আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) সূচীপত্র - ই য়া দ
- ইভটিজিং লইয়া ইহা কোন আলগা আলোচনা না। অপ্রিয় সত্যের আঘাতে আহত হইতে পারেন। (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দেইল্যা রাজাকার ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাইদী - পঙ্খিরাজ
- বিবর্তনের ফলে মানব দেহে রয়ে যাওয়া কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং মাস্ল। - হোরাস্
- বর্ষা-বরণ ও কতিপয় ব্লগারগণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা এবং একজন নাস্তিক পিতার অসহায়ত্ব - সন্যাসী
- মেঘবাজি সমগ্র-১ - মেঘবাজি
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- এ ধরনের যুদ্ধশিশুদের জন্য আমাদের করনীয় কি - শয়তান
- THE P A U S E . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার রাজ রাজেশ্বরী - ফেরারী পাখি
- গটমট ডায়েরী - অনাহুত আগন্তুক
- আমি তোমাকে উপর থেকে দেখি - অন্যমনস্ক শরৎ
- ~ রুপকথা ২ ~ - ~স্বপ্নজয়~
- অপ্রকাশিত জীবনানন্দ - সুদীপ চৌধুরী
- কোন এক পশ্চিমা শহরের কবিতা বা গল্প - জামাল ভাস্কর
- আমিও লিখলাম - আকাশ_পাগলা
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- অস্পষ্ট শেষ পৃষ্ঠার হাসি - মুক্তি মণ্ডল
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- অলৌকিক ইস্টিমারটা আর ফিরে এলোনা বন্দরে (শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- বন্ধু, তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- একজন অপ্রকৌশলীর বুয়েট প্রেম - সাহোশি৬
- বৃত্ত অতিক্রমণের চেষ্টা (দুটি বেঞ্চিতে মুখোমুখি চারজন) - বৃত্তবন্দী
- অলৌকিক বৃষ্টি - প্রতিধ্বনি, তুমিতো
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- * * ছ .*. ন্ন .* * ত .*. র ** . ঙ্গ . ** * - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
![]()
এটাই প্রারম্ভের অন্ত অথবা অন্তিমের আরম্ভঃ এরকম ঘোষণায় সচকিত হয় রোমকূপ। সামনে জীবন নাই, আশা নাই, সুর নাই, নারী নাই। নেশা নাই, কবিতা নাই, তোমার দুচোখ নাই। তার থেকেও তীব্রশরীর, স্তন আর নাভিমূল নাই, তোমার মধুকূপী বাহু নাই, রীডসুলভ আঙুল নাই। প্রথাগত শূন্যতার চাইতেও বেশি কিছু, অনেক কিছু জীবন ছাড়িয়ে যার ছায়া পড়তে পারে, আমার সামনে এসে দাঁড়ায়। সংখ্যারেখার প্রমাণবিন্দু হারিয়ে গেলে খুব বিপন্ন লাগে। যেমন বিপন্ন লাগে সময়-ঘড়ি হারালে। যেমন বিপন্ন লাগে মাংস স্বাদের গন্ধ হারালে।
আরম্ভ হলেই শেষ হবে, জানা কথা। তাহলে কোন কিছু শুরু করতে আমি এতো উদযাপন করি কেন? উদ্বোধনের প্রগলভ উচ্ছ্বাসে আমি সময় অপচয় করি, অর্থ আর শ্রম ব্যয় করি, যদিও জানি সামনে এরকম কিছু নাই- কিছু থাকবে না। এই ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার মতো অমোঘ নিয়তিতে সব প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে আর আমার খেলার মাঠ জুড়ে বিষন্ন কাক বসে র'বে।
