আমার প্রিয় পোস্ট

নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

শেয়ারঃ
0 0 0



রাস্তাটা আলসে অজগরের মতো। খানিকটা এঁকে বেঁকে দুপাশের হেলে দাড়ানো বাড়ি ঘর গুলো শুঁকতে শুঁকতে রাবেয়া ভিলার সামনে এসে বুড়ো হয়ে ভেংগে চুরে থেমে যায়। নিলু রিকশার ভাড়া মিটিয়ে ভেজানো দরযা খুলতে যেয়ে থমকে যায় কিংবা থমকে যেতে বাধ্য হয়, রাবেয়া ভিলার সামনে বেকারি কারখানার দেয়ালটার ফোঁকরে যেখানে পাড়ার বাচ্চারা ঝোলানে ফার্ন আর বট কি পাকুড়ের অপরিনত শেকড় আর পাতার আড়ালে লুকোচুরি খেলত, বেমালুম নগ্ন একটা ভাস্কর্যের দখলে চলে গেছে। নিলু মরাটে ইট আর সবুজের ফাঁকে স্তনের চিত্রকল্প দেখে, বেয়াড়া শেকড়ে সাথে পাল্লা দেয়া জটা চুলের ছোপ, উরুসন্ধির ঢালে অতলান্তিক আঁধার জমাট বাঁধলে নিলু চোখ ফেরায়। লোম হারানো ঘেয়ো একটা কুকুর প্রবল বেগে লেজ নাড়িয়ে ভাস্কর্যটা শুঁকতে চাইলে, নিলুর ভ্রম কাটে; যখন ভাস্কর্য পরম বাৎসল্যে কুকুরটার লোমহীন চামড়া থেকে পরজীবি খুঁটতে থাকে।
নিলু প্যাঁচানো সিড়ি বেয়ে ওঠার ফাঁকে গলার ভেতর দলা পাকানো কিছু একটা টের পায়। ঘেন্না নাকি অন্য কিছু তা ঠাহর করতে না পেরে সিড়ির ধাপ বেড়ে যায়। নিলু ঘরে ফিরেও দলা পাকানো কিছু একটাকে গিলে ফেলত পারে না।
"আরি! এই আপদটা কইতথিকা আইলো?!" রাবেয়া ভিলার মালিক হাজি মালেকের যুগপৎ বিস্মিত এবং শংকিত চিৎকারে নিলু জানাল খোলার প্রয়াস পায়। হাজি মালেকের কারুকার্য করা টুপির আধখানা নিলুর চোখের সাথে লুকোচুরি খেলে, কিংবা আল্লা-খোদার নকশা খোদায় টুপিটা সানসেটের তলা থেকে বেরুতে পারেনা, পাছে নগ্ন ভাস্কর্যের আঁচে ঝলসে যায়।
'আবে ঐ জলিলল্যা! হারামজাদা দেখস না, বাড়ির সামনে কি সব আয়া পইড়া থাহে?"
জলিল চঞ্চল চোখে "কি সব আয়া পইড়া রইসে" খুঁজতে থাকে এবং খুঁজে পেলেও বেকারীর দেয়ালের ফোঁকরটা দেখে না অথবা মরাটে ইট আর অগোছালো সবুজের চিত্রকল্পে ভাস্কর্যটাকে আলাদা করতে পারেনা।
"কাহা, আগোল পাগোল...." জলিল গাঁইগুঁই করে কিছু একটা বলতে চাইলে "খ্যাদা হারামজাদা!" হাজি মালেকের চিৎকারে চাপা পড়ে যায়। জলিল থুহ করে থুতু ফেলতে যায় কিন্তু লক্ষ্যভ্রস্ট বেয়াড়া থুতু ওর স্যান্ডেলে আর বুড়ো আংগুল আক্রমন করলে খিস্তি কেটে ওঠে ও। কফ আর থুতুর ল্যাপ্টালেপ্টি জনিত কারনে হোক বা হাজি মালেকের ঝাড়িতেই হোক, জলিলের গলা চড়ে যায়,
"অই বেডি, গেলি!" এমনকি কুকুর তাড়ানো হুইস হাই জাতীয় শব্দও করে জলিল, কিন্তু ভাস্কর্য নড়ে না বরং তামাটে রংটা গাঢ় হয়ে বেকারীর দেয়ালের ফোঁকরটাতে শেকড় ছড়ানোর হুমকি দেয়।
এর ফাঁকে কিছু বাচ্চা কাচ্চা জুটে যায়, যারা জলিল এবং বেকারীর দেয়ালের মাঝে ছুটোছুটি করে, মুখে কাঠি লজেন্স পুরে জ্বল জ্বল চোখে ভাস্কর্য দেখে আর "এ মা ল্যাংটা..ল্যাংটা..ল্যাংটা" সুরে ঘুরপাক খেতে থাকে। ঘেয়ো কুকুরটা যেটা এতক্ষন ভাস্কর্যের বাৎসল্যে চোখ মুদে ছিল, বাচ্চাদের সাথে সেও যোগ দেয়। ভদ্র লোকগুলো চোখ বাঁচিয়ে পাশ কাটাতে চায়, কিন্তু রাবেয়া ভিলা আর বেকারীর দেয়ালের ফাঁদে পড়ে, মুখে কাঠি লজেন্স পোরা ছেলেপুলে আর ঘেয়ো কুকুরটার চ্যাঁচামেচিতে চোখ হারিয়ে বেদিশা হয়ে পড়ে।
নিলুর গলায় দলা পাকানো অস্বস্তিটা হঠাৎ মাথা চাড়া দিয়ে উঠে ওকে কাশতে বাধ্য করে এমনকি বেসিনের দিকে ছুড়ে দেয় সজোরে।

"দেখসো?...." চিটচিটে গরমের চাদরে জড়ানো আসাদ এক লকমা ভাত মুখে তুলে নিলুর প্রশ্নের অসম্পুর্নতায় বিরক্ত হয়ে চাবাতে ভুলে যায়।
"কি?" দলছুট একটা ভাত আসাদের ঠোঁটের কোনে আটকে থাকে, ভেতরে যেতে চায়না, কিন্তু আসাদ নাছোড়বান্দা, জিভের কেরামতিতে ঠিকই পেড়ে ফেলা ভাতটাকে।
"অই যে মেয়েটা..আমাদের বাসার সামনে.." নিলু ভাস্কর্যের বিবরন অথবা নগ্নতার বয়ান ঠিকমতো দিতে না পেরে অসহায় বোধ করে।
"হুম, আরে পাগোল ছাগোল, বুঝলা ন। কোনখান থেকে এসে পড়লো এইখানে! তাছাড়া বয়সও কম।"
"এর মধ্যে বয়সও মেপে ফেলসো?"
আসাদ ভ্রুতে বিরক্তির গেরো বাঁধে কয়েকটা। "কি যে বলো না!"
নিলু আসাদের এঁটো হাতের দিকে চেয়ে থাকে।

চিটচিটে ঘাম, প্রত্যহিক বিনোদনের ক্লেদ আর গলায় জমে থাকা কিছু একটা নিয়ে মাঝরাতে ঘুম ভাংগে নিলুর। ঘুলঘুলি চোয়ানো জোছনার টুকরোটাকরা পড়ে আছে বিন্তির গালে, মুখে বুড়ো আংগুল পুরে ঘুমুচ্ছে মেয়েটা। নিলু গলায় জমে থাকা কিছু একটার তাড়ায়, হা করে ঘুমিয়ে থাকা আসাদ আর মেয়েকে টপকে হাতড়ে জানালার নাগাল পেতে চায়। বেকারীর দেয়ালটার ফোঁকরটায় চাঁদটা পৌছুঁতে না পেরে হ্যাংলার মতো ঝুলে থাকে, আর ঘেয়ো কুকুরটা দাঁত খিঁচিয়ে চাঁদ নাকি চাঁদের কংকালটাকে শাসাতে থাকে। মরাটে ইট আর ঝুলে থাকা সবুজের ফাঁক গলে কামুক চাঁদ ভাস্কর্যের স্তনে হানা দিতে চাইলে তা ঠিকরে নিলুর চোখ ঝলসে দেয়! দু'পা ভাঁজ করে অবনত মুখ হাঁটুতে রাখে ভাস্কর্য, ঠোঁটে মুড়ানো এমন তাচ্ছিল্য, নিলু এখান থেকে ঠাহর করতে পারে। সহসা নিলুর স্মৃতির সব গুলো গ্রীক দেবী ডানা ঝাপটে রাবেয়া ভিলা আর বেকারীর দেয়ালের মাঝে উড়তে থাকে। ভেনাস নাকি আফ্রদিতি নাকি অন্য কেউ তন্তুজ খোলস ফেলে মরাটে ইট আর ঝুলে থাকা সবুজের ফাঁকে নতজানু হয়, ভাস্কর্যের ঠোঁট আরও মুড়ে যায় তাচ্ছিল্যে। নিলু মরাটে ইট আর ঝুলে থাকা সবুজের চিত্রকল্পে একজোড়া সফেদ ডানার উদ্ভাস দেখে!



"বুয়া, এই শাড়ীটা ঐ পাগলিটাকে দিবা।" পুরনো শাড়ীটাতে বুনো ফুলের ঢল আর মায়াকাড়া প্রাচিন গন্ধ।
"কন কি আফা! এই শাড়ী দিবেন অই বেডিরে?!"
"মা, পাগলিটা নেংটু থাকে ক্যান?" বিন্তি পেন্সিল কামড়ে নিলুকে শুধায়, ওর ৪ বছরের মাথায় ভাস্কর্যের নগ্নতা আর চারপাশের মানুষ গুলোর সেই নগ্নতা বিষয়ক জটিলতা খেলতে পারে না, তাই মায়ের দিকে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিয়ে আবার পেন্সিল কামড়ানোয় মন দেয় বিন্তি।
"বিন্তি!" নিলু ধমকে উঠলেও ওর গলার ভেতর সেই একটা কিছুকে কিছুতেই তাড়াতে পারেনা, এমনকি গতো রাতের একজোড়া সফেদ ডানার ঝাপটানি এখন অব্দি ওকে সুস্থির হতে দেয় না।
আধখোলা জানালার শিকে গাল চেপে নিলু নিচে তাকিয়ে দেখল, বুয়া শাড়িটা দুর থেকে ছুঁড়ে দিচ্ছে বেকারীর দেয়ালে। বুনোফুল গুলো সুতার মর্ম বোঝেনা এমন একজনের গায়ে ঝরে পড়বে এই আক্ষেপে শাড়িটা আছড়ে পড়ে ভাস্কর্যের বেদিতে।
"মা, পাগলিটা কি শাড়ি পরসে?"
ভাস্কর্যের বুড়ো আংগুল ছুঁয়ে তিরতির করে শাড়িটা, ভাস্কর্য দেখে না। বুনো ফুল গুলো কুঁকড়ে যায়, হঠাৎ করে জন্মের ৩ বছর পরে ভাস্কর্যের পায়ের কাছে ওরা ঝরে যেতে চায়!
ও কি শাড়িটা পরবে? ও কি পরতে পারে? কখনো পরেছে? এই প্রশ্ন গুলো নিলুর মাথায় ঠোকাতে থাকে ক্রমাগতো। ও এখানে কেন? এভাবে নতুন নতুন প্রশ্ন যোগ হয়ে ঠুকরে ঠুকরে ক্লান্ত করে ফেলে ওকে।
"মা, পাগলিটা নেংটু থাকে ক্যান?"

ঘেয়ো কুকুরটা শাড়িটা শুঁকে দেখল খানিক, তারপর এক পাক ঘুরে লেজে নাক গুজে শুয়ে পড়লো।


নিচে হাজি মালেকের চিৎকারের অস্পস্টতা নিলুকে জানালার দিকে ঠেলে দেয় আরো।
তিন জন চোঁয়াড়ে লোক বেকারীর দেয়ালটার ফোঁকরটা ঘিরে ধরে।
"মুরুব্বী, চিন্তা নিয়েন না আফনে। শালির হোগার বান্ধন খুইলা দিমু। গোয়া পাতনের জায়গা পাস নাই শালী?" খিস্তির সাথে থুতু ছিটায় একজন, অন্য জন টেনে হিঁচড়ে ভাস্কর্যের শেকড় উপড়াতে চায়, কিন্তু মরাটে ইট আর অগোছালো সবুজের চিত্রকল্প থেকে আলাদা করতে পারে না সহজে।
নিলুর গলায় জমে থাকা কিছু একটা হঠাৎ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠ। জানালা থেকে, ওপড়ানো ভাস্কর্যের সামনে থেকে ওকে ছুঁড়ে দেয় বেসিনের সামনে।



শব্দ গুলো ইচ্ছেমতো ঘুরপাক খাচ্ছে মশারীর কোনায়, খানিক বাদে হা করে ঘুমিয়ে থাকা আসাদ আর বিন্তির মাঝ দিয়ে আবার কখনো ঘুলঘুলির কাছে চোঁয়ানো আলোর ফোঁটা বেয়ে ঝরে পড়ছে। কিন্ত নিলু শব্দহীনতায় মোচড় খায়, বেয়াড়া শব্দেরা ওর শুকনো জিভে নোংগর না ফেলে আবার মশারীর কোনে ভেসে যায়!

ভেনাস, আফ্রোদিতি নাকি অন্যকেউ রাবেয়া ভিলা এবং বেকারীর দেয়ালের মাঝে ওড়াউড়ি করে নতজানু হয় ভাস্কর্যের সামনে। নিলুর শব্দ হীনতার বালিয়াড়িতে ঢেউ হয়ে ভেংগে পড়ে সফেদ ডানার ঝাপটানি আর চাঁদের কংকাল তাড়ানো ঘেয়ো কুকুরটার হাঁকাহাঁকি।

হাজি মালেকের কারুকার্য করা টুপি, আর তিন জন চোঁয়াড়ে মানুষের ৬ টা ঘিনঘিনে হাত নিলুকে ঘর্মাক্ত করে। শাওয়ারের নিচে নগ্ন হয় নিলু। হারপিকের ঠোংগা, বিপন্ন ব্রাশ, জীবাশ্মের মতো অন্তর্বাস, এমন কি হা করে ঘুমিয়ে থাকা আসাদ আর মুখে আংগুল পোরা বিন্তি পর্যন্ত মিথ্যে হয়ে যায়। জল বিদ্ধ আয়নায় নিজেকে তামাটে হতে দেখে নিলু। দেখে মরাটে নাগরিক আলোর নিচে চিত্রকল্পের বুনন; গড়ানো পানির ভাটায় স্তনেরা কেমন ফিরে পাচ্ছে নিজেদের, প্রতিটি বাঁকের কাঠিন্যে ছিটকে যাচ্ছে প্রপাত! আর একজোড়া সফেদ ডানা কিসের অপেক্ষায় কাঁপতে থাকে তিরতির করে!








 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পপ্রায়গল্পপ্রায় ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
িলমন বলেছেন: দারুন লিখেছেন ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!

৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১২
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:
গল্পের বর্ণনা ও বুনটে পরিপক্কতার ছোঁয়া ।
ভুলক্রমে বোধহয় ৩ এর প্রথম দুই প‌্যারা ৪ এর অংশটিতে আবার পুনঃ সংযোজিত হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে ৪ এর কোন অংশ আবার বাদ পড়েনিতো?

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুনীল সমুদ্র ,

আপনি ঠিকই ধরেছেন...সংশধন করা হয়েছে
দেখবেন এবার?

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ মদন বাবু!!!

ভালো থাকবেন

৬. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
হমপগ্র বলেছেন: কী বলবো বুঝে পাচ্ছি না।

অসাধারণ নাকি অসম্ভব সুন্দর?

++++++++
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: !!!

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: সত্যই!? অনেক ধন্যবাদ

৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
নির্বাসিত বলেছেন: গল্পটি জ্যোৎস্নার স্বল্প আলোয় আধো উন্মোচিত একটি ভাস্কর্য্যের মতোই। পুরোটা ধরা দিলোনা। কিন্তু যেটুকু দিলো, তাতেই টালমাটাল অবস্থা আমার। ওয়াও!
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার ঠেলাঠেলিতে লেখাটা রুপ পেয়েছে প্রায় গল্পে!!

ভালো থাকবেন

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: খাইছে!!
মুকুল ভাই ক্যামুন আসেন?

১১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
মুকুল বলেছেন: ভালো। আপনি এত কম লেখেন কেন? আপনার মত লেখকদের আরো বেশি লেখা উচি‌‌ৎ।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: সে এক বিরাট ইতিহাসরে ভাই!!

১২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২২
রাগিনী বলেছেন: শৈল্পিকতা আছে

খানিকটা অসহ্য সুন্দরের মতো

বেশ ভালো লেগেছে।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভাল্লাগছে!
ভালো থাকবেন

১৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
সবুজ জমিনে
লালের বারতা
চেতনায় জাগে
প্রিয় স্বাধীনতা....

১৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩২
ফারহান দাউদ বলেছেন: সময় কম পাই,তাই বলা হয়ে ওঠে না আজকাল বেশি,এটায় বলতেই হল,অনেক বেশি ভাল।
২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: হ্যারে ভাই! সময় আসলেই কম পাই আজ কাল।

ভালো থাকবেন

১৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৬
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
একটা প্লাস দিছি। বলার কিছুই নাই
২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: হাহা! কিছু না বললেও বলা হলো অনেক কিছু

ভালো থাকবেন

১৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৫০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: খতরনাক লেখা। হাত খুলে লিখে যান।
২৭ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: তাই!?

অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

১৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
মাঠশালা বলেছেন: ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা।
২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও

ভালো থাকবেন

১৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:১৬
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


আপনার গদ্যের হাত পাকা।
বুননে সচেতন আছেন।
ভালো লাগলো
+






এই সাথে চুপিচুপি আমার ব্লগ পড়ে আসার জন্য ধন্যবাদ;)
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকে

ভালো থাকবেন

১৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯
অলীকমানুষ বলেছেন: আকাশ, বোদলেয়ার পড়ার নেশা আছে নাকি ? গন্ধ পাচ্ছি !
২৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: অলীকমানুষ অনেক ধন্যবাদ অকাজের একটি ব্লগে আসার জন্য।

গন্ধ পাচ্ছেন? আমিতো পুড়ে যাচ্ছিরে ভাই!

২০. ২৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
বিহংগ বলেছেন: অনেকদিন পর এসে আপনার চমতকার লিখাটি পড়লাম
সত্যিই অসাধারন। আর যুতসই কোনো শব্দ খুঁজে পাচ্ছিনা।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো থাকবেন

২১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২৩
লাবণ্য বলেছেন: কেমন আছেন?
ভালো প্রচ্ছদ এঁকেছেন।
লেখাও ভালো।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ভালো।
আপনি?
প্রচ্ছদ আমার নয়

ধন্যবাদ

২২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:২০
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
মডু বাহিনীকে বলে কইয়ে নিকটা এট্টু সাইজ বানানো যায়না???
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: হুমম

মডুরা সাইজ কইরা দিবো?

কারে মেইল দিতে হবে?? আমি সাম.. ইন এর ক্রিয়াকর্ম গুলা ঘাইটা দেখিনি ভালো মতো

২৩. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
মাজুল হাসান বলেছেন: লেখাটা কি করে এড়ায় গেলো আমার চোখ দিয়া?
তবে একটা কথা,
মনের ভঙ্গুর অবস্থা প্রকাশে বাক্যে ভঙ্গুরতা আনলে লেখায় একটা মাত্রা পায়। কিছু জায়গায় একটু কম সাজানো গোছানো হলে মনে হয় ভাল হতো। এটা আমার ব্যক্তিমত।

তবে সব মিলিয়ে লেখাটা দারুণ হয়েছে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় মাজুল,

আপনার ব্যক্তিমতের সাথে আমিও একমত, তবে হয়েছে কি লেখালেখিতে আমি এখনও ভ্রন অবস্থায়।

ভালো থাকবেন

২৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:১৫
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: লেখার এত সাবলীল প্রকাশ।
মনে হলো চোখের সামনে ঘটে গেলো সব।
দারুন।
শুভেচ্ছা থাকলো।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:১৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও

ভালো থাকবেন

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: হুমম

ভালো থাকবেন

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আছি দাদা, কোন রকম

আপনি?

১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: খুব দৌড়ের উপর আছি মুকুল ভাই!
ব্লগে শুধু কমেন্ট করতে পারছি

২৮. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
কতবতবকতকত বলেছেন: শালার মাস্টর পিস একটা। ভাই আপনার সবগুলা পোস্ট মাস্টার পিস। পাম্প দিতাছি না। কমস।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!

কেমন আছেন?

২৯. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেকদিন লেখা নেই আপনার,বিরতিটা যেন একটু বেশিই দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে:(
২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: সময় পাচ্ছিনা একদম ফারহান ভাই!!

৩০. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
এইরকম যদি লেখতে থাকেন , আর আমি যদি কাম কাজ ফালাইয়া এক নিঃশ্বাসে পড়তে থাকি অফিসে বইসা , তাইলে চাকরী তো থাকবো না ।

খুব খারাপ ।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন?

৩১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৯
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন: ভাই আপনার এত ভক্তকুলকে আর কতকাল অপেক্ষায় রাখবেন????????????

নাকি ফটুক পাল্টাটেই ব্যাস্ত !!!!!
৩২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
মহারাজা বলেছেন: আগেও বলেছি , আপনি ভাল লেখেন - এখনো বলছি - one thing dear can you please tell us why your name spelling extra 0 before র
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: আর বইলেন না! তখন বাংলা টাইপ ঠিক বুঝে উঠতে পারি নাই!

১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: হুমম

৩৪. ০১ লা জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
মৈথুনানন্দ বলেছেন: বেশ

*****

মাণিক বোনার্জি + সমরেশ বসু
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ?!!

বেশ বোধ হচ্ছে দাদা, ভালো থাকবেন

৩৫. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:১০
উত্তরাধিকার বলেছেন:
আমার আসলে হাত চলছে না...
কি লিখব...
ভাষা নাই...
উফ্‌ফ !
আপনি এত কম লিখেন কেন হে...?


আপনার আগের সব লেখাই পড়ে ফেলব।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় উত্তরাধিকার

ভালো থাকবেন সবসময়

৩৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
কালপুরুষ বলেছেন: অসাধারণ লেখা! অসম্ভব রকমের সুন্দর। বলার ভাষা পাচ্ছিনা। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন

৩৮. ২০ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন: অদ্ভুত!
কেন যে এতদিন পড়া হয়নি?
প্রিয়তে...
২০ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

৩৯. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
ফাহমিম বলেছেন: এইটা কি লিখলেন ভাই?

উইড়া গেলাম আপনার গল্প পইড়া!

প্রিয় তে রাখলাম।বার বার পড়ার মতো জিনিস।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন, ফাহমিম

৪০. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪
পথিক!!!!!!! বলেছেন: লেখায় দৃঢ়তা ব্যাপক........আশা করি চালিয়ে যাবেন এই ব্লগে
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: পথিক ভাই, অবশেষে পথ ভুলে আমার ব্লগে!!

অনেক ভালো লাগলো, ভালো থাকবেন

৪১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৮
অন্যকোথাও বলেছেন: সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে, এই ব্লগ এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য। নাহলে দুর্দান্ত সব লেখকদের এইসব ক্লাসিক লেখাগুলো পড়ার সু্যোগ হয়তো হতো না কখনো। দারুন লিখেছেন বস্।
০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন!!

আপনার লেখা কই?

ভালো থাকবেন

৪২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৪
রুখসানা তাজীন বলেছেন: সবকিছু নিয়ে মন্তব্য করতেই হবে এমন কোন কথা নেই
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: :)

৪৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:০৩
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এই গল্পটি এ নিয়ে তিনবার পড়লাম। তবে কমেন্ট করিনি এখন রেখে গেলাম। যদিও আমার মতো দু পয়সার মানুষের কমেন্টে তেমন কিছু যায় আসে না।:)
তারপরও বলি আপনার লেখার হাত এতো ভালো যে আমি স্তব্দ হয়ে যায় কি বললে ঠিক বলা হবে বুঝতে পারছি না। হয়তো আমার মতো মূর্খ মানুষের মাথায় জুঁতসই কোন শব্দ নেই যেটা বললে আপনি খুশী হতেন।
আমি দেশে গেলে আপনার সাথে অবশ্যই দেখা করতে চাইবো।
যদি আপনি বন্ধু হিসেবে দেখা দিতে চান।
ভালো থাকুন তারেক ভাই।
আপনি আমাকে তুমি করে বললে খুশি হবো।:)
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: আমি অধির আগ্রহে অপেক্ষায় থাকলাম আপনার ফেরার আশায়!!:)
আপনার মতো মানুষকে বন্ধু হিসাবে পেলে আমার কেমন লাগবে ভেবে দেখেছেন? :) :)

কৃতজ্ঞতা জানবেন প্রিয় ইমন

ভালো থাকবেন সবসময়

৪৪. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: বাবোস হ্যাঁকো হুক সময় করে পড়ার জন্যে আন্তরিক ধন্যবাদ।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: :)

৪৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৪
রাস্তার ছেলে বলেছেন: আমার ১০০০ তম কমেন্টটা করার জায়গা খুঁজছিলাম! এখানেই করে ফেললাম!+
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: :) :)

৪৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
পারভেজ বলেছেন: গদ্যকাব্য।
ভালো লাগলো।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: :)

৪৭. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০
গুহামানব বলেছেন: আরও একটু আগানো যাইতো মনে হইতেছে, মনে হচ্ছে এখোনো লেখাটা শেষ হয়নি, আরেকটু লেখবেন???
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: নাহ, আর না....

ভালো থেকেন, গুহামানব:)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই