আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

ইজরায়েল-হামাস বিরোধ : প্রতিবাদ ঢেকে যাচ্ছে বিদ্বেষের অন্ধকারে

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

নরওয়েভিত্তিক ওয়েবসাইট "বয়কট ইজরায়েল ডট নর"- সাম্প্রতিককালে আমার দেখা একটি ভালোমানের সাইট, যাতে আবেগের চেয়ে যুক্তি কিছুটা হলেও প্রাধান্য পেয়েছে। এই প্রথম আমি একটি ইসলামি ওয়েবসাইট দেখলাম, যেখানে তারা সরাসরি এন্টি-সেমিটিজমের যে কোনো ধরন-রূপের বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে। ওয়েবসাইটে তারা বলছে, ‌‌আমরা ইহুদিদের (এবং অন্য কোনো ধর্মেরই) বিপক্ষে নই। আমাদের অবস্থান ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইজরায়েলি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে।
ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতের পর বাংলাদেশেও প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখেছি, পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখাও পড়েছি- কিন্তু কোথাও এ ধরনের ভাষা কিংবা অবস্থান দেখিনি। বরং লক্ষ্য করেছি, ইজরায়েল-হামাস নিয়ে এ যাবতকালের প্রায় সব লেখাতেই এবং সব ধরনের প্রতিবাদেই ইহুদিবিদ্বেষটাই মূল বিষয়, প্রতিবাদ সেখানে মূখ্য ছিল না।

ইজরায়েলি প্রপাগাণ্ডা সাইটগুলো দেখছিলাম ওয়েব ঘুরে ঘুরে। মাত্র একটি সাইটে বাংলাদেশের নাম পেয়েছি, যাতে এক লাইনে শুধু লেখা আছে- ''বাংলাদেশের ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।" এবং একে উল্লেখ করা হয়েছে এন্টি-সেমিটিক মুভমেন্ট হিসেবে।
বিস্ময় নিয়ে দেখলাম, ইরান-লেবানন-কেনিয়ায় হিটলারের স্বস্তিকা চিহ্ণ সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিবাদ সমাবেশের ছবি ইজরায়েল সমর্থক সাইটগুলোতে শোভা পাচ্ছে। তারা বলছে, বলে বলে সত্য হিসেবে প্রতিষ্টা করছে- বিশ্বের কয়েকটি দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের নামে যা কিছু হচ্ছে, তার সবই আসলে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা এবং স্পষ্টতই ইহুদিবিদ্বেষ। ইজরায়েলি প্রপাগান্ডা মেশিনগুলোর পাশাপাশি বিশ্বমিডিয়াও এই বিষয়টিকে হাইলাইট করেছে। এবং এখনো করা হচ্ছে। বোধহয় এইজন্য বিশ্ব মিডিয়ার কোথাও (বলা যায় খুব কম জায়গায়) ফিলিস্তিনিদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতি দেখা যায়নি।
বাংলাদেশেও এই জাতিবিদ্বেষ, আমার ধারণা, ইতিমধ্যে গণহিস্টিরিয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তাই ভাবুন- এতো প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পরও কী কারণে বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠ গাজায় গিয়ে পৌঁছায় না? নিজেকে প্রশ্ন করুন- প্রতিবাদ কেন বিদ্বেষের অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে?

এবং ব্লগ...
দিনে দিনে সামহোয়্যার হয়ে উঠেছে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা আর ইহুদি-বিদ্বেষের আখড়া। আমি এরকম প্রচুর উদাহরণ দিতে পারবো, যাতে পরিস্কার বিদ্বেষ ছাড়া আর কিছুই নেই। সামহোয়্যারইন সংশ্লিষ্টদের এখনই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা দরকার। এটা কিন্তু ভালো লক্ষণ নয়। ব্লগের মতো প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষের ছত্রচ্ছায়ায় একপেশে প্রচারণার ক্ষেত্র হয়ে উঠলে সেটা আর ব্লগ থাকে না।

আমি সতর্ক করতে চাই যে, বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয়টা উপস্থাপিত হচ্ছে জাতিবিদ্বেষী মোল্লারাষ্ট্র হিসেবে। অথবা এমনও বলা যায় যে, বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছাচ্ছে বিশ্বসমাজে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা।

আমার এই লেখার বিরোধিতা করার আগে দয়া করে লেখার মূল ভাবটি বুঝতে চেষ্টা করবেন। পর্যবেক্ষণ হয়তো মামুলি, কিন্তু মন্দ কিছু যে বলিনি, এমনকি স্বধর্মের (মুসলিম) লোকদের বিপক্ষেও যে এ লেখায় কিছু নেই- আমি নিশ্চিত। আপনিও নিশ্চিত থাকবেন আশা করি।

প্রাসঙ্গিক লিংক
এসোসিয়েটেড প্রেসের একটি সংবাদ

ছবির উৎস : এসোসিয়েটেড প্রেস

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): boycott israel campaignisraelbangladeshisrael bangladeshzionistzionismanti-semitismanti semiticanti semitism ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দূরের জানালাব্লগ ও ব্লগ সমালোচনাসমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: ব্লগ হয়ে উঠেছে সঙ্ঘবদ্ধ হিজবুত তাহরীরের আখড়া। এরা শিবিরের আপগ্রেড... অন্ধ-বিশ্বাস অন্যার্থে অ-সহনশীলতার বিস্তার ঘটাচ্ছে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: এবং এসব ক্ষেত্রে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা হিসেবে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা আমাকে অনেকটাই হতাশ করেছে। এভাবে একপেশে মত নিয়ে ব্লগ চলে নাকি?

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: মাইনাস দিলেও অসুবিধা নেই। পোস্টটা লিখতে পেরে মনের গুমোট ভাবটা বহুদিন পর চলে গেল। মাইনাসের কারণে বক্তব্য থেমে থাকবে না কখনোই। ওইরকম লোক আমি নই।

৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৬
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: মুসলিমদের উচিৎ না ইহুদি সহ অন্যান্য আহেলি কিতাব ধারী জাতির বিরুদ্ধে যাওয়া। কারণ স্পষ্ট কুরআনে আছে যে তাদের মধ্যেও এমনও লোক আছে যারা তার প্রভুর জন্য সিজদাবনত হয়...। ( জাস্ট ভাবটা বললাম) তাদের মেয়েদের বিয়ে ইসলামে জায়েজ। মূসা (আ) একজন সুবিখ্যাত নবী। তাই আমাদের ইহুদী বিদ্বেষী না হয়ে এটাকে গনহত্যা মনে করে এই কাজে জড়িতদের বিচারের জন্য সোচ্চার হওয়া দরকার। তার পরও কথা থেকে যায়।জাতি হিসেবে প্রাচীন কাল থেকে তাদের বেশির ভাগ সদস্য অত্যান্ত চালাক এবং তারাই বেশির ভাগ নবীর হত্যাকারী। এবং তাদের বেশির বাগ সদস্য কোন এক কারণে ইসলাম বিদ্বেষী। এবং সেটা চরম আকারের।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ইহুদী বিদ্বেষী না হয়ে এটাকে গনহত্যা মনে করে এই কাজে জড়িতদের বিচারের জন্য সোচ্চার হওয়া দরকার। একমত। আমার মূল বক্তব্য হল এই, বিদ্বেষটা যেন বড়ো হয়ে দেখা না দেয়, মামুলি বিদ্বেষের কাছে গণহত্যার মতো অপরাধ যেন চাপা পড়ে না যায়।

৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৭
বিডি আইডল বলেছেন: বাংলা ব্লগে অ-সহনশীলতার বিস্তারে মুহম্মদ নিকের ছাগাফুরের অবদান স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে
৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২২
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: কতরঙ্গ জানোরে বাপু কত রঙ্গ জানো,

