অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।
এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া
অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য
নয়।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার বিভাগ

আমার প্রিয় পোস্ট

সংবিধানের ৫ম সংশোধনী বাতিলের রায় বহালের ফলে ..........

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১২ |

শেয়ারঃ
0 0

৫ম সংশোধনী বাতিলের জন্য মামলা হয়েছিল । মামলায় রায় হয়, তা বাতিল করার। এই সংশোধনীটি ছিল , মূলতঃ বাংলাদেশের মৌলিক
রাজনৈতিক চেতনাটিকে কবর দেবার।
সেইসব চক্রান্তকারীরা তা করেছিল খুব কৌশলে।

দেখা যাক কীভাবে কী সংশোধনী আনা হয় বাংলাদেশের সংবিধানে।


বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের যেসব বিষয় বদলে ফেলা হয়েছিলো তার মধ্যে অন্যতম হলো রাষ্ট্রীয় চার মূল নীতি ও সংবিধানের প্রস্তাবনা অংশ।

সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় সংশোধনী এনে পঞ্চম সংশোধনীতে বলা হয় ‘আমরা বাংলাদেশের জনগণ ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি।’ ’৭২-এর মূল প্রস্তাবনায় জাতীয় স্বাধীনতার জায়গায় ছিল জাতীয় মুক্তি কথাটি।

প্রস্তাবনায় পরিবর্তন এনে ওই সংশোধনীতে আরো বলা হয়, ‘আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদগণকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ সামাজিক সুবিচারের সেইসব আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হবে।

মূল সংবিধানে ছিল- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ সংবিধানের মূলনীতি হবে।

অনুচ্ছেদ ৬-এ পরিবর্তন এনে সংশোধনীটিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।’
মূল সংবিধানে এই কথার সঙ্গে আরো যুক্ত ছিল যে, এই দেশের নাগরিকগণ বাঙালি বলে গণ্য হবেন।

মূল সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৮-এ ছিল- ‘জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং এই নীতিসমূহ থেকে উদ্ভূত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি হবে এবং বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যা দেয়ার ক্ষেত্রে এটা নির্দেশক হবে।’
৫ম সংশোধনীতে রাষ্ট্রপরিচালনার এসব মূলনীতিতে পরিবর্তন এনে বলা হয়, ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হবে। সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস হবে যাবতীয় কার্যাবলীর ভিত্তি।’

মূল সংবিধানে ৯ অনুচ্ছেদে ছিল- ‘ভাষা ও সংস্কৃতিগতভাবে একক সত্তা বিশিষ্ট যে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, সেই ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।’

কিন্তু সংশাধনীটিতে অনুচ্ছেদটির এই কথাগুলো বিলুপ্ত করে বলা হয়, ‘রাষ্ট্র স্থানীয় সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিগণের সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে উৎসাহ দেবে এবং এসব প্রতিষ্ঠানে কৃষক, শ্রমিক ও নারীদের যথাসম্ভব বিশেষ প্রতিনিধিত্ব দেয়া হবে।’

পঞ্চম সংশোধনীর আগে ১০ অনুচ্ছেদে ছিল- ‘মানুষের ওপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ নিশ্চিত করতে সামজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।’

সংশোধনীতে এ জায়গায় বলা হয়, ‘জীবনের সর্বক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হবে।’

মূল সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদে ছিল- ‘ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি বাস্তবায়নের জন্য সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িকতা, কোনো বিশেষ ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদাদান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার ও কোনো বিশেষ ধর্মপালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা নিপীড়ন বিলোপ করা হইবে।’

৫ম সংশোধনীতে পুরো অনুচ্ছেদটিই বাতিল করে দেয়া হয়। এছাড়া ওই সংশোধনীতে ২৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে যুক্ত করা হয়, ‘রাষ্ট্র ইসলামী সংহতির ভিত্তিতে মুসলিম দেশসমূহের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব জোরদার করতে সচেষ্ট হবে।’

মূল সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে ছিল- ‘কোনো সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় নামযুক্ত বা ধর্মভিত্তিক কোনো সংগঠন করা যাবে না।’

৫ম সংশোধনীতে এই অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করা হয়।

দুই

আমার প্রশ্ন হচ্ছে , এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিল তৎকালীন
বিএনপি-জামাতী জোট সরকার। বর্তমান সরকার তা তুলে নিয়েছে।
ফলে ঐ সংশোধনী বাতিল হয়ে যাবার কথা,

তাহলে কী অন্যান্য ধারাগুলো বলবৎ হবে?

