আমার প্রিয় পোস্ট

একটি শিশুর জীবনের জন্য কেনো ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে হয়?

২০ শে মে, ২০০৬ সকাল ৯:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

অনেক পর ব্লগে এসে দেখলাম প্রাপ্তির ছবিটা ঝুলে আছে চোখের সামনে। দেখলেই চোখ আদর্্র হয়ে আসে। কান্নায় আবেগে অনেকেই পোস্টের পর পোস্ট লিখেছেন। এই সাইটের ব্লগাররা পরম মমতায় আর মানবিক বোধে এগিয়ে এসেছেন। এগিয়ে এসেছেন অনেক স্বঘোষিত আল্লার বান্দাও। তারা মসজিদে মসজিদে টাকা তুলছেন, টেররিস্ট চিহ্নিত হওয়ার যন্ত্রণা বাঁচিয়ে। কিন্তু তাদের আল্লা কই? সেই পরম করুণাময় কেন এগিয়ে আসেন না। তার গ্রন্থ আর বাণী নিয়ে এসব বান্দাদের লম্ফ-ঝম্প দেখলে তো মনে হয় আমীরের সাথে তাদের যেমন ডাইরেক্ট কানেকশন, আল্লার সাথেও তাদের সেরকম লাইন-ঘাট। তো একটা ট্রাংক কল বুক কইরা আল্লারে কন আজরাইলরে থামাইতে। আর জিব্রাইলরে কন আইসা মেয়েটার বুকে একটা ফুঁ দিয়া যাইতে। মেয়েটা ভালো হয়ে যাক। তাইলে তো আর এই টাকা তুলতে হয় না। ডাক্তারগো কাছে দৌড়াইতে হয় না। ওদেরকে পয়সা দিতে হয় না। পয়সাগুলা না হয় আমরা মাদ্রাসার প্রিন্সিপালরে দিতাম।

প্রাপ্তির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা নিয়ে ওয়ালী একটা পোস্ট দিয়েছেন। আল্লার কাজ মানুষে করে। তিনিও করছেন। তার এই মানবিক প্রচেষ্টার জন্য তাকে অজস্র ধন্যবাদ জানাই। তার আবেদনের জন্য তিনি একটি লিফলেট বানিয়েছেন। সেই লিফলেটে তিনি লিখেছেন; বিজ্ঞান এখনও এমন যন্ত্র বানায় নাই যাতে প্রাপ্তির মা-বাবার মনের কষ্ট দেখা যায়। কেনো জনাব ওয়ালী? বিজ্ঞান বানায় নাই, বড়ো দুষলেন। তো আপনার আল্লা এমন একটা শিশুকে কেন মারনের লাইগা উতলা হয়ে গেছেন তাতো বললেন না। আবার এই শিশুটারই বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা হোক সেজন্যই তো টাকা তো তুলতাছেন নাকি? না এই টাকা দিয়া জমজমের পানিতে প্রাপ্তিরে গোসল করতে পাঠাইবেন? একটা শিশুর জীবন নিয়ে যখন ব্যাকুল মানুষেরা অর্থ সংগ্রহ করছে তখনও ধর্ম নিয়ে ব্যবসা। তখনও বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে কুৎসা, অপপ্রচারণা? বাঁচান, দেখি বাঁচান আপনার কালামের ফুঁ দিয়া। ওষুধ-পত্র তো বিজ্ঞান আবিষ্কার করছে, নাকি এইসব ইহুদি-নাসারাদের এমবিবিএস কোর্সে কোরান শিক্ষা দেয়া হয়? সেইখান থাইক্যা ওরা কাটপেস্ট কইরা পেনিসিলিন বানাইছে। কন, আপনারা যা কইবেন তাই তো ধর্ম। আমাদের সবকিছুই অধর্ম। ডাক্তার আর বিজ্ঞানীদের এতো ঘৃণা? এরপর থাইকা আর যাইয়েন না ডাক্তারের কাছে। অসুখ হইলে মসজিদের ইমামের কাছে যাইয়েন। আলিম আর ফাজিলরে বিএ, এমএ সার্টিফিকেট দিয়া লাভ কি? আপনার এক দোস্ত ব্লগার বলছে না চাকরি না পাইয়া বিএ এমএ-রা রিক্সা চালায়। এমবিবিএস, এফসিপিএইচ বানায়ে দেন। বোতলের মধ্যে পানি ফুঁ দিয়া বেঁচবো।

আর নাইলে চলেন, আমরাও আলতাফ চাচা হই। বলি আল্লার মাল আল্লায় নিয়া যাইতে চায়। খোদার সাথে খোদকারী কইরা আমরা তো আর এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা করতে পারি না। প্রাপ্তিকে যদি কোনো ঈশ্বর সৃষ্টি করে থাকেন আর তার জীবন হননের জন্য যদি তিনি ক্যান্সার দিয়ে থাকেন তবে তার ইচ্ছাই পূর্ণ হোক। স্রষ্টার ইচ্ছার বিপরীতে মানুষের ইচ্ছা যাবে কেন? আর বিজ্ঞান যদি স্রষ্টার ক্যান্সারের চিকিৎসা বের করে থাকে, তবে প্রাপ্তির জন্য আমি বিজ্ঞানের কাছে যাবো। ঈশ্বরের কাছে নয়। যে ঈশ্বর জীবন ও মৃতু্যর সোল এজেন্সি নিয়ে বসে আছে, যে ঈশ্বরের জন্য পরম করুণাময়, পরম করুণাময় বলে আনুগত্যে কপালে দাগ ফেলে দেয় মানুষ, সেই ঈশ্বরের কাছে কি দোষ করেছে এই শিশুটি? কেন তাদের মা-বাবাকে এই অবর্ণনীয় কষ্টের সময় পার করতে হবে? কেনো প্রাপ্তির জীবনের জন্য তার কাছে প্রার্থনা করতে হবে। প্রার্থনা আর ইবাদত ছাড়া তার মন গলে না? প্রার্থনা করে না বললে বুঝি তিনি বুঝতে পারেন না এই শিশুটির মা-বাবারা কষ্ট পাচ্ছে। শিশুটি নিজে কষ্ট পাচ্ছে। আপনি যে ভাষায় বিজ্ঞানকে এক হাত নিলেন, সেই ভাষা ব্যবহার করে আপনাকে বলি ওয়ালী, এমন একজন আল্লা বানাইলেন, যে মোনাজাত না করলে একটা শিশুর জীবনের মূল্য বোঝে না। একটু মানবিক হইতে বলেন আপনাদের আল্লাদের।


প্রাপ্তি, মা-মণি আমার, আমার এই ক্রোধ ক্ষমা করো। কোনো করুণাময় তোমাকে খন্ডিত, রোগাক্রান্ত জীবন দেয়নি। তোমার জীবনের সুদীর্ঘ আয়ুর জন্য কোনো মন্দির মসজিদে আমি প্রার্থনায় নত হবো না। এই নত হওয়া তোমার জন্য কোনো সুফলও বয়ে আনবে না। আমি মানুষের কাছে হাত পাতবো। তাদের ছোট্ট ও অপরম করুণার হৃদয়ে যেটুকু দয়া জন্ম নিতে পারে একটি অপরিচিত শিশুর জন্য সেই দয়ায় যদি তারা আর্থিক সাহায্য দেয় তা জমিয়ে ডাক্তারকে দেবো পারিশ্রমিক আর চিকিৎসার খরচ। বিজ্ঞান, বিজ্ঞানী আর পৃথিবীজুড়ে অজস্র ক্যান্সার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আর গবেষকদের কাছে আকুতি জানাবো তোমার জন্য। কৃতজ্ঞতায় নত হবো তাদের কাছে যাদের একেকটি ওষুধে বাড়ছে তোমার আয়ু। আমার সমস্ত আবেগ দিয়ে ধন্যবাদ জানাবো তাদের, যারা মানুষ, যাদের মানবিকতা আছে। যাদের হৃদয় একটি শিশুর বেদনায় কাঁদে। আর প্রাপ্তি তোমার কসম, আজন্ম ঘৃণা করবো ঐসব ঈশ্বরদের, যারা পরম করুণাময়ের লেবেল লাগিয়ে বসে থাকে কিন্তু একটি শিশুর বেদনার্ত চোখ দেখে এতোটুকু মানুষ হতে পারে না।



(পড়ুন, আমার আগের পোস্ট: Click This Link)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৪:০৫
উৎস বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ দ্্রাবিড়, অনেকদিন পর আপনার লেখা পেলাম, চমৎকার পোস্ট।
২. ২০ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৪:০৫
অতিথি বলেছেন: প্রাপ্তির জন্য শুভকামনা ।

দীক্ষক !
কোথায় নিরূদ্দেশ হয়ে গিয়ে ছিলেন ? যাক ফিরে আইছেন বলে ভাল লাগল ।
৩. ২০ শে মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: আপনার ক্রোধের মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রাপ্তির জন্য অসীম মমতা , সেটাই দরকার ওর জন্য ।
মাঝে মাঝে ধন্যবাদ দেই আমাদের দরিদ্রতাকে , অর্থবান হলে এত মানুষের ভালোবাসা হয়তো প্রাপ্তি পেত না ।
৪. ২০ শে মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
কালপুরুষ বলেছেন: অনেকদিন পর দেখলাম। খবর সব ভালতো। কয়লা যতই কাল হোক হীরা তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। মানবিকতার এই একটা জায়গায় মানুষ কাজেকর্মে একাত্ম না হলেও অন্তরে বা মুখে হৃদয়ের ভালবাসাটুকু দিতে কার্পণ্য করে না। একমাত্র মানুষই মানুষের সমব্যাথী হতে পারে।
৫. ২০ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: ওয়ালী কি লিখলো.. আর আপনি কি বুঝলেন... আজিব জিনিস এই মানুষ নামক প্রানীটা..
৭. ২০ শে মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: মানুষ নামের প্রাণীর লীলা বোঝে না রামছাগলে ...
মানুষ তারে সাধে কি ছাগল বলে
৮. ২০ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
হ।স।ন বলেছেন: আহহারে দ্রবিড়, মাল গিলে পোস্ট করার অভ্যাস টা গেলনা আপনার। সাদিকের ক্রেডিট কেন কেড়ে নিয়ে ওয়ালী কে দিচ্ছেন। খুব বেশী যদি শট না মেরে থাকেন তবে এইসাইটের প্রথম পাতাতেই দেখতে পাবেন লেখাটা( Click This Link)। আর পিচ্চিটাকে কভার বানিয়ে আল্লাহ খোদার মজা বানানো কি দরকার। এমনিই মজা বানান সেইটা অনেক honest হবে।
৯. ২০ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
অতিথি বলেছেন: ওয়ালী বা ওয়ালীর খোদার প্রতি ক্রোধ ঝেড়ে পৃথিবীর প্রাপ্তিদের কি উপকার হবে বুঝলাম না।
১০. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: আচ্ছা, আপনাদের অনেককেই দেখছি যে, বধিরকে শোনানোর ব্যর্থ চেষ্টায় রত, কেন ভাই? এটা কি বুঝতে পারেন না যে, আপনি যদি তাকে বলেন যে, এই নিন শরবত, সে জবাবে বলবে, আহা! শরাব কি মধুর(???) ধৈর্য আর অবসরের প্রশংসা না করে পারছি না।
১১. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: দীক্ষক, আপনার এই পোস্টটি আগে চোখে পড়েনি, এখন একমনে এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করলাম। হিউম্যান ফর হিউম্যানিটি-র এই আহবান সবাইকে উদ্্বেল করবে বলে আমার বিশ্বাস।
তবে হঁ্যা, ওরা যারা উটে চড়ে চাঁদে যেতে চায় তাদের কথা বাদ দিন। দেখছেন না, একদিকে তারা বিজ্ঞান আর পশ্চিমকে গালাগাল দিচ্ছে অপরদিকে তারা পশ্চিমে ছুটে এসেছে পার্থিব জ্ঞান নিতে, নইলে যে দেশে ফিরলে জামায়াতও ভাত দেবে না, বলবে পেছন দিকে ফিরো, তারপর ঠাস এক শব্দ, অতঃপর তাহারা কোথাও কেউ নেই............
১২. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: উৎস: ধন্যবাদ, ভালো আছেন আশা করি।

বদরুল: আপনি মানুষটা আসলেই ভালা। আমার কথাটাও মনে রাখছেন।

সারিয়া: ধন্যবাদ, ভুল বুঝেননি বলে। এই সাইটে হয়তো প্রাপ্তি একজন। কিন্তু পৃথিবীতে এরকম প্রাপ্তির অভাব নেই। মানুষই শুধু মমতা দিয়ে তাদের জীবনকে দীর্ঘায়িত করার অসম যুদ্ধে নামে।

কালপুরুষ: ফিরে এসে দেখি আপনার লেখার ধার বেড়েছে অনেক। রোমান্টিকতার মাত্রাও বেড়েছে আপনার। শুভেচ্ছা।

ত্রিভুজ: হ্যা ত্রিভুজ, মানুষই শুধু পারে নিজের মত করে বুঝতে। বুঝার নতুন অর্থ তৈরি করতে। দুর্ভাগ্য, মানুষের ঈশ্বর মানুষের মত করে মর্ম বুঝে না।

নতুন: আপনাদের ভালবাসাই আবার লিখতে বাধ্য করলো। শুভেচ্ছা।

মুখফোড়: বেড়ে বলেছেন। মানুষ নামের প্রাণীর কথা বুঝে না রামছাগলে। রামছাগলরা যে মানুষ নয়, তাই তো বলতে চেয়েছিলাম....আপনি পরিষ্কার করে দিলেন.......ধন্যবাদ।

ভুয়া হাসান (এটাও কি ওয়ালীর আইডি?): ওয়ালী কি আপনাকে উকিল মেনেছে? আর আপনি ওয়ালী হলে নিজেই লিখুন হাসানের বেশ কেন? আল্লা খোদার বাণিজ্যটা ভালো বুঝা যায় বাস্তব থেকে প্রশ্ন তুললে। কই একটা প্রশ্নেরও উত্তর তো না আপনি না আপনার সাঙ্গপাঙ্গরা দিলো। নাকি প্রশ্ন বুঝেন নি? আবার পড়েন আর উত্তর দেন:

1.আল্লা খোদা যদি করুণাময় হয় তো কচি শিশুরা কেন দুরারোগ্য কষ্টে ভোগে?

2. যে শিশুর কষ্ট দেখে মানুষের বুক ভেঙে যায়, সে শিশুর কষ্টে পরম চরম করুণাময়ের বুকে দয়া হয় না?

3. আল্লা খোদার ইচ্ছায় যদি সব হয়, তবে তার সৃষ্টিকে বাঁচাতে আবার তার কাছে প্রার্থনা কেন করতে হয়? তিনি কি প্রার্থনার কাঙাল?

4. আল্লা সৃষ্টি বাঁচাতে বিজ্ঞানী-ডাক্তারের কাছে কেন মানুষকে ধর্না দিতে হয়?

5.আল্লা খোদা কি মানুষের সমান মানবিক আচরণও করতে পারে না?

এগুলোর উত্তরই দিন। আর শট মেরে পোস্ট লেখা? একটা পোস্ট লিখে দেখান না। আজ পর্যন্ত তো একটা পোস্ট দেখলাম না।

আস্তমেয়ে: ভালো প্রশ্ন আস্তমেয়ে। পৃথিবীর প্রাপ্তিদের এবং প্রাপ্তির আত্মীয়-স্বজনের বড় উপকার তো এই সত্য উদ্ধারেই। সত্য হলো, মানুষ! মানুষ ছাড়া এত মানবিক আর কেউ নেই!

সবাইকে ধন্যবাদ!!!
১৩. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
অতিথি বলেছেন: কে বললো আপনাকে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে?

কেউ কি বাধ্য করছে না কি?
১৪. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদিক মিয়াবাই, আগে পইড়া পরে মন্তব্য কইরেন।
কথাটা যদি আপনার লাগে তবে প্রশ্নের উত্তর দেন। উত্তর জানা না থাকলে হাত তুলে সারেন্ডার করেন। গোয়াড়ের মত শিং দিয়া গুঁতাগুঁতি কইরেন না।

প্রশ্ন হলো, কেনো ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে হয়। ঈশ্বর নিজে বুঝেন না শিশুটির বেদনা। মানুষের ঈশ্বর কবে মানুষের মত মানবিক হবেন?

কথা লাইনে কইয়েন। না কইতে পারলে চুপ মাইরা যান।
১৫. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: দীক্ষক আর মূখফোড়... ওয়ালীর পোষ্টটি পড়ে আপনাদের এই পোষ্টটি পড়লেই সবাই বুঝতে পারবে কে রামছাগলের মত কথা বলছে এখানে.. বিচারটা পাঠকের হাতেই ছেড়ে দিলাম..
হাসান ভাই... আপনাকেও শেষ পর্যন্ত ওয়ালী বানিয়ে দিল.. হাহাহাহাহা.... আইপি ট্যাকারটা কোন কাজেই লাগাচ্ছেন না আপনারা... অন্তত যারা বিভিন্ন নিকে ফাজলামী করে তাদের ডিটেক্ট করে একটি পোষ্ট দেওয়া উচিৎ.. ব্লগারদের জানার অধিকার আছে কে জোচ্চর..
১৭. ২১ শে মে, ২০০৬ সকাল ১১:০৫
হ।স।ন বলেছেন: ধন্যবাদ দীক্ষক, একটা আইডি ই যথেষ্ট আমার জন্য। আপনাদের মত gang নিয়ে ব্লগ করিনা যে সাঙ্গপাঙ্গ থাকবে।
আপনার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলবো মানুষ সৃষ্টিকর্তা এবং বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে।
আইনস্টাইন বলেছেন "Science without religion is lame, religion without science is blind."।
জীবনের কঠিন সময়গুলো আমাদেরকে এবং আমাদের চারপাশের মানুষগুলোকে সাহসী এবং ধৈর্যর্্যশীল হতে শেখায়। এসময় সৃষ্টিকর্তায় কারো বিশ্বাস প্রবল হয় কেউবা বিশ্বাস হারায়।
আপনি বিশ্বাস করেন বিজ্ঞানই সকল সমস্যার সমাধান। অন্যরা আপনার সাথে একমত না হয়েও যে প্রাপ্তিকে সাহায্য করছে সেটাতেই আপনার এত ক্ষোভ। Don't be such a cry baby, important things in our life are intangible. Face it and grow up.
ধন্যবাদ।
১৮. ২১ শে মে, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: দু:খিত উপরের দাড়িতে চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হবে। হবে দাঁড়ি। আপনার দাড়ি আছে কিনা তাতো জানিনা।

সে যাক মতামতের জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যটা বিষয়ানুগ হলে ভালো লাগতো, এই যা....
১৯. ২১ শে মে, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: দাড়ি যুক্ত হাসান। যদ্দুর জানতাম আপনি সামহোয়ারইনে কর্মরত। সুতরাং কম্পিউটার প্রকৌশলী। দার্শনিক হলেন কবে?

আমি কোথায় বল্লাম আমি বিজ্ঞানে বিশ্বাস করি। বিজ্ঞানের ছাত্র এমন সোনার পাথর-বাটি তত্ত্ব কই পান? বিজ্ঞান কোনো বিশ্বাসের বিষয় নয়। আমি তো দর্শনের ছাত্র, তবু তো এটুকু বুঝি। নাকি বুঝেও না বুঝার ভান করেন?

আমি গ্যাং করি না। কিন্তু উপরে ত্রিভুজের মন্তব্য দেখলে মনে হয় তাদের সাথে আপনার গোপন যোগাযোগ আছে।

আমার লেখার নিজের মত একটা সারমর্ম দিলেন। আমার লেখা পড়ে আপনার মনে হইলো আমি ক্রাই বেবি? হা: হা: হা:।
ছোট পাত্র নিয়া যদি সমুদ্রের কাছে যান তাইলে কি আর বেশি পানি আনতে পারবেন? বড় পাত্র জোগাড় করেন।
২০. ২১ শে মে, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: মানুষ জন মনীষিদের উক্তি চয়ন করতে ভালো বাসে, বরনীয় দের স্মরনীয় বানীর সংকলন এরা খাটের চিপায় নিয়ে ঘুমায় বোধ হয়, একই কুমির ছানা বার বার দেখান শেয়ালের মতো। এর তিনপেয়ে ছাগলের তো কথাই নেই, ভাই ছাগল, ওয়ালি যেই ব্যানারটা বানিয়েছে সেটার কথা হচ্ছিলো, ওয়ালির পোষ্ট নিয়ে কথা না, যাউকগা মাথায় সারবস্তু না থাকাটা দোষের কিছু না , কিন্তু ব্লগব্যাপি নিজের ছাগলের নাদি ছড়ানোর মুর্খতা করার কি প্রয়োজন, কষ্ট করে নিজেকে ছাগল প্রমানের দরকার নেই, সবাই জানে তুমি একটা ছাগল।
হ ।স।ন সাহেব আপনার এইসব হাস্যকর প্রচেষ্টা কেনো, অযথা কথা বলার স্বভাবটা গেলো না। দীক্ষকের পোষ্ট না পড়েই একটা মন্তব্য ঠিকে দেওয়া।
কথা প্রসংগে একটা প্রশ্ন, ত্রিপদীর সাথে কি রক্তের বা জেনেটিক কোনো সম্পর্ক আছে, কথায় ও চিন্তায় এত মিল যেনো একই মায়ের পেটের যমজ দুটি ভাই।
২১. ২১ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৪:০৫
হ।স।ন বলেছেন: দীক্ষক, এত ইনফো কে দিল আপনাকে আমার ব্যাপারে? নাকি নিজের মনের প্রশান্তির জন্য আমার একটা প্রোফাইল দাড় করিয়ে ফেললেন? দুঃখিত, আপনার মনের দাড়িওয়ালা হাসান অথবা সামহোয়ার এর কেউ নই আমি।
ঠান্ডা মাথায় কমেন্টটা পড়লে বুঝতেন তা বিষয়ানুগ কিনা। আমি কোথাও বলিনি আপনি বিজ্ঞানে বিশ্বাস করেন। আমি এটাই আপনাকে বোঝাতে চেয়েছিযে কেউ কেউ বিশ্বাস করে বিজ্ঞান ই সবকিছুর সমাধান। আবার অনেকেই এটা বিশ্বাস করেননা।

রাসেল, আমার কমেন্ট পড়ে তুমি হেসেছ জেনে যারপরনাই খুশী হলাম। তোমার মতো ফুলি্ল-ফ্লেজড রিটার্ডকে কয়জন আর হাসাতে পারে। অপরের পায়ূপথের গন্ধশোঁকা বাদ দাও, তাও যদি জীবনের পজিটিভ দিকগুলো দেখতে পেতে।
আমি তোমার মত জন্মদাতার ব্যাপারে আনছার্টেইন না। পোস্ট/কমেন্ট পড়ে মন্তব্য করো।

ধন্যবাদ।
২২. ২১ শে মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: সারিয়া... যারা সবসময় বলে ধার্মিকেরা ধর্ম বেচে খায় তাদের কান্ড দেখুন... প্রাপ্তির মত নিস্পাপ একটা বাচ্চা যেখানে জীবন মরন সমস্যায় আছে সেখানেও তাদের তথাকথিত মুক্তবুদ্ধির প্রয়োগ খাটাতে এসেছে...

রাসেল.. ব্যানারটাও ওয়ালীর পোষ্টের একটা অংশ... সহজ কিছু বললেও বুঝতে আপনাদের অনেক কষ্ট হয়... কে যেন একদিন বলেছিল এসব মুক্তবুদ্ধির মানুষদের বুদ্ধি মুক্ত হতে হতে উড়ে গিয়েছে তাই এরা মুক্তবুদ্ধির জোরে কিছু দেখতে পায়না.. কথাটা কোন মনীষির না হলেও অনকে বাস্তব একটা কথা.. আপনারাই তার প্রমান... ত্রিভুজ মানে তিনপেয়ে এরকম হাস্যকর ব্যাখ্যা তাই আপনাদের দিয়েই সম্ভব...
আরেকটা ব্যাপার হলো ওয়ালীর সে বিষয়টা নিয়ে দীক্ষক সমালোচনা করেছে সেটা অনেক আগেই সাদিক ভাই তার পোষ্টে দিয়েছে যার আবেদনে সাড়া দিয়ে সকল ব্লগাররা অতীতের সকল তীক্ততা ভুলে এক হয়েছিল। মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেখলে আপনাদের ভাল লাগে না তাই না?

দীক্ষকের কথা বলে আসলেই হাসি আসে... ভাই কোন কিছু না জেনে বলাট আপনাদের জেনেটিক প্রবলেম। আপনাদের সাথে আজাইরা আলাপ করার মত সময় আসলে আমাদের নেই...

sick people!!
২৩. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: সারিয়া, প্রাপ্তিই পৃথিবীতে একমাত্র শিশু নয়, যার এমন মরণব্যাধি হয়েছে। আরো শিশু আছে। প্রাপ্তি আমাদের সবার কাছেই সেইসব অসংখ্য শিশুদের প্রতীক। প্রাপ্তির প্রতি ভালবাসাও তাই। অহেতুক মনে কষ্ট পাবেন না। (তবে এও মনে রাখবেন পৃথিবীটা খুব একটা সুখকর জায়গাও নয়।) আপনার মন্তব্য পড়ে মন-খারাপ লাগছিলো, তাই মুছে দিলাম। ভালো থাকুন।

ত্রিভুজ, কিসের তিক্ততার কথা বলছেন আপনি? এই ব্লগে কখনও কোনো তিক্ততা ছিলো না। এখনও নেই। রাজাকার বিরোধী একটি হৈ-হুল্লোড় হয়েছিলো। সেটি এখন স্তিমিত। কিন্তু মূল সুর আছে। প্রবলভাবেই আছে।

ধর্ম, ধর্মবিশ্বাস, ঈশ্বরবিশ্বাস ও ঈশ্বরে অনাস্থা নিয়ে লেখা হয়ে থাকে। লেখার বিষয় ও ভাবনা ভিন্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। এটা কোনো তিক্ততার বিষয় নয় তো?

মুক্তবুদ্ধির প্রয়োগের কথা বলছেন? মানুষ তো, আকাট গন্ডমুর্খ না হলে বুদ্ধি প্রয়োগ তো করবেই। লেখাটি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য না করে প্যাঁচাল পারেন মন্তব্যে আর বলেন আজাইরা আলাপের সময় নাই। তার চেয়ে বলুন, ঘটে তেমন পদার্থনাই...সেটা সত্য বলা হবে...
২৪. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
অতিথি বলেছেন: An atheist professor of philosophy speaks to his class
on the problem science has with God. He asks one of his new students to stand and.....
*Professor*: You are a Muslim, aren't you, son?
*Student* : Yes, sir.
*Prof:* So you believe in God?
*Student* : Absolutely, sir.
*Prof*: Is God good?
*Student*: Sure.
*Prof*: Is God all-powerful?
*Student*: Yes.
*Prof*: My brother died of cancer even though he prayed to God to heal him. Most of us would attempt to help others who are ill. But God
didn't. How is this God good then? Hmm?
(The Student is silent.)
*Prof*: You can't answer, can you? Let's start again, young fella. Is
God good?
*Student*:Yes.
*Prof:* Is Satan good?
*Student*: No.
*Prof*: Where does Satan come from?
*Student*: From...God...
*Prof:* That's right. Tell me son, is there evil in this world?
*Student:* Yes.
*Prof:* Evil is everywhere, isn't it? And God did make everything.
Correct?
*Student:* Yes.
*Prof:* So who created evil?
(The Student does not answer.)
*Prof:* Is there sickness? Immorality? Hatred? Ugliness? All these terrible things exist in the world, don't they?
*Student* :Yes, sir.
*Prof:* So, who created them?
(The Student has no answer.)
*
Prof:* Tell me, son. Do you believe in God?
*Student*: Yes Sir, I do.
*Prof:* Science says you have 5 senses you use to identify and observe the world around you. Have you ever seen God?
*Student:* No, sir.
*Prof: *Tell us if you have ever heard your God?
*Student:* Yes , sir.
*Prof:* Have you ever felt your God, tasted your God, smelt your God?
Have you ever had any sensory perception of God for that matter?
*Student:* No, sir. I'm afraid I haven't.
*Prof: *Yet you still believe in Him?
*Student:* Yes.
*Prof: *According to empirical, testable, demonstrable protocol,
science says your God doesn't exist. What do you say to that, son?
*Student:* Nothing. I only have my faith.
*Prof:* Yes. Faith. And that is the problem science has.
*Student:* Professor, tell me, is there such a thing as heat?
*Prof: *Yes.
*Student:* And is there such a thing as cold?
*Prof:* Yes.
*Student:* No sir. There isn't.
(The lecture theatre becomes very quiet with this turn of events.)
*Student:* Sir, you can have lots of heat, even more heat, superheat,
mega heat, white heat, a little heat or no heat. But we don't have
anything called cold. We can hit 458 degrees below zero which is no heat, but we can't go any further after that. There is no such
thing as cold.
Cold is only a word we use to describe the absence of heat. We cannot measure cold. Heat is energy. Cold is not the opposite of
heat, sir, just the absence of it.
(There is pin-drop silence in the lecture theatre.)
*Student:* What about darkness, Professor? Is there such a thing as
darkness?
*Prof:* Yes. What is night if there isn't darkness?
*Student:* You're wrong again, Sir. Darkness is the absence of
something. You can have low light, normal light, bright light,
flashing light.....But if you have no light constantly, you have nothing and it's called darkness, isn't it? In reality, darkness isn't. If it were, you would be able to make darkness darker, wouldn't you?
*Prof:* So what is the point you are making, young man?
*Student:* Sir, my point is your philosophical premise is flawed.
*Prof: *Flawed? Can you explain how?
*
Student:* Sir, you are working on the premise of duality. You argue
there is life and then there is death, a good God and a bad God. You are viewing the concept of God as something finite, something we can measure. Sir, science can't even explain a thought. It uses
electricity and magnetism, but has never seen, much less fully
understood either one.
To view death as the opposite of life is to be ignorant of the fact
that death cannot exist as a substantive thing. Death is not the
opposite of life: just the absence of it.
Now tell me, Professor. Do you teach your students that they evolved from a monkey?
*Prof:* If you are referring to the natural evolutionary process, yes, of course, I do.
*Student:* Have you ever observed evolution with your own eyes, sir?
(The Professor shakes his head with a smile, beginning to realize
where the argument is going.)
*Student:* Since no one has ever observed the process of evolution at work and cannot even prove that this process is an on-going endeavour, are you not teaching your opinion, sir? Are you not a
scientist but a preacher?
(The class is in uproar.)
*Student:* Is there anyone in the class who has ever seen the
Professor's brain?
(The class breaks out into laughter.)
*Student:* Is there anyone here who has ever heard the Professor's
brain, felt it, touched or smelt it?.....No one appears to have done
so. So, according to the established rules of empirical,
stable, demonstrable protocol, science says that you have no
brain, Sir.
With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?
(The room is silent. The professor stares at the student, his face
unfathomable.)
*Prof:* I guess you'll have to take them on faith, son.
*Student:* That is it Sir.. The link between man and God is FAITH. That is all that keeps things moving and alive.
২৫. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
অতিথি বলেছেন: দাঁড়াল হাসান পায়ুগন্ধ দিয়ে পিতৃত্ব নির্ণয়ের সফটওয়ার কিভাবে কাজ করে?
আপনি কি নিজের উপরে পরীক্ষা করে দেখেছেন, আপনার পিতা এবং আপনার পায়ুপথনিসৃত জিনিষের গন্ধ একই রকম?
২৬. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
কালপুরুষ বলেছেন: কি দরকার এসব কাদা ছোঁড়াছুড়িঁ। সবার চিন্তা চেতনা এক হলেতো পৃথিবীতে মানুষের সহঅবস্থান নিয়ে এতো বিতর্কই থাকতো না। ঐক্যের জোয়ার বয়ে যেত সব খানে। আর আমরাও একজন আরেকজনের গুনগান করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলতাম। কিন্তু তা হচ্ছে না। কারণ প্রতিটি মানুষ স্বতন্ত্রবৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। সব মানুষের জ্ঞান, শিক্ষা, চিন্তা, চেতনা, ভাবনা এমন কি সময়েরও মধ্যেও সূক্ষণ ব্যবধান বর্তমান। ঈশ্বর ভাবনাতো অনেক দূরের বিষয়। মানুষ নিজেকেই বা কতটুকু জানে?? কতটুকুই বা তার জ্ঞানের পরিধি। সবকিছুইতো আমাদের সমাজ থেকে ধার করা। বড় জোড় আমরা তাকে পালিশ করি বা রং চড়াই। আর এই পরিবর্তনটুকুই আমাদের মাঝে বিভেদের দেয়াল সৃষ্টি করে। আর এটা থেকে সহজে কেউ বের হয়ে আসতে পারে না। আর যেদিন সব রং ফিকে হয়ে যাবে, দেয়াল ভেঙ্গে যাবে সেদিন নিজেদের মধ্যেকার বিভেদও ভুলে যাবে। কিন্তু সেই দিন আসবে কবে??
২৭. ২১ শে মে, ২০০৬ রাত ১১:০৫
হ।স।ন বলেছেন: দুঃখিত রাসেল পায়ূপথে স্পেশালাইজেশন আপনার। এব্যাপার আমার নাগালের বাইরে। কিন্তু এরকম কোন সফটওয়ার যদি আসে আমার কাছে চিন্তার কোন কারন নাই। আপনার জন্মদাতা সন্ধানের ব্যাপারে আমি সাহায্য করবো। তাতেও যদি কিছু দুঃখ লাঘব হয়।
তো এই সময়ের মধ্যে ডি ন এ টেস্ট করে দেখুননা। যদিও এক একটি টেস্ট বেশ ব্যয়বহুল। আপনার মাতার ক্ষেত্রে ব্যয় আরও বাড়তে পারে(মোট টেস্টের খরচ= number of male(15 and above) resident in 50 mile radius around subjects houseXএকটি টেস্টের খরচ)
২৮. ২২ শে মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
অতিথি বলেছেন: হুমম ভাই ঠিক বলছেন, আপনি বিশেষজ্ঞ মানুষ, নিজের জীবনে দেখেছেন এসব বিপর্যয়,ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেই হামবা হাম্বা করে, অস্থির হয়ে যায়। আপনার গোপন ব্যাথ্যায় যদি অযাচিত আঘাত লেগে যায় আমি কি করব বলেন? তা আপনার কত খরচ হয়েছিলো , আপনার যদি এখনও আরও কয়েক জনের ডি এন এ টেষ্ট করানোর জন্য অর্থ সাহায্য লাগে মুখ ফুটে বলেন, আপনার পিতৃপরিচয় নির্নয়ের জন্য ডি এন এ টেষ্টের ব্যায় বহনের জন্য আমরা সামহোয়ার ইন এ একটা ফান্ড রেইজিং প্রকল্প নিবো।
দাঁড়াল হাসান বাপ কে জানতে চায় -শিরোনামে। লজ্জার কিছু নাই মুখ ফুটে বললেই আমরা আওয়াজ দিয়ে ফান্ড রেইজিং শুরু করবো। আপনি পয়সার অভাবে পিতৃপরিচয় না জেনে সবার বাবাকে নিজের বাবা ভাববেন এমনটা হওয়া ঠিক না।
২৯. ২২ শে মে, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫
হ।স।ন বলেছেন: আরো রাসেল এর সাথে ডীল করার অভিজ্ঞতা থেকেই এস্টিমেটটা দিলাম। হতে পারে ব্যয়বহুল কিন্তু আপনার পিতা খুজে পাওয়ার মোমেন্ট এর কথা চিন্তা করুন। এতগুলো বছর পর........ আপনি এটা ডিসার্ভ করেন।
৩০. ২৩ শে মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: দ্্রাবিড় অনেক পড়ে আপনার লেখাটা পড়লাম । সকল দু:সময়ে মানুষই মানুষের হাত ধরেছে । আকাশ থেকে কেউ নেমে আসেনি ।আর অস্বস্তিকর হলেও সত্য বিপযয় থেকে উদ্ধার নয়, ধমের কারনে মানবিক বিপযয়ের উদাহরন ই ইতিহাসে অনেক বেশী
৩১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:৫০
অতিথি বলেছেন: দীক্ষক কই ভাগলেন ?
৩২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: দুর্দান্ত পোষ্ট।
৩৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:০৩
অতিথি বলেছেন: হাসান, বলেন আরো চেঁচিয়ে বলেন।
সুমন, আপনাদের হাতে পতাকা দিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম। নো চিন্তা ফ্রেন্ড। আওয়াজ দিয়েন খালি।
শরৎ, ছক্কা মারতে পারলাম তো। আপনারে আম্পায়ার মানি, দুই হাত তোলেন।
৩৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:০৪
অতিথি বলেছেন: দীক্ষক, কেমন আছেন ?
৩৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:০৬
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজ, মনে রেখেছেন ভাই আমাকে। যাক, শান্তি পেলাম। আপনারা সব ভালো তো?
আছি মন্দ না। সময়ের বড় টানাটানি।
৩৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৩০
অতিথি বলেছেন: সময় এখন ছাড় দেয়?
৩৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ১০:০৫
অতিথি বলেছেন: সাধক, একটু ছাড় পেয়েছি। আবার আপনাদের সাথে আড্ডা দেয়ার আশাও করছি মনে মনে।
৩৮. ০৯ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
লাল মিয়া বলেছেন: যৌনাকাঙ্খাই অসহনীয় মাথাব্যাথার কারণ
৩৯. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:৩১
হাসিব বলেছেন: কি সব দিন ছিলো ..
৪১. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:০৪
অমিত বলেছেন: পুরোনো সেই দিনের কথা

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