| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়
গতকাল এক বাবার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে একটি মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল যৌন নিপীড়ন করেছেন। বাবার প্রতিক্রিয়া সঠিক ছিল কি না, তা নিয়ে মানুষের মত ভিন্ন। কিন্তু সন্তানের এমন ক্ষতিতে একজন বাবা ক্ষুব্ধ হবেন, এটা স্বাভাবিক।
আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। আমাদের শিক্ষিত, সচ্ছল ও মডারেট অভিভাবকেরা সন্তানকে ভর্তি করানোর আগে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা যাচাই করেন কি? শিশু নির্যাতনের খবর আমরা নিয়মিত পড়ি, আর পড়ে "অন্যের সমস্যা" ভেবে এগিয়ে যাই। ধর্মীয় কর্তৃত্বের আড়ালে থাকা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ চেপে যাওয়া সহজ। "হুজুরের বদনাম হবে", "প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হবে", এসব বলে ভুক্তভোগী পরিবারকে চুপ করানো হয়। এই নীরবতার সংস্কৃতিই নিপীড়কের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।
সমাজ হিসেবে আমাদের দায় এখানেই। যতক্ষণ নিজের সন্তানের গায়ে আঁচ না লাগে, ততক্ষণ আমরা নির্লিপ্ত থাকি। অভিযুক্ত পরিচিত বা সম্মানিত হলে প্রশ্ন তোলার বদলে সাফাই গাই। এই নির্লিপ্ততা ও পক্ষপাত না ভাঙলে কোনো প্রতিষ্ঠানই জবাবদিহির আওতায় আসবে না।
তবে প্রতিবাদের পথও গুরুত্বপূর্ণ। শোনা যাচ্ছে, একই দিনে একাধিক জায়গায় মাদ্রাসায় ভাঙচুর হয়েছে, কোথাও আগুন দেওয়া হয়েছে, কাউকে মারধর করা হয়েছে। এই ক্ষোভের উৎস আমি বুঝি। কিন্তু ভিড়ের বিচারে প্রকৃত অপরাধী আর নিরপরাধ শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের পার্থক্য হারিয়ে যায়। অপরাধী পার পেয়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্দোষেরা। আর যে আইনি ব্যবস্থার ওপর আমাদের ভরসা করা দরকার, তাকেই আমরা দুর্বল করে ফেলি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি হওয়া উচিত আদালতের মাধ্যমে, এবং দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলকভাবে।
পরিবর্তনের জন্য তিনটি কাজ জরুরি:
১. সব প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নীতি: স্কুল, মাদ্রাসা, কোচিং, যে ধারারই হোক, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা ও শিশু সুরক্ষা নীতিমালা থাকতে হবে।
২. সচেতন অভিভাবকত্ব: ভর্তির আগে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও জবাবদিহি যাচাই করা দরকার। সন্তানকে শেখাতে হবে, অস্বস্তিকর কিছু ঘটলে সে যেন নির্ভয়ে বাবা-মাকে বলতে পারে।
৩. অভিযোগ চেপে না রাখা: কোনো অভিযোগ উঠলে তা ধামাচাপা না দিয়ে দ্রুত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
একজন বাবার ক্ষোভ আমাদের নাড়া দিয়েছে। এই জাগরণ যেন ক্ষণিকের উত্তেজনায় শেষ না হয়। প্রতিটি শিশুর নিরাপত্তা আমাদের সবার দায়িত্ব, সে নিজের সন্তান হোক বা অন্যের।
২|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সেক্স এডুকেশন চালু করতে হবে। অনেকের এই বোধ নাই যে বাচ্চাদের চুমু দেয়া যাবে না।
৩|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৩
নতুন বলেছেন: মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রন খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। একটা দেশে ৭০ লক্ষ মাদ্রাসা ছাত্র কেন থাকবে?
ভবিষ্যতে এই জনগোস্ঠি সময়ের সাথে তাল মেলাতে কর্ম করতে পারবেনা। কোন স্কিল তারা শিখছে?
