নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন প্রবাসে চাকরি বা ব্যবসা করে নিজ পরিবার, আত্মীয় পরিজন ও নিজ নামে ব্যাংক একাউন্টে বৈধ উপায়ে, ব্যাংকিং চ্যানেলে নিজ দেশে অর্থ প্রেরণ করেন, তখন তাকে রেমিট্যান্স বলে।

পণ্য রপ্তানি: তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, নিটওয়্যার, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ, ওষুধ ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানি বাবদ বাংলাদেশ ফরেন কারেন্সি আয় করে।

এছাড়া বাংলাদেশ কিছু সেবা ও আউটসোর্সিং করেও ফরেন কারেন্সি আয় করে। যেমন ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার, সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট। আর বাংলাদেশ বিদেশি পর্যটক হতে সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই কম আয় করে। সার্কভুক্ত দেশের মাঝে পর্যটন খাত হতে সবচেয়ে কম আয় করে যেই দেশ তার মধ্য অন্যতম দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

টাকা পাচার: বাংলাদেশ হতে এক টাকা পাচার হলেও টাকা পাচার। বিলিয়ন টাকা পাচার হলেও টাকা পাচার। এখন সেই টাকা যেই উদ্দেশ্যে পাচার হোক তা টাকা পাচারই। রাজনীতিবিদ হোক অথবা রাজনৈতিক সান্ডা পান্ডা অথবা হোক কোনো জমিদারের নাতিপুতি নামক বাংলা সিনেমার থার্ডক্লাস গুন্ডা - বিদেশে টাকা পাচার অবৈধ। এমনকি পড়ালেখা ও চিকিৎসার নামেও যেনো কেউ টাকা পাচার করতে না পারে তার জন্য কঠোর থেকে কঠোরতম আইন হওয়া উচিত। অন্যথায় যেই ব্যক্তি / ব্যক্তি গং জীবনে এক পয়সা ফরেন কারেন্সি আয় করেনি সেও প্রবাসে উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসার নামে টাকা পাচার করবে। ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল, অর্থাৎ ছোট ছোট অংকের টাকা করেই বিলিয়ন টাকা পাচার হয়। - তাই যে কোনো পথে যে কোনো উদ্দেশ্যে প্রবাসে টাকা প্রেরণের জন্য কঠোর থেকে কঠোরতম আইন হবে দেশের জন্য মঙ্গল।

অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী: পড়ালেখার নামে যদি হয় লবডঙ্কা। একটি সিভি বায়োডাটা তৈরি করার মতো পড়ালেখা ও যোগ্যতা যদি না থাকে। তাহলে money laundering এর মতো রাষ্ট্রীয় ফিনান্সিয়াল ইস্যু নিয়ে কথা বলাও এক ধরনের অপরাধ। ব্যর্থ মানুষ আর বেকার মানুষ হচ্ছে সকল কাজে পারদর্শী। এরা সমাজের জন্য পরিবারের জন্য ও পরিবেশের হুমকি।

শেষ কথা: বাংলাদেশের মতো হতদরিদ্র দেশের ক্ষেত্রে “দেশ হতে প্রবাসে ফরেন কারেন্সি নেওয়ার জন্য লিখিত সুনির্দিষ্ট কারণ ও লিখিত লিমিট / সীমা থাকা উচিত”।









মন্তব্য ৫ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে- একজন ব্যাক্তি বাৎসরিক ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে পারবেন না, ইহা গত মাসে বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলারে উন্নীত করা হয়েছে। দেশের সাধারণ জনগণের কত শতাংশ মানুষ চিকিৎসা বা পড়াশোনা জন্য দেশের বাইরে টাকা পাঠায়? সংখ্যাটা অবশ্যই খুবই নগন্য পাশাপাশি বেনজির, এস আলম, ইউনুস এবং টোকাই উপদেষ্টাদের সম্মিলিত পাচার করা অর্থের পরিমান কতো হবে?

