আমার প্রিয় পোস্ট
- মহীনের ঘোড়াগুলি ঘাস খায় কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে - ইমন জুবায়ের
- আমরা মিশেছি ভালোবেসে...গিয়েছি ফেঁসে শেষে : এক ঝলক ব্লগার ইতিহাস (চারবছর পূর্তির প্রথাসিদ্ধ না, বরং রীতিবিরুদ্ধ পোস্ট )! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- কবিতাদলঃ খয়েরি পাখিদের আজ বাড়ি ফেরার তাড়া নেই - অমিত চক্রবর্তী
- শহীদুল জহির-এর কবিসত্তা : অপ্রকাশিত কবিতা-প্রসঙ্গ - অনুপম হাসান
- ডুবে আছি আবুল হাসানে - রাহা
- ব্লগপাঠ : ১ । ছোটগল্প : 'মহিমউদ্দিন যখন মৃত কুকুরের মুখোমুখি ...' - অনুপম হাসান
- ঘুণ ও দুপুর - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- সাম্প্রতিক পাঠ : ২। আকাশচুরির গল্প 'বৈকল্য' - অনুপম হাসান
- অনুবাদ: দেবোরাহ্ অ্যাগার এর Alone - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- কবিতা-পুস্তকঃ পুষ্পপটে ব্রাত্য মিনতি - মুক্তি মণ্ডল
- শার্ল বোদলেয়ার: অশুভ পুষ্পের উপাসক - ইমন জুবায়ের
- দ্বিঃ২ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- তাঁবুঘর - আন্দালীব
- শহর মুখরিত হওয়ার কাহিনী - মুক্তি মণ্ডল
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই - অমি রহমান পিয়াল
- গরিবি অমরতা - সুমন রহমান
- মুক্তিযুদ্ধ এবং এক মা - সুলতানা শিরীন সাজি
- টানসূত্র - আন্দালীব
- টিকিট হারিয়ে গেছে - আন্দালীব
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২৫ ( আসমানী প্রেম--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- গল্পঃ শহরে শিউলী-ভোর যে কারনে ফিরে আসে - মোস্তাফিজ রিপন
- মনে হয় যেন লেখার সময় অন্য কারো করতলে ছিলাম-- মাহমুদুল হক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- উৎসের দিকে যাত্রা : গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের সাক্ষাৎকার - মৃদুল মাহবুব
- দুঃখিত, শর্মিলা বোস, গ্রহন করা গেলনা (শেষ পর্ব) - জ্বিনের বাদশা
- প্রিয়তমা, এজন্য তুমি কি আমার সাথে আড়ি দেবে? - সিহাব চৌধুরী
- বৃক্ষ - সারওয়ার জামান চন্দন
- সতত জনম; মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ভাষার প্রতিপত্তি, বিশ্বায়নের সমকাল - ফকির ইলিয়াস
- তোমাদের যা বলার ছিলো, বলেছে কি তা বাংলাদেশ? - বিপ্লব রহমান
- চলুন খুব কাছ থেকে একজন ঘাতককে দেখে আসি ২ - অমি রহমান পিয়াল
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
উচু নিচু বিল্ডিং গুলোর ফাঁকে চাঁদটাকে ধরতেই পারছিনা, আবার দেখ শালা শিকারী মেঘগুলো চাঁদটাকে কেমন ফাঁদে ফেলে বোকা বানাচ্ছে আমাকে। কিন্তু আমি চন্দ্রগ্রস্ত হবোই; সোনালী গরলে পুড়ছে কন্ঠা, অমোঘ টানের সাথে আতাঁত করে চোখের পাতা দুটো খুলতেই চাইছে না, আমি ছুটতে থাকি পতংগের মতো। জোছনায় পোড়া রাস্তাটার উজানে গনিকাদের অপেক্ষমান কাফেলা পেরুচ্ছি এমন সময় দুরাগত ঘন্টার ধ্বনি একটা গির্যার ঠান্ডা মেঝেতে আছড়ে ফেলে আমাকে। ধুস শালা, কোথায় গির্যা, একটা কুশাময় রিকশা ঘন্টি বাজাতে বাজাতে একটা অপার্থিব গলির হা করা মুখের ভেতর সেঁধিয়ে পড়লো। গির্যার ঘন্টা নাকি রিকশার ঘন্টি নাকি গনিকাদের হীরন্বয় হাসি, এই সব বিহ্ববলের মধ্যে বেজন্মা মোবাইলটা তারস্বরে হৃৎপিন্ডটাকে খামচে ধরে।
"হ্যালো"
"জী ভাই" আমার চাপ আসে, ইতি উতি তাকাই...হু ঐ তো, একটা সাদা দেয়াল কেমন ক্ষুধার্থের মতো তাকাচ্ছে।
"তুই কামটা ঝুলাই রাখলি ক্যান? সবতে ক্রসফায়ারে পড়লে তহন করবি?
আমি তো আগেই কইসি, কইসি না ক? তোর সমস্যা হইবো..হাজার হউক তুইলা আইনা শিখাইয়া পড়াইয়া তুই তো বড় করলি, এমন বড়ো করলি যে আমাগো হোগা মারতাছে তলে" আমি চাপ মুক্ত হতে থাকি। শুভ্র দেয়ালটায় ছেলেবেলার মতো আঁকাআঁকি করি, প্রস্বাবের আঁচড়ে মতিনের খানাখন্দে ভরা মুখটা কেমন হ্যাংলার মতো ঝুলে থাকে দেয়ালে এবং খানিক বাদে সেটা গোত্তা খাওয়া ষাঁড় কিংবা শুকুরের মতো আকার নিয়ে ঝরে পড়তে থাকে।
"ভাই, আমি তো কইসি দুইটা দিন সময় দেন, হইয়া যাইবো।" নিজের বিমুর্ত শিল্পের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি.......বাহ!!
"তোর খারাপ লাগলে থো, পাগলারে দিয়া দেই....."
দেয়ালের মেঘ আর হাতি-ঘোড়া গুলো পাক খেতে খেতে পাগলা সেলিম আর ৩২ টুকরা লাশের লাগেজের আকার নিলে আমি ক্ষান্ত দিই।
"ভাই, দুইটা দিন...এর মইধ্যে পাগলারে আইনেন না।"
মুঠো ফোনের ওপাশে মুহুর্তটা অনন্ত নিরবতায় ডুব দেয় টুপ করে। রাতের হ্যাংওভার, চন্দ্রাহত আমি, হত্যা নকশা আর গির্যা কিংবা রিকশার ঘন্টি, খানাখন্দে ভরা মতিন, পাগলা সেলিম আর ৩২ টুকরা লাশের লাগেজ এবং এই সব অনিবার্যতা আমাকে ছিড়ে খুড়ে ছুঁড়ে দেয়।
---------------------------------------
আমি আর রাজু চা খাই।
"উস্তাদ, এই সানুর দুকানের কথা তুমার মনে আসে? এই খান থিকা তুমি আমারে নিয়া গেসিলা"
"উম", আমি দুধের ভেতর ডুবন্ত সর দেখি, তর্জনি-মধ্যমার ফাঁকে নিকোটিনের বসত দেখি; শুধু রাজুকে দেখিনা।
"৫টা বসর!" রাজুর কন্ঠে ঘোর। "হালাই সময় কেমুন কইরা কুন চিপার মইধ্যে দিয়া দৌড়াই বুঝবার পারিনা! "
"কাইলকা বড় একটা কাম আসে রাজু।" সিগ্রেটে কড়া টান দিয়ে বলি," বশির চুতিয়ার কাছ থিকা প্যাকেট ডেলিভারি নিতে অইবো।" আংগুলের ফাঁকে সিগ্রেটটা কাঁপে, ধোঁয়ার মেঘ হামলে পড়ে চোখে। বহতা গাড়ি গুলো লাল বাতি দেখে বেমাক্কা রাশ টেনে ধরলে, রাজু ফেরে আমার দিকে, "হুমম, রাইতে না উস্তাদ? তুমি আমারে জানাইয়া দিও, চইলা আসুমনে।"
"তোর পোলাটা কতো বড়ো অইসে রে, রাজু?"
উত্তরাধিকারের কথা শুনে রাজুর চোখ দুটো চকচক করে। "আগামি মাসে ২ বসরে পড়বো, এমুন পাখনা হইসে, উস্তাদ! আমি যহন বাড়ি থিকা বারাই, ছাড়বারই চাইনা, গলার লগে চ্যাতকাইয়া থাকে, অর মা টানলে এমুন চিক্কুর মারে যে হালায় মহল্লার লোক গুলার কানে ধাপ্পি মাইরা যায়!"