'কোনো সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় নামযুক্ত বা ধর্মভিত্তিক কোনো সংগঠন করা যাবে না।’ ----এই ধারাটি কী
কার্যকরী হবে ?







 

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


১৯টি মন্তব্য

১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২২

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: ................

বিস্তারিত সংবাদ

সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামাত জোটের শাসনামলে সরকারের দায়ের করা আপিল আবেদন প্রত্যাহারে সরকারকে অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের ওপর দেয়া স্থগিতাদেশও তুলে নিয়েছে। রোববারের এই রায়ের ফলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত খন্দকার মুশতাক আহমেদ, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম এবং জিয়াউর রহমানের শাসনকে বেআইনি ঘোষণা করে দেয়া হাইকোর্টের রায়ই বহাল রইলো। সুপ্রিম কোর্ট রোববার একইসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টেরও দায়ের করা একইরকম একটি আপিল প্রত্যাহারে অনুমতি দিয়েছে। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবীর করা আপিলের ওপর ১৮ জানুয়ারি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এই দুটি আপিলের সিদ্ধান্ত শেষে রায় কার্যকর করতে কোনও বাধা থাকবে না। রোববার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এম তাফাজ্জল ইসলামের নেতৃত্ব পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ রায়ে বলেছে, রাষ্ট্রের দায়ের করা আপিল রাষ্ট্র নিজেই প্রত্যাহার করতে চাইলে আইনের কোনও বাঁধা নেই। কিন্তু এই রায়ের বিরোধিতা করেছেন হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামাতের পক্ষে আপিল আবেদন করা খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের আইনজীবী টিএইচ খান ও তিন আইনজীবীর পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। আগামী ১৮ জানুয়ারি শুনানি শেষে এই দুই আবেদনের বিষয়ে আদালতের নির্দেশের পরেই সরকার পঞ্চম সংশোধনী বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। জিয়ার নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকারের আমলে বেহাত হয়ে যাওয়া রাজধানীর ওয়াইজঘাটের 'মুন সিনেমা হল'-এর মালিকানা দাবি করে বাংলাদেশ ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস কোম্পানির পক্ষে মাসুদুল আলম নামের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। এই মামলার শুনানিতে অনেকটা কেঁচো খুড়তে সাপের মতোই বেরিয়ে আসে ১৯৭৭ সালের ৭ নম্বর মার্শাল ল রেগুলেশন (এমএলআর)'র বৈধতার প্রশ্নটি। পরে গত ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট হাইকোর্টের দেয়া রায়ে শুধু সিনেমা হল দখল নয়, পুরো সামরিক সরকারের ক্ষমতাগ্রহণকেই অবৈধ বলে উল্লেখ করা হয়। এর অর্থ দাঁড়ায়: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত খন্দকার মুশতাক আহমেদ, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম এবং জিয়াউর রহমানের শাসন বেআইনি ছিলো। তবে আদালত উল্লেখিত সময়ে জনস্বার্থে করা সরকারের বেশকিছু কাজকে বৈধতা দেয়। সে সময় শাসন ক্ষমতায় থাকা জিয়ার হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের নির্দেশে রাতেই তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী চেম্বার জজ আমিরুল কবীর চৌধুরীর বাসায় গিয়ে রায় স্থগিত করার জন্য আপিলের জন্য অনুমতি চান। চেম্বার জজ প্রথমে পরদিন পর্যন্ত রায় স্থগিত করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানিয়ে দেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জেআর মোদাচ্ছির হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ৩১ আগস্ট, ২০০৫ দুই মাসের জন্য রায় স্থগিত করে নিয়মিত বেঞ্চে আবেদন করতে নির্দেশ দেন। পরে এ স্থগিতাদেশ দফায় দফায় বাড়ানো হয়। রায় স্থগিত করতে আরও একটি আপিল করা হয় মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে। একসময় মুন সিনেমা হলের মালিক ছিল ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস কোম্পানি। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে এবং এক পর্যায়ে মুক্তযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে হস্তান্তর করা হয়। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রের আইনজীবীরা আপিল প্রত্যাহারে তৎপর হন এবং অবশেষে ২০০৯ সালের ৩ মে প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এর আগে বলেছিলেন, বর্তমান সরকার মনে করে পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার হাইকোর্টের রায় সঠিক রায়। এ রায়ে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ প্রতিফলিত হয়েছে। এ কারণে গত সরকার যে আপিল করেছিলো তা চালানোর প্রয়োজন নেই। সরকারের পক্ষ থেকে আপিল করার পরদিনই বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন এবং জামাতে ইসলামী সমর্থক আইনজীবী মুন্সী আহসান কবির, তাজুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান ভুঁইয়া মামলায় পক্ষভুক্ত হতে চাইলে আদালত তাদের লিভ টু আপিলের নির্দেশ দিয়ে ৪ সপ্তাহ সময় বেঁধে দেয়। এরপর ২৫ মে তারা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আলাদা দুটি আপিল করেন।








২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৪

সরসিজ আলীম বলেছেন: ধন্যবাদ।
খুবই দরকারী লেখা ।

ভালো লাগলো। ভালো থাকুন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , কবি ।

৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৬

ধ্রুব তারা বলেছেন: ভালো পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের বাসিন্দা হতে চাই। যেখানে ধর্মব্যবসায়ের রাজনীতি হবে বিলুপ্ত।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: যেখানে ধর্মব্যবসায়ের রাজনীতি হবে বিলুপ্ত।

খুবই চমৎকার বলেছেন ।

৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৮

মৌসুম রেজা বলেছেন: ধন্যবাদ।

একটি প্রয়োজনীয় সাইট www.linkbd24.com কাজে আসবেই।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৩

যোগী বলেছেন: ধ্রুব তারা বলেছেন: ভালো পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের বাসিন্দা হতে চাই। যেখানে ধর্মব্যবসায়ের রাজনীতি হবে বিলুপ্ত।


সহমত

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: সেটাই হোক

৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

আবুল হাসনাত সুজন বলেছেন: ধ্রুব তারা বলেছেন: ভালো পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের বাসিন্দা হতে চাই। যেখানে ধর্মব্যবসায়ের রাজনীতি হবে বিলুপ্ত।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: গণমানুষের জয় হোক

৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৪

শয়তান বলেছেন: সামরিকতন্ত্রের হাত থেকে গনতন্ত্র মুক্তি পাক

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: খুবই দরকারী কথা ।

৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৭

ধীবর বলেছেন: ৫ম সংশোধনি বাতিল হলেই কি এক লাফে ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া যাবে? এর পেছনের পরের অধ্যায়ই তো হলো চতুর্থ সংশোধনি। যেটা কার্যকর হলে খোদ আঃ লিগেরই তো বিলুপ্তি ঘটার কথা। জেনে শুনে কি আঃ লিগ নিজের ধবংস ডেকে আনবে?

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করেন এবং দেখেন ।

৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২২

চিটির বাক্স বলেছেন: আপনার জন্য
Click This Link

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: হ

১০. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪১

আবুল হাসনাত সুজন বলেছেন: আমার একটা ব্যক্তিগত অভিমত আছে। আমি চাইনা দেশে ইসলামি রাজনীতি বন্ধ হোক। একজন মুসলমান হিসেবে দেশে ইসলামি রাজনীতি বন্ধ হোক এটা আমি বলতে পারি না। কারণ, নবী মুহাম্মদের জীবনের একটি বিরাট অংশ জুড়ে আছে রাজনইতিক জীবন। তবে আমি চাই, জামাত শিবির বন্ধ হোক। কারণ তারা ধর্মের নামে ইসলামকে ব্যবহার করছে এবং তাদের নেতারা যুদ্ধাপরাধী। যদি তারা আসলেই ইসলামিক রাজনীতি করত, তাহলে কখনই চারদলীয় ঐক্যজোট গঠিত হতো না। কারণ, ইসলামী রাজনীতিতে কখনই একজন মহিলা রাষ্ট্রপ্রধান হতে পারেন না। আল-কোরআনের একটি আয়াতের অনুবাদ উদ্বৃতি করি:
"আমি (আল্লাহ) নারীকে মর্যাদা দিয়েছি, পুরুষকেও মর্যাদা দিয়েছি, তবে পুরুষকে নারীর উপর মর্যাদা দিয়েছি।"

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: তা আপনার ব্যক্তিগত মত ।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন