somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হিমিডা-৫

২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই পর্বটি পড়ার আগে হিমিডা-১,২,৩,৪ পড়ার অনুরোধ করছি।

বসের হাতে বাতাসের মতো রং ধারণকারী, একটা কলমের মতো দেখতে ডিভাইস দেখা যাচ্ছে। আমার এই অসম্ভব মেধাবী বসের নিত্যনতুন আবিস্কারে আমি মাঝে মাঝে খুব চমৎকৃত হই। হাতের এই ডিভাইসটিও এরকম চমৎকৃত কিছু হবে বলেই মনে হচ্ছে।

বাতাসের যেহেতু নিজস্ব কোন রং নেই তাই সাধারণ দৃষ্টিতে বাতাসের রং দেখা যায় না। মানুষ তাই বাতাসের রং দেখতে পায় না। আমার চোখের মণিতে যে সেন্সরটি বসানো আছে তা সাধারণের চাইতে দশগুণ শক্তিশালী। আমি স্পষ্ট বসের হাতে কলম আকৃতির ডিভাইসটি দেখতে পাচ্ছি।

এটি একটি চতুর্মাত্রিক কলম সদৃশ ডিভাইস। তাই সাধারণ দৃষ্টিতে এই কলমটি ধরা পড়বে না। হিমিডা এবং এন্ডামিন কলমটি দেখতে পাচ্ছে না। এমনকি বসও এই মানব চোখ দিয়ে চতুর্মাত্রিক এই কলমটিকে দেখতে পাচ্ছেন না। শুধু এর অস্তিত্ব অনুভব করতে পারছেন। বস আনমনে কলমটি নাড়াচাড়া করছেন। গভীর মনোযোগ দিয়ে কলমটিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছেন। অন্য কোন দৃষ্টিতে মনে হবে বস কোন কিছু ধরার ভঙ্গী করে আনমনে আঙ্গুলগুলো নাড়ছেন। বসের হাতে ধরা চতুর্মাত্রিক এই কলম সদৃশ ডিভাইসটি নিয়ে আমি চিন্তার জগতে ডুবে যাই।

কলমকে আমার কাছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ডিভাইস মনে হয়। এটি দিয়ে যা খুশি তা করা যায়। কাউকে ফাঁসিতে ঝোলাতে হলে কলমের এক খোঁচাই যথেষ্ঠ। কাউকে খুঁচিয়ে চোখ তুলে নিতেও কলমের প্রয়োজন। বিশ্বে অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে নৃশংসতার বীজ বপন করে দেওয়ার জন্যও কলম দিয়ে স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়।

কলম নিয়ে আমি আরও ভেবে চলি। কলমের অনেক ব্যবহার বেড়েছে। কলমকে 'মানুষ মারার অস্ত্র'হিসেবেই ব্যবহার করতে চলেছে মানুষ। অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা আর ফাইল ঠেকিয়ে ঘুষ আদায় করার মধ্যেও কলমের কারসাজি। কলম নিয়ে মানুষ দিন দিন নৃশংসতার চর্চা করছে। মানুষ দিন দিন নৃশংসতর হয়ে যাচ্ছে। ছিনতাইকারীরা ব্যবসায়ীর চোখে বলপেন ঢুকিয়ে চোখ নষ্ট করে টাকার ব্যাগ ছিনতাই করছে।

চোখে বলপেন ঢুকিয়ে দিলে কী যন্ত্রণা হয় আমার সে অনুভূতি স্থায়ী মেমোরিতে রেকর্ড করা আছে। ওয়ান ইলেভেনে যখন আমাকে পিটিয়ে, কুপিয়ে মেরে আমার পাঁজরের উপর উম্মত্ত যুবকরা লাফিয়ে লাফিয়ে নৃত্যগীত করছিল, আমি অনুভূতিহীন হয়ে পড়েছিলাম। পৃথিবীর যতগুলো স্যাটেলাইট চ্যানেলে সে দৃশ্যটি দেখানো হয়েছিল, আমার স্থায়ী মেমোরিতে তা সযতনে সংরক্ষিত আছে। বস ২০০৮ সালের জানুয়ারীর ১ তারিখ অর্থাৎ ওয়ান ইলেভেনের বর্ষ পূর্তিতে আমার মস্তিস্কে অনুভূতির প্রোগ্রামিংটি পাঠিয়েছিলেন। একটি মৃত ব্যক্তির উপর লাফিয়ে নৃত্যগীত করার সেই দৃশ্যটির পাশাপাশি আমার অনুভূতি প্রবণতা বাড়তে থাকে। আমার মস্তিস্কের নিউরনগুলোর মধ্যে প্রচন্ড আলোড়ন চলতে থাকে। ভাষাহীন নিউরনগুলো সুতীব্র চিৎকারে জানান দিতে থাকে, এ নৃশংসতা বন্ধ করো, পৃথিবীর কোন সুস্থ মস্তিস্কের নিউরন এ নৃশংসতা ধারণ করতে পারবে না..................।

বস হাতে ধরা কলমটিকে এবার লেখার ভঙ্গীতে ধরে আছেন। টেবিলের উপর বিছানো ম্যাটটপ (মাদুর বা রুমালের মতো ভাঁজ করে রাখা যায় এমন কম্পিউটার) এর টাচস্ক্রীনে বাংলায় কয়েকটি শব্দ লিখেছেন। নৃশংসতা শব্দটি লিখে এটির চারিদিকে আনমনে কলমটি ঘুরিয়ে চলেছেন। তারপর কলমটি দিয়ে শব্দটির উপর আড়াআড়ি ক্রস চিহ্ন দিয়ে যাচ্ছেন। আস্তে আস্তে বসের চেহারাটায় কেমন যেনো রাগী রাগী ভাব এসে যাচ্ছে। বসের এই মুহূর্তের মানসিক অনুভূতিটা আমি স্পষ্ট ধরতে পারছি। তারপর কি ঘটতে যাচ্ছে বুঝতে পারছি।

বসের মস্তিস্কে নিউরনের সাথে আমার যোগাযোগ ঘটে। বসের মস্তিস্কের নিউরনগুলোর মধ্যে প্রচন্ড আলোড়ন চলছে নৃশংসতা শব্দটিকে ঘিরে।
নৃশংসতা শব্দটিকে বসের মস্তিস্কের নিউরনগুলো প্রাণপনে মুছে ফেলতে চেষ্টা করছে। নিউরনের সেই নির্দেশ হাতের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। কলম সদৃশ ডিভাইসটি সেই কাজটি বাস্তবায়নে সহায়তা দিচ্ছে। বস নৃশংসতা শব্দটি সেই কলম দিয়ে কাটতে কাটতে একেবারে ঢেকে দিলেন।

আমি, হিমিডা এবং এন্ডামিন স্থির দৃষ্টিতে বসের দিকে তাকিয়ে আছি। হিমিডা এবং এন্ডামিন তাদের স্বাভাবিক দৃষ্টিতে বসের হাতে ধরা কলম সদৃশ ডিভাইসটি দেখতে পাচ্ছেনা, তাই বসের চেহারা ক্রমান্বয়ে রাগী হয়ে যাওয়ার কারণটা ধরতে পারছে না। নৃশংসতা শব্দটির উপর আক্রোশ থেকে বসের এই রাগ- আমি স্পষ্ট অনুভব করতে পারি। কলম দিয়ে কেটে নৃশংসতা শব্দটিকে একেবারে ঢেকে দিয়েও বসের আক্রোশ কমছে না। বসের মস্তিস্কের নিউরনগুলো থেকে আমার মস্তিস্কের নিউরনগুলোতে সংকেত আসতে থাকে- আমি নৃশংসতাকে পৃথিবী থেকে উঠিয়ে দিতে চাই। কলমকে আরও শক্তিশালী করে দাও.......আরও....আরও শক্তিশালী।

*********************************************************************

আরে.......এ আমি কি দেখছি! বসের হাতে ধরা বাতাসের মতো রং এর কলম সদৃশ সেই চতুর্মাত্রিক ডিভাইসটি আর নেই। তার জায়গায় শোভা পাচ্ছে একটি চক্চকে পিস্তল। এটিও চতুর্মাত্রিক। তাই অন্য কেউ দেখতে পাচ্ছে না। বস পিস্তলের ট্রিগারে আঙ্গুল চেপে কারও দিকে তাক করে রাখার ভঙ্গীতে আমার কপাল বরাবর তাক করে ধরলেন।

আমার কপালে স্থাপিত সেন্সরটির সাহায্যে মুহূর্তেই পিস্তলটির সমস্ত তথ্য রিড করে নিলাম। এটি একটি চতুর্মাত্রার অটোমেটিক পিস্তল। মানুষের চোখ দ্বারা দুইমাত্রার বস্তু দেখা যায়। আমি যে কোন বস্তুকে চতুর্মাত্রিক অবস্থায় দেখতে পাই। একটি স্ফটিক স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে গ্লাসটির যেমন এপাশ ওপাশ স্পষ্ট দেখা যায়, বিষয়টি অনেকটা এরকম। আমার চোখে বসানো সেন্সরটিতে মানুষের চেয়ে দশগুণ শক্তিশালী দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন সেন্সর বসানো হয়েছে।

বসের হাতে ধরা এই পিস্তলটি নিয়ে আমার ভাবনার জগত খুলে যায়। পিস্তল থেকে সংকেত গ্রহণ করে আমার স্থায়ী মেমোরিতে যে তথ্য জমা হয়েছে, তার সারমর্ম হচ্ছে-
"সাধারণভাবে বন্দুক, পিস্তল এগুলো নৃশংসতার প্রতীক। তাই এই পিস্তলটিকে নৃশংসতার প্রোগ্রাম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ট্রিগার চেপে যখন গুলি ছোঁড়া হয়, গুলির পরিবর্তে পিস্তলটি থেকে এক ধরনের রশ্মি নির্গত হয়। এই রশ্মিগুলো নৃশংসতার ভয়াবহ জীবাণু বহন করে থাকে যা আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিস্কের প্রতিটি নিউরনে ছড়িয়ে পড়ে।"

