলিম জনতা।

আর বাকিরা কি? মানে আমরা আপনারা মুসলিম তবে তৌহিদি জনতার মতো একত্ববাদী না। এখন কেন বাকি মুসলিমরা তৌহিদি জনতার মতো একত্ববাদী না তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা তৌহিদি জনতাদের কাছেই আছে।


তৌহিদি বিচার ব্যবস্থা খুবই সহজ সরল। ধরো তক্তা, মারো গজাল। সরাসরি মব execution....। আর কোন কথা হবে না.......। এর চাইতে সংক্ষিপ্ত বিচার ব্যবস্হা মধ্যপ্রাচ্য কিংবা জিসিসি ভুক্ত আরব দেশেও নেই।

১. আগে অভিযোগ দায়ের হবে,
২. তারপর অভিযুক্তকে আটক করা হবে,
৩. তার বিরূদ্ধে তদন্ত হবে,
৪. বিচার কার্যক্রম শুরু হবে,
৫. বাদি-বিবাদী পক্ষের উকিল যার যার পক্ষে সাফাই গাইবে,
৬. তারপর বিচার বিশ্লেষন শেষে কাজী রায় দেবেন,
৭. রায়ের পর অভিযুক্ত ব্যাক্তি হয় অপরাধী হিসেবে যেকোন শাস্তি মাথা পেতে মেনে নেয়ার জন্য প্রস্তত থাকবে আর অভিযোগ প্রমানিত না হলে সে মুক্ত,
৮. তবে বাদি বা অভিযুক্ত ব্যাক্তি যে কেউ কাজীর রায়ে সন্তুষ্ট হতে না পারলে আপিল করতে পারে,
৯. এই পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তি যদি নিজেকে নিরপরাধ প্রমান করতে পারে তবে সে মুক্ত। না পারলে সে শাস্তির জন্য মানসিক ভাবে তৈরি হবে।
১০. এই পর্যায়ে গিয়ে অপরাধীর execution সম্পন্ন হয়।

তৌহিদি জনতা কিন্তু সঙ্গবদ্ধভাবে বিচার ব্যবস্হার ১০. ধাপটা সরাসরি কার্যকর করে।

প্রশ্ন এটাই যে, "একটা শরিয়া আইন ভিত্তিক বিচার ব্যবস্হা কি তৌহিদি জনতা আমাদের সমাজে এখন পর্যন্ত ইসলামের নামে যা করে এসেছে তা সমর্থন করে কি"?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.