আমার প্রিয় পোস্ট

সূর্য্যগন্ধি মেঘে একজোড়া গোল্ডফিশ

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০

শেয়ার করুন:                   Facebook



জহির যখন আদাবরের পেট থেকে আলগোছে বেরিয়ে আসল রিং রোডে, ৭টা কি সোয়া ৭টা, তখনো শহরটা আরমোড়া ভেংগে পুরোপুরি উগলে দেয়নি সন্ত্রস্ত মানুষগুলোকে। একটা রিকশা নিতম্ব দুলিয়ে জহিরকে প্ররোচিত করার চেস্টা করে খানিক, শেষে ব্যর্থ হয়ে বেনী ঝোলানো ঘুমঘুম চোখের তিনটে কিশোরীর কিচিরমিচির ভর্তি করে চলে যায়। জহির পা চালায় দ্রুত,শ্যামলী ওভার ব্রিজের নিচে লেগুনার একটা ফাঁকা সিট নিদেন পক্ষে পাদানির একটা অংশ দখলের তাড়ায় ও ছুটতে চাইলেও গতরাতের অঘুমো ছটপটানি রিংরোডের কালো পিচে ওকে গেঁথে ফেলতে চায়। জহিরের মাথার উপর হলদে এক ঝাঁক নাছোড়বান্দা মেঘ সওয়ার হয়, আদাবর থেকে শ্যামলী অব্দি তাড়া করে ফেরা হলদে মেঘের চোখ রাংগানি ওকে ঘামিয়ে ঝরে পড়ে পিঠ বেয়ে।
জহির লেগুনার ভেতর সেঁধিয়ে পড়ে নাকি লেগুনা ভর্তি ৬ জোড়া মানুষের অস্বস্তি ওকে টেনে নেয় বুঝে ওঠার আগেই আলু কি পেঁয়াজ ভর্তি চটের বস্তা আর রেক্সিনের ব্যাগ আঁকড়ে ধারা দু'বুড়োর মাঝে নিজেকে ফিরে পায়। ৬ জোড়া মানুষের চোখে টলটলে ঘূম, লেগুনার ঝাঁকিতে আরো গাঢ় হতে থাকে, এমনকি হেল্পারের চড়-চাপড় আর লেগুনার আচমকা লাগাম টানাও ঢুলুনি থেকে তুলতে পারে না ওদের শুধু শিশুমেলা পেরুনোর সময় নাকে শিকনি টানা এক ছেলে এর ওর বগলের তলা দিয়ে সিমেন্টের ডাইনোসর দেখার প্রয়াসে উঁকিঝুঁকি দেয় এবং শেষতক ডাইনোসর ওর চোখ ফাঁকি দিয়ে শিশুমেলার গুহায় ঢুকে পড়লে সড়াৎ করে শিকনি টেনে মায়ের বুকে ল্যাপটানো ওমে নাক গুঁজে দেয়।
জহির মাসের ২য় সপ্তাহের প্রথম দিনটার টানাপোড়েনে ধন্দে পড়ে যায়। ভাবে, কোন কারনে যদি বেতনটা ওকে ফাঁকি দিয়ে রশিদের ফাইলের ভেতর থেকে না বেরয়...একখানা রুম, আধখানা বাথরুম আর রান্নাঘরের ভাড়া,মুদি দোকানে লকলকিয়ে ওঠা খাতা আর রাবুর একজোড়া গোল্ড ফিশের চিন্তা জহিরকে লেগুনার ঠান্ডা রডটা আঁকড়ে ধরতে বাধ্য করে। জহির এর বেশি কিছু ভাবতে চায়না বা পারেনা, এই না চাওয়া এবং না পারার মধ্যে হাবুডুবু খেতে খেতে জহির দেখে দুটো প্রায়-মানুষ লেগুনার কাশি দিয়ে থেমে যাওয়ার অভিনয়ের ফাঁকে, আগারগাঁ বিএনপি বস্তির সামনে, অবলিলায় রড ধরে ঝুলে পড়ে এবং ময়লা পলিথিনের মতো ল্যাগব্যাগ করে উড়তে থাকে। ৬ জোড়া মানুষের ঢুলুনি চটকে গেলে একজন খিস্তি কেটে ওঠে।
"অই, হারামজাদা, পিসনে দুইজন উঠাইছস ক্যা?" একজনের চিৎকার আরেকজনের মধ্যে সাহস হয়ে সেধিয়ে পড়লে কেউ কেউ খেঁখিয়ে ওঠে।
"শালা, টেম্পুডারে উল্টায় ফালাইবো তো!"
"আবার দ্যাহোনা, হিরোইনচি উঠাইসে দুইটা!"
হেল্পার লেগুনার পাছায় কষে চাপড়াতে থাকলে এইসব চ্যাঁচামেচিখিস্তিখেউড় বিজয় স্মরনীর মোড়ে এসে ছিটকে পড়ে আর ল্যাগব্যাগে পলিথিনের প্রায়-মানুষ দুটো বাতাসে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ৬ জোড়া মানুষের কেউ কেউ ১ টাকা ঠকে যাওয়ার ভয়ে হেলপারের সাথে তর্কাতর্কি শুরু করলে, ফিরতি টাকা নিতে যেয়ে ১টা কয়েন জহিরের তর্জনি আর মধ্যমার ফাঁদ গলে দিব্যি পালিয়ে গেল। জহির পলাতক মুদ্রার খোঁজে ৬ জোড়া মানুষের জুতোর আনাচ-কানাচ, সিটের তলা, জংধরা পাটাতনের ক্যামোফ্লেজ হন্যে হয়ে তোলপাড় করে।
"বাদ্দেন বাই, ১ ডা ট্যাকাইতো, ১ ট্যাকাই কিসু অয় আইজকাইল?"
অধরা মুদ্রার পক্ষ নেয় একজন। নাগরিক হাওয়ায় কৌমার্য হারানো কয়েনগুলো কি নিজেদের আধুলি কি সিকে পর্যন্ত নামিয়ে ফেলেছে? তাহলে রাবু প্রতিদিন ওর পকেট হাতড়ে দলছুট এক-আধটা কয়েনের হদিস করে কেন? মরচে মোড়া ডানোর কৌটায় রাবু হপ্তায় দুটো কি একটা কয়েন টুপ করে ফেলে দিয়ে চকচোকে চোখে দেখে; যেনবা অতল কুয়োর জলে অনন্ত চাঁদ! রাবু প্রতিদিন কুয়োর জলে চাঁদের কনাগুলো গুনে দেখে
"দেখসো দুশো বিশ টাকা হয়ে গেছে! এই, বলো না দুইটা গোল্ডফিশ হবে না, জার সহ?"
"উম" অতল কুয়োর জলে টলটলে চাঁদ ঝলসে উঠলে বিভ্রান্তিতে পড়ে গিয়েছিল জহির, এই ফাঁকে মুদি দোকানের গতমাসের জেরের লতাপাতা বিস্তৃত হয়ে প্রায় ছেয়ে ফেলেছিল গোল্ডফিশ দুটোকে।



শহরটা থকথকে টক বাতাসে আটকা পড়ে আছে, আর জহির আটকে পড়া বেসামাল শহরের যোনী দিয়ে নিয়ত বেরিয়ে আসা মানুষ গুলোকে দেখছে প্রতিদ্বন্দি দুটো বিলবোর্ডের ছায়ায়। যোনীসিক্ত মানুষগুলো ৬ নম্বর বাসে ঠ্যালাঠেলি করে উঠে পড়ে, কেউ কেউ; বাসটা গোত্তা খেয়ে আরো খানদুয়েক পিচ্ছিল মানুষ টেনে নিতে চাইলে, হ্যান্ডেল ধরে ঝুলে না পড়ার অক্ষমতায় ম্রিয়মান হয়ে থমকে যায় এমনকি পরবর্তি বাসটা ভেঁপু বাজিয়ে হুস করে বেরিয়ে গেলেও ঘোর কাটে না ওদের। জহির মাথা উঁচিয়ে হলদে মেঘের দংগলটাকে তালাশ করে, যেটা সারাদিন ওর মাথার উপর সওয়ার হয়ে আদ্ধেকটা ঢাকা শহর চষে বেড়ালো। বিলবোর্ডটা আড়াল হয়ে দাঁড়ালে জহির টের পায় হলদে মেঘের কামুক ঠোটের টানে বিলবোর্ডের মেয়েটার স্তন কেমন চুপসে যায় হঠাৎ। এইযে সারাটা দিন কখনো চিৎ হয়ে থাকা ফ্লাইওভার, তেড়েফুড়ে ঢুকে যাওয়া কাকরাইল রোড, ফার্মগেট আর মতিঝিলের জটপাকানো পাকস্থলিতে মোচড় খেতে খেতে শাহবাগের কাছে এসে নিজেকে উগলে দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রতিদ্বন্দি দুটো বিলবোর্ডের মাঝে, পকেটে রাবুর জমানো দুশো বিশ আর অফিসের কনভেন্স থেকে মেরে কেটে আরো তিরিশ টাকা, পিছ ছাড়ে না শালার জন্ডিস মেঘ আর দেখ মেঘের সাথে ঘোঁট পাকিয়ে কি সুন্দর এই আড়াইশটা টাকা গিলে খাওয়ার ধান্দা করে গোল্ডফিশ দুটো।

উজান ঠেলে যেতে যেতে জহির দেখে মাছ দুটো একটা তরুনীর কমলা ফতুয়ার ভাঁজে লুকিয়ে পড়লো। কখনো বা ঊর্দ্ধমুখি বেলুনের সাথে স্থির হয়ে ভাসে আবার ভোকাট্টা হয়ে ঝরে পড়ে স্কুল ফেরত একটা ছেলের আইসক্রিমে। খানিক বাদে জহিরের নিঃশ্বাষ চুরিয়ে মাছদুটো উড়ে গেল আদাবরের ১ খানা ঘর, আধখানা বাথরুম আর আধখানা রান্নাঘরে; নোনা দেয়ালে ওরা দুজন সৌন্দর্য বুনছিল,
"বুঝলা রাবু, টাকা আর জিনিস থাকলেই ঘর সাজানো যায়না, রুচি লাগে। আমাগো ম্যাডামের কথায় চিন্তা করো, ড্রইং রুমে তেমন কিসুই নাই। শুধু দুইটা গোল্ডফিশ ভর্তি একটা জার,তাতেই চেহারা চেন্জ হইয়া গেসে!"
দেয়ালের নোনা স্তনের আব্রু সাদাকালো পোস্টারের আঁচলে ঢাকার ফাঁকে বলেছিল জহির। জহিরের দেখা আর রাবুর অদেখা ম্যাডামের ড্রইংরুম যেখানে জহির কয়েক জন্মেও দাঁড়াতে পারবে কিনা সন্দেহ, সেই ঘেরাটোপ থেকে বেরুতে পারেনা ও। গোল্ডফিশ দুটোর বেয়াড়া লেজের ঝালর সোনা ছেটাতে শুরু করে হঠাৎ, নোনা দেয়ালে ম্যাডামের ড্রইংরুমের আদ্ধেকটা গেঁথে গেলে জহির দেখে রাবু সেই আদ্ধেকটা ড্রইংরুমের আভিজাত্যে বেমালুম ঢুকে গেছে!
"বলো আমারে দুইটা গোল্ডফিশ কিনে দিবা?" ওর করতলে রাবেয়া, রাবু হতে হতে বলছিল।
"এইটা কুনো ব্যাপার? পাগলী! এই মাছগুলা খুব সস্তা, ১২০ টাকা জোড়া। সব মিলায়ে ২৫০ এর বেশি হবে না।" জহির করতলের আবেশেই হোক বা রাবেয়ার রাবু হয়ে ওঠার কারনেই হোক ২৫০ টাকাকে সস্তা করে ফেলেছিল সেদিন।

এখন, হলদে মেঘের নিচে মাসের ২য় সপ্তাহের প্রথম দিনটার টানাপোড়েনে, রশিদের ফাইলের নিচ থেকে না বেরুনো বেতনের আক্ষেপে শাহবাগ থেকে কাঁটাবনের পথটুকু দীর্ঘতর হতে থাকে। জহির মরিয়া হয়ে মাছদুটো খুঁজতে থাকে, ওদের কানকোই জহিরের চুরিয়ে যাওয়া নিঃশ্বাষের ছিটেফোটা তখনো লেগে ছিল, সাথে আদাবরের আধখানা ঘরের নোনা দেয়ালে ম্যাডামের ড্রইংরুমের আদ্ধেকটা, আর করতলে রাবেয়ার রাবু হয়ে ওঠার প্রবনতাও! ফুটপাতে পাছা ঘসটে চলা ফকিরের সানকিতে, হুশ করে বেরিয়ে যাওয়া তাতানো মানুষ আর কাঁচমোড়া দোকানের শার্সিতে... সবখানে মাছদুটোর ছায়াবাজি দেখে জহির। এমনকি ৩৮ দিনের মাসের হিসেব-নিকেশ, কলিগের কাছে ধার, মুদি দোকানে লকলকিয়ে ওঠা খাতা সবকিছু খেয়ে ফেলতে চাচ্ছে বেয়াড়া মাছ। রাবুর মরচে মোড়া ডানোর কৌটায় জমানো কয়েন যা কিনা অতল কুয়োর জলে অনন্ত চাঁদের ছিটেফোটা বলে ভ্রম হয়, একসাথে জমাট বেধে পড়ে আছে ওর পকেটে। জহির পকেটের টুঁটি চেপে ধরে সজোরে, পাছে মাছ দুটো হামলে না পাড়ে।

মাছ তাড়িত জহির টের পায় সূর্য সংগমে হলদেমেঘের গর্ভিনী তলপেটটা কেমন কালো হতে থাকে আর নাছোড়বান্দা গোল্ডফিশ দুটো শাহবাগ থেকে কাঁটাবনতক সেই কালো চিরে-ছিঁড়ে বেরিয়ে যায়, ফিরে আসে, আবার গোত্তা খেয়ে নিচে নেমে বিদ্ধ করতে চায় ওকে। বৃস্টির অসন্তুস্ট ফোঁটা চুরমার হয় জহিরের চাঁদিতে, রাগত বৃস্টির তোড়ে ভেসে যায় ও কাঁটাবনের দিকে। ব্যাবহৃত কনডমের খোসা, চিপসের ঠোংগা আর সিগ্রেটের অসহায় মোথার সাথে ভাসতে থাকে জহির। ভাসতে ভাসতে কাঁটাবনের মোড়ে এসে বেপুথো আইল্যান্ডের ভাঁজে আটকে যায় নাকি ঘর-ফেরতা মানুষের বৃস্টিবিদ্ধ অবয়ব ভেংগে পড়লে সেই ভাংগনে ধরা পড়ে যায় , এই সব ভাবনার ফাঁকে ও দেখে সূর্যগন্ধি মেঘে পাক খেতে থাকা মাছদুটো চলে যাচ্ছে কাঁটাবনের সারিবদ্ধ দোকানের এক্যুরিয়ামের দিকে। জহির পকেটের টুঁটি চেপে ধরে, ধরেই থাকে!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পপ্রায়গল্পপ্রায় ;

 

  • ১৩৩ টি মন্তব্য
  • ৬৪৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৩ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
comment by: মেঘবাজি বলেছেন: গোল্ডফিশের স্বাদ মনে লয় ভালা না
তয় গফ ভালা লাগসে
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: তাই?!

২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
comment by: ইফতেখার ইনান বলেছেন: সুন্দর... ভাল লাগল...
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬
comment by: বিলাল বলেছেন: আপনার উপমাগুলো খুব সুন্দর, শুধু একটু ধৈর্য্য রাখতে হয় ।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন

৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯
comment by: মিয়াভাই সিলটী বলেছেন: সুন্দর...
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০
comment by: মুকুল বলেছেন: আপনি আসলেই দূর্দান্ত এক লেখক! এত কম লিখেন কেন?

*****
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন মুকুল ভাই!

সময় খুব কম পাই মুকুল ভাই, ব্লগে শুধু কমেন্ট করার ফুরসৎ পাই

ভালো থাকবেন

৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮
comment by: েজবীন বলেছেন: অনেক ভালো লাগল ..:):)
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: আনেক ধন্যবাদ :)

৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আপনার যুৎসই বিশেষণ জুড়ে দেয়ার ক্ষমতা ঈর্ষণীয় । গল্পটা সেইরকম -- বাস্তবের ছবিতে কল্পণা কেটে যাচ্ছিল । সূর্যগন্ধী মেঘ শব্দজোড়া একটা গানে শুনেছিলাম । মেঘদল ব্যান্ডের নেফারতিতিতে । অবিস্মরণীয় উপমা ।

+।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: সিহাব ভাই কেমন আছেন?

৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: অসাধারন................
খুব ভালো লাগলো।
শুভেচ্ছা।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও

ভালো থাকবেন

৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
comment by: মাজুল হাসান বলেছেন: জহির পলাতক মুদ্রার খোঁজে ৬ জোড়া মানুষের জুতোর আনাচ-কানাচ, সিটের তলা, জংধরা পাটাতনের ক্যামোফ্লেজ হন্যে হয়ে তোলপাড় করে।

জহির করতলের আবেশেই হোক বা রাবেয়ার রাবু হয়ে ওঠার কারনেই হোক

জহিরের দেখা আর রাবুর অদেখা ম্যাডামের ড্রইংরুম যেখানে জহির কয়েক জন্মেও দাঁড়াতে পারবে কিনা সন্দেহ, সেই ঘেরাটোপ থেকে বেরুতে পারেনা ও।

উজান ঠেলে যেতে যেতে জহির দেখে মাছ দুটো একটা তরুনীর কমলা ফতুয়ার ভাঁজে লুকিয়ে পড়লো। কখনো বা ঊর্দ্ধমুখি বেলুনের সাথে স্থির হয়ে ভাসে আবার ভোকাট্টা হয়ে ঝরে পড়ে স্কুল ফেরত একটা ছেলের আইসক্রিমে। খানিক বাদে জহিরের নিঃশ্বাষ চুরিয়ে মাছদুটো উড়ে গেল আদাবরের ১ খানা ঘর, আধখানা বাথরুম আর আধখানা রান্নাঘরে;


একটা জাদুবাস্তব ঘোর আছে, ঠিক পুরো না। এখানে সচেতনা আছে প্রবল। সচেতনতার চপেটাঘাত আছে মুহুর্মুহু।

ভালো লাগলো।
পোয়েটিক হইছে।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: এই লেখাটা আরেকটু হলেই ইতিহাস হয়ে যেত!

ড্রাফ্ট করা ছিল, হঠাৎ কালকে দেখি ড্রাফট গায়েব!

১০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৩২
comment by: মাজুল হাসান বলেছেন: ভাগ্য ভালো!
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমম

১১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
comment by: সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন: অসাধারন বললে কম বলা হবে। :):)

সিহাব চৌধুরী ঠিকই বলেছেন - আপনার যুৎসই বিশেষণ জুড়ে দেয়ার ক্ষমতা ঈর্ষণীয়।

গায়েব হবার পরও যেটুকু পেয়েছি তাতেই মোহিত।

ভাল লেখা কালেভদ্রেই পড়া ভাল! :)
তবে যুগ যুগান্ত অপেক্ষা ভাল না। :) :)

খুউউব লাগলো।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: হেঁ হেঁ, কি যে বলেন!!

আপনার লেখার খবর কি মিয়া??

১২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫০
comment by: সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন: অই অই

খুউউব (?) ভালা লাগলো।
১৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
comment by: সব্যসাচী বলেছেন:
দারুন লিখেছেন। দারুন................
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

১৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: আপনার গল্পের মজা হল
প্রতিটা লাইনই একেকটা কবিতা!!

অসাধারণ।
আপনার আরো লেখার অপেক্ষায় রইলাম! :)
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

লিখতে তো চাই! কিন্তু সময় করতে পারিনা একদম

ভালো থাকবেন

১৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৫
comment by: সব্যসাচী বলেছেন:
ভাই আপনি আরো বেশি বেশি লিখবেন। আপনার লেখার স্টাইল ভালো।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: চাইতো, পারিনা যে! সময় ছাড় দিচ্ছে না

১৬. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেকদিন পর ঠিক সেরকম প্রত্যাবর্তন যেমনটা আপনার হওয়া উচিৎ,নাহলে ঠিক মানাতো না।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ফারহান ভাই কেমন আছেন?

বিরতিটা বেশি হয়ে যাচ্ছে জানি, চেস্টা করব নিয়মিত হতে

ভালো থাকবেন

১৭. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: অসাধারন লেখা। ভাল্লাগছে খুব।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: রাশু ভাই, ধন্যবাদ

১৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:২১
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: এটা এখন নির্দ্ধিধায় বলা যায় , আমাদের এই ব্লগ পরিবার অসাধারণ কিছু গল্পকার পাচ্ছেন । যেমন, -- আকাশচুরি, (অ)গাণিতিক

আপনাদের লেখা পড়লেই বুঝা যায়, লেখালেখির জগতে আপনারা নতুন নয় । একটা অনুরোধ করবো, স্বনামে লেখেন না কেন ? প্লীজ ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: শিপন ভাই, অনেক ধন্যবাদ।

নারে ভাই লেখালেখিতে আমি একদম নতুন তবে ইচ্ছে আজন্ম!!

স্বনামে?? উমম... দেখি

১৯. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: সুন্দর বলার সাহস পাইনা। যদি ধৃষ্টতা মনে করেন?
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: কেন??

আপনার মন্তব্য আমাকে কতটা উৎসাহ দেবে ভেবে দেখেছেন?

আনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন

২০. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: আন্দালীব বলেছেন: আকাশচুরি, আপনার লেখা খুব বিবশ করে দিলো। খুব সত্যি কথা।
কী লিখলেন বস্! অসাধারন কয়েনেজ্। গল্পকে কাব্যিক হতে দেখলে খুব আলাদা ফ্লেভার পাওয়া যায়। সত্যি বলতে কী- আপনার মানের কোন লেখকের লেখায় সরাসরি অংশ নিতে পেরে ভালো লাগছে।

"জহির যখন আদাবরের পেট থেকে আলগোছে বেরিয়ে আসল রিং রোডে, ৭টা কি সোয়া ৭টা, তখনো শহরটা আরমোড়া ভেংগে পুরোপুরি উগলে দেয়নি সন্ত্রস্ত মানুষগুলোকে। একটা রিকশা নিতম্ব দুলিয়ে জহিরকে প্ররোচিত করার চেস্টা করে খানিক, শেষে ব্যর্থ হয়ে বেনী ঝোলানো ঘুমঘুম চোখের তিনটে কিশোরীর কিচিরমিচির ভর্তি করে চলে যায়। " এগুলো খন্ডচিত্র, অথচ কী চমৎকারভাবেই না আপনি
অদৃশ্য সুতোয় গেঁথেছেন! বর্ণনাটি/গুলো দৃশ্যের হলেও আপনার বর্ণনা কখনোই শুধু দৃশ্যানুগ নয়। দৃশ্যেরও অধিক কিছু থাকে সেখানে।
পাঠককে মোহাবিষ্ট করে।
আর শহরের যেই রুটগুলোর বর্ণনা উঠে এসেছে এখানে সেগুলোতে খুব নিত্যই যাওয়াআসা হয়ে থাকে বলেও হয়তো পাঠের সময়ে বেশ 'অ্যাটাচড্' বোধ করেছি।

"শাহবাগ থেকে কাঁটাবনের পথটুকু দীর্ঘতর হতে থাকে".....এইবাক্যে কী মোটাদাগের হতাশা! খুব ভালো লেগেছে আলাদা করে এই এক্সপ্রেশানটি।

সিম্পলি স্পেলবাউন্ড হয়ে আছি।

** এটিই কি সেই লেখাটি যার ড্রাফট হারিয়ে গিয়েছিলো?
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় আন্দালীব

হ্যা, এটাই সেটা, যার জন্যে পরিনতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

২১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:১৯
comment by: অন্যকোথাও বলেছেন: "সিম্পলি স্পেলবাউন্ড হয়ে আছি।"- আন্দালীব

ঘটনা পুরাপুরি সত্যি।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন


অনেক ধন্যবাদ

২২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন।
ভালো লাগল।
আপনার প্রতিটি লেখায় ভালো লাগছে।
আশা করছি সামনে আরো সুন্দর লেখা পাবো।
ভালো থাকুন।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন


অনেক ধন্যবাদ

২৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫১
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এতটা নিখুঁত , ব্লগে বসে বিনে পয়সায় এমন লেখা পড়তে পারাটা রীতিমত সৌভাগ্যের ব্যাপার

কি বলবো , এমন লেখায় কমেন্ট করার মত শব্দও আমার মাঝে নেই

+++++
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মেহরাব শাহরিয়ার

ভালো থাকবেন

২৪. ০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
comment by: রাহা বলেছেন: আপনি তো জটিল লেখেন ....!!!!
০২ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: রাহা, ভালো থাকবেন

২৫. ০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১
comment by: যূঁথী বলেছেন: আমি আগে কখনই আপনার ব্লগ পড়িনি। এইটা প্রথম। গল্প কেমন হয়েছে - ভাল কি মন্দ তার হিসেবে যাচ্ছি না। আপনার গল্প বলার ভঙ্গি, শব্দচয়ন এবং সবচেয়ে যে জিনিসটা ভাল লেগেছে তা হল উপমার ব্যবহার। ওয়াও এত্ত ক্রিয়েটিভ। স্বতঃস্ফূর্ত কমেন্ট। এত্তটুকুও বাড়িয়ে বলছি না। আমি সময় করে আপনার সব লেখা পড়ে ফেলব। কথা দিচ্ছি।

শুভ কামনা রইল।
০২ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা রইল, ভালো থাকবেন

২৬. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: মানব মানিক বলেছেন: প্রিয় আকাশ চুরি
কেমন আছেন ?
আপনার লেখা গুলো আমার পড়া হয়ে ওঠে না। তবে সময় পেলেই আসি। এই লেখাটাও আমার ভালো লাগলো । আপনার বলার ভঙ্গিটাই অন্যরকম।

ভালো থাকবেন
ভালোবাসা নিয়ে।
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: প্রিয় মানব মানিক


ভালো থাকবেন

২৭. ০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
comment by: বিহংগ বলেছেন: আসলেই অন্যরকম ।
চমতকার উপমা, মুগ্ধ হয়ে যাই।
০৪ ঠা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: প্রিয় বিহংগ

ভালো থাকবেন

২৮. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৮
comment by: প্রলয় হাসান বলেছেন: "বলো আমারে দুইটা গোল্ডফিশ কিনে দিবা?" ওর করতলে রাবেয়া, রাবু হতে হতে বলছিল।"---- এই লাইনটা আমাকে অনেকক্ষন একটা ধন্ধের ভেতর রেখে দিয়েছিলো! মনে হল এ পযর্ন্ত পড়েই বিশ্বচরাচর থমকে যাবে, মাঝখানে একবার চোখ ভিজে গিয়েছিলো, যখন টিনের কৌটায় কূয়ার মধ্যে চাদেরঁ জোসনা দেখার কথা বল্লেন। আর লেখার শেষটা একেবারে আমার মনের মত হয়েছে। আমি আপনার জাগায় হলে হয়ত আমিও এখানেই শেষ করতাম।
এত কষ্টের একটা গল্প আপনার উপমার অলংকারে অনাবিল আনন্দস্নাত সরোবর হয়ে গিয়েছে, ভয় হচ্ছে, সবাই সেখানে চুমুক দিতে সাহস পাবে কিনা। মাঝখানের একটা প্যারায়...জানি না কেন...'জংঘা' বা 'কামুক' নামক একটা শব্দ হাতরিয়ে বেড়াচ্ছিলাম। ভীষন মানাত...হয়ত...আপনার এজাতীয় শব্দগুলোর মাঝে অভাবটা টের পেয়ে অযথাই খানিকটা হতাশ হয়েছিলাম।

(অ)গাণিতিক ভাই আর মেহরাব ভাই'র সাথে বিন্দুমাত্রও দ্বিমত নেই। আমি আরেকটা জিনিস খেয়াল করেছি, আপনার ব্যাক্তিগত বক্তব্যের সাথে চরিত্রের সংলাপের আকাশ-পাতাল ব্যবধান থাকে। ব্যাপারটা আমি খুব উপভোগ করি। তবে আজ জানতে চাচ্ছি, এটা কেন হয়?
০৪ ঠা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন প্রলয়?

খুব সুন্দর পর্যবেক্ষন! তেমন সুনির্দিস্ট কারন নেয়।

ভালো থাকবেন

২৯. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ ভোর ৫:১৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ব্লগে আরেকজন শক্তিশালী লেখক।
স্বাগতম এবং ধন্যবাদ।
০৪ ঠা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: আমার অকাজের ব্লগে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগলো খুব!

ভালো থাকবেন

৩০. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩১
comment by: প্রলয় হাসান বলেছেন: শুধু গল্পের লাইনই না, তার প্রতিটি পোস্টের শিরোনামগুলোও একেকটা কবিতার লাইন।@তানভীর ভাই।
৩১. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: হুম আসলেই! কিন্তু এই লেখক আমাদের বঞ্চিত করছে! এত কম লিখে লিখে!! আমরা এর প্রতিবাদ জানাই!!
@ প্রলয় হাসান।
০৪ ঠা মে, ২০০৮ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: অভিযোগ মাথা পেতে নিলাম, আসলে লেখার সময় খুব কম পাই ভাই!

৩২. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
comment by: প্রলয় হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ। এবার পোস্টের ছবিটার ব্যাপারে জানতে চাচ্ছি। লেখার সাথে একদম খাপে খাপে মিল। ওটা কি নিজের তোলা নাকি জোগাড় করেছেন?

আবারও সহমত@(অ)গাণিতিক ভাই।
০৪ ঠা মে, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: জোগাড় করা, আবার জিগাই!!

৩৩. ০৮ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
comment by: সুতরাং বলেছেন: বেশ পরিশ্রমি লেখা। ধৈর্য নিয়ে পড়লাম। আপনার দেখার দৃষ্টিটা ভালো লেগেছে।
ইদানীং ব্লগে আপনাকে কম দেখা যায়, ব্যাপার কী?
১০ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন?

হুম, ব্লগে আনাগোনা কমে গেছে!

ক'দিন পরেই নিয়মিত হবো

৩৪. ১০ ই মে, ২০