দক্ষিন কোরিয়াতে অর্থ পাচারের জন্যে মৃত্যু দন্ডের মতো বিধান আছে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



শেখ পরিবার সহ দেশের টোকাই গং - যেই টাকার পাচার করুক। তার জন্য যদি দক্ষিন কোরিয়ার আইন ফলো করতে হয়, তাহলে তাই করা উচিত।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



উচ্চশিক্ষার জন্য প্রবাসে পড়ালেখার নামে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী আর দেশে ফিরে আসে না। বরং তারা দেশের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে হুন্ডির মাধ্যমে দেশের টাকা পাচার করে প্রবাসে নিয়ে যায়। এই কথা সঠিক দেশের রাজনীতিতে জড়িত যারা টাকা পাচার করে সেই অংকের কাছে এই অংক অনেক ছোট অংক। কিন্তু ছোট অংক হলেও এরা টাকা পাচারের আওতাভুক্ত।

২| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:





ঠাকুর মাহমুদ ভাই, এইটা কী বললেন! দেশ থেকে একটি টাকাওপাচার তথা পাঠানো যাবেনা । পাচার করা যাবেনা
সেটা না হয় মেনে নিবে সবাই, তবে বৈধভাবে টাকা বিদেশে পাঠানো কী ব্ন্ধ করা যাবে !!
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে টাকা পাঠানো বা সঙ্গে করে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মটি কেন টাকা পাঠানো হচ্ছে এর ওপর
নির্ভর করে। আমি ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ কাস্টমসের প্রকাশিত তথ্য দেখে
নিচের সারসংক্ষেপটি দিচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালে কিছু সীমা পরিবর্তিত হয়েছে, তাই পুরোনো ওয়েবসাইটের
তথ্যের সঙ্গে পার্থক্য থাকতে পারে।
মূল নিয়মটি হলো
বাংলাদেশে বসবাসকারী ব্যক্তি ইচ্ছামতো নিজের সঞ্চিত টাকা বিদেশে ব্যাংক ট্রান্সফার করতে পারেন এমন
সাধারণ অনুমতি নেই। বৈধ current-account transaction হলে অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী
ব্যাংক (Authorized Dealer/AD Bank) নির্ধারিত কাগজপত্রের ভিত্তিতে টাকা পাঠাতে পারে; আর নির্দিষ্ট
অনুমোদিত খাতের বাইরে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
অর্থাৎ, আমার বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা আছে, তাই আমি যেকোনো দেশে যেকোনো ব্যক্তির
অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারব এমন নিয়ম নেই।

ব্যক্তিগতভাবে কোন কোন কাজে বৈধভাবে টাকা পাঠানো যায়?
খাত বর্তমান নিয়ম/সীমা সাধারণত কীভাবে
বিদেশ ভ্রমণ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য বছরে USD 18,000 পর্যন্ত AD Bank/আন্তর্জাতিক কার্ড/অনুমোদিত মাধ্যমে
ভ্রমণের নগদ ডলার প্রতি ব্যক্তির প্রতি ট্রিপে সর্বোচ্চ USD 5,000 cash notesPassport endorsement সহ
১২ বছরের কম বয়সী শিশু প্রাপ্তবয়স্কের ৫০% = USD 9,000 প্রযোজ্য নিয়মে
বিদেশে চিকিৎসা AD Bank সাধারণভাবে USD 15,000 পর্যন্ত ছাড়তে পারে; বেশি হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমো হাসপাতাল/চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের estimate ও চিকিৎসকের/Medical Board-এর কাগজ
বিদেশে পড়াশোনা নির্দিষ্ট USD annual ceiling নয়; অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত tuition ও সংশ্লিষ্ট admis expenses-এর ভিত্তিতে Admission letter, fee invoice ইত্যাদি দিয়ে AD Bank
ভাষা কোর্স/Correspondence course বৈধ শিক্ষা খাত হিসেবে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও course-এর কাগজ
র ভিত্তিতে
Visa processing fee প্রকৃত/দাবিকৃত fee অনুযায়ী Embassy/High Commission-এর demand/invoice
Visa bond/refundable security deposit নির্দিষ্ট সর্বজনীন USD ceiling নেই; কর্তৃপক্ষ যত চায়, প্রয়োজনীয়
প্রমাণের ভিত্তিতে AD Bank/অনুমোদিত international card
বিদেশে পরিবারের সদস্যের maintenance সাধারণ automatic quota নেই Bangladesh Bank-
এর prior approval প্রয়োজন
বিদেশে training/seminar/workshop অনুমোদিত ক্ষেত্রে Employer/invitation/invoice ইত্যাদি
অন্যান্য বৈধ current-account expense খাতভেদে নির্দিষ্ট limit/শর্ত AD Bank-এর মাধ্যমে
ভ্রমণের USD 18,000 সীমাটি খুবই সাম্প্রতিক Bangladesh Bank-এর ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর FEPD-1
Circular No. 33-এ আগের USD 12,000 থেকে এটি বাড়ানো হয়েছে। নগদ USD notes
অবশ্যই USD 5,000-এর বেশি হতে পারবে না।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে ১২ মে ২০২৫-এর Bangladesh Bank circular অনুযায়ী AD Bank-এর মাধ্যমে
সাধারণভাবে USD 15,000 পর্যন্ত দেওয়া যায়; এর বেশি প্রয়োজন হলে supporting documents-সহ
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগে।

