আমার প্রিয় পোস্ট

........................................

মিথের জীবন, জীবনের মিথ

০২ রা মে, ২০১০ রাত ৯:০৯

শেয়ারঃ
0 8 0



০১.
শুরুতেই প্রশ্ন, মিথ বা পুরাণ কি, কেনইবা মিথ এর কথা আসছে ? গল্পকথার সন্ধিতেই তো মিথের বিকাশ আর সমাপ্তি – এমনটাই ভাবছে সবাই। আবারো প্রশ্ন, মিথ আসলেই কি তাই ?
বীরদের আখ্যান, প্রচলিত সব ঐন্দ্রজালিক কিংবদন্তী , ধর্মীয় সব বিশ্বাস, রহস্যময়তা আর উন্মেষ, ইতিহাসের সাথে ঐতিহ্যগতভাবে জড়িয়ে থাকা গাঁথাসমুহ, অতীতের সাথে সাযুয্যপূর্ণ প্রাকৃতিক ঘটনা অথবা সামাজিক প্রথা বা রীতি – এসব মিলিয়েই মিথের সামষ্টিক রূপ।
মিথের সাথে একই সমান্তরালে যে ব্যাপারটি চলে আসে সেটি মিথলজি। মিথের যে চর্চা বা আলোচনা তাকেই বলা হচ্ছে মিথলজি বা পুরাণতত্ত্ব। মিথলজির শাব্দিক অর্থ আসে গ্রীক শব্দ মিথলগিয়া (mythología) থেকে, যার সমন্বয় মূলত মিথোস (mythos) আর লগোস( logos) শব্দদ্বয় হতে। মিথোস অর্থ বর্ণনাত্মক আর লগোস বোঝাচ্ছে বক্তব্য বা কথন। মিথলজির বুৎপত্তিগত প্রকাশ তাই বর্ণনাত্মক বক্তব্য বা কথন হলেও এর বিস্তৃতি যে কত ব্যাপক , এর সামগ্রিক বিন্যাস দিয়েই নিশ্চয়ই তা বোঝা যায়। আর মিথের শ্রেণীগত বিন্যাস হতে পারে সামাজিক, ধর্মীয়, ভাষিক এবং সভ্যতাভিত্তিক। মিথের আলোচনায় যে মিথগুলো সর্বাধিক সমৃদ্ধ সেগুলোর মধ্যে ভারতীয় মিথ,গ্রীক মিথ, মিশরীয় মিথ, নর্স মিথ, ক্রিশ্চিয়ান মিথ, বৌদ্ধ মিথ, হিন্দু মিথ, ইংরেজি মিথ, লাতিন মিথ, রেড ইন্ডিয়ান মিথ ইত্যাদি প্রাণিধানযোগ্য।
এসবই মিথের তাত্ত্বিক আলোচনা, কিন্তু মিথের অর্ন্তগঠন এত সরল নয়। মিথের সাথে মিশে থাকে বিশ্বাস, ভাষা, সমাজ, শিক্ষা,ধর্ম, জীবনযাপন, সভ্যতার আদিরূপ- আরো অনেক প্রয়োজনীয় মানস গাঠনিক একক।

০২.
আমরা এটাও ভাবতে পারি , মিথ কেন আমাদের প্রয়োজন ? যাপিত জীবনের প্রতিটি অনুষঙ্গেই জড়িয়ে আছে এই মিথ, অনুভব করতে পারাটাই হচ্ছে আসল ব্যাপার। অনুধাবনের ব্যাপারটি স্পষ্ট হওয়ার পরই আমরা বুঝতে শিখি কখন, কোথায় আর কিভাবে মিথ আমাদের সম্পৃক্ত করে নেয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
একটু অতীতচারী হওয়া যাক। আমরা দেখতে পাই, প্রাচীনকালে শিক্ষাচর্চায় গুরুত্বারোপ করা হতো ধর্মগাথাঁ বা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে। কারণ অতীতে শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্ম বিষয়ক চর্চা ছিলো আবশ্যক। এর ফলে একজন মানুষ তার বোধিতাত্তিক বিকাশের বিভিন্ন মননশীল বিষয়গুলো নিখুতভাবে গড়ে নিত। তার সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক বিষয়বস্তু, চিন্তাভাবনার বস্তুগত ও সামষ্টিক দিক, জীবনযাপনের প্রণালী, সভ্যতার পূর্ববর্তী সংগঠন- সবকিছুকেই একত্রে বিকশিত করতো ধর্মশিক্ষা আর চর্চা। যেমন, আমাদের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন “চর্যাপদ”, তার উদ্ভব কিন্তু তৎকালীন ধর্মচর্চার অংশ হিসেবে হলেও ঐ সময়ের সামাজিক বিভিন্ন অনুষঙ্গ খুব স্পষ্টভাবেই ফুটে ওঠে এই বৌদ্ধ ধর্মগানের সংকলনে।
এখন যে ব্যাপারটি অবতারণার জন্য এই উল্লেখ তা হলো, ঐ সময়কার সবকিছুর যে পরিচয় বা অনুধাবন তা কিন্তু ওই মিথের বাস্তব রূপ থেকেই আমরা পাই। তাই আদি অবস্থা থেকে বর্তমানের যে সামগ্রিক রূপায়ন,তার বাস্তব অভিজ্ঞতালব্ধ ফসল আমরা উত্তোলন করি মিথ থেকে। মিথ তাই আমাদের আদি থেকে পরিবর্তনের যে ক্রমিক ব্যবধান, তার যুগপৎ নির্ধারক ও নির্ণায়ক।

০৩.
মানুষের অন্তর্নিহিত যে সত্যিকারের মানবীয় প্রপঞ্চ বা বৈশিষ্টগুলো প্রকাশ পেয়ে আসছে সেই সভ্যতার প্রারম্ভ থেকে সেগুলোর মূর্তায়ন ঘটে মিথের মাধ্যমে। যুগ যুগ ধরে মানুষের সত্যের সন্ধান, জীবনের অর্থ বা প্রয়োজনীয়তার অনুসরণ, শুভ আর অশুভের চিরায়ত দ্বন্দ- এসবের প্রকাশ ঘটে রূপকাশ্রিত কাহিনীতে যার নামই হচ্ছে মিথ।
তাহলে মিথ কি বোঝায় আমাদের ? আমরা যেহেতু আমাদের বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতাই খুঁজে বেড়াই আমাদের যাপিত জীবনে, তাই আমাদের জীবনের প্রতিটি কাজই নিহিত এই অভিজ্ঞতার সন্ধানলাভের জন্য। মিথ আমাদের এটাই খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
সমাজজীবনের বিভিন্ন প্রসঙ্গেই আমরা দেখে নিতে পারি মিথের সম্পৃক্ততা।

০৪.
আমাদের ধর্ম বিশ্বাসের সাথে মিলে যায় চিরায়ত বহমান নিজস্ব ধর্মধারা, আমরা তুলনা করি অন্যান্য ধর্মের সাথে নির্দিষ্ট কোন এক ধর্মের তুলনা ; সামগ্রিক ভিত্তিতে দেখা যায় বিভিন্ন ধর্মের সবকটি বিন্যাসের একটি স্পষ্ট স্থিরচিত্র।
সামাজিক তথা আর্থসামাজিক অভিজ্ঞতার অনেক বিষয়ই জুড়ে থাকে মিথের বেদীতে। লক্ষ্য করা যাক- আমাদের বিবাহপ্রথা, সামাজিক স্তরবিন্যাস, সম্পর্ক, ভাষার ব্যবহার ইত্যাদির আদিরূপ,মূল উৎস ও বিকাশ প্রভৃতির অনুসন্ধানে যদি আমরা আসি- আমরা আবারো তাদের প্রত্যক্ষ করি প্রচলিত সব মিথ হতে এরা এসেছে বর্তমানে । এছাড়াও আমরা বিভিন্ন মিথের তুলনামূলক আলোচনার ফলাফল হিসেবে বিভিন্ন সমাজ ও সামাজিকতার মধ্যকার বৈসাদৃশ্যও আমরা দেখি খুব স্বচ্ছতার সাথে।
মানুষের কল্পনার অসীমতার একটি চমৎকার আশ্রয় মিথ বা পুরাণ। সাহিত্য-সংলাপ, কাল্পনিক এবং অতিপ্রাকৃত সব জীবন্ত সত্তা ( যেমন-নিজের ভষ্ম থেকে পুনরায় জন্ম নেয়া ফিনিক্স পাখি, গ্রিফিন নামের আধা সিংহ-আধা ঈগল, সনাতন ধর্মের বিভিন্নরূপী অবতার), পরিবেশ ও পৃথিবীর মধ্যকার সাবলীল সম্পর্ক, বিভিন্ন বাহারি চিত্রকর্ম ( স্পেনের আলতামিরার গুহাচিত্র, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি’র অংকিত উড়োজাহাজ )- এসব মননশীল ব্যাপারগুলো মিথের ভেতরে খুবই শক্তিশালী ভুমিকাসহ অবস্থান করে।


০৫.

মিথ ধারণ করে পুরনো সব গল্প, কালের বিবর্তনে তা ধারণ করে বর্তমানের প্রচলিত ধাবমানতার খোলস। আদতে মিথের মূল চিন্তা একই এবং তা একই ছিলো সবসময়। স্থানিক-কালিক ভেদে রূপভেদের রূপান্তর ঘটে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভৌগলিক ভিন্নতায় মিথের নানান বর্ণ ফুটে ওঠে ক্রমান্বয়ে।
একেবারে মূল থেকে বিশ্লেষনের ভিত্তিতে এ শতকের বিদগ্ধ ও প্রধান মিথতাত্ত্বিক জোসেফ ক্যাম্পবেল তাঁর “The Hero With a Thousand Faces” বইতে যে ধারণা প্রকাশ করেন- সেটি হচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত দুটি প্রবাহে বা ধারায় মিথের সত্যিকারের প্রকাশ মেলে –
ক. প্রকৃতি আর প্রাকৃ্তিক জগৎের সাথে মানুষের সম্পর্ক স্থাপন।
খ. সমাজতাত্ত্বিক বিভিন্ন অনুষঙ্গের সাথে ব্যক্তিজীবনের মিশেলের অভিজ্ঞতা অর্জন।
এই হচ্ছে মিথের অর্ন্তগঠন নিয়ে সংক্ষিপ্ত সারকথা- যেখানে দেখা যায় মিথ বা পুরাণ হচ্ছে মানবজীবনের এক ত্রিকালসন্ধি চলমান গাঁথা ; যা কিনা অতীতের অস্পর্শ সব হাতছানিকে ধারণ করে বর্তমানের চৌকাঠে, আর সেখান থেকেই ভবিতব্যের স্বপ্নময়তা মানুষের চোখে গড়ে দেয় সন্ধ্যাকালের রহস্যময়তার সেতুবন্ধন ।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ৯:২২
শয়তান বলেছেন: চমৎকার লাগলো লেখাটা ।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো লাগলো।

২. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:০৮
স্নিগ বলেছেন: এডিথ হ্যামিল্টন'র মিথলজি আমার খুব পছন্দের একটা বই।
আপনার লেখাটাও ভালো লাগলো।+
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: জোসেফ ক্যাম্পবেল এর "পাওয়ার অফ মিথ" বইটা অসাধারণ। দেখতে পারেন, ভালো লাগবে আশা করি। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২৬
হিমু ব্রাউন বলেছেন: সরি আপনি বইটার নাম দিয়েছেন খেয়াল করিনি আমার উপরের কমেন্টা মুছে দিন
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
মুল ধারণাটা এসেছে ওই বইটা পড়ার পর থেকেই।
হুমমম, বই আর অনুবাদ দুটোই অসাধারণ।
সহমতসহ ধন্যবাদ।

কমেন্ট মোছা হলো।

৪. ০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: শয়তান ভাইয়ের শোকেসে পেলাম লেখাটা।
কত কত ভাল লেখা যে চোখ এড়িয়ে যায়!!
০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৫. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১০:১০
শিরীষ বলেছেন: মিথের সহজ সরল সংজ্ঞাটি যা জানতাম তা হচ্ছে, A traditional story accepted as history; serves to explain the world view of a people.
কিন্তু আপনি শেষমেশ এসে যে অসাধারণ সমাপ্তিটি টানলেন, মিথের ব্যাপারে তা-ই ultimate মনে হচ্ছে, আগন্তুক -
"মিথ বা পুরাণ হচ্ছে মানবজীবনের এক ত্রিকালসন্ধি চলমান গাঁথা ; যা কিনা অতীতের অস্পর্শ সব হাতছানিকে ধারণ করে বর্তমানের চৌকাঠে, আর সেখান থেকেই ভবিতব্যের স্বপ্নময়তা মানুষের চোখে গড়ে দেয় সন্ধ্যাকালের রহস্যময়তার সেতুবন্ধন ।"

ইনফর্মেটিভ, মনযোগী এবং আন্তরিক এই পোস্টটির জন্য অভিনন্দন!
আগন্তুক ইজ ব্যাক!!!
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: কিছু বলার নেই শিরীষ, কি বলার ভাষা থাকে না এমন মন্তব্যের পর।
শুধু বলি- আমি অনুপ্রাণিত।
ভালো থাকুন।
সবখানে সবসময়।

৬. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১:০২
তারার হাসি বলেছেন:
যখন চোখে পড়ল মিথ বিষয়ক লেখা তখন ভাবলাম কিছু গল্প পাব যেগুলি মিথ হিসেবে প্রচলিত অনেকগুলি বছর ধরে। কিন্তু পেয়ে গেলাম একেবারে অন্য আঙ্গিকে আপনার উপস্থাপনা।
খুব ভাল লাগল।
০৮ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: তারার হাসিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
কেমন আছেন তারার হাসি?

৭. ০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩৯
আকাশ অম্বর বলেছেন: মানুষের কল্পনার অসীমতার একটি চমৎকার আশ্রয় মিথ বা পুরাণ।


যাপিত জীবনে মিথ-রোমাঞ্চ। দরকারী বটে!

চমৎকার লেখা।
বইটার পিডিএফ আছে কি?
১০ ই মে, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: আকাশ অম্বরের মন্তব্যে অনেক বেশী আনন্দিত হলাম। আপনার মন্তব্য আমার জন্য সবসময়ই বিশেষ কিছু।

“The Hero With a Thousand Faces " বইটার পিডিএফ নেই আমার কাছে। হার্ড কপি পেয়েছিলাম।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

১০ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ইমন ভাই

৯. ১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ২:২১
রাজসোহান বলেছেন: এই পোস্ট দিয়া ব্যাক করসিলা তাইলে ? পোস্টটা কিন্তু ব্যাপক হইসে !!!
১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: হুম্মম্মম্ম............। অনেকদিন পর ব্লগে রেগুলার হইসিলাম।
মিথ নিয়া পড়তে পড়তে নিজের মতো কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা করছিলো।
এই আর কি !

১০. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ২:০৬
নৈশচারী বলেছেন: খুবই চমত্কার একটা লেখা! মিথলজি সবসময়ই প্রিয় বিষয়গুলির একটা ছিল! খুব ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে!
২৬ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: নৈশচারীর জন্য অনেক শুভেচ্ছা।ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগলো ।

মিথলজি আমারো অনেক প্রিয় একটা বিষয়। অনেক আগ্রহ ছিলো একসময় মিথ নিয়ে।

কমেন্টে সিম্পলি থ্যাংস ! ভাল থাকুন।

অ ট - আমি এই মন্তব্যেটা মিস করেছিলাম। দেখতে অনেক দেরি হলো !

১১. ২৬ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:৩৬
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: ভাবনাগুলো মিলিয়ে দেখার মতো ।
২৬ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: অনুপ্রাণিত হই আপনার মন্তব্যে। একটা আশ্বস্তাবোধের ছায়ায় দাড়াই । বিশ্বাস করি নিজেকে তখন !

অশেষ কৃতজ্ঞতা , ধন্যবাদসহ।

ভালো থাকুন। শুভসকাল।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সব থেমে আছে । ভালো আছে ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