আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

পিলখানার ঘটনায় সীমান্তের খুঁটিগুলোই আসলে দুর্বল হয়ে পড়ল

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

শেয়ারঃ
0 1 0

অনেক ঘটনাই ঘটে গেল আজকে পিলখানায়। এখনো দেখার বাকি আরো অনেক কিছু। রাইফেলসের মতো একটি আধা সামরিক বাহিনীতে যে মাপের শৃঙ্খলা আশা করা হয়ে থাকে, এই ঘটনায় দেখা গেল, যে কারণেই হোক না কেন, সেই শৃঙ্খলা আদতে নেই কিংবা শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীতে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়তে দেখে অনেকেই বেশ আনন্দিত হয়েছেন দেখছি। কিন্তু বুঝতে হবে, শেষ বিচারে বাংলাদেশ রাইফেলস "সুজন" নয়, ইউএনডিপির কোনো প্রকল্পও নয়, আবার মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিও নয়। এ ধরনের বাহিনীতে শৃঙ্খলা এবং শৃঙ্খলাই শেষ কথা, এবং তা যে কোনো পরিস্থিতিতে। রাইফেলসে বেতন-ভাতার বৈষম্য ছিল, আরো নানা কারণে অসন্তোষ ছিল। তাদের দাবিও ন্যায়সঙ্গতই। কিন্তু নির্মম সত্যি এটাই যে, আজ যা ঘটল এবং আগামীতে যা যা ঘটবে- তাতে আমার দেশের সীমান্তের খুঁটিগুলোই আসলে দুর্বল হয়ে পড়ল। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এই ঘটনা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হচ্ছে। এতে যতো যাই হোক, একটি আধা-সামরিক বাহিনীর এই বিদ্রোহ বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে নিশ্চিতভাবেই চেনাবে অন্যরূপে। সেই রূপ ইতিবাচক নয়। এটা যে কোনো বিচারেই পুরো বাংলাদেশের জন্যই একটি অপমানজনক ঘটনা।

যতো যাই হোক, শৃঙ্খলাই শেষ কথা
রাইফেলসের যে সদস্য আজ মুখোশ পরে টিভি ক্যামেরার সামনে নিজেদের দাবিদাওয়া তুললেন- তার দাবির সঙ্গে একমত- কিন্তু আধা-সামরিক বাহিনীতে থাকার যোগ্যতা তার নেই। সৈনিক মাত্রেই যে কোনো পরিস্থিতিতে তার উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশ মানতে বাধ্য। এর অন্যথা হলে বুঝতে হবে, সেখানে ঘাটতি আছে, বড়ো গলদ আছে। কঠোরতম শৃঙ্খলা না থাকলে বাংলাদেশ রাইফেলস কেন, কোনো বাহিনীই টিকে থাকতে পারবে না। সবচেয়ে বড়ো প্রশ্ন হল- এই ধরনের একটি বিশৃঙ্খল বাহিনী কী করে আমার দেশের সীমান্ত রক্ষার কাজ করবে?

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য করুণা
এতো বড়ো একটি ঘটনা ঘটল, কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এর কোনোই পূর্বাভাস পাবে না- তা কী করে হয়? গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এই ব্যর্থতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার ব্যাপারে পূর্বাভাস দিতে ব্যর্থ হওয়ায়, বিশেষ করে ডিজিএফআই মহাপরিচালকের পদত্যাগ করা উচিত এখনই। এটা একটি অমার্জনীয় ব্যর্থতা তাদের। এই ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য শ্রেফ করুণাই হচ্ছে।

কে প্রতিপক্ষ, কেন প্রতিপক্ষ
সেনাবাহিনীকে আবার প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে। প্রেষণে বিডিআরে যাওয়া কোনো কোনো সেনা কর্মকর্তার অন্যায়-দুর্নীতি-অনিয়ম নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু তার জন্য পুরো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে, তাকে হেয় করে অনেকেই একধরনের সুখ অনুভব করছেন। অথচ এই মানুষগুলোই মিয়ানমার এসে বঙ্গোপসাগরে গ্যাসের জন্য হানা দিলে উদ্বিগ্ন হয়, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমানার ভেতরে ঢুকে ভারত জরিপকাজ চালালে এই মানুষগুলোর উৎকণ্ঠা ঝরে পড়ে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা বাদই দিন, ওই যে ভেনেজুয়েলা- একজনমাত্র অপহৃত সৈনিকের জন্য সেখানেও পুরো দেশ প্রার্থনায় বসে। হানাহানি হবেই, ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে লড়বেই, দ্বন্দ্ব-সংঘাত থাকবেই- কিন্তু সবার আগে দেশ। সবার আগে দেশের স্বার্থ। তবে বলা হয়ে থাকে, নরকে মাত্র একটি প্রকোষ্ঠেই কোনো প্রহরা থাকে না। কারণ সেই প্রকোষ্ঠে বাঙালিদের রাখা হয়। কেউ নরকের দেয়াল টপকে পালাতে চাইলে অন্যরা তাকে টেনে নিচে নামিয়ে আনেন। বোধকরি এজন্যই এশিয়ায় পাকিস্তান-ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সবচেয়ে কম পরিশ্রম করতে হয় একমাত্র বাংলাদেশেই, না চাইতেই যে তাদের কাজগুলো অন্যরা করে দেন। এই না হলে বাঙালি!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): bdr mutinybangladesh rifles revoltbangladesh riflesbdr mutiny day ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রতিরক্ষাসমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
বহ্নিশিখা বলেছেন: সাবাস ফিউশন ভাই। যারা আবেগে লাফাইতাছে যদি তাদের পরিবারের উপর গুলি চলত, হত্যা করা হত তাদের পরিজনদের বিডিআরের সেনা কর্মকর্তাদের মত, দেখতাম এই আবেগ কই যায়। কি কারণে দেশপ্রেমিক সেনাদের নামে কুৎসা রটনা করা হচ্ছে এটারও তদন্ত করতে হবে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: না না, আসুন দেশরক্ষার সৈনিকদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাই। তাদের প্রতিপক্ষ বানাই। তারপর আমরা সুশীল সমাজ কায়েম করবো। তাই আসুন এর মাধ্যমে আইএসআই ও র-এর গুণমুগ্ধ ভক্ত হই।

২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
চাচামিঞা বলেছেন: হেডিং দেখেই সহমত প্রকাশ করছি......বেচারা বাংলাদেশ....
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।

৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৫
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমি বিবিসিতেই প্রথম শুনলাম, ওরা এটাকে ইন্টারন্যাশনাল হেডলাইন করেছে ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: এনডিটিভি তো অলরেডি অপপ্রচার শুরুই করে দিছে।

৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৫
বহ্নিশিখা বলেছেন: যারা দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর নামে কূৎসা রটাইতেছে তারা কি জানে বিডিআর সীমান্তে কি করে? চোরাচালানী ক্যামনে হয় এ দেশে? এরা কিছুই জানে না, জানে শুধু ফাল পাড়তে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: কিছু বলেন।

৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত, তবে অন্য কারণে মাইনাস
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: কোনো বিষয়ে দ্বিমত তো হতেই পারে। আপনার এই দ্বিমতকে আমি সম্মান করি।

৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
শুভ৭৭ বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
বহ্নিশিখা বলেছেন: আ. হা. শিমুল মিয়া কি পারব নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানদের তাদের পিতাকে ফিরায়া দিতে?
৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ভারতের বিরুদ্ধে এই পোস্টে একটা লাইন আছে, তাই সুশ মিয়া ও তার দলবল ক্ষেপে মাইনাস দেবে-এইটা স্বাভাবিক। পাকিস্তানপন্হীরাও শরিক হউন বিসমিল্লাহ বৈলা। তবে আমি সামান্য দীনহীন বাংলাদেশী একটি প্লাস নিয়ে সন্তুষ্ট আছি।
১০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
ইসানুর বলেছেন: অনেকটা একমত আপনার সাথে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: কিছুটা হলেও একমত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ঘটনাটা আকস্মিক হলেও অনিবার্যই ছিল মনে হচ্ছে , বিডিআর দের reaction দেখে।। আপনার বক্তব্যগুলো যৌক্তিক।।। বিশেষ করে, গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকাটা আসলেই প্রশ্নবিদ্ধ হল এতে করে।।। আজকের রাতটা খুব্ই crucial , কারণ এর উপর আগামী বেশ কিছুদিনের ভাগ্য নির্ভর করছে।।। আপাতত ৩ নম্বর গেট অবশ্য শান্ত শুনলাম, গেটের ঠিক পাশের বিল্ডিংটাতেই আমার এক বন্ধু থাকে ।।।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: এনএসআই, ডিজিএফআইয়ের মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এই ব্যর্থতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার। বিশেষ করে ডিজিএফআই মহাপরিচালকের এখনই পদত্যাগ করা উচিত। অন্য দেশে এরকম ঘটনা ঘটলে তাই করা হতো।

১২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৬
বিডি আইডল বলেছেন: প্রথম প্লাস টা আমি দিছি...

বিষয়টা সব দিক থেকেই দু:খজনক ও ক্ষতিকারক হবে বাংলাদেশের জন্য
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: এই যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের সেনাদের এতো সুনাম, এই ঘটনায় সেখানেও প্রভাব পড়বে।

১৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৮
শুভ৭৭ বলেছেন: লেখায়+
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর গোয়েন্দা বিভাগ ব্যর্থ

Click This Link
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: পড়লাম। ঠিকই আছে আপনার কথা- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর গোয়েন্দা বিভাগ ব্যর্থ।

১৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১০
মাসুদ রানা* বলেছেন: ভারত-পাকিস্তান কোনো দেশই বাংলাদেশের বন্ধু রাস্ট্র হতে পারে না। আসলে আমাদের সবাইকে দেশপ্রমিক হতে হবে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: সবার আগে দেশ।

১৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২
মানুষ বলেছেন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে নিজের আমার মধ্যে। বুঝতে পারছি এ ঘটনা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না আবার একই সাথে, বি.ডি.আর-এর উপর চলমান অনিয়মটাও মেনে নিতে পারছি না।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: সেটাই স্বাভাবিক। বিডিআর সদস্যরা নানাভাবে বঞ্চনার শিকার- এটা আসলেও ঠিক। কিছু সেনা কর্মকর্তার অনিয়মও আছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতে, কোনো অবস্থাতেই একজন সৈনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে পারেন না। যখন কেউ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেন, তখন তিনি আর সৈনিক থাকেন না। এর ওপরই একটি বাহিনীর ভিত্তি গড়ে ওঠে। সবমিলিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হওয়াই স্বাভাবিক।

১৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি ভিন্নমত পোশন করি। শৃঙ্খলা আছে বলেই হয়ত এই ঘটনা ২০০৯ এ ঘটল। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষের কিছুই করার থাকে না।

এ পর্যন্ত যা শুনেছি, বিডিআর ডিজি সৈনিকের দিকে গুলি ছুড়েছেন। এটা বিডিআরের প্রতি অপমান। তখনই তাদের অনেক পুরানো ক্ষোভ জেগে উঠেছে। আইনের কথা বললে তো কোন আন্দোলনের পেছনেই যুক্তিকতা পাওয়া যাবে না।
১৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২০
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: বিবিসি'র সাথে সাক্ষাৎকারে বিডিআর এর একজন প্রাক্তন ডিজি তো বললেন্ এটা আসলে স্বতস্ফূর্ত কোন ঘটনা না, পূর্ব পরিকল্পিত। কারণ হিসেবে বললেন এতো লোকের কাছে গুলি সহ অস্ত্র চলে যাওয়াটা কোন স্বাভাবিক ঘটনা না। (কোন অনুষ্ঠানের জন্য অস্ত্র দেয়া হলে গুলি ছাড়া অস্ত্রই দেয়া হয় এটা আমি জানি, গুলি সহ অস্ত্র থাকে কেবল নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকে তাদের কাছে।) তিনি দায়ী করলেন গোয়েন্দা সংস্থার লোকদের আর বিডিআর এর প্রশাসনিক দূর্বলতাকে।

আরেকবার প্রমাণিত হলো যে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আসলে কোন কাজের না। বিডিআর এর বিদ্রোহী সদস্যদের ন্যুনতম অনুকম্পা প্রদশর্নের সূযোগ নেই। তবে আপনি যেটা বলছেন সেটাই শেষ কথা।
১৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৪
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: আপনে এমন গোলেমেলে অবস্থান নিলেন! হতাশ হইলাম।

আপনে প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে দাড়ানো আর আর সেনা ও বিডিআর-এর অফিসার অভিজাততন্ত্রের বিরুদ্ধের দাড়ানো; এই দুইটারে যে কারনেই হোক গুলায়া ফেলছেন।

সীমান্তের খুটি সবল আছে এই সিপাহী ও পেটি অফিসারদের কারনেই। দুর্নীতিবাজ অফিসারদের কারনে না। আপনার এই 'ভাবমূর্তি' কি খায় না মাথায় দেয়? এইটা তো কইবো সরকার। আপনে কন ক্যা লুকাল? আপনের অবস্থান আর্মি এবং আর্মি থেকে বিডিআরে যাওয়া অফিসার অভিজাতের পক্ষে যায়।

আপনের শিরোনাম এবং ফোকাস করার স্টাইল ভালো লাগেনাই।

সবকিছু 'মাইনা নেয়া'র এই সমাজে রাষ্ট্রে যে কোনো বিদ্রোহ বা বলপ্রয়োগই ইতিবাচক শেষ পর্যন্ত।

২০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভালো লিখছেন গুরু। প্লাসাইলাম।

অফ টপিক : একটা আর্জি জানাইছিলাম। বিবেচনায় নিলে কৃতার্থ হইতাম
২১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৬
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: সমস্যা হৈতাছে এক্হাতে তালি বাজে না
২২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
বহ্নিশিখা বলেছেন: মোহাম্মদ আরজুর সুশীলতার গুষ্টি কিলাই।
২৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: আপনার আশংকার চিত্রটা ফেলনা নয়, সহমত, আবার এই ঘটনার আভ্যন্তরীন মাশূলও কম নয়, যেমন: কাল যদি পুলিশ, আনসার ...বিদ্রোহ করে বসে দাবী দাওয়া নিয়ে।

কিন্তু অদ্যকার ঘটনায় বিডিআরের সাথে আসলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনীকে নয়, বরং মুখোমুখি করে দিচ্ছি দূর্নীতিগ্রস্থ প্রভাবশালী সেনাকর্মকর্তাদের। তথা, আজকের খেলা..বিডিআর বনাম প্রভাবশালী সেনাকর্মকর্তা।

যারা আসলে সেনা এবং বিডিআরের নের্তৃত্ত্ব দিয়ে থাকেন। শৃংখলা সেনাবাহিনীতে যতখানি, ততখানি বিডিআরে থাকার কথা না, তার অর্ধেকটা থাকার কথা, কারন তারা আধা সামরিক!

বিডিআর অপেক্ষা সেনাবাহিনী শিক্ষিত, উন্নত প্রশিক্ষিত। তাইতো তারা জাতিসংঘ মিশনে যায়, বিডিআর থাকে সীমানা পাহারায়।

সেনাবাহিনীকে সমালোচনায় ফেলে দেয়ার জন্যে নয়, আসলে সমালোচনায় ফেলে দেয়া হচ্ছে এর বিতর্কিত নের্তৃত্ত্বকে। শৃংখলা-শাসিত বাহিনীতে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্যে এ ধরনের নের্তৃত্ত্বই যথেষ্ঠ।

২৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪২
আতিকুল হক বলেছেন: সামরিক বাহিনীতে দূর্নীতি শুধু বাংলাদেশে তা কিন্তু না, দুনিয়ার সব খানেই বড় বড় দূর্নীতি সামরিক বাহিনীকে ঘিরেই হয়। কারন নিরাপত্তার ঘেরাটোপে দূর্নীতি করা সহজ হয়। দূর্নীতির সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু সামরিক বাহিনীকে প্রতিপক্ষ বানানোর যে চেষ্টা বাংলাদেশে হয় সেটা আর কোথাও হয় না। সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় মোটিভেশন কি? দেশের মানুষের ভালোবাসাইতো। এই ভালোবাসাটুকুর প্রকাশ মিডিয়ায় খুব কম।

বিডিআরের ঘটনা খুব দুঃখজনক। দেশের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেলো।
২৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
মাবরুকা তোয়াহা বলেছেন: ভালো লাগলো না । এক পেশে করে ফেলেছেন ...
পুরো সেনাবাহিনীকে তো কেউ দুষছে না । বিডিআর রাও না ..

দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষ ... আমার তো মনে হয় আরো অনেক কিছু করতে পারতো, করে নি ।
২৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
অ্যামাটার বলেছেন: বিডিআর জওয়ান এবং সেনাবাহিনীর সৈনিকেরা; প্রত্যেকেই আমাদের ভাই, অথচ পরিস্থিতির নির্মম পরিহাসে আজ তারা অস্ত্র হাতে মুখোমুখি!
সত্যিই, আমাদের সার্বভৌমত্বের উপর একটা বিরাট আঘাত। বিষয়টা কঠোর ভাবে হ্যান্ডল করা উচিৎ না, আর রক্তপাত চাই না। কেননা এই অনর্থক যুদ্ধে আর তিল পরিমান ক্ষতি হলেও তা হবে নিজের অঙ্গহানি, খুশি হবে দুর্জনেরা।
২৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: বাহিনীতে শৃংখলার বিষয়টা সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদেরই বোঝা দর্কার বেশি। আমরা যারা সাধারন মানুষ, তাদের কাছে বড় হয়ে দেখা দেয় কেন,.. কি কারনে... ইত্যাদি প্রশ্ন। যখন একটা দেশের সামরিক বাহিনী ক্যূ করে., তখন এই শৃংখলা কোথায় উঠে? সেনাবাহিনীর ভূমিকা, শৃংখলা কি হওয়া উচিৎ বা আদৌ থাকা না থাকার বিষয়টি নির্ধারন করেছিলো কারা...সিভিল সোসাইটি, তাইনা?সেনাবাহিনীতো আর সৃষ্টির শুরু থেকে ছিলোনা! বর্তমান যামানায় নিরাপত্তার শেষ কথা সেনাশক্তি নয়, বরং অনেক দেশে নন-কনভেনশনাল সিকিউরিটি থ্রেট তৈরি করে সেনাবাহিনী। পাকিস্তানের দিকে দেহেন তাকায়া...!!

এই যে আপনে আমি তর্ক করছি, এটা সেনাবাহিনীর শৃংখলার চেয়ে বেশি উত্তম কাজ। ভেলুঅর্দি। তারা সমালোচনার উর্ধ্বে কিছুনা।

২৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২
এখনই সময় বলেছেন: ভারত কেন এখনো সাহয্যের জন্য সৈন্য পাঠাচ্ছে না?
২৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২
কিসলু বলেছেন: বিডিআরের উপর সেনাবাহিনীর মুরব্বিগিরি টা একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল । বিডিআরকে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবেই থাকতে দেয়া উচিত । তাছাড়া সেনাবাহিনী যেভাবে তাদের যুদ্ধদেহী মনোভাব নিয়ে বিডিআর সদর দপ্তর ঘিরে রেখেছে , এটাও একটু অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে । সেনাবাহিনী কি বিডিআরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চায় !
৩০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
বহ্নিশিখা বলেছেন: যে নিরীহ মানুষগুলো মারা গেল তাদের কি জীবন ফিরিয়ে দিতে পারবে আরজু আর আ.হা. শিমুলের মত ভন্ডরা? কি হবে সেই রিক্সাআলার বিধবা স্ত্রী আর সন্তানদের? গুষ্টি কিলাই এই ভন্ড সুশীলদের।
৩১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
বহ্নিশিখা বলেছেন: কিসলু@ সেনাবাহিনী যা করেছে সেটা ঠিকই করেছে। আপনি গিয়ে শিমুলের পা চাটেন।
৩২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
মার্ক জুবাবের বলেছেন: বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাদের ডাল-ভাতের কর্মসুচিতে নিযুক্ত রেখেছিল বিডিআর কে। আমরা দেখেছি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র চাল ডাল শব্জী থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের কারবারী হিসাবে বিডিআর শপ গুলিকে।
ব্যবসা-বাণিজ্য মানেই মুনাফা, অতিরিক্ত লাভ আর বাড়তি টাকা। অভিযোগ পাওয়া গেছে অসন্তোষের শুরু এই মুনাফার এই কোটি কোটি টাকার হিসাব নিয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে।

একটা দেশের প্যরামিলিটারী যাদের কাজ মুলত সীমান্ত রক্ষা করা তার কিভাবে মাসের পর মাস এই চাল ডাল শব্জী থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের কারবারী হিসাবে নিজেদের নিয়োজিত রাখলো সেটাই আমার কাছে বিস্ময়ের।
৩৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
সুদীপ্ত বলেছেন: জটিল লিখছেন গুরু। ১৯ নাম্বার প্লাস।
৩৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০০
মেঘ বলেছেন: যে কোন অস্বাভাবিক মৃত্যুই কখনো কাম্য হতে পারে না। গুটিকয়েকের দুর্নীতির খেসারত পুরো একটি নিরাপত্তাবাহিনীর দেয়াও দুঃখজনক।

১. বিডিআর হেডের ওয়াইফ কি করেছেন জরুরী অবস্থার মধ্যে - জানেন তো?
২. আইন প্রতিমন্ত্রী চারদলীয় জোটের ধরা পড়ার পর যৌথ বাহিনী ঠিক কত টাকা খেয়েছ এই এক লোকের কাছ থেকে জানেন?
৩. RAB এর কথা আর কি বলব!

শুধু প্রার্থনা মৃত্যু কমে যাক। সব মিলিয়ে আজ এমন পরিস্থিতি। আমার পরিবারের অসমর্থিত সূত্র অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩জন ঐখানে নিহত
৩৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০০
কিসলু বলেছেন: শিমুল কে ?

আপনার যদি মনে হয় , ঠিক করছে , ওকে ! মইন ইউর পা চাটাদের এটা মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক ।

@বহ্নিশিখা
৩৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৩
অ্যামাটার বলেছেন: @মেঘ: বিডিআর হেডের ওয়াইফ সম্ভবত এতক্ষনে বিধবা হয়ে গেছেন।
৩৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৮
মজনু মিয়া বলেছেন: @এখনই সময় বলেছেন: ভারত কেন এখনো সাহয্যের জন্য সৈন্য পাঠাচ্ছে না?

ঐ মিয়া, এইডা কি কইলেন?
৩৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আপনার লেখার হেডিং ঠিক আছে। লেখার ভিতরে অনেক অংশই ঠিক আছে।
তবে কিছু ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ একপেশে মনে হলো।
কাউকে দীর্ঘদিন যৌক্তিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখলে একটা সময় সে বিদ্রোহ করবেই।

তবে আপাতত এই সমস্যাটি সুষ্ঠুভাবে সমাধান হয়ে যাক এমনটাই প্রত্যাশা করছি।
৩৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৯
অলস ছেলে বলেছেন: ভালো লিখেছেন। একমত।

এই বিদ্রোহ হয়তো অনিবার্যই হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এর পরিণতিতে যে ভয়ংকর সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ, কে জানে সমাধান কোথায় আর কখন।
৪০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: বা.... আমাকে নিয়ে বেশ আলোচনা হয়ে গেছে দেখি ধন্যবাদ বহ্নিশিখা।

আমি ভুলে প্লাস দিছি।

সেনাবাহিনিকে কখনোই প্রতিপক্ষ মনে করিনা কিন্তু তাদের বিশেষত অফিসারদের তেল দিতে হবে সবসময় এইটা মানিনা।

এই ঘটনায় আমার অবস্থান মিশ্র।যাইহোক রক্তপাতহীন সমাধান চাই।
৪১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬
শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: গুটিকয়েক লোকের জন্য পরো আর্মিকে কোনভাবেই দোষ দেওয়া যায়না। সীমান্ত ব্যাবস্থা খুবই দূর্বল হয়ে গেল। দেশের ও দেশবাসীর মঙ্গল চাই।
৪২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৩
মেঘ বলেছেন: আর্মি ছাড়বে না বিডিআরদের। তাদেরকে আজকে যে রূপে দেখেছি-এই হাউমাউ করে কাঁদছে, আবার পরক্ষণেই প্রতিশোধের আগুনে ঝলসে উঠছে।
প্রতিটি মৃত্যু অনভিপ্রেত।
শাকিল ভাই, শিপু আপা, নেহা কেউ বেঁচে নেই। (বিডিআরের মহাপরিচালক, তার স্ত্রী ও কন্যা)
তবু আর একটি মৃত্যুও চাই না।
ননাসের হাজব্যান্ড মাহমুদ হাসানের লাশ এখনো পাইনি।
মামা, লে: ক: তাসলিম পরিবারের সব সদস্যসহ ছাড়া পেয়েছন।
ক্ষয় হয়েছে অনেক, ক্ষতির কথা আর নাই বা বললাম।
শুধু করজোড়ে প্রার্থনা - একজন মানুষও যেন আর মারা না যায়। কেনাভাবেই মারা না যায়।
৪৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৪
ফাহিম মাহমুদ বলেছেন:
মেঘ

নেহা সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি কি করতেন, বয়স কতো।

খুনোখুনি (এটাই বলব) ছাড়া সমাধান চাই।
৪৪. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
রিসাত বলেছেন: নয় নম্বর মাইনাস,, এইব্লগে সব ফালতু ফালতু পোস্ট করে আপনে এতো হিট পাইতাছেন কেমনে???

জাতির বিবেকের কাচে প্রশ্নবোধক চিহ্ণ
৪৫. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩১
পরিমল কায়সার বলেছেন: সুমন রহমান ভাইয়া আমাকে বললেন,

১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: বিব্রত হওয়ার কি আছে? নিকবালক হিসেবে খাড়া করানোই তো আপনার কাজ, নাকি?


আমি তাকে বললাম,

ভাইয়া এ কথা সত্য যে আমি আপনার মত নিক নিয়ে দীর্ঘদিন লিখালিখি করিনা। আপনি বাপজানের দেয়া দীন মোহাম্মদ নামখানা শোকেসে তুলে রেখে সুমন রহমান নিকে সর্বত্র গত কয়েকশত বৎসর যাবত লিখালিখি করছেন। আমি আপনার তুলনায় নবীন। আমি নিকবালক হলে আপনি নিকবৃদ্ধ। আপনার মত নিকপাকনা হতে আমার আরো কয়েকশত বৎসর লাগবে। কিন্তু আপনি অন্যের খাড়া করা জিনিস কিভাবে ও কেন কাজে লাগাতে চান ভাইয়া?



এরপর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াকু সৈনিক দীন মোহাম্মদ ওরফে সুমন রহমান ভাইয়া আমার কথাটি মুছে দিলেন। আমাকে তার ব্লগে ব্লক করলেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৪৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