চিকন কণ্ঠে তুমি গাইছো। একটু কেঁপে কেঁপে যাচ্ছে গলা। ওটা পেরিয়ে যাই আমি, ও কিছু না। গানটা সুন্দর লাগছে, কান দিয়ে ঢুকে বুকে পৌঁছে যাচ্ছে। আপাত নির্বাক আমি একটু আগে বলছিলাম, একটা গান শোনাও না। তুমি লাজুক হাসছিলে, ধুর! আমি গান পারি নাকি? আমি বললাম, খুব পারো। গাও, আমি শুনবো। তুমি শুরু করতেই আমি জড় হই, স্থির হই। কাঁপনগুলো থেমে আসে। বোধসমূহ তাবৎ জামাকাপড় সাজসজ্জা খুলে ঘুমুতে যায় আলো নিভিয়ে।
অনেকক্ষণ পরে, কখন আমার খেয়াল নেই, তোমার গান হয়তো অনেক আগেই থেমে গেছে। গান থামিয়ে তুমি আমাকেই দেখছিলে হয়তো। আমি সম্বিত ফিরে পাওয়ায়, সেটা হারানোর লজ্জায় বিব্রত হই। ভালোবাসা প্রকাশিত হলে লাজুক লাগে মনে হয়! আমি শশব্যস্ত হয়ে ঘুঘু পাখির ডাক শুনতে চেষ্টা করি। কী আশ্চর্য! এই নিশুতিতে ঘুঘু কোত্থেকে আসবে? "ঘুঊঊঊ ...ঘুঊঊঊ ..." আমি চমকে তাল সামলে বুঝতে পারি কোথাও আসলেই ঘুঘু ডাকছে। গভীর বিষন্ন সুরে ডাকছে। সেই ডাকের পশ্চাতে একটা বিমর্ষ হাহাকার জেগে উঠতে থাকে। দূরত্ব বাড়লে আমাদের প্রিয় মুখের উত্তাপ কি ধীরে ধীরে কমতে থাকে? আমরা কি স্মৃতি প্রখর নই? কেনইবা আমাদের প্রতিদিন দেখা লাগে, ছোঁয়া লাগে, খুঁজে নেয়া লাগে প্রাণান্ত-আত্মাদের!
গায়ের গন্ধ খুব মাতাল করে দিতে পারে। নাসা ফুলিয়ে ফুলিয়ে আমি যে সুবাস পাই তা নিউরণে ঢুকে কী প্রলাপ শুরু করে দিতেছে, আমার স্রোতবহা রক্তে নাচন ধরিয়ে দিচ্ছে! সেখানে কণিকার ভাঁজে ভাঁজে রূপায়িত ঘুঙুর বেঁধে ঝুন ঝুন, রুন ঝুন করে তোমার ত্বক-সৌরভ ভেসে বেড়াচ্ছে। আমি গাঢ় হয়ে আসি, ঘন আর নিবিড় করে তোমাকে জড়িয়ে ধরি। তাপ পরিবাহে আটানব্বুই ডিগ্রীর তীব্রতার আঁচে আমরা জড়লাল হয়ে উঠি! দূরত্ব কমে গেলে তোমার বুকের ভাঁজে একটা নরম তিল জন্মে আমার দিকে চেয়ে থাকে। আমি দূরে যেতে চাই না। আমি চোখের আড়ালে যেতে চাই না। ইন্দ্রিয়-বিপন্ন হয়ে আমি খুঁড়ে খুঁড়ে গোপন বিষন্নতাগুলো লুকিয়ে রাখতে চাই।
তুমি সেকথা জানো। খুব ভালো করেই জানো বলেই হেসে দাও খিল খিল করে। চুলের শীর্ষমুখী কাঁপন থেকে থরে থরে মুক্তার মতো হাসি ঝরে পড়তে থাকে। আমি তোমার সাথে নিবিড় হয়েও বিস্তারী-অস্থিরতা লুকাতে পারি না।
-"মাত্র তো একটা সপ্তাহ!"
-"মাত্র?"
-"আহা! তুমি অবুঝ হলে আমি কোথায় যাই?"
-"কোথাও যাওয়া লাগবে না। থাকো।"
-"আমার দায় তুমি বুঝো না? দিনগুলোকে কঠিন করে দিও না।"
-"কেন নয়? আমি কীভাবে থাকবো অনুভব করো তুমি!"
-"করছি বলেই, করবো বলেই তো ফিরে আসবো!"
-"কবে?"
-"এই তো, সাত দিন। কষ্টে কাটবে দিনগুলো!"