কয়েক ন্যানো সেকেন্ড সে জীবাণুগুলো আক্রান্ত ব্যক্তির দেহের প্রতিটি কোষে ছড়িয়ে পড়ে। জীবাণুগুলো প্রতিটি দেহকোষে যন্ত্রণার সে অনুভূতি ছড়িয়ে দেয়। জীবন্ত অবস্থায় শরীর থেকে চামড়া খুলে নেওয়ার সে অনুভূতি অনুভব করে থাকে আক্রান্ত ব্যক্তি। তারপর খুঁচিয়ে চোখ তুলে, ভোঁতা ছুরি দিয়ে শরীরের মাংস কেটে নেওয়ার অন্য আরেক অনুভূতিও পেয়ে থাকে। ব বীভৎস সেই অনূভূতি।

আমার ডান পাশে দুই ফুট পেছনে স্থাপিত একটি প্রমাণ সাইজের স্ক্রীনে বুশের একটি পূর্ণ প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠলো। আমি বুঝতে পারছি স্ক্রীনে ভেসে ওঠা বুশের এই ছবিটি নিয়ে বস কি করতে যাচ্ছেন। বুশের অপরাধ মিশ্রিত নৃশংসতার প্রতীক এই ভার্চুয়াল অবয়বটিতে পিস্তলটি ব্যবহৃত হবে। বস আমার দিক থেকে হাত ঘুরিয়ে পিস্তলটি বুশের ভার্চুয়াল ছবি বরাবর তাক করে ধরলেন। ধীরে ধীরে পিস্তলের নলটি বুশের পা থেকে মাথা পর্যন্ত উঠছে। কপাল বরাবর নলটি আসার পর পিস্তলটিতে একটি সংকেত বাজতে লাগলো।

বুশের হাসিমাখা মুখটিতে বিশ্বে অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া নৃশংসতার একটি চিহ্ন পিস্তলটিকে সংকেত পাঠাচ্ছে। আমি আমার দশম মাত্রার দৃষ্টি দিয়ে সংকেতটি ধরতে পারছি। সাঁই করে একটি রশ্মির সংকেত বুশের হাসিমাখা মুখের ছবির সেই সংকেতের দিকে ছুটে গেলো। আমার সমস্ত মনোযোগ বুশের এই ভার্চুয়াল ছবিটির দিকে নিবদ্ধ হয়।

আমার মস্তিস্কের নিউরনগুলো চতুর্মাত্রিক এই দৃশ্যটি ভালোভাবে উপভোগ করছে। নৃশংসতার জীবাণু বহনকারী এই রশ্মিটি বুশের ভার্চুয়াল অবয়বের সংকেত ধরতে পেরে ছুটে গেছে। সেখান থেকে পুরো শরীর জুড়ে প্রতিটি কোষে কোষে সে যন্ত্রণার বীজ ছড়িয়ে যায় মুহূর্তেই। ইরাক যুদ্ধের নৃশংসতা, আফগানিস্তান যুদ্ধের নৃশংসতা- পিস্তল থেকে বেরিয়ে আসা এই রশ্মিগুলো বুশের শরীরের প্রতিটি কোষকে প্রচন্ড যন্ত্রণা দিতে থাকে। বুশের অবয়বটা সেকেন্ডে সেকেন্ডে বিকৃত হয়ে যেতে থাকে।

কলম থেকে পিস্তল হয়ে ওঠা এই ডিভাইসটা থেকে আরও শক্তিশালী রশ্মি বুশের অবয়বে নির্গত হতে থাকে। বিশ্ব জুড়ে নৃশংসতার ভয়াবহ বীজ বপন করে দেওয়া বুশের যন্ত্রণাকাতর ভার্চুয়াল এই ছবিটা আমার স্থায়ী মেমোরিতে একটি স্বস্তিদায়ক অনুভূতির আমেজ এনে দেয়। মস্তিস্কের নিউরনগুলো এরকম আরও নৃশংসতার প্রতীক ক্ষমতাধরদের যন্ত্রণাকাতর দৃশ্য দেখার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। আমি বসের হাতে ধরা নৃশংসতার প্রতীক এই পিস্তলটিকে আমার মস্তিস্ক থেকে সংকেত পাঠাই ...........কলম থেকে পিস্তলে রুপান্তরিত হওয়া এই ডিভাইসটিকে আরও শক্তিশালী করে দাও.............আরও........আরও শক্তিশালী.........যেনো নৃশংসতা শব্দটিকে এ গ্রহ থেকে চিরতরে মুছে ফেলা যায়.....................।
(চলবে)


৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×