আমার প্রিয় পোস্ট

আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম

০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0

উচু নিচু বিল্ডিং গুলোর ফাঁকে চাঁদটাকে ধরতেই পারছিনা, আবার দেখ শালা শিকারী মেঘগুলো চাঁদটাকে কেমন ফাঁদে ফেলে বোকা বানাচ্ছে আমাকে। কিন্তু আমি চন্দ্রগ্রস্ত হবোই; সোনালী গরলে পুড়ছে কন্ঠা, অমোঘ টানের সাথে আতাঁত করে চোখের পাতা দুটো খুলতেই চাইছে না, আমি ছুটতে থাকি পতংগের মতো। জোছনায় পোড়া রাস্তাটার উজানে গনিকাদের অপেক্ষমান কাফেলা পেরুচ্ছি এমন সময় দুরাগত ঘন্টার ধ্বনি একটা গির্যার ঠান্ডা মেঝেতে আছড়ে ফেলে আমাকে। ধুস শালা, কোথায় গির্যা, একটা কুশাময় রিকশা ঘন্টি বাজাতে বাজাতে একটা অপার্থিব গলির হা করা মুখের ভেতর সেঁধিয়ে পড়লো। গির্যার ঘন্টা নাকি রিকশার ঘন্টি নাকি গনিকাদের হীরন্বয় হাসি, এই সব বিহ্ববলের মধ্যে বেজন্মা মোবাইলটা তারস্বরে হৃৎপিন্ডটাকে খামচে ধরে।

"হ্যালো"
"জী ভাই" আমার চাপ আসে, ইতি উতি তাকাই...হু ঐ তো, একটা সাদা দেয়াল কেমন ক্ষুধার্থের মতো তাকাচ্ছে।
"তুই কামটা ঝুলাই রাখলি ক্যান? সবতে ক্রসফায়ারে পড়লে তহন করবি?
আমি তো আগেই কইসি, কইসি না ক? তোর সমস্যা হইবো..হাজার হউক তুইলা আইনা শিখাইয়া পড়াইয়া তুই তো বড় করলি, এমন বড়ো করলি যে আমাগো হোগা মারতাছে তলে" আমি চাপ মুক্ত হতে থাকি। শুভ্র দেয়ালটায় ছেলেবেলার মতো আঁকাআঁকি করি, প্রস্বাবের আঁচড়ে মতিনের খানাখন্দে ভরা মুখটা কেমন হ্যাংলার মতো ঝুলে থাকে দেয়ালে এবং খানিক বাদে সেটা গোত্তা খাওয়া ষাঁড় কিংবা শুকুরের মতো আকার নিয়ে ঝরে পড়তে থাকে।
"ভাই, আমি তো কইসি দুইটা দিন সময় দেন, হইয়া যাইবো।" নিজের বিমুর্ত শিল্পের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি.......বাহ!!
"তোর খারাপ লাগলে থো, পাগলারে দিয়া দেই....."
দেয়ালের মেঘ আর হাতি-ঘোড়া গুলো পাক খেতে খেতে পাগলা সেলিম আর ৩২ টুকরা লাশের লাগেজের আকার নিলে আমি ক্ষান্ত দিই।
"ভাই, দুইটা দিন...এর মইধ্যে পাগলারে আইনেন না।"
মুঠো ফোনের ওপাশে মুহুর্তটা অনন্ত নিরবতায় ডুব দেয় টুপ করে। রাতের হ্যাংওভার, চন্দ্রাহত আমি, হত্যা নকশা আর গির্যা কিংবা রিকশার ঘন্টি, খানাখন্দে ভরা মতিন, পাগলা সেলিম আর ৩২ টুকরা লাশের লাগেজ এবং এই সব অনিবার্যতা আমাকে ছিড়ে খুড়ে ছুঁড়ে দেয়।

---------------------------------------

আমি আর রাজু চা খাই।
"উস্তাদ, এই সানুর দুকানের কথা তুমার মনে আসে? এই খান থিকা তুমি আমারে নিয়া গেসিলা"
"উম", আমি দুধের ভেতর ডুবন্ত সর দেখি, তর্জনি-মধ্যমার ফাঁকে নিকোটিনের বসত দেখি; শুধু রাজুকে দেখিনা।
"৫টা বসর!" রাজুর কন্ঠে ঘোর। "হালাই সময় কেমুন কইরা কুন চিপার মইধ্যে দিয়া দৌড়াই বুঝবার পারিনা! "
"কাইলকা বড় একটা কাম আসে রাজু।" সিগ্রেটে কড়া টান দিয়ে বলি," বশির চুতিয়ার কাছ থিকা প্যাকেট ডেলিভারি নিতে অইবো।" আংগুলের ফাঁকে সিগ্রেটটা কাঁপে, ধোঁয়ার মেঘ হামলে পড়ে চোখে। বহতা গাড়ি গুলো লাল বাতি দেখে বেমাক্কা রাশ টেনে ধরলে, রাজু ফেরে আমার দিকে, "হুমম, রাইতে না উস্তাদ? তুমি আমারে জানাইয়া দিও, চইলা আসুমনে।"
"তোর পোলাটা কতো বড়ো অইসে রে, রাজু?"
উত্তরাধিকারের কথা শুনে রাজুর চোখ দুটো চকচক করে। "আগামি মাসে ২ বসরে পড়বো, এমুন পাখনা হইসে, উস্তাদ! আমি যহন বাড়ি থিকা বারাই, ছাড়বারই চাইনা, গলার লগে চ্যাতকাইয়া থাকে, অর মা টানলে এমুন চিক্কুর মারে যে হালায় মহল্লার লোক গুলার কানে ধাপ্পি মাইরা যায়!"
রাজুর চোখে অলৌকীক চকমকি দেখে ধন্দে পড়ে যাই। আমি আর রাজু সেই বৈরী সময় যা আজীবন আমাদের পিছু ধাওয়া করে নাকি আমরাই তার সওয়ার হই, তা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি। মগবাজার হোটেলে পুলিশ খুন, মিরপুরে টোটনদের দুই ভাইয়ের লাশ, উত্তরার হাইড আউটে পেটে গুলিবিদ্ধ আমাদের সহযোগি নাকি সহদর নাসিরের রক্তখরন। "তুমি চিন্তা করো উস্তাদ, সেই দিন আমরা নাসিরের জন্যে একটা ডাক্তার আনতে পারি নাই, আমার কোলের মধ্যে তরতাজা পোলাটা সাদা হইয়া গেল! একফোঁটা রক্ত আসিল না!" ঝাঁ চকচকে সুর্যের নিচে সহযোগি নাকি সহদর নাসিরের রক্ত রন্জিত আমরা হটাৎ বিব্রত হয়ে পড়ি, রাজু আপ্রান চেস্টা করে নাসিরের রক্ত মুছে ফেলতে কিন্তু বেয়াড়া লালের আক্রমনে পেরে ওঠে না সে। "উস্তাদ, পোলাটা বড়ো অইতাসে, ডর লাগে এখন।" রাজুর ভয় আর নাসিরের শ্বেত-সন্ত্রাস আমাকে আঁকড়ে ধরতে চাইলে মতিনের খানাখন্দে ভরা মুখ আর পাগলা সেলিম গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে।

"রাজু, তুই বাড়ি জা গিয়া। আমি এই দিকটা সামাল দিমুনে। কাইলকা সময় মতো চইলা আসিস।"

রাজু নির্জলা রোদের নিচে এইসব বিপন্নতার মাঝে আমাকে একা ছেড়ে গেলে কাঁপা হাতে মোবাইলটা বের করি;
"ভাই আপনারে কইসিলাম দুইটা দিন সময় দেন।"
"আমি কি না করসি?"
"তাইলে সেলিম আর জহিররে সারাদিন আমার পিসে লাগাই রাখলেন ক্যান?" হটাৎ চাপ আসে আমার। ক্ষ্যাপা চোখে তৃষ্নার্ত দেয়াল খুঁজি, কিন্তু শালা দেয়াল গুলো ফাঁকতালে কেমন উধাও হয়ে গেল।
"আরে না, কি যে কস না তুই। অরা তোরে ফলো করবো ক্যালাই? তুই তো জানোস, পাগলার এই সবে আগ্রহ একটু বেশি" মতিন ভাই গা দুলিয়ে হাসে। শালা ঢাকা শহর কি দেয়াল শুন্য হয়ে গেল? দেয়াল ছাড়া ন্যাংটো বাড়ি গুলো আব্রু ঢাকবে কি দিয়ে? হঠাৎ হাতের বা'য়ে ভোজবাজির মতো সাদা দেয়াল গজিয়ে ওঠে ক্যানভাস হয়ে , আমি হাপ ছেড়ে বাঁচি!
"ভাই, আমি আপনারে কইসি দুইটা দিন। এর পরেও যদি আপনি...." অবাক এবং ঘেন্না ঝরে পড়া অনেক চোখের সামনে আমি ক্যানভাসে তুলি চালাই। ".....পাগলারে লেলান তাইলে খরচের খাতা বাড়বো।" ক্যানভাসে খানাখন্দে ভরা মতিন আর পাগলা সেলিম পরস্পরের উপর উপগত হয়ে বিমুর্ত শিল্পের সৃস্টি হলে আমি মুগ্ধ হই। "ভাই, আপনি যা কইসেন সব শুইনা আসচি। আমারে আপনার অবাধ্য কইরেন না।" জিপার টানার ফাঁকে বলি আমি। মুঠো ফোনের ওপাশে মুহুর্তটা অনন্ত নিরবতায় ডুব দেয় টুপ করে।

-------------------------------------------

সেদিনও ছিল মাতাল চাঁদ। কালো গাড়িটাতে ৪ জন সওয়ারি। "উস্তাদ, দেখসো, হালায় চান দেখি আমাগো লগে পাল্লা দিতাসে! ঐ জহিরর‌্যা, জুরে চালা চান মাতারির পোলা য্যান আমাগো টেক্কা দিবার না পারে!" রাজুর চোখে অলৌকিক চকমোকি। ওর ছেলের জন্য কেনা লাল গাড়িটা দেখায় আমাকে। "পুলার আমার গাড়ি খুব চয়েজ বুঝলা উস্তাদ! বড়ো হইয়া ডেরাইবার হইবো কিনা আল্লাই জানে!" রাজুর হাতের চেটোই লাল একটা গাড়ি, হঠাৎ দেখি মগবাজারের হোটেলে খুন হওয়া পুলিশ, মিরপুরে টোটনদের দুই ভাই আর আমাদের সহযোগি নাকি সহদর নাসির, ওরাও চাঁদ ফাকি দেওয়ার অভিযানে শরিক হয়। চোখ লাল করে এমনকি মাথা ঝাঁকিয়েও তাড়াতে পারিনা ওদের, হতচ্ছাড়া লালে এমন চেটকে থাকে ওরা যে আলাদা করতে না পারার হতাশায় চাপ আসে আমার। হাইওয়ের ধারে ধান ক্ষেতের পাশে গাড়ি থামাই। "জহির তুই গাড়িতে থাক" আমরা তিন জন বেরিয়ে আসি। রাজু চোখ সরু করে প্রায় আঁধারে বশিরকে খোঁজে।

"বশির চুতিয়া দেহি এহনো আসে নায়, উস্তাদ।"
"একটু আগাইয়া দেখ রাজু।" আমার কন্ঠ একটুও কাঁপে না কেন?
রাজু আমার সামনে কুয়াশার চাদরে জড়ালে পিস্তলটা বের করি আমি। মাত্র একটা বুলেট, সবুজ ধান ক্ষেতটা জড়িয়ে ধরে রাজুকে। আমি হামা দিয়ে রাজুর প্রায় দু বছর বয়সি ছেলেটার সেই লাল গাড়িটা খুঁজি। জহির আর বাবলু টানতে চায় আমাকে, "উস্তাদ, জলদি আহো!" "সর কইলাম খানকির পুতেরা!"আমি হ্যাচকা টানে ছাড়িয়ে নিই নিজেকে, আঁতিপাঁতি করে খুঁজি গাড়িটা। হ্যা ঐতো...লাল গাড়িটা মগবাজারের হোটেলে খুন হওয়া পুলিশ, মিরপুরে টোটনদের দুই ভাই আর আমাদের সহযোগি নাকি সহদর নাসির আর রাজুকে নিয়ে চাঁদটার সাথে পাল্লা দিয়ে ছুটছে!!














 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পপ্রায়গল্পপ্রায় ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
মানব মানিক বলেছেন: ভালো লাগল
প্রিয় আকাশ চুরি।

আরো লিখুন।
২. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
আকাশচুরি বলেছেন: প্রিয় মানব মানিক অনেক ধন্যবাদ
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৪. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন: আকাশচুরি... পুরোটা শেষ করতে পারলাম না। অফিস থেকে বের হবার তাগাদা পাচ্ছি। অর্ধেক পড়লাম অসাধারন, এত রুপক পান কোথায়! শেখাবেন আমাকে? রাতে বাকিটা পড়ব....
ছবিটা ভাল লাগিয়েেছন বস.....
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!

ধন্যবাদ

৫. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: অসাধারণ একটা গল্প। আমরা প্রতিদিনই নিজেকে এভাবে ফাঁকি দিয়ে নিজেকেই খুন করি,নিকষ অন্ধকারে।
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফারহান দাউদ

অসাধারন কমেন্টের জন্য...আমরা প্রতিদিনই নিজেকে এভাবে ফাঁকি দিয়ে নিজেকেই খুন করি,নিকষ অন্ধকারে।

সত্যিই..

৬. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩
মিরাজ বলেছেন: চমৎকার সাবলীল লেখা । বর্ণনাভঙ্গি ভালো লাগলো । আরো লিখুন, এরকম আরে লেখা পড়তে চাই ।
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: মিরাজ ভাই অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: দেখি চালাতে পারি কিনা

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

৮. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
নকীব বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়লাম ( আরেকটু হলে আমিও গেছিলাম নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে...)

অসাধারণ!

০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

৯. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
মুকুল বলেছেন: আপনিতো দূর্দান্ত লেখেন!!! নিয়মিত লিখুন... শুভেচ্ছা। *****
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!

ভালো থাকবেন মুকুল ভাই

১০. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০১
রাশেদ বলেছেন: টাইটেলটা পছন্দ হইছে। :)

লেখা জটিল লাগছে। থ্যাঙ্কস।
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাইয়ের ভাল্লাগসে জাইন্যা বহুত খুস হইসি

১১. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
রাশেদ বলেছেন: টাইটেলটা মাইরা দিতে পারি আমি! :D
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: আবার জিগাই!! মাইরা দেন

১৩. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪০
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন: পুরোটা শেষ করলাম! অসাধারন বলে ছোট করছি না.... প্রিয় আকাশচুরি।
০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: কি দরকার ছিল, হে হে (বিনয়)

০৯ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: প্রিত হইসি

১৫. ০৯ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৪
মহারাজা বলেছেন: আপনার লেখা সুন্দর , সময় পেলে আবার ও পড়বো। কিন্ত ব্লগটা এমন অপ্রয়োজনীয় লেখা এত বেশী ভাল লেখা খুজতে সময় চলে যায়। আপনাকে ধন্যবাদ।
০৯ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

১৬. ০৯ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩২
নীল জোনাকি বলেছেন:
আকাশচুরি;
তোমার স্বপ্নের আকাশটা আমি চুরি করতে চাই !
তোমার সবুজ বুকে নাক ঘষে আমি বুঝতে চাই বন্ধুত্বের মানে!


আমাকে দেবা তোমার আকাশ চুড়ির সুযোগ!
তেমার মেইল ঠিকানাটা দেবা!
০৯ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: কেন নয়? প্রিয় নীল জোনাকি ...

১২ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন:

১৮. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
পুতুল বলেছেন: গল্পটা এর আগে একবার পড়েছিলাম কিন্তু লগ ইন না করে, এবং সময়ের অভাবে মন্তব্য করতে পারিনি।

একটি সার্থক ছোট গল্প। মনে হয়না এর বেশী কিছু বলা প্রয়োজন।
সব কিছু খুব স-ব-কি-ছু খুব ভাল লাগল।
১২ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: আপনারা কস্ট করে পড়ছেন এটাই বড়ো সার্থকতা।

ভালো থাকবেন

১৯. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
পুতুল বলেছেন: এমন লেখা পড়তে মোটেই কষ্ট হয়না, আনন্দ হয়। আরো লেখা চাই।
২০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০০
ছায়ার আলো বলেছেন: আপনার লেখার হাত দারুন!
+
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: কস্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ

২১. ১৪ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০২
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: সাবলীল লেখা..........
ঘটনার ভয়াবহতা নাড়া দিয়ে গেলো......।
গল্পতেই এমন.....!সত্যি তো ভীষন নিষ্ঠুর আরো!
লিখতে থাকেন।
শুভেচ্ছা .........
১৪ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

২২. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০৩
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: দাদা নতুন লেখা কবে পাবো?
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: দাদা, লেখালেখি বোধহয় ছেড়ে যাচ্ছে আমায়!!!

ভালো থাকবেন

২৩. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬
সুতরাং বলেছেন: আমার লেখাটির পজিটিভ মন্তব্য করেছেন বলে নয়, মন থেকেই লিখছি, আপনার গল্পটি বেশ ভালো হয়েছে। আগামীতে আরও লেখা পাঠের ইচ্ছে থাকলো।
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

২৪. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
বর্তমানবাংলা বলেছেন: খুব সুন্দর লেখা পড়ে ভালো লাগলো +
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

২৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
কতবতবকতকত বলেছেন: মিয়া, আপনের লেখা ইরাপুর মত মানুষকে পাগল করে দিয়েছে। কপাল ভাল এখন তার এক্সাম চলছে। এরকম লেখা আর লিখবেন না। প্লিজ!X(
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: কি দরকার ছিল, হে হে (বিনয়)

ভালো থাকবেন

২৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৫
হমপগ্র বলেছেন: দুপুরের দিকে আপনার লেখাটাতে রেটিং করেছিলাম। তখন রিপ্লাই করা হয়নি।

ভালো লাগছে। স্টার্টিং টা স্টার্টলিং হয়েছে। +++
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

আপনাদের প্রেরনা সাহস দিচ্ছে নতুন করে লেখালেখি শুরু করার

২৮. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬
(অ)গাণিতিক বলেছেন: নকীব বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়লাম ( আরেকটু হলে আমিও গেছিলাম নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে...)

একই অনুভুতি আমারও

অসাধারণ!!
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
আন্দালীব বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর লেখাটি! লেখাটির পড়তে গিয়ে আপনার লেখনীর ভেতরের ইন্দ্রজালে আটকে গেলাম।

কাহিনীতে খুব চমক নেই, তবে সেটা লুকানো আছে আপনার প্রকাশে।
যেনবা গল্পের রাজুর হাতের গোপন ছুরিকা ঝিকিয়ে উঠছে মাঝেমাঝেই - অর্থপূর্ণভাবে।

টুপি নামিয়ে রাখছি (মানে হ্যাটস্ অফ্ আরকি.. :) )।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আন্দালীব

ভালো থাকবেন সবসময়

৩০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩
আন্দালীব বলেছেন: ও, প্রতিটি লেখার সাথে গেঁথে দেয়া ছবিগুলোর কথাও আলাদা করে বলতে চাইছি। সুন্দর কন্ট্রাস্ট।

এতো "সুন্দর" আপনি পাচ্ছেন কই? :)
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: নেট ঘাঁটতে যেয়ে চোখে লাগার মতো কিছু পেলেই নিস্তার নেয়!
ঝটপট মেরে দিই!! হাহাহ

আপনার প্রোফাইল পিকটা জোশ !

৩১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
আন্দালীব বলেছেন: বুঝছি, প্রোফাইল পিক বদলানোর সময় চলে আসছে। হাহা :)

নতুন কোন লেখা আপনার...?
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: লিখে ড্রাফট করে রেখেছিলাম একটা অনুগল্প, আজ লগিন করে দেখি গায়েব!!

কপিও রাখিনি, মেজাজটা বিগড়ে গেল।

কেমন আছেন??

৩২. ১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আপনার প্রথম লেখাটা পড়া চমকে গিয়েছিলাম...তারপর এক বসায় এ পর্যন্ত পড়লাম। আপনার লেখা professional-দের চেও ভাল। + দিলেও লেখাগুলোকে কমই মূল্যায়ন করা হয়। ব্লগের এটাই সীমাবদ্ধতা। যাই হোক... আপনার লেখা স্পেলবাউন্ড করুক মানুষকে যুগের পর যুগ ! ভাল থাকবেন।
১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন সবসময়

৩৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৭
""শ্রাবণী"" বলেছেন: চমৎকার লেখা। পড়ার সময় একদম চোখে ভাসছিলো।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

৩৪. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:২৯
উত্তরাধিকার বলেছেন:
কম্পলিট ভিজুয়ালাইজেশন।
অসাধারন...
আমি উপযুক্ত ভাষাহীন...!
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় উত্তরাধিকার

ভালো থাকবেন

৩৫. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৪২
কালপুরুষ বলেছেন: দারুন লিখেছেন মাইরী! ব্লগে সেরা লেখকদের তালিকায় আপনাকে অনেক উঁচুতে রেখে দিলাম।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন কালপুরুষদা!!!

৩৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: অসাধারন...অসাধারন...অসাধারন!!!!!
বলা ছাড়া আর কোন শব্দ নাই।

ভালো লাগলো খুব

শুভেচ্ছা থাকলো।
১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও, ভালো থাকবেন

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন

৩৮. ২৪ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন: আপনাকে লিংকে রাখলাম। যাতে করে হারিয়ে না ফেলি।
৩৯. ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
তাসু বলেছেন: আসলে এতই অসাধারণ যে আমার প্রশংসা করার যোগ্যতাই নেই।
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!

ভালো থাকবেন, সব সময়

৪০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪০
ফাহমিম বলেছেন: আপনি ভাই বইপত্র বাইর করেন।

প্লাস!
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: বইপত্র?!

আমার এই ছাই-পাশ কি লেখা-লেখির কাতারে পড়ে?

লোকজন হাসাহাসি করবে রে ভাই!!

ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

৪১. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৪৮
নিহন বলেছেন: অনেক ভালো লেগেছে ।
ভালো হয়েছে লেখাটা ।
১০ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, নিহন

আঁকাআঁকি কেমন চলে?

ভালো থাকবেন

১০ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: :)

৪৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬
রুখসানা তাজীন বলেছেন: আপনার লেখা প্রতিটা শব্দ মনোযোগ দিয়ে না পড়লে মনে হয় কিছু হারিয়ে ফেলছি, দেখা-না দেখার কোন অসাধারণ একটা মুহূর্ত ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছে।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা জানবেন

৪৪. ২৩ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩
কঁাকন বলেছেন: আপনি অনেকদিন লিখেন না কেন?
৪৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: আমি শিখছি কি করে ভাল গল্প লিখতে হয়। (ভয়ও পেলাম, আমাকে দিয়ে হবেনা।)

'শুভ্র দেয়ালটায় ছেলেবেলার মতো আঁকাআঁকি করি, প্রস্বাবের আঁচড়ে মতিনের খানাখন্দে ভরা মুখটা কেমন হ্যাংলার মতো ঝুলে থাকে দেয়ালে এবং খানিক বাদে সেটা গোত্তা খাওয়া ষাঁড় কিংবা শুকুরের মতো আকার নিয়ে ঝরে পড়তে থাকে।'-- কিভাবে চিন্তা করলে এভাবে শব্দ আর দৃশ্যের নির্লিপ্ত কিন্তু সরস সম্মিলন ঘটে?
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: প্রিয় মোস্তাফিজ রিপন

ব্লগে যাদের লেখা আমাকে প্রেরনা দেয়, তাদের মধ্যে আপনি অন্যতম। আপনাদের অসাধারন লেখা গুলো আমাকে ঋদ্ধ করছে নিয়ত।

:)

ভালো থাকবেন

৪৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:১৮
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধারন একটা গল্প। অনেকদিন এতো সুন্দর গল্প পড়া হয়না। আপনারে ভাই সামনে পাইলে মাইর লাগাইতাম।:) আমাদের জন্য এতো কম লিখেন ক্যান???
মিয়া ভাই প্লিজ লেখা ছাড়েন।
আপনে আমার খুব প্রিয় লেখকদের একজন হয়ে গেছেন সেদিনই যেদিন আপনার প্রথম লেখা চোখে পড়েছিল।
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা জানবেন প্রিয় ইমন :)

৪৭. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আপনার বর্নণারীতি,সুক্ষ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা,ভাষার উপর অসাধারণ দখলে অতিপরিচিত ঘটনাও অদ্ভুত সুন্দভাবে উঠে আসে।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা শিমুল ভাই

ভালো থাকবেন

:)

৪৮. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
রিফাত হাসান বলেছেন: ভাষাটা লাফায়, হলকিয়ে ওঠে। আমার এই উপমাটা মনে আসত মাহমুদুল হকের ক্ষেত্রে।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা রিফাত ভাই

মাহমুদুল হকের কথা মনে পড়লেই একটা অতৃপ্তি তাড়া করে

ভালো থাকবেন

৪৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: দারুণ লাগছে...যদিও কঠিন ভাষা...তবু খুব ভালো লেগেছে...আপনার শব্দের ভাণ্ডার তো ব্যাপক!!
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় ভাঙ্গা পেন্সিল
ভালো থাকবেন

