আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্যাংক হিসাব খুলবনে? সেভিংস না কারেন্ট? কি কি লাগে? - ব্যাংকার
- বিদ্যুৎ চলে গেলে আপনার বাসায় অটোমেটিক আলো জ্বলে উঠবে!!! কি এরকম ১ টা সার্কিট বানাবেন নাকি?? তাইলে চলে আসেন। - জাওয়াদ তাহমিদ
- পিসিকে বানিয়ে ফেলুন ফেইস ডিটেক্টর - বিভ্রান্ত_পথিক
- যারা ডাওনলোড পোকা.>>>>তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য
- অনির্বাণ রায়।
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- পৃথিবীর দশ(পনেরো)টি বিলুপ্ত শহর বা সভ্যতা- একটি বিস্ময় ও একটি প্রশ্ন!! - মানবী
- অনলাইনে আয়ের টিউটোরিয়াল (পর্ব-৩) - আবিল (দ্যা লিরিক বয়)
- 50 জোকস !!
- কাওসার সিদ্দিকী
- ব্লগার স্বামী স্ত্রীর সংসারঃ একটি ব্লগীয় সুখী সংসারের গল্প


- মুরাদ-ইচছামানুষ
- সম্পুর্ন একটা ব্লগ তৈরীর টিউটোরিয়াল [পর্ব ১] ওয়ার্ডপ্রেস কি ? এটা কেন ব্যবহার করবো? - ফাহিম রেজা
- " ঢাকার এবং ঢাকার বাইরের অনেক মজাদার খাবারের নাম ও লোকেশন (বাংলার মিনি ফুড ডিকশনারী) " - নাফিজ মুনতাসির
- রহস্য-রোমান্চ মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- নেট-২-ফোন, ফ্রি ফোন, কম খরচে ফোন এবং ইত্যাদি! - বিডি আইডল
- চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ তিন পলাতক যুদ্ধাপরাধী নিয়ে চ্যানেল ফোরের সেই বিখ্যাত ডকুমেন্টারিটি! - জিন্দা লাশ
- মুক্তিযুদ্ধের দলিল খোয়া গেছে ভারতে - মাহবুব মোর্শেদ
- জলবায়ুর পরিবর্তন এবং বিবিসির ডকুমেন্টারী - প্রথম পর্ব - মে ঘ দূ ত
- কেন আপনার পছন্দের প্রোগ্রাম নতুন অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করে না ? - এমদাদ খাঁন
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- অবশেষে বাংলাদেশে ওয়েবসাইটে কেনাকাটা শুরু হলো। - াহো
- বার মিশালি, তয় একটু এডাল্ট এডাল্ট ভাব আছে, - নীল_পদ
- সাইকেল চালিয়ে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ভ্রমন: কিশোরগঞ্জ জেলা - বাংলাদেশী সাইকেল ভ্রমণকারী
- অস্ট্রেলিয়া - ৪ - আরিয়ানা
- আসুন ব্যাচেলরের রান্না ঘরে - ২ - রাগ ইমন
- ইউনাইটেড স্টেটস অফ বাংলাদেশ - এর বাজেট - রাগ ইমন
- শেয়ার ব্যবসা - ৩: নিজেই তৈরী করুন নিজের পোর্টফলিও - ওরাকল
- তার মানে এই নয় যে.... - লুনা ফিরোজ
- সেরা বাংলা ব্লগকে পুরস্কার দেবে ডয়চে ভেলে; সহযোগী সামহোয়্যার ইন ব্লগ - নোটিশবোর্ড
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (১) - পি মুন্সী
- সহজেই ব্যবহার করুন আমেরিকা, ইল্যান্ড এর IP adress আর লুকান বর্তমান Ip Adress - সজীব রহমান
- এবার ঈদের প্রকৃত প্রহর (রিয়েল টাইম) ধরে জীবন্ত (লাইভ ) রান্না বান্না - রাগ ইমন
- ১৯৭১ এর গণহত্যার কিছু ফুটেজ , নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকের সাক্ষাতকার - রাগ ইমন
- অনলাইনে বাংলাদেশী টিভি চ্যানেল - বিডি আইডল
- ব্যাগ ভর্তি স্ট্যানলি কুবরিকঃ মুভি কালেকশন - বিডি আইডল
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা -- আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু তথ্য - রাগিব
- ভিডিও সম্পাদনা - কিভাবে ঘরে বসে এ্যামেচার এডিটর হবেন, আর হোম ভিডিও বানাবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- জোকস্: গাড়ীর বিভিন্ন ব্র্যান্ড
- অপ্রিয়
- গতকাল বিকেলের একটি উদ্দেশ্যমূলক প্রচারনা বিষয়কঃ - মনির হাসান
- Onlineএ ৫০গিবা data store করুন একদম Free - আলোকিত পৃথিবী
- মেগাআপলোড থেকে আজীবন মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করবেন যেভাবে--(like premium user) - বিডি আইডল
- SEO সম্পর্কিত লিংক চাই: সাহায্য করুন - ফয়সাল রকি
- উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার শুরু করলাম--চমৎকার! - বিডি আইডল
- কাচ্চি বিরিয়ানী - ভূলু
- মোরগ পোলাও - আমার মত করে - ভূলু
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- এশিয়ান হাইওয়ে: মানচিত্র কথা বলে - বল বীর
- ব্যাচেলর স্যুপ - রাগ ইমন
- সেনজেন বর্ডার বিচিত্রতা - বস্তাপচা
- কিছু জটিল ঈদ SMS কালেকশন- যদি আপনার কাজে দেয় !! - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- ব্লগারদের সরাসরি অংশ গ্রহনে ঈদ স্পেশাল ব্লগালাপ (আজকের অতিথি নুশেরাপু)
) - কঁাকন
- english writing software::এখখান মানচুমারা খ্য়রাতি পোস্ট - রচীত
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- ভুল খবর পত্রিকায় প্রকাশ করে, বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশ - কে এম তানভীর আহম্মেদ
- আপনি কুনটা ইউজ করেন?(গ্রামীন না সিটিসেল ইন্টারনেট ) - নিরব হাসি
- বাংলাদেশে ইকমার্স-৯ - মদন
- বাংলাদেশী ইকমার্স-সুচনাপর্ব - মদন
- যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন...একটি সতর্কতামুলক পোষ্ট - তাসমান
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- পার্বত্য চট্টগ্রাম পাকিস্থানে অন্তর্ভুক্ত হলো যেভাবে : ইতিহাসের পথ ধরে একটি বিশ্লেষণের চেষ্টা - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- অতি সহজ ভাষায় বিবর্তনের ব্যাখ্যা (ডারউইনকে গালি দেবার আগে জানুন তার থিওরী) - হাল্ক
- এশিয়া-আফ্রিকার মানচিত্র - তাজা কলম
- অভ্র থেকে কিভাবে বিজয়ে কনভার্ট করব????প্লিজ!!!! - েমাসেেলহ
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- টুইটপে - টুইটারের মাধ্যমে টাকা প্রেরণের নতুন সেবা (পে-পালের নিজস্ব সেবা) - আমিনুল ইসলাম
- চিটির রান্নাঘর থেকে: শিরোনামহীন বীফ - চিটি (হামিদা রহমান)
- Web page Design - বাপ্পা
- বহুব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় কিছু শব্দের শুদ্ধ বানান - জোবাইর
- বাংলাদেশে রাজনৈতিক শ্লোগানের বিবর্তন - বর্ণান্ধ
- ছ্যাকা বিষয়ক কয়েকটা গুন। (উত্সর্গ ব্যার্থ প্রেমিকদের) - কামরূজজামানস্বাধীন
- টিপাইমুখ জল বিদ্যুত প্রকল্প ও Global Warming - ভিন্ন চিন্তা
- মন ভালো করা রান্না - রাগ ইমন
- মহাকাশের খোশ খবর, বাস্তব রূপকথা - সাঈফ শেরিফ
- নাগরিক স্বস্তি কবে নাগাদ আশা করতে পারি আমরা? - বিডি আইডল
- বিষয় ইলেক্ট্রনিক্স: বাংলাদেশে প্রথম হাতে তৈরি SDR (Software Defined Radio) এর লেআউট এবং PCB - বিডিআর
- সুন্দরীদের প্রতি করুনা আর এক চিলতে উদাসীনতা - উদাসী স্বপ্ন
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- প্রতিদিন একটি মুভি - ৩: Water - দারাশিকো
- দিন বদলের ব্যাপার নয়, বিশ্বব্যাংকের সুপারিশ বাস্তবায়নের বাজেট: আনু মুহাম্মদ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- মেঘ বালিকার দেশে - আশিক হাসান
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আঙ্গুলের ছাপ সনাক্তকরন (ফিনগার প্রিন্ট রিকগনিশন) - আজম
- নারীর অগ্রাধিকার! - সজল শর্মা
- কেউ কি বলতে পারেন ডাটা এন্ট্রি জব কিভাবে শুরু করব? - হাসমত০০৯
- বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে অদুরদর্শী পরিকল্পনা অন্তরায় - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
- ভার্জিনিটির মুল্য ৮ লাখ টাকা !! - তিথী ও টাটা
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- জঙ্গি মিজানকে না মেরে গল্পটা শুনুন, কাজে আসবে ... - আশীফ এন্তাজ রবি
- অবিস্মরণীয় চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ এবং মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন -- শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- ব্যানানা বাংলাদেশ-৩ (গডফাদারের স্টিমুলাস মূলা) - বাঙ্গাল
- আসুন নিজের ঘরের জন্য একটা ছোট আইপিএস বানাই (টেকিদের জন্য) - রাব্বি !
- মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আইএমএফকে না বলুন - শওকত হোসেন মাসুম
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- এসেছে Google Earth 5 - ঘুরে আসুন সাগর তলদেশ, মঙ্গল গ্রহ আর অতীত থেকে - নাফিস ইফতেখার
- আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি... - ...অসমাপ্ত
- Google এর আরো কিছু রসময় গুপ্ত (Easter Egg)
- নাফিস ইফতেখার
- ভয়ঙ্কর সুন্দরী ১০জন - সৌম্য
- টাইম ম্যাগাজিনের টপ টেন মুভিস অব ২০০৮ - দারাশিকো
- আমেরিকার সম্পদ - ৩ - মনওয়ার
- অন্তরীণ - চিটি (হামিদা রহমান)
- আলুচনা পোস্ট: নারী অধিকার কি জিনিস? - নরাধম
- দেশের সংবাদপত্রগুলোর প্রচারসংখ্যার অবস্থান (আপডেট) - কাঙাল
- মুক্তিযুদ্ধে ঠাকুরগাঁও, পর্ব ২.৫ (একটি কথ্য ইতিহাস) - মাহবুব সুমন
- অনলাইনে দেশী কেনা-কাটা - ~টক্স~
- Photoshop Shortcut Key for all version - জেমিনি
- এক লোকাল বাস যাত্রীর দৃষ্টিতে----- - বিবর্তনবাদী
- সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের পদবী ও কাজ - রিজভী
- প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀ - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- শুকনো আলু (ভাজি) - ভূলু
- স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইনঃ মানবযন্ত্রে ভালবাসা স্থাপন প্রক্রিয়া। - লুলুপাগলা
- জেগে ওঠো মানিব্যাগ - মেহরাব শাহরিয়ার
- কিচেনের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস - ইরতেজা
- বিশ্বে ৯০ কোটি মানুষ অনাহার-অর্ধাহারে মৃত্যুর দিন গুনছে - মনজুরুল হক
- রশিদ ফকিরের ঈদ সপিং - ফয়সল নোই
- যে দিন আমি মায়ের সমান হবো - রাগ ইমন
- প্রেম প্রচেষ্টা - শেষ পর্ব - পাগল কবি
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- বিয়ে করার আগে নিজের কিছু যোগ্যতা যাচাই করে নিন। - আজনবী
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- নেলসন ম্যান্ডেলার উক্তিগুচ্ছ - েফরদৌস মাহমুদ
- নীল ফুল অথবা মুক্তো দানা..... - সাগর সরোয়ার
- আমার টিউশনির অভিজ্ঞতা........../ইমন - শফিউল আলম ইমন
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- অনলাইনে টাকা রোজগার করেছেন কি কখনো? - এডোনিস
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- গতকালের জিয়া ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে কিছুক্ষণ - মিলটন
- একবার চলে গেলে নারীরা ফেরে না - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- গ্রেট বৃটেন এবং আয়ারল্যান্ড-এর ইতিহাস (প্রথম খন্ড) - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- দেশের অবশ্যদ্রষ্টব্য স্থান সম্পর্কে তথ্য (আরও চাই) - সবুজ
- ব্রিটিশদের নীল চাষের পুনরাবৃত্তি - দ্রগবা
- কুচি-কুচি ভাব-বুদ্বুদঃ আসিমভ টু ডিগগ্ - ফরিদ
- ইস্নাইপস, ইউটিউব ডাউনলোডের উপায় - রন্টি চৌধুরী
- চোখের সামনে খুন হয়ে যায় এক্সপি - ফরিদ
- ডলার আয় করুন ঘরে বসেই - মদন
- খানা-খাজানা : আলু চপ : বেশী করিয়া আলু খান, ভাতের উপর চাপ কমান - আইরিন সুলতানা
- গণধর্ষণের স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে ঘুরে বেড়াই সারাদিন। - শিমুল
- অবশেষে ৫০ হয়েই গেল!!! - ফারহান দাউদ
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- লিস্ট অব ইউনিভার্সিটিজ ইন বাংলাদেশ - একটি স্বপ্ন পূরণের গল্প - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- হামাগুড়ি (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- ২০১৫ সালের বাংলাদেশ- জ্বালানী সংকট ৩ - অপ বাক
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কর্পোরেট লুটেরাদের কতো আর সহ্য করা যায়! - ওমেগা থ্রি
- জরিপঃ সেরা এন্টিভাইরাস কোনটি? - তাজুল ইসলাম মুন্না
- হারানো পুকুর - আসিফ আহমেদ
- দক্ষিন আফ্রিকার দিনগুলি - ১ - স্বাপ্নিক
- চরমপত্র : ইথারে এক অন্য মুক্তিযুদ্ধ - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলাদেশ কে দেখুন, ঘুরে আসুন সেন্টমার্টিন দ্বীপে - টাকাআনাপাই
- রক্ত ঝরা প্রেম - পর্ব ৪ - মিলটন
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- ফ্রী ইবুক - শিমুল
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- চাইনিজ ভেজিটেবল কিভাবে রান্না করবেন। - জরিণা
- সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়/ প্রতি শ্রদ্ধেয় দিন মজুর - বিহংগ
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- আপনি কি A B C D E F G এর meaning জানেন ??
( সংগ্রহ) - আবুল বাহার
- নয়-ছয় ২ - লাকু রাশমন
- যেখানে সাগর মহাসাগরের মেলা - দোলাহাসান
- এসো ভদ্রতার গলাত দড়ি লাগাই - মহাকাল
- মুক্ত বার্তা - বৈশাখ ১৪১৫/মে ২০০৮ - মুক্ত হোক জ্ঞানের আলো - রাগিব
- এবার আমার পালা : হিমুকে নিয়ে জরিপ - ১ - হিমু রুদ্র
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কতোটা আত্মবিশ্বাসী আপনি ? - তামিম
- তন্দুরীরুটি গ্যাসের চুলায়!!
- েজবীন
- আমার জীবনের চন্দ্রবিন্দুবিহীন বছরগুলো : দি যায়যায়দিন ইয়ারস - মাহবুব মোর্শেদ
- পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ছবি(the last supper) - সঞ্জিব
- না বলতে সমস্যা? - তামিম
- ভালোবাসার ব্লগ/ব্লগবন্ধুরা - জয়িতা
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- বাংলার সংবাদ মাধ্যমগুলো দেখুন - আগন্তুক
- বাংলাদেশ জেনোসাইড,১৯৭১ - ঠাকুরদা
- রেসিপি: জনপ্রিয় মণিপুরী ইরলপা - কুঙ্গ থাঙ
- আজাদ সাহেবের পুরি খাওয়া - তাওফিক
- আমার দেখা সেরা ১০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- ফটো ফিচার # জল মৃত্তিকায় জীবন - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- যেভাবে রচিত হলো কান্নার উটগুলো - জুয়েল মোস্তাফি.
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শিখরে চড়লাম - (তাজিংডং- শেষ পর্ব) - দূরন্ত
- আমার যতো গুপ্তধন-১ - আকাশচুরি
- জরুরী অবস্থায় প্রেম: ১ - সোমেশ্বর অলি
- পুবের মন, পশ্চিমের ক্ষণ: বরফ গলা দুই কাহন - ৃৃমম
- ওমেগা থ্রি কি ছ্যাঁকার কষ্ট কমায় ? - রাগ ইমন
- স্বাধীনতার গান নিয়ে কনসার্ট - ফেরদৌস হাবিব
- ভিডিও দলিল: শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি তাঁদের আত্মত্যাগ - মানবী
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- নিষ্চিত লাভের ব্যবসা !! করার সুযোগ দিচ্ছে সরকার - আমি হনুমান
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- কি জাদু করিয়া বন্ধে মায়া লাগাইছে.! - মানবী
- যে মেয়েদের বিয়ে হয় পরিচয় লুকিয়ে (পুনঃপ্রকাশ) - ফয়সল নোই
- আফ্রিকার পাহাড়ী অরণ্য আর কালো মানুষের কথা (পর্ব-১) - আশিক হাসান
- মেয়ে, তুমি আজ একজন পুরুষ পেয়েছ, কোন মানুষ পাওনি..... - সামী মিয়াদাদ
- বোরিং টাইম পাস - সোর্ডফিস
- কতদিন আকাশ দেখিনা! - ব্যর্থ প্রেমিক
- বিয়ে একটি সামাজিক শৃংখ্ল মাত্র - কাঠাল মাহমুদ
- নিরপেক্ষ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম (গালাগালিমুক্ত!!!!!!!!!!!) - সাধক শঙ্কু
- ভাবছেন নারীবাদী? ভাবুন কিচ্ছু যায় আসে না/ ইমরোজ আহমদ - হমপগ্র
- `এ এলাকায় থাকে মাথায় কাপড় দিয়া ঘুরবা'-পুরুষালি নিপীড়নের সাম্প্রতিক চেহারা - শামীমা িবনেত রহমান
- কানাডিয়ান আদিবাসী এবং আমেরিকা আবিষ্কারের অজানা কাহিনী - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- প্রেমের বাঁশ - ত্যান্দর
- ফলোআপ : ম্যাগনামার পর কেয়ার্ণের আরো একটি ব্যর্থতা, গ্যাসের মজুদ এবং আমাদের জ্বালানী ভবিষ্যত - মিরাজ
- জেগে ওঠো নারী। নিজেকে চেনো। - মারুফ হায়দার নিপু
- ঢাকা ফটো কুইজ - ২ - কৌশিক
- ভালবাসার ডায়েরী-২ - শফিউল আলম ইমন
- তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবো রে! (গাণটির কথাগুলো আজো মনে অনুপ্রেরণা জোগায়) - ইকারুস
- চলে গেল নারী দিবস, নারীরা নারীই থেকে গেলেন... - আব্দুন নূর তুষার
- আর কত এভাবে, নারীকে কাঁদাবে? - মেঘ
- সাইকেল - খুশবু
- জায়গীরনামা- এক - শেখ জলিল
- পুরানা কবিতা : শ্রাবণ - মাহবুব মোর্শেদ
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- সরকারের একজিট প্ল্যান কী ? - চিররঞ্জন সরকার
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- কেয়ার্ণের ব্যর্থতা, গ্যাসের মজুদ এবং আমাদের জ্বালানী ভবিষ্যত, সময় এসেছে সচেতন হবার, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবার - মিরাজ
- ইভ টিজিং এবং সিমি,রুমিদের মৃত্যুর মিছিল - ফারজানা মাহবুবা
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- বর্তমানের তত্ত্বাবধায়ক গরীব মারার অগ্রনায়ক- হীরক রাজার দেশের ০৫ - অপ বাক
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
রেস্টুরেন্টের দিনগুলি- (শেষ পর্ব)
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩২
গাড়িতে করে যাবার সময় রেস্টুরেন্টে নতুন যোগ দেয়া একজন কিচেন এসিস্ট্যান্টের সাথে কথা বলছিলাম। তিনি বহু বছর ধরে বৃটেনে আছেন। নিজেকে একজন বৃটিশ-বাংলাদেশী বলে পরিচয় দিলেন। “তোমার পড়াশোনা করার দরকার কি? এতো টাকা খরচ করে কি লাভ?” আমাকে বারবার এসব প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করছিলেন। আমি কোনো জবাব দিতে পারছিলাম না। বাস্তবেই বৃটেনে এসে পড়াশোনা করে চাকরি-বাকরির ক্ষেত্রে কোনো সুবিধা হয় এমন কোনো যুক্তি-প্রমাণ পাচ্ছিলাম না।
তিনি জানালেন, এখন কিচেন পোর্টার হিসেবে কাজ করলেও ওনার অভিজ্ঞতা বেশ বড়। এর আগে তিনি রেস্টুরেন্টের মালিক ছিলেন। কিন্তু লাভ করতে না পেরে এখন তা বিক্রি করে দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বহু মানুষের সাথে তার খুব ভালো যোগাযোগ আছে বলে জানালেন তিনি।
বৃটেনে এ সময় নির্বাচন নিয়ে বেশ আলোচনা চলছিলো। কয়দিন আগে নির্বাচন হয়ে গেল। যাবার পথেই গাড়িতে বসে তারা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তাদের মধ্যে একজন আছে লেবার পার্টির কর্মী। আমি নির্বাচনে লেবার পার্টিকে ভোট দিয়েছি, একথা জানাতেই অন্যরা বেশ অবাক হলো। তাদের জানা নেই যে, কমনওয়েলথ দেশগুলোর নাগরিকরা বৃটেনে থাকার সময় ভোটার হতে পারে। তারা মনে করেছিলো আমি ভোটার না।
রাত দেড়টার দিকে বার বন্ধ করার পর সাধারণত আমার কাজ শেষ হয়ে যেত। কিন্তু কখনো কখনো কিচেনের ধোয়া-মোছার কাজ শেষ করতে আরো এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। এ সময় আমাদের কাজ থাকতো না। অন্য একজন ওয়েটার মনোয়ার বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনায় খুব আগ্রহ ছিল।
রাতে গাড়িতে করে পৌছে দেবার আগে অপেক্ষা করার জন্য অনেক সময় আমরা গাড়িতে যেয়ে বসতাম। মনোয়ার আমার কাছে মহাকাশের বিভিন্ন বিষয়, গ্রহ-নক্ষত্র বিষয়ে জানতে চায়। আমিও তাকে আমার সাধ্যমতো জানানোর চেষ্টা করি। মহাকাশে সৌরজগৎ সম্বন্ধে তার কিছুটা ধারণা ছিল। কিন্তু সৌরজগতের বাইরের গ্রহ-নক্ষত্রের বিশালতা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ইত্যাদি বিষয়ে ধারণা কম ছিল। কিন্তু আগ্রহের কোনো শেষ ছিল না। মহাকাশে সৌরজগতের বাইরে আবিষ্কৃত গ্রহ বিষয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না। তাকে গ্লিস৫৮১সি নামে ২০.৫ আলোকবর্ষ দূরের একটা গ্রহের নাম শিখিয়ে দিলাম। এলিয়েনদের বিষয়েও তার আগ্রহের কমতি ছিল না। তবে এলিয়েন প্রাপ্তি বিষয়ে তাকে কোনো সুখবর দিতে পারলাম না। পরে সে রেস্টুরেন্টের অন্যান্য কর্মচারীদের এসব দুর্বোদ্ধ কথা বলে নিজেকে জ্ঞানী প্রমাণ করতো।
