আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

শেয়ারঃ
0 0 0


এটাই প্রারম্ভের অন্ত অথবা অন্তিমের আরম্ভঃ এরকম ঘোষণায় সচকিত হয় রোমকূপ। সামনে জীবন নাই, আশা নাই, সুর নাই, নারী নাই। নেশা নাই, কবিতা নাই, তোমার দুচোখ নাই। তার থেকেও তীব্রশরীর, স্তন আর নাভিমূল নাই, তোমার মধুকূপী বাহু নাই, রীডসুলভ আঙুল নাই। প্রথাগত শূন্যতার চাইতেও বেশি কিছু, অনেক কিছু জীবন ছাড়িয়ে যার ছায়া পড়তে পারে, আমার সামনে এসে দাঁড়ায়। সংখ্যারেখার প্রমাণবিন্দু হারিয়ে গেলে খুব বিপন্ন লাগে। যেমন বিপন্ন লাগে সময়-ঘড়ি হারালে। যেমন বিপন্ন লাগে মাংস স্বাদের গন্ধ হারালে।

আরম্ভ হলেই শেষ হবে, জানা কথা। তাহলে কোন কিছু শুরু করতে আমি এতো উদযাপন করি কেন? উদ্বোধনের প্রগলভ উচ্ছ্বাসে আমি সময় অপচয় করি, অর্থ আর শ্রম ব্যয় করি, যদিও জানি সামনে এরকম কিছু নাই- কিছু থাকবে না। এই ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার মতো অমোঘ নিয়তিতে সব প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে আর আমার খেলার মাঠ জুড়ে বিষন্ন কাক বসে র'বে।

চিকন কণ্ঠে তুমি গাইছো। একটু কেঁপে কেঁপে যাচ্ছে গলা। ওটা পেরিয়ে যাই আমি, ও কিছু না। গানটা সুন্দর লাগছে, কান দিয়ে ঢুকে বুকে পৌঁছে যাচ্ছে। আপাত নির্বাক আমি একটু আগে বলছিলাম, একটা গান শোনাও না। তুমি লাজুক হাসছিলে, ধুর! আমি গান পারি নাকি? আমি বললাম, খুব পারো। গাও, আমি শুনবো। তুমি শুরু করতেই আমি জড় হই, স্থির হই। কাঁপনগুলো থেমে আসে। বোধসমূহ তাবৎ জামাকাপড় সাজসজ্জা খুলে ঘুমুতে যায় আলো নিভিয়ে।

অনেকক্ষণ পরে, কখন আমার খেয়াল নেই, তোমার গান হয়তো অনেক আগেই থেমে গেছে। গান থামিয়ে তুমি আমাকেই দেখছিলে হয়তো। আমি সম্বিত ফিরে পাওয়ায়, সেটা হারানোর লজ্জায় বিব্রত হই। ভালোবাসা প্রকাশিত হলে লাজুক লাগে মনে হয়! আমি শশব্যস্ত হয়ে ঘুঘু পাখির ডাক শুনতে চেষ্টা করি। কী আশ্চর্য! এই নিশুতিতে ঘুঘু কোত্থেকে আসবে? "ঘুঊঊঊ ...ঘুঊঊঊ ..." আমি চমকে তাল সামলে বুঝতে পারি কোথাও আসলেই ঘুঘু ডাকছে। গভীর বিষন্ন সুরে ডাকছে। সেই ডাকের পশ্চাতে একটা বিমর্ষ হাহাকার জেগে উঠতে থাকে। দূরত্ব বাড়লে আমাদের প্রিয় মুখের উত্তাপ কি ধীরে ধীরে কমতে থাকে? আমরা কি স্মৃতি প্রখর নই? কেনইবা আমাদের প্রতিদিন দেখা লাগে, ছোঁয়া লাগে, খুঁজে নেয়া লাগে প্রাণান্ত-আত্মাদের!

গায়ের গন্ধ খুব মাতাল করে দিতে পারে। নাসা ফুলিয়ে ফুলিয়ে আমি যে সুবাস পাই তা নিউরণে ঢুকে কী প্রলাপ শুরু করে দিতেছে, আমার স্রোতবহা রক্তে নাচন ধরিয়ে দিচ্ছে! সেখানে কণিকার ভাঁজে ভাঁজে রূপায়িত ঘুঙুর বেঁধে ঝুন ঝুন, রুন ঝুন করে তোমার ত্বক-সৌরভ ভেসে বেড়াচ্ছে। আমি গাঢ় হয়ে আসি, ঘন আর নিবিড় করে তোমাকে জড়িয়ে ধরি। তাপ পরিবাহে আটানব্বুই ডিগ্রীর তীব্রতার আঁচে আমরা জড়লাল হয়ে উঠি! দূরত্ব কমে গেলে তোমার বুকের ভাঁজে একটা নরম তিল জন্মে আমার দিকে চেয়ে থাকে। আমি দূরে যেতে চাই না। আমি চোখের আড়ালে যেতে চাই না। ইন্দ্রিয়-বিপন্ন হয়ে আমি খুঁড়ে খুঁড়ে গোপন বিষন্নতাগুলো লুকিয়ে রাখতে চাই।

তুমি সেকথা জানো। খুব ভালো করেই জানো বলেই হেসে দাও খিল খিল করে। চুলের শীর্ষমুখী কাঁপন থেকে থরে থরে মুক্তার মতো হাসি ঝরে পড়তে থাকে। আমি তোমার সাথে নিবিড় হয়েও বিস্তারী-অস্থিরতা লুকাতে পারি না।

-"মাত্র তো একটা সপ্তাহ!"
-"মাত্র?"
-"আহা! তুমি অবুঝ হলে আমি কোথায় যাই?"
-"কোথাও যাওয়া লাগবে না। থাকো।"
-"আমার দায় তুমি বুঝো না? দিনগুলোকে কঠিন করে দিও না।"
-"কেন নয়? আমি কীভাবে থাকবো অনুভব করো তুমি!"
-"করছি বলেই, করবো বলেই তো ফিরে আসবো!"
-"কবে?"
-"এই তো, সাত দিন। কষ্টে কাটবে দিনগুলো!"

আমি ম্রিয়মাণ ক্ষোভে সরে যেতে থাকি দূরবর্তী বাতিঘরের মতো। ছলাৎ শব্দে পাড়ভাঙা বিষাদ এলোমেলো বয়ে যেতে থাকে তথৈবচ উদ্দেশ্যহীন। শরীর শীতার্ত আগ্রহে স্বেদকণা শুকিয়ে নোনাদাগ ধরে রাখে। আজ মনে হয় তিন দিন-তিন রাত হলো, আমি দেখি নাই তোমাকে। অবসর মুহূর্তের ক্লান্তি জ্যাকেটের বোতামে লেগে থাকে। যেমন অনেক সময় বাতি নেভানোর পরেও আলোর রেশ চোখে লেগে থাকে। বাইরে কুয়াশা ছিটকে দেউড়ি পেরিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। আবছায়া আলোতে দেখি ছেঁড়া পৃষ্ঠার মতো হালকা দোলনে শিশিরকণারা দুধসাদা বিছানায় শুয়ে পড়ছে। আমি ধীরপায়ে তাদের সরিয়ে গুটিসুঁটি মেরে শুয়ে থাকি জামাকাপড় না ছেড়েই। গ্রাফাইট কণার গন্ধ জড়িয়ে থাকে লিনেনের প্রান্তে। ঘুম এসে ভেঙে ভেঙে যায় এই বিভ্রমে যে আমি চলন্ত ট্রেনে আছি, যেটাতে করে রোজ ফিরি। আমার উল্টোদিকে ব'সে থাকা ভাবলেশহীন মুখব্যক্তি চোখ মেলে দেখেই আমি চমকে উঠি। লোহার হাতলের স্পর্শও আমাকে শিহরিত করে। ট্রেনেই আছি তাহলে! শাটলের মতো দ্রুততায় তুমি সরে সরে যাও। আমি দুঃস্বপ্নের ছোবল ভেঙে জেগে উঠি। গলা শুকিয়ে কাঠ! অন্ধকারেই হাতড়ে হাতড়ে সিঙ্ক পর্যন্ত গিয়ে পানি খাই ঢকঢক করে। রেখে দেয়ার সময়ে গ্লাস বড়ো শব্দ করে টাইল্‌সে!

আমার মনে হচ্ছে তোমাকে আর কখনোই দেখা হবে না আমার। যেদিন শেষ দেখেছি সেটাই তোমার আমার শেষ দেখা ছিল। ফ্ল্যাশের আলোতে চোখ ঝলসে গেলে তারাবাজি হচ্ছিল চোখে, ফুটি ফুটি তারা জ্বলে নিভে উঠছিল। সয়ে নিতে নিতে তুমি হেসে নির্বাক ফটোফ্রেম হয়ে গেলে। দ্বিমাত্রিক তলের নিষ্ঠুরতায় তাকিয়ে আছো! ঈষৎ হেলানো তোমার মাথা। চুলগুলোও ঢেউ খেলিয়ে সরে আছে। ঠোঁটে একটা হালকা হাসি ধরে আছো। আর চোখের তারায় দুষ্টুমি। আমি ক্যামেরার ফ্ল্যাশের সাথে বিন্দু বিন্দু তোমাকে বেঁধে নিয়েছিলাম।

পীতাভ ঝলকে তুমি আটকে আছো তেইশে। তেইশ পেরিয়ে আমি অনেকদূর চলে গেছি। দূরত্ব বাড়লেও টান কমে না কেন? নাকি কমে যায়? জ্যামিতি ভালো বুঝি না বলে ক্লাশের স্যারেরা খুব বকতো। মারও খেয়েছি কম না। তারপরেও আমি কিছুতেই দুই বিন্দুর দূরত্ব বের করতে পারতাম না। বারবার ভুল হয়ে যেত। আরও কতো কতো ভুল হয় আমার! হিসেবে ভুল, সময়ে ভুল, স্মৃতিতে ভুল। এখানে জলজ চোখ ছেড়ে তুমি শুষ্ক হয়ে গেছো- জানার পরেও আমি প্রক্রিয়াজাত করতে পারি না। ক্রমশই আমার মনে হতে থাকে,"এই তো, সাত দিন। কষ্টে কাটবে দিনগুলো।" বলে তুমি উঠে গেছো। তোমার শরীরগন্ধী উষ্ণতা এখনও পড়ে আছে এখানে কয়েকবিন্দু। আমি দু'হাতে সেগুলো কুড়িয়ে মুঠোবন্ধ করতে থাকি। করতলে তখনও ঘুঘুর ধুকপুকানি শোনা যায়!


(সমাপ্ত)

- অনীক আন্দালিব
নভেম্বর, '০৮

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পস্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৩
রাতমজুর বলেছেন: হুম, মাত্র ৪ দিন বাকি...
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ে ফেলছেন?? :|
আপনি ভাই ছোটবেলায় দ্রুতপঠনে শিওর প্রথম হইতেন! :)

২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৬
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ভাল ভাল, ভাবতে ভালই লাগে ছেলেরা রোমান্টিক হচ্ছে। মজা করলাম, লেখাটা আসলেই খুব ভাল হয়েছে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লীনা।

৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আচ্ছা এইটা শুধুই গল্প :)
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা ;

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: রাতমজুর, একই প্রতিমন্তব্য দ্রষ্টব্য।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ?

৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: রোমান্টিক এই লেখাটা প্রিয়তে নিলাম :)
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: :)

৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪০
অদৃশ্য বলেছেন: @ লেখক............অনেক আবেগিও এই লিখাটি। অনেক ভালো লাগলো। আমার প্রার্থনা................তার সাথে যেন আপনার দেখা হয়ে যায়।

সবসময় ভালো থাকুন।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: অদৃশ্য, এটা নিছকই একটি গল্প। উত্তম পুরুষে লেখা বলে সম্ভবত এই ভ্রান্তি। আপনার ভালো লাগা জেনে খুশি হলাম!

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার নিকটা চমৎকার!

১০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: সাত দিন অনেক.........................বড় সময়ের বিচ্ছেদ। .সাত দিনের বিচ্ছেদের পঙক্তিমালা আলোড়ণ করল মনে। ..........মাত্র সাতদিন কোনো বিষয়ই না.....দেখতে দেখতে কেটে ......এতো গভীর প্রেম কি করে হয়? প্রিয়তে নিলাম
...........ভাল থাকুন।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার প্রশ্নগুলো। হয়তো গল্পের উদ্দেশ্যটি এরকমই যে একটা নির্দিষ্ট আবেগিক তীব্রতাকে খুবলে দেখা।
আপনিও অনেক ভালো থাকুন দিদি।

১১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৭
আমি ও আমরা বলেছেন: _____________লার এমন গল্প লিখো কেমনে? আমি কিছুদিন ট্রাই করে দেখছি, হয় ক্লান্ত লাগে নাইলে গুল পাকাইয়া যায়।

দারুন লাগছে এইটা
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: আমারও গুল পাকাইয়া ছিল। একমাস ধরে রেখে দেয়া হাফ-ডান্‌! সেটাকে গত দুইদিন ঘষা-মাজা করে একটা রূপ দিছি! হা হা!

১২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০১
অপহন্তা বলেছেন: সমাপ্ত কেন পড়তে ভালোই লাগছে...

এমন আরো চাই....
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: এটুকুই আমার কাছে ঠিকঠাক মনে হলো। গল্পের সমাপ্তি তো অন্যসব কথার সাথেই বা চিণ্তার সাথেই। সেখানে পাঠকের চিন্তা চলা শুরু হউক যেখানে গল্পকথকের বলা শেষ হলো!

১৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮
নম্রতা বলেছেন: প্রথমে কবিতা মনে হচ্ছিল...তারপরে ধীরে ধীরে গল্পের ভেতরে চলে এলাম। হেটে এলাম সবুজ ঘাস , শিশির ভেজা !
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ভ্রমণ কেমন লাগলো? :)

১৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: -"আহা! তুমি অবুঝ হলে আমি কোথায় যাই?
যেমন বিপন্ন লাগে মাংস স্বাদের গন্ধ হারালে।



ধিন তিনাক ধিন

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধিতান ধিতান বোলে ...
ঐ মাদলে তাল দোলে ...

কিছু অল্পতালের কথা হয়ে যাক! কী বলেন?

১৫. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
...অসমাপ্ত বলেছেন: ....সেইরকম ভাই... সেইরকম।
...কবে যে এমন করে অন্তত দুই লাইন লিখতে পারব। ...বুঝতে পারছি ...আমার মধ্যে হিংসা বেশি।

....অনেক ভাললাগা রেখে গেলাম।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: হিংসা তো খুবই মানবিক অনুভূতি। সেটা আছে বলে বুঝবেন আপনিও মানবিক। আপনার ভালো লাগা মেশানো হিংসা ভালো লাগলো আমারও!

১৬. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
শিরোনামহীন বলেছেন: দূরত্ব বাড়লেও টান কমে না কেন?

-- সহজ প্রশ্ন, উত্তরটা অনেক অনেক কঠিন!

তোমার শরীরগন্ধী উষ্ণতা এখনও পড়ে আছে এখানে কয়েকবিন্দু। আমি দু'হাতে সেগুলো কুড়িয়ে মুঠোবন্ধ করতে থাকি। করতলে তখনও ঘুঘুর ধুকপুকানি শোনা যায়!

-- মাঝে মাঝে ঈর্ষা হয়, আমি যদি আপনার মতো এতো সুন্দর ভাবে অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারতাম!!! মনের কথাগুলো বলে ফেললেন ভাইয়া।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: উত্তর কঠিন না, উত্তর অজানা। এজন্যেই কঠিন লাগে সবার কাছে।

ঈর্ষাপালন ভালো না, তবে 'দাগ থেকে যদি ভালো কিছু হয়"-এর মতো যদি তাথেকে ভালো কিছু হয় তো খুবই ভালো! :)

১৭. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: হে তরুণ কবি ও গল্পকার(কপিরাইট-আন্দালীব) আপনার লেখা গল্প অথবা স্বউপাখ্যানটি বিচ্ছিরী লাগিলো...
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: গল্প অথবা নয়। গল্পই! স্বউপাখ্যান লেখার মতো কিছু হয়ে উঠি নাই এখনও! :|

আর এই ট্যাগ করলে আমি শ্যাষ! পুরাই শ্যাষ! :((
আন্দালীব ভাইয়ের পায়ে প'ড়ে ক্ষমা চাইতে হবে মনে হচ্ছে! :(

১৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১১
মহাকালর্ষি বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর ভঙ্গি! চালিয়ে যান.........
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মহাকালর্ষি! আপনার ছদ্মনামটি চমৎকার লাগছে!

১৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১২
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: আমিও জানি গল্প অল্প অল্প
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: বলেন বলেন শুনি! :)

২০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: তুমি অবুঝ হলে আমি কোথায় যাই?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: আসলেই তো! কোথায় যাই!!

২১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২০
উত্তরাধিকার বলেছেন:
চমৎকার।

"করতলে তখনও ঘুঘুর ধুকপুকানি শোনা যায়!"

অনেক দিন পর এসে আপনার পটু হাতের শব্দের খেলা দেখে অনেক ভাল লাগলো।

শুভেচ্ছা নিন।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: আপনি মোহনীয় শুশুকের মতোন হঠাৎ হঠাৎ ভুস্‌ করে ভেসে উঠেই হারায়ে যান। খুব কি ব্যস্ত থাকেন? আপনাকে মাঝে মাঝেই মনে পড়ে। কবিতাগুলো মনে পড়ে!

২২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৪
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: প্রথমে কবিতা মনে হচ্ছিলো।
অসাধারণ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?!!

আমি কিন্তু গল্পই লিখেছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্যে! রাত বেশ গভীর, নাকি বলেন?

২৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
আন্দালীব বলেছেন: ছন্ন, ঐ জিনিসটা ফাইনাল হয়েছে কি? তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেন...
২৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২
সবাক বলেছেন: আধুনিক হৈছে
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: শরম পাইলাম! :``>>

২৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
ফাঁকি বাজ বলেছেন: খুবই সুন্দর বণনারীতি আপনার ।আমি অভিভূত ।+++

সময় করে আমার ব্লগেও আসবেন।

\\\
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাঁকি বাজ। অবশ্যই যাবো আপনার পাতাতেও! :)

২৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২২
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অনেক ভালো লাগল।
এতো সুন্দর আপনিই লিখতে পারেন।
ভালো আছেন তো?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো আছি। আপনার সাথে অনেকদিন পর কথা হচ্ছে। ভালো থাকুন ইমন!

২৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৪
জিগ স বলেছেন: মেমেন্টিও ও পাল্প ফিকশনীয়...বাকিটা বুঝার পরে বলতেছি
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা! :)

২৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: কবির লেখা গল্প...।
ওহে ছন্ন, আমি এক কবিকে চিনি যে গল্প লিখে।

আবেশ থাকুক। আর কী বলার!
সোনার দোয়াত-কলম হোক!

অনেকদিন পরে আপনার গল্প পড়লাম। ফ্রেম বিষয়ক লেখাগুলো পড়েছি আগেই। আলসেমী করে মন্তব্য করা হয়নি। ভালো লাগছে পর্বটি।

বইমেলা নিয়ে ভাবছেন কিছু? বই চাই, কবিতার বই।
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: বইমেলা নিয়ে বড় লেখকরা চিন্তা করবেন। আমি তো পুরোই চুনোপুঁটি! :|

আসলে এ মুহূর্তে বই বের করার কোন চিন্তা নাই, রিপন ভাই। সময়, সুযোগ মিললে হয়ত কোন একদিন হবে।

আপনার গল্প পড়া হয় না অনেকদিন!

২৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৬
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আজকে অদ্ভুতভাবেই এই লেখাটায় চলে আসলাম। প্রথম থেকে পড়ে গেলাম... নস্টালজিয়াও কতোটা কাকতালীয়!!!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: নস্টালজিয়াও কতোটা কাকতালীয়!

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম ভাই!

কেমন আছেন??

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৪০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই