আমার প্রিয় পোস্ট

বন্ধু মানে ভালো লাগা

সংযত হোন ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন :

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০

শেয়ার করুন:                   Facebook

তবে ক্রমাগত ঘনীভূত রাগ মনের মধ্যে পুষে রাখাও মারাত্মক। গবেষণা বলে, যারা মনের মধ্যে চাপা ক্ষোভ, তিক্ত মর্মবেদনা, অসন্তুষ্টি ও মনোকষ্টকে চেপে রাখে, তারা দ্বিগুণ ঝুঁকির মধ্যে থাকে। ফলে রাগের পরিণতির অন্যান্য লক্ষণগুলোর পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাক্ট-এর মতো মারাত্মক জীবননাশক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। রাগ না হওয়া কোন বিশেষ গুণ নয় যে ভান করে বলতে হবে, আমার কখনো রাগ হয় না। বা আমার রাগ নেই। রাগ বা ক্রোধ আপনার আর সব মানবিক অনুভূতির মতই একটি স্বাভাবিক আচরণ বা প্রতিক্রিয়া। আপনার ভাললাগা, মন্দলাগা, আনন্দ-বেদনার মতই রাগকে স্বীকার করে নিতে হবে। সুতরাং যখন রাগরে কারণ ঘটে, সে সময় আপনার এটা প্রকাশ করতে দ্বিধা থাকার কথা নয় যে আপনার রাগ হচ্ছে। বরঞ্চ রাগের যুক্তিসংগত প্রকাশ অন্যদেরকে আপনার ক্ষতি করার ইচ্ছা থেকে রক্ষা করবে। রাগান্বিত মানুষকে কেউ বেশী ঘাটাঘাটি করতে চায় না। রাগ নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি আপনার নিজের কাছেই রাখুন, আপনি নিজেই যেন রাগের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবেন না। ঘটনার সময় স্বাভাবিকভাবে কি ঘটছে তার গভীরে যেয়ে অনুধাবন করুন, মুহুর্তেই কোন সিদ্ধান্তে না যেয়ে। তাই রাগ যখন আপনার মনে বাসা বাঁধবে ও বুদবুদের মতন তা বাড়তে থাকবে, - তাকে পাশ কাটিয়ে যাবার বা বিস্ফোরিত করার পরিবর্তে নিজেকে বলুন,- আমার রাগ হচ্ছে। এরপর প্রশ্ন করুন,- কেন রাগ হচ্ছে? বা আমার এ রাগ হওয়াটা কতটা যুক্তিসঙ্গত হচ্ছে?
যদি এমন কোন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, আপনার রাগ হচ্ছে খুব, কিন্তু রাগ দেখাতেই হবে এমন নয়, বা আপনি রাগ প্রদর্শন করতে চান না বা আপনার মনে হয় রাগ প্রকাশ করলে ঘটনা প্রবাহকে জটিল আকার দিতে পারে, এ রকম কোন নাজুক পরিস্থিতিতে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
- খুব গভীর একটা শ্বাস নিন
-- যদি দাঁড়ানো অবস্থায় রাগ আসে তাহলে বসে পড়ুন,আর বসা অবস্থায় রাগ আসলে উঠে পড়ুন।
- ঐ স্থান ত্যাগ করুন বা বাইরে কোথাও গিয়ে কিছুক্ষণ হেঁটে আসুন।
- মনে মনে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনুন।
- কোন ছবি, বই বা টিভি শোতে মনোনিবেশ করুন।
- রাগের পরিস্থিতি বা সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের সম্পর্কে কৌতুককর কোন বিষয় থাকলে সেদিকে মনোযোগ দাও বেশী। এতে করে রাগ পড়ে আসবে।
আপনার ক্রোধ প্রশমিত হয়ে আসলে ভাবতে হবে আপনার রাগের কারণ ও এর যৌক্তিকতা সম্পর্কে যাতে মনের ওপর থেকে চাপ কমে আসে। কোন পরিস্থিতিতে যদি আপনার রাগ হওয়াটা যুক্তিসঙগত হয়ে থাকে, তবে তার কারণটা আপনাকে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ করতে হবে। অভিযোগের মত করে নয়, বরং ব্যাখ্যা প্রদানই আপনাকে সাহায্য করবে পরবর্তী উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আবার শান্ত করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিতে।

 

 

  • ১৮ টি মন্তব্য
  • ১৭২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
comment by: মানুষ বলেছেন: অসহ্য মাথা ব্যাথার কারণ কি?
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন:
অতিরিক্ত টেনশান।

২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ড. ফিরুজ্যা, কি অবস্থা?
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: কাকে বললেন ভাই?

৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯
comment by: মানুষ বলেছেন: হয়নি, ফেল

Click This Link
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ফালতু কথা

৪. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
comment by: নেমেসিস বলেছেন: বাননার প্রোফাইলের কথাডা কৈ গেল ??
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন:
কি কথা নেমেসিস?

৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
comment by: প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: ভালো ইনফরমেশন দিয়েছেন :)
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে

৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
comment by: সততার আলো বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে

ভাই আপনার লেখা খুব ভালো লাগে

৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
comment by: সবুজমিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য


৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:


সবুজ ভাই ধন্যবাদ
৯. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২৫
comment by: প্রাকৃত বলেছেন: পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ!
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ

১০. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: ফজল বলেছেন: দৈনন্দিন জীবনে প্র্যাকটিস করার মত গুরুত্বপূর্ণ লেখা। ধন্যবাদ।
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ

 

 


প্রতি বছরের প্রথম দিন আফসোস্ হয় ! আমার জীবন থেকে বুজি আরো একটি বছর চলে গেল।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২২৬০৮