আমার প্রিয় পোস্ট
- আসুন দেখে নেই সামুর কিছু অসম্ভব পোষ্ট


- রিয়াল রিফাত
- কয়েকজন ব্লগারকে দেখার ইচ্ছা ছিল - ইবনে 'উমার
- খবরদার !!!!! কেঊ আমাকে ঐ নামে ডাকবেন না
- জাতির নানা
- ফিফা মুখটা কি খুলবেন? - অসিউর
- অবশেষে জনসম্মুখে ফিফা । ১০০% হাছা কথা উইথ ছবি


- ধূসরধ্রুব
- সামুব্লগে আমার প্রিয়ব্লগারেরা-২ - আউলা
- ফিউশন ফাইভের সেরা কিছু কাজ † নতুন ব্লগারদের জন্য আবশ্যক পাঠ্য পোস্ট †† পোস্ট পড়লে হতাশ হবেননা নিশ্চিৎ - যেড ফ্রম এ
- বিয়ে করলেন ফিউশন ফাইভ, তাকে অভিনন্দন নতুন জীবনে - যেড ফ্রম এ
- সামহয়্যার এর বইয়েরা - আদ্রিতা
- দূর্যোধনের দৃষ্টিতে অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন-১(পাক্ষিক) - দূর্যোধন
- কোন ব্লগার ডেটিং এ গেলে কি করবেন-১






- সাকিন উল আলম ইভান
- মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত ৭টি বই!!! হুমায়ূন আহমেদ, জাফর ঈকবাল, জাহানারা ইমাম, আনিসুল হক এবং সামুর খ্যাতনামা ব্লগারদের রচিত। - সজল বস
- আরিফ জেবতিক- এর তিউনিশিয়ান গার্লের জন্য ভালোবাসা, সাবরিনার জন্য অশ্রুপাত, কূটকচালিদের প্রতি থুতু আমার দুইটা কথা - যেড ফ্রম এ
- সামুলিক্স - সেইসব হারিয়ে যাওয়া গায়েবানা স্ক্রিনশট- ১



- পাওয়ার ফ্যালকন
- আমার অবহেলার কারণে সামু যে পোষ্ট গুলো থেকে বঞ্ছিত হয়……….



- সাকিন উল আলম ইভান
- নুরা বাবার ন্যাংটা হওয়া, নাইমুল ইসলাম খানের ন্যাংটা হওয়া - লাল তরঙ্গ
- নুরা বাবর ন্যাংটা হওয়া, নাইমুল ইসলাম খানের ন্যাংটা হওয়া ও প্রথম আলোর দুই টাকার পত্রিকা - লাল তরঙ্গ
- ::ব্রেকিং নিউজ:: মীরপুর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন ফিউশন ফাইভ - কনফ্লিক্ট
- ব্লগ নিয়ে ৩০টি প্রবচন
- সবাক
- কেট আর উইলিয়ামসের বিয়ের মতো কোন ঘটনা যদি বাংলাদেশে ঘটতো!

- আলিম আল রাজি
- বইপড়ার অভিজ্ঞতা..!!! ( উৎসর্গ ফিউশন ফাইভকে ) - ধূসরধ্রুব
- আহ সামু, তোমার অতীত দেখে খুবই ঈর্ষাকাতর হই - প্রজন্ম৮৬
- নষ্টভেলে সেরা ব্লগার প্রতিযোগীতা

(আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে ) - নষ্টছেলে
- প্রকাশিত হল চলচ্চিত্র নিয়ে ই-বুক “এক মুঠো চলচ্ছবি”
- কাঊসার রুশো
- জাতি হিসেবে যেসব কারনে আমাদের ইমিডিয়েট লজ্জিত পাওয়া উচিত... - অন্য হাওয়া
- সভাক এবং ফিফা এবার এই হত্যাকান্ড নিয়ে একটা মানববন্ধন-প্রতিবাদ সমাবেশ করুন প্লিজ। - জসিম।
- ফিউশন ফাইভ এবং সবাকের মুখোশ খুলে গেছে - কনফ্লিক্ট
- বাসর ঘরে কোন ব্লগার কি করিবেন... - ১


- আলিম আল রাজি
- ইভ টিজিং এর এই ছবিটি ফেসবুকে পাইলাম



- shapnobilash_cu
- ১০০ এর উপরে ব্লগারের মন্তব্য থাকছে অপরবাস্তব-৫ এ! - কৌশিক
- আসিতেছে... শুদ্ধস্বরের প্রকাশনায় অপর বাস্তব-৫ - বাকী বিল্লাহ
- ফিউশন ফাইভের কান্ড দেখুন। - আজাদ আল্-আমীন
- বইমেলার প্রথমদিনেই ব্লগারদের প্রকাশিত বই- বিজ্ঞাপনপর্ব ১ - কনফ্লিক্ট
- আজ ফিফারে যে কমেন্ট করলাম, তাই পোস্ট আকারে তুলে দিলাম >>> হে ব্লগারগণ তোমদের-ই জন্য শুধু - ফটো পাগল
- শুভ জন্মদিন সামহয়ারইনব্লগ! যে বৃত্তের অন্ত নেই: বৃত্তান্ত লিখার চেষ্টা তাই বেপথু! - কনফ্লিক্ট
- ময়মনসিংহে ইভটিজিং বিরোধী পোস্টারিং ( ছবি ব্লগ) - কি নাম দিব
- মুন্সিগঞ্জ- বিক্রমপুরের বালিগাঁওয়ে ঈভ টিজিং বিরোধী পোস্টারিং ও শীত বস্ত্র সংগ্রহ - শিপু ভাই
- ব্লগ জীবনঃ ১ বছর পারঃ তথ্যের মহাসমুদ্রে বিচরন-(সাথে কিছু প্রস্তাব) - জুহো.
- এপ্রিল ফুল বানাবার জন্য লোকালটককে মাইনাচ - কৌশিক
- সামুর পিকনিক ও অপারবাস্তব সম্পর্কে জানতে চাই - কলমীকণ্ঠ
- আমার ব্লগ যে কারণে দাঁড়াবে এবং তারপরও আমি যে কারণে সেইখানে লিখবো না - মাহবুব মোর্শেদ
- গত দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ বাংলা বইগুলো কী কী? - মাহবুব মোর্শেদ
- সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা......পরের বিজয় দিবস যেন না দেখে কোনো যুদ্ধাপরাধী......কিছু কথা...দুটো অবশ্যপাঠ্য পিডিএফ... - পাপতাড়ুয়া
- ফিউশন ফাইভ, হিসাবটা বুঝে নিন
- সবাক
- ফিউশন ফাইভ আর লোকাল টক- এই নেন এদের নামের তালিকা - রহস্যের সমাধান - রাসেল আরেফিন
- ভিনদেশি এক লাটভিয়ান অষ্টাদশীর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন ফিউশন ফাইভ! সামুর ব্লগারদের কাছে এ ঘটনার ন্যায্য বিচার চাই।
= - রাজীব_নন্দী
- শাহরুখ না আইলেও চলবে বাট এই ব্লগাররা না থাকলে রকিং হইব কই। - অন্যমনস্ক শরৎ
- গাইবান্ধায় ইভ টিজিং বিরোধী পোস্টার লাগানো সম্পন্ন - সুজন ১২
- সামহোয়ারইন ব্লগে ২০১০ সালে আমার চোখে সেরা দশ পোস্ট :: একটু চোখ বুলিয়ে নিন, আপনিও থাকতে পারেন সেরাদের মাঝে
- জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ইনি কে? - জহিরুল ইসলাম রাসেল
- চলুন, পোস্টার লাগাতে যাই! - সবাক
- চলুন, পোস্টার লাগাতে যাই মিরপুরে! - সবাক
- ছবি ব্লগ :: উত্তরা এবং মিরপুরে পোস্টারিং
- সবাক
- ঢাবিতে সামহোয়্যারইনব্লগের ব্লগারদের উদ্যোগে ইভটিজিং বিরোধী পোস্টারিং-পর্ব ২ - হানী
- ঢাবিতে সামহোয়্যারইনব্লগের ব্লগারদের উদ্যোগে ইভটিজিং বিরোধী পোস্টারিং - হানী
- আসুন বাস্তুহারা লেদা-বিবির প্রতি একটু দয়া করে ৩০ তারিখ ঢাকার রাস্তায় একটা মিছিল বের করি - রবিন-৭৭
- আওয়ামী লীগের 'রাজনৈতিক মুখপাত্র'-এর দায়িত্বে দৈনিক প্রথম আলো - সাহসী
- আম্মা আমার ঘর ফিরাইয়া দে - মনাডাকাইত
- স্বল্পদৈর্ঘ্য ব্লগীয় সাইন্স ফিকশনঃ আজি হতে ১৫০০ বছর পর (রাজি, রাজসোহান যৌথ প্রযোজনা)
- আলিম আল রাজি
- আওয়ামীলীগ পরিবেশিত, বিএনপি নিবেদিত ফিউশন ফাউভের পরিকল্পনায় নতুন ছবি "ঘর আমার ঘর" - আজাদ আল্-আমীন
- খালেদা জিয়ার বাড়ী ছাড়া কে নিয়ে রস + আলো এর পোস্টার - বিনিদ্র ~ রজনী
- সামহোয়ারইন ব্লগারদের উদ্যোগে নারীর বিরুদ্ধে যৌন সন্ত্রাস বিরোধী সামাজিক আন্দোলন বিষয়ক আপডেট পোস্ট - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ইভটিজিং বিরোধী আন্দোলন নিয়ে পরামর্শ বৈঠক - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- কিছু সুসংবাদ সহ নারীর বিরুদ্ধে যৌন সন্ত্রাস বিরোধী সামাজিক আন্দোলন এর ফলোআপ - সবাক
- ফিউশন ফাইভের সাথে কথা বললাম মোবাইলে, প্রায় ৪০ মিনিট - অনিশ্চিত
- ব্লগাররা কাদের পোষ্ট বেশি পড়ে? - স্বাধীনতা আমি
- ইভটিজিং - আবদুল্লাহ আল-মামুন
- ইভ টিজার তোমাকেই খুঁজছে কারাগার। - বাবু>বাবুয়া>বাবুই
- ছবি ব্লগ ! ইভ টিজিং - জুবায়ের আহেমদ
- নতুন রিয়েলিটি শো!!!! - অসামাজিক ০০৭০০৭
- প্লিজ আপনার পকেট থকে কিছু টাকা দেবেন? সংগ্রাম করতাম! (ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সহ) - সবাক
- আমারা অতিথি সেবিবো তোমরা ধোলাই দেও। - গরম কফি
- প্লিজ আপনার পকেট থকে কিছু টাকা কি দেবেন? সংগ্রাম করতাম--ঈভটিজিং বিরোধী সামাজিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহনের আহ্বান - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ইভটিজিং বাংলাদেশে একটি সামাজিক ব্যাধি - আবু বকর িসিদ্দক
- মানবিকবোধ ও আমরা এবং একটি পোস্টার :: - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- সামুর স্টিকি পোস্টের কর্পোরেট পোষ্টমর্টেম - কর্ন
- ব্লগার ফিউশন ফাইভের ইভটিজার-১তোমাকেই খুঁজছে কারাগার - আজাদ আল্-আমীন
- যেহেতু আর কেউ করতাছে না, সেহেতু আমিই আবার করতাছি: শুভ জন্মদিন কৌশিক। - অন্যমনস্ক শরৎ
- ফিউশন রহমান,হিমু দা নেভারেস্ট,মুসা দা এভারেস্ট আর আমার কোটি টাকার প্রশ্ন (রম্য)
- দূর্যোধন
- ফান পোস্ট :: আজ রাতে কোন ব্লগার কি স্বপ্ন দেখবেন!!
- সবাক
- সামুতে ডেট এন্ড টাইমিংয়ের মরিচিকা - সৈয়দ ইবনে রহমত
- হেডিংটা ঠিক হয় নাই। (সাময়িক পোষ্ট) - সাহাদাত
- নতুন ফিচারের ধাক্কায় সামুর অক্কা - বিডি আইডল
- মূসা হিমালয়ের চূড়া জয় করতে পারে কিন্তু মানুষ হতে পারে নাই - শিরোনাম
- সমস্যা (সাময়িক) - কনফ্লিক্ট
- ব্রেকিং নিউজ! ব্রেকিং নিউঝ: আরিফ জেবতিক ফিফার টাকা খেয়েছেন। - হোমার জে সিম্পসন
- রাখিস মা রসেবসে এই সামু ব্লগে! ·٠•●♥ ♫♫♫·٠•●♥ ♫♫♫·٠•●♥ ♫♫♫ - কনফ্লিক্ট
- ব্লগীয় এক বছর উপলক্ষে কোর আই সেভেন এর একটা জ্ঞানগর্ভ (!!!) পোস্ট - কোর আই সেভেন
- এক্সট্রা লার্জ ফুটোস্কোপিক সচিত্র অডিওভিস্যুয়াল ডিজিটাল রুপকথা : হিট লেখক - আশীফ এন্তাজ রবি
- বিভিন্ন ঝগড়া নিয়া ব্লগ উত্তাল,সমস্যা নিয়া দেশ নাকাল....ঐদিকে প্রিয় ফিফারে দেখা যাইতাছে,আশা করা যায় একখানা সমাধানমুলক পুস্ট কিছুক্ষনের মাঝেই নাযিল হৈবে
- দূর্যোধন
- কাঙাল মামার ৩ বছর ও ১০০তম পোস্ট - কাঙাল মামা
- সামহোয়ার ইনে আমার এক বছর পূর্তিতে কিছু অপ্রাসঙ্গিক, ফালতু প্যাচাল - স্পেলবাইন্ডার
- ব্লগে এক যুদ্ধাপরাধী-কন্যার বিষাক্ত বিচরণ : পিতার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হোন - সি পি জি
- সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগার কে? - আজিব পোলা
- ফিউশন ফাইভ নিকটার জন্য মায়া হচ্ছে ভীষণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- সেরা কমেন্টকারী কে? - আজিব পোলা
- দৈনিক আমাদের সময়ে নাইমুল ইসলাম খানের মন্তব্য কলাম পড়ে বুক ফাটা কান্না দমাতে পারছি না!
- কনফ্লিক্ট
- সামুর টাইম মেশিন অথবা কুলিং সিস্টেম! - লিটল হামা
- মাইক্রো ব্লগঃ ৪ - বিডি আইডল
- ফিউশন ফাইভও তাহলে ওয়াচে আছেন - ইচ্ছেফড়িং
- লোকালটক ওরফে ফিউশন ফাইভ, মুখোশের আড়ালে ওরা কারা? ফিউশন ফাইভ=রাহা=আশীফ এন্তাজ রবি ( কৌশিক, অন্যমনস্ক শরৎ ও একরামুল হক শামীম )!!?? - ছাপচিত্রি
- ফিউশন ফাইভ কি সামু থেকে বিদায় নিলেন
? - কনফ্লিক্ট
- রাতমজুর না ফিউশন ফাইভ? - শাহিদ কাপুর
- অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী - রাধামোন
- সেরা হিট ব্লগ (তারিখ জুন ২০, ২০১০) - আবুল'স বাহার
- ইহা আমি কি দেখিলাম !!!!! ( দয়া করে নাদান কে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখিবেন ) - নিশম
- বর্ষা-বরণ ও কতিপয় ব্লগারগণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- সেরা হিট ব্লগ (তারিখ জুন ২০, ২০১০) - আবুল'স বাহার
- ফিউশন ফাইভঃ যে নামেই থাকুন....ব্লগিং করুন - বিডি আইডল
- ফিউশন ফাইভ, ব্লগের মাগনা জমিনে কে আপনার কফিনের শেষ পেরেকটি টুকে দিলো? - কনফ্লিক্ট
- ফিউশন ফাইভ এর লেখা পড়তে চান ? তিনি সামুতেই আছেন -দেখে আসেন ( খোচা ফান পোস্ট) - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- আজ সেই ঐতিহাসিক দিন। ১ মাস আগে এই দিনে......(সমবেদনাপ্রার্থী পোস্ট) - আদনান_ফিরদাউস
- ৩ বছর ৩ দিন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! - এরশাদ বাদশা
- সামুতে যাদের লেখা মিস করি--পর্ব ১ - দি ফিউরিয়াস ওয়ান
- ভাগ্য ভালো যে, ব্লগ লেখার সুযোগ দেয়ার বিনিময়ে কর্তৃপক্ষ কোন চার্জ নেয় না !! - ওয়ান ম্যান
- আমাদের নিরবতা লালছাগুকে সেরা ব্লগার করে দিয়েছে কি??? একটু ভাবুন। - ধানমন্ডী ৩২
- এক টুকরু মাংস ও অবস্থান ফিরে পাওয়ার ব্লগীয় ক্যাচাল - ~অন্ধ~
- মনের জানালা-২ (আপনার সমস্যা এবং সমাধান) - আউলা
- সামহোয়ার ব্লগের তিন বছর : স্মৃতিচারনের ব্যর্থ চেষ্টা - উম্মু আবদুল্লাহ
- ব্লগারদের নামে গীবত গাইলাম
আর সেই সাথে শায়মা আপিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
- সোহানুর রহমান
- যখন জেনে গেলাম আমিই লোকালটক - ওয়ান ম্যান
- সামহয়ারইন ব্লগ সংকলনঃ টপ টেকি পোষ্ট!!
- ইসানুর
- সাধু সাবধান- বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ দিন আসছে….. - ঢাকাইয়াকুট্টি
- আমার যত প্রিয় বল্গারস, পর্ব ২ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- যাদের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি:: আমার প্রিয় ব্লগার সমগ্র-১ - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ফিউশন ফাইভ - অন্যর পিঠে কাঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছেন কেন? - নাজমুল হক রাসেল
- অভ্র ক্যাচাল-আশা করতে আছি কিচুক্ষনের মদ্যেই একটা আবাল পোষ্ট নাজেল হইবে - আজরাঈল
- আইচ্ছা লুকালটকের কামই কি উল্টা দিকে একটা কিছু কইয়া দৃষ্টি আকর্ষন করা? - আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক
- অপরবাস্তব-৪ নিয়ে আরো কিছু কথা... - অনুপম হাসান
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [৩য় পর্ব] - অনুপম হাসান
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [শেষ পর্ব] - অনুপম হাসান
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [৬ষ্ঠ পর্ব] - অনুপম হাসান
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [৫ম পর্ব] - অনুপম হাসান
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [৪র্থ পর্ব] - অনুপম হাসান
- সামুর ইতিহাতে সবচেয়ে হিট ব্লগার অপি আক্তার আবার ফিরে আইছে সবাই তারে ধানদুর্বা দেন - কামরুল৯৯
- মামুন বিদ্রোহী লালসালুর নিক!!! - নীলতারা
- এযাবৎ কালের সকল ব্লগারের লিষ্ট :: ১০০০% গ্যারান্টি , সবাই আছেন --নিয়মিত আপডেট করার খায়েস আছে - কুঁড়ের বাদশা
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [২য় পর্ব] - অনুপম হাসান
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [১ম পর্ব] - অনুপম হাসান
- লোকালটক একটা জিনিয়াস - মাহবুব মোর্শেদ
- না share কইরা পারলাম না। - এস.আর.এফ খাঁন
- যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে চান,তারা এই ই-বুক টি ডাউনলোড করুন এবং মুক্তিযোদ্ধের অজনা অনেক ইতিহাস জানুন - নুর মোহাম
- এরশাদ বাদশাহ'র প্রতি অনুরোধঃ সামুকে সামুর মতই থাকতে দিন, ব্লগে বিভাজন সৃষ্টি করবেন না। - নীলতারা
- ব্লগ নিয়ে ভাবনা:: প্রসংগ ২য় বাংলা ব্লগ দিবস - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ফিফার পোস্ট প্রতিক্রিয়া: সামু ব্লগ কী তাই, আসিফ নজরুল সমকালে যা লিখলেন, নাকি অর্ধসত্য? ফিউশন ফাইভ আর ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে একটি মরিয়া জিজ্ঞাসা! - রাজীব_নন্দী
- 'ফিউশন ফাইভ' ই সেই শেরপা যিনি জয় করলেন 'কেওক্রাডং' - জাতিষ্মর
- গ্রামীনফোন এবং আমি!! - রুসাফী আলম
- প্রিয় যত পোষ্ট - সন্দীপন বসু মুন্না
- লালসালু ও ফিউশন ফাইভ কী একই ব্যক্তি?

- নীলতারা
- রাজাকারমুক্ত ব্লগ বনাম A-TEAM - সবাক
- জনপ্রিয়তা না পেয়ে বিকল্প পথে কালের কন্ঠ


- মৌনোতা
- সাদামাটা দিনলিপি - আমড়া কাঠের ঢেকি
- পাহাড়ে মৃত্যুর মিছিল....যাদের জন্য সুশীল বিলাপ নেই - সুপান্থ রহমান
- ফিফার সমস্যাটা কোথায় মনে হয় ধরতে পারছি .... - হোরাস্
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে "ফিউশন ফাইভের" পোষ্টের পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে কিছু কথা - তীরান্দাজ
- অপরবাস্তব-৪ সম্পর্কিত কিছু বাস্তবতা!! - আকাশচুরি
- বঙ্গবন্ধুর অবদান (লালসালুর ছড়ার EXTENSION ও ফিউশন ফাইভের আইডিয়া) - ফ্লাইওভার
- কবিতা Lesson - ১ (Nafis Iftekhar ft. গরু - গরু রচনা) - নাফিস ইফতেখার
- বইমেলার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এবং আজ যে বইগুলো কেনা হলো - মুনীর উদ্দীন শামীম
- অপরবাস্তব-৪ ও অন্যমনস্ক শরৎ - মেঘবাজি
- এই পোস্টির জন্য হয়তো আমাকে ব্যান করা হবে..তারপরও বলবো সবগুলো কথাই সত্যি..আমার মতো আপনারা সবাই জানেন।নিজের মিত্যুর জন্য নিজের দায়ী।সত্যি কথা বলে কেউ মরেনা শহীদ হয়ে যায়...ইতি শহীদ কাবজাব

- কাবজাব
- কালের কন্ঠ জনপ্রিয়তা না পাবার ব্যার্থতার দায়ভার কার?


- মৌনোতা
- কাব্যগ্রন্থ "অন্যমনস্ক শরৎ" ও ব্লগ সংকলন "অপরবাস্তব" নিয়ে দুটো সাক্ষাৎকার - কৌশিক
- ব্লগার নাজিম উদ্দিন ভাই......বলুন আমিন - পরমানন্দ
- অপরবাস্তব ৫ হতে পারে অনেক পথ পেরিয়ে আসা সমৃদ্ধ কিছু - সবাক
- ব্লগ বিষয়ে সাক্ষাৎকার : চোখ রাখুন এনটিভির পর্দায় - রাগ ভৈরবী
- সচিত্র অপর বাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের কয়েকটি মুহুর্ত (নতুন ছবিসহ) - রাহা
- অপরবাস্তব ৪ এর লেখকদের তালিকা, বাস্তবতা এবং আমার অভিজ্ঞতা - ফুরামন ২
- অপরবাস্তব ৪ এ প্রকাশিত লেখার লেখকদের তালিকা এবং আমার অভিজ্ঞতা(রি-পোস্ট) - ফুরামন ২
- জল পানি সমাচার - রাগিব হাসান ও আবুল বাশারের আর্টিকেল - কৌশিক
- অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচিত - রাহা
- অপরবাস্তব ৪ নিয়ে কিছু 'অনিচ্ছুক' কথা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- অপরবাস্তব -৪ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান থেকে ফিরে - একরামুল হক শামীম
- অপরবাস্তব ও জোনাকরোড...একান্ত দুটি কথা - আকাশচুরি
- পহেলা ফাগুন শনিবার, অপরবাস্তব - ৪ এর মোড়ক উন্মোচন : বইটি আপনারই, আপনি আমন্ত্রিত - ফুরামন ২
- অপর বাস্তব-৪ (সাময়িক পোস্ট) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- পহেলা ফাগুন শনিবার, অপরবাস্তব - ৪ এর মোড়ক উন্মোচন : বইটি আপনারই, আপনি আমন্ত্রিত - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- "ধর্ষক নিজামী কারাগারে" - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- আমি পিএসডি (ডেস্টিনি ২০০০) হয়ে কোটিপতি হতে চাই কেউ কি সাহায্য করবেন? - বিডি আইডল
- আমার ব্লগের বাংলাব্লগ দিবস পালনে কিছু সামহোয়ারির গাত্রদাহ ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা - দণ্ডিত পুরুষ
- ফিউশন ফাইভ আসলে কে রে ভাই? - রাজীব_নন্দী
- কৃতজ্ঞতা স্মীকার - বংশী নদীর পাড়ে
- ২০০৯ সালে সামুর সেরা কেলেংকারি - প্রতিবিপ্লবী
- warning! hoax emails pretending to be from somewhere in... blog or somewhere in... - আরিল
- ব্লগার্স মেন্টাল হসপিটাল-
পর্ব-৩ - এরশাদ বাদশা
- আসুন সামুর মেধাবি সেরা ৫ জন ব্লগার কে নিয়ে একটি টিম করি।যারা ‘ফ্যান ক্লাব টুর্নামেন্ট এ সামুর হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেএবং সফলতা বয়ে আনবে। - নুর মোহাম
- ০.০০২ % হাসির কিছু ছবি - আবদুল মুনয়েম সৈকত
- আগামীকাল ১ম বাংলা ব্লগ দিবস: আসুন সবাই সফল করি। - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- হাসতে মানা -- --



- লাল সাগর
- জাতির দাবি...দেশের মোবাইল ফোন কম্পানি গুলোর আসল উদ্দশ্য তাদের লোগোতে প্রকাশ করতে হবে...
- নিউরনটেক
- প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের ভারতে কী কাজ- ফিউশন ফাইভের পোষ্টের পাশ্বক্রিয়া - ফ্লাইওভার
- ফিকশন না ফ্যাক্ট আপনি কোন দিকে- কাউকে তো বলতে হবেই - নূহান
- কালের কণ্ঠঃ ভাবতাছি হ্যাকার থুক্কু হকার হয়া যামু - কুচ্ছিত হাঁসের ছানা
- আমারব্লগে আবার ইউজারদের তথ্য ফাসঁ-কর্তৃপক্ষের অনৈতিক চর্চা অব্যাহত - আবুল'স বাহার
- প্রথম আলো ব্লগের পেছনেও কি উলফার টাকা ব্যয় হচ্ছে? - সাইফ সামির
- টরেন্ট : কি এবং কেন (চর্বিত চর্বণ) - কোর আই সেভেন
- ব্লগ আইডল: ব্লগবাজিতে পারঙ্গম বন্ধুরা!!
- এরশাদ বাদশা
- কতিপয় ব্লগারের নিকনেইমের অর্থ ও তা দিয়ে বাক্য রচনা - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ব্লগ থিম; ইম্পর্ট্যান্ট?????? - এরশাদ বাদশা
- লোকালটক (নার্ভাস৯০) মশায়ের কাছে প্রশ্ন - মগ্ন
- সন্ধ্যাবাতি, আপনি শান্ত হউন... বখাটেদের উপেক্ষা করুন! - ত্রিভুজ
- আমি সামু ছেড়ে যাব না - দন্ডিত
- সামহোয়ারইনব্লগের জন্মদিনে কিছু বর্ণিল মুহূর্তাচারণ - কৌশিক
- ববিতারে নিয়া ফাইজলামির তীব্র নিন্দা জানাই - অমি রহমান পিয়াল
- কলেজের করিডোরে ----- (সোলস) - বিষাক্ত মানুষ
- ব্লগের মজা – মজার ব্লগ - সাইলেন্স অভ দ্যা ল্যাম্বস
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন ব্লগীয় হিটম্যান
- নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ারের যে লেখাগুলো ড্রাফট্ থেকে এখনও পোষ্ট করা হয়নি। - অ্যামাটার
- নিকট ভবিষ্যতে সামহোয়ারইন......
(ফান পুস্ট,
মডুরা বেরসিকের মত ডিলিট মাইরেন না) - রোবোটিক্স
- আসুন ভাইয়েরা উর্দুতে ব্লগিং করি। উর্দুতে (ليٹس بلوگ ان اردو) - মগবাজার
- কলিকাতাব্লগ নামটা আসলে ধোপে টিকবে না! - কৌশিক
- লোকালটক ফ্যান/এসি ক্লাবে যোগ দিন - আবুল'স বাহার
- গল্প:: ক্ষয় - দন্ডিত
- আধুনিক সামু'ভাষারীতি ও চর্চা - এসো ভাষা শিখি - লিপিকার
- সুস্থ ব্লগীয় পরিবেশ রক্ষা ও মডারেশন নিয়ে আলোচনায় আসুন... - নোটিশবোর্ড
- আইচ্ছা, প্রগতিশীল হওনের পূর্বশর্ত কি নাস্তিক হওন ? (জানতেচ্ছু পোস্ট)
- আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ২টা ছবি...হারামীফোন এবং খারাপ চক্ষু
- লুথা
- কি আর করবেন....সাথেই থাকুন ... - যাযাবর রাজিব
- আমি rag দেই না (উৎসর্গ: ফিউশন ফাইভ) - আউলা
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- ব্লগারদের কাছে সবচাইতে মেজাজ খারাপ করা শব্দ বা কথা যেগুলো ......জরিপের ফলাফল - হোরাস্
- প্রসঙ্গ অপরবাস্তব - যীশূ
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য ব্লগারদের লেখা মনোনয়নের আহবান - অপ্সরা
- সঙ্গীত তব অঙ্গে অঙ্গে দিয়েছো জড়ায়ে জড়ায়ে - অপ্সরা
- অপর অবাস্তবের জন্য
চোরকাঁটার লেখা আহ্বান - চোরকাঁটা
- পাপিশ্ঠ লুকালপাইপ কাগুক জেনারেল করিছে - আলিফ দেওয়ান
- পিরিতি সমীক্ষা ইজ নট কাঁঠালের আঠা!! - অন্যআনন
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন:: ফিরে দেখা ৭১ - ফিরে দেখা ১৯৭১
- ব্লগাব্লগিতে বিস্কুট-দৌড় সংস্কৃতি - মানস চৌধুরী
- আমার নাম বুনায়েল শাফাতঃ আমাকে লক্ষ্য করেন... - মার্ক জুবাবের
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- বঙ্গবন্ধু কি শুধুমাত্র আওয়ামী জনগণের স্বাধীনতার স্থপতি? নাকি সমস্ত বাঙ্গালী জনগণের স্বাধীনতার স্থপতি? - হাশেম দেওয়ান
- সাম্প্রতীক সময়ের চরম আলোচিত এবং সমালোচিত ব্লগীয় একটি নাটকের ব্যবচ্ছেদীকরনঃ (১ম পর্ব ) - একজন ব্লগার
- বুনায়েল শাফাতের আত্মসমালোচনাঃ কিছু কৈফিয়ত...... - মার্ক জুবাবের
- ব্লগকে প্রতিযোগিতার হাত থেকে রক্ষা করুন! - সুন্দর সমর
- একটা খোলা চিঠি ও কিছু জানতে চাওয়া - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলা ব্লগের বিস্ময়কর প্রতিভা অথবা তথাকথিত এক কলিগের গল্প - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি পুরনো দলিল : ফিউশন ফাইভ এর সৌজন্যে - লালপ্রভাত
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- মতপ্রকাশের স্বাধিনতা মানে যা খুশি বলা? - মদন
- ঠগীরা ইতিহাস, ঠগের হাতেই শেষ হবে আন্তর্জালিক জীবন! - অমি রহমান পিয়াল
- এই তো হলো স্বাধীনতা @ মডারেটর - সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন
- বাংলা ই-বুক লিংক - সজল বলছি
- সামহোয়ারনামা আধিপাত্য বিস্তারের একটি হীণ প্রকল্পে আর কতজন হারিয়ে যাবে? - শিরোনাম
- সামহোয়ারইন-প্রোফাইলস! সামহোয়্যারইনের ব্লগারদের মজার এবং অন্যান্য যত ব্যানার আর প্রোফাইল লেখা...
- সত্যাশ্রয়ী
- (উৎসর্গ সকল পুরাতন ব্লগারকে যাদের দেখি না, এবং মিস করি) - আরিফুল হোসেন তুহিন
- জমজমাট ব্লগাড্ডা থেকে ফিরে - একরামুল হক শামীম
- সামহোয়্যারইন ব্লগে আমার তিনটি বছর - সাঈফ শেরিফ
- চিন্তাপত্রঃ ফিউ ফাইভ আর আলেকজান্ডার পেনড্রাইভ - আকাশ_পাগলা
- ফিউশন ফাইভ - জাহাঙ্গীর আলম আকাশ
- ফিউশন ফাইভ জবাব চাই? - জাহাঙ্গীর আলম আকাশ
- টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুক বাংলাদেশ - কৌশিক
- ::: যদি কিছু মনে না করেন!!! ::: - অরণ্য আনাম
- আপনার হাতে কি কিছু ফালতু সময় আছে ?? আসুন না একটু ব্লগ-পলিটিক্স করি ... - আইরিন সুলতানা
- আবার লোকালটক - কৌশিক
- উপচে পড়া জীবনঃ ৬ - লাল দরজা
- সব হিরোদের পিছনের মানুষটির কাহিনী কী ? - ছাপচিত্রি
- লোকালটকের একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমানুকৃতির দুর্লভ সাক্ষাতকার পাওয়ার আশায়... - সাদা মন
- ডিজিটাল ছবি - মো. বাকীবিল্লাহ
- সামহোয়ারের সম্পাদক মহোদয়ের নামটা সবিনয়ে জানতে চাই - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- ফিউশন ফাইভ আপনারে কইতাছি, আপনে এত গোয়েন্দা তথ্য নিয়া ঘুমান ক্যামনে! - প্রতিদিন
- এই ব্লগ সেই ব্লগ; নস্টালজিক প্যাঁচাল....- ডেডিকেটেড টু অল দ্যা নিউ ব্লগার.. - এরশাদ বাদশা
- লোকালটক ইজ দ্যা ক্রেজি ফেনোমেনন - কৌশিক
- লোকালটক জেনারেল!! - তিব্ব পতিবাদ!! - মুক্ত বয়ান
- ব্লগবন্ধু ফিফা এতোটা আত্মম্ভরীতা কি ভালো??? - এমিল
- এই ছবিটা কার বানানো? (সাময়িক পোস্ট) - আই লাভ ব্লগিং
- ৭ হাজার ৫০০ পয়সা মূল্যের 'অপরবাস্তব-৩' বনাম পরিচয়-সংকট, অত:পর দস্তখত-বিড়ম্বনা! - বাবুই
- চারটি ব্লগ কমিউনিটি সম্পর্কে ব্লগাররা যা বলেছেন - ফাহমিদুল হক
- বাংলা ব্লগ কমিউনিটি সংক্রান্ত জরিপের ফলাফল - ফাহমিদুল হক
- ক্যারিকুলাম - ছক্কা হাজী
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারনামা ৩ - সুমন রহমান
- দৃষ্টি আকর্ষণ: ফিউশন ফাইভ - মগ্নতা
- সাদা চোখে অপরবাস্তব - ভাঙ্গা পেন্সিল
- কার পরিচয় জানাটা আমার কাছে জরুরী? - অমি রহমান পিয়াল
- শেষ পর্যন্ত জয়ার পথেই হাঁটল লুকাল...... - অন্যমনস্ক শরৎ
- রহস্য গল্প : লাইন ছাড়া চলে না রেলগাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- লোকালটকরে একটা লাথথি মারলাম - শাহরিয়ার হাসান
- "একটা লোকাল ধাঁধা আর একটা বেতাল খবর " - মদন
- বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, এর নীতিমালা... - নোটিশবোর্ড
- বইমেলায় আজকে - অপ্সরা
- প্রসঙ্গ অপরবাস্তব - ৩ - এইচ আহমেদ
- এন টিভিতে কৌশিকের সাক্ষাৎকার - হামীম
- একটা ব্যাখ্যা চাই : ফিউশন ফাইভ এর কাছে - নীলবকুল
- লোকালটক, আনাল হক ও মনসুর হাল্লাজ - অমি রহমান পিয়াল
- ঘুরে এলাম বইমেলা - শম্পা শাহরিয়ার
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- অপরবাস্তব ৩: সামহোয়্যার ইন..... ব্লগ গল্প সংকলন ২০০৮ প্রকাশিত - রাহা
- আলমগীর কুমকুমকে ধন্যবাদ, 'অপর বাস্তব' বিষয়ে তাঁর কমেন্টের জন্য। - ব্রাত্য রাইসু
- অসাধারণ সব ব্লগারদের সাথে কিছুক্ষণ - ব্যতিক্রমী
- ব্লগার আড্ডা থেকে ফিরেই হাসান বিপুলের শততম পোস্ট (সম্পূর্ণ রঙিন চিত্রযুক্ত) - হাসান বিপুল
- ওয়ান ম্যান আর্মী লোকালটকের পরিচয় অবশেষে ফাঁস হয়ে গেলো - কৌশিক
- "অপরবাস্তব-৩" - ডালটন
- আমিই লোকালটক!! - সুমন রহমান
- প্রকাশিত হলো সামহোয়্যারইন... ব্লগ গল্প সংকলন " অপরবাস্তব ৩ " - একরামুল হক শামীম
- আজ বই মেলায় আসুন, ব্লগারদের উৎসাহিত করুন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের কন্ঠকে আরও শক্তিশালী করুন.. - রাসেল আরেফিন
- বইমেলায় সামহোয়্যারইন... ব্লগ গল্প সংকলনের মোড়ক উন্মোচন আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) - একরামুল হক শামীম
- অপরবাস্তবের মোড়ক উন্মোচনে পিমুন্সীকে দাওয়াত দিলাম - কৌশিক
- বাংলায় সিটিজেন মিডিয়ার গাইড - রেজওয়ান
১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৯
ঠিক এই মুহূর্তে যেখানে চরম বিপজ্জনক অবস্থা, জারি আছে ১৪৪ ধারা- পার্বত্য চট্টগ্রামের সেই বাঘাইহাট আমার চেনা, অগ্নিগর্ভ গঙ্গারামমুখ ধরে হেঁটেছি একদা, মাচালং বাজারে গাছপাকা কলার স্বাদ এখনো মুখে, সেই একই জায়গায় আবার উপজাতীয় দোকানির (পরে জেনেছি ইউপিডিএফের চর) আকস্মিক প্রশ্নবাণেও পড়েছি। পার্বত্য রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে গত কয়েকদিনের ঘটনা নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন, অনেক জিজ্ঞাসা তৈরি হয়েছে। ঘটনার জন্য কে বা কারা দায়ী- সেই সিদ্ধান্ত দেওয়ার আমি কেউ নই, সেই চেষ্টাও করছি না। হয়তো পাহাড়িরা দায়ী, হয়তো বাঙালিরাই। কিন্তু প্রায় সঙ্গোপনে পার্বত্য চট্টগ্রামে অভাবনীয় একটি ঘটনা ঘটে গেছে। যে জনসংহতি সমিতি প্রতিপক্ষ সংগঠন ইউপিডিএফের ছায়া মাড়াতে নারাজ, উল্টো সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে সদা সোচ্চার, মাত্র কদিন আগেও যে ইউপিডিএফ সন্তু লারমার গাড়ির ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে, সেই জনসংহতি এবং সন্তু লারমাই এখন ইউপিডিএফের 'খুড়তুতো ভাই' হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একযোগে তারা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে অবরোধ পালন করছে। কারণটা কী? শুধু কি প্রতিবাদই তাদের শামিল করেছে এককাতারে?
বাঘাইছড়ি ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী?
ভারতের মিজোরাম রাজ্যের একেবারে লাগোয়া বাঘাইছড়ি এলাকাটি নানা কারণে নানা দিক থেকে, এমনকি ভৌগোলিক নিরাপত্তার দিক থেকেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। আমি নিজে দেখেছি, বিশেষ করে সাজেকের দিকে সীমান্ত প্রকৃত অর্থেই খোলা, মিজোরাম থেকে যেমন অবাধে লোক ঢোকে, তেমনি বাংলাদেশের ভেতর থেকেও মিজোরামে যাওয়া-আসা চলে। পাহাড়িদের সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের প্রতাপ এবং অঞ্চলটি দুর্গম হওয়ায় সেখানে সেনা তো দূরের কথা, বিডিআরেরও নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে কার্যত ক্ষুদ্র ও ভারী অস্ত্র এবং মাদক পাচারের জন্য এর চেয়ে ভালো প্রবেশদ্বার, আমার জানামতে, দেশে হাতেগোনা। পাহাড়ের বাঙালিরা জাতিগতভাবে 'ছোট লোক' এবং ভয়ানক প্রতিহিংসাপরায়ণ হলেও অস্ত্র কিংবা মাদক পাচারের সঙ্গে পাহাড়িরা, বিশেষ করে ইউপিডিএফই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এমন এক বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে শক্তি বলতে বাঘাইছড়ি সেনা জোন এবং মারিশ্যায় বিডিআরের হেডকোয়ার্টারই সম্বল। তবে বিডিআর সেভাবে নয়, বিডিআরকে উপজাতীয়রা সেভাবে আমলেও নেয় না, মূলত সেনাবাহিনীই তাদের পথের একমাত্র কাঁটা, অনেকদিন ধরে। এখন পত্রপত্রিকায় লক্ষ্য করবেন, বাঘাইছড়ির ঘটনার পর প্রতিটি পাহাড়ি সংগঠনেরই মূল দাবি হচ্ছে বাঘাইহাট সেনা জোন প্রত্যাহার করে নেওয়া। সেনাবাহিনী কোথায় থাকবে কিংবা না থাকবে- সেটা একান্তই জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়। পাহাড়িদের কোনো সংগঠন কোনো অবস্থাতেই সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারে না। পাহাড়িদের পক্ষ থেকে বারবার ভূমি বিরোধের কথা বলা হচ্ছে, অথচ বাঘাইছড়ির মূল কেন্দ্রে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় বাঙালি বসতি থাকলেও বাকি বিশাল অংশে বাঙালি নেই বললেই চলে, অন্তত আমার চোখে পড়েনি। যেখানে বাঙালি বসতি নেই, সেখানে ভূমি নিয়ে বিরোধই বা কোত্থেকে আসে?
পাহাড়িরা কি আমাদের বন্ধু?
আমি বলবো, পাহাড়িরা আমাদের বন্ধু, তবে বিশ্বস্ত বন্ধু নয়। বরং এই জনসংহতি, এই ইউপিডিএফ, এই উপজাতীয়রা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য কয়েক দশক ধরে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়েছে। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য এমন কোনো উপায় নেই, যা তারা অবলম্বন করেনি। এখনও তারা সেই কাজই করে চলেছে। এমনকি একাত্তরেও এই উপজাতীয়রা পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ হয়েই বাঙালির বিরুদ্ধে লড়েছে। এরা কিভাবে আমাদের বন্ধু হয়?
যে জাতি সান্ত্বনা পায় নিজেদেরই তুচ্ছ করে
বাঘাইছড়ির সহিংসতার সূত্রপাত যে ঘটনা নিয়ে, সেনাবাহিনীর সদস্যকে দায়ের কোপে গুরুতর আহত করা, সেটা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। সেই সেনাসদস্য এখনও জখম গায়ে নিয়ে হাসপাতালে। তার জন্য আমাদের কোনো সমবেদনা নেই। বরং দেখেছি, আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক যে সেনাবাহিনী, তাকে ছোট করা হলে, বাইরের কেউ নয়, খোদ বাংলাদেশীদের অনেকেই আত্মতৃপ্তি পায়, নিজেদের প্রগতিশীলতা জাহির করে একধরনের বিকৃত আনন্দ লাভ করে। এবং সম্ভবত বাঙালিই একমাত্র জাতি, যারা নিজেদের সেনাবাহিনীকে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করার জন্য, হেয় করার জন্য নিজের স্ত্রীকে বেচে দিতে পিছপা হয় না। আর আমাদের স্বভাবই তো এই যে, আকাশপথে ১২ হাজার মাইল দূরের মানুষের জন্য আমরা উৎকন্ঠিত হই, অশ্রু ফেলি, কিন্তু ঘরের দিকে ফিরেও তাকাই না একনজর।
প্রতিটি ইঞ্চিই আমার দেশ
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
সংযুক্তি
যেভাবে জ্বলেছে বাঘাইহাট
ছবিতে বাঘাইছড়ির বিশাল একটি অংশ, যেখানে প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): cht, chittagong hill tracts, hill tracts, jummanet, jummaland, shantibahini, Guerrilla warfare, bangladesh army, rangamati, khagrachari, bandarban, baghaichari, sajek ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কামরুল৯৯ বলেছেন:
পুরা হক কথা কইছেন বস।তবে শেখের বেটি হাসিনা সেনা প্রত্যাহার করে কামডা ভালা করে নাই।লায় দিলে বোকা সহজ সরল মানুষও মাথায় উঠে যায়।
লেখক বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের কৌশলগতভাবে অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনী থাকাটা জরুরি। হাসিনা সরকার এরপরও অনেকগুলো ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ক্ষমতায় থাকার জন্য তিনি তো মনে হয় দেশে বেচে দিতেও আপত্তি করবেন না। এখন তো খোদ বিএসএফ বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে রীতিমতো পতাকা গেড়ে মাছ-টাছ ধরে বনভোজন শুরু করেছে।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
ওয়ান ম্যান আর্মি!
লেখক বলেছেন: হাহাহা!
মৌনোতা বলেছেন:
প্রতিটি ইঞ্চিই আমার দেশছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
লেখক বলেছেন: মানবাধিকার ব্যবসায়ী ১০০ সুলতানা কিংবা মেজবাহ কামালকে পিছমোড়া বেধে ঝুলিয়ে রাখতেও রাজি, তবু ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চিই চাই অক্ষুণ্ন।
দাম বলেছেন:
Right u r
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কাবজাব বলেছেন:
বসচরম লিখছেন।
আমাদের ব্লগের চুশীল সমাজের কিছু বয়ান আছে ......
একটু পইড়েন।
তারা চুলীল হইতে হইতে কতখনি হইছে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অনেককে দেখি, ঘটনার আগামাথা না বুঝে যত্রতত্র কূম্ভীরাশ্র ফেলতে পছন্দ করে আর 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ তোলে। প্রগতিশীলতার ভেকধারী এইসব কুলাঙ্গারদের পশ্চাৎদেশে দোররা মারা উচিত।
সানুনয় বলেছেন:
আপনার কথা আর ৭১ যুদ্ধের পশ্চিম পাকিস্তানিদের কথা একই রকম। লাশ দিয়ে কখন কোন কিছুর সমাধান হয় না। তাদের দাবি আমাদের শুনতে হবে এবং যৌক্তিক হলে অবশ্যই মানতে হবে। যদি তাদের দাবি অযৌক্তিক হয় একমাত্র তবেই সরকারের এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
লেখক বলেছেন:
তাহলে আসুন দেখি তাদের মূল দাবি কী কী-
১. ভূমি বিরোধ। বাঘাইছড়ির দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় যেখানে বাঙালি বসতিই নেই, সেখানে ভূমি নিয়ে বিরোধের প্রশ্ন আসে কী করে?
২. সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা। সেনাবাহিনী কোথায় থাকবে কিংবা না থাকবে- সেটা একান্তই জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়। পাহাড়িদের কোনো সংগঠন কোনো অবস্থাতেই সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারে না।
দেশের ভেতরে আরেকটা দেশ আমরা চাইতে পারি না।
সুধাসদন বলেছেন:
পাহাড়ী উপজাতিরা আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের শত্রু হবার পরও তাদের পক্ষে কথা বলে আওয়ামী লীগ। দেশের এক-দশমাংশ তাদের হাতে তুলে দেয়ার চুক্তি করে আওয়ামী লীগ। বাঙালীদের নিরাপত্তাহীন করার জন্য সেনা প্রত্যাহার করে তারাই। অথচ এরাই নাকি দেশের স্বাধীনতা এনেছে!
লেখক বলেছেন: এমনিতে পার্বত্য উপজাতীয়দের বেশিরভাগই একাত্তরে পাকবাহিনীর দালালি করেছে। আর গত দুই যুগে বহির্বিশ্বে সেনাবাহিনীসহ সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির যতোটা ক্ষতি তারা করেছে, তা সত্যিই অপূরণীয়। আওয়ামী লীগ দেশের স্বার্থ নয়, শ্রেফ ভোটের রাজনীতিতে সুবিধা পাওয়ার জন্য উপজাতীয়দের অন্যায় দাবিও মেনে নিয়েছে, নিচ্ছেও।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
প্রতিটি ইঞ্চিই আমার দেশ
লেখক বলেছেন: গুনে গুনে ৫৬ হাজার বর্গমাইল।
ক্যাটস-আই বলেছেন:
আমার তো মনে হয় পুরো বাংলাদেশটাকেই ভারইতচ্চাগো করাদ রাজ্যে পরিনত করার ঘরে-বাইরের যে চরম শত্রুতামি শুরু হইচে তাতে বাইরের চেয়ে ঘরের শত্রুদের সবচেয়ে বেশি অবদান। আল্লাহ এই হারামিগুলার হাত থেকে আমাদের দেশটাকে রক্ষা করুন। আল্লাহুম্মাহ্ আমিন।
লেখক বলেছেন: বাঙালি এরকমই। তারা নিজেরাই নিজেদের পশ্চাৎদেশে হামলা চালাতে পছন্দ করে। আকাশপথে ১২ হাজার মাইল দূরের মানুষের জন্য তারা উৎকন্ঠিত হয়, অশ্রু ফেলে, কিন্তু ঘরের দিকে ফিরেও তাকায় না একনজর।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
I've have given minus....Its better to be patriotic but notxenophobic.Your very title means you are not considering
indigenous people as the citizens of Bangladesh.
Govt' is neglecting Bangladesh interests while there is any pact with India; you guys are mum. But when the indigenous ppl are literally evicted from their land, you are showing your patriotism.
Its easy to speak against the have not's. But you , as a one-man army should speak against those who exercise hegemony.
Sorry to write in English. Bangla is not coming.
লেখক বলেছেন: আপনি পুরো ব্যাপারটা দেখছেন একধরনের মামুলি গৎবাঁধা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। লক্ষ্য করবেন, এই লেখায় আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ বাঘাইছড়ির ওপর। সেখানে ঘটনার সূত্রপাত হল কিভাবে, নেপথ্যে মূল ঘটনা কী, কার উদ্দেশ্য কী ও কেন- বিষয়গুলো মোটামুটি সাদামাটাভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। আমার ব্যাখ্যায় আপনি সন্তুষ্ট কি অসন্তুষ্ট ঠিক বোঝা গেল না। কারণ পক্ষে-বিপক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো যুক্তি দেখছি না আপনার মন্তব্যে। বরং দেখছি, যেটা আমরা হরহামেশাই দেখি, সেনাবাহিনীর গায়ে 'আধিপত্যবাদী'র সিলমোহর লাগাতে পারলে আপনি মনে হয় খুশি হন।
ক্যাটস-আই বলেছেন:
এই লেখায় যেগুলা মাইনাস দিছে সেগুলার পাছায় লাথি।
লেখক বলেছেন: সম্ভবত বাঙালিই একমাত্র জাতি, যারা নিজেদের সেনাবাহিনীকে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করার জন্য, হেয় করার জন্য নিজের স্ত্রীকে বেচে দিতে পিছপা হয় না। এরাই মাইনাস দিয়েছে।
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
চ্রমভাবে একমত।
ভারত ৫ লক্ষাধিক সৈন্যবলয়ে ঢেকে রেখেছে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো। আর সেখানে তাদের আচরন চরম এগ্রেসিভ। আর নিজের নিরাড়ত্তার জণ্যেভারত চায় বাংলাদেশের ভুখন্ডে স্বাধীন জুমল্যান্ড যাতে ভারতের উপর চাপ কমে। খুনী শান্তি (!) বাহিনীর সাথে গত টার্মের আওয়ামী চুক্তি ভারতের চাপেই করা হয়েছিলো। এ সরকার আবার এসেই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী (ও ভারতের স্বার্থের) রাষ্ট্রবিরোধী বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে সামনে কোনো এক সময় অনেকের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রদোহ মামলা হতে পারে।
লেখক বলেছেন: মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ। শুধুমাত্র সেনা উপস্থিতির কারণে সেটা অতোটা প্রকটভাবে ধরা পড়ে না। ঐতিহাসিক কারণে মিজোরাম রাজ্যজুড়ে অস্ত্রের যে কুখ্যাত খোলাবাজার, উপজাতীয়রা সেটাকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত করতে চাইছে বহুদিন ধরেই। সে কারণেই সেনা উপস্থিতি তারা কিছুতেই চায় না। বাঘাইছড়ির ঘটনা সেনা তাড়ানোর একটি ছুঁতো ছাড়া আর কিছুই নয়।
রাগ ইমন বলেছেন:
খুন খারাবি এত পছন্দ? ধিক্কার আপনাকে । শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে এর চেয়ে বেশি সাহস লাগে, ওয়ান ম্যান আর্মি দেখি চরম ভীতু। ----------------------------
এক চক্ষু বিশিষ্ট জ্ঞানী আর মানবতাবাদীদের কাছে আমার একটাই প্রশ্ন,
আপনারা কে কে চান পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ থেকে আলাদা হয়ে যাক?
আপনারা কে কে এই আলাদা করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রকারীদেরকে চিনেন ?
-------------- আপনাদের সুবিধার্থে নিচের মন্তব্যটি শেয়ার করা হইলো -------
comment by: পি মুন্সী বলেছেন: শেখ ফজলে এলাহী আপনাকে আমার একটা "সুশীল" বলতেই হচ্ছে। সেই সঙ্গে "সুশীল" আপনার সমাধান প্রস্তাব।
আপনি শেখ মুজিব থেকে শুরু করলেন কেন? শেখ মুজিব কী কাপ্তাই বাঁধ দিয়েছিলেন? নাকি আগেই উত্তরাধিকার সূত্রে পূর্বপাকিস্তান থেকে পেয়েছিলেন? তবে এটা সত্যি যে পুরানো সমস্যাটাকে জাতিয়তাবাদের দম্ভে খাটো করে তিনি জবরদস্তি করতে গিয়েছিলেন।
এবার আপনার শিরোনামের শেষটা দেখুন। আপনি শেখ মুজিব থেকে শুরু করে সবার - আগুন দেয়া, ঘি ঢালা, ফু দেয়া, ষড়যন্ত্র - সবই দেখতে পেলেন কিন্তু কলোনি লর্ড আ্যববুরি ও তাঁর বাংলাদেশী "সুশীল দোসর" এবং তাদের সংগঠন "CHT কমিশন" - এদেরকে দেখতে বা চিনতে পেলেন না। কেন? আপনার পুরা আলোচনায় এই লর্ড তাঁর চামচ আর কমিশন এগুলোর তৎপরতা ভুমিকায় আপনার চোখ গেল না কেন? আপনি এই লর্ডদের প্রস্তাবই নিজের প্রস্তাব বলে হাজির করেছেন তাই?
খেয়াল করেছেন, লর্ডদের এই প্রস্তাবই বলছে ওরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করতে চায়। লর্ডের ট্র্যক রেকর্ড দেখুন, পূর্ব তিমুরে তিনি কী করেছেন। আর এবারের ঐ একই সংঘর্ষের দিনে কয়েক ঘন্টার মধ্যে ভারতের সরকারের সাথে ঘনিষ্ট তথাকথিত মানবাধিকার সংগঠন "এশিয়ান সেন্টার ফর হি্উম্যান রাইটস"এসিএইচআর জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ দাবী করে বিবৃতি দিচ্ছে, এই হায়নার দল আপনার তালিকায় জায়গা পেল না। জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ বুঝেন তো? ব্লু হেলমেট; মানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী। ভারতের এই মানবাধিকারের প্রবক্তাদের ফর্মুলা অনুযায়ী তো ভারতেই কয়েক শ বার গুজরাট, কাশ্মিরে ব্লু হেলমেটে ভরে যাবার কথা। লর্ডের এই ব্লু হেলমেট ফর্মুলাতেই পূর্ব তীমুর আলাদা হয়েছিল।
আমার উপরের কথার সারকথা হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা, হুমকি তৈরির ইস্যুতে উত্তরণ ঘটাতে চাচ্ছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ছিন্নভিন্ন করে করে ফেলার চেষ্টা এটা - এই ঘোলা জলে মাছ শিকারে নেমেছে লর্ড আ্যববুরি, তার বাংলাদেশি কিছু চাকর-বাকর আর ভারত। এদের নাম বাদ দিয়ে আপনার এই পাঠক সহানুভুতি যোগাড়ের চেষ্টা আপনাকে বাদ দিতে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমি সমস্যা আমরা কী করে সমাধান করব সেটা এখন আর মুল ইস্যু নয় - বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করছে যারা সেই হায়নার দলের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। নইলে বাংলাদেশকেও বাঁচানো যাবে না। এরা শেখ হাসিনাকেও গিলে খাবে। এটাই আমাদের প্রথম কাজ।
এবার দ্বিতীয় প্রসঙ্গ:
পাহাড়ি এলাকায় সমতলের কেউ বসবাস করতে পারবে কী না? এটাই এক ব্লগের মুল ইস্যু হয়ে উঠেছে, পক্ষে বিপক্ষে আমরা কথা বলছি।
রাগ ইমন ঠিকই বলছেন, সাংবিধানিকভাবে এটা সারা বাংলাদেশের সব নাগরিকের অধিকার। কোন কোর্টও এটা রুখতে পারবে না কারণ এটা সাংবিধানিক অধিকার।
কিন্তু নীচে না নেমে আমরা সাজানো তর্কের ফাঁদে পরেছি।
প্রথমত পাহাড়ে বসবাসের অধিকার সবার আছে। এটা শেখ হাসিনা বা কোন সরকার প্রধান বা রাষ্ট্রপতি কেউই শন্তু লারমা বা কারও সাথে এমন চুক্তি করতেই পারবে না যা সমতলীদের পাহাড়ে "বসবাসের অধিকার" নাকচ করে। যদি করে তবে নিশ্চিত থাকতে পারেন কোর্ট সে চুক্তি বাতিল বলে ঘোষণা করতে বাধ্য, এমনকী কোন দলীয় ব্যকগ্রাউন্ডের বিচারক হলেও।
তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
আমরা "বসবাসের অধিকার" নিয়ে তর্ক করছি। "বসবাসের অধিকার" মানে কী কোন পাহাড়ি বা সমতলীর জায়গা জমি দখল করে বসবাস? এটাই হলো আমাদের চিন্তার গন্ডগোলের জায়গা।
কেবল পাহাড়ি এলাকায় কেন, ধরেন বগুড়াও গিয়েও কোন সমতলী কী অন্য কারো জমি দখল করে বসবাস করতে পারে? নিশ্চয় সবাই বুঝতেই পারছেন, তার প্রশ্নই আসে না।
কনষ্টিটিউশনে ও কোর্টের সায় দেয়া - "বসবাসের অধিকার" মানে অন্যের (এমন কী সরকারি খাস জমিতে) জমি বেদখল করে বসবাসের অধিকার বুঝায় না।
কাজেই সারকথা হলো, পাহাড়ি এলাকায় সমতলী যে কেউ নিজের বৈধ মালিকানা জমিতে অথবা বৈধ মালিক কারও বাসা বা জমি ভাড়া নিয়ে বসবাস, ব্যবসা করতে পারবে। দুনিয়ার কেউ নাই এটা বাধা দিতে পারে; তাতে কোথাও কোন শান্তিচুক্তি একটা হোক আর নাই হোক।
তাহলে আমরা কি এতই গর্ধব, বেকুব যে এই সামান্য "বসবাসের অধিকার" কথাটার অর্থ না বুঝেই চিল্লাচিল্লি করছি। না, আমরা কেউই গর্ধব, বেকুব নই। কথাটা উঠার একটা কারণ আছে। এই কারণের ভিতরেই কারা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা,হুমকির মুখে ফেলতে চায় তাও বুঝা সম্ভব। এরাই "বসবাসের অধিকার" এই সহজ কথাটা কৌশলে সহজ মানে থাকতে দেয়নি।
পাহাড়ি যারা ভুমি অধিকার নিয়ে লড়ছে এরা একটা ভূমি ব্যবস্হা চাচ্ছে যাতে উদ্বাস্তু জীবনের আগে সকলে যে যে জমিতে বসবাস, চাষাবাদ জীবিকা নির্বাহ করছিল সেখানে ফিরতে পারে। এককথায় এটাই মুল সমস্যা, সব বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দু। এটা সমাধা করা গেলে বাকী অন্যান্য সবকিছু সমাধান করা সহজ।
কিন্তু বদ-মতলবীর অভাব নাই। পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খাকে, দাবীকে ব্যবহার করে এর ফাঁক গলে একটা প্রচার সামনে নিয়ে এসে ফেলেছে এরা। যেন পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন সম্ভাবনা যেন না থাকে।
এটা অত্যন্ত ক্রুসিয়াল, গুরুত্ত্বপূর্ণ পয়েন্ট। কারণ একমাত্র পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন সমাধান নয় - এই দাবি আকারে ইঙ্গিতে জোরালো প্রচারে প্রতিষ্ঠা করা মানেই বিচ্ছিন্ন হওয়ার দিকে পরিস্হিতিকে ঠেলে দেয়া সম্ভব। বদ উদ্দেশ্য সফল।
আকারে ইঙ্গিতে বললাম এজন্য যে আনুষ্ঠানিক কোন আলোচনায় কোন পাহাড়ি নেতার পক্ষে বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান বিরুদ্ধে কোন কথা, কোন দাবি তোলার তাদের সুযোগ নাই। বৈধভাবে অর্থাৎ কোন সমতলীই এমন জমিতে বসবাস করতে পারবে না যেটার আইনী মালিক সে নিজে নয়, অথবা তা সরকারের নিজস্ব বা খাস জমিও নয় ফলে তাকে বরাদ্দেরও প্রশ্ন নাই; আরও সাধারণভাবে বলতে পারি, ধরে নেই কোন এক আদর্শ ব্যবস্হায় বা ফর্মুলায় ভুমি কমিশন একটা নতুন ভূমি ব্যবস্হায় সমাধান হাজির করতে সক্ষম হলো; ফলে তা বৈধ সমাধান।
পাহাড়ি নেতাদের কারও পক্ষে সে সুযোগ নাই এর মেলা কারণ আছে:
১. বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কনষ্টিটিউশনের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন দাবি করে ঐ কনষ্টিটিউশনের অধীনে পাহাড়িরা বাংলাদেশে থাকতে পারে না।
২. শান্তিচুক্তির প্রথম ভিত্তিমূলক একটা কথা লেখা আছে যে, বাংলাদেশের কনষ্টিটিউশন মেনেই পাহাড়িরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে।
৩. এমনিতেই কনষ্টিটিউশনের বাইরে গিয়ে দুই পক্ষ আঁতাত করে কোন চুক্তি করলেও আমাদের কোর্টে সেই চুক্তিই বাতিল হয়ে যাবে।
৪. বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান যদি পাহাড়িরা নাই চায় তবে পাহাড়িদের সমঝোতা চুক্তি করতে আসার কোন মানে হয়না, দরকারই বা কী? এরকম আরও পয়েন্ট বলা যাবে কিন্তু পাঠককে মুল বিষয়টা বুঝাতে পেরেছি মনে করে এখানেই বিরত থাকছি।
আশা করি বদ-মতলবীদের গোড়াটা দেখাতে পেরেছি। এই বদ-মতলবীর শিরমনির ভুমিকায় নেমেছে লর্ড আ্যববুরি, তার বাংলাদেশি কিছু চাকর-বাকর আর তাদের সংগঠন "CHT কমিশন"। পাহাড়ি জনগণ ও নেতাদের এরা ভাল মতন তা দিচ্ছে। অথচ এই হায়নার গুষ্ঠি ভাল করেই জানে, পাহাড়ি জনগণের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী "বসবাস করতে" পারবে না" - এই দাবি: ১. ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তির মৌলিকভাবে বিরোধী ২. বাংলাদেশের কনষ্টিটিউশনের বিরোধী, কোন আদালত এই দাবি বা চুক্তি গ্রাহ্য করবে না বরং বাতিল করে দিতে বাধ্য। ৩. বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন উদ্যোগ, এনজিও কার্যক্রম - মূল কথা সহবস্হানের কোন ধারণা তাদের তৎপরতায় রাখে নাই। "CHT কমিশন" বাংলাদেশে কে? কী এর এক্তিয়ার? সন্তু লারমার সাথে ১৯৯৭ সালের চুক্তির পর এই চুক্তির বাস্তবায়ন "মনিটরিং" করার এক মানবাধিকার সংগঠন হিসাবে উসিলায় এসব হায়নার প্রবেশ ঘটে। এখন "মনিটর" নিজেই কীবোর্ড হয়ে ইনপুট দিতে শুরু করেছে। সে নিজেই বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান বিরুদ্ধে সমস্ত তৎপরতার প্রধান কেন্দ্র ও বিচ্ছিন্নতা মুখপাত্র হয়ে গেছে। সরকারকে দাবি জানাচ্ছে, সাধারণভাবে সমতলীদের "বসবাসের অধিকারের" বিরুদ্ধে পাহাড়িদের তাতিয়ে তুলে বলছে বাঙালীদের ফিরিয়ে আনতে হবে। এটাই নাকি একমাত্র সমাধান। সরকার ভুমি কমিশনের মাধ্যমে কোন সমাধান যদি বের করতে চায়, সরকারি মালিকানাধীন জমিতে যদি কাউকে পুনর্বাসিত করতে চাই - না সেটাও সরকারের করার কোন সুযোগ তাঁরা রাখতে রাজী না। ভুমি কমিশন কাজই করতে পারলো না, কোন মাঠের সমাধান বের করা সম্ভব কি না তাও যাচাইয়ের কোন সুযোগ পেল না - এরা আমাদের সে সুযোগ দিতে চায় না। কোন শান্তিপূর্ণ সহাবস্হানের সমাধানের লক্ষ্যে কোন কাজ যেন না হয় - এটাই এর মূল লক্ষ্য। পাহাড়ি-বাঙালি পরপস্পরকে কেটে রক্তের হোলিখেলায় যেন মেতে উঠে - এছাড়া আর কোন সমাধান নাই এটাই যেন প্রমাণ হয় - সে পথে সবাইকে ঠেলে দিচ্ছে এরা। আর জাতিসংঘের শান্তিবাহিনী নামানোর জায়গা তৈরি করছে। আমরাও পক্ষে বিপক্ষে ভাগ হয়ে এই হায়নাদেরকে চিনতে পারছি না।
লেখক বলেছেন: দেশকে গালি দেই, আবার সেই দেশকেই পছন্দ করি অনেক। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে 'পোড়ামাটি নীতি'তেও আপত্তি নেই। পি. মুন্সীর মন্তব্যটি খুবই যুক্তিপূর্ণ। ভালো লাগল পড়ে। জাতিসংঘের শান্তিবাহিনী নামানোর জায়গা তৈরি নিয়ে তার যে আশঙ্কা, তার সঙ্গে পুরোপুরি একমত। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, এটা এখন ঠিক আশঙ্কার মধ্যে আর নেই, তার স্পষ্ট কিছু লক্ষণও আমরা দেখছি। আরেকটু পর্যবেক্ষণ করে সামনে আশা করছি, এ নিয়ে কিছু বলতে পারবো।
ধন্যবাদ রাগ ইমন।
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: নিশ্চিত থাকুন, এরা ঘর আর বড়জোর অফিস ছাড়া বাইরের দুনিয়া দেখেনি। প্রগতিশীল হওয়ার খায়েশ থেকে এরা মূলত অন্যের মুখে শুনে মাইনাস দেয়, নিজে জেনে-বুঝে নয়।
অলস ছেলে বলেছেন:
বাঘাইছড়ির সহিংসতার সূত্রপাত যে ঘটনা নিয়ে, সেনাবাহিনীর সদস্যকে দায়ের কোপে গুরুতর আহত করা, সেটা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। সেই সেনাসদস্য এখনও জখম গায়ে নিয়ে হাসপাতালে। তার জন্য আমাদের কোনো সমবেদনা নেই। বরং দেখেছি, আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক যে সেনাবাহিনী, তাকে ছোট করা হলে, বাইরের কেউ নয়, খোদ বাংলাদেশীদের অনেকেই আত্মতৃপ্তি পায়, নিজেদের প্রগতিশীলতা জাহির করে একধরনের বিকৃত আনন্দ লাভ করে। এবং সম্ভবত বাঙালিই একমাত্র জাতি, যারা নিজেদের সেনাবাহিনীকে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করার জন্য, হেয় করার জন্য নিজের স্ত্রীকে বেচে দিতে পিছপা হয় না।
লেখক বলেছেন: অনেকেই জানেন না, গত একযুগে শুধু ওয়েবে বিদেশী মানবাধিকারজীবীদের সহায়তা নিয়ে উপজাতীয়রা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যে ভয়াবহ প্রচারণা চালিয়েছে, অন্য দেশে হলে সংশ্লিষ্টদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
দারুন লেখেছেন।অসাধারন বিশ্লেষন।পার্বত্য চট্রগ্রামে সেনা প্রত্যাহার তো অনেক দূরের কথা আরও সেনা বাড়ানো দরকার।+সহ প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজিব।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
লেখক বলেছেন: তার ওপরে আর কোনো কথা নেই, থাকতে পারে না।
নেক্সাস বলেছেন:
বাঘাইছড়ির সহিংসতার সূত্রপাত যে ঘটনা নিয়ে, সেনাবাহিনীর সদস্যকে দায়ের কোপে গুরুতর আহত করা, সেটা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। সেই সেনাসদস্য এখনও জখম গায়ে নিয়ে হাসপাতালে। তার জন্য আমাদের কোনো সমবেদনা নেই। বরং দেখেছি, আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক যে সেনাবাহিনী, তাকে ছোট করা হলে, বাইরের কেউ নয়, খোদ বাংলাদেশীদের অনেকেই আত্মতৃপ্তি পায়, নিজেদের প্রগতিশীলতা জাহির করে একধরনের বিকৃত আনন্দ লাভ করে। এবং সম্ভবত বাঙালিই একমাত্র জাতি, যারা নিজেদের সেনাবাহিনীকে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করার জন্য, হেয় করার জন্য নিজের স্ত্রীকে বেচে দিতে পিছপা হয় না। আর আমাদের স্বভাবই তো এই যে, আকাশপথে ১২ হাজার মাইল দূরের মানুষের জন্য আমরা উৎকন্ঠিত হই, অশ্রু ফেলি, কিন্তু ঘরের দিকে ফিরেও তাকাই না একনজর। ...............................
অসাধারণ।আমার গোটা ৪/৫ জন বন্ধু আছে ত্রিপুরা।আমার আপন মেজ ভাইয়ের বউ একজন মারমা।
খাগড়াছড়ি থেকেছি ৫ বছর।খুব কাছ থেকে দেখেছি এই অঞ্চল কে।এই অঞ্চলের পাহাড়ী বাঙ্গালী উভয় সম্প্রদা্য় কে।
ত্রিপুরা আর মারমারা কোনদিন চাকমাদের সশস্ত্র সংগ্রাম কে সমর্থন করেনি।তাদের জন সংহতি সমিতি অস্ত্রের মুখে বাধ্য করেছে নিজেদের ঘর বাড়ি ছেডে শরনার্থীর খাতায় নাম লিখাতে।এখানে লুকায়িত ছিল সন্তু লারমাদের গোপন অভিপ্রায়।
এখানে কিছু কিছু বন্ধু যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে সরেজমিনে না জেনে নিছক সুশীল হওয়ার মানসে ঘটনার গভিরে না গিয়ে এক তরফা ভাবে জনসংহতি সমিতি পরিচালিত ওয়েব সাইটের মত করে বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে বিষোদাগার ছড়ান তখন সত্যি এদের জন্য করুনা হয়।
লেখক বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে শান্তিচুক্তিতে লাভবান হচ্ছে এবং হবে কেবলমাত্র চাকমারাই। আঞ্চলিক পরিষদে ১৫ সদস্যের উপজাতির কোঠায় পাঁচজনই চাকমা সদস্য। চাকমাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোটা আছে, কিন্তু অন্য উপজাতীয়দের জন্য নেই। চাকমা নেতারা অবশ্য দাবি করেন যে, পাহাড়ি মানুষের "অধিকার" প্রতিষ্ঠার পুরোভাগে ছিল চাকমারা। সুতরাং তারা লাভবান হবে- এটা স্বাভাবিক।
বিদেশী মদদে ওয়েবে বাঙালি ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গত দুই দশকে কী পরিমাণ বিষোদগার ছড়ানো হয়েছে, সেটা আপনি অবগত আছেন। সেটা নিয়ে আপাতত আর কিছু বললাম না।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
পোস্টের হেডিংটা আক্রমনাত্মক হলেও, কনটেন্ট যৌক্তিক! সমস্যা হলো তারা এদেশেরই নাগরিক! তার উপর সমস্যা শান্তি চুক্তির মতো দেশ বিরোধী চুক্তি! এখানকার অবাঙ্গালীরা নিজেদের দীর্ঘদিনের নির্যাতিত গোষ্ঠী মনে করছে, যদিও সরকার বা সেনাবাহিনী এর পিছনে অনেক গুলো কারন দেখায়! তাই সরকারের উচিৎ এদের ন্যায্য অধিকার গুলো মেনে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেয়া! আর নাম বদলের মতো ফালতু কাজে শত-হাজার কোটি টাকা ব্যয় না করে পার্বত্য অন্ঞ্চলের উন্নয়নে ব্যয় করা! কারন যত বেশিদিন ভীত-সন্ত্রস্ত থাকবে ততদিন তাদের মানসিক ক্ষত রয়ে যাবে!
লেখক বলেছেন: আমার জানামতে, পাহাড়িদের অনেক দাবিই মেনে নেওয়া হয়েছে। তবু তারা সন্তুষ্ট নয়। তাদের আরো চাই। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে নিজেদের কর্তৃত্ব চায়। দেশের মধ্যে তারা নিজেরা আরেকটি দেশ তৈরি করতে চায়। এটা কি সম্ভব?
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
শান্তি স্থাপন/আলোচনা তার সাথেই করা যারা এটা চায়। ধরে নিচ্ছি অধিকাংশ পাহাড়ী শান্তিপ্রিয়, কিন্তু এক/একাধিক গ্রিপ আছে শান্তি যাদের পছন্দ নয়। তারা এখনো তাদের স্বাধীনতার দাবী মননে-কাজে-কর্মে পরিত্যাগ করে নি (এদের উস্কানী-ইস্ধন-সাহায্য দাতা কিন্তু আবার সেই ভারতীয় লবি)।
পাহাড়ীদের এই অংশটি যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন মনে রাখতে হবে অবস্থা অস্খিতিশীল করার জন্যে সামান্য কিছু লোকই যথেষ্ট। আর তার পিছে যদি একটি আঞ্চলিক শক্তি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। এই বিচ্ছিন্নতাবাধী গোষ্টি কি আমাদের মিষ্টি মিষ্টি শান্তির কথা শুনবে? কখনো না আর কখনো শুনেও নি। সন্ত্রাস-হামলার মাধ্যমে পরিস্থিতি গরম তারা রাখবেই তা যেভাবেই হোক না কেন। তাহলে কি করনীয়? সেনাবাহিনী মুখ বুজে চুপচাপ মার খেয়ে যাবে, অন্যকে মার খেতে দেখবে?
কখনোই না। যে যে ভাষা বুঝে তার সাথে সেই ভাষায়ই কথা বলতে হবে। ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ রাখতে হবে বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি।
লেখক বলেছেন: বাঘাইছড়ি ঘটনার সূত্রপাতই হয়েছে সেনাসদস্যকে কোপানোর ঘটনা থেকে। সুশীলরা চান যে, আমাদের সেনাবাহিনীকে কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হোক, আর বিনিময়ে তারা শান্তির সুশীতল বারতা নিয়ে মাদার তেরেসা সেজে চাকমা-মারমাদের দুয়ারে গিয়ে হাজির হবে।
আর এটা তো এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ করে বাঘাইছড়িতে উপজাতীয়দের যে বর্তমান রুদ্রমূর্তি, সেটা সেনা তাড়ানোর ছুঁতো ছাড়া আর কিছুই নয়।
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ফিফা। বাঘাইছড়ি সম্পর্কে আসলে এত্ত গভীরভাবে জানতামনা, ফলে পাহাড়ীদের অসহায় মনে হয়েছে এবং এই ব্যাপারে প্রথম আলোতেও একটা প্রতিবেদন পড়েছিলাম :"চোখের সামনে মৃত্যু হলো মায়ের, পুড়ল ঘরও
সৈকত দেওয়ান, খাগড়াছড়ি | তারিখ: ২২-০২-২০১০
শত হোক মায়ের মন। পাহাড়ে হঠাৎ আদিবাসী-বাঙালি দেখে মনে ঠিকই আশঙ্কা জন্মেছিল, কোনো অঘটন ঘটতে পারে। সন্তানদের নিরাপত্তায় তাঁর চিন্তার অন্ত নেই। তাই সন্তানদের নিয়ে বেলা ১১টার মধ্যেই দুপুরের খাবার খেয়ে নিলেন। তারপর ঘরদোর বন্ধ করে তাদের নিয়ে ছুটলেন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। কিন্তু বাড়ির সীমানা পার হতে পারলেন না। এর আগেই বুলেট আঘাত হানে তাঁর কোমরে। তিনি লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। সন্তানদের বাঁচালেও নিজে বাঁচতে পারলেন না।
গুলিতে নিহত এই মায়ের নাম বুদ্ধপুদি চাকমা (৩৬)। স্বামী আর সন্তানদের নিয়ে থাকতেন রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট গুচ্ছগ্রামে। গত শনিবার বাঘাইহাটে সহিংসতার সময় গুলিতে মারা যান তিনি। তাঁর স্বামী উত্তম চাকমা। তাঁদের তিন সন্তান সুনীতা চাকমা (১৫), জুয়েল চাকমা (১০) ও রূপনা চাকমা (৮)।
মাকে হারিয়ে শোকে কাতর তাঁর তিন সন্তান। তাদের কান্না যেন থামছেই না। ঘটনার সময় স্বামী উত্তম চাকমা বাড়ি ছিলেন না। মেয়ে সুনীতা চাকমা (১৫) জানায়, ‘মৃত্যুর সময়ও মা আমাদের আর বাবার চিন্তায় অস্থির ছিলেন। চোখ বন্ধ করার আগে আমাকে শুধু বলেছিলেন, তোমার বাবাকে খবর দাও, আমি আর পারছি না। তোমরা তাড়াতাড়ি পালাও, নিরাপদ আশ্রয়ে যাও, আমি তো মরেই যাচ্ছি।’
গতকাল রোববার সাংবাদিকদের সামনে ওই দিনের ঘটনা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে সুনীতা ও তার ভাইবোন। শনিবার ঘটনার আগমুহূর্তের পরিস্থিতি বর্ণনা দিয়ে সে জানায়, ‘মা আমাদের বললেন, তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। পরিস্থিতি ভালো নয়। যেকোনো মুহূর্তে পালাতে হবে। মায়ের কথা শুনে পরিবারের সবাই ভাত খাওয়া শেষ করে আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলাম। এ সময় আর্মিরা আমাদের গ্রামে হামলা শুরু করে। কোনো কিছু বোঝার আগেই মুহুর্মুহু গুলির শব্দ। আর্মিরা বাঘাইহাট জোন থেকে গুলি করছে আর কাচালং নদী পার হয়ে কিছু সদস্য গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।’
সুনীতা জানায়, ‘আমরা মাত্র ঘরের আঙিনায়। এমন সময় পেছন থেকে একটি গুলি এসে আমার মায়ের কোমরে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে ধরাধরি করে কোনো রকমে হাঁটতে সাহায্য করছি। প্রথম দিকে হাঁটতে পারলেও পরে তিনি বসে পড়েন। তখন মা আমাদের পালিয়ে যেতে বলেন। আমি মাকে টেনে একটি ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে পালিয়ে গেলাম। পরে গ্রামের কয়েকজন লোক ডেকে মাকে উদ্ধার করতে আবার ফিরে আসি। কিন্তু আর্মি জোন থেকে চিত্কার দিয়ে বন্দুক তাক করে আবার গুলি করার হুমকি দেয়। তখন অন্যরা পালিয়ে যায়। আমি আর এক ছোট ছেলে ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে
থাকি। এ সময় আর্মিরা আমাদের বাড়ির পাশে অবস্থান নেয়।’
সুনীতা আরও জানায়, ‘আর্মির উপস্থিতিতে দুই বাঙালি এসে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। দুজনের নাম না জানলেও আমি তাদের চিনি। পরে আর্মি ও বাঙালিরা অন্যদিকে চলে গেলে আমি ও ছোট ছেলেটি মাকে নিয়ে পূর্বদিকে পাহাড়ে যাই। সেখান থেকে গ্রামের অন্যরা মিলে মাকে নিয়ে যায়। এর মধ্যে মা মারা যান।’
বুদ্ধপুদির স্বামী উত্তম চাকমা গরিব জুমচাষি। অভাবের কারণে তিন সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারেননি। বাঘাইহাটের ঘটনার পর এই পরিবারের সামনে এখন শুধুই অন্ধকার। এক দিকে মৃত্যু, আরেক দিকে ঘর পুড়ে সর্বস্বান্ত।
বাঘাইহাট গুচ্ছগ্রামে উত্তম চাকমার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাঁর বাড়িটি ঠিক বাঘাইহাট জোনের বিপরীতে। মাঝখানে কাচালং নদী। সেনা জোন পাহাড়ের ওপরে আর গুচ্ছগ্রাম হলো কাচালং নদীর পারে সমতলে।"
ফলে তাদের প্রতি অনেকেরই সহানুভুতি প্রকাশ স্বাভাবিক। দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে যেখানে প্রশ্ন সেখানে সেনাবাহীনির ক্যাম্প প্রত্যাহারের মত সরকারের এত বড় ভুল সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া যায়না।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনি অরুণ কর্মকারের এই প্রতিবেদনটিও একবার পড়ে দেখুন। অনেককিছু জানতে পারবেন আশা করি।
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন:
প্লাস বা মাইনাস থেকেও বড় ব্যাপার...অনেকের জন্যেই (যেমন আমি) পোস্টটি তথ্যসমৃদ্ধ মন্তব্যগুলো সহ...প্রিয়তে এবং ফেসবুকে নিলাম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শুভ।
কার্ল মার্কস বলেছেন:
প্রথমে তাগো ১৪ গোষ্ঠীরে মা তুইলা চ্রম গালি যারা পাহাড়িদের আদি বাসী কয়। ওইসব বেজন্মা, জ্ঞান পাপী, এরা 'আদিবাসী'র সংজ্ঞা জানেনা। বাংলাদেশে পহাড়িদের আগমন মাত্র ৪০০ বছর আগে। এদের কেউ চীন,তিব্বত বা বার্মা হতে আগত।ভালো বাসি বাংলাদেশ। যারাই এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব'র জন্য বিন্দু পরিমান ক্ষতিকর তাদের স্রেফ উপড়ে ফেলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রমকে পূর্ব তিমুর বানানোর স্বপ্নে যারা বিভোর, বিভিন্ন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নামে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে বা সমর্থন যোগাচ্ছে লাষ্ট্রকে অত্যন্ত নির্দয় ভাবে এদের দমন করতে হবে। সরকার যেভাবে জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে তার চেয়েও বড় আগ্রাসী ক্রেক ডাউন জরুরী পার্বত্য এলাকায়। সুশিল সমাজ নামের কোন মাম ফাকারের স্থান এখানে যাতে না হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আর চুপ থাকার সময় নেই, দেশের সব জায়গায় আমরা যাবে, এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার, কোন গোষ্ঠী যদি হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায় তার তীব্র ও ভয়াবহ জবাব দিতে হবে সরকারকে।
ধন্যবাদ আপনাকে, যারা মাইনাস দিয়েছে, এদের চিহ্নিত করান, নিকগুলো ফ্লাশ করে দিন সকলের কাছে। নি:সন্দেহে এরা স্বাধীনতার শত্রু, স্বাধীনতা রক্ষা করা আপনার আমার সকলের পবিত্র দায়িত্ব।
লেখক বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীরা 'আদিবাসী' হলে এই বাংলাদেশে বাকি বাঙালিরা ভিনগ্রহ থেকে পতিত নাকি? তারা কেন আদিবাসী নয়?
সরকার অবশ্য এ বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সম্প্রতি। এখানে দেখুন।
আর একটি তথ্য হল, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া অন্তত ৫০ হাজার উপজাতীয় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। তারা যেতে পারলে, বাঙালিরা কেন পাহাড়ে বসবাস করতে পারবে না?
রাগ ইমন বলেছেন:
সামরিক বুদ্ধি শুদ্ধি দিয়ে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান চান, আপনারা কি পাগল হয়ে গেলেন? কাদের গুলি করবেন? ওরা বাংলাদেশের মানুষ , নাগরিক নয়?
আজকে চাকমা গুলি করে মারতে শুরু করলে কালকে ত্রিপুরা, মারমারা ক্ষেপে উঠবে না এই নিশ্চয়তা কে দিলো?
মারমা, ত্রিপুরা গোষ্ঠী যদি চাকমাদের সশস্ত্র " আন্দোলন তথা সন্ত্রাস" নাই পছন্দ করে , ওরা কি রাষ্ট্রীয় হত্যা - সন্ত্রাস পছন্দ করবে?
পাকিস্তানীরা বাঙ্গালী শেষ করে অখন্ড পাকিস্তান রক্ষা করতে চেয়েছিলো । ২৫শে মার্চের অপারেশন সার্চ লাইট তার নাম ।
আপনারা পকিস্তানী হইলেন কবে থেকে?
চাকমা নির্বংশ করে পাহাড়ে শান্তি আসবে?
-------------------------
ফিফা , এই উত্তেজনা ছড়ায়ে কার স্বার্থ রক্ষা করছেন , জানতে পারি?
বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডের স্বার্থ তো নয় ।
তাহলে কার?
নিজের দেশের মানুষের লাশের উপর দিয়ে হেটে সীমান্ত রক্ষার দাবী , হিটলারকে মনে পড়ে গেলো!
লেখক বলেছেন: না, আপনি ভুল বুঝছেন। আমরা জানি, পাকিস্তানি হায়েনাদের রুখতে আমাদের পূর্বপুরুষরা মহাত্মা গান্ধীর বেশ ধরে অহিংসতার বাণী ছড়াননি। সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে, স্বাধীনতার প্রশ্নে তারা অস্ত্রই ধরেছিলেন। সেটা ছিল সময়ের দাবিই। কিন্তু লক্ষ্য করবেন, সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা বলে তখনও মার্কিন জোট এবং বেজন্মা ভুট্টো জাতিসংঘের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মরছিল আর প্রতারণার ফাঁদ তৈরির চেষ্টা করছিল।
আর আপনি বলুন, আমার দেশের যে ভূমিতে সরকারের নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সাধারণ মানুষকে রাস্তার আড়াল নিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করতে হয়, সেটা কি আসলেই বাংলাদেশের অংশ? সেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছুই নেই?
সবার আগে দেশ। বেশি দূরে নয়, ঘরের কাছের চীন থেকে আমরা শিখে আসতে পারি, কিভাবে দেশের প্রতিটি ইঞ্চির জন্য লড়তে হয়, কিভাবে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি আগলে রাখতে হয়।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
ভয়ংকর ক্ষতিকর লেখা এইটা। যারা পাহাড়ে লাশ ফেলতে চায় তাদের পক্ষে অ্যাডভোকেসি করতেছেন আপনে। ব্লু হেলমেট আনানোর পক্ষে চমতকার অ্যাডভোকেসি।
লেখক বলেছেন: পাহাড়ি সাম্প্রদায়িক ছাত্র পরিষদের ভাষ্যের সঙ্গে আপনার বক্তব্য পুরোপুরি মিলে গেল দেখছি! ওইদিকেও আছেন নাকি ইদানিং? অবশ্য ঢাকার সুশীল সমাজে 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' ইদানিং বেশ জনপ্রিয় একটি বিলাপ।
দ্বীপবালক বলেছেন:
comment by: কার্ল মার্কস বলেছেন: প্রথমে তাগো ১৪ গোষ্ঠীরে মা তুইলা চ্রম গালি যারা পাহাড়িদের আদি বাসী কয়। ওইসব বেজন্মা, জ্ঞান পাপী, এরা 'আদিবাসী'র সংজ্ঞা জানেনা। বাংলাদেশে পহাড়িদের আগমন মাত্র ৪০০ বছর আগে। এদের কেউ চীন,তিব্বত বা বার্মা হতে আগত।============
ঠিক বলেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিগুলোর কোনটাই আদিবাসী নয়। ওরা বেশীরভাগই যাযাবর উপজাতি।
সেনাবাহিনীকে অপবাদ দেয়া একটা রীতি হয়ে গেছে। কেউ কেউতো আসলে আমাদের সেনাবাহিনীই চায়না।
যারা অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশ থেকে একটা অংশ আলাদা করতে চায় তাদের সাথে অস্ত্র দিয়েই মুকাবিলা করতে হবে; আর যারা শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে চায় তাদের সাথেই শুধু শান্তি আলোচনা চলতে পারে।
পোস্টদাতাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দুর্ভাগ্যজনক হল এই, খামারে জন্ম নেওয়া একটি বিকলাঙ্গ প্রজন্ম দাঁড়িয়ে গেছে এই বাংলাদেশে। তারা নিজের দেশের সেনাবাহিনীকে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করে বিকৃত আনন্দ লাভ করে। নিজের দেশের পশ্চাৎদেশ মেরে তারা বিমল আনন্দ পায়।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
ধন্যবাদ ফিফা, তবে লাশ কোন সমাধান নয়।আপনার অনুমান সঠিক, বাঘাইছড়ির মূল পাহাড়ী অংশে মূলত আদি-বাসীদেরই বাস, বাঙ্গালীর থাকে নদীর এপারে সমতল দিকটায়।রাগ ইমনের দেয়া পি মুন্সীর আলোচনাটা কে পড়ার অনুরোধ করছি সবাইকে।তবে অনেক বিষয় আছে যেগুলিকে ক্যাপিটালাইজ করা হচ্ছে।পি মুন্সীর বলা নীচের এই বক্তব্যটির ভেতর আছে অনেক প্রশাসনিক ব্যর্থতা আর ষড়যন্ত্রের ফাঁস।।
''কিন্তু বদ-মতলবীর অভাব নাই। পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খাকে, দাবীকে ব্যবহার করে এর ফাঁক গলে একটা প্রচার সামনে নিয়ে এসে ফেলেছে এরা। যেন পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। ''।
লেখক বলেছেন: সমতল এলাকার বাইরে আমি বহু দূর ঘুরে, অনেকগুলো পাহাড় ডিঙ্গিয়েও বাঙালি বসতির খোঁজ পাইনি। অথচ এখন দেখুন, বলা হচ্ছে ভূমি বিরোধের কারণে সংঘাতের সূত্রপাত। অরুণ কর্মকারের প্রতিবেদনটি একবার দেখবেন। আর পি. মুন্সীর বিশ্লেষণটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বীপবালক বলেছেন:
স্তব্দ্ধতা বলেছেন: ধন্যবাদ ফিফা, তবে লাশ কোন সমাধান নয়।আপনার অনুমান সঠিক, বাঘাইছড়ির মূল পাহাড়ী অংশে মূলত আদি-বাসীদেরই বাস, বাঙ্গালীর থাকে নদীর এপারে সমতল দিকটায়।===============
স্তবদ্ধতা, আপনি আদি-বাসী কোথায় পেলেন বাঘাইছড়িতে? ওখানে আছে পাহাড়ী উপজাতি। ওরা আদিবাসী নয়। আদি-বাসী আলাদা প্রজাতি, যেমন সাঁওতাল।
লেখক বলেছেন: দেশ সবার আগে। তারপর অন্য কিছু।
মনজুরুল হক বলেছেন:
পাহাড়িদের নিয়ে হরেক কিছিমের পোস্ট পড়ে বিভ্রান্ত দশা! আপাতত পক্ষে-বিপক্ষে কিছুই বললাম না। শুধু দু'টি পয়েন্ট উল্লেখ করে যাচ্ছিঃ
১. আমি উগ্র জাতীয়তাবাদকে চূড়ান্ত বিচারে ফ্যাসীবাদ মনে করি।
২. সব কিছুতেই "অখন্ডতার হুমকি" দেখাকে হাস্যকর মনে হয়।
আর রাগ ইমন কর্তৃক পি মুন্সীর লম্বা কমেন্ট এই সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্টে পেস্ট করা দেখে বিস্মিত হচ্ছি!
লেখক বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পন্থাটা ফ্যাসিবাদ হোক কিংবা অন্য যাই হোক, নির্দ্বিধায় মেনে নিতে রাজি আছি।
আর সবকিছুতেই 'অখণ্ডতার হুমকি' দেখা হাস্যকর বটে। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে সেটা ঠিকই আছে। সেখানকার উপজাতীয়দের অতীত ভূমিকা এবং তাদের দেশপ্রেম (একাত্তর এবং গত দুই দশকে) বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ এবং সন্দেহজনক।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
...এই জনসংহতি, এই ইউপিডিএফ, এই উপজাতীয়রা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য কয়েক দশক ধরে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়েছে। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য এমন কোনো উপায় নেই, যা তারা অবলম্বন করেনি। এখনও তারা সেই কাজই করে চলেছে। এমনকি একাত্তরেও এই উপজাতীয়রা পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ হয়েই বাঙালির বিরুদ্ধে লড়েছে। এরা কিভাবে আমাদের বন্ধু হয়?
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক। - ফিউশন ফাইভবাঙালিরা অর্ধেক হিন্দু...আমি মানুষ চাইনা, মাটি চাই- টিক্কা খান।
চমৎকার মিল, তাইনা?
মানুষ কখনোই মানুষকে ঠান্ডা মাথায় মারতে পারেনা। সেজন্য আগে পশুর পর্যায়ে তাকে নামিয়ে নেয় এবং এরপর বিনা গ্লানীতে মারে। ৭১এ পাকীরা বাঙালিদের কুকুর-বেড়াল মনে করে মেরেছে, আর এই বাঙালীরাই সন্ত্রাসী, র-এর এজেন্ট, যুদ্ধে বিরোধী ছিলো, আরাকানের বাসিন্দা, বিচ্ছিন্নতাবাদী এসব ধোঁয়া তুলে নিশ্চিন্তে পাহাড়ি সিভিলিয়ান মেরে যাচ্ছে ।
একশ্রেণীর কুলাঙ্গার তাতে সমর্থনও দিচ্ছে। এরা ফিলিস্তীন, মনিপুর, কাশ্মীর, দারফুর নিয়ে মুখে ফেনা তুলে ফ্যালে, দুশ্চিন্তায় প্যাটের ভাত হজম হয়না আর দেশের মাঝের এই দৃশ্য তাদের মনে কোনো দাগ কাটেনা! তারা কন্সপিরেসী থিওরী খুঁজে বের করে এদের মাঝে। পাঁচটা লাশের চেয়ে একজন জওয়ানের আহত হওয়াকে তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়!
একজন বাঙালী হিসেবে, ওপরের সবগুলো শ্রেণীর প্রতিনিধি হিসেবে এই অপরাধের জন্য আমি পাহাড়িদের কাছে ক্ষমা চাইছি এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ( যা হয়ত কখনোই হবেনা, তবুও আমি আশাবাদী। শুধু এটাইতো সম্বল! ) চাইছি।
আবারও ক্ষমা চাইছি।
লেখক বলেছেন: আপনি নিজের পরিচয় দিচ্ছেন বাঙালি হিসেবে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আপনি ফার্মের বাঙালি। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে ফার্মজাত একটি নতজানু প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, আমরা এদের নাম দিতে পারি 'ক্ষমাপ্রার্থী প্রজন্ম।' কারণে-অকারণে এরা ক্ষমা চাইতে অভ্যস্ত। এদের জীবনের শুরুটা হয় স্কুলপ্রধানের কাছে 'ক্ষমা চাহিয়া পত্র' লিখে, মাঝবয়সে বস আর বউয়ের কাছে আর শেষজীবনে এরা রূপান্তরিত হয়ে 'মানবাধিকারজীবী' হিসেবে। জীবনে একবারও পাহাড়ে না গিয়ে এরা ঢাকায় বসে আদিবাসীদের জন্য অশ্রুপাত করে। এটাই অবশ্য ইদানিংকার চলতি ফ্যাশন।
আমরা শুধু জানি, একাত্তরে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই দেশটির প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষার জন্য আমাদের পূর্বপুরুষরা লড়েছিল অস্ত্র হাতে, কবুতর উড়িয়ে নয়। উল্টো একাত্তরে শান্তিকমিটির জন্মই হয়েছিল দেশপ্রেমের আবরণে ক্ষমা চেয়ে চেয়ে, শান্তির প্রতারণামূলক বারতা বহন করে।
লেখক বলেছেন: একজন সেনাসদস্যকে কুপিয়ে আহত করার পর বাঘাইছড়ির ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। এটা পরিকল্পিত ঘটনা। আমি যতোটুকু জানছি, ঘটনার জন্য পাহাড়ি ও বাঙালি দু পক্ষই প্রায় সমানভাবে দায়ী।
অক্টোপাস বলেছেন:
৭১ -এ পাকিস্তানিদেরও ভূমিকা এমন ছিলো! তাহলে আমাদের আর ওদের মাঝে কী পার্থক্য হলো!ওদের চোখে তাহলে আমরা রাজাকার নই!
অবশ্যই বুদ্ধিমত্তার সাথে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিস্থিতি সামলানোর দিকে নজর দিতে হবে!
লেখক বলেছেন: শান্তিপূর্ণ উপায় কে না চায়!
লাল সাগর বলেছেন:
প্রতিটি ইঞ্চিই আমার দেশ
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
১.
১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার থিওরীটি খুবই হাস্যকর মনে হলো। গত ত্রিশ বছরে পার্বত্য এলাকায় ত্রিশ হাজারের বেশী লাশ পড়েছে তাতে কি শান্তি এসেছে?
২.
পাহাড়িরা কি 'আমাদের' বন্ধু - 'আমাদের' বলতে কি বুঝালেন? এর মাধ্যমে পরিস্কার বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে রাস্ট্রের অধিকর্তা জনগোস্ঠি হলেন আপনারা এবং এই 'আমাদের' মধ্যে কারা থাকবে না থাকবে তা ঠিক করে দেবেন আপনারাই? দেশের নাগরিকদের মধ্যে বন্ধু শত্রুর ব্যপারটা আসে কিভাবে?
৩.
"এমনকি একাত্তরেও এই উপজাতীয়রা পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ হয়েই বাঙালির বিরুদ্ধে লড়েছে। এরা কিভাবে আমাদের বন্ধু হয়? " - পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ নিয়ে হত্যাযজ্ঞ ও ধর্ষন চালানো রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীতে কারা ছিল একটু বলবেন কি? মুক্তিযুদ্ধের সময় উপজাতীয় জনগোষ্টির একটি বিরাট অংশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য লড়েছিল একথা কি অস্বীকার করছেন?
৪.
সবশেষে, কিছুটা রুঢ় শোনালেও বলি, আপনার কাছে যা "আদিবাসী আদিবাসী বিলাপ" মনে হচ্ছে, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠিগুলোর কাছে তা টিকে থাকার প্রেরনা। অন্ধকারে এক চিলতে আলোর মতো আশাবাদ - না, এই ভুখন্ডটি কেবল উগ্র জাতীয়তাবাদী পশু দিয়েই ভর্তি নয়, মানুষ নামের জীবও এখানে বাস করে।
লেখক বলেছেন: ১. বুঝতে আপনি ভুল করেছেন। আমার জিজ্ঞাসা হল, আমার দেশের যে ভূমিতে সরকারের নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সাধারণ মানুষকে রাস্তার আড়াল নিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করতে হয়, সেটা কি আসলেই বাংলাদেশের অংশ? সুতরাং বুঝতেই পারছেন, প্রশ্নটা শান্তির নয়, সার্বভৌমত্বের। শান্তি বিষয়টা আসলে আপেক্ষিক। আপনি যদি পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশের ভেতরে 'আলাদা দেশ' হিসেবে গণ্য করেন, তাহলে রাষ্ট্র তো আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না কখনোই, হাজার চেষ্টা করলেও 'শান্তি' দিতে পারবে না।
২. পাহাড়িরা নিজেদের 'আদিবাসী' বলে বলে বরং নিজেরাই নিজেদের আলাদা করে রাখছে বহুকাল ধরে। নাগরিকসুলভ আচরণ তাদের মধ্যে আমরা দেখি না। ৫০ হাজার পাহাড়ি খোদ ঢাকা ও চট্টগ্রামেই চমৎকার জীবন যাপন করছে, কিন্তু ৫০ হাজার বাঙালি পাহাড়ে গেলে কেন এতো কথা উঠে? পাহাড়ে গেলেই কেন ওদের শত্রু জ্ঞান করে উপজাতীয়রা? ওটা আমাদের দেশের অংশ নয়? পাহাড়ে আমাদের অধিকার নেই?
৩. মুক্তিযুদ্ধে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর একটি ক্ষুদ্র অংশ মুক্তিযোদ্ধাদের সপক্ষে কাজ করেছে- এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। বান্দরবানের অধিবাসী একজন বীরপ্রতীকের কথাও আমার মনে আছে। কিন্তু এর বাইরে চাকমা রাজাসহ বিশাল একটি অংশই মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করেছে। রাজাকার-আলবদর কিংবা আল শামসের মতো তারাও নৃশংসই ছিল। মিজোরামের বিদ্রোহীরাও তখন পাহাড়িদের সঙ্গে মিলে মুক্তিযোদ্ধাদের বিপক্ষে লড়েছে সরাসরি। এগুলো ইতিহাসের অংশমাত্র।
৪. ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর জন্য আমার যথেষ্টই মমতা আছে। আমিও নিজেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার বলে মনে করি। কিন্তু দেশ, দেশের মাটি সবার আগে, সবকিছুর ওপরে। আর তাকে যদি আপনি এমনিক 'উগ্র জাতীয়তাবাদ' হিসেবেও সাব্যস্ত করতে চান, কিছুই আসে যায় না।
মনজুরুল হক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পন্থাটা ফ্যাসিবাদ হোক কিংবা অন্য যাই হোক, নির্দ্বিধায় মেনে নিতে রাজি আছি।
কি ভয়ংকর কথা! এই ফ্যাসীবাদই কি কল্পনা চাকমাকে অপহরন করে ধর্ষন করে হত্যা করে গুম করেছিল? এই ফ্যাসীবাদ থেকে বাঁচার জন্য অত্যাচারিত পাহাড়িরা যদি তৃতীয় কোন পক্ষরে কাছে সহায়তা চেয়ে পায় আর সেই সহায়তা যদি ব্লুহেলমেট আমদানি করে তবুও ফ্যাসীবাদী থাকতে চাইবেন? তখন কিন্তু আর অখন্ডতা থাকার গ্যারান্টি পাবেন না!
"আদিবাসী আদিবাসী বিলাপ"
আপনার এই ব্যাক্যটি আপত্তিকর অপমানজনক। প্রতিবাদ জানালাম।
লেখক বলেছেন: গৎবাঁধা কথাগুলো বলে দিলেন! হাহাহা। কল্পনা চাকমাকে অপহরণ করা হয়েছিল, ঠিকাছে মানলাম। যেহেতু সবাই এতোদিন ধরে বলে আসছে, না মেনে উপায় কী! কিন্তু আপনাকে যদি প্রশ্ন করি, কল্পনা চাকমাকে "ধর্ষণ" করা হল কোন্ জায়গায়, কোথায় তাকে "হত্যা" করা হল, সেই লাশ আবার কোথায় "গুম" করা হল- আপনি কি দয়া করে সুনির্দিষ্টভাবে জানাবেন একটু? আমার খুব জানার ইচ্ছা।
আর 'অখণ্ডতা রক্ষার' গ্যারান্টি কিন্তু আপনি-আমি দিতে পারি না। কয়েক দশক ধরে পাহাড়ে পাহাড়ে ভারতীয় সাহায্যপুষ্ট উপজাতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে আপনি-আমি লড়িনি, লড়েছে আমাদের সেনাবাহিনী। তারা পরীক্ষিত। আমরা নই। আমরা মামুলি ব্লগজীবী। মাঠে-ময়দানে আমরা নেই তো!
"আদিবাসী আদিবাসী বিলাপ" বাক্যটি কেন খোদ আপনার কাছে 'অপমানজনক' মনে হল ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। সরকারের এই সংক্রান্ত নির্দেশমালা পড়ুন দয়া করে এইখানে।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
আপনি নিজের পরিচয় দিচ্ছেন বাঙালি হিসেবে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আপনি ফার্মের বাঙালি। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে ফার্মজাত একটি নতজানু প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, আমরা এদের নাম দিতে পারি 'ক্ষমাপ্রার্থী প্রজন্ম।' কারণে-অকারণে এরা ক্ষমা চাইতে অভ্যস্ত। এদের জীবনের শুরুটা হয় স্কুলপ্রধানের কাছে 'ক্ষমা চাহিয়া পত্র' লিখে, মাঝবয়সে বস আর বউয়ের কাছে আর শেষজীবনে এরা রূপান্তরিত হয়ে 'মানবাধিকারজীবী' হিসেবে। জীবনে একবারও পাহাড়ে না গিয়ে এরা ঢাকায় বসে আদিবাসীদের জন্য অশ্রুপাত করে। এটাই অবশ্য ইদানিংকার চলতি ফ্যাশন।উত্তরটা অনেক বড় হবে। আলাদা করে পোস্ট দেব কেমন?
লেখক বলেছেন: বেশি বড় করবেন না কাইণ্ডলি। মোটামুটি গুছিয়ে, টিস্যু দিয়ে সম্ভাব্য অশ্রু মুছে-টুছে, আর সম্ভব হলে নতজানু ভঙ্গিমা সাময়িকভাবে এড়িয়ে লেখাটা দেওয়ার চেষ্টা করবেন- এই অনুরোধ থাকল। অপেক্ষায় থাকলাম।
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
পাহাড়ীদের কেউ কেউ স্বসস্ত্র বিদ্রোহী তাদের দমন করতে সেনাবাহিনীর বিকল্প নেই।"১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি"
পুরাই একমত।
লেখক বলেছেন: বাঘাইছড়ির ঘটনার পর প্রতিটি পাহাড়ি সংগঠনেরই মূল দাবি হচ্ছে বাঘাইহাট সেনা জোন প্রত্যাহার করে নেওয়া। সেনাবাহিনী কোথায় থাকবে কিংবা না থাকবে- সেটা একান্তই জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়। পাহাড়িদের কোনো সংগঠন কোনো অবস্থাতেই সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারে না। এটা আমাদের দেশের জন্য চরম অপমানজনক।
সাজিদ বলেছেন:
সম্পুর্ন একমত। দরকার হলে নিজের জীবন নিয়ে এগিয়ে আসব। ধিক তাদের যারা দেশের সাথে নিরপেক্ষ সাজতে চায়। সুশীলতার ভন্ডামী করে। দেশের স্বার্থে কোনো আপোষ নাই। আমার দেশের এক ইন্চি জায়গাও যদি কেউ বিচ্ছিন্ন করতে চায় সে আমার হৃদয় হতে একখন্ড বিচ্ছিন্ন করবে।
লেখক বলেছেন: এই তথাকথিত 'নিরপেক্ষ' আর সতত ক্ষমাপ্রার্থী মহল দেশের শত্রু। স্বার্থ যেখানে দেশের, সেখানে কিসের আপোষ? কিসের মানবাধিকার? কিসের সুশীলতা?
আপনি আপনার লেখার আপত্তিকর অংশটুকু ধরতে পারছেন না, ফিফা?
"পাহাড়িরা কি আমাদের বন্ধু?
আমি বলবো, পাহাড়িরা আমাদের বন্ধু, তবে বিশ্বস্ত বন্ধু নয়। বরং এই জনসংহতি, এই ইউপিডিএফ, এই উপজাতীয়রা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য কয়েক দশক ধরে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়েছে। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য এমন কোনো উপায় নেই, যা তারা অবলম্বন করেনি। এখনও তারা সেই কাজই করে চলেছে। এমনকি একাত্তরেও এই উপজাতীয়রা পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ হয়েই বাঙালির বিরুদ্ধে লড়েছে। এরা কিভাবে আমাদের বন্ধু হয়?"
প্যারাটুকুতে উস্কানীর গন্ধ রয়েছে। "পাহাড়ি" শব্দটির জায়গায় "মুসলিম" শব্দ সহ আরো কিছু এরকম শব্দ পরিবর্তন করে দেখুন লেখা আপনার কাছে খারাপ লাগে কিনা।
পাহাড়ের কালচার ও অবস্থা সম্পর্কে আমার বেশী জ্ঞান নেই। ভুল হতে পারে, তবুও বলছি। বৈষম্য দূর করে পাহাড়িদেরকে বাংলাদেশী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত করে তুলতে পারলে তারা বাংলাদেশকে একজন বাংগালীর মত করে ভালবাসবে।
লেখক বলেছেন: না, পাহাড়িরা কেন বাংলাদেশী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হবে? তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে। সেই সংস্কৃতিকে আমরা সম্মান করি। আমি শুধু বলবো, পাহাড়িদের নাগরিকসুলভ আচরণে অভ্যস্থ হওয়া উচিত, বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতা নিয়ে চলা উচিত হবে না তাদের।
আর যেটা 'উস্কানিমূলক' বলছেন, সেটা তো আসলে ইতিহাসের অংশমাত্র। তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র যুদ্ধ আমাদের এই ছোট দেশটাকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে, যা সত্যি বলতে কী অপূরণীয়। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য তারা কী করেছে, সেটা নিয়ে আমার নিজস্ব পর্যবেক্ষণ আছে। হয়তো সেটা নিয়ে বলবো একদিন। এখন শুধু এটুকু বলতে পারি, যে ক্ষতি তারা করেছে, সেটা কোনোদিনই হয়তো পূরণ হবে না। জন্মসূত্রে এই দেশের নাগরিক হিসেবে সেটা আমার গায়ে লাগে।
ধর্ম নাইবা টানলাম, পাহাড়ি শব্দটির বদলে ওই প্যারায় 'জঙ্গি' শব্দটি লাগিয়ে দেখুন। জঙ্গিদের ক্ষেত্রেও আমার মনোভাব ওরকমই। তবে এটাও ঠিক যে, পাহাড়িদের জন্য আমার একইসঙ্গে প্রগাঢ় মমতাও আছে।
মনজুরুল হক বলেছেন:
কল্পনা চাকমাকে অপহরণ করা হয়েছিল, ঠিকাছে মানলাম। যেহেতু সবাই এতোদিন ধরে বলে আসছে, না মেনে উপায় কী! যেভাবেই হোক মেনে নিয়েছেন সেটা আপনার মহানুভব। এ বিষয়ে আর না বলি।আপনার কাছে যদি আর কারো যুক্তিকে "গৎবাঁধা" মনে হয় তাহেলেই বা কি আসে-যায়? ধরে নিন ওটা গৎবাঁধা-ই।
"আদিবাসী আদিবাসী বিলাপ" বাক্যটি কেন খোদ আপনার কাছে 'অপমানজনক' মনে হল ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না।
এখানে শব্দটা অপমানজনক একারণে যে আপনি একটি জাতিস্বত্তাকে প্রচারের কাজকে "বিলাপ" বলছেন।যদি ভারতে কেউ বলে "মুসলিম মুসলিম বিলাপ" সেটিকেও অপমানজনক মনে করি।
লেখক বলেছেন: এটা বলেছিলাম আসলে ওই কারণে- কল্পনা চাকমাকে নিয়ে ঢাকার সুশীল ড্রইংরুমগুলোতে কিছু মিথ তৈরি করে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনাকে শুধু এইটুকু জানাতে পারি, সেনাবাহিনীও বিষয়টি সিরিয়াসভাবে নিয়েছিল। যদিও তারা তদন্ত করে সত্যতা খুঁজে পায়নি। কিন্তু তারপরও ঘটনার জন্য যাকে অভিযুক্ত মনে করা হয়, সেই লেফটেন্যান্ট ফেরদৌসকে সন্দেহমূলক শাস্তি হিসেবে কখনোই পদোন্নতি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি ঠিকমতো। 'ফ্যাসিবাদীদের' কর্মকাণ্ড দেখেন! ![]()
আর জাতিসত্ত্বা তো প্রচারের জিনিস নয়। সেটাকে কেউ যখন 'প্রচার' করতে যায়, সেটাকে 'বিলাপ' সাব্যস্ত করা কি স্বাভাবিক নয়? এমনিতে বিলাপ তো সুখশ্রাব্য কিছু না, কী বলেন মনজু ভাই?
যাক, এগুলো বাদ দেন। বইয়ের কী অবস্থা সেটা বলেন? আমি একবারমাত্র মেলায় গিয়েছিলাম 'অপরবাস্তব' কেনার জন্য। খুব দ্রুতই চলে আসতে হয়েছিল। পরশু গেলে আপনার বইটা কিনবো মাস্ট।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
"৫০ হাজার পাহাড়ি খোদ ঢাকা ও চট্টগ্রামেই চমৎকার জীবন যাপন করছে, কিন্তু ৫০ হাজার বাঙালি পাহাড়ে গেলে কেন এতো কথা উঠে? পাহাড়ে গেলেই কেন ওদের শত্রু জ্ঞান করে উপজাতীয়রা? ওটা আমাদের দেশের অংশ নয়? পাহাড়ে আমাদের অধিকার নেই?"ভাইরে ঢাকা ও চট্টগ্রামে "চমৎকার জীবন যাপন" করা এলিট পাহাড়িদের ধর্তব্যের মধ্যে আনছেন কেন? এরা জুম্ম জাতির সুবিধাবাদি শ্রেনী এবং এদের সংখ্যা দেশজুড়ে ২/৩ হাজারের বেশী হবেনা। এরা জুম্ম জাতির অংশ হতে পারেনা, বাঘাইছড়ি খাগড়াছড়িতে কয়েকশো লাশ পড়লে এদের কিছুই যায় আসে না। আপনার মতো অনেকেই এই প্রশ্নটি করে থাকে যে একজন পাহাড়ি ঢাকায় জমি/বাড়ী কিনতে পারে অথচ একজন বাঙালী পাহাড়ে জমি কিনতে পারে না, যদিও কথাটি সর্বাংশে সত্য নয়। সমতলের অধিবাসিরা পার্বত্য চট্টগ্রামে জমি কিনতে পারেন না ঠিক কিন্ত ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিতে পারেন। পাহাড়ের সাধারন মানুষ হতদরিদ্র, দেশের বাইরে কোথাও জমি কেনার কথা এদের কল্পনাতেও আসে না। এমনিতেই পাহাড়ে চাষযোগ্য ভুমির সংখ্যা অল্প, ১৯৭৯ সালে ৮০০০০ বাঙালী পরিবারকে পুনর্বাসন করতে গিয়ে ৪০০০০ জুম্মকে উচ্ছেদ করা হয়। যেটুকু ভুমি আছে সেটা জোর করে দখলের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
জাতিসত্তা নিধনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো ভূমি আগ্রাসন। বসবাসের ভূমি না থাকলে কোন জাতিসত্তা টিকে থাকতে পারেনা। পাহাড়িরা অত্যন্ত দরিদ্র এবং সরলপ্রকৃতির। ভুমি অবাধে কেনাবেচা চললে স্বল্প মূল্যে বা ঠকিয়ে সবাই তাদের কাছ থেকে জমি কিনে/কেড়ে নিবে চাইবে। এভাবে পাহাড়ের সবগুলো জমি যদি সমতলের ১৫ কোটি মানুষের ধনিক সম্প্রদায়ের গুটিকয়েক মানুষের হাতে চলে যায় এবং তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ, প্লট বা বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে পরিণত হয়(সেটা অবশ্যম্ভাবী), তবে তখন পাহাড়িরা যাবে কোথায় বলুন?
"না, পাহাড়িরা কেন বাংলাদেশী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হবে? তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে। সেই সংস্কৃতিকে আমরা সম্মান করি।"
আমার কথাগুলো কিছুটা অস্বচ্ছ হয়েছে। অবশ্যই পাহাড়িদের সংস্কৃতি বাংলাদেশের জন্য গর্ব। কিন্তু বাংলাদেশের মূলস্রোতে পাহাড়িরা যতদিন না প্রবেশ করবে, ততদিন মূল বাংগালীদের সাথে একটা দূরত্ব তাদের থাকবেই।
"আর যেটা 'উস্কানিমূলক' বলছেন, সেটা তো আসলে ইতিহাসের অংশমাত্র।"
উস্কানী মূলক হচ্ছে আপনার প্রকাশভংগি, ইতিহাস নয়।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
সরকারে উচিত প্রচুর পরিমানে সেনা পাঠানো. সেনারা থাকবে নিরাপত্তার দায়িত্বে. তারা দেখবে যাতে কোনো পক্ষ কোনো প্রকার সম্স্যা করতে না পারে. কোনো পক্ষ যদি সম্সা সিস্টির চেষ্টা করে তাহলে সেটা কঠিন হাতে দমন করা.
জুল ভার্ন বলেছেন:
লেখাটা বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছি। আমি মনে করি পাহাড়ী-বাংগালী বিভেদ রচনা করে গিয়েছেন মানবেন্দ্র লারমা এবং বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথম দিকে পাহাড়ী বাংগালী দ্বন্দের মুল কারন কিন্তু পাহাড়ী বাংগালী নয়। এই দ্বন্দটা সৃস্টি হয়েছে বিগত কয়েক দশক পুর্বে। এই সমস্যার মুল কারন-আমাদের কতিপয় পরজিবী মার্কা বুদ্ধিজিবী। যারা বিদেশী পয়শায় নিজেরা চলে এবং সাধারন বাংলাদেশীদের মগজ ধোলাই করে। তারা প্রথমেই বাংলাদেশী পাহাড়েদের "আদিবাসী" তকমা এটে দেয়। তারা মোটেই আদিবাসী নয়-তারা "উপজাতি"।
পাহাড়ী/ উপজাতীয়দেরকে "আদিবাসী" আখ্যায়ীত করে তথাকথিত বুদ্ধিজিবীরা বাংলাদেশকে নিয়ে একটা সুদুর প্রশারী ধংশাত্মক পরিকল্পনায় মেতেছে। আদীবাসী আখ্যায়ীত করে জাতিসংঘ "আদীবাসী সংরক্ষিত আইন" এর আওতায় তাদেরকে আলাদা রাস্ট্রীয় স্বীকৃতি পাইয়েদেবার খেলায় মেতেছে। এই জঘন্য খেলায় ইন্দধন যোগাচ্ছে সি এইচ টি(পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশন) নামক একটি এনজিও। যার নেতৃত্বে আছে স্বনামধন্য এডভোকেট সুলতানা কামাল চক্রবর্তী। তার সহযোগী হয়েছেন ব্যারিস্টার কামাল হোসেন তণয়া ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মেজবা কামাল। এই ষড়যন্ত্রের পিছনে আছে আন্তর্জাতিক চক্র। যেমন-এদেরকে ইনদ্ধন যোগাচ্ছে ইউ এন ডি পি, ডাব্লু এফ পি এবং এশিয়ান হিউম্যান সেন্টার ফর রাইটস(দিল্লী)।ভারত সরকার সেই প্রথম থেকেই পার্বত্য উপজাতীয়দের সামারিক, লজিস্টিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এদের সম্মিলিত চেস্টা ক্রমান্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামকে "কসোভো" স্টাইলে একটি স্বাধীন বাংলাদেশের ভিতরে একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্বাকে স্বাধীন রাস্ট্রে পরিনত করা।
এই মুহুর্তে পাহাড়ী বাংগালী আবার মুখোমুখী হবার কারন আছে। এই উপমাহাদেশের বাংলাদেশ ছাড়া প্রতিটা দেশেই আছে নানান জংগীবাদী সন্ত্রাস। এক মাত্র বাংলাদেশ একটু শান্তিতে থাকবে-তা অন্য কেউ আশা করছেনা। কাজেই এখানে সন্ত্রাসী কাজে, বিশৃংখলা সৃস্টি করতে সেইসব অশান্তির দেশগুলো আগবাড়িয়ে অশান্তিতে উতসাহ যোগাবে-তাতে সন্দেহের কোনোই অবকাশ নেই।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
@কুঙ্গ থাঙ: তাওতো তারা লীজ নিতে পারবেন ৯৯ বছরের জন্য (যদিও এরকম কোন রেফারেন্স আমি পাইনি যে একজন পাহাড়ী সমতলে জায়গা কিনতে পারবেননা, আমারই প্রাক্তন চাকমা কলিগ আছেন যারা ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনে থাকছেন) কিন্তু আমি যদি পাহাড়ে জায়গা কিনে থাকতে চাই তাহলেতো তাও পারবোনা।৯৭ সালের চুক্তি দিয়ে আমার সে অধিকার হরণ করা হয়েছে:3. (A) sub-clause (1) in clause 62 will be replaced by the following:
a) Whatever exists in the currently prevailing laws, without prior permission of the parishad, no lands, including leasable khas lands in the district, can be leased out, sold, purchased or transferred.
b) Whatever exists in the currently prevailing other laws, the government cannot acquire or transfer any lands, hills and forests under the jurisdictions of the Hill District Parishad without prior discussion and approval of the Parishad.
ভালো থাকুন।এ জাতি আজীবনের দ্বিধাবিভক্ত।যে কোন ইস্যুতেই আমাদের বিভক্ত হওয়ার উপাদানের অভাব হয়না।
রোহান বলেছেন:
পাহাড়ে বেশ কবার গিয়ে কখনো নিজেকে এলিয়েনও লাগে নাই আবার এলিয়েনের রাজ্য এসেছি বলেও মনে হয় নাই। সাধারণ একটা পাহাড়ী পরিবার আর আমার গ্রামের আরেকটা সাধারণ পরিবারের মাঝে খুব একটা পার্থক্য আছে কি? ভৌগলিক অবস্থানগত পার্থক্য, একটা আলাদা জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব কিছু রীতি নীতি -- এসব তো থাকবেই। সমস্যাটা বোধ হয় এদের না, বরং দূর থেকে গুটি চালতে থাকা কিছু সুযোগসন্ধানী মহলের... আজব লাগে না এই ভেবে যে হটাৎ এই ২০১০ এর ফেব্রুয়ারী তে পাহাড়ীদের স্বাধীকারের চেতনা উপচে উঠলো অথবা বাঙালিদের জাতীয়তাবাদের উগ্রতম চেতনার বিস্ফোরণ ঘটলো... কি মজা আমরা সবসময়ই নিজেদের স্বার্থ, নিজেদের মাথা বাঁচানোর প্রয়াসে এইসব নাম না জানা কত শত মানুষের মাথা কাটতে নেমে যাই... অনেক বছর আগে শান্তি চুক্তির পরের বছর খুব সম্ভবত একজন নামকরা রাজাকার এবং সাবেক এমপি খুব সম্ভবত জেহাদের নামবার ডাক দিয়েছিলো... আজকাল আবার উনার কন্ঠস্বর শুনলে অবাক হবো না.... দেশভাগের সময়ে পাকিস্তানের ভাগে আসার পর থেকে এবং কাপ্তাই লেক প্রতিষ্ঠার সময় থেকে জমতে থাকা বঞ্চনার বারুদ তো আছেই... আবার গেন্জী আর সাফারী পরিধানের সময়ে মূদ্রার অপরপিঠে সেই ক্ষুদ্র জাতিসত্বার আর্তনাদকে হাহাকারের বদলে হাস্যকর বিলাপ বলে আমাদের মনে ঢুকিয়ে দেয়া প্রবল জাতীয়তাবাদী চেতনাও জমে আছে... আমাদের কাজ শুধু আয়েস করে টেনে ফেলে দেবার আগে জলন্ত সিগ্রেটের আগুনটা একটু করে দুই পাশের বারুদের সলতেয় ধরিয়ে দেয়া.... ব্যাস এখন হাজার হাজার লাশ পড়ুক, সেনাবাহীনির ক্যাপ্টেন, হাস্যকর (!!) বিলাপে রত চাকমা নারী, সরকারী অফিসের পিয়ন, সারাদিন হাঁড়ভাঙা পরিশ্রমরত জুম চাষী.... মিডিয়ার ব্যবসা, বিরোধী দলের ইস্যু, আপনার ব্লগে স্যাটায়ার করার টপিক.... আপনার কিংবা আমার কিংবা ঐ আগুন জ্বালাতে থাকা কোনো একজনেরও লাশ কেনো পড়ে না বলতে পারেন???????
আদিবাসি আদিবাসী প্রলাপ --- জঘন্য দৃষ্টিভঙ্গিটুকু বদলানোর চেষ্টা করেন।
অট: প্রথম আলোর দুনিয়া কাঁপাতে গিয়ে শহীদ মিনার কাঁপিয়ে লন্ডভন্ড করে দেওয়া মিছিল নিয়া একখান লেখা দিবেন ভাবছিলাম... সারা দেশের সবকটি মিডিয়া বিষয়টা চোখ উল্টে গেলো দেখে অবাক লাগলো...
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
দেখেন; আধুনিক গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের তরফে এমন অবস্থান, আপনার মতো অবস্থান কোনো নতুন কিছু না। স্বাধীনতা আর অধিকারের রুপকথা আর নিষ্ঠুরতা ও নির্যাতনের ওপরই এমন রাষ্ট্র প্রধান টিইক্যা থাকে। সেইটা সমস্যা না। সমস্যা হইলো 'রাষ্ট্র রক্ষা'য় কখন আপনে চুড়ান্ত অবস্থান নেবেন ?এই বিষয়ে পি মুন্সী একটা পোস্টও মনো যোগ দিয়া পড়লাম। আপনেরটায় আর কি মনোযোগ দিমু। আপনি প্রধানত উত্তেজিত। কাজেই অনেক ঘাপলা আছে আপনের পোস্টে। আর মুন্সিরও অভাব আছে। তয় মাত্র একখান অভাব। আর সেই একখান আপনার পোস্টেও আছে। ওই একটামাত্র ঘাপলার কথা কই-
কিন্তু আপনার পোস্টের বিষয়ে সবচেয়ে বড়ো আপত্তি হইলো- সর্বসাম্প্রতিক সংঘর্ষের নগদানগদ কোনো ছাপ আপনার পোস্টে নাই। বাংলাদেশের 'বাঙালী' আর 'পাহাড়ী' দুই তরফেই যে পরিমান বৈষয়িক আর মানবিক ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা এখন পার্বত্য চট্টগ্রামে বিরাজ করতাছে; সেই বিষয়টা স্পর্শ কইরা আপনি কাতর হইছেন কি না, সেইটা ভাষায় তুলে আনেন নাই। আবেগ দেখা যাইতাছে না। ----------------------------------- যদি এইটা থাকতো, তবে খুব কম ব্লগারই আপত্তি করতেন। তবে, যারা নিজেদের কিছু একটা প্রমান করতে সবকিছু করতে রাজি তাদের কথা আলাদা।
এইটা মুন্সী আর আপনার দুইজনের অবস্থানের বিষয়েই প্রযোজ্য।
তবে এর বাইরে আপনার অনেকানেক ঘাপলার মধ্যে যেইটা না বললেই না সেইটা আবারও বলি। একটু নরম কইরা।
যারা পাহাড়ে লাশ ফেলতে চায় তাদের পক্ষে অ্যাডভোকেসি হিসাবে আপনার লেখা ব্যবহার করা যায়, 'বাঙালি'দের তরফে। সহজে। সেইভাবেই লেখা তো! ব্লু হেলমেট আনানোর পক্ষে চমতকার অ্যাডভোকেসি। যেমন কৌশিক ভায়ের কিংবা ফজলে এলাহীর লেখা লাশ ফেলার আর ব্লু হেলমেটের পক্ষে আসে, 'পাহাড়ীদের তরফে'।
আর, কোনো 'সফটওয়ার' ব্যবসা করি বলে ব্লগে কোনো আছে নাকি আমার ? হোক সেইটা আদিবাসী কিংবা বাঙালি কিংবা মুসলমানি কিংবা মুক্তিযুদ্ধ কিংবা অসাম্প্রদায়িক ইত্যাদির ? করি না। আপাতত শ্রমিকতা পরিচয়েই রাজি খুশি আছি। আলগা কোনো তকমা লাগানোর জরুরত বোধ হয় নাই এখনো।
নেক্সাস বলেছেন:
ফিফা ভাই আবারো আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে গেলাম অসাধারণ একটা পোষ্টের জন্য।আমরা সকল নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই।পাহাড়ী জনপদ বাংলাদেশের অংশ।আমরা চাই সেখানে পাহাড়ী বাঙ্গালী সব বাংলাদেশী মিলে মিশে থাকুক।
কিন্তু কোন সন্তু লারমাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কোন একটা গোষ্ঠী
সেখানে সংঘাতের জন্ম দিক আর সেই সংঘতের জন্য একতরফাভাবে বাঙ্গালীদের দোষারপ করা হবে সেটা আমরা মেনে নিতে পারবনা।
সেদিন পাহাড়ী বাঙ্গালী সংঘর্ষে সেনাবাহিনী আগে থেকে কোন গুলি চালায়নি।পুলিশ নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হলে প্রশাসনের আহবানে সেনাবাহিনী গিয়েছিল সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে।
কিন্তু পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা একজন সেনা অফিসার কে কুপিয়ে জখম করে যার উদ্দেশ্য ছিল হত্যা করা।
তখন সেনাবাহিনী গুলি চালিয়েছে।কারন সেনাবাহিনী একটা দেশের এলিট ফোর্স ।সেনাবাহিনীর উপর একমাত্র দেশের শত্রুরাই হামলা করার সাহস দেখাতে পারে।কাজেই দেশের শত্রুদের প্রতিহত করা সেনাবাহিনীর কর্তব্য।
ফিফা দেখেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ীরা ওখানকার ঘটনা নিয়ে ঢাকা - চট্টগ্রামে মিছিল সমাবেশ করেছে।কারণ তাদের সেটা করার অধিকার আছে।তারা এদেশের নাগরিক।তারা বাংলাদেশী।
অথচ দেখেন যেখানে পাহাড়ীরা ঢাকায় পড়া লিখা মিছিল সমাবেশ করার অধিকার পাবে সেখানে নাকি বাঙ্গালীরা পাহাড়ে বাস করার কোন অধিকার পাবেনা !! কি সেলুকাস দাবি তাইনা?
তখন হাসি ও কষ্ট একসাথে পায় যখন দেখি কিছু পেইড বুদ্ধিজীবি আর নব্য সুশীল গ্রেট হওয়ার মানসে এসব অযোক্তিক দাবির পক্ষে সাফাই গায়।
ধ্রুব তারা বলেছেন:
আজ হতে প্রায় ৪০ বছর আগে পাকিস্তানের কোন লেখক বা কলামিস্ট-ও হয়ত একই কথা বলেছেন।আমি বলবো, পাহাড়িরা আমাদের বন্ধু, তবে বিশ্বস্ত বন্ধু নয়।
আপনি নিজেই তো তাদের কে সমভূমি-এর মানুষের চাইতে আলাদা করে দেখছেন। যদি আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের আদীবাসীদের ব্যাপারে মনোভাব এ-ই হয় বতে বলব আমি বাঙালি হয়েও তাদের স্বাধীনতা চাই। নিজেকে ফ্যাসিবাদী হিশেবে দেখার চাবিতে একটু আয়তনের দিক থেকে ছোট রাষ্ট্রের বাসিন্দা হিশেবে দেখতেই আমি পছন্দ করব।
সবাক বলেছেন:
পাহাড়ীদের কাছাকাছি যাবার সুযোগ হয়েছে অনেকবার।
আপনার বক্তব্যের অধিকাংশের সাথেই একমত নই। বিষয়গুলো অনেকে অনেকভাবে বলে ফেলেছেন। আসলে তারা অবশ্যই বাংলাদেশী।
খাগড়াছড়িতে টানা এক সপ্তাহ ছিলাম। কারো ভাষ্য অনুযায়ী নয়, নিজের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা আমাকে বুঝিয়েছে, তারা নিজেদেরকে বাংলাদেশী ভাবতেই পছন্দ করে থাকে। ব্যতিক্রম যে নেই, তা কিন্তু নয়। তাদের সংখ্যা একেবারেই হাতেগোনা।
আমি প্রায়ই ঘরেই আকরাম খান, দূর্যয়ের মতো ক্রিকেটারদের বড়ো বড়ো ফটো দেখেছি এবং বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ে প্রাণভাঙ্গা উচ্ছাস্ও দেখেছি। আরো দেখেছি, অনেক বুঝেছি।
রাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা করবে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তাদের চেষ্টা করবে। সন্ত্রাসী ঢালে থাকতে পারে, আবার পাহাড়েও। দু'ইয়ের মাঝে কোন ব্যবধান নেই। বিশেষভাবে আদিবাসী ভাবাকে সংকীর্ণমনা মনে হয়। পাহাড়ী একটা অস্ত্রধারীর সাথে ঢাকা শহরের একটা অস্ত্রধারীর কোন অমিল নেই। দুটোই দেশের জন্য হুমকী।
এই দুইয়ে আপনার দৃষ্টি একই থাকতে হবে।
তারা বরঙ ভয়ে থাকে, বাঙ্গালীরা তাদেরকে কখন মারবে। আর সংকটাভাবাপন্নরা একটু হিংস্র হয় বৈকি!! তাদের এই অসহায় ভাবনা কেটে গেলেই সব ঠিক।
ভালো থাকবেন। ম্যালা কান্নাকাটি করলাম।
পারভেজ আলম বলেছেন:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
ইয়াহিয়াও এমন কথা বলেছিলেন।
মধুখোর বলেছেন:
আমরা বাংলাদেশী হিসাবে থাকতে চাই। অনেকে চায় বাঙালিদেশী হতে। সেটা চাই না। আমার একটি পোস্টের প্রসঙ্গ আপনার পোস্টের মন্তব্যে এসেছে। এখানে দেখুন। একটি কথা না বললেই নয়। মতের বিভিন্নতা অনিবার্য, তবে তার প্রকাশ সুন্দর হলে ব্লগে বিতর্কিত বিষয়গুলোর বিতর্ক জমত ভাল।
ক্যাম্পাসের কয়েকজন পাহাড়ি ছাত্র...রাঙ্গামাটি তে দুইদিন থাকার ফাঁকে যতটা দেখেছি......মোটেও উগ্র না ওরা.....
কিন্তু পিঠের উপর গুলির তাপ আর বসতঘরের কোণায় টান পড়লে যেকেউ রুখে দাঁড়াবে।
আপনার পোস্টি মনগড়া তথ্যের ভিত্তি তে একটি নৃশংস বিনোদন......
পারভেজ আলম বলেছেন:
ফিউশন, আপনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং চেতনা বিকৃত করছেন।
সামিউর বলেছেন:
পোস্টটা খুব ভালো হয়েছে। থ্যাংকস।
একটু বর্ষা... বলেছেন:
৭১ -এ পাকিস্তানিদেরও ভূমিকা এমন ছিলো! তাহলে আমাদের আর ওদের মাঝে কী পার্থক্য হলো!
পরমানন্দ বলেছেন:
এই দেশের প্রতিটি ইনচি নিরাপদ দেখতে চাই সেই সাথে এই জনপদে বেঁচে থাকা প্রতিটি মানুষ কে।
বগালেকের পাশে বেড়ে উঠা 'লারম বম' এর নিরাপত্তাহীনতা আমাকেই ততটুকুই উদ্বিগ্ন করে যতটুকু করে আমার ১০ মাস ব্য়সী ভাতিজির খাট থেকে পড়ে যাওয়ার আশংকা।
তীব্র রঙিন বলেছেন:
সব আদিবাসীদের হত্যা করে শেষ করে দেয়া হোক। ওদের কিছু করতে দেয়া হবে না।শুধু আম্রাই যা করার করবো।
হ্যাঁ, শুধুই আমড়া...আম্রা।
মারি অরি পারি যে কৌশলে।
তীব্র রঙিন বলেছেন:
সব আদিবাসীদের ধ্বংস চাই। শুধু বাঙালিরাই থাকবো, আর কেউ না।
শুধু বাঙালিরাই মারবো, আর কেউ না।
আর কেউ না।
লড়াকু বলেছেন:
তীব্র রঙিন বলেছেন: সব আদিবাসীদের ধ্বংস চাই। শুধু বাঙালিরাই থাকবো, আর কেউ না।
শুধু বাঙালিরাই মারবো, আর কেউ না।
আর কেউ না।
লালসালু বলেছেন:
চাকমারা কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি। তারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। কিন্তু তাদেরকে কখনো রাজাকার ডাকা হয় না।
লালসালু বলেছেন:
চাকমারা কিন্তু এতখারাপ না। ওদের সাথে অনেক মিশেছি। তৃতীয় কোন পক্ষ এখানে চাল চালছে।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
ধ্রুব তারা বলেছেন: আজ হতে প্রায় ৪০ বছর আগে পাকিস্তানের কোন লেখক বা কলামিস্ট-ও হয়ত একই কথা বলেছেন।আমি বলবো, পাহাড়িরা আমাদের বন্ধু, তবে বিশ্বস্ত বন্ধু নয়।
আপনি নিজেই তো তাদের কে সমভূমি-এর মানুষের চাইতে আলাদা করে দেখছেন। যদি আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের আদীবাসীদের ব্যাপারে মনোভাব এ-ই হয় বতে বলব আমি বাঙালি হয়েও তাদের স্বাধীনতা চাই। নিজেকে ফ্যাসিবাদী হিশেবে দেখার চাবিতে একটু আয়তনের দিক থেকে ছোট রাষ্ট্রের বাসিন্দা হিশেবে দেখতেই আমি পছন্দ করব।
একজন নব্য শান্তিবাহিনীর রাজাকার।এদের মুখোশ উন্মোচন করুন।দেশ ও জাতির স্বার্থে আপনার মত দালালদের বাশ দেওয়া দরকার।
বাউল! বলেছেন:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। তাহলে এই ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি নাগরিক কি বাংলার নাগরিক নয়? এক সেনা সদস্য আহত সেইটা কারো চোখে পড়ছে না, মানুষ কেবল ঘরে ঘরে আগুন দেওয়া আর গুলিবর্ষনে নিহত হওয়াটাই দেখছে, আসলেই মানুষেরা খুব খারাপ। পশুরা শুধু একটি দিকই দেখছে, পশুরা পাহাড়ীরা আমাদের বন্ধু কি-না তা বিচার করছে, পশুরা তাদের এবং পাহাড়িদের আলাদা করছে। বাংলাদেশ তাদের নয়, পাহাড়িরা বাংলাদেশী নয়, তাই তাদের হত্যা করতে চাইছে। পশুদের জয় হোক, আপনার জয় হোক।
বাউল! বলেছেন:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। তাহলে এই ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি নাগরিক কি বাংলার নাগরিক নয়? এক সেনা সদস্য আহত সেইটা কারো চোখে পড়ছে না, মানুষ কেবল ঘরে ঘরে আগুন দেওয়া আর গুলিবর্ষনে নিহত হওয়াটাই দেখছে, আসলেই মানুষেরা খুব খারাপ। পশুরা শুধু একটি দিকই দেখছে, পশুরা পাহাড়ীরা আমাদের বন্ধু কি-না তা বিচার করছে, পশুরা তাদের এবং পাহাড়িদের আলাদা করছে। বাংলাদেশ তাদের নয়, পাহাড়িরা বাংলাদেশী নয়, তাই তাদের হত্যা করতে চাইছে। পশুদের জয় হোক, আপনার জয় হোক।
ওরাকল বলেছেন:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
চাতক পক্কী বলেছেন:
প্রতিটি ইঞ্চিই আমার দেশ +
শুধু মানুষ মরলেই যদি এরকম জটিল সমস্যার সমাধান হত, তাহলে কিছু বলার নেই।
পশু বলেছেন:
আপনার মন খুবি জাতীয়তাবাদী। খুন কইরা সমাধান চান। আমি বুঝি আপনি কেন এমন চান। ব্যাপারটা আসলে জটিল। খুন করাটা খারাপ আবার না কইরাও বা কি করবেন?Click This Link
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
আপনাদের ফ্যাসীবাদীদের সমর্থকদের গলাবাজী চলুক।
তবে মনে রাখবেন মুসোলিনী ,হিটলার,নেপোলিয়ান সহ ফ্যাসীবাদীরা ইতিহাসের আস্তকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছিল....
এদেশে আদিম কাল থেকে বসবাসকারী আদিবাসীদের প্রতি কোন বর্বর আচরণ জোর জার মুল্লুক তার অসভ্য আচরণের সমতুল্য কিনা তা আমাদের ভাবার বিষয়।এক্ষেত্রে শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের রেড ইন্ডিয়ানদের প্রতি যুগযুগ ধরে বর্বর আচরণের কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়।পৃথিবীর প্রায় জায়গায় নেটিভদের প্রতি এভাবেই অন্যায় আচরণ চলেছে। আমরা ও এর পূনরাবৃত্তি করব!!!এতে দোষের কি?!!কিন্তু বিবেকের দংশনের কারনে আপনার মতের সাথে একমত হতে পারলাম না।দুঃখিত।
নিশা সিনহা বলেছেন:
চরম রেসিস্ট পোস্টে এবং কমেন্টে থুথু ও ঘৃণা জানিয়ে গেলাম। এটাই তাহলে বাঙালীদের আসল চেহারা?? শূয়োরের বাচ্চা।
অস্থির পোলাপাইন বলেছেন:
@ নিশা সিনহা : ঐ মিয়া "শূয়োরের বাচ্চা" কারে কইলেন??বাংগালিদের বলছেন??????????
ভাগ্য ভালো আপনার এই কথা ব্লগ এ কইছেন....। সাহস থাকলে রাস্তা-ঘাটে কইয়েন গাড় খাইয়া পাগল হয়া যাইবেন..। ফাউল কনহানকার বাংগালিরা "শূয়োরের বাচ্চা" না??
লুলু পাগলা বলেছেন:
আবাইল্লা পুষ্টে মাইনাচ......।
বর্ণচোরা বলেছেন:
Click This Linkশিরোনাম দেখেই প্লাস দিলাম। এটাই ধ্রুব মত্য.... এবং এটাই হওয়া উচিত..
আপনার অনুসন্ধানী পোস্ট জারি থাক। অন্য পাড়ায় লেখি, কিন্তু এদিকে চোখ রাখি। আপনি আপনার এই পোস্ট সরিয়ে নিন। নতুবা রিপোর্ট করতে বাধ্য হব।
কোনো শত্রুতা বশত করছি না। আপনার লেখাটা চরম আপত্তিকর মনে হয়েছে।
লেখক বলেছেন: অবিশ্বস্ত ভাবাটা আমার মনে হয় দোষের কিছু হয়নি। জামায়াত যে কারণে আমাদের কাছে অবিশ্বস্ত, সেই একই কারণে পাহাড়িরা, বিশেষ করে চাকমাদের অবিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। শুরু একাত্তর থেকে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে চাকমাদের প্রায় সকলেই পাক হানাদার বাহিনীর হয়ে কাজ করেছে। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করেছে। এরপর একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তারা প্রায় দশকব্যাপী সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যে ক্ষতি করেছে, সেটা এককথায় অবর্ণনীয়। এখনো তারা স্বাধীন জুম্মল্যাণ্ড প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে বারেবারে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসছে। আপনিই বলুন, কিভাবে তাদের বিশ্বস্ত ভাবি? হ্যাঁ, লাশের ওপর সার্বভৌমত্ব টেকে না, আবার এটাও কি ঠিক নয় যে, গান্ধীর বাণী আউড়ে আর পায়রা উড়িয়ে এই দেশটার জন্ম হয়নি?
এই অবস্থানে দাঁড়িয়ে আমি আবারও বলি, ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। যে কোনো কিছুর বিনিময়ে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
আপনার ভিন্নমতকে সম্মান করি। তবে পোস্ট সরানো আমার জন্য কঠিন। আপনি আপত্তি করুন, কর্তৃপক্ষই বরং পোস্ট মুছে দিক- সেটাই ভালো। তাতে অন্তত দেশের কাছে অপমানিত হতে হয় না।
সেরকম চাকমাদের ৭০ ভাগও যদি ছেলে মেয়ে শিশু বুড়া মিলে যুদ্ধ করে থাকে, তারপরেও পুরো চাকমা জাতি তুলে অভিযোগটা বাকি ৩০ ভাগের জন্য একটা অবমাননা।
এ কারণে কোনো জাতীয়তা ধইরা অভিযোগকে বর্ণবাদ বলে। কারণ অপরাধ বর্ণে থাকে না, কিন্তু জাতীয়তা ধইরা অভিযোগে সেইটা অনুমিত হয়।
দেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু সেইটা করার জন্যে ১০০ লাশ ফেলবে কিনা, সেইটা কি সংবিধান সম্মত? মানুষ বড় না দেশ?
আর আপনার এই ১০০ লাশ ফেলার কথাটা তো যাদের অবিশ্বস্ত বললেন তাদের দিকেই ইঙ্গিত করে। ফলে ব্যাপারটা তাহলে বর্ণবাদপ্রসূত গণহত্যার দিকেই ইঙ্গিত করতেছে। এটাতো সংবিধান আলবৎ সমর্থন করে না, বরং এটা সাংবিধানিকভাবে অপরাধ।
আমাদের দেশ কিন্তু খুন করে হয় নাই, হয়েছে আত্মরক্ষা করতে গিয়ে একটা যুদ্ধ করে। ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চেয়েছিল পাকিস্তান।
এখন বলেন ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে পাকিস্তানটাই ভালো ছিল?
উত্তর করলে খুশি হব। পোস্টের বক্তব্যের সমস্যাযুক্ত অংশ, টাইটেল পুনর্বিবেচনা করবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: মোটের ওপর ভালো বলেছেন। বেশকিছু অংশের সঙ্গে সম্ভবত দ্বিমত পোষণ করার উপায় নেই। তবে আপনি জানেন, পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ আর বৈষম্যের শিকার বাঙালি আত্মরক্ষার্থে যুদ্ধে নেমেছিল। সেটা ছিল অনিবার্য। এর সঙ্গে পার্বত্য পরিস্থিতিকে মিলিয়ে দেখাটা ঠিক হবে না। প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বীকার করেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক ঘটনায় বিদেশী শক্তির ইন্ধন ছিল। সেটা যে গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে, আপনি নিশ্চয়ই বুঝবেন। এখন কথা হচ্ছে, বিদেশী শক্তির ইন্ধনে যারা আমার দেশকে খণ্ড করার চেষ্টা চালিয়ে যায়, তাদের বিশ্বস্ত ভাবি কী করে? এই অবিশ্বাসকে আপনি 'বর্ণবাদ' হিসেবে সাব্যস্ত করবেন না দয়া করে।
হ্যাঁ, স্বীকার করছি, লাশ ফেলাই একমাত্র উপায় নয়।
শুধু কিছু বিদেশি ফান্ডের আশায় এদেরকে শুশীল(!) সমাজ আদিবাসী টাইটেল দিয়েছে। ধিক্কার ওদের....
পিচ্চি চাপাবাজ বলেছেন:
প্রতিটি ইঞ্চিই আমার দেশছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি আমার দেশ। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে পশ্চিমা পাল্লায় মাপা মানবাধিকার তুচ্ছ, 'আদিবাসী' 'আদিবাসী' বিলাপ নস্যি, ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও চাই যে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি নিরাপদ থাকুক, নির্বিঘ্ন থাকুক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