৩. বিদেশে পড়াশোনার জন্য টাকা পাঠানো
এখানে বিষয়টি একটু গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থায় স্বীকৃত বিদেশি প্রতিষ্ঠানে
• Undergraduate
• Postgraduate
• Language course
• Professional diploma/certificate
• অন্যান্য নিয়মসাপেক্ষ regular course
এর tuition ও অনুমোদিত শিক্ষা-সংক্রান্ত খরচ পাঠানো যায়। ২০২৬ সালের নতুন ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট শিক্ষা-সংক্রান্ত
payment আন্তর্জাতিক debit/prepaid/credit card দিয়েও করা যায় এবং এই education payment
travel quota-এর অংশ হিসেবে গণ্য হবে না।
অর্থাৎ, উদাহরণস্বরূপ, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের tuition fee যদি USD 25,000 হয়, শুধু ভ্রমণ quota-এর
USD 18,000-এর কারণে tuition আটকে যাবে—এমন নয়। শিক্ষা-খাতে প্রয়োজনীয় প্রকৃত খরচের জন্য
আলাদা regulatory route আছে।
সাধারণত লাগতে পারে:
• Admission/Offer letter
• Tuition fee invoice
• বিশ্ববিদ্যালয়ের bank/payment details
• Passport
• শিক্ষার্থীর তথ্য
• প্রয়োজনীয় visa/visa-related documents
• ব্যাংকের prescribed forms

৪. চিকিৎসার জন্য
বিদেশি হাসপাতাল বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসার জন্য বর্তমানে USD 15,000 পর্যন্ত AD Bank নিজ
ক্ষমতায় release করতে পারে, প্রয়োজনীয় medical recommendation এবং বিদেশি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের cost estimate-এর ভিত্তিতে।
যদি চিকিৎসার খরচ হয়, ধরা যাক, USD 40,000, তাহলে পুরো USD 40,000 সাধারণ travel quota দিয়ে
পাঠানোর বিষয় নয়। চিকিৎসার supporting documents দিয়ে ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের
অনুমোদনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

৫. বিদেশে থাকা ছেলে-মেয়ে/স্বামী-স্ত্রী/বাবা-মাকে টাকা পাঠানো
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।
বাংলাদেশে বসবাসকারী ব্যক্তি বিদেশে থাকা—
• dependent বাবা-মা,
• spouse,
• সন্তান
এর maintenance-এর জন্য টাকা পাঠানোর আবেদন করতে পারেন; কিন্তু এটি সাধারণ travel/education-
এর মতো automatic annual quota নয়। AD Bank আবেদনটি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে পারে এবং
prior approval প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাসের certificate/recommendation-সহ
beneficiary-এর residency, বিদেশে income ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়।
অতএব, “আমার ছেলে UK-তে থাকে, আমি প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে তাকে USD 10,000 পাঠাব”
এমন কোনো সাধারণ automatic USD 10,000 quota নেই।

৬. Visa fee ও visa bond
Visa application-এর জন্য বিদেশি embassy/high commission-এর প্রকৃত visa fee বৈধভাবে
remit করা যায়।
২০২৬ সালের নতুন নিয়মে কোনো দেশের visa পাওয়ার শর্ত হিসেবে যদি refundable visa bond/
security deposit দিতে হয়, AD Bank সেই অর্থ বিদেশি embassy/high commission বা সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে পারে। International/virtual card-এর মাধ্যমেও নির্দিষ্ট শর্তে দেওয়া যায়।
এক্ষেত্রে সাধারণত লাগবে:
• Passport
• Visa application reference
• Embassy-এর demand letter/invoice
• Bond/security deposit-এর পরিমাণ ও refund terms