আমি ম্রিয়মাণ ক্ষোভে সরে যেতে থাকি দূরবর্তী বাতিঘরের মতো। ছলাৎ শব্দে পাড়ভাঙা বিষাদ এলোমেলো বয়ে যেতে থাকে তথৈবচ উদ্দেশ্যহীন। শরীর শীতার্ত আগ্রহে স্বেদকণা শুকিয়ে নোনাদাগ ধরে রাখে। আজ মনে হয় তিন দিন-তিন রাত হলো, আমি দেখি নাই তোমাকে। অবসর মুহূর্তের ক্লান্তি জ্যাকেটের বোতামে লেগে থাকে। যেমন অনেক সময় বাতি নেভানোর পরেও আলোর রেশ চোখে লেগে থাকে। বাইরে কুয়াশা ছিটকে দেউড়ি পেরিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। আবছায়া আলোতে দেখি ছেঁড়া পৃষ্ঠার মতো হালকা দোলনে শিশিরকণারা দুধসাদা বিছানায় শুয়ে পড়ছে। আমি ধীরপায়ে তাদের সরিয়ে গুটিসুঁটি মেরে শুয়ে থাকি জামাকাপড় না ছেড়েই। গ্রাফাইট কণার গন্ধ জড়িয়ে থাকে লিনেনের প্রান্তে। ঘুম এসে ভেঙে ভেঙে যায় এই বিভ্রমে যে আমি চলন্ত ট্রেনে আছি, যেটাতে করে রোজ ফিরি। আমার উল্টোদিকে ব'সে থাকা ভাবলেশহীন মুখব্যক্তি চোখ মেলে দেখেই আমি চমকে উঠি। লোহার হাতলের স্পর্শও আমাকে শিহরিত করে। ট্রেনেই আছি তাহলে! শাটলের মতো দ্রুততায় তুমি সরে সরে যাও। আমি দুঃস্বপ্নের ছোবল ভেঙে জেগে উঠি। গলা শুকিয়ে কাঠ! অন্ধকারেই হাতড়ে হাতড়ে সিঙ্ক পর্যন্ত গিয়ে পানি খাই ঢকঢক করে। রেখে দেয়ার সময়ে গ্লাস বড়ো শব্দ করে টাইল্সে!
আমার মনে হচ্ছে তোমাকে আর কখনোই দেখা হবে না আমার। যেদিন শেষ দেখেছি সেটাই তোমার আমার শেষ দেখা ছিল। ফ্ল্যাশের আলোতে চোখ ঝলসে গেলে তারাবাজি হচ্ছিল চোখে, ফুটি ফুটি তারা জ্বলে নিভে উঠছিল। সয়ে নিতে নিতে তুমি হেসে নির্বাক ফটোফ্রেম হয়ে গেলে। দ্বিমাত্রিক তলের নিষ্ঠুরতায় তাকিয়ে আছো! ঈষৎ হেলানো তোমার মাথা। চুলগুলোও ঢেউ খেলিয়ে সরে আছে। ঠোঁটে একটা হালকা হাসি ধরে আছো। আর চোখের তারায় দুষ্টুমি। আমি ক্যামেরার ফ্ল্যাশের সাথে বিন্দু বিন্দু তোমাকে বেঁধে নিয়েছিলাম।
পীতাভ ঝলকে তুমি আটকে আছো তেইশে। তেইশ পেরিয়ে আমি অনেকদূর চলে গেছি। দূরত্ব বাড়লেও টান কমে না কেন? নাকি কমে যায়? জ্যামিতি ভালো বুঝি না বলে ক্লাশের স্যারেরা খুব বকতো। মারও খেয়েছি কম না। তারপরেও আমি কিছুতেই দুই বিন্দুর দূরত্ব বের করতে পারতাম না। বারবার ভুল হয়ে যেত। আরও কতো কতো ভুল হয় আমার! হিসেবে ভুল, সময়ে ভুল, স্মৃতিতে ভুল। এখানে জলজ চোখ ছেড়ে তুমি শুষ্ক হয়ে গেছো- জানার পরেও আমি প্রক্রিয়াজাত করতে পারি না। ক্রমশই আমার মনে হতে থাকে,"এই তো, সাত দিন। কষ্টে কাটবে দিনগুলো।" বলে তুমি উঠে গেছো। তোমার শরীরগন্ধী উষ্ণতা এখনও পড়ে আছে এখানে কয়েকবিন্দু। আমি দু'হাতে সেগুলো কুড়িয়ে মুঠোবন্ধ করতে থাকি। করতলে তখনও ঘুঘুর ধুকপুকানি শোনা যায়!