আলু ব্লগে জাল পালাইয়া সামুতে বইসা টানো।

@ফিউশন ফাইভ=লোকালটক।

কইষা মাইনাস।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: কিছু কিছু লেখায় মাইনাস নিয়ে ভাবি না। এটা তার মধ্যে একটি।

আমার বক্তব্য আপনাকে কেন সন্তুষ্ট করতে পারলো না, জানলে বরং ভালো হতো।

৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৬
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

ফিউশন ফাইভ=লোকালটক নাকি আজকাল হিব্রু নিকে ব্লগায়।

ব্যাপার কি?
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আমার প্রতিটিই ঘোষিত। এবং সব নিকেরই একটি বিশেষ ধরন আছে। সুতরাং অন্য কোনো নিকের সঙ্গে আমাকে জড়ানোটা বোকামি হবে।

৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: মাইনাস।

আহত আবেগে কেউ কেউ ইহুদি বিদ্বেষি কথা লিখলেও সামু'তে বেশিরভাগ লেখাই মুলত ইজরায়েলের আগ্রাসনবিরোধী তথা জায়ানিজম বিরোধী।

অবশ্য আপনি তো এই পরিস্থিতিতেও দুপক্ষকেই তুষ্ট করা নিরপেক্ষ লেখা চান।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ইজরায়েলের নির্বিচার হত্যাকে সমর্থন জানানোর প্রশ্নই আসে না। বরং আমাকে পীড়িত করেছে এই একটি বিষয়ই- গণহত্যার বিচারের দাবি কেন জাতিবিদ্বেষ কিংবা ইহুদিবিদ্বেষের কাছে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে? গাজা নিয়ে সামহোয়্যারে এ পর্যন্ত আসা ৯৫ ভাগ লেখাই জাতিবিদ্বেষী। কিছুটা সময় লাগলেও আমি প্রমাণ করতে পারবো।

৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩০
অনিশ্চিত বলেছেন: প্রথম আলোতে কিছুদিন আগে এই সুরের একটা লেখা পড়েছিলাম, আপনারটি নিয়ে দ্বিতীয়। এরকম আরো কিছু লেখা দরকার।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। এই ধরনের বক্তব্য আরো বেশি করে আসা উচিত মিডিয়ায়।

৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: Israel Recruits Army Of Bloggers To Troll Anti-War Website।ফিউশন ফাইভ ওখানে জয়েন করেন।

অনুবাদ করতে দেরী হবে তাই আংড়াজি দিলাম।

uruknet.de

Israel has announced that it is setting up a network of bloggers to combat websites deemed “problematic” by the Zionist state, presumably to propagandize about the necessity of killing babies and infants in the name of self-defense.

Israel’s global reputation for being the new Nazis was already firmly established, but the ceaseless and indiscriminate bombing of Gaza, labeled a war crime by international observers, has hardened opinion against the country and this has manifested itself nowhere more than the world wide web.

Israel’s response will be to flood the Internet with PR agents who will attempt to create a phony consensus that the Zionist state’s barbarian actions are justifiable.

According to a report in Haaretz, the Immigrant Absorption Ministry is setting up “an army of bloggers” who will “represent” Israel on “anti-Zionist blogs” in English, French, Spanish and German.

The ministry’s director-general Erez Halfon told Haaretz that over a million people who speak a second language are being targeted in a recruiting drive that will then direct the volunteers to web sites deemed “problematic.” Presumably their mission would be to troll comment boards and forums with pro-Zionist arguments, a public relations stunt that we have seen employed by other entities such as Monsanto and more recently Centcom and the U.S. Air Force.

Such ongoing efforts to infiltrate the internet and propagandize for the war on terror are well documented.

CENTCOM has programs underway to infiltrate blogs and message boards to ensure people, “have the opportunity to read positive stories,”presumably about how Iraq is a wonderful liberated democracy and the war on terror really is about protecting Americans from Al-CIAda.

In May 2008, it was revealed that the Pentagon was expanding “Information Operations” on the Internet with purposefully set up foreign news websites, designed to look like independent media sources but in reality carrying direct military propaganda.

More recently the New York Times published an expose on privately hired operatives who have been appearing on all major US news networks promoting the interests and operations of the Pentagon and generating favorable news coverage of the Bush administration while posing as independent military analysts.

This operation was formally announced in 2006 when the Pentagon set up a unit to “better promote its message across 24-hour rolling news outlets, and particularly on the internet”.
Again, the Pentagon said the move would boost its ability to counter “inaccurate” news stories and exploit new media.

Just over a week ago, the US Air Force announced a “counter-blog” response plan aimed at fielding and reacting to material from bloggers who have “negative opinions about the US government and the Air Force.”

The plan, created by the public affairs arm of the Air Force, includes a detailed twelve-point “counter blogging” flow-chart that dictates how officers should tackle what are described as “trolls,” “ragers,” and “misguided” online writers.
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: ভ্রক্কেপিত জ্ঞান @ এই ধরনের থার্ড ক্লাশ রংবাজি আমি করে এসেছি ব্লগজীবনের প্রথম দিকে। বহুমুখী ট্রোলিংয়েও সত্যি বলতে কী, আমার সমকক্ষ কেউ কেউ এই ব্লগে আছেন, কিন্তু ওপরে কেউ নেই। সুতরাং সাবধানে পথ চলা ভালো।;)

যা হোক, সোর্সটা নির্ভরযোগ্য নয়। যদি হয়ও ওখানে যোগ দেওয়ার দরকার মতো বেকার আমি নই। রুটিরোজগারের জন্য আমার একটি ভালো কাজ আছে।

১০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: ইসরাইলী আগ্রাসন নিয়ে কথা বলার সময় আমরা প্রায় সবাই ইহুদিদের দিকে আঙ্গুল তুলি (অবশ্য ইহুদি রাষ্ট্র একটিই)। কিন্তু যদি এভাবে টুইন টাওয়ার হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ট্রেনে বোমা হামলার জন্য ইংল্যান্ড কিংবা সর্বশেষ মুম্বাই হামলার জন্য ভারত সমস্ত মুসলিম বিশ্বের প্রতি আঙ্গুল তুলতো সেটা সহজভাবে নিতাম না।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ইহুদিরা যে ভালো, তা আমি বলছি না। কিন্তু গণহিস্টিরিয়ার মতো এই বিদ্বেষটা গণহত্যার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে ঢেকে দিচ্ছে। গণহত্যার বিচারের দাবিটা হয়ে পড়ছে গৌণ। পশ্চিমা প্রপাগান্ডা মেশিনের কল্যাণে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছাচ্ছে বাইরে।

১১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
বিডি আইডল বলেছেন: আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: ইসরাইলী আগ্রাসন নিয়ে কথা বলার সময় আমরা প্রায় সবাই ইহুদিদের দিকে আঙ্গুল তুলি (অবশ্য ইহুদি রাষ্ট্র একটিই)। কিন্তু যদি এভাবে টুইন টাওয়ার হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ট্রেনে বোমা হামলার জন্য ইংল্যান্ড কিংবা সর্বশেষ মুম্বাই হামলার জন্য ভারত সমস্ত মুসলিম বিশ্বের প্রতি আঙ্গুল তুলতো সেটা সহজভাবে নিতাম না।

কারণ দুটোর প্রেক্ষাপট ভিন্ন...ইসরাইল রাষ্ট্রের ইতিহাস পড়ুন...ফারুক ওয়াসিফের পোষ্টটি না পড়লে পড়ে নিন
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: গাজায় যে এইভাবে নির্বিচারে হতাযজ্ঞ চালালো ইজরায়েল সেনারা, বিশ্ববাস্তবতা দেখলে এটা প্রায় নিশ্চিত যে, হাজার বাদ-প্রতিবাদ সত্ত্বেও এর কোনো বিচার হবে না। এখন কেন বিচার হবে না- তার একটি কারণ আমি ওপরে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি।

১২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
'লেনিন' বলেছেন: ভালো লিখেছেন। সাহসী সময়োচিত লেখা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস, লেনিন!

১৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫০
অ্যামাটার বলেছেন: @ফিউশন সাহেব: আপনি নিরাবেগ মানুষ হতে পারেন, আপনি সুপারম্যান। কিন্তু তাই বলে আপনি ৯৯% মানুষের আবেগকে অশ্রদ্ধা করতে পারেন না! এমনকি গত শনিবার নগরীর আজিমুশসানে অনুষ্ঠিত বিরাট ইসলামী জলসায় উপবিষ্ট বিশিষ্ট কৌতুকাভিনেতা 'মতি'-ভাইও তার পত্রিকায় এন্টি ফিউশনিস্ট প্রচারণা চালাচ্ছে!!
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ৯৯% মানুষের আবেগকে অশ্রদ্ধা কিভাবে করা হল? আর আবেগটাইবা কী?

বেশি কিছু বলবো না, ইউরোপের প্রধান একটি মুসলিম সংগঠনের উদ্যোগে তৈরি "বয়কট ইজরায়েল ডট নর"-এর ফ্রিকুয়েন্টলি আক্সড কোয়েশ্চেন অংশটুকু সম্ভব হলে এখনই একবার পড়ে দেখো।

১৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভ্রক্কেপিত জ্ঞান @ এই ধরনের থার্ড ক্লাশ রংবাজি আমি করে এসেছি ব্লগজীবনের প্রথম দিকে। বহুমুখী ট্রোলিংয়েও সত্যি বলতে কী, আমার সমকক্ষ কেউ কেউ এই ব্লগে আছেন, কিন্তু ওপরে কেউ নেই। সুতরাং সাবধানে পথ চলা ভালো।;)

দয়া করে দুই একটা উধাহারন যদি দিতেন দয়া করে?

কি কি রংবাজী করছেন আপনে যে আপনারে কেউ টপকাইতে পারে নাই।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: প্রথমত এই পোস্ট উদাহরণ জোগানোর দোকান নয়। আর উদাহরণ জোগালেও বুঝে ওঠার জন্য কিছু এলেম লাগে। সেইটা আপনার আছে বলে আমার এ যাবত মনে হয় নাই।

১৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: http://www.mideastweb.org/briefhistory.ht

আপনার জন্য একটা লিংক দিলাম।পড়ে দেখতে পারেন।

প্রসংগক্রমে বলে রাখি, আপনার টপিকসের সাথে আমার দ্বিমত নাই।ইজরাইল বিরোধিতা আর এন্টিসেমিটিজমকে আমি একভাবেই দেখি না।

কিন্তু সাম্প্রতিক আগ্রাসনে আপনার অতি নাটকীয় অবস্থান আপনার পোষ্টের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দেহের জন্ম দেয়।এনিওয়ে, সবাই একরকম তো আর হবেনা,কেউকেউ তো ব্যাতিক্রম হবে কিংবা হওয়ার ভান করবে।

আমি একটা লেখা ভাষান্তর করেছিলাম সেইটাতে আপনি কমেন্টও করেছেন।ঐটা কি এন্টিসেমিটিক মনোভাব ধারন করে?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: একটি জিনিস কী, আপনার ইতিহাস চর্চায় যতোটা মনোযোগী, বাস্তবতার প্রতি ততোটাই উদাসীন। বাস্তবতা হচ্ছে এই, গাজায় গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর বিচার চাওয়া উচিত। বিচার চাওয়ার পথে বাধা কী কী- সেগুলো সতর্কতার সঙ্গে দেখতে হবে।

"ইজরাইল বিরোধিতা আর এন্টিসেমিটিজমকে আমি একভাবেই দেখি না"- এই প্রথমবারের মতো আপনার বক্তব্য স্পষ্টভাবে জানা গেল এবং ভালো লাগল।
আপনার ওই লেখার মাত্র শেষ পর্বটিই শুধু পড়েছি। অন্যগুলোও পড়তে হবে।

১৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১০
আরিফুর রহমান বলেছেন: ইজ্রাইলী আগ্রাসন অবশ্যই হীন এবং ঘৃন্য। কিন্তু একে ধর্মীয় রং দিতে চাইছে আস্তিক পাল নামের নতুন সঙ্ঘবদ্ধ একটা দল। ইজ্রায়েল ইস্যূতে এইসব ইতরেরা যেকোন কিছুতে ধর্মীয় লেবাস পড়িয়ে তারপর লোকের সহানুভুতি টানতে চায়।

এক ঢিলে কয়েকপাখি মারতে গিয়ে আমাদের সহনশীলতা ও মানবিক দৃষ্টি ভঙ্গি নষ্ট করে ফেলছে এই আস্তিকতা সর্বস্ব দল।

সবাইকে সাবধান হতে বলছি।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: গাজা ইস্যুতে কেনিয়া পর্যন্ত বিশ্বমিডিয়ায় ভালো কাভারেজ পেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মিনমিনে ধর্মরঙা প্রতিবাদ বিশ্বমিডিয়ায় ঠাঁই পায়নি। এক জায়গায় লেখা হয়েছে দেখলাম একটা লাইন- ''বাংলাদেশের ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।"

১৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১২
আরিফুর রহমান বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত লাদি, চটি আডল, আর এমাছাগু রে পাত্তা দেওনের কিছু নাই।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বস্তুটা তাহলে ছাগু? এই বস্তুটিকে আগে লক্ষ্য করা হয় নাই। ভবিষ্যতে এইটা আশা করি আনন্দদায়ক হবে।

১৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১২
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রথমত এই পোস্ট উদাহরণ জোগানোর দোকান নয়। আর উদাহরণ জোগালেও বুঝে ওঠার জন্য কিছু এলেম লাগে। সেইটা আপনার আছে বলে আমার এ যাবত মনে হয় নাই।

নিজেরে বীর সাজাবেন,আর উথাহারন চাইলে দিতে পারবেন না।

বা বলবেন আপনার বীর বুঝার মত এলেম নাই।

এভাবে পাশ কাটানোর মানে কি?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: কোনো মানে নেই।

১৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
জোরেশোরে প্লাস। আবাল কতকগুলো এই পোস্টে কি চায়।

মামু মামু ডাকতে এগো যত না আনন্দ তার চে' বেশী বাপের শালা কইতে এরা বেশি মজা পায়!
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু প্রশ্নোত্তর। দীর্ঘদিন পর দেখলাম ব্লগে।

২০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @এ্যমাটার, ভ্রুক্ষেপিত আর বিডিডল

কাউ কাউ করনের ইচ্ছা থাকলে কর, থামামু না। কিন্তু যদি ফিলিস্তিনের ব্যাপারে দিলে একটুও আবেগ থাইকা থাকে তাইলে আসল সমস্যাটা বুঝনের চেষ্টা কর। নাইলে কাউ কাউ পর্যন্তই সার। অবশ্য তুমাদের আমি কোনদিনও আসল সমস্যা বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করতে দেখি নাই।

পানির গভীরতা না বুঝনের মুরোদ না থাকলে পানিতে না নামনই শ্রেয়।
২১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: @ছাগিপুর রহমান ।

তোমার আবার কি হইল? খাউজাইয়া লাগতে আস কেন?
২২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২
আরিফুর রহমান বলেছেন: তোদের সাথে তো লাগার কিছু নাইরে।

তোদের কে সবুট লাথিই যথেষ্ট।
২৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৩
নির্বাক হাসান বলেছেন: লোকজন বলে প্রশ্নোত্তর নিকটা এক ক্যালকিশিয়ান হিন্দুর আর লুকালের আলু ব্লগের এডমিন হবার খায়েশ হইছে
২৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: নির্বাক হাসান বলেছেন: লোকজন বলে প্রশ্নোত্তর নিকটা এক ক্যালকিশিয়ান হিন্দুর আর লুকালের আলু ব্লগের এডমিন হবার খায়েশ হইছে।

আর ছাগিপুর রহমান=ছাগাদা(ঘানাদা)
২৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: এইযে ধর্মায়নের ভাটা শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে, সেটা কি বাংলাদেশের এতীম হিজবুতের ছাগলগুলি বুঝতে পারবে?

বাংলাদেশে পর্যন্ত জনগন ধর্ম নিয়ে ব্যাবসার বিরূদ্ধে মতামত দিয়েছে ভোটের মাধ্যমে।

উগ্র আস্তিক বলদগুলার মাথায় কি ঢুকবে এটা?



(আর ছাগাধম, খবরদার যদি আমার এই কথার উল্টা মানে বাহির করছো.. আমি বলেছি 'উগ্র আস্তিক', ঠিকাছে?)

সাধারন মানুষ ধর্মপ্রাণ, কিন্তু তাদের সেই অনুভুতির সুযোগ নেয় এসব উগ্র ধর্মীয় ছাগলগুলি।
২৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: আর ভ্রুক্ষেপিত লাদি = সারুল্যা চোদরি। ;)
২৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @নির্বাক হাসান আর ভ্রুক্ষেপিত

আমার সাথে পার্সোনালি লাগোনের ইচ্ছা থাকলে ট্রাই কৈরা দেকতারো...তয় সেই টাইপের ক্যাচাল করনের লেইগ্যা অন্য পোস্ট বাইছা নিও, লাগলে নিজেরা পোস্ট দিও। পোঙ্গার কেজি কত কৈরা বুঝাইয়া দিমুনে। আপাতত এই পোস্টে বিরক্ত কৈরো না।
২৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩২
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

ছাগিপুরের এই পোষ্টা এত মাইনাস খাইল কেমতে বুঝলাম না।

Click This Link
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: পাকিস্তানপ্রেমী ড়াজাকাররা ওই পোস্টে মাইনাস দিছে- এইটা তো স্পষ্ট। ধর্মের ভিত্তিতে জন্ম নেওয়া দ্বিতীয় রাষ্ট্র তো পাকিস্তানই।

২৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: আরো বিরক্তিকর লাগে, যখন দেখি রাজাকার ছাগুদের জন্য নির্ধারিত 'ছাগ-' প্রিফিক্সিটা 'ছাগাধমের' বদৌলতে এখন সবার ললাটেই শোভা পায়।

আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো, রাজাকার/শিবির ছাগুদের বি টীম 'আস্তিক গ্রুপ' এই যে 'ছাগু' শব্দটার পোঙ্গা মেরে দিলো, তাতে কারোরই কোন মাথা ব্যাথা নেই।

এভাবেই আমাদের যুদ্ধ এসে আরেকজনে হাইজ্যাক করে নিয়ে যায়।
৩০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
নির্বাক হাসান বলেছেন: ছাগল গুলান ব্লগে আসলেই সবার লাথি খায়, এইগুলার জন্মের দোষ আছে। মানুষ এত বেহায় হয় কেমনে?
৩১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: @নির্বাক হাসান, তোমারে দেখি আর তোমার প্রশ্নের উত্তর পাইয়া যাই! ;)
৩২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান

তুমি আরিফুর রহমানকে ছাগিপুর বলছ কেন? এটা কি ইসলামের শিক্ষা? নবীর টিচিং?

ফ্রান্কলি বল।
৩৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

@প্রশ্নোত্তর

তোমার আবার কি হইল?
কে কি নিয়া লাগবার চায়?গায়ে পইড়া লাইগো নাতো।
৩৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @নি হা

কইলাম তো অন্য পোস্টে তুমার গুস্ঠির পুঙ্গা মারবনে, আপাতত বিরক্ত কৈরো না।
৩৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: কালকে চটিডল/আর এমাছাগু পিলুরে ছেপ করতে আইসা যে মাইর খাইলো...

আর অগোরে ফিল্ডে মাইর খাইতে নামায়া দিয়া আম্গো হিজবুত চুতিয়া ছাগাধম সুন্দর শিবিরের মতো ভর্তি গাইড নামায়া দিলো।

শিবির নামাইতো রেটিনা।

হিজুবত নামায় বিবিএ ভর্তি।
৩৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান

তোমারে জিগাইছি তোমার ২৯ নম্বর কমেন্ট সম্পর্কে: আরিফুর রহমানরে ছাগিপুর কৈলা কেন? এইটা কি নবীর শিক্ষা? ফ্রান্কলি কও।
৩৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: ছাগিপুর ছাগু হইয়া ও মানুষ সাজবার চায়। তাই তারে বলি।
এই রকম।
৩৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ওকে। তাইলে কি ধৈরা নিব এই মাস্তানি তোমার নবীর শিক্ষা?

...এখন তোমারে আমি বান্দির পুত বৈলা একটা ছবি মাইরা দেই?
৩৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: লেখককে:

যেহেতু
ইজরায়েল ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র

এবং যেহেতু
মুসলিমদেরকে তাদের বাপ দাদার ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে অন্যায়ভাবে ইহুদীদের promised land এ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই
ইজরায়েল রাষ্ট্রের পত্তন

এবং যেহেতু
পৃথিবীর শতভাগ ইহুদীই (১ কোটি ৫০ লাখ মাত্র) ধর্মীয় সুত্রে এরাষ্ট্রের নাগরিক

সেহেতু
ইজরায়েল এবং ইহুদীকে কেউ যদি সমার্থক মনে করে তবে কি তাকে দোষ দেয়া যায়? বা বলা যায় যে সে ভুল?


"ইসরাইলী আগ্রাসন নিয়ে কথা বলার সময় আমরা প্রায় সবাই ইহুদিদের দিকে আঙ্গুল তুলি (অবশ্য ইহুদি রাষ্ট্র একটিই)। কিন্তু যদি এভাবে টুইন টাওয়ার হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ট্রেনে বোমা হামলার জন্য ইংল্যান্ড কিংবা সর্বশেষ মুম্বাই হামলার জন্য ভারত সমস্ত মুসলিম বিশ্বের প্রতি আঙ্গুল তুলতো সেটা সহজভাবে নিতাম না।"

আশাবুল ইয়ামিনকে বলছি:

৯/১১ এর পর মুসলিমরা যে খুব সুখে নেই, শুধু মুসলিম বলেই, নামের সাথে শুধু "মুহাম্মাদ" থাকার জন্য তারা যে নিয়মিত হেনস্তা হচ্ছে তা কি কারও অজানা?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ইজরায়েল এবং ইহুদীকে কেউ যদি সমার্থক মনে করে, তর্কের খাতিরে মানলাম যে, তাকে দোষ দেয়া যায় না। কিন্তু এর যে একটা বড়ো বিপদ আছে সামনে, তা কি বুঝতে পারছেন?

৪০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: প্রশ্নো, কুত্তার কাম কামড়ানি, তাই বৈলা তারে্ কামড়ানি কি ঠিক?