৭. ভ্রমণের সময় সঙ্গে করে কত টাকা নেওয়া যায়?
এখানে দুটি বিষয় আলাদা:
মোট annual travel entitlement
বর্তমানে adult Bangladeshi resident-এর জন্য USD 18,000 বা equivalent per calendar year।
হাতে নগদ USD
এর মধ্যে USD 5,000-এর বেশি USD notes হিসেবে প্রতি trip-এ নেওয়া যাবে না। বাকি admissible foreign exchange card বা অন্যান্য অনুমোদিত মাধ্যমে হতে পারে।
উদাহরণ:
আপনার annual entitlement USD 18,000 হলেও একবারে suitcase/wallet-এ USD 18,000 cash
নিয়ে বের হওয়া বৈধ হবে না। Cash-note limit USD 5,000।

৮. বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা আনা আর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে নেওয়া এক বিষয় নয়
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে foreign currency আনার ক্ষেত্রে declaration-এর আলাদা নিয়ম আছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২০ সালের notification অনুযায়ী একজন incoming passenger USD 10,000
পর্যন্ত foreign currency declaration ছাড়াই আনতে পারেন; তার বেশি হলে Customs-এ declaration
করতে হয়।
আর বাংলাদেশ থেকে বের হওয়ার সময় Bangladeshi currency (টাকা) সর্বোচ্চ Tk 10,000 পর্যন্ত নেওয়া যায়।
বাংলাদেশ কাস্টমসের ওয়েবসাইটে অবশ্য কিছু পুরোনো passenger guidance-এ এখনও USD 12,000
travel quota দেখা যায়; সেটি ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নতুন Bangladesh Bank circular-এর আগের তথ্য।
তাই বর্তমান travel entitlement-এর ক্ষেত্রে নতুন Bangladesh Bank circular-টিই প্রাধান্য পাবে।

৯. কোন কাজগুলোতে সাধারণ ব্যক্তির জন্য “automatic” টাকা পাঠানোর সুযোগ নেই?
বিশেষভাবে সতর্ক থাকার বিষয়:
বিদেশে—
• বাড়ি/ফ্ল্যাট কেনা
• বিদেশি শেয়ার/ব্যবসায় investment
• বিদেশি bank account-এ নিজের সঞ্চয় সরিয়ে নেওয়া
• বিদেশে capital investment
• কাউকে নিছক gift হিসেবে বড় অঙ্ক পাঠানো
• কোনো নির্দিষ্ট অনুমোদিত খাত ছাড়া personal wealth transfer
এসবকে সাধারণ travel বা current-account remittance হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। Bangladesh
Bank-এর তথ্য অনুযায়ী resident-owned capital বিদেশে investment-এর জন্য সাধারণভাবে prior
approval-এর আওতায় পড়ে।

১০. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাতে হবে
বৈধ outward remittance-এর ক্ষেত্রে Authorized Dealer bank ব্যবহার করাই মূল ব্যবস্থা। ব্যাংক
transaction-এর উদ্দেশ্য, beneficiary, invoice/offer letter/medical papers ইত্যাদি যাচাই করে
এবং প্রয়োজন অনুযায়ী Bangladesh Bank-কে report করে।
হুন্ডি/অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল ব্যবহার করে এই সীমা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা বৈধ নয়।

আপনার বিদেশে বৈধভাবে টাকা প্রেরনেন একটি সহজ সিদ্ধান্ত-ছক
কেও যদি বলেন—
“আমি বিদেশে যাচ্ছি, খরচের জন্য টাকা চাই।”
তাহলে Travel quota: USD 18,000/year; cash maximum USD 5,000/trip।
“আমার সন্তান বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, tuition পাঠাতে চাই।”
তাহলে Education remittance-এর আলাদা ব্যবস্থা আছে; travel quota-এর সঙ্গে এক করে দেখা যাবে না।
“বিদেশে চিকিৎসার জন্য USD 30,000 লাগবে।”
তাহলে USD 15,000 পর্যন্ত AD Bank-এর delegated facility; বেশি হলে Bangladesh Bank approval
route।
“আমার স্ত্রী/সন্তান বিদেশে থাকে, নিয়মিত সংসার খরচ পাঠাতে চাই।”
তাহলেPrior Bangladesh Bank approval-এর ব্যবস্থা আছে; automatic travel quota নয়।
“আমি বিদেশে একটি বাড়ি/জমি/ব্যবসায় টাকা invest করতে চাই।”
তাহলে এটি সাধারণ outward remittance নয়; resident capital abroad নেওয়ার জন্য আলাদা approval
regime প্রযোজ্য।
একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: Bangladesh Bank-এর বৈদেশিক মুদ্রা বিধি নিয়মিত circular-এর মাধ্যমে
পরিবর্তিত হচ্ছে ২০২৬ সালেই travel, education, visa bond ইত্যাদি বিষয়ে একাধিক নতুন circular
হয়েছে। তাই বড় অঙ্কের transaction করার আগে সংস্লিস্টি ব্যক্তি তার Authorized Dealer bank-এর
Foreign Exchange/AD branch-কে উদ্দেশ্যটি লিখিতভাবে জানিয়ে কোন circular ও কোন documents
লাগবে তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন হবে।

এখন আপনি বলেন এই বৈধ পন্থার কোনটিকে কীভাবে চেপে ধরবেন, না অদৌ সব বন্ধ করে দিবেন ।
বন্ধ করা বা নিয়ন্ত্রিত চালু রাখায় দেশেরই কী লাভ ক্ষতি হবে । কে লাভবান আর কে ক্ষতিগ্রস্থ হবে ।
সকলেই যদি আমাদের মত যাকে বলে Falacy of compoition তাদের নীজ নীজ দেশ হতে বৈধ
পথে বিদেশী মুদ্রা প্রেরনে বাধা দেয় বা বন্ধ করে দেয় তাহলে কী ফলাফল হবেG

শুভেচ্ছা রইল

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভাই সাহেব, সালাম ও দোয়া নিবেন। আশা করি সর্বাঙ্গীন ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি, আগামী অক্টোবরে দেশের বাইরে থাকবো প্রায় ২৫ দিন। ব্লগের বাইরেও। কারণ ব্লগে লেখার জন্য যেই পরিমাণ সময় দিতে হয় তা দেশের বাইরে থেকে সম্ভব না। আর বাংলা লেখার মতো কী বোর্ড সহ ডেস্কটপও আমি বহন করবো না। ল্যাপটপ / সেলফোন দিয়ে ব্লগ দেখা সম্ভব কিন্তু মন্তব্য বা পোস্ট আমি লিখতে পারি না।

আপনার মন্তব্যের প্রসঙ্গে আসি। বাংলাদেশ হতে বৈধভাবে প্রবাসে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি দেওয়া আছে। পড়ালেখা, চিকিৎসা, আমদানি বাবদ আইনও করা আছে। সমস্যা হচ্ছে এই আইনের ভেতরে থেকে আইনকে মিসইউজ করে অনেকে টাকা পাচার করছে।

দেশ হতে সরাসরি ব্যাংকিং বৈধ চ্যানেলকে অপব্যবহার করে টাকা পাচার হয়। আর টাকা পাচার হয় হুন্ডির মাধ্যমে। আর এই সকল কারণে দেশের অবস্থা দিন দিন এতোই খারাপ হচ্ছে যা রিম রিম কাগজ লিখে ব্যাখ্যা লিখে শেষ করা সম্ভব না।

এই দেশে রাজনীতিতে লতায় পাতায় আত্মীয় যারা আছে তারাও টাকা পাচার করে দেশের বাইরে আবাসন করে নিয়েছে। টাকা পাচার করেছে আদম ব্যবসায়ী। টাকা পাচার করেছে ভাড়াটে গুন্ডা তথা রাজনীতিতে ব্যবহৃত জেনজি শিশু। টাকা পাচার করেছে দেশের শিক্ষিত অশিক্ষিত সমাজ। ডাক্তার থেকে শুরু করে ছাত্র ছাত্রী কর্মজীবি নারী পুরুষ, অনলাইন বিক্রেতা, প্রবাসে স্থায়ী বসবাসকারী এনআরবি বাংলাদেশি কে নয়?

আমাদেরে দেশের বহু বহু মানুষ দেশের বাইরে গিয়ে থেকে যাওয়ার নামে স্থায়ী হওয়ার নামে দেশের সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা বিদেশে নিয়ে গিয়েছে। এই বিদেশে টাকা নেওয়াটা আপনি কিভাবে দেখেন? এটি কি টাকা পাচার নাকি নিজ নিজ ব্যক্তিগত অর্থ প্রবাসে নিয়ে যাওয়া?

ভাই সাহেব এই সকল বিষয় বলে লিখে শেষ করা যাবে না। আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। আগামীতে ভিন্ন কোনো বিষয় নিয়ে লিখবো।

আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.