(সমাপ্ত)
- অনীক আন্দালিব
নভেম্বর, '০৮
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাতমজুর বলেছেন:
হুম, মাত্র ৪ দিন বাকি...
লেখক বলেছেন: পড়ে ফেলছেন?? ![]()
আপনি ভাই ছোটবেলায় দ্রুতপঠনে শিওর প্রথম হইতেন! ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লীনা।
লেখক বলেছেন: লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা ;
লেখক বলেছেন: রাতমজুর, একই প্রতিমন্তব্য দ্রষ্টব্য।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: ?
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
অদৃশ্য বলেছেন:
@ লেখক............অনেক আবেগিও এই লিখাটি। অনেক ভালো লাগলো। আমার প্রার্থনা................তার সাথে যেন আপনার দেখা হয়ে যায়।সবসময় ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অদৃশ্য, এটা নিছকই একটি গল্প। উত্তম পুরুষে লেখা বলে সম্ভবত এই ভ্রান্তি। আপনার ভালো লাগা জেনে খুশি হলাম!
নৈঃশব্দ্যের কোলাহল বলেছেন:
সুন্দর লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার নিকটা চমৎকার!
...........ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার প্রশ্নগুলো। হয়তো গল্পের উদ্দেশ্যটি এরকমই যে একটা নির্দিষ্ট আবেগিক তীব্রতাকে খুবলে দেখা।
আপনিও অনেক ভালো থাকুন দিদি।
দারুন লাগছে এইটা
লেখক বলেছেন: আমারও গুল পাকাইয়া ছিল। একমাস ধরে রেখে দেয়া হাফ-ডান্! সেটাকে গত দুইদিন ঘষা-মাজা করে একটা রূপ দিছি! হা হা!
লেখক বলেছেন: এটুকুই আমার কাছে ঠিকঠাক মনে হলো। গল্পের সমাপ্তি তো অন্যসব কথার সাথেই বা চিণ্তার সাথেই। সেখানে পাঠকের চিন্তা চলা শুরু হউক যেখানে গল্পকথকের বলা শেষ হলো!
নম্রতা বলেছেন:
প্রথমে কবিতা মনে হচ্ছিল...তারপরে ধীরে ধীরে গল্পের ভেতরে চলে এলাম। হেটে এলাম সবুজ ঘাস , শিশির ভেজা ! লেখক বলেছেন: ভ্রমণ কেমন লাগলো? ![]()
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
-"আহা! তুমি অবুঝ হলে আমি কোথায় যাই?যেমন বিপন্ন লাগে মাংস স্বাদের গন্ধ হারালে।
ধিন তিনাক ধিন
লেখক বলেছেন: ধিতান ধিতান বোলে ...
ঐ মাদলে তাল দোলে ...
কিছু অল্পতালের কথা হয়ে যাক! কী বলেন?
...অসমাপ্ত বলেছেন:
....সেইরকম ভাই... সেইরকম।...কবে যে এমন করে অন্তত দুই লাইন লিখতে পারব। ...বুঝতে পারছি ...আমার মধ্যে হিংসা বেশি।
....অনেক ভাললাগা রেখে গেলাম।
লেখক বলেছেন: হিংসা তো খুবই মানবিক অনুভূতি। সেটা আছে বলে বুঝবেন আপনিও মানবিক। আপনার ভালো লাগা মেশানো হিংসা ভালো লাগলো আমারও!
-- সহজ প্রশ্ন, উত্তরটা অনেক অনেক কঠিন!
তোমার শরীরগন্ধী উষ্ণতা এখনও পড়ে আছে এখানে কয়েকবিন্দু। আমি দু'হাতে সেগুলো কুড়িয়ে মুঠোবন্ধ করতে থাকি। করতলে তখনও ঘুঘুর ধুকপুকানি শোনা যায়!
