প্রিয় ব্লগার ফরহাদ উদ্দিন স্বপন আজ একটা পোস্ট দিয়েছিলেন "প্যারিস শহরে 'কুত্তা' পেটানো এবং আমাদের মানবতাবাদীরা" নামে। আমি সেই পোস্টে একটা মন্তব্য করেছিলাম। যা অনেক ব্লগার পড়ে আমাকে ফোন করে জানালেন-যেনো আমার কমেন্টসটা "পোস্ট" আকারে দেই। তাহলে নাকি ওটা আরো বেশী পাঠক পড়ে-নিজের প্রকৃতি চিন্তে পারবেন............!
আমি জানি-নিজেকে চেনা খুব বেশী কঠিন। তারপরো ব্লগার বন্ধুদের অনুরোধে সেই মন্তব্যের কিছু অংশ আমার পোস্ট হিসাবে দিলাম। আমার এই পোস্ট যারা পড়বেন-তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে-আপনারা ফরহাদ উদ্দিন স্বপনের "প্যারিস শহরে 'কুত্তা' পেটানো এবং আমাদে র মানবতাবাদীরা"-পোস্টটা পড়বেন।
এবারের ঈদের আমি বরিশাল যাই। বরিশাল শহরে অনেকগুলো বড় বড় পুকুর আছে-আমারো ছোট একটা পুকুর আছে। সেই পুকুরে আমি মাছ চাষ করিয়েছিলাম। আমার পুকুরের উপর থেকে একটা ইলেক্ট্রিক লাইন চলে গিয়েছে। ঈদের পর দিন একটা বিদ্যুত বাহি তার ছিড়ে পুকুরে পরে-যার ফলে বিদ্যুতপৃস্ট অনেক মাছ আধ-মরা অবাস্থায় ভেষে ওঠে। সেই মাছ খাওয়া যাবে কিনা-ভেবে যখন আমরা আলোচনা করছিলাম-তখন ঘটে একটা নাটকীয় ঘটনা।
বরিশালে আমার এক নিকট আত্মী্যা যিনি নাম করা একজন সমাজ সেবক, মানবাধিকার নেতৃ এবং প্রাক্তন মহিলা এমপি-তার স্বামী, সন্তান সহ আমাদের বাড়ী এলেন। সবাই মাছ নিয়ে যখন কথা বলছি-তখন মহিলা এমপি'র ৬/৭ বছরের ছোট মেয়েটা বল্লো-"আম্মু, ঐ মাছ রান্না করে আগে শেফালী'কে(শেফালী হলো তাদের বাড়ীর ১১/১২ বছরের কাজের মেয়ে। সেই মেয়েটিও তাদের সাথে এসেছে ৬/৭ বছরের মেয়েটির ব্যাগ টানার জন্য)খেতে দাও। যদি শেফালী ঐ মাছ খেয়ে না মরে-তাহলে আমরাও ঐ মাছ খাবো"!
বাচ্চা মেয়েটির মুখে এমন কথা শুনে অনেকেই তার বুদ্ধির প্রশংসা করলো! আমি অবাক হলাম-ওই মেয়ে এমন কঠিন কথা কোথায় শিখেছে! নিশ্চয়ই তাদের বাড়ীতে কাজের বুয়াকে "গিনিপিগ" হিসাবে ব্যাবহার করে......... তা নাহলে খারাপ জিনিষ সবার আগে কাজের মেয়েকে কেনো খাওয়াতে চাইবে অতোটুকুন মেয়ে!
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