তারা শুধুই ইমাম. মোয়াজ্জিন, মাদ্রাসা শিক্ষক, ওয়াজ করেবে? প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ এখন ধর্ম ব্যবসার সাথে জড়িত।
এই ধর্ম ব্যবসা চালাতে হলে মানুষকে ধর্মভীরু রাখতে হবে।
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন:
মোদ্দাকথা ধর্মটা সঠিক পথে থাকতে হবে, চোর বাটপার ধর্ষকরা (সবাই না হলেও বেশিরভাগ) এখন ধর্ম চালায়, ব্যবসা হিসেবে।
৪|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩
নতুন বলেছেন: আমাদের দেশে এত বড় সংখার ছাত্ররা মাদ্রাসায় পড়ে দেশের জন্য কি করবে ভবিষ্যতে?
কোরানের হাফেজ হওয়া ফরজ কিছু না। এটা সমাজে কেউ থাকলেই হয়। কিন্তু দেশে এটা বিরাট একটা বিষয়।
বর্তমানে কোরান হারিয়ে যাবার সম্ভবনা নাই। সেই রকমের কোন ঝুকি ও নাই।
কোরানের হাফেজরা কোরান মুখস্ত বলতে পারে কিন্তু তার অর্থ জানে না।
এই জ্ঞান নিয়ে মানুষ গুলি কি করে জীবিকা নির্বাহ করে? বাবা মা তাদের ছেলেদের মেয়ে দের বেহেস্ত যাবার আশায় কোরানে হাফেজ বানায়. তারা শিশুগুলির জীবন নস্ট করে সেটা ভাবে না।
ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় শিক্ষার দরকার আছে। কিন্তু তাই বলে একটা দেশে ৭০ লক্ষ শিশু মাদ্রসায় পড়বে সেটা দেশের জন্য মঙ্গল জনক কিছুই আনবেনা। ![]()
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৮
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন:
কোরানের হাফেজরা কোরান মুখস্ত বলতে পারে কিন্তু তার অর্থ জানে না।!
একটা দেশে ৭০ লক্ষ শিশু মাদ্রসায় পড়বে- এই ৭০ লক্ষই কোরান মুখস্ত পড়বে, যেমন তারা অর্থও জানবে না, আবার কোরানের প্রকৃত ব্যবহারও তারা করতে পারবে না। এদের হাতেই আবার ইসলাম থাকবে আমাদের ধর্ম থাকবে।
৫|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যতক্ষণ নিজের সন্তানের গায়ে আঁচ না লাগে, ততক্ষণ আমরা নির্লিপ্ত থাকি।
.............................................................................................................
আমাদের এই কাপুরুষতা, ভীরুতা ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে হবে ।
মাদ্রাসায় সঠিক কুরআন শিক্ষা প্রদান পর্যন্ত ঠিক আছে ।
এরপর কোর্স পরিবর্তন করে স্কুল/ কলেজ/ কারিগরী শিক্ষা গ্রহন
বাধ্যতামূলক করা আবশ্যক ।
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: এই নির্লিপ্ততা আমাদের গ্রাস করেছে।
কোরান হাদিস বোঝে শিক্ষা নিলে সবাই সঠিক লাইনে থাকবে।
৬|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৬
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: আমার সন্তান শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের /যৌন হেনস্তার শিকার হবে আর আমি বাবা হিসেবে হুজুরের দোয়া নিবো? ঐ প্রতিষ্ঠানে যে প্রতিবাদ হয়েছে তা খুবই নগন্য, শরিয়া আইনের আওতায় শাস্তির বিধান বাধ্যতামূলকভাবে মাদ্রাসায় চালু হউক।
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: মানুষ জাগছে একটু সময় নিলেও বোঝা যাচ্ছে মানুষের রিয়্যাকশন।
৭|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৭
অপলক বলেছেন: শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়
৮|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫০
মাথা পাগলা বলেছেন: হুজুরকে থাপ্পর মারা উচিত হয় নাই, এর বদলে পু** মারলে খুশি মনে মেনে নিত - পায়ুযোদ্ধারা হয়তো আর প্রতিবাদ জানাতো না।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এক থাপ্পরে দেশের আইন ও মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলা শুরু করেছে তৌহিদি জনতা । একটা গান আছে না , শক্তের ভক্ত নরমের জম , জেনে গেছে আজ কালা আযম ।