-- মাঝে মাঝে ঈর্ষা হয়, আমি যদি আপনার মতো এতো সুন্দর ভাবে অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারতাম!!! মনের কথাগুলো বলে ফেললেন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: উত্তর কঠিন না, উত্তর অজানা। এজন্যেই কঠিন লাগে সবার কাছে।
ঈর্ষাপালন ভালো না, তবে 'দাগ থেকে যদি ভালো কিছু হয়"-এর মতো যদি তাথেকে ভালো কিছু হয় তো খুবই ভালো! ![]()
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
হে তরুণ কবি ও গল্পকার(কপিরাইট-আন্দালীব) আপনার লেখা গল্প অথবা স্বউপাখ্যানটি বিচ্ছিরী লাগিলো...
লেখক বলেছেন: গল্প অথবা নয়। গল্পই! স্বউপাখ্যান লেখার মতো কিছু হয়ে উঠি নাই এখনও! ![]()
আর এই ট্যাগ করলে আমি শ্যাষ! পুরাই শ্যাষ! ![]()
আন্দালীব ভাইয়ের পায়ে প'ড়ে ক্ষমা চাইতে হবে মনে হচ্ছে! ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মহাকালর্ষি! আপনার ছদ্মনামটি চমৎকার লাগছে!
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আমিও জানি গল্প অল্প অল্প
লেখক বলেছেন: বলেন বলেন শুনি! ![]()
লেখক বলেছেন: আসলেই তো! কোথায় যাই!!
উত্তরাধিকার বলেছেন:
চমৎকার।
"করতলে তখনও ঘুঘুর ধুকপুকানি শোনা যায়!"
অনেক দিন পর এসে আপনার পটু হাতের শব্দের খেলা দেখে অনেক ভাল লাগলো।
শুভেচ্ছা নিন।
লেখক বলেছেন: আপনি মোহনীয় শুশুকের মতোন হঠাৎ হঠাৎ ভুস্ করে ভেসে উঠেই হারায়ে যান। খুব কি ব্যস্ত থাকেন? আপনাকে মাঝে মাঝেই মনে পড়ে। কবিতাগুলো মনে পড়ে!
লেখক বলেছেন: তাই নাকি?!!
আমি কিন্তু গল্পই লিখেছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্যে! রাত বেশ গভীর, নাকি বলেন?
সবাক বলেছেন:
আধুনিক হৈছে
লেখক বলেছেন: শরম পাইলাম! ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাঁকি বাজ। অবশ্যই যাবো আপনার পাতাতেও! ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ভালো আছি। আপনার সাথে অনেকদিন পর কথা হচ্ছে। ভালো থাকুন ইমন!
জিগ স বলেছেন:
মেমেন্টিও ও পাল্প ফিকশনীয়...বাকিটা বুঝার পরে বলতেছি
লেখক বলেছেন: আচ্ছা! ![]()
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
কবির লেখা গল্প...।ওহে ছন্ন, আমি এক কবিকে চিনি যে গল্প লিখে।
আবেশ থাকুক। আর কী বলার!
সোনার দোয়াত-কলম হোক!
অনেকদিন পরে আপনার গল্প পড়লাম। ফ্রেম বিষয়ক লেখাগুলো পড়েছি আগেই। আলসেমী করে মন্তব্য করা হয়নি। ভালো লাগছে পর্বটি।
বইমেলা নিয়ে ভাবছেন কিছু? বই চাই, কবিতার বই।
লেখক বলেছেন: বইমেলা নিয়ে বড় লেখকরা চিন্তা করবেন। আমি তো পুরোই চুনোপুঁটি!
আসলে এ মুহূর্তে বই বের করার কোন চিন্তা নাই, রিপন ভাই। সময়, সুযোগ মিললে হয়ত কোন একদিন হবে।
আপনার গল্প পড়া হয় না অনেকদিন!
লেখক বলেছেন: নস্টালজিয়াও কতোটা কাকতালীয়!
নাঈম বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম ভাই!
কেমন আছেন??
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















