somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোন নিয়মনীতিই কাজ করছে না বাজারে : ড. আর এম দেবনাথ

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এ এক অদ্ভুত অবস্থা! কোন নিয়মনীতিই কাজ করছে না বাজারে। সব সময়ই শুনে আসছি জিনিসপত্রের সরবরাহ ঠিক থাকলে দাম ঠিক থাকে। সরবরাহে ঘাটতি হলে, সরবরাহ বিঘ্নিত হলে দাম বাড়ে। বিষয়টি চাহিদা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। সরবরাহ ঠিক আছে কিন্তু চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে অতএব দাম বাড়বে। এসবই বইয়ে পড়া, লোকের মুখে শোনা, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে শোনা। এসব বলেন আমাদের অর্থনীতিবিদরাও। কিন্তু এই মুহূর্তে আমরা দেখতে পাচ্ছি সরবরাহ ঠিক থাকার পরও চালের বাজার ভীষণ গরম। প্রায় প্রতিদিনই এর দাম বাড়ছে। মোটা চালের দামই কেজিপ্রতি ৩৫-৩৭ টাকায় উঠেছে। এর কী কোন কারণ আছে? এখন ভরা চালের মৌসুম। আমন ফসল তোলার কাজ শেষ। কৃষকের ঘরে ঘরে চালের আমদানি। ফলন হয়েছে আশাতীত। জাতিসংঘের 'খাদ্য ও কৃষি সংস্থা' অর্থাৎ 'ফাও' তার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ চাল উৎপন্ন হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও ধান-গমের ফলন ভাল। সরকারের গুদামে ৮-৯ লাখ টন চাল-গম মজুদ আছে। এসব তথ্য থেকে পরিষ্কার যে চালের সরবরাহে কোন ঘাটতি নেই। ধান থেকে চাল করার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত নয়। পরিবহন খাতে কোন সমস্যা নেই। ব্যবসা ক্ষেত্রে এমন কোন কিছু ঘটেনি যা দেখে বলা যায় সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এতদসত্ত্বেও চালের দাম বাড়ার কারণ কী?
অন্যান্য জিনিসের দামে আমি যাচ্ছি না। শুধু চালের ৰেত্রেই আমরা দেখতে পাচ্ছি এর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে এবং বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত আছে। একটা যুক্তি এই বাড়ার পেছনে কাজ করছে বলে বলা হচ্ছে। এই যুক্তিটা হচ্ছে আমদানিকৃত চালের মূল্যবৃদ্ধির যুক্তি। আনত্মর্জাতিক বাজারে চালের মূল্য বেড়েছে, বেড়েছে অন্যান্য জিনিসের দামও। আবার এও বলা হচ্ছে চালের চাহিদা বেড়েছে। মানুষ আগের তুলনায় খায় বেশি। দুটো যুক্তির কিছুটা ভিত্তি থাকতে পারে। কিন্তু এর জন্য কেজিপ্রতি চালের দাম এক মাসের ব্যবধানে আট-দশ টাকা বেড়ে যাবে তা কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কি প্রতিবেশী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের চালের বাজারের সঙ্গে তুলনা করলেও আমাদের চালের মূল্য বেশি বলে অনুমিত। পশ্চিমবঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশের একটা মোটা চাল বিক্রি হয় যার চাহিদা বেশ। কেজিপ্রতি এর মূল্য ২০-২২ টাকা। 'হুন্ডি' অথবা বেসরকারী 'রম্নপী-টাকা' রূপানত্মর রেট ধরে নিলে বাংলাদেশে এর দাম হতে পারে বড় জোর ৩০-৩২ টাকা। বলা বাহুল্য যে, মোটা চাল পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ খায় তার মূল্য ২০-২২ টাকার স্থলে আমাদের মোটা চালের দাম ৩৫-৩৭ টাকা হলে তা নিশ্চিতভাবেই বেশি। আমি 'পার্চেজিং পাওয়ার প্যারিটির' (পিপিপি) প্রশ্নে যাচ্ছি না। যারা আনত্মর্জাতিক বাজারে চালের মূল্য বেশি বলেন তাদের পশ্চিমবঙ্গের বাজারের হিসাবটা নেয়ার জন্যও বলি। যদি ধরেও নিই যে আনত্মর্জাতিক বাজারে চালের দাম একটু বেশি তাহলেও তো প্রশ্ন সে চাল তো এখনও বাজারে আসেনি। বাড়ার খবরেই মূল্যবৃদ্ধি, তাও চালের, এটা অগ্রহণযোগ্য নয় কী? সয়াবিন সয়াবিনই। এর দাম বাড়লে কিছুটা সহ্য করা যায়। কিন্তু চালের মূল্য বৃদ্ধি শুধু বাঁচা-মরার ইসু্য নয়, এটি জীবনত্ম রাজনীতিও। এ প্রেৰাপটে নিশ্চিতভাবে বলা যায় চালের মূল্য বর্তমানে বেশি। এটা মূল্যস্ফীতি বাড়াচ্ছে, বাড়াচ্ছে মানুষের কষ্ট যা বর্তমান সরকার চায় না।
অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা চালের হলে তো কথাই নেই। ভরা মৌসুমে মূল্যবৃদ্ধির সুবিধাটা কে পাচ্ছে? বাজারের খবর মিল মালিক, চাতাল মালিক এবং পাইকারি চাল বিক্রেতারাই বরাবরের মতো এই মূল্যবৃদ্ধির সুবিধাটা পকেটস্থ করছে। এটা মারাত্মক খবর। যদি কৃষক-উৎপাদকরা মূল্যবৃদ্ধির সুবিধাটা পেত তাহলে সাধারণ মানুষ এই কষ্টটা সহ্য করত। আমরাও করতাম। কারণ এতে কৃষক-উৎপাদকের ক্রয়ৰমতা বাড়ত। আমি নিশ্চিত নই এই বর্ধিত মূল্যের সুবিধা কৃষক-উৎপাদক পাচ্ছে কী না। তারা কিছুটা পাওয়ার কথা। কারণ এখনও সাধারণ কৃষকের ঘরে ধান আছে। এমতাবস্থায় যদি তারা বর্ধিত মূল্যের সুবিধা কিছুটা পায় তাহলে চিত্র ভিন্ন রকম হয়। তবে চাতাল মালিক, মিল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা যদি 'সিন্ডিকেট' করে পুরো ফায়দা লুটে নেয় তাহলে বর্তমান মূল্য বাড়ার কোন অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক মূল্য থাকে না।
শুধু চালের মূল্য নয় শাকসবজি, মাছ-মাংস, তরিতরকারি, ফলমূল, ডিম-দুধ ইত্যাদির মূল্য এবং রবিশস্যের মূল্যসহ কৃষি পণ্যের মূল্যসত্মর নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। চালের মূল্য একই সত্মরে থাকবে, চালের উৎপাদক কৃষক চাল দেবে লোকসানে বাকি কৃষিপণ্য বিক্রি হবে উচ্চদামে এবং তার সুবিধা নেবে ফড়িয়ারা তা হয় না। একটা সাধারণ লাউয়ের দাম যদি ঢাকাতে ৪০-৫০ টাকা হয় এবং অন্যান্য সবজির দাম একই উঁচু সত্মরের হয়, পাটের দাম যদি উঁচুতে থাকে তাহলে এর প্রভাব কৃষক পর্যায়ে পড়ার কথা। এখানে সমন্বয়ের প্রশ্ন আছে। দশ টাকা কেজি দরে চাল খাব, আর ডাল খাব ১৫০ টাকা কেজিতে, পিঁয়াজ খাব ১০০ টাকা কেজি এটা তো স্বাভাবিক অবস্থা নয়। তবে চালের ৰেত্রে একটা বিশেষ বিবেচ্য বিষয় আছে। চাল মানুষের কাছে বাঁচা-মরার প্রশ্ন।
এতদসত্ত্বেও চালের মূল্য উৎপাদক-কৃষক পর্যায়ে লাভজনক রাখতে হবে। শত হোক কৃষক চাল উৎপাদন করে লোকসান দিলে উৎপাদন বিঘি্নত হবে। অতএব এই পর্যায়ে তাকে ভতর্ুকি দিয়ে পুষিয়ে দিতে হবে। এটা বর্তমান সরকার যথেষ্ট করছে। আরও করা দরকার। কিন্তু ভতর্ুকিতেই তার সবটা পোষায় না। সব ব্যবসাতেই লাভের প্রশ্ন আছে। কৃষকের কৃষিকাজে লাভের প্রশ্ন থাকবে না কেন? কৃষকের এই দাবি করাই উচিত। উৎপাদক-কৃষকের স্বার্থ এবং সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থের এই জটিল অঙ্কটি আমাদের সামনে হাজির হচ্ছে বার বার। আমি মনে করি সরকারকে এ বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্তকেও কৃষিপণ্যের সার্বিক মূল্যসত্মর নিয়ে ভাবতে হবে। এই জটিল কর্মকা-ে একটা সমস্যা আসবে এবং তা আসছে। সে কথাই বলছি। বলছি গরিব মানুষের কথা যারা চালের মূল্যবৃদ্ধি পেলে কষ্ট পাবে। তাদের কীভাবে বাঁচানো যায়।
বাজার অর্থনীতি বাজার অর্থনীতই। আমরা যতই বলছি বাজার অর্থনীতিকে মানবিক হতে হবে ততই বাজার অর্থনীতি বাংলাদেশে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অতি মুনাফা ও অতি লাভের রোগে সারা জাতি আজ আক্রানত্ম। ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সাধারণ বিনিয়োগকারী এমন কী সাধারণ মধ্যবিত্তও আজ এই রোগে আক্রানত্ম। তার একটা লৰণ হচ্ছে শেয়ারবাজার যেখানে লাভ না হলে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে মিছিল করে। সে বলতে চায় আমি লাভ চাই, লোকসান চাই না। বিনিয়োগ বা ব্যবসাতে এটা হয় না। লাভ চাইলে লোকসানও নিতে হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আমরা লাভই চাই শুধু লোকসান নয়। লাভ নয় বলা যায় চাই অতি মুনাফা। এই মুনাফার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ৰেত্রে। এ ৰেত্রে দরিদ্র মানুষ অতি দরিদ্র মানুষ, নিম্নবিত্তরা ৰতিগ্রসত্ম সবচেয়ে বেশি। তাদের বাঁচানোই হচ্ছে এখন সবচেয়ে বড় কাজ। আমার ধারণা যতই দিন যাবে বর্তমান সর্বগ্রাসী বাজার অর্থনীতিতে অসহায় মানুষের সংখ্যা বাড়বে বৈ কমবে না। বেকাররা রয়েছে, অতি দরিদ্র রয়েছে, দরিদ্র লোক রয়েছে, বিধবারা আছেন, অবসর প্রাপ্ত নিম্নবিত্ত লোকজন আছেন। এ ছাড়া আছেন অনেক লোক যারা হাত পাততে পারেন না। বহুলোক মধ্য বয়সে হঠাৎ করে চাকরি হারাবে। এ ধরনের লাখ লাখ লোক থাকবে। আমি মনে করি এদের জন্য স্থায়ী রেশনিং চালু করা দরকার।
স্থায়ী রেশনিং ছাড়া গরিবদের বাঁচানো যাবে না। ভারতে রেশনিং প্রথা আজও চালু আছে। রেশন কার্ড সেখানে একটি গুরম্নত্বপূর্ণ দলিল। এই রেশনের মাধ্যমে দু'ধরনের লোককে সুবিধা দেয়া হয়। কার্ড দু'ধরনের। যারা দারিদ্র্যসীমার উপরে তাদের এক ধরনের কার্ড আর যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে তাদের আরেক ধরনের রেশন কার্ড। মাসে প্রত্যেককে মাথাপিছু আট-দশ কেজি চাল ও গম দেয়া হয়। এই চাল ও গমের দাম সামান্য। যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে তারা চাল ও গম পায় ২টা কেজি দরে। আর যারা দারিদ্র্যসীমার উপরে তারা একই পরিমাণ চাল ও গম পায় ৭ টাকা কেজি দরে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে মোটা চালের দর ২০-২২ টাকা কেজি। সেই তুলনায় যে দামে রেশনে চাল ও গম দেয়া হয় তার মূল্য যৎসামান্য। এটা সত্যি সত্যি একটা সাহায্য। সেই তুলনায় আমাদের ওএমএসে চালের দাম গমের দাম অনেক বেশি। অন্যান্য কার্যক্রমেও দাম বেশি। আমার প্রসত্মাব দুটো। চাল-গম, তেলসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস স্থায়ী রেশনের মাধ্যমে সারা বছর বিতরণের ব্যবস্থা করা হোক এবং তার উদ্যোগ এখনই নেয়া দরকার। আর রেশনের মূল্যসত্মরও রাখতে হবে নিচেু পর্যায়ে। ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, ফড়িয়া-দালাল, মধ্যস্বত্বভোগী, একশ্রেণীর কর্মচারীর অত্যাচার যখন বন্ধ করা যাবে না, যখন কালো টাকার উৎপাত কমানো যাবে না, যখন আয়-বৈষম্য দূর করা যাবে না, যখন কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার বাসত্মবায়িত হচ্ছে না, যখন দেশের একশ্রেণীর নেতা-নেত্রী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার লোক বিদেশকেই দেশ করে নিচ্ছেন তখন সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর জন্য স্বল্পমূল্যের রেশন চালু করতে আপত্তি কোথায়? আপত্তি হতে পারে। কিন্তু মনে রাখা দরকার সবকিছুরই শেষ আছে। মানুষ বেশি বিগড়ালে সবকিছু তছনছ করে দিতে পারে। এই অবস্থা কাম্য নয়।
দ্বিতীয়ত আরেকটি জিনিস করতে হবে যার কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বার বার বলছেন। সেটা হচ্ছে টিসিবি সংক্রান্ত। ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে নির্দেশ দেন। আজ দু'বছর যাচ্ছে। এখনও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিচ্ছেন। অথচ কিছুই হচ্ছে না। বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল ফারুক খান কী সেনাবাহিনীতে সেনাপ্রধানের নির্দেশ অমান্য করতে করতেই কর্নেল পর্যনত্ম পদোন্নতি পেয়েছিলেন? মনে হয় না। যদি তাই হয় তাহলে কী শক্তিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে যাচ্ছেন? এই অমান্যের ঘটনা থেকে কিন্তু আমরা অনেক অনুমান করতে পারি। অনুমানের বিষয়টি আর খোলাসা করলাম না। শুধু প্রশ্ন করি একটা। তিনি কী মনে করেন টিসিবিকে শক্তিশালী না করেই সাধারণ ভোক্তাদের 'দেশপ্রমিক' অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের অত্যাচার থেকে বাঁচাবেন? এই নব্য দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যবসায়ীরা খুবই শক্তিশালী। তারা এখন সব খাবলে খেতে শুরম্ন করেছে। এমতাবস্থায় বাণিজ্যমন্ত্রী এদের পেছনে না দৌড়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পালন করলে 'ফরজ' কাজটি করবেন।

লেখক : অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকার
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×