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: :) :)

৫১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫
পারভেজ বলেছেন: আপনার লেখা মজাটা মুলত শব্দে শব্দে, সামান্য 'না' 'হ্যা' কিংবা 'দেয়াল' , 'পথ' ;এমন প্রতিটা শব্দকেই একটা নির্দিস্ট গুরুত্ব, বা প্রয়োজনীয়তা দেয়া থাকে। যাকে বলে ঠাস বুনোনী; কোন অবহেলা হয়নি একটা শব্দের প্রতিও।
চমৎকার।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা পারভেজ ভাই :)

ভালো থাকবেন

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম তারানা_শব্দ :)

ভালো থেকেন

৫৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: শিরোনামটা চমৎকার .. প্রিয়তে
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার নিকটা আমার খুব পছন্দের (আপনার লেখাও)
আপনার নিকটা যদি মেরে দেওয়া যেত! :)

ভালো থেকেন সবসময়

৫৪. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
শুভ বলেছেন: মুগ্ধ!
পারলে আপনার হাতটা বাঁধাই করে রেখে দিতাম।

ব্লাডার খালি করা বিষয়ক শব্দের খেলার জবাব নাই!@আকাশচুরি
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা শুভ ভাই। প্রিয় লেখককে আমার বাড়িতে পেয়ে কি যে ভাল্লাগছে! :)

ভালো থেকেন

৫৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
শব্দ স্বনন বলেছেন: রঙের ব্যবহার, সাবলীল ব্রাশস্ট্রোক...ভীষণ মুগ্ধ করল, আকাশচুরি...
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: প্রিয় শব্দ স্বনন, পুরোন পোস্ট ঘেঁটে আপনি যে গল্পটা পড়েছেন, এই জন্য অনেক কৃ্তজ্ঞতা জানবেন:)

৫৬. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০৮
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: স্ল্যাং গুলা ভালা লাগছে বস্। গল্পটাও সেরম'।
প্লাসাইলাম।
২০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্যকে অনেক ধন্যবাদ:)

৫৭. ২২ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১১
সোহানা মাহবুব বলেছেন: লেখাটা কখন শেষ হয়ে গেছে বুঝিনি। বুঝলাম তখন,যখন আমার গভীর ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে মনকে মেঘাচ্ছন্ন করে দিল।জীবন কেন এতো বিচিত্র কষ্টের?

মন খারাপটা কাটছেনা।
আপনাকে কি বলব? লেখা ভাল হয়েছে বললে একদম সামান্য বলা হয়।নাইবা বললাম ওরকম কিছু।শুধু জেনে রাখুন, সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সৃজনশীলতা দিয়েছেন অকৃপণভাবে।

গল্পের ভাষা পড়ে আপনাকে জানাতে ইচ্ছে হল ইলিয়াসের পুরনো ঢাকা নিয়ে একটা প্রবন্ধ শেষ করে দেশে পাঠিয়েছি।দেখি কোথায় ছাপতে দেই!কোথাও ছাপা হলে জানাবো আপনাকে।

ভাল থাকুন আকাশচুরি,অনেক অনেক ভাল।
+++
২২ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: প্রিয় সোহানা মাহবুব

পুরনো পোস্ট ঘেঁটে এটি পড়েছেন, সে জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

ইলিয়াসের পুরনো ঢাকা নিয়ে আপনার লেখাটির কথা জেনে তর সইছে না আর! :) জানাবেন প্লীজ!

অনেক ভালো থেকেন

২২ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: নাহিন, অমুল্য তিনটি প্লাস পেয়ে অনেক ভালো লাগলো।:)

অনেক ভালো থেকেন

৫৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৭
আমি সাইরাজ বলেছেন: পুরান চাউল কইলাম ভাতে বাড়ে
+
টাইটেল টা বেশী কঠিন :)
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম, সাইরাজ :)

পুরনো লেখাটা আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগলো অনেক...

৬০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৫
চতুষ্কোণ বলেছেন: অসাধারণ তারিক ভাই! পারভেজ ভাইয়ের সাথে সহমত।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: বস, কস্ট করে পুরনো লেখাটা পড়েছেন...অনেক কৃতজ্ঞতা নিয়েন

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই