আমার প্রিয় পোস্ট

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব (ডা: জাকির নায়েক এর লেকচার): পর্ব-৮

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

৮.আমিষ খাদ্য মুসলমানদেরকে প্রচন্ড উগ্র বানিয়ে ফেলে
প্রশ্নঃ বিজ্ঞান আমাদের বলে, যে যা খায় তার আচরণে তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়। তাহলে ইসলাম কেন মুসলমানদেরকে আমিষ খাদ্য গ্রহণের অনুমতি দেয়। যেখানে পশুর মাংস ব্যক্তিকে হিংস্র ও দুঃসাহসী করে তুলতে পারে?


জবাব
ক. পশুর মধ্যে শুধু তৃনভোজী পশু খাওয়া অনুমোদিত। এ ব্যাপারে আমি সম্পূর্ণ একমত যে, ব্যক্তি যা আহার করে তার প্রতিক্রিয়া তার আচরণে প্রকাশ পায়। বাঘ, সিংহ, নেকড়ে ইত্যাদি হিংস্র মাংসাশী প্রাণী খাওয়া ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে- এটা তার অন্যতম একটি কারণ। এ ধরনের হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। সে কারণে ইসলাম শুধু মাত্র গরু, মহিশ, ছাগল, ভেড়ার মতো শান্ত ও খুব সহজে পোষমানা প্রাণীর মাংস খেতে অনুমতি দেয়। বস্তুত এ কারণেই মুসলমানরা শান্তিকামী- শান্তিপ্রিয়।


খ. জ্যোতির্ময় কুরআন বলছে- যা কিছু মন্দ রাসূল তা নিষিদ্ধ করেছেন
(আরবী)------------------------

রাসূল তাদেরকে ভালো কাজ করতে আদেশ করেন। আর নিষেধ করেন যাবতীয় মন্দ থেকে এবং তিনি তাদের জন্য হালাল করেছেন যা কিছূ ভাল, পবিত্র, পরিচ্ছন্ন। আর হারাম করেছেন যা কিছু মন্দ অপরিচ্ছন্ন অপবিত্র। (৭:১৫৭)

(আরবী)---------------------

রাসূল তোমাদেরকে যা কিছু দেন তা তোমরা গ্রহণ করো। আর যে সব থেকে নিষেধ করেন সে সব থেকে বিরত থাকো। (৫৯-৭)

একজন মুসলমানের জন্য তাদের রাসূলের এই বার্তার যথেষ্ট যে, আল্লাহ চান না মানুষ এমন কোনো ধরনের মাংস খায়- যেখানে অন্য কিছু ধরনকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।


গ. মাংসাশী প্রাণী খাবার ব্যাপারে রাসূল (স)-এর বাণী
সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত বেশ কিছু সর্বসম্মত শুদ্ধ হাদীসের মধ্যে ইবনে আব্বাস (রা) বর্ণিত মুলিম শরীফের ‘শিকার ও জবাই’ অধ্যায়ের ৪৭৫ নং হাদীসে, সুনানে ইবনে মাজাহর ১৩ অধ্যায়ের ৩২৩২ থেকে ৩২৩৪ হাদীস সমূহ উল্লেখযোগ্য। রাসূল (স) খেতে নিষেধ করেছেনঃ

১.তীক্ষ্ণ ধারালো দাঁতওয়ালা হিংস্র জন্তু। অর্থাৎ মাংসাশী বন্য পশু প্রধানত বেড়াল ও কুকুর জাতীয় বাঘ, সিংহ, বেড়াল এবং শেয়াল, কুকুর, নেকড়ে, হায়না ইত্যাদি।

২. তীক্ষ্ণ দন্ডের অন্যান্য প্রাণী যেমন ইঁদুর, ন্যাংটি ইদুর, ছুঁচো ও ধারালো নখওয়ালা খরগোশ ইত্যাদি।

৩. সরিশ্রীপ জাতীয় অন্যান্য প্রাণী যেমন সাপ কুমীর ইত্যাদি।

৪. ধারালো ঠোঁট ও নখরওয়ালা শিকারী পাখি যেমন চিল, শুকুন, কাক, পেচাঁ ইত্যাদি। সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ করতে পারে এমন কোনো বৈজ্ঞানীক দলিল নেই যে, আমিষ খাদ্য গ্রহণের ফলে মানুষ উগ্র ও হিংস্র হয়ে উঠতে পারে।

পর্ব-১: ইসলাম একজন পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি দেয় কেন? অথবা ইসলামে বহু-বিবাহ অনুমোদিত কেন?

পর্ব ২: একজন পুরুষ যদি একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি পায়, তাহলে ইসলাম একজন নারীকে কেন একাধিক স্বামী রাখতে নিষেধ করে?

পর্ব ৩: ইসলাম পর্দার আড়ালে রেখে নারীদেরকে কেন অবমূল্যায়ন করেছে?

পর্ব ৪: ইসলামকে কিভাবে শান্তির ধর্ম বলা যাবে যেখানে তা প্রচার ও প্রসার হয়েছে তলোয়ারের মাধ্যেমে?

পর্ব ৫: মুসলমানদের অনেকেই মৌলবাদী ও সন্ত্রাসী কেন?

পর্ব ৬: একটি পশুকে হত্যা করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত নিষ্ঠুর কাজ। তাহলে মুসলমানরা কেন এতো পশু হত্যা করে, আমিষ খাদ্য গ্রহন করে?

পর্ব ৭: প্রশ্নঃ মুসলমানরা কেন এত ধীরে ধীরে কষ্ট দিয়ে দিয়ে নির্দয়ভাবে পশু জবাই করে?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: . জ্যোতির্ময় কুরআন বলছে- যা কিছু মন্দ রাসূল তা নিষিদ্ধ করেছেন
(আরবী)------------------------

রাসূল তাদেরকে ভালো কাজ করতে আদেশ করেন। আর নিষেধ করেন যাবতীয় মন্দ থেকে এবং তিনি তাদের জন্য হালাল করেছেন যা কিছূ ভাল, পবিত্র, পরিচ্ছন্ন। আর হারাম করেছেন যা কিছু মন্দ অপরিচ্ছন্ন অপবিত্র। (৭:১৫৭)



আল্লার নিষিদ্ধ করায় কাজ হৈতেছিলোনা? হেল্লিগাই কি রাসুলের নিষিদ্ধ কর্তে হৈছিলো?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার জ্ঞানের বহর দেখে করুণা হয়।

মহান আল্লাহ রসুল (সা.) কে শরিয়ত প্রণয়ন করার অনুমিত দিয়েছেন এ কারণে যে জীবন সমস্যার খুটি নাটি সমাধানগুলো যেন রসুল সবাইকে সহজে বুঝিয়ে দিতে পারেন।

কুরআন একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ। মাত্র ৬,৬৬৬ টি আয়াতের মধ্যে সমাজের তুচ্ছাতিতুচ্ছ সব বিষয়ের সন্নিবেশ না ঘটানোটাই যুক্তিযুক্ত। বরং এটিই যুক্তিসম্পন্ন যে মহান আল্লাহ তাঁর রসুলকে কিছু কাজের বৈধতা অবৈধতা নিরুপনের দায়িত্ব দিবেন।

আশা করি আপনার অন্তর্চক্ষু খুলবে।

২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
চন্দন বলেছেন: না বুঝে মাইনাস দেয় কে ?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ইসলামের নাম নিশানা যারা পৃথীবি থেকে মুছে দিতে চায় তারাই পোষ্টে মাইনাস দিয়ে সুখ অনুভব করে।

৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
সত্যান্বেষী বলেছেন: ইসলামের নাম নিশানা পৃথিবী থেকে মুছে গেলে পৃথিবীর মাটি রক্তে ভিজবে কম।
৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
সুদীপ্ত বলেছেন: রাজাকারের পোস্ট পড়া মানেই সময় নষ্ট।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: না পড়লেই হয়।

৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@লেখক: 'ইসলামের নাম নিশানা যারা পৃথীবি থেকে মুছে দিতে চায় তারাই পোষ্টে মাইনাস দিয়ে সুখ অনুভব করে।'


এই কথার মাধ্যমে কিন্তু আপনি স্বীকার করলেন ইসলামের নাম নিশানা কিছু সংখ্যক মর্ত্যের নশ্বর মানুষের পক্ষে ইসলামের নাম নিশানা যারা পৃথীবি থেকে মুছে ফেলা সম্ভব। আহা, ইসলাম তুমি এত নাজুক?

আর যদি আপনি মনে করেন তারা কেবল ইসলামের নাম নিশানা পৃথিবী থেকে মুছে দিতে চায়। কিন্তু ঐ চাওয়া পর্যন্তই, ইসলামের একটি রোমও তারা ছিড়তে পারবে না, তাহলে তো আর এদেরকে নিয়ে আপনার কোন মাথা ব্যথাও থাকার কথা না। কি বলেন?

মুসলমানদের ঈমান দেখলে ছাগলেরও হাসি পায়। এক তসলিমা লাখো মুমিনের ঈমানের ওপর হুমকি হয়ে যায়। নারীর একটা পা দেখলেও মর্দে মুমিনের ঈমান তরল হয়ে আসে। সে ভুলে যায় বেহেশ্ত দোযখ নামাজ রোজা। সুতরাং ঢাকো নারীকে যাতে করে মুমিন পুরুষের কচুপাতা ঈমান ঝুপ করে মাটিতে না যায়। আহা ইসলাম!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন:
আমি বলেছি: ইসলামের নাম নিশানা যারা পৃথীবি থেকে মুছে দিতে চায় তারাই পোষ্টে মাইনাস দিয়ে সুখ অনুভব করে।

আপনি বললেন: এই কথার মাধ্যমে কিন্তু আপনি স্বীকার করলেন ইসলামের নাম নিশানা কিছু সংখ্যক মর্ত্যের নশ্বর মানুষের পক্ষে ইসলামের নাম নিশানা যারা পৃথীবি থেকে মুছে ফেলা সম্ভব।

এখানে আমি কোথায় স্বীকার করলাম যে কিছু সংখ্যক মর্ত্যের নশ্বর মানুষের পক্ষে ইসলামের নাম নিশানা যারা পৃথীবি থেকে মুছে ফেলা সম্ভব?

নিজে নিজে কিছু ভেবে নিয়ে আপনি যদি সুখ পান তবে আমার কোনই আপত্তি নেই।

আপনি বলেছেন: তাহলে তো আর এদেরকে নিয়ে আপনার কোন মাথা ব্যথাও থাকার কথা না।

উত্তর: মাথা ব্যাথা আছে। কারণ এরা ইসলামের নামে মিথ্যা কথা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এই বিভ্রান্তি দূর করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব।

আপনি বলেছেন: মুসলমানদের ঈমান দেখলে ছাগলেরও হাসি পায়। এক তসলিমা লাখো মুমিনের ঈমানের ওপর হুমকি হয়ে যায়। নারীর একটা পা দেখলেও মর্দে মুমিনের ঈমান তরল হয়ে আসে। সে ভুলে যায় বেহেশ্ত দোযখ নামাজ রোজা। সুতরাং ঢাকো নারীকে যাতে করে মুমিন পুরুষের কচুপাতা ঈমান ঝুপ করে মাটিতে না যায়। আহা ইসলাম

উত্তর: একজন মুসলমান বা মুসলমানদের একটি ছোট গ্রুপকে দিয়ে ইসলামকে জাজ না করে, কুরআন ও হাদীস দিয়ে ইসলামকে জাজ করুন সত্য আপনার কাছে ধরা দেবেই।

৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
জেমসবন্ড বলেছেন:


গত ৩০ শে জানুঃ একটি সংবাদে বলা হয়- ইউ.কে. তে মুসলিম জনসংখ্যা ৫০০০,০০০ থেকে ২.৪ মিলিয়ন হয়েছে গত চার বছরে ।

যা অন্যান্য জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার থেকে ১০ গুন বেশী , যা বের হয়ে এসেছে জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস এর গবেষণা থেকে । একই সময়ে খ্রীষ্টান জনসংখ্যা ২ মিলিয়নের বেশী কমে গেছে ।

হায়রে ইসলামের বিরুদ্ধে এত অপ-প্রচার আর বিষেদাগার সত্ত্বেও ইসলামের প্রসার থেমে নেই যার সূচনা হয়েছিলো সেই আরবে....যা আজ সারা দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়ছে ।

জর্জ বার্নাড শ' বলে গেছেন- "আগামী ১০০ বৎসরের মধ্যে যদি কোন ধর্ম ইংল্যান্ড তথা সমগ্র ইউরোপ শাসন বিস্তার করিতে পারে, তবে সেই ধর্ম ইসলাম ধর্ম ।"

এ ব্যাপারে আরো জানতে এখানে ক্লিক করূন ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
আমিই রূপক বলেছেন: @সত্যান্বেষী, আপনি কি বলেছেন তা কি বুঝে বলেছেন? মুসলমানদেরকে আপনি সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়ীত করলেন কোন যুক্তিতে? মুসলমানের রক্তে আজ ফিলিস্তিনের মাটি ভিজছে, ইরাকের মাটি ভিজছে... অথচ এর জন্য আপনি মুসলমান জাতিকে দায়ী করতে চাচ্ছেন?

যারা এদের রক্ত ঝরাচ্ছে তারা আপনার চোখে নির্দোষ তাইনা?

আপনার নির্বুদ্ধিতার প্রশংসা করতে হয়।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: সত্যিই এদের নির্বুদ্ধিতার প্রশংসা করতে হয়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১১১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মুক্তির অন্বেষায়
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই