প্রথম কৌতুক
শিকারে বেরিয়ে পথে প্রথমেই নাসীরুদ্দীনের সামনে পড়ে রাজামশাই ক্ষেপে উঠলেন। লোকটা অপয়া। আজ আমার শিকার পন্ড। ওকে চাবকে হটিয়ে দাও।
রাজার হুমুক তামিল হল।কিন্তু শিকার হল জবরদস্ত।রাজা নাসীরুদ্দীনকে ডেকে পাঠালেন। কসুর হয়ে গেছে নাসীরুদ্দীন। আমি ভেবেছিলেম তুমি অপয়া। এখন দেখছি তা নয়। নাসীরুদ্দীন তিন হাত লাফিয়ে উঠে বলল।
আপনি ভেবেছিলেন আমি অপয়া? আমায় দেখে আপনি ছাব্বিশটা হরিণ মারলেন, আর আপনাকে দেখে আমি বিশ ঘা চাবুক খেলাম। অপয়া যে কে সেটা বুঝতে পারলেন না?
দ্বিতীয় কৌতুক
নাসীরুদ্দীনের যখন বয়স খুব কম তখন একদিন তার বাপ তাকে বললেন, ওরে নসু, এবার থেকে খুব ভোরে উঠিস।
‘কেন বাবা’? ‘অভ্যেসটা ভালো’, বললেন নসুর বাপ। ‘আমি সেদিন ভোরে উঠে বেড়াতে গিয়ে রাস্তার মধ্যিখানে পড়ে থাকা এক থলে মোহর পেয়েছি’। সে থলে ত আগের দিন রাত্রেও পড়ে থাকেত পারে, বাবা।
সেটা কথা নয়। আর তাছাড়া আগের দিন রাত্রেও ওই পথ দিয়ে হাঁটছিলুম আমি, তখন কোনো মোহরের থলে ছিল না।
তাহলে ভোরে উঠে লাভ কি বাবা? বললে নাসীরুদ্দীন। যে লোক মোহরের থলি হারিয়েছিল সে নিশ্চয় তোমার চেয়েও বেশি ভোরে উঠেছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