আসল ওষুদ হৈলো বাঁশ দিয়া দুইডা বাড়ি।

কেঁউ কেঁউ করতে করতে দৌড়ায়া ছাগাধমের খোঁয়ারে গিয়া ঢুকবো তখন।
৪১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
বিডি আইডল বলেছেন: ছাগিফুর...কে কারে কোন জায়গায় মারছে...টাল হইয়া ভুইলা গেলে পুরান পোষ্ট দেখ গা
৪২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: আসলে কোন ব্লগেই আমি ক্যাচাল করিনা এখন ভাল লাগেনা।

তবে আজকে একটু করলাম ফিউশন ফাইভের সাথে।

হে নাকি ছুশিল। আলুতে ঢুকবার চায়। মামোর জায়গায় হে।

এই পোষ্টের পক্ষে বিপক্ষে কিছু বলবার চাইনাই।


আর মাঝখান দিয়া আরিফ আইসা ফাল পাড়ে। সবসময় তারে দেখি গায়ে পইড়া প্যাচাল করবার চায়। যা ছাগুদেরই অভ্যাস।

এই টাই আজকের শেষ কমেন্ট এই ব্লগে।
৪৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাহাহা! চটিডল ভাবতে পারে নাই, ব্লগে আইসাই এমন মাইর খাবে। ইশশ.. ;)
৪৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @বিডি

আমার কথার উত্তর দেও, ছাগিফুর কি?
৪৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: যা ভাগ! ভ্রুক্ষেপিত লাদি, তোর খোঁয়াড়ে গিয়া নিজের আরবী লাদির উপ্রে গিয়া গড়ান দে, বহুত ছোয়াব পাবি।

যা ভাগ!
৪৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: না না না ভ্রু যাইয়ো না। তোমার নবীর আরো কিছু কীর্তন-কারবার দেখায়া যাও। আর একজনরে গালি দিয়া দৌড় দিয়া চৈলা যাইবা তা কি হয়? হয় স্বীকার কর কাজটা অনুচিৎ করছো বা অসচেতনতাজনিত কারণে কৈরা ফালাইছ আর নয় পাল্টা গালি খাইয়া যাও।
৪৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: মামোর সমস্যা আছে, সে ছুপা রাজাকার।

ফিউশনে কোন কথায় কি রাজাকারী দেখছস কোন ড়াজাকার বান্দীর পুত, তাইলে এইসব গুজব তৈরি করে কে?
৪৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১
বিডি আইডল বলেছেন: ছাগলের মত যেখানে সেখানে মুখ দেয় আর লাদি ছাড়ে...আর লন্ডনে গান্জার কারবার করে সে@....ত্তর (বাই দ্যা ওয়ে বহুত দিন আগে কি বিষয়ে জানি প্রশ্ন করছিলাম...উত্তর না দিয়া পলাইছিলা
৪৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: আর চটি আইডল সবাইরে নিজের মতো চটির বিজনেস মনে করে।

অবশ্য ছাগলে কি না খায়। তুই কি চটিও চিবায়া খাস নাকি?

তোর খুড় দিয়া পাতা উল্টাস কেমনে? নাকি জেজে তে যাইয়া খুর দিয়া কিবোড চাপার চ্যাষ্টা দেস?

হম?
৫০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আরিফুর রহমান কি পড়বে না পড়বে কোথায় মুখ দিবে না দিবে সেটা ঠি করে দেয়া ঠিকাদারি কি তোমার? আস্পর্ধা দেখে অবাক হই। আরিফুর রহমান লন্ডনেই থাকে না, তাকে তুমি 'গান্জার' কারবারী বলে ফেললা! নিজের দিকে একটু চেয়ে দেখ, মানুষ হতে আর কত বাকি।

আমাকে তুমি আবার কবে কি প্রশ্ন করেছিলা? তোমার সাথে আমার প্রশ্নোত্তরের পর্ব হল কবে? আশ্চর্য তো!
৫১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৩
মনজুরুল হক বলেছেন: এ্যামাটার ৯৯% কইতে কি বোঝান? এই মুখস্ত বাতিল তথ্য দিয়া আর কাম চলে না। চোখটারে একটু খুলেন। দুনিয়াডা আপনেগো বাড়ির উঠানে খাড়াইয়া যেটুক দেখা যায় তার চাইতেও বড়।
৫২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: প্রশ্নো, সেইটা মনে হয় সে স্বপ্নে কল্পনা কৈরা নিছিলো।

চটিডল করবে প্রশ্ন, ছ্যাহ!
৫৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৫
বিডি আইডল বলেছেন: আমি কার ছাগিফুর ডাকি সেটা জানার আস্পর্ধা শুধু তুমারই আছে...আবালের নাতি...
৫৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৯
মনজুরুল হক বলেছেন: আ.হা.শিমুল এর ১৫ নম্বর কমেন্ট আর লেখকের উত্তর দুটোতেই প্লাস।
৫৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৬
ভালো-মানুষ বলেছেন: কত দিন পরে এলে! পাইসি চটির মাস্টাররে!

হে মাস্টর! খবর কিতা? এত সুন্দর একটা পোস্টেও চটির ভাষা টাইনা আনলা কেনে? চটিময়তা ছাইড়া থাকতে পারো না?
৫৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৬
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: বিচিরে কই কি আর বি উত্তর দেয় কি!
৫৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: তুই কোন চ্যাটের বাল চটিছাগল?

তোর বিদ্যা হইলো দুনিয়ার ফাউল কপি পেস্ট আর শিং নাচাইয়া, ম্যা ম্যা, 'আমি শিবিরের ছাপুটার, ঠাপুটার' ম্যাৎকার করন।

দুঃখ, এইসব বালছাল ইদানীং ব্লগে বাসা বাধছে..
৫৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩২
অ্যামাটার বলেছেন: @মনজুরুল ভাই: আপনাকে লেখক হিসেবে রেসপেক্ট করি, আচ্ছা, ৯৯%টা নাহয় আমিই বললাম, বাস্তবতা ধরে নিচ্ছি তর্কের খাতিরে ভিন্ন, বাদ দেন,
মাত্র দু'টো প্রশ্ন করছি;
১) ইজরাইলের গণহত্যা সমর্থন করেন কি-না?
২) যদি 'না' হয়; তাহলে এর প্রতিবাদে কি ভুমিকা নেওয়া উচিৎ বলে আপনি মনে করেন?

@আরিফুর রহমান: মানুষ যে কত্ত নিচে নামতে পারে...
সবসময়ই ওৎ পেতে থাকে, সুযোগ পেলেই হাঁটু সমান বুদ্ধি নিয়ে নিজের নাস্তিকতার বয়ান জাহির করতে শুরু করে দেয়...সত্যিই বিণোদিত হই...লজিকে টান পড়লে খিস্তি-খেউরের ভোকাবিলারি উন্মুক্ত করে আবার...তোমার মত বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে আমার বলার কিছু নাই; অনটপিক কিছু বললে নাহয় দু'-একটা কথা চালাচালি হত...

@লেখক: হুমম...পোষ্ট আসবে হয়ত; তবে একটু সময় লাগতে পারে; আগে সমস্ত ইজরায়েলি প্রপাগন্ডাগুলো গলধকরন করি, তারপরই না হয় যুক্তিখন্ডনে যাব...

আর আপনার ঐ লিঙ্কটা সম্বন্ধে একটা ভুল কথা বলেছেন, ঐটা কোন মুসলিম সংগঠনের সাইট না, বরং হবে কোন যায়য়োনিস্ট কম্যুনিটি পেইড কোন ভুঁইফোড় সুবিধাবাদির প্রভুভক্তি। আর ওখানে কিছু বাল্যখিল যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যার একটাও ধোপে টিকে না। ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে মানুষের মনে জাগ্রত স্বাভাবিক ইহুদি বিদ্বেষ প্রশমনের অপচেষ্টা। যাহোক, পরে পোষ্ট দিয়ে সব বলব। শেষমেশ একটা প্রশ্ন;

বোঝা যাচ্ছে আপনি ইজরায়েলি গণহত্যা সমর্থন করেন না, কিন্তু 'পণ্য বর্জন' কনসেপ্টে আপনি বিশ্বাসী না; কনট্রডিক্টরি মনে হচ্ছে!! যা হোক, আমি অর্থনীতি কম বুঝি, কিন্তু এই পথে অসুবিধাটা কি, একটু ব্যাখ্যা করবেন কি? অন্তত সবাই তাহলে আসল ব্যাপারটা জানতে পারবে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: তারা যদি জায়নিস্ট কমিউনিটি পেইড ভূঁইফোড় সুবিধাবাদী হয়ে থাকে, তাহলে তারা ইজরায়েলি পণ্য বর্জনের ডাক কেন দিচ্ছে? ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইজরায়েলি দমন-পীড়নের প্রতিবাদ কেন তারা করছে? হিসাব তো মেলে না। তাই না?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: পণ্য বর্জন কনসেপ্ট যে কেন অসার এবং বাকসর্বস্ব, শুধু বাংলাদেশের অবস্থা দেখলেই তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমার ধারণা, এই ডাক-ফাকের পর নকিয়ার বিক্রি আরো বেড়েছে। নকিয়া এক্সপ্রেস মিউজিক ফোনের জন্য গ্রাহকের সুদীর্ঘ সারি সে কথাই বলছে। আর পণ্য বর্জন কনসেপ্টে কেন বিশ্বাসী না, তার জন্য ইসরাইলি পণ্যবর্জন : গরিব গ্রহের ঘোড়ারোগ? পোস্টটি পড়লে ভালো হয়।

৬০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: লেখাটির বিষয় এবং পর্যবেক্ষণ ব্যতিক্রমী, সন্দেহ নেই। কিছু কিছু বিষয়ে আপনার সাথে একমত। তবে, এন্টি-সেমেটিজম যে এভাবে গজিয়ে উঠছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী, তার কারন বা শেকড় মনে হয় বেশ গভীরে। দীর্ঘদিন ধরে এতদঞ্চলে ইসরেলের আগ্রাসী হাবভাব এমনধারা এন্টি-সেমেটিজমের জন্যে অনেকাংশে দায়ী। শত্রু যেখানে অপ্রতিরোধ্য-প্রায়, সেখানে শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদ এবং সংগ্রামটা জাতিগত বিদ্বেষের পর্যায়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে এ ধরনের ইহুদী বিদ্বেষের মূলে আছে আসলে ধর্মীয় অনুভূতি। বর্তমান যুগের যে ইসলামী চেতনা দেখি, তা-উগ্র ইহুদী বিদ্বেষী। হিটলার নিজেও উগ্র এন্টি-সেমেটিক ছিলেন বলেই ইহুদীদের ওপর চড়াও হন।

ব্লগে কিংবা অন্য যে কোনো মিডিয়াতে এ নিয়ে সাবধানতার চে বরং এটাকে লালন-পালনের চেষ্টাই বেশি। ইসরেলি নীতি নির্ধারক আর সাধারন ইসরেলিদের মধ্যে পার্থক্য তো অবশ্যই আছে, সাধারন ইসরেলিরা হয়তো এতোটা হিংস্র নয়। কিন্তু চোখের সামনে যখন দেখা যায়, একজন ইসরেলি মারার অপরাধে ১০০ জন কিংবা হাজরখানেক ফিলিস্তিনীকে হত্যা করা হয়, এবং সেটা গোটা বিশ্বের চোখের সামনে বৃদ্ধাঙ্গুলি ঝুলিয়ে ক্ষমতা জাহির করে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবজ্ঞা করে ........তখন এন্টি-সেমেটিক প্রতিবাদ উন্মেষের জন্যে ইসরেলকেই দায়ী না করে পারা যায়না।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এর পেছনে ধর্মের ভূমিকাই মূখ্য।
গাজার মানুষের জন্য যতোটা ব্যাথা আমাদের হয়, ঠিক ততোটাই শ্রীলংকান তামিলদের জন্যও হওয়া উচিত। অতীতে আমরা দেখেছি, মোটামুটি ঘরের কাছের ইন্দোনেশিয়ার আচেহ বিদ্রোহীদের সহমর্মিতা জানাতেও বাংলাদেশে দুজন লোক একত্র হয়নি।

আপনার এই মন্তব্য থেকে কিছু ব্যাখ্যা পাওয়া গেল।

৬১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৫
মনজুরুল হক বলেছেন: @অ্যামাটার।আপনার সম্পূর্ণ কমেন্ট না, আমি শুধু আমারটুকুর উত্তর দিচ্ছি।

১।ইজরাইলের গণহত্যা সমর্থন তো প্রশ্নই আসে না, পৃথিবীর কোন গণহত্যা সমর্থন করি না। এটা কোন প্রশ্ন হতে পারে না। এমনকি আমাদের সেনাবাহিনী যদি পাহাড়িদের উপর অত্যাচার চালায় সেটাও সমর্থন করি না।

২।ইজরায়েল কর্তৃক গণহত্যার কোন প্রতিকার আমরা করতে পারি না। রাস্ট্রীয় ভাবে এই দেশটাকে তেমন কেউ গোনে না। আমরা সারাদিন চিৎকার করলেও সেটা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ঠাঁই পাবে না। এই বাস্তবতা না বুঝেই আমরা চিৎকার করি। যেটা রাষ্ট্র পারত সেটা তাকে দিয়ে করাতে পারানোটাই হওয়া উচিৎ ছিল আমাদের প্রধান কাজ।
৬২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: বিস্ময় নিয়ে দেখলাম, ইরান-লেবানন-কেনিয়ায় হিটলারের স্বস্তিকা চিহ্ণ সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিবাদ সমাবেশের ছবি ইজরায়েল সমর্থক সাইটগুলোতে শোভা পাচ্ছে। তারা বলছে, বলে বলে সত্য হিসেবে প্রতিষ্টা করছে- বিশ্বের কয়েকটি দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের নামে যা কিছু হচ্ছে, তার সবই আসলে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা এবং স্পষ্টতই ইহুদিবিদ্বেষ। ইজরায়েলি প্রপাগান্ডা মেশিনগুলোর পাশাপাশি বিশ্বমিডিয়াও এই বিষয়টিকে হাইলাইট করেছে। এবং এখনো করা হচ্ছে। বোধহয় এইজন্য বিশ্ব মিডিয়ার কোথাও (বলা যায় খুব কম জায়গায়) ফিলিস্তিনিদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতি দেখা যায়নি।
বাংলাদেশেও এই জাতিবিদ্বেষ, আমার ধারণা, ইতিমধ্যে গণহিস্টিরিয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তাই ভাবুন- এতো প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পরও কী কারণে বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠ গাজায় গিয়ে পৌঁছায় না? নিজেকে প্রশ্ন করুন- প্রতিবাদ কেন বিদ্বেষের অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে?



ভালো বলেছেন!!!...প্রচারনা এক জিনিস, আর কার্যসিদ্ধি করে দেখানো আরেক জিনিস। এন্টিসেমেটিক প্রচার চালাচ্ছে বলে এতো ক্ষোভ ইসরেলি এবং তথাকথিত বিশ্বমিডিয়ার, আর ইসরেল যে ফিলিস্তিন জাতির ওপর যথেচ্ছা গণহত্যা চালাচ্ছে এটান নিয়ে তাদের কোনো মতামত নেই! তারা কি চোখে টিনের চশমা এটে সাংবাদিকতা করেন? বিশ্ববাসী, সচেতন যে কোনো মানুষকেই এটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবেনা যে আসলে সত্যিকার এন্টিসেমেটিক-হায়েনা হয়ে উঠছে কারা। এই একবিংশ শতাব্দীতে ইসরাইল যা করছে তা অর্ধশতাব্দী আগের হিটলারের এপিসোডকেও হার মানায়। পাশ্চাত্য মিডিয়ার ইন্টারপ্রিটেশন নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই! যারা একহাজার ফিলিস্তিনীর প্রানহানী ইকুয়েলটু ইসরেলি নাগরিকদের উদ্বেগ মনে করেন, তাদের প্রচারযন্ত্র ফিলিস্তীনীদের পক্ষে কি বলবে সেটা আচ করা যায় সহজেই।

বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠ গাজায় গিয়ে পৌঁছায় না?

হাস্যকর প্রশ্ন করেছেন। নিজেকে প্রশ্ন করুন জাতিসংঘের প্রতিবাদ কেন ইসরেলের কানে ঢুকেনা? উল্টো জাতিসংঘ মিশনকেই কেন ইসরেলি হামলার শিকারে পরিণত হতে হয়? আর আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি...গাযায় গণহত্যার পুরোটা সময় সংবাদকর্মীদের পথ আগলে রাখে ইসরেল।
৬৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৯
অ্যামাটার বলেছেন: দুর্দান্ত বলেছেন@হাসান বায়েজীদ!! তবে আপনার এই কথাগুলো 'অরণ্যে রোদন' হবার সম্ভাবনা যথেষ্ট।
৬৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩২
আরিফুর রহমান বলেছেন: বহুতক্ষন পরে মলম টলম লাগাইয়া আবার আসলো এমাছাগু। টিপিক্যাল ইস্লামী চটি হইতে প্রাপ্ত ভাষাজ্ঞান দিয়া একখান অলঙ্কার সজ্জিত কমেন্টও পয়দা করিতে চাইলৌ।

কিন্তু ছাগলটার গলা দিয়া খালি ম্যাঁ ম্যাঁ ই বাইরাইলো... আফসুস!!
৬৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: জোরে প্লাস। এইসব ছাগলের জেহাদি জোস দেখলে থাবরাইতে ইচ্ছা করে। । ইসরাইল-ফিলিস্তিন ৫০ বছর আগের সমস্যা , ছোটবেলা থিকা এগুলি শুইনা আসতেসি। একটা যুদ্ধে হাজারখানেক মানুষ মারা গেছে এইটা নিয়া এতো হাদুমপাদুমের কি আছে? বাংলাদেশে প্রতি বছর শুধু নৌদুর্ঘটনায় মারা যায় দেড় হাজার! নিজের াল ফেলার টাইম নাই, পরের াল নিয়া টানাটানি।
৬৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০০
অকাটমুর্খ বলেছেন:




গাযায় ইসরাইলি আগ্রাসনের ব্যাপারে মার্কিন মিডিয়ার প্রচারণা এবং প্রতিবেদনের ধরন থেকে বোঝা যাচ্ছে ইসরায়েল কতোটা শক্তিশালী! স্থল অভিযান শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার শীর্ষ স্থানীয়পত্রিকা ওয়াশিংটন পোষ্টের একটি প্রচ্ছদ এবং শিরোনামে দেখা গেলো, মার্কিন মিডিয়ার চোখে কিভাবে এই অসম যুদ্ধকে দেখছে মার্কিনীরা! প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের বা'দিকে ৫ সন্তানকে হারিয়ে উন্মাদপ্রায় এক ফিলিস্তিনী মায়ের ছবি, আর ডান দিকে, একই মাপের ছবি, ইসরায়েলী এক মহিলার, যার চোখেমুখে হামাসের ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট হামলায় উদ্বেগের ছায়া! অন্তত: ক্যাপশনে তাই-ই লেখা।

কান্নারত ফিলিস্তিনী মা' নিজেও আহত। বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত তার চেহারা। অন্যদিকে, ইসরায়েলি মহিলার মুখে ক্ষতর কোনো চিন্হ নেই। তবু সে প্রায় ক্রন্দরতা!

প্রতিবেদনটি পড়ার আগে, শুধু এই প্রচ্ছদ ছবি দেখেই প্রশ্ন জাগে, একই ঘটনার উল্টোচিত্রে কি হতো? হামাসের রকেট হামলায় ৫ সন্তান হারানো ইসরায়েলি মা আর ইসরায়েলের হামলার আশংকায় উদ্বেগরত ফিলিস্তিনী মায়ের বেলাতেও কি প্রথম পাতায়, প্রচ্ছদে একসাথে, একই মাপে এ দুটি ছবি ঠাই পেতো? ৩০ ডিসেম্বর এই ছবি ছাপিয়ে যখন ওয়াশিংটন পোষ্টের রিপোর্টখানা বেরিয়েছে, ততক্ষণে ফিলিস্তিনে মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশ। ইসরাইলি পক্ষে মত্র ৪!

যদি উল্টোটা হতো, ইসরাইলি পক্ষে সাড়ে তিনশো মারা যেতো, ওয়াশিংটন পোষ্ট এটাকে কিভাবে চিত্রায়িত করতো? অবাক হওয়ার কোনো ব্যাপার অবশ্য নেই। কারন যুক্তরাষ্ট্রের তাবৎ নামজাদা মিডিয়ার মতোই, ইসরাইলের বিপক্ষে কাভারেজ দেয়ার মতো সাহস ওয়াশিংটন পোষ্টেরও হয়নি। তাই, ন্যাক্কারজনক ভাবে এক অসম লড়াইয়ের তথ্য জানাতে গিয়ে আশ্চর্য বিশ্লেষনের আশ্রয় নিতে হয়েছে তাদের।

উদাহরনস্বরূপ বলা যায়, ওই প্রতিবেদনে, ইসরাইল মিলিটারী এবং এবং বেসামরিক জণগনের উল্লেখ করা হয়েছে অন্তত: ৯বার, একবারও একজন ফিলিস্তিনীর নাম উল্লেখ করার আগে! অথচ, এমন প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে সাড়ে তিনশো ফিলিস্তিনীর নিহত হবার খবরটি আগে আশার কথা এথিক্যালিও বটে।

প্রথম ৭টি প্যারাগ্রাফ জুরে শুধুই ইসরাইলি সামরিক কৌশলের ফিরিস্তি, তারা কিভাবে, কি উদ্দেশ্যে এই মহান আগ্রাসন চালাচ্ছে, এইসব! ৯ নম্বর প্যারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে, হামাসের বর্বর রকেট হামলার ব্যাপারে সাধারন নিরীহ, ইসরাইলীদের উদ্বেগের কথা, সীমান্ত এলাকায় যারা আতংকে দিন কাটাচ্ছেন্আশ্রয়কেন্দ্রে। অথচ, ২৩ নম্বর প্যারাগ্রাফের আগে, নিরাপদ আশ্রয়টুকুও জুটেনি, এমন ফিলিস্তিনীদের কোনো কথাই নেই!

প্রচ্ছদ প্রতিবেদনটির এই তাক লাগানো চমকের পর, কিছুটা ব্যালান্স করতে, ৫ সন্তান হারানো ফিলিস্তিনী মা'কে নিয়ে ছোট কলামে একটি আর্টিকেল অবশ্য ছাপিয়েছেন তারা।কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসরায়েলের সাড়ে তিনশো মানুষ মারা গেলেও কি এই ভূমিকা নিতেন তারা? এই ট্রিটমেন্ট দিতো মার্কিন মিডিয়া?











৬৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১০
আরিফুর রহমান বলেছেন: ঠিক যেই কারনে ইস্লামী ছাগু গুলি ভারতীয় জুজু দেখায়, ঠিক একই কারনে এরা ইহুদী জুজুও দেখায়। গাযায় যে মুসলমান না 'মানুষ' মরতেছে সেইদিকে চুতিয়াগুলার কোন মাথাব্যাথা নাই।

ওইদিকে আবার খেরেস্তানী মার্কিনিগো পা ঠিকই চাটতে থাকে।

হালার কতো জাতের ছাগ্লামী যে দেখলাম এই এক ধর্মের নামে।
৬৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৬
অকাটমুর্খ বলেছেন: আরিফুর রহমান@ একটা সুন্দর তর্কের মধ্যে লাদাইবার জন্যে তোমারে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা অভিধায় অভিষিক্ত করা যায়।

৬৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
অকাটমুর্খ বলেছেন: গাযায় ‍মুসলমান না "মানুষ" মারতেছে! তোমার ধারণা এই উপলব্ধির কথা বোঝানো যাবে ইসরাইলিদের, আর বুঝলেই তারা মানুষ মারা বন্ধ করবে?বোকার স্বর্গে থাকলেই কেবল এই কথা বিশ্বাস করা যায়!!
৭০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪
মনজুরুল হক বলেছেন: সরকারের সমস্যা হইল তারা কয় "আমার দল,আমার দেশ"। ধর্ম নিয়া বেজায় গর্বিত মুসলমানগো সমস্যা হইল তারা তাগোডা ছাড়া অন্য কোন ধর্মরেই মানতে চায় না। কম্পেয়ারিজনের অংকে ফেইল্যা নিজেগোরে সহি ভাবার কারণে আজ মুসলমানরা সারা দুনিয়াময় কেবল মাইরই খাইতেছে। তাও বুঝ হইল না যে ধর্ম না, আগে বাঁচতে হইব নিজে, মানে মানুষ, মানুষ শুধুই মানুষ।
৭১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭
অ্যামাটার বলেছেন: @আরিফুর: বহুৎ ম্যাৎকার করছো...বলি সামান্যতম ঘিলু থাকলে মূল বিষয়টা নিয়া দুটা জ্ঞিয়ান ধর্মী বাণী ছারো না!!
আর বারে বারে 'ইসলামী চেতনা-ইসলামী চেতনা' কইরা ফাল পাড়টেছো ক্যান?? এইখানে কুন যায়গাতে কে-কোথায় মুসলিম ব্রাদারহুড টাইপ কোন শব্দ ব্যাবহার করেছে?? যত্তসব!! আবারও বলছি হাঁটু সমান বুদ্ধি নিয়া ম্যাৎকার করতে আইসো না। পারলে মূল বিষয়ে কিছু কওয়ার থাকলে কও!!

আর ভাল কথা, নাস্তিকতার মূল নীতিগুলার একটা হইল মৌলবাদ বিরোধীতা, ইজরাইল যে একটা চরম মৌলবাদি রাষ্ট্র, এই বিষয়েতো তুমার মুখে একটাও জ্ঞাংর্ভ বাক্য বাইর হয়নাই!!!

যাকগা, শেষমেশ আবারও কই, এইখানে সাম্প্রদায়ীকতার কোন প্রশ্ন উঠতেছে না, একটা চরম মৌলবাদি, রেসিস্ট রাষ্ট্র আরেকটা দুর্বল প্রতিবেশি'র উপর সাম্প্রদায়িক গণহত্যা চালাইতেছে, সেইখানে প্রতিবাদ করা, এর বিরুদ্ধে সামান্যতমও ভূমিকা রাখার চেষ্টা যদি তোমার কাছে ধর্মীও গোঁড়ামি মনে হয়, তাইলে তুমার স্ক্রু-ই কেবল ঢিল না, সাথে.....!

আর এর প্রতিবাদ কোন জামাতি-শিবির-হিজবুত; এদের মধ্য সীমাবদ্ধ নাই, এটা সর্বস্তরের জনগনের স্বতস্ফুর্ত প্রতিবাদ। আমি এর আগে একবার কইছিলাম, আমি রাইটিস্ট, তয় কোনদিনই ধর্মে-কর্মে সচেতন ছিলাম না। হপ্তায় জুম্মা ছাড়া সেজদা ঠুকা হয়না কখনও,তাও চাপে পইড়া, রমজানে রোজা রাখি; সেইটাও মায়ের খচখচানিতে, আড্ডাতে পোলাগো থেকে বেপর্দা মাইয়াগো লগে বেশি টাইম পাস কর্তে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি; তাই বলে তোমার মতন কয়েকটা গন্ডমূর্খের অশ্লীল প্রচারণা বরদাশত করা সম্ভব হয়নাই...

ছাগোলের সোয়া তিন নম্বর বাচ্চা, "আল্লা-তালা কু'দা-মিয়ার মেজাজ খারাপ"; তার্পর "লম্পট মোহাম্মদের আধুনিক ভার্সনদের কান্ড"---এইসব তোমার মস্তিস্কের গোবর লাদি পোষ্ট কইরা নিজেরে নাস্তিক প্রমাণ করতে চাও!!! গর্দভ কুনহানকার, নাস্তিকতা-আস্তিকতা, ধর্ম-বিশ্বাসের মূল বিষয়গুলা নিয়া দু'লাইন পইড়া এইখানে কিছু ঝাড়তে আইসো, খামাখা লাদি ছাইড়া আর গালিবাজি কইরা নিজেরে ফেমাস আর নাস্তিক প্রমাণের চেষ্টা আমব্লগারদের কেবলই বিণোদিত করে। আর ম্যাৎকার কইরো না ছাবাল কুনহানকার।
৭২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: @এমাটার, তোর উন্নিত হইল্‌ দেখিয়া মোর বড় আনন্দিত লাগিচ্ছে।

'জ্ঞানধর্মী বাণীর প্রতি তোর আগ্রহ' দেখি মোর দিলত্‌ বড়ু সুখ হচ্ছে রে.. যদিও হলপ্‌ করি বলবার পারি, এগুনি তুই খালি ঢং দেকাপার জন্যেই করিচ্ছিস।

ওরে তোরা যদি মনেই করিস গাজায় মানুষ মারছে, সেইটা বড় ইস্যু, তবে তোর আর আমাতে তো কোন অমিল থাকপার কতা নয় রে।

কিন্তুক সমস্য তো সেখানে নয়।

তোরা মোর কথা বুঝিপার তো পারেই না, খালি নাম দেক্লেই ম্যাৎকার লাগায়ে দিচ্ছিস। খায়ে না খায়ে তোদের একই জপ্‌... 'নাস্তিকতা খারাপ, ওদের ঠেকিয়ে দেতে হইপে'

আরে বলদ, তোরা যদি বুজতেই পারতিস এই পোস্টে কি নিয়ে কথা বলিচ্ছে, তবে তোরা কি আর আস্তিক হতি?

তোদের মাথায় যে ধর্মীয় গোবরে ভরা, তোরা কি পারবি মুসলিম/ইহুদীর উপ্রে উইটে উহাকে একটা মানবীয় ইস্যু হিসাপে দেক্তে।

তোরা তো তাই পারবি না!!

খালি পারবি, উপ্রে তোর করা 'দুর্গন্ধময়' কমেন্টটার মতন, খালি ছাগলের লাদি দিয়া পোস্ট নষ্ট করতে।

তুই যে নিজেরে 'কি আমার চ্যাটের বাল হইনু' মনে করিচ্চিস, সেটা তোর কমেন দেখেই বুজা যায়!

সবাইরে নিজের মতন মনে করলে তো সেটা 'মানসিক হসপিটালের কেস' বলেই জানি।

তোরও কি সেদিক যাবার শখ হইসে নাকি রে?
৭৩. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
আরিফুর রহমান বলেছেন: আর, নাস্তিক হিসেবে, ইহুদী ধর্মও আমার জন্য সমান রকম পরিত্যাজ্য।

যেকোন ধর্মই অবশ্য পরিত্যাজ্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