রাজুর চোখে অলৌকীক চকমকি দেখে ধন্দে পড়ে যাই। আমি আর রাজু সেই বৈরী সময় যা আজীবন আমাদের পিছু ধাওয়া করে নাকি আমরাই তার সওয়ার হই, তা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি। মগবাজার হোটেলে পুলিশ খুন, মিরপুরে টোটনদের দুই ভাইয়ের লাশ, উত্তরার হাইড আউটে পেটে গুলিবিদ্ধ আমাদের সহযোগি নাকি সহদর নাসিরের রক্তখরন। "তুমি চিন্তা করো উস্তাদ, সেই দিন আমরা নাসিরের জন্যে একটা ডাক্তার আনতে পারি নাই, আমার কোলের মধ্যে তরতাজা পোলাটা সাদা হইয়া গেল! একফোঁটা রক্ত আসিল না!" ঝাঁ চকচকে সুর্যের নিচে সহযোগি নাকি সহদর নাসিরের রক্ত রন্জিত আমরা হটাৎ বিব্রত হয়ে পড়ি, রাজু আপ্রান চেস্টা করে নাসিরের রক্ত মুছে ফেলতে কিন্তু বেয়াড়া লালের আক্রমনে পেরে ওঠে না সে। "উস্তাদ, পোলাটা বড়ো অইতাসে, ডর লাগে এখন।" রাজুর ভয় আর নাসিরের শ্বেত-সন্ত্রাস আমাকে আঁকড়ে ধরতে চাইলে মতিনের খানাখন্দে ভরা মুখ আর পাগলা সেলিম গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে।
"রাজু, তুই বাড়ি জা গিয়া। আমি এই দিকটা সামাল দিমুনে। কাইলকা সময় মতো চইলা আসিস।"
রাজু নির্জলা রোদের নিচে এইসব বিপন্নতার মাঝে আমাকে একা ছেড়ে গেলে কাঁপা হাতে মোবাইলটা বের করি;
"ভাই আপনারে কইসিলাম দুইটা দিন সময় দেন।"
"আমি কি না করসি?"
"তাইলে সেলিম আর জহিররে সারাদিন আমার পিসে লাগাই রাখলেন ক্যান?" হটাৎ চাপ আসে আমার। ক্ষ্যাপা চোখে তৃষ্নার্ত দেয়াল খুঁজি, কিন্তু শালা দেয়াল গুলো ফাঁকতালে কেমন উধাও হয়ে গেল।
"আরে না, কি যে কস না তুই। অরা তোরে ফলো করবো ক্যালাই? তুই তো জানোস, পাগলার এই সবে আগ্রহ একটু বেশি" মতিন ভাই গা দুলিয়ে হাসে। শালা ঢাকা শহর কি দেয়াল শুন্য হয়ে গেল? দেয়াল ছাড়া ন্যাংটো বাড়ি গুলো আব্রু ঢাকবে কি দিয়ে? হঠাৎ হাতের বা'য়ে ভোজবাজির মতো সাদা দেয়াল গজিয়ে ওঠে ক্যানভাস হয়ে , আমি হাপ ছেড়ে বাঁচি!
"ভাই, আমি আপনারে কইসি দুইটা দিন। এর পরেও যদি আপনি...." অবাক এবং ঘেন্না ঝরে পড়া অনেক চোখের সামনে আমি ক্যানভাসে তুলি চালাই। ".....পাগলারে লেলান তাইলে খরচের খাতা বাড়বো।" ক্যানভাসে খানাখন্দে ভরা মতিন আর পাগলা সেলিম পরস্পরের উপর উপগত হয়ে বিমুর্ত শিল্পের সৃস্টি হলে আমি মুগ্ধ হই। "ভাই, আপনি যা কইসেন সব শুইনা আসচি। আমারে আপনার অবাধ্য কইরেন না।" জিপার টানার ফাঁকে বলি আমি। মুঠো ফোনের ওপাশে মুহুর্তটা অনন্ত নিরবতায় ডুব দেয় টুপ করে।
-------------------------------------------
সেদিনও ছিল মাতাল চাঁদ। কালো গাড়িটাতে ৪ জন সওয়ারি। "উস্তাদ, দেখসো, হালায় চান দেখি আমাগো লগে পাল্লা দিতাসে! ঐ জহিরর্যা, জুরে চালা চান মাতারির পোলা য্যান আমাগো টেক্কা দিবার না পারে!" রাজুর চোখে অলৌকিক চকমোকি। ওর ছেলের জন্য কেনা লাল গাড়িটা দেখায় আমাকে। "পুলার আমার গাড়ি খুব চয়েজ বুঝলা উস্তাদ! বড়ো হইয়া ডেরাইবার হইবো কিনা আল্লাই জানে!" রাজুর হাতের চেটোই লাল একটা গাড়ি, হঠাৎ দেখি মগবাজারের হোটেলে খুন হওয়া পুলিশ, মিরপুরে টোটনদের দুই ভাই আর আমাদের সহযোগি নাকি সহদর নাসির, ওরাও চাঁদ ফাকি দেওয়ার অভিযানে শরিক হয়। চোখ লাল করে এমনকি মাথা ঝাঁকিয়েও তাড়াতে পারিনা ওদের, হতচ্ছাড়া লালে এমন চেটকে থাকে ওরা যে আলাদা করতে না পারার হতাশায় চাপ আসে আমার। হাইওয়ের ধারে ধান ক্ষেতের পাশে গাড়ি থামাই। "জহির তুই গাড়িতে থাক" আমরা তিন জন বেরিয়ে আসি। রাজু চোখ সরু করে প্রায় আঁধারে বশিরকে খোঁজে।
"বশির চুতিয়া দেহি এহনো আসে নায়, উস্তাদ।"
"একটু আগাইয়া দেখ রাজু।" আমার কন্ঠ একটুও কাঁপে না কেন?
রাজু আমার সামনে কুয়াশার চাদরে জড়ালে পিস্তলটা বের করি আমি। মাত্র একটা বুলেট, সবুজ ধান ক্ষেতটা জড়িয়ে ধরে রাজুকে। আমি হামা দিয়ে রাজুর প্রায় দু বছর বয়সি ছেলেটার সেই লাল গাড়িটা খুঁজি। জহির আর বাবলু টানতে চায় আমাকে, "উস্তাদ, জলদি আহো!" "সর কইলাম খানকির পুতেরা!"আমি হ্যাচকা টানে ছাড়িয়ে নিই নিজেকে, আঁতিপাঁতি করে খুঁজি গাড়িটা। হ্যা ঐতো...লাল গাড়িটা মগবাজারের হোটেলে খুন হওয়া পুলিশ, মিরপুরে টোটনদের দুই ভাই আর আমাদের সহযোগি নাকি সহদর নাসির আর রাজুকে নিয়ে চাঁদটার সাথে পাল্লা দিয়ে ছুটছে!!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পপ্রায়, গল্পপ্রায় ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আকাশচুরি বলেছেন:
প্রিয় মানব মানিক অনেক ধন্যবাদ
গিফার বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:
আকাশচুরি... পুরোটা শেষ করতে পারলাম না। অফিস থেকে বের হবার তাগাদা পাচ্ছি। অর্ধেক পড়লাম অসাধারন, এত রুপক পান কোথায়! শেখাবেন আমাকে? রাতে বাকিটা পড়ব.... ছবিটা ভাল লাগিয়েেছন বস.....
লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফারহান দাউদ
অসাধারন কমেন্টের জন্য...আমরা প্রতিদিনই নিজেকে এভাবে ফাঁকি দিয়ে নিজেকেই খুন করি,নিকষ অন্ধকারে।
সত্যিই..
মিরাজ বলেছেন:
চমৎকার সাবলীল লেখা । বর্ণনাভঙ্গি ভালো লাগলো । আরো লিখুন, এরকম আরে লেখা পড়তে চাই ।
লেখক বলেছেন: মিরাজ ভাই অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
মাজুল হাসান বলেছেন:
চলুক চলুক এবং চলুক।
লেখক বলেছেন: দেখি চালাতে পারি কিনা
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!
ভালো থাকবেন মুকুল ভাই
লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাইয়ের ভাল্লাগসে জাইন্যা বহুত খুস হইসি
লেখক বলেছেন: আবার জিগাই!! মাইরা দেন
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:
পুরোটা শেষ করলাম! অসাধারন বলে ছোট করছি না.... প্রিয় আকাশচুরি।
লেখক বলেছেন: কি দরকার ছিল, হে হে (বিনয়)
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
সোন্দর হইছে।
লেখক বলেছেন: প্রিত হইসি
মহারাজা বলেছেন:
আপনার লেখা সুন্দর , সময় পেলে আবার ও পড়বো। কিন্ত ব্লগটা এমন অপ্রয়োজনীয় লেখা এত বেশী ভাল লেখা খুজতে সময় চলে যায়। আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
নীল জোনাকি বলেছেন:
আকাশচুরি;
তোমার স্বপ্নের আকাশটা আমি চুরি করতে চাই !
তোমার সবুজ বুকে নাক ঘষে আমি বুঝতে চাই বন্ধুত্বের মানে!
আমাকে দেবা তোমার আকাশ চুড়ির সুযোগ!
তেমার মেইল ঠিকানাটা দেবা!
লেখক বলেছেন: কেন নয়? প্রিয় নীল জোনাকি ...
লেখক বলেছেন:
পুতুল বলেছেন:
গল্পটা এর আগে একবার পড়েছিলাম কিন্তু লগ ইন না করে, এবং সময়ের অভাবে মন্তব্য করতে পারিনি।একটি সার্থক ছোট গল্প। মনে হয়না এর বেশী কিছু বলা প্রয়োজন।
সব কিছু খুব স-ব-কি-ছু খুব ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: আপনারা কস্ট করে পড়ছেন এটাই বড়ো সার্থকতা।
ভালো থাকবেন
পুতুল বলেছেন:
এমন লেখা পড়তে মোটেই কষ্ট হয়না, আনন্দ হয়। আরো লেখা চাই।
লেখক বলেছেন: কস্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
সাবলীল লেখা..........ঘটনার ভয়াবহতা নাড়া দিয়ে গেলো......।
গল্পতেই এমন.....!সত্যি তো ভীষন নিষ্ঠুর আরো!
লিখতে থাকেন।
শুভেচ্ছা .........
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
দাদা নতুন লেখা কবে পাবো?
লেখক বলেছেন: দাদা, লেখালেখি বোধহয় ছেড়ে যাচ্ছে আমায়!!!
ভালো থাকবেন
সুতরাং বলেছেন:
আমার লেখাটির পজিটিভ মন্তব্য করেছেন বলে নয়, মন থেকেই লিখছি, আপনার গল্পটি বেশ ভালো হয়েছে। আগামীতে আরও লেখা পাঠের ইচ্ছে থাকলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
বর্তমানবাংলা বলেছেন:
খুব সুন্দর লেখা পড়ে ভালো লাগলো +
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
কতবতবকতকত বলেছেন:
মিয়া, আপনের লেখা ইরাপুর মত মানুষকে পাগল করে দিয়েছে। কপাল ভাল এখন তার এক্সাম চলছে। এরকম লেখা আর লিখবেন না। প্লিজ!লেখক বলেছেন: কি দরকার ছিল, হে হে (বিনয়)
ভালো থাকবেন
হমপগ্র বলেছেন:
দুপুরের দিকে আপনার লেখাটাতে রেটিং করেছিলাম। তখন রিপ্লাই করা হয়নি।ভালো লাগছে। স্টার্টিং টা স্টার্টলিং হয়েছে। +++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
আপনাদের প্রেরনা সাহস দিচ্ছে নতুন করে লেখালেখি শুরু করার
(অ)গাণিতিক বলেছেন:
নকীব বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়লাম ( আরেকটু হলে আমিও গেছিলাম নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে...)একই অনুভুতি আমারও
অসাধারণ!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
কাহিনীতে খুব চমক নেই, তবে সেটা লুকানো আছে আপনার প্রকাশে।
যেনবা গল্পের রাজুর হাতের গোপন ছুরিকা ঝিকিয়ে উঠছে মাঝেমাঝেই - অর্থপূর্ণভাবে।
টুপি নামিয়ে রাখছি (মানে হ্যাটস্ অফ্ আরকি..
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আন্দালীব
ভালো থাকবেন সবসময়
এতো "সুন্দর" আপনি পাচ্ছেন কই?
লেখক বলেছেন: নেট ঘাঁটতে যেয়ে চোখে লাগার মতো কিছু পেলেই নিস্তার নেয়!
ঝটপট মেরে দিই!! হাহাহ
আপনার প্রোফাইল পিকটা জোশ !
লেখক বলেছেন: লিখে ড্রাফট করে রেখেছিলাম একটা অনুগল্প, আজ লগিন করে দেখি গায়েব!!
কপিও রাখিনি, মেজাজটা বিগড়ে গেল।
কেমন আছেন??
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
ভালো থাকবেন সবসময়
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
চমৎকার লেখা। পড়ার সময় একদম চোখে ভাসছিলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: প্রিয় উত্তরাধিকার
ভালো থাকবেন
কালপুরুষ বলেছেন:
দারুন লিখেছেন মাইরী! ব্লগে সেরা লেখকদের তালিকায় আপনাকে অনেক উঁচুতে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: কি যে বলেন কালপুরুষদা!!!
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
অসাধারন...অসাধারন...অসাধারন!!!!!বলা ছাড়া আর কোন শব্দ নাই।
ভালো লাগলো খুব
শুভেচ্ছা থাকলো।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও, ভালো থাকবেন
তৃিষত বলেছেন:
''+''
লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন:
আপনাকে লিংকে রাখলাম। যাতে করে হারিয়ে না ফেলি।
তাসু বলেছেন:
আসলে এতই অসাধারণ যে আমার প্রশংসা করার যোগ্যতাই নেই।
লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!
ভালো থাকবেন, সব সময়
লেখক বলেছেন: বইপত্র?!
আমার এই ছাই-পাশ কি লেখা-লেখির কাতারে পড়ে?
লোকজন হাসাহাসি করবে রে ভাই!!
ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, নিহন
আঁকাআঁকি কেমন চলে?
ভালো থাকবেন
নিলা বলেছেন:
দারুন
লেখক বলেছেন: ![]()
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
আপনার লেখা প্রতিটা শব্দ মনোযোগ দিয়ে না পড়লে মনে হয় কিছু হারিয়ে ফেলছি, দেখা-না দেখার কোন অসাধারণ একটা মুহূর্ত ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা জানবেন
কঁাকন বলেছেন:
আপনি অনেকদিন লিখেন না কেন?
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
আমি শিখছি কি করে ভাল গল্প লিখতে হয়। (ভয়ও পেলাম, আমাকে দিয়ে হবেনা।)'শুভ্র দেয়ালটায় ছেলেবেলার মতো আঁকাআঁকি করি, প্রস্বাবের আঁচড়ে মতিনের খানাখন্দে ভরা মুখটা কেমন হ্যাংলার মতো ঝুলে থাকে দেয়ালে এবং খানিক বাদে সেটা গোত্তা খাওয়া ষাঁড় কিংবা শুকুরের মতো আকার নিয়ে ঝরে পড়তে থাকে।'-- কিভাবে চিন্তা করলে এভাবে শব্দ আর দৃশ্যের নির্লিপ্ত কিন্তু সরস সম্মিলন ঘটে?
লেখক বলেছেন: প্রিয় মোস্তাফিজ রিপন
ব্লগে যাদের লেখা আমাকে প্রেরনা দেয়, তাদের মধ্যে আপনি অন্যতম। আপনাদের অসাধারন লেখা গুলো আমাকে ঋদ্ধ করছে নিয়ত।
![]()
ভালো থাকবেন
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অসাধারন একটা গল্প। অনেকদিন এতো সুন্দর গল্প পড়া হয়না। আপনারে ভাই সামনে পাইলে মাইর লাগাইতাম।মিয়া ভাই প্লিজ লেখা ছাড়েন।
আপনে আমার খুব প্রিয় লেখকদের একজন হয়ে গেছেন সেদিনই যেদিন আপনার প্রথম লেখা চোখে পড়েছিল।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা জানবেন প্রিয় ইমন ![]()
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আপনার বর্নণারীতি,সুক্ষ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা,ভাষার উপর অসাধারণ দখলে অতিপরিচিত ঘটনাও অদ্ভুত সুন্দভাবে উঠে আসে।
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা শিমুল ভাই
ভালো থাকবেন
![]()
রিফাত হাসান বলেছেন:
ভাষাটা লাফায়, হলকিয়ে ওঠে। আমার এই উপমাটা মনে আসত মাহমুদুল হকের ক্ষেত্রে।
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা রিফাত ভাই
মাহমুদুল হকের কথা মনে পড়লেই একটা অতৃপ্তি তাড়া করে
ভালো থাকবেন
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
দারুণ লাগছে...যদিও কঠিন ভাষা...তবু খুব ভালো লেগেছে...আপনার শব্দের ভাণ্ডার তো ব্যাপক!!
লেখক বলেছেন: প্রিয় ভাঙ্গা পেন্সিল
ভালো থাকবেন
সুমন রহমান বলেছেন:
মার্ভেলাস!!
লেখক বলেছেন:
![]()
পারভেজ বলেছেন:
আপনার লেখা মজাটা মুলত শব্দে শব্দে, সামান্য 'না' 'হ্যা' কিংবা 'দেয়াল' , 'পথ' ;এমন প্রতিটা শব্দকেই একটা নির্দিস্ট গুরুত্ব, বা প্রয়োজনীয়তা দেয়া থাকে। যাকে বলে ঠাস বুনোনী; কোন অবহেলা হয়নি একটা শব্দের প্রতিও।চমৎকার।
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা পারভেজ ভাই ![]()
ভালো থাকবেন
তারানা_শব্দ বলেছেন:
দারুন!!
লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম তারানা_শব্দ ![]()
ভালো থেকেন
লেখক বলেছেন: আপনার নিকটা আমার খুব পছন্দের (আপনার লেখাও)
আপনার নিকটা যদি মেরে দেওয়া যেত! ![]()
ভালো থেকেন সবসময়
শুভ বলেছেন:
মুগ্ধ!পারলে আপনার হাতটা বাঁধাই করে রেখে দিতাম।
ব্লাডার খালি করা বিষয়ক শব্দের খেলার জবাব নাই!@আকাশচুরি
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা শুভ ভাই। প্রিয় লেখককে আমার বাড়িতে পেয়ে কি যে ভাল্লাগছে! ![]()
ভালো থেকেন
শব্দ স্বনন বলেছেন:
রঙের ব্যবহার, সাবলীল ব্রাশস্ট্রোক...ভীষণ মুগ্ধ করল, আকাশচুরি...
লেখক বলেছেন: প্রিয় শব্দ স্বনন, পুরোন পোস্ট ঘেঁটে আপনি যে গল্পটা পড়েছেন, এই জন্য অনেক কৃ্তজ্ঞতা জানবেন![]()
লেখক বলেছেন: কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্যকে অনেক ধন্যবাদ![]()
সোহানা মাহবুব বলেছেন:
লেখাটা কখন শেষ হয়ে গেছে বুঝিনি। বুঝলাম তখন,যখন আমার গভীর ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে মনকে মেঘাচ্ছন্ন করে দিল।জীবন কেন এতো বিচিত্র কষ্টের?মন খারাপটা কাটছেনা।
আপনাকে কি বলব? লেখা ভাল হয়েছে বললে একদম সামান্য বলা হয়।নাইবা বললাম ওরকম কিছু।শুধু জেনে রাখুন, সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সৃজনশীলতা দিয়েছেন অকৃপণভাবে।
গল্পের ভাষা পড়ে আপনাকে জানাতে ইচ্ছে হল ইলিয়াসের পুরনো ঢাকা নিয়ে একটা প্রবন্ধ শেষ করে দেশে পাঠিয়েছি।দেখি কোথায় ছাপতে দেই!কোথাও ছাপা হলে জানাবো আপনাকে।
ভাল থাকুন আকাশচুরি,অনেক অনেক ভাল।
+++
লেখক বলেছেন: প্রিয় সোহানা মাহবুব
পুরনো পোস্ট ঘেঁটে এটি পড়েছেন, সে জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।
ইলিয়াসের পুরনো ঢাকা নিয়ে আপনার লেখাটির কথা জেনে তর সইছে না আর!
জানাবেন প্লীজ!
অনেক ভালো থেকেন
নাহিন বলেছেন:
+ + +
লেখক বলেছেন: নাহিন, অমুল্য তিনটি প্লাস পেয়ে অনেক ভালো লাগলো।![]()
অনেক ভালো থেকেন
লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম, সাইরাজ ![]()
পুরনো লেখাটা আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগলো অনেক...
লেখক বলেছেন: বস, কস্ট করে পুরনো লেখাটা পড়েছেন...অনেক কৃতজ্ঞতা নিয়েন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















প্রিয় আকাশ চুরি।
আরো লিখুন।