সিলেটি উচ্চারণে আমার দক্ষতা কম থাকায় তাদের গ্রুপ আলোচনায় খুব কম অংশ নিতাম। তবে একজন বা দুইজনের সঙ্গে আলাপ করতাম ঠিকই। ভাষাগত দক্ষতাও দিন দিন বাড়ছিলো। সিলেটি ভাষায় আমার প্রধান সমস্যা হচ্ছে, আমি তাদের প্রায় সব কথাই বুঝতাম কিন্তু আমার কথা তাদের বুঝতে কষ্ট হতো।
একদিন শায়খ ভাই পায়ে ব্যথা পেয়ে রেস্টুরেন্টে এসেছিলো। আমার কাছ থেকে কয়েকটা বরফ নিয়ে পায়ে লাগাচ্ছিলো। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, “পায়ে ব্যথা পেয়েছেন কিভাবে?” তিনি বুঝতে পারলেন না। পরে কথাটা ওনার জন্য একটু বোধগম্য করার জন্য বললাম, “ব্যথা পাইসেন কেমনে?” তিনি তবুও বুঝতে পারলেন না।
তাকে বোঝানোর জন্য কথাটা ইংরেজিতে বলতেই হলো। তারপর বললেন, তিনি সিড়ি দিয়ে নামার সময় “দুখ” পেয়েছেন। তখন বুঝলাম “ব্যথা” শব্দটা ওনার অপরিচিত। শিখলাম সিলেটি উচ্চারণে “ব্যথা”কে “দুখ” বলে। তবে আমার কথা তাদের দুর্বোদ্ধ হলেও কাজের স্বার্থে আমি তাদের কথা বোঝার জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করতাম। খুব বেশী সমস্যা হলে ইংরেজিতে বুঝে নিতে হতো। ইংরেজিতে বুঝে নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাড়তি কিছু বিরক্তি ও ধমক-ধামক শুনতেই হতো।
একদিন ঠাণ্ডা লাগার কারণে সম্ভবত ঘাড় বেশ শক্ত হয়ে গিয়েছিলো। ঘাড় ঘুরাতে বেশ কষ্ট হচ্ছিলো। হেড ওয়েটার এজন্য বেশ বিরক্ত বোধ করছিলো। আমি একটু ভয়েই ছিলাম। ঘাড়ের এই সমস্যার কারণে নতুন কোনো অপবাদ শুনতে হয় কিনা। তবে এ সমস্যা দ্রুত কেটে গেল।
এর মধ্যে কয়েকজন স্টাফের সন্দেহ হয়েছিলো যে, আমি কানে কম শুনি। যদিও সমস্যাটা ঠিক কম শোনার জন্য ছিলো না, সমস্যাটা ছিলো তাদের উচ্চারণ বুঝতে না পারা সংক্রান্ত। তবু তারা মাঝে মঝে এমন ভাব করতো যেন আমি কানে কিছুই শুনি না। একদিন রেস্টুরেন্টের মালিক এসে পিছন থেকে বলে গেল গ্লাস ধোয়ার জন্য সিঙ্কে পানি জমাতে। কিন্তু আমি তখন অন্য একটা অর্ডারের গ্লাস সাজানোর জন্য ব্যস্ত ছিলাম। তাই পানির কাজ শুরু করতে দেরী হচ্ছিলো। এর মধ্যে মালিক আবার আমার কানের কাছে এসে চিৎকার করে বললো পানি লাগান। কথাটা সে কানের এতো কাছে এসে এতো জোরে বললো যে শুধু শব্দই নয়, তার মুখের বাতাস ও পান খাওয়া থুথুর ছিটা আমার কানে এসে লাগলো। আমি মুখে কিছু না বললেও খুবই মন খারাপ হলো। চাকরিটা ছেড়ে দেয়ার পুরনো ইচ্ছাটা আবার বাড়তে লাগলো। অবশ্য প্রতি সপ্তাহেই আমার এই ইচ্ছাটা হতো। তারপর মজুরির টাকাটা হাতে পাবার পর আবার মন কিছুটা ভাল হতো।
ঢাকায় থাকতে কি করতাম, কোথায় পড়াশুনা করতাম ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ওয়েটার সুজা ভাইয়ের খুব আগ্রহ ছিল। আমার পূর্ব ইতিহাস রেস্টুরেন্টের কাউকে জানানোর তেমন একটা ইচ্ছা ছিল না। কেউ এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে বলতাম যে, কিছুদিন একটা ছোটখাট চাকরি করেছি। তবু সুজা ভাই এ কথাতে শান্তি পাচ্ছিলো না। তাই উনি আমার কাছে জিজ্ঞাসা করে পদের নামটা জেনে নিলেন। পত্রিকা অফিসের তেমন বড় কোন পদ না। তাই ব্যাপারটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনো কারণ ছিল না। কিন্তু তবু সুজা ভাইয়ের কাছে ব্যাপারটা বেশ বড় কিছু বলেই হয়তো মনে হয়েছিলো। এ কারণে তিনি রেস্টুরেন্টের মালিক সহ অন্য সবাইকে বলে বেড়ালেন যে, আমি ঢাকার অমুক পত্রিকায় ছিলাম। এ পরিচয়ে হেড ওয়েটার আমাকে অত্যাচার করার জন্য আর একটা অস্ত্র পেয়ে গেল। এর পর থেকে সে মাঝে মাঝে বলতো, এই কাজটাই পার না, তুমি নাকি অমুক ছিলা? মাঝে মাঝে হেড ওয়েটার বিরক্ত হলে তুমি থেকে তুইতে চলে যেতো। আমি অবশ্য তাকে সবসময় আপনি করেই বলতাম।
রেস্টুরেন্টের আশপাশের তিন কিলোমিটারের মধ্যে বাসাতে খাবার ডেলিভারি করার একটা সিস্টেম আছে। কাস্টমাররা ফোন করে খাবারের অর্ডার আর তাদের বাসার ঠিকানা বললে তা তাদের বাসাতে পৌঁছিয়ে দেয়া হয়। উইকএন্ডে ব্যস্ততা বাড়লে সন্ধ্যার সময় একটা গাড়িতে করে ডেলিভারি দিয়ে পোষানো যেতো না। এ কারণে আর একজন বাড়তি মানুষ আসতো ডেলিভারি দেয়ার জন্য। সে আমাকে একদিন কথা প্রসঙ্গে বললো, “চাচার (রেস্টুরেন্টের মালিক) ব্যবহার খুব খারাপ আপনি কিছু মনে করবেন না”। তার কথায় আমি চমকে উঠলাম। পরে সে বললো, আমি কাজ করার সময় সে মাঝে মাঝে লক্ষ্য করে। কাজে কোনো ভুল না হলেও রেস্টুরেন্টের মালিক আমার সাথে যে দুর্ব্যবহার করে এটাতে তার বেশ খারাপ লাগে।
হেড ওয়েটারের একজন বন্ধু এসে রেস্টুরেন্টে বসে ছিলো। বুঝলাম সে চাকরি খুজছে কিন্তু মালিক বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না। এসব কারনে হেড ওয়েটারের মন-মেজাজ খারাপ ছিল। রাতে সে আমাকে বলছিলো টেবিল সাজাতে। টেবিলগুলো সাজানোর নিয়মটা আমি শিখেছিলাম কয়েকদিন আগেই। টেবিল ক্লথ একদম সোজা করে বিছিয়ে তারপর তার উপরে বিশেষ বিন্যাস অনুযায়ী প্লেট ও কয়েকটা হাফ প্লেট রাখতে হয়। প্লেটের ডানপাশে দুই ধরনের ছুরি, বাম পাশে দুই ধরনের চামচ ইত্যাদি একদম সোজা করে রেখে তারপর গ্লাস ও মেনু জায়গা মতো রাখতে হয়। নির্দিষ্ট জায়গার আধা ইঞ্চি এদিক ওদিক হলেই হেড ওয়েটারের পছন্দ হয় না।
এর মধ্যে অন্য কেউ একটা টেবিল সাজিয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু সেটাতে একটা মেনু উল্টো করে রাখা ছিল। আমাকে হেড ওয়েটার বলছিলো টেবিলটা ঠিক করে একটু টেনে বাম পাশে নিয়ে আসতে। এ সময় টেবিলের যে মেনুটা উল্টো করে রাখা ছিল আমি সেটা হাত দিয়ে ধরে জায়গা বদল করেছিলাম। সারাদিনের পরিশ্রমে বেশ ক্লান্ত ছিলাম। তাই উল্টো করে রাখা মেনুটা সোজা করার কথা মনে হয়নি। হেড ওয়েটার টেবিলের মেনুটা উল্টো বেশ বিশ্রী ভাষায় ধমকে উঠে। পাশেই রেস্টুরেন্টের মালিক ও অন্য ওয়েটাররা ছিল। তারা কেউ এ বিষয়ে কিছু বলে না। আমিও হেড ওয়েটারকে কোনো পাত্তা দেই না এমন একটা ভাব করে চুপ করে থাকি। কিন্তু বিষয়টা বেশ খারাপ লাগে। রাতে বাসায় ফিরে এসব কথাবার্তা মাথা থেকে দূর হতে চায় না। এসব স্মৃতি নিয়ে পরদিন পড়াশোনা করতেও বেশ কষ্ট হয়। মনসংযোগ হতে চায় না। তাই চাকরিটা ছেড়ে দিব কিনা আবার ভাবতে লাগলাম।
এদিকে কড়া ওয়াশিং লিকুইড আর গরম পানি দিয়ে বারের গ্লাসগুলো ধুতে ধুতে আমার হাতের বারোটা বেজে গিয়েছিলো। বাসায় এসে একদিন পড়ার সময় আমার হাত দেখে আমি নিজেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পাঠ্য বইয়ের উপরে হাতটা রাখার পর তা বড়ই বেমানান লাগছিলো। ক্যামেরা বের করে হাতের কয়েকটা ছবিও তুলে রেখেছিলাম। পরদিন কাজে যাওয়ার পরে শেফ আমার হাতের অবস্থা দেখে ফেলেছিলো। পরে সে বলছিলো যে, “ভ্যাসলিন ব্যবহার করেন না কেন?” বাস্তবে বাসায় আসার পরে হাতের যত্ন নেয়ার কথা মনে থাকতো না।
রেস্টুরেন্টের কয়েকজন মানুষের এ ধরনের অনাকাঙ্খিত কথাবার্তা আমার প্রচণ্ড মানসিক চাপ তৈরি করে। তাদের মানসিক গঠনের সাথে আমার মানসিক গঠনের কিছুটা পার্থক্য ছিল। এ কারণেই হয়তো আমার বেশী অসুবিধা হতো। বিশেষ করে এ রেস্টুরেন্টের মালিক ও হেড ওয়েটার এ দুজন মিলে আমার জীবনটা অতিষ্ট করে ফেলেছিলো। মাঝে মাঝে বাসায় ফিরে পরদিন আবার সেখানে যেতে হবে এ কথা ভাবলে মনে হতো পাগল হয়ে যাব। হয়তো বেশীদিন এ রেস্টুরেন্টে কাজ করলে তা-ও অসম্ভব ছিল না।
এ সময় বাংলা ব্লগিংটা আমার মনের অবস্থা ঠিক করার জন্য অনেকটা উপকার করেছিলো। কারণ রেস্টুরেন্টের যুদ্ধ শেষ করে বাসায় ফিরে প্রতিদিনই বাংলা ব্লগগুলো নিয়ে বসতাম। বহু মানুষের হাজার হাজার লেখার মাঝে আমার নিজের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিতান্তই তুচ্ছ হয়ে যেতো।
এদিকে আমি যে অন্য একটা স্টক অডিটিংয়ের কোম্পানিতে চাকরি করি সেখানেও কাজের চাপ বাড়ছিলো। রেস্টুরেন্টে কাজ করার পরে সেখানে কাজ করতে গেলে মানুষের ব্যবহারে আকাশ পাতাল পার্থক্য চোখে পড়তো। রেস্টুরেন্টের কাউকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করলেই ঝারি শুনতে হতো অন্যদিকে সেই কোম্পানির লোকজনকে কোনো বিষয় হাজারবার জিজ্ঞাসা করলে তারা হাজারবার বুঝিয়ে দিতো। দুই-একজন বর্ণবাদী বৃটিশ ও ভারতীয় ছাড়া সবাই ছিল অতি ভদ্র ও হাসিখুশি। সে কোম্পানিতে এক দিনের গড় বেতন রেস্টুরেন্টের দ্বীগুন, কখনো কখনো চার গুণ বেশী পাওয়া যাচ্ছিলো। তবে ব্রিটিশ কোম্পানিটিতে আমার নিয়মিত কাজের কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। সাধারণত তাদের ওখানে সপ্তাহে দুই দিন কাজ করার সুযোগ ছিল। কিন্তু লোকবল সঙ্কটের কারণে তাদের ওখান থেকে মাঝে মাঝে চারদিন বা পাঁচদিন পর্যন্ত কাজে ডাকা শুরু করেছিলো। আর ইউনিভার্সিটির টিউশন ফিয়ের বাকি টাকাটাও মোটামুটি গুছিয়ে এনেছিলাম। কিন্তু কাজের চাপে পড়াশোনার সময় পাচ্ছিলাম না। সে মুহূর্তে আমার কাছে টাকার চেয়ে পাশ করাটাই জরুরী মনে হচ্ছিলো। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম আর রেস্টুরেন্ট নয়। কয়েকজন বন্ধুকে বললাম, আর রেস্টুরেন্টে কাজ করবো না। তারা অনেকেই মানা করলো। কারণ যতো বেশী কাজ ততো বেশী আয়। কিন্তু রেস্টুরেন্টের উপর থেকে আমার মন একেবারেই উঠে গিয়েছিলো।
পরদিন ঘুম থেকে উঠে রেস্টুরেন্টের মালিককে ফোন করে জানালাম, আপনার সাথে একটু দেখা করতে চাই। তিনি পরদিন গাড়িতে করে যখন রওনা দিবেন এমন একটা সময়ে তার বাসায় ডাকলেন। বাসার সামনের রাস্তায় দাড়িয়েই কথা হলো। আগের দিন রাতে আমার পকেটে ভুলক্রমে রেস্টুরেন্টের একটা চিমটা রয়ে গিয়েছিল। সেটা ফেরত দিলাম আর আগামী সপ্তাহ থেকে কাজ করতে চাই না, এমন কথা জানালাম। এভাবেই আমার ছয় মাসের রেস্টুরেন্ট জীবনের অবসান হলো। এই ছয় মাসে আমার অভিজ্ঞতাটা্ও কম হয়নি।
চাকরি ছাড়ার পর আর কখনো সেই রেস্টুরেন্টে যাওয়া হয়নি। তবে কয়েকজন কর্মচারীর সাথে রাস্তাঘাটে দেখা হয়েছে। সহকারী শেফের সাথে তার কয়দিন পরে দেখা হয়েছিলো। তিনি জানালেন যে, তাদের খারাপ ব্যবহারের কারণে চাকরিটা তিনিও ছেড়ে দিয়েছেন। কাজ ছাড়ার পর তাদের সাথে আর কখনো দেখা করতে যাইনি। কারণ দেখা করতে গেলেই হেড ওয়েটার ও অন্য কয়েকজন সম্ভবত আমার সাথে খারাপ ব্যবহারের কারণে দুঃখ প্রকাশ করবে। সাধারণত কোনো কারণে লোকজন চাকরি ছাড়ার পর এরা তা করে। আমি অবশ্য তাদের সে সুযোগ দেইনি।
আগের পর্বগুলো:
রেস্টুরেন্টের দিনগুলি-১
রেস্টুরেন্টের দিনগুলি-২
রেস্টুরেন্টের দিনগুলি-৩
রেস্টুরেন্টের দিনগুলি-৪
রেস্টুরেন্টের দিনগুলি-৫
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: শেষ। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা নেই।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
ভাল থাকবেন।
ইচ্ছে বলেছেন:
জীবনের প্রতিটা পদক্ষ্যেপে আমরা শিখি, আপনার এই সিরিজটাতেও তেমনি আমাদের জন্য অনেক কিছু শেখার আছে...লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
ভাল থাকবেন।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
দারুন দারুনঅনেক কিছুই মিলে গিয়েছে
জীবনটা কত যে কঠিন সেটা বিদেশে না আসলে বোঝা হতো না।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন জীবনটা কত যে কঠিন সেটা বিদেশে না আসলে বোঝা হতো না।
ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা রইলো।
ইসানুর বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ
দূর দিগন্ত বলেছেন:
দুরন্ত ভাই আপনার লেখাগুলো প্রতিবারেই দারুণ হয়। আপনার কাছে কিছু বিষয় জানতে ইচ্ছে করছে। ইংল্যান্ডের সিটিজেনশিপ পেতে এখন কিরকম সময় লাগে, ওখানে পড়াশোনা করতে করতে কি সিটিজেনশিপের জন্য এপ্লাই করা যায়?
আর আপনার এ কথাটি ঠিক বুঝলাম না"বাস্তবেই বৃটেনে এসে পড়াশোনা করে চাকরি-বাকরির ক্ষেত্রে কোনো সুবিধা হয় এমন কোনো যুক্তি-প্রমাণ পাচ্ছিলাম না।"
কিন্তু আমি জানি ব্রিটেনের ডিগ্রীর বেশ সুনাম আছে।
আশা করি বিস্তারিত জানাবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। বৃটেনের সিটিজেনশিপ পা্ওয়া তুলনামূলক ভাবে কঠিন। প্রথমেই এরা সিটিজেনশিপ দেয় না। প্রথমে পার্মানেন্ট রেসিডেন্স দেয় (ইনডিফিনিট লিভ টু রিমেইন বলে)। তার সম্ভবত বছরখানেক পরে সিটিজেনশিপ দেয়।
ইনডিফিনিট লিভ টু রিমেইন পা্ওয়ার জন্য এখানে কয়েক বছর থাকতে হয়। যেমন আমার জানা মতে:
১. ওয়ার্ক পারমিট, এইচএসএমপি, বিনিয়োগকারী বা ব্যবসায়ী ভিসাতে ৫ বছর থাকলে,
২. কোনো ব্রিটিশকে বিয়ে করে ৩ বছর থাকলে,
৩. বৈধভাবে যে কোনো ভিসাতে ১০ বছর থাকলে
৪. অবৈধভাবে বা ভিসা বিহীন ভাবে ১৪ বছর থাকলে
ইনডিফিনিট লিভ টু রিমেইন পা্ওয়া যায়।
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সিটিজেনশিপ পা্ওয়া খুব কঠিন। তবে অনেকেই তাড়াতাড়ি পড়াশোনা শেষ করে ভাল চাকরি পেলে এইচএসএমপি বা হাই স্কিল মাইগ্রেশন ভিসা নিয়ে নেয়। সেক্ষেত্রে ৫ বছর পরে ইনডিফিনিট লিভ পা্ওয়া যায়।
এছাড়া অনেকে ছাত্র ভিসাতেই প্রতি বছর নতুন নতুন কোর্সে ভর্তি হয়। এভাবে ভিসা বাড়াতে বাড়াতে ১০ বছর পার হয়ে গেলে তখন তারা ইনডিফিনিট লিভ পেতে পারে। তবে ভিসা বাড়িয়ে বাড়িয়ে ১০ বছর থাকা খুব কঠিন। কারণ ভিসা বাড়ানোর ফি বাবদ প্রতিবার সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। ছাত্র ভিসা থাকলে ভাল চাকরি পা্ওয়া যায় না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি বাবদ ইনকামের সমস্ত টাকা দেয়া লাগে।
বিস্তারিত নিয়ম এখানে পাবেন : http://www.ukba.homeoffice.gov.uk/
(এছাড়া্ও আরো কিছু ওয়েবসাইট সার্চ করলেই পাবেন)
লেখক বলেছেন: বৃটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে আমি কিছু বলি নাই। র্যাংকিং দেখলে পাবেন যে, পৃথিবীর সেরা ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪ টি বৃটেনের।
কারণ ও লেভেল পাশ করলেই বৃটেনের লোকজন চাকরি-বাকরি কাজ কর্ম করতে শুরু করে। বাড়তি পড়াশোনা করেও বিদেশীদের পক্ষে উপরের পদে যাওয়া সম্ভব হয় না। ফলে এ লেভেল/ জিসিও/ ও লেভেল ইত্যাদি পাশ করা ছেলেপেলে যেসব কাজ করে মাস্টার্স পাশ করেও আপনাকে সেই একই কাজ করা লাগবে। বাড়তি পড়াশোনা আপাতদৃষ্টিতে এখানে মূল্যহীন।
নীরজন বলেছেন:
অনেক কষ্ট করেছেন..............
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ![]()
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
পুরো সিরিজটাই পড়লাম। খুব সুন্দর করে লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইলো
ভাল থাকবেন।
নুশেরা বলেছেন:
ব্লগের অন্যতম সেরা সিরিজ পড়লাম। আগেই ঠিক করেছিলাম সব লিংক একসাথে পেলে এটা প্রিয়তে নিয়ে যাবো। কেমন আছো ভাই? ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: ভাল আছি আপু।
কেন যে লজ্জা দিচ্ছেন
বাস্তবে এ লেখা খুবই ছাড়া ছাড়া হয়েছে। সাহিত্যও হয়নি। আমার স্মৃতিগুলোকে লিপিবদ্ধ করে রাখার ইচ্ছা থেকেই এ লেখার জন্ম। লেখার পরে আবার নতুন করে অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। শেষ পর্ব লেখার পর মনে হচ্ছে সেগুলো্ও লেখাতে দেয়া যেতো। পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ভাল থাকবেন।
রাগিব বলেছেন:
পুরো সিরিজটা পড়লাম, ইন্টারেস্টিং অভিজ্ঞতা।হেড ওয়েটারের উপরে আপনার প্রতিশোধ হবে, যদি ঐ রেস্টুরেন্টে কাস্টোমার হিসেবে একদিন খেতে যান।
লেখক বলেছেন: দেখি একদিন যেতে পারি
। পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।
নুশেরা বলেছেন:
নতুনভাবে যা মনে আসছে, যে পর্বে খাপ খাবে, সেখানে এডিট করে দিয়ে দাও। এটা আরও অনেকেই পড়বে। আমি নিজেও আবার পড়বো।
লেখক বলেছেন: শীঘ্রই শুরু করবো ভাবছি। নতুন সংযোজনগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় হবে না যদিও।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। ভাল থাকবেন।
শাহানা বলেছেন:
ভাল লাগল যে আপনি ঐ পরিবেশ থেকে বের হতে পেরেছেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
লগইন না করে বিচ্ছিন্নভাবে দুএকটা পর্ব পড়েছি, মন্তব্য করা হয় নি। পুরোটা একসাথে পড়তে হবে। লেখাটাতে বাস্তবতাকে খুব ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্লগে দেখা এখন পর্যন্ত অসম্ভব ভালো একটা বাস্তব জীবনের গল্প। প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।কেমন আছেন? লন্ডনে আসা হয়? এদিকে আসলে জানায়েন বস, খুব খুশি হবো।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। যেহেতু আমার বিচ্ছিন্ন স্মৃতিগুলোর লিপিবদ্ধকরণ তাই লেখাটা খুব ছাড়া ছাড়া হয়েছে।
কোম্পানির কাজে মাঝে মাঝে যা্ওয়া হয়। যেমন হ্যালোইনের দিন সাউথ লন্ডনে গিয়েছিলাম। সেদিনই চলে এসেছি। কোম্পানির গাড়িতে যাতায়াত করার কারণে যাত্রা পরিবর্তন করার সুযোগ পাইনা।
ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আপনার উচিত ওই রেষ্টুরেন্টে একদিন তিনটা বন্ধু নিয়ে যাওয়া, এবং মেইনকোর্স সার্ভ করার পরে কারি ঠান্ডা বলে তা হেড ওয়েটারের উপর ছুড়ে মারা। আপাতত এর বিকল্প কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন। দেখি কি করা যায় ![]()
ত্রেয়া বলেছেন:
পুরো সিরিজেই প্লাস।এমন অভিজ্ঞতা হয়ত বাইরের দেশে থাকা আরও অনেকেরই আছে তবে এতটা সুন্দর গুছিয়ে লিখতে পারটাই ভালো লাগলো খুব।
আরেকটা কথা, আপনি ভাগ্যবান বলেই হয়ত এ থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন দ্রুতই।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। গুছিয়ে লিখলাম কোথায়
ভাল থাকবেন।
শুভেচ্ছা রইলো।
নতুন রাজা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ভাই। পুরো সিরিজটাই খুব ভালো লেগেছে। আপনি সহজভাবে পরবাসের কষ্টগুলো তুলে ধরেছেন। আবারো অনেক অনেক ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন...
িনদাল বলেছেন:
রাগিব বলেছেন: পুরো সিরিজটা পড়লাম, ইন্টারেস্টিং অভিজ্ঞতা।হেড ওয়েটারের উপরে আপনার প্রতিশোধ হবে, যদি ঐ রেস্টুরেন্টে কাস্টোমার হিসেবে একদিন খেতে যান।
আমিও এক ধরনের অড জব করতে করতেই পুরো লেখাটা পরলাম। দেখবেন এই অভিগ্গতা পরবর্তি জিবনে কাজে লাগবে
শায়েরী বলেছেন:
Valo laglo+++++++++
আমিও মানুষ বলেছেন:
একদমে ছয়টি পর্ব শেষ করলাম। আমার বিশ্বাস থেকে শুধু এ টুকুই বলি- ভালো কিছু হবেই, হবে। অনেক শুভকামনা রাইলো।
পাওয়ার ফ্যালকন বলেছেন:
এক নিঃস্বাসে পড়লাম, ভালো থাকবেন
উণ্মাদ তন্ময় বলেছেন:
পুরো সিরিজটা এক বসায় পড়লাম। অসাধারণ। কি বলবো ঠিক বুঝতে পারছি না। জীবনের এই রূপটার কথা কেবল শুনেছি, কিন্তু আপনার লেখা পড়ার পর যেন তা চোখের সামনে ভেসে উঠলো।
জীবন্মৃত০১ বলেছেন:
পুরো সিরিজটা পড়লাম। দুর্দান্ত হয়েছে। এখন যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন সেই শুভকমনা রইলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















ব্রিটেনে অড জবের মধ্যে রেস্টুরেন্টের বাইরে আর কি আছে....? এখন অবশ্য অবস্হা খারাপ জানি...