আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

পার্বত্য চট্টগ্রাম : ওয়েবে আমার বাংলাদেশ যেভাবে ধর্ষিত হচ্ছে প্রতিদিন

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২

শেয়ারঃ
58 0

ছবিটির দিকে তাকিয়ে দেখুন ভালো করে। প্ল্যাকার্ডগুলো পড়তে পারছেন? মাত্র তিন মাস আগে তোলা ছবি, জাপানে। আপনি কি মনে করতে পারেন, তিন মাস আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম কি অশান্ত ছিল কিংবা কোনো রকম সংঘাতের ঘটনা কি ঘটেছিল? মনে করতে পারবেন না। কিন্তু লক্ষ্য করুন, একটি চক্র তখনও, খুব পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ ও সেনাবাহিনীবিরোধী প্রচারণায় সক্রিয়। তাও দেশে নয়, বহু দূরের দেশ জাপানে। নিশ্চিত থাকুন, এই ছবি অনতিবিলম্বে পৌঁছে গেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সংস্থার কাছে। এভাবে, বিশ্বের নানা প্রান্তে, আপনার অজান্তেই প্রিয় স্বদেশ ধর্ষিত হয়ে যাচ্ছে কিছু কুলাঙ্গারের হাতে। আমরা সেই খবর রাখি না। রাখতেও বোধহয় চাই না। বরং আত্মপীড়নেই যতো সুখ আমাদের!

ফলে এটা স্বাভাবিক যে, দৃকবাসী শহিদুল আলমরা পশ্চিমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ফেরি করে বেড়াবেন। বাংলাদেশী সাইট আনহিয়ার্ড ভয়েসেস ইংরেজি ভাষায় সযত্নে একপেশে ধারাবিবরণী তুলে ধরবে পশ্চিমাদের জন্য। বাঙালি সেটেলারের জামার ভেতরে তারা রামদা খুঁজে ফিরবে মরিয়া হয়ে। তানভীর মোকাম্মেলরা জাপানি ভাষার সাইটে পায়ের ওপর পা তুলে বাংলাদেশের গোষ্ঠী উদ্ধারে মগ্ন তো হতেই পারেন। মানবাধিকারের সাক্ষাৎ প্রতিমূর্তি তারা! তাদের কথা থাক, বরং দৃষ্টি ফেরানো যাক অন্যদিকে। দেশী ও প্রবাসী উপজাতীয়দের পরিচালিত কমপক্ষে ১৫টি ওয়েবসাইট এবং অন্তত ১০টি বিদেশী সংস্থা সরাসরি বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। সরকার ছাড়াও তাদের প্রধান লক্ষ্য বাঙালি জনগোষ্ঠী এবং সেনাবাহিনী। সন্দেহ নেই, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আসুন, দেখা যাক কারা কিভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতি মুহূর্তে-

জুম্মনেট অর্গ
এটি প্রধানত জাপানি ভাষায় নির্মিত সাইট। তবে এর একটি ক্ষুদ্র ইংরেজি সংস্করণও আছে। মূল সাইটটি গুগল ট্রান্সলেশনের সহায়তা নিয়ে দেখলে এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছুটা আঁচ করা যায়। সাইটটির বেশকিছু স্পর্শকাতর অংশ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। জুম্মনেট অর্গকে আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণার সবচেয়ে নিকৃষ্ট উদাহরণ।

জুম্ম পিপলস নেটওয়ার্ক ইউকে
ব্রিটেনভিত্তিক আরেকটি প্রপাগাণ্ডা সাইট- http://www.jpnuk.org.uk/
২০০২ সাল থেকে এই সাইটটি বাংলাদেশ বিরোধী প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে আসছে। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যা তারা নিজেরাই জানিয়েছে- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতি আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ। সাইটটির নিচের দিকে-বাঁয়ে সর্বশেষ লিংকটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক- Jihadist Terrorism in Bangladesh!

সিএইচটি গ্লোবাল ভয়েসেস
জুম্মনেটের আরেকটি প্রপাগান্ডা সাইট হচ্ছে সিএইচটি গ্লোবাল ভয়েসেস। তাদের বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণার মরিয়া রূপটি দেখতে পাবেন এখানে আর প্রপাগাণ্ডা পাবেন এখানে। জাপানি ভাষায়ও সিএইচটি গ্লোবাল ভয়েসেসের আরেকটি প্রপাগাণ্ডা সাইট আছে। জাপানভিত্তিক সিএইচটি কমিটির রহস্যজনক কার্যক্রম দেখতে পাবেন এখানে

সাম্প্রদায়িকতা ও বিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টা
শান্তিচুক্তির পরও থেমে নেই বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা। একদশক আগের তথ্য ও ছবিই এই প্রচারণার সম্বল। আছে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টাও। এই সাইটে তেমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই 'ধর্মীয় নিগ্রহের' জন্য দায়ী করা হয়েছে মুসলিম ধর্মাবলম্বী এবং সেনাবাহিনীকে। আছে বাঙালিদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা, পশ্চিমা সুযোগসন্ধানীদের মায়াকান্না, এমনকি বিদেশী সাহায্য নিয়ে কুৎসিত প্রচারণাও। এখানে পাবেন হিল ট্রাক্টস মনিটরের ছদ্মাবরণে
দেশবিরোধী প্রপাগাণ্ডা (পিডিএফ), উপজাতীয়দের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও জাতিসংঘ প্রধানের কাছে পাঠানো চিঠির নমুনা

এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স
হংকংভিত্তিক 'থিংক ট্যাঙ্ক' এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স তাদের ভাষ্যমতে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে তথ্য-সেতুবন্ধন তৈরির কাজ করছে। তারা মূলত বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সামরিক-বেসামরিক ভাবনাকেন্দ্রগুলোর (থিঙ্ক ট্যাঙ্ক) নজর রাখে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রভাবিত করার চেষ্টাও করে থাকে। বাংলাদেশবিরোধী জনমত সংগঠনে এশিয়ান অ্যাফেয়ার্সের ভূমিকা একেবারে হেলাফেলার নয়। সাইটটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। এর গ্রাহক হতে হলে ফি দিতে হয় বার্ষিক ২৫ ইউরো।

একচক্ষু ইউএনপিও
ইউএনপিও নামের আরেকটি সংগঠন বিশ্বজুড়ে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার। তবে সেটা বেছে বেছে। আমি পুরো সাইট সার্চ করে ফিলিস্তিন নিয়ে একটি লাইন দেখলাম না। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তাদের একপেশে রিপোর্ট যথারীতি আছেই।

হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস
বিশ্বজুড়ে ছড়ানো হিউম্যান রাইটস কংগ্রেসের প্রচারণা দেখুন, কী ভীষণ সাম্প্রদায়িক এবং একপেশে! একনজর দেখুন বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণার লক্ষ্য কারা

সংঘবদ্ধ প্রচারণা সর্বত্র
এশিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটসের ছদ্মাবরণে বাঙালিদের বিরুদ্ধে কুৎসিত সাম্প্রদায়িক প্রচারণা দেখুন এখানে (পিডিএফ)। লন্ডনভিত্তিক সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনালের একপেশে প্রচারণা পাবেন এখানে। বাঘাইছড়ির ঘটনা নিয়ে পশ্চিমাদের প্রকাশিত সংবাদের মূলভাবটি লক্ষ্য করুন। আর ভালো কথা, জুম্মল্যান্ড নামের 'দেশটি' কি আপনারা কেউ চেনেন? এই দেশটি কোথায়, একটু জানাবেন কেউ?

সংযুক্তি
খাগড়াছড়ি থেকে একজন সেনা কর্মকর্তা কর্তৃক তার উদ্বিগ্ন সহকর্মীদের কাছে পাঠানো ইমেইল পড়ুন এই পোস্টের ২৭ নম্বর মন্তব্যে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): chtchittagong hill tractshill tractsjummanetjummalandshantibahiniGuerrilla warfarebangladesh armyrangamatikhagracharibandarban ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইন্টারনেটপার্বত্য চট্টগ্রাম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৫
ত্রিভুজ বলেছেন: অনেক ইনফরমেটিভ....
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: এর বাইরেও আরো অনেক সাইট আছে। এক বসাতে সবগুলো চেক করে উঠতে পারলাম না।

২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬
মৌনোতা বলেছেন: এগুলা হচ্ছে কি? এতো দেশ বিরোধী প্রচারনার উদ্দেশ্য কি?

স্বাধীনতা কি হুমকীর মুখে?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা অতো ঠুনকো বিষয় নয়। তবে সতর্ক থাকতে হবে। চীনারা যেমন ওয়েবে তাদের দেশের সার্বভৌমত্বের বিরোধী সবকিছুর সঙ্গে লড়ে, আমাদেরও সেভাবেই লড়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
বাউল! বলেছেন: সেই অপরাধে পাহাড়ীদের ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে দেওয়া হোক! তাদের হত্যা করা হোক। পশু ও পশুত্বের জয় হোক, আপনার জয় হোক।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অযথা আতঙ্কে ভুগছেন কেন? আমি শুধু দেখাতে চেয়েছি যে, আমার এই দেশটার বিরুদ্ধে আমারই দেশের কিছু মানুষ পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সিদ্ধান্ত তো আপনার।

৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: সুশীলদের মুখে ছাই
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: বুড়ো সুশীলদের কাজই হচ্ছে অবোধ্য তত্ত্বকথা কপচে তরুণদের নিরন্তর বিভ্রান্ত করে যাওয়া। ড্রইংরুমবাসী সুশীলদের মুখে ঝাটা মারাই উত্তম।

৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭
জটিল বলেছেন: কঠিন অবস্থা ,
ফেব্রুয়ারী মাস আসলেই সবক্ষেত্রে দেশের ওলটপালট অবস্থা একটু বেশি দৃশ্যমান হয় বলে মনে হচ্ছে ... এই দিক দিয়ে এই মাস টা কুফা
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক ঘটনা একদম পরিকল্পিত। সুশীলরা অবশ্য যথারীতি বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: বিচ্ছিন্নতাবাদী চক্রকে নির্মুল করা ছাড়া কোনো গতি নাই।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে- এটাই জরুরি।

৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৮
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: এই খানে আরও ইনফোরমেশন আছেঃ
http://doctor.amarblog.com/posts/99720
;)
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: আইজুদ্দিন বেশ নিম্নশ্রেণীর একটি প্রাণী। সম্প্রতি ইউজিদের হাতে তাকে উপর্যুপরি ধর্ষিত দেখে আমি শ্রেফ করুণা অনুভব করেছি। তাকে বিশ্রাম দেওয়াই এ মুহূর্তে জরুরি বলে মনে হচ্ছে।

৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯
নষ্ট ছেলে বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী নিজেই যখন বিদেশে গিয়ে বলেন বাংলাদেশে আল-কায়দা আছে, সে হিসাবে তাদের আর দোষ কি?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: প্রত্যেকেই আসলে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থে দেশের ভাবমূর্তিতে জলাঞ্জলি দিতে এতোটুকু দ্বিধা করে না।

১০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯
দস্যু বনহুর বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লংঘনের বিষয়টি তিনমাস বা তিনবছর আগের কথা নয়, এটা কয়েক শতক ধরেই হয়ে আসছে। ক্রমাগত মানবাধিকার লংঘন করে ভাবমুর্তির পেছনে দৌড়ালে চলবে? আমার বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ করে মুখে ফেনা না তুলে নিজেদের দোষগুলো সংমোধনের উদ্যোগ নেয়া উচিত।

জামাত শিবিরের প্রেসনোট মনে হলো তাই সানন্দে মাইনাস।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: "....এটা কয়েক শতক ধরেই হয়ে আসছে"
এটা ড্রইংরুমবাসী সুশীলদের ভাঙা রেকর্ড, যা তারা সামান্য স্বার্থের জন্য কয়েক দশক ধরে বাজিয়ে চলেছে। সেই ভাঙা রেকর্ডই আপনার মন্তব্যে দেখছি। নিচের ছবিটি দেখুন-



এরা কী উদ্দেশ্যে শান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতিসংঘ বাহিনীর ছত্রচ্ছায়ায় বিদেশী শক্তির উপস্থিতি কামনা করছিল? এরাই না আমার দেশের লোক?

১১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২
শ।মসীর বলেছেন: এই দেশে অকারনে যত রক্ত বয়ে গেছে তাতে নিশ্চিত করে আরেকটি পদ্মা, মেঘনা অথবা যমুনা হয়ে যেত খুব সহজেই । বয়ে যাওয়া রক্ত গঙ্গার দাগ লেগে থাকা আজ তেমন আরেকটি দিন...। আমাদের বোধদয় কবে হবে......লক্ষ্যহীন একটি দেশের মানুষ আমরা কবে দিশা পাব....

আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা কেন একপেশে নীতি নেয়, কোন স্বার্থে, এ স্বরুপ কেউ উম্মোচন করছেনা কেন -সরকারই বা কি চাই !!!

পাহাড়ে আমরা যেতে পারবনা এটা মেনে নেয়া যায়না-অথচ বুদ্ধিজীবিরা ক্ষনে ক্ষনে তাই বলতে চায়-শান্তিপূর্ণ সহাবস্হান কেন তাদের মুখ থেকে বের হয়না-তাদের দেশ প্রেমের এই স্বরুপ কেন-কত টাকায় তারা বিক্রি হয় এটা দেশবাসীর জানা দরকার।

রক্তাক্ত বাংলার বেনিফিশিয়ারি কারা, কোন দেশ ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন।

পাহাড়ে আমরা যেতে পারবনা এটা মেনে নেয়া যায়না-অথচ বুদ্ধিজীবিরা ক্ষনে ক্ষনে তাই বলতে চায়-শান্তিপূর্ণ সহাবস্হান কেন তাদের মুখ থেকে বের হয়না-তাদের দেশ প্রেমের এই স্বরুপ কেন-কত টাকায় তারা বিক্রি হয় এটা দেশবাসীর জানা দরকার।

আমাদেরও সেই একই জিজ্ঞাসা।

১২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৩
অলস ছেলে বলেছেন: গ্রেট। বাংলাদেশ আর্মি লিখে সার্চ দিলেই এরকম অনেক ছবি দেখতে হয়েছে বারবার। তিলকে তাল বানিয়ে অতিরঞ্জিত এবং একপেশে এদের সিন্ডিকেটেড প্রচারণা। জাপানকে টার্গেট করার কারণ সম্ভবত জাপান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী দেশ, দাতা বা ধার দেবার দেশ। সবার মানবাধিকার চেগিয়ে উঠছে এখন এবং এই উত্থিত মানবাধিকার দেশের এক দশমাংশ মুল্যবান এলাকা আলাদা হলেও নিস্তেজ হবেনা, এমনই মানুষ এরা। সমস্যার মুলে গিয়ে যথাযথ ভাবে ভারসাম্যপূর্ণ ভাবে সমাধান না খুঁজে এমন আতকা উত্থানের মর্ম বড়ই মজাদার। এমনকি ব্লু হেলমেট আসলে বা আলাদা করে দেয়া হলে তখনো এরা প্রচারণা চালাবে, আর্মির জন্য এমনটা হয়েছে শেষপর্যন্ত। এবং ভুদাই আম্রা জনগণ গণহারে তাই বিশ্বাস করবো তখন।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন:
জাপানি ভাষার ব্যানার পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে মিছিল করছে, এরা কারা, চেনেন নাকি? এরা আমাদের দেশের লোক নাকি?

বৌদ্ধপ্রধান জাপানকে টার্গেট করার করার মূল উদ্দেশ্য, সেখানকার বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশের ওপর অন্যায্য চাপ প্রয়োগের চেষ্টা।

১৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪
নিউজকাস্টার বলেছেন: ওদের ব্যাপারে কিছূ বলবেন না, আমাদের লীগ ভাইরা মাইন্ড করবো।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তারা বেশ মাইন্ড করেছে দেখছি। এতোগুলো প্রমাণ উপস্থাপন করার পরও তারা আমাকে ঠেলেঠুলে মগবাজারে নামিয়ে দিচ্ছে। এটা বেশ কৌতুককর।

১৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৫
প্রতারিত পুরুষ বলেছেন: মেইড ইন মগবাজার না মেইড বাই?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: মেইড ইন বাংলাদেশ! কলিকাতা নয়।

১৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৭
এরশাদ বাদশা বলেছেন: চরম উদ্বেগজনক। সবকটি লিংক ঘুরে আসার জন্য প্রিয়তে নিয়ে গেলাম। আপনি আসলে 'অনেক মাথা খাটাচ্ছেন বস। থ্যাংকু।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: দেখেন লিংকগুলো। তবে আমি দেখছি যে, দেশের সংকটকালে পান চিবিয়ে তত্ত্বকথা বিলানোই আমাদের দেশে 'দেশপ্রেম' বলে বিবেচিত হয়। সেদিক থেকে আমি দেশদ্রোহীর পর্যায়ে পৌঁছে গেছি বোধহয়। কলিকাতা ব্লগে একজনকে দেখলাম, আমার ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। :)

১৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: চরম উদ্বেগজনক। সবকটি লিংক ঘুরে আসার জন্য প্রিয়তে নিয়ে গেলাম। আপনি আসলে 'অনেক মাথা খাটাচ্ছেন বস। থ্যাংকু।
১৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ভাই এত দূরে যান কেন? সামুতে কি হচ্চে? এই যে আপনার পোস্টটায় অলরেডি ৬টা মাইনাস পরল কারা দিল? এরা আসলে কি চায়? এক শান্তিবাহীনির রাজাকার তো দেখলাম এদের পক্ষে প্রচারনায় লেংটা হয়ে নেমেছে।এই পোস্ট এ আমার করা মন্তব্য এ তার উত্তরগুলো দেখেন
Click This Link

এদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে দাড়াতে হবে।আমার দেশ এর বিরুদ্ধে যেই কথা বলবে আমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যেই অপপ্রচারনা করবে তাকেই শক্ত হাতে মোকাবেলা করা হবে।

আপনাকে+++++++++++++++++++++++++++++++
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: কৌশিকের এই উস্কানিমূলক পোস্টটি দেখুন। ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৬-এ লেখা। এবার দেশের সবগুলো পত্রপত্রিকা খুলে দেখুন। কে মারা গেছে? খাগড়াছড়িতে একজন বাঙালি- আনোয়ার হোসেন- মারা গেছেন। কৌশিকের লেখার ১২ ঘন্টা আগে এবং ২৪ ঘন্টা পরের সময়টুকুতে মৃত্যু ওই একটিই। কিন্তু কৌশিকের পোস্টের শিরোনাম ছিল- "এই মুহূর্তে আদিবাসীদেরকে হত্যা করা হচ্ছে, বাড়ী ঘর পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে! আসুন রুখে দাড়াই!"
এই মিথ্যাচারের প্রতিবাদ কি কেউ করেছে? কোনো সুশীলের জিভে কি তখন জল ছিল না?

আর দিনমজুরের পোস্টটি এতোটাই হাস্যকর যে, সেখানে মন্তব্য দিতেই আমার বিরক্তি লাগছে। সেই পুরনো রদ্দিমার্কা কিছু কথা আর কিছু ধোঁয়াশা মিলিয়ে তার লেখাটা অলস পড়ে থাকা কোনো এক কারখানায় তৈরি। তার বড়ো গলার শুরু ভূমি বিরোধ নিয়ে নাকি বাঘাইছড়ির ঘটনার সূত্রপাত। এর উত্তরে কিছু বলবো না। শুধু অরুণ কর্মকারের প্রতিবেদন থেকে কিছু অংশ তুলে দিচ্ছি-
ভূমি বিরোধ তৈরি করা: বাঘাইহাটে হামলা-পাল্টা হামলার কারণ হিসেবে ভূমি বিরোধের কথা বলা হলেও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকার ভূমি নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য এলাকার মতো বিরোধ ছিল না, নেইও। কারণ, পার্বত্য চট্টগ্রামে আশির দশকে যখন বাঙালি বসতি স্থাপনকারীদের (সেটেলার) পাঠানো হয়, তখন বাঘাইহাট ও এর আশপাশে তেমন কোনো জনবসতি ছিল না। দুর্গম এলাকা বলে সেখানে বাঙালিদেরও পাঠানো হয়নি। ফলে আদিবাসীদের ব্যবহূত কিংবা দখলি ভূমিতে বাঙালিদের বসিয়ে দেওয়ার ফলে যে ভূমি বিরোধ পার্বত্য চট্টগ্রামে সৃষ্টি হয়েছে, এখানে তা নেই-ই বলা যায়।

১৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬
মৌনোতা বলেছেন: প্রতারিত পুরুষ বলেছেন: মেইড ইন মগবাজার না মেইড বাই?

এদের চিনে রাখুন না হলে আমর হয়তো প্রতারিত হবো।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: এগুলো হচ্ছে কলিকাতাবাসী প্রতারক।

১৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
সাইফুর বলেছেন: এটাতো পরিকল্পিত চক্রান্ত মনে হচ্ছে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: তিন মাসে পার্বত্য চট্টগ্রাম যখন পুরোপুরি শান্ত, তখন জাপানে একদল বাংলাদেশীর প্রপাগাণ্ডা দেখুন-

২০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮
লুৎফুল কাদের বলেছেন: আমার তো সবার আগে সুশীল নামের আবাল গুলিরে পিটাইতে মন চাই. আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে সেআর করার জন্য.
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: সুশীলরা ড্রইংরুমে বসে তত্ত্বকথা কপচাবে আর আমার দেশের ভূমিতে জাতিসংঘের সেনা নামানোর চেষ্টা করে যাবে। বিনিময়ে যে তারা খুব লাভবান হবে তা কিন্তু নয়। খুব ছোট ব্যক্তিস্বার্থের জন্য এরা নিজের বউকে বেচে দিতে দ্বিধা করে না।

২১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: দুঃখিত, লেখাটা খুবই উসকানিমূলক মনে হল, বোঝাই গেলনা যে একজন বিবেচনাবোধসম্পন্ন কারো লেখা।

নেট স হজলভ্য হওয়ায় আবর্জনার বিস্তার লাভ অনেক সহজ হয়েছে, কিন্তু তাইবলে সেইটা দেখিয়ে মানুষজনকে উত্তেজিত করা ঠিক হইলনা।

পরিশেষে , পোস্টের শেষ প্যারায় এসে, আপনিও দেখলাম আবর্জনা তৈরীতে অংশ নিলেন। "জুম্মাল্যান্ড" এর চরিত্র বা কন্টেন্ট বিশ্লেষণে যাবনা (সাইট টা জীবনে প্রথম দেখলাম) কিন্তু কোথাও একে "দেশ" বলা হয়েছে বলে দেখলামনা, বরং "বাংলাদেশর অংশ"ই বলা হয়েছে (২/১ জায়গায় বাংলাদেশের স্টেট বলেছে)কিন্তু আপনি "জুম্মাল্যান্ড নামক দেশ" বলে বেশ একটা ইমোশনাল আবর্জনা তৈরী করে ফেললেন!
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: বিবেচনাবোধ মানে কী? সাতচল্লিশের দেশভাগ থেকে শুরু করে সেই একই চর্বিতচর্বণ টেনে আনা, নাকি ড্রইংরুমে বসে অযথা পাহাড়িদের জন্য কূম্ভীরাশ্রু ফেলা? কোনটি?

আমার দেশের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ প্রচারণাকে আপনি বলছেন 'আবর্জনা'। ফেসবুকজীবী প্রজন্মের একজন হিসেবে সেটা বলা আপনার পক্ষে স্বাভাবিক। আমি আমাদের ঘরের কাছের চীনকে দেখি, দেশেই শুধু নয়, ওয়েবেও দেশের জন্য এক পিক্সেল জায়গা তারা বিনাযুদ্ধে ছাড়তে রাজি নয়। অবশ্য ফেসবুকজীবী প্রজন্মের কাছে এগুলো খুবই অর্থহীন ব্যাপার।

২২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪
অ্যামাটার বলেছেন: "১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময়, বাংলাদেশকে যেমন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে জোর করে জুড়ে দেয়া হয়েছিল, একই ভাবে চট্টগ্রাম বন্দর সহ পার্বত্য চট্টগ্রামকেও জোর করেই কলকতা বন্দর হারানোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছিল। জাতিস্বত্তাগত ঐক্যের জায়গা থেকেই পাহাড়ি জনগোষ্ঠি পূর্ব পাকিস্তানের চেয়ে বরং আসাম, নাগাল্যান্ড,মিজোরাম ইত্যদি পাহাড়ি অঞ্চলের সাথে ইন্ডিয়ান ইউনিয়নের সাথে কিংবা কেউ কেউ বার্মা ইউনিয়নের সাথে যুক্ত থাকতে চেয়েছিল"---দিনমজুর Click This Link

কিন্তু যা হচ্ছে, হলফ করে বলা যায়, ভাল হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে তো অচীরেই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েনের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: দিনমজুরের এই ইতিহাস তার নিজের বানানো, মনগড়া। প্রকৃত ইতিহাস হল এই-

১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় উপজাতীয় হেডম্যানদের একাংশ ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরার সঙ্গে থাকার পক্ষে মত দেন। কিন্তু উপজাতীয়দের শীর্ষ নেতা কামিনী দেওয়ান পাকিস্তানের সঙ্গে থাকার পক্ষে মত দেন৷ কারণ তিনি মনে করতেন চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলন্বী বলে হিন্দুদের প্রতাপের কাছে নিরাপদ নয়৷ আর ক্ষুদ্র উপজাতিদের ছোট দেশের সঙ্গে থাকাই নিরাপদ৷

চাকমাদের বিশাল একটি অংশ পাকিস্তানের সঙ্গে থাকার জন্যই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনের সরাসরি বিরোধিতা করে৷ রাঙামাটি চাকমা সার্কেল চিফ বা চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (বর্তমান চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশিষ রায়ের পিতা) স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করেন।

২৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭
অ্যামাটার বলেছেন: আন্তর্জাতিক প্রপাগন্ডায় তো বাংলাদেশ আর্মিকে পুরা ফিলিপাইন-থাই-কম্বোডিয়ান আর্মির ইমেজে ঢেকে দিয়েছে!
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: শুধু তাই নয়, বৌদ্ধপ্রধান জাপানের মন পাওয়ার জন্য চরম সাম্প্রদায়িকতার আশ্রয়ও নিয়েছে আমাদের ভাই কিছু পাহাড়ি ভাই।



ছবিটি বড়ো আকারে দেখতে পারেন (গোল চিহ্নিত) এই লিংক থেকে

২৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৯
ধ্রুব তারা বলেছেন: পাহাড়ের এ সমস্যা দু মাস নয় বরং দু দশকের বেশি সময় ধরে। সেক্ষেত্রে দু-তিন মাস আগের বিদ্রোহের ছবি এমন কিছু নয়।

দস্যু বনহুর এর উক্তিতে যে কথা বললেন, এটা ড্রইংরুমবাসী সুশীলদের ভাঙা রেকর্ড, যা তারা সামান্য স্বার্থের জন্য কয়েক দশক ধরে বাজিয়ে চলেছে। সেই ভাঙা রেকর্ডই আপনার মন্তব্যে দেখছি।- এটাও কিন্তু এ্যান্টি সুশীল নব্য দেশাত্মবোধ প্রচারজীবীরা সেই সুপ্রাচীণকাল হতে বলে আসছেন।

আর যখন নিজেদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে তখন বিদেশি সংস্থার কামনা করা কিন্তু খুব একটা অবান্তর নয়। সে অবশ্যই বাঁচতে চাইবে প্রথমে। যে দেশের জারজ সন্তানেরা তাদের বাঁচার অধিকার দেয় না, তাদেরকে অবিশ্বস্ত বন্ধু বলে অবহিত করে, তখন বিদেশের সাহায্য আশা করা কি খুব একটা অপরাধ?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সর্বেসর্বা বা চেয়ারম্যান একজন পাহাড়ি (সন্তু লারমা), একজন বাঙালি যতোই মহত্তম হোন না কেন সেই পদে আসার কোনোই সম্ভাবনা নেই। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি- এই তিন জেলা পরিষদের তিন চেয়ারম্যানই স্থায়ীভাবে পাহাড়িদের জন্য সংরক্ষিত। পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই উপজাতীয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনের সাংসদরা সকলেই উপজাতীয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বেসর্বা বা মন্ত্রীও একজন উপজাতীয়। দেশে সরকারি চাকরির ৯০ ভাগ কোটাই কেবলমাত্র উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও পলিটেকনিক্যাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটাভিত্তিক প্রায় সব আসনই উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত।
সবকিছুর ওপরে অনেক স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে তাদের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তিও হয়েছে।

বিনিময়ে এই প্রপাগাণ্ডা? বিনিময়ে জাতিসংঘ বাহিনীর হস্তক্ষেপ? হায়রে বাংলাদেশ, একটা গজব নামা দরকার তোর ওপর।

২৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯
এমিল বলেছেন: ফিফা মনে পড়ে গতবছর এই সময় আপনি কিছু ডায়ালগ, কিছু ব্রেকিং নিউজ দিয়েছিলেন?

ব্রিগেডিয়ার শাকিলের গোঁফ উৎপাটন সংক্রান্ত থিওরীটার জনকও আপনি ছিলেন?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: আপনি এটা শুনেছেন, কিন্তু পড়েননি। কারণ পড়তে হলে বর্ণমালার সঙ্গে মিনিমাম পরিচয় দরকার। সুতরাং আমি বলবো যে, প্রথমেই এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে বারবার পড়ুন। এবং এরপর এই পোস্টটির ৭, ১১ ও ১২ নম্বর মন্তব্য পড়ুন। আসলে 'পড়ুন' হবে না, সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন সহৃদয় কারো সাহায্য নিয়ে পড়ুন।

২৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৪
ধ্রুব তারা বলেছেন: ৭১ এও পাকিরা এর চাইতে ভিন্ন কিছু বলেনি। কোটা হচ্ছে কাউকে দয়া দেখানোর সবচাইতে সহয উপায়। আর আপনি যাকে প্রপাগাণ্ডা বলছেন তাঁর কতটুকু প্রপাগাণ্ড আর কতটুকু সত্যি তা কি যাচাই করেছেন?

আমরা সূচনাতেই তো তাদের হেয় করছি উপজাতি বলে। তারা কোন জাতির উপর আশ্রিত বা ভিত্তি করে গড়ে ওঠা জাতি নয়। আমরা যেরকম জাতি তারাই সেরকম। তারা উপজাতি হলে আমরাও উপজাতি।

আর আমি আগেই বলেছি যে যখন স্বীয় অস্তিত্ব বিপন্নে, যখন আর্ন্তজাতিক চাপে মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তি সমাজের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে তখন সাহায্য না চেয়ে উপায় নেই। তথ্যকে যদি প্রপাগাণ্ডা মনে করেন তবে হ্যা তারা দোষী।

একদিন পাকি রাও বলেছিল যে তারা ভাষার ব্যাপারে সমঝোতা করেছে...আর কত? নিজেকে খুনী ভাবতে খুব কষ্ট হয়।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সঙ্গে পাকিদের মেলানো তো কাজের কথা নয়। মিলিয়ে বরং এই দেশটাকে অপমান করছেন, তিরিশ লাখ শহীদকে অপমান করছেন। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই দেশটাকে তারাই আমাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন, বিনিময়ে একদল নপুংসক পেয়েছি আমরা, যারা তথাকথিত বঞ্চনার কথা বলে দেশের এক-দশমাংশ অন্যের হাতে তুলে দিতে চায়, যারা সার্বভৌম দেশে তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপ কামনা করে, যারা জীবনে একটিবার পাহাড়ে না গিয়ে ড্রইংরুমে বসে মুখে ফেনা তোলে, কপট অশ্রু ফেলে।

আর 'উপজাতি' বলে হেয় করা হবে কেন? সরকারের নির্দেশ আপনি মানেন না?

২৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৩
ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: খাগড়াছড়ি থেকে একজন সেনা অফিসার কর্তৃক তার উদ্বিগ্ন সহকর্মীদের কাছে পাঠানো ইমেইলটি খানিকটা সম্পাদনা করে উদ্বৃত করলাম. বিলোপকৃত লেখাগুলো [...] এর মাধ্যমে বোঝানো হল. ব্যবহৃত abbreviationগুলো: civ admin- civil administration, auth- authority, incl- including, cont- continue, qtrs- quarters, 14 BIR- একটি সেনা ইউনিট, mil comd- military commander.
---- -
Friends, Romans and Countrymen.. .lend me ur ears......

Thnaks a lot for all ur good wishes. It really means a lot. Well I'm sure most of u r very well info about the regional political dynamics of this area. ppl had been trying since long to evict the bangalees from this place. And since in the present context we also remain rather uncommitted in various issues thinking the civ admin would take care of these things, we again fall into the bombardment when things go wrong.

The way things dev I thank Allah (SWT) that only two lives had been lost. It very well could have 50, the way UPDF fired indiscriminately. They also got such courage since we tried our best not to react in any way for last couple of months in spite of their extreme provocation with teasing and women and all. They even went on telling the tribal that Army doesn’t have the auth to fire so do whatever u feel like incl burning of houses. and the result u know.....None of us wanted it. The tribals here r the ones who suffered most.....if they don't understand that they have to live with the Bangalees and keep on falling in the trap of UPDF's propaganda then probably they will cont to suffer in future also with such communal disharmony. All interested qtrs r trying their best to find out any small clues of Army's wrong doings but I can tell u one thing 14 BIR rather did not even do what they even should've done. [.........] it's no use starting a war when there IS NO war. and the mil comd should be trained to fight not to fight. and at the end of the day they r my unarmed countrymen.. ..whatever may be the case.

This time [.....] really perused the civ admin to come down here every day to solve the prob. The UNO was even here when the burning and the firing started. And now he has become the first scapegoat, who has already been wdr from BHC.
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: এটাই প্রকৃত চিত্র। সবারই উচিত এই মেইলটি পড়া। বাঘাইছড়ি-খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কিভাবে সাধারণ পাহাড়িদের ব্যবহার করে যাচ্ছে নিজেদের হীন স্বার্থে, সেটা পুনর্বার জানা গেল। মূল পোস্টে মন্তব্যটি ভুক্তি হিসেবে যোগ করলাম।

২৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৪
স্তব্ধতা' বলেছেন: @ ফিউরিয়াস ওয়ান, দু:খিত, একে সরাসরি দেশ বলা হয়নি সাইটটিতে কিন্তু ঘুরে ফিরে প্রচারনা এমন যে এটি বাংলাদেশের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা বৈশিষ্ট্য পূর্ণ একটি ভূখন্ড। এর রাজধানী রাঙ্গামাটি, এর সাথে বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গার ব্যাপক অমিল তাই একে প্রচ্ছন্ন ভাবে স্বতন্ত্র একটি দেশ হিসেবে কেনো স্বীকৃতি দেয়া যাবেনা? এবং উদাহরণ হিসেবে প্রচ্ছন্ন ভাবে লেবাননের আয়তনের কথা ও ইষ্ট তীমূরের আয়তনের কথা বলা হয়েছে।'স্বাধীন জুম্মল্যান্ড' এর দাবী জানানো হয়েছে এবং তা ইউএন এ জানানোর কথা বলা হয়েছে।

- It shares borders with Myanmar on the south and southeast, India on the north and northeast and Chittagong and Cox's Bazar district of Bangladesh on the west.

কোন রাষ্ট্রের সীমারেখা নির্ধারণের ক্ষেত্রেই এ ভাবে লেখা হয় জানি।এটা হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, নির্ভর করে আপনি কি ভাবে ব্যাখ্যা করবেন।তবে পরবর্তী দাবী গুলো দেখলে আলাদা রাষ্ট্রের ইঙ্গিতটা স্পষ্ট।

-There are diversities amongst the ethnic groups themselves too, which have their own distinct languages, customs, cultural heritage, religious beliefs, and systems of social organization. But national ideology is common as “Jumma Nation” and “Free Jummaland”.

স্বাধীন জুম্মু ল্যান্ড।পাসপোর্ট লাগবে কিন্তু যেতে, স্বাধীন রাষ্ট্র বলে কথা।যারা গতকাল পি মুন্সীর পোষ্টে সীমিত আকারের স্বায়ত্ত্ব শাসনের কথা বলেছেন, তাদের স্বায়ত্ত্ব শাসনের রূপ রেখা কি এই রকম?

- The Jumma Nation are the right persons to put the Jummaland issue on the table of the United Nations.

-DONT WORRY, WE ARE BETTER THAN YOUR 'RIGHT PERSONS' TO PUT THE ISSUE ON THE UN COFFEE TABLE.

- Rangamati is the capital city of Jummaland

কোন সমস্যা নাই।

@লেখক: এই সব ফ্যাসীবাদী আচরন বন্ধ করুন।আপনার কি দয়া মায়া নেই শরীরে? ফিলিস্তিনের বা স্কটল্যান্ডের ১০০% জনগণ (মীরজাফররা বাদ দিয়ে) স্বাধীনতার ডাক দিলো তাকে আপনি সায় দিচ্ছেন আর ১% এরও কম!! বলে এদেরকে আপনি স্বাধীন হতে দেবেননা? বাঙ্গালী পাহাড়ী কোন সহাবস্থান চাইনা।স্বাধীন জুম্মুল্যান্ড চাই।ধন্যবাদ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: হাহাহা। ফিউরিয়াস ওয়ানকে আশেপাশে আর দেখা যাচ্ছে না। আপনার লাইন বাই লাইন ব্যাখ্যা দেখে বেচারা লজ্জা পেয়েছেন মনে হয়। :)

আর স্তব্দ্ধতা, আপনাকে সাবধান করে দিচ্ছি, স্বাধিকার বা স্বায়ত্বশাসন দেওয়া বলতে যদি আপনি মনে করেন যে দেশটা খন্ড করে ফেলা হচ্ছে- তাহলে সেটা হবে ভুল। জুম্মল্যান্ডে একটু সীমারেখা টেনে পাসপোর্ট-টাসপোর্টের ব্যবস্থা করা হলেই কি দেশকে খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়ে যায়? এমনকি খণ্ড করা হলেও জাতিস্বত্তার স্বাধিকারের প্রশ্নে, মুক্তির প্রশ্নে, স্বায়ত্বশাসনের প্রশ্নে সেটা মেনে নেওয়াই কি উচিত নয়? আমি বলি কি, আসুন দু ফোটা ড্রইংরুমে বসে দু ফোটা কূম্ভীরাশ্রু ফেলে সুশীল হই। এমন সুযোগ বারেবারে আসে না!

২৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫২
ধ্রুব তারা বলেছেন: মজার কথা হচ্ছে সরকারের যদি সকল নির্দেশ মান্যের মত হত তবে এ বিতর্কের সূচনাই হত না।

আর আমি অবহিত আছি যে আমি শহীদদের অপমান করছি। ৫৬০০০ বর্গমাইল দেশটাকে অপমান করছি। তবে তাদেরকে হত্যার চাইতে আমি নপুংশক হওয়া শ্রেয় মনে করব। হ্যা অত্যাচারী আখ্যা পাওয়ার চাইতে ৫০০০০ বর্গমাইলের দেশের মানুষ হতে আমার আপত্তি নেই (যদি মনে করি যে দমন এবং হত্যা নীতি ব্যতীত সমস্যার সমাধান হবে না)। অত্যাচারীর খাতায় নাম লেখিয়ে আমি ৩০লাখ শহীদের গর্বে পরিণত হতে চাই না।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: সরকার তো তাদের জন্য মোটামুটি সবকিছুই করেছে। ২৪ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে তার খানিকটা দেখেছেন নিশ্চয়ই। তালিকাটা এর বাইরে আরো অনেক লম্বা। আর কী চান?

৩০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৪
বিডি আইডল বলেছেন: পোষ্টের সাইটগুলো এবং কমেন্ট ২৭ এর বক্তব্য পড়ার পরও কারো কারো (পড়তে হবে আওয়ামী লীগ অথবা সুশীল প্রগতিবাদী) এই পোষ্টে মাইনাচ দিতে ইচ্ছা করবে
৩১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৪
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: স্তব্ধতা: ধন্যবাদ, তবে কিনা, লেখকের শেষ প্যারা খেয়াল করবেন, যখন উনি বলেন-----আর ভালো কথা, জুম্মল্যান্ড নামের 'দেশটি' কি আপনারা কেউ চেনেন? এই দেশটি কোথায়, একটু জানাবেন কেউ?----তখন কিন্তু মানে এই দাঁড়ায় যে অলরেডী সেটাকে দেশ হিসাবে ওখানে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে, যা করা হয়নি। এখানে উস্কানির জবাবে লেখকের নতুন উস্কানি ছাড়া কিছু পাইনা।

ফিফা এইখানে যা করতেছেন, তাতে করে কয়েকটা গার্বেজ ইসলামী ওয়েবসাইট দেখিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে সবাইকে ক্ষেপিয়ে তোলার সাথে আমি কোন তফাৎ দেখতেছিনা, দুঃখিত।
৩২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: উস্‌কানির দিকে না গিয়ে এখন শান্ত মস্তিষ্কে সমস্যার সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়া উচিৎ। যে মারে, সে আমার ভাই; আবার, যে মরে সেও।
তবে, ১২ নং কমেন্টের ছবিটার ব্যানারে শান্তি-ঐক্য-প্রগতি দেখে পরিচিত একটা সংগঠনের কথা মনে পড়ে গেল। কাকতালীয় হয়ে পারে.........
৩৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ক্ষতিগ্রস্থ নিকের একজন ই-মেইল ছেড়ে দিলেন মন্তব্যের ঘরে, বলছেন কোন এক সেনা অফিসারের মেইল এটি । আপনি কি তাকে নিরুৎসাহীত করবার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেছেন ?

সেনা কর্মকর্তার ই-মেইল ব্লগে ছেড়ে দেয়াটা কিছুতেই শুভবুদ্ধির কাজ নয় । এ-বিষয়ে আর্মী এ্যক্ট কি বলে ?
৩৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৪
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন: পল্লব মোহাইমেন সমধিকার মতো সংগঠন যে কীভাবে আদিবাসিদের জীবন দুঃসহ করে দিচ্ছে তা নিয়ে আপনাকে একটা লিখাও লিখতে দেখলাম না আপনার আগেও দেওয়া পোষ্টে প্রচণ্ড উসকানিমূলক আমার পরিচিত অনেক আদিবাসী উপরের লেখা পড়েছে
৩৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৬
পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: হায়রে বাংলাদেশ, একটা গজব নামা দরকার তোর ওপর।
৩৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪০
কঠিনলজিক বলেছেন: লেখক ,পাঠক , মন্তব্য কারি সবার প্রতি সম্মান জানিয়ে বলছি, শুধু সমালোচনার জন্য বর্তমান চিত্র নিয়ে কথা বলা যায় ।
তবে সমাধানই সবার লক্ষ তাই উচিত সমস্যার আরেকটু পূর্ববতী স্তর "মাস্টার প্ল্যান" টা জানা এবং বোঝা।
গত ১০-১৫ দিন যাবত যা হচ্ছে শুধু এই ঘটে যাওয়া ঘটনা পর্যন্তই দৃস্টি থাকলে পাহাড়ী বাংগালী তথা সেনাবাহিনী সকল পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ইউসড হবে এটা মাস্টার প্ল্যান ইর অংশ।

বিস্তারিত লেখা কোন ভাল লেখকের কাছ থেকে আশা করছি আমি খালি কি পয়েন্টগুলোর দিকে ইংগিত করে যাচ্ছি।

আফগানিস্তান
তালেবান/ট্রাইবাল।
পাকিস্তান
পাকিস্তানি তালেবান/পাকিস্তানের পাহাড়ি এলাকা/ড্রোন হামলা /ট্রাইবাল লিডার /বেলুচিস্তান /গাওয়াদার পোর্ট/পাকিস্তান আর্মী।
ভারত
নক্সালপন্থী/ছত্রিশগড় ট্রাইবাল / মাওবাদি বিদ্রোহ।
বাংলাদেশ
সন্ত্রাস জেএমবি ও ইত্যাদি/বাংলাদেশ সেনাবাহীনি ও ১/১১/ বি,ডি,আর/ ট্রাইবাল আদিবাসী।
দালাই লামা ও তিব্বত।

লিস্ট অফ এলিমেন্ট।
১ সেনাবাহিন।
২ কম বসতিপূর্ণ দুর্গম এলাকা।
৩ অপেক্ষাকৃত জনবিচ্ছিন্ন গোস্ঠী যারা দির্ঘপ্রতিরোধে সক্ষম।
৪ প্রচন্ড প্রতিক্রিয়াশীল বিষয় গুলোকে বিরোধের কারণ হিসাবে চিন্হিত করা ,যেমন ধর্ম অথবা জাতীয়বাদ ।


পুরা ব্যাপার টা ৩ ভাগে বিভক্ত।

১ টার্গেট
২ নিশ্চয়তা
৩ টেকসই করা

মূল লক্ষ:
এশিয়া তে চীনের আসন্য প্রভাব কে দুর্বল করে মার্কিন প্রভাব কে টিকিয়ে রাখা । (১ টার্গেট )

প্রথম ধাপ বা বাস্তবায়নের শর্ত নিম্ন রুপ
(কর্ম পন্থা নিচ থেকে পর্যায়ক্রমে উপরের দিকে পড়তে হবে)

এরকম অবস্থার সৃস্টি যাতে মার্কিন কতৃত্বই এক মাত্র সমাধান হিসাবে গৃহিত হয়।
কতৃত্ব প্রতিস্ঠার সময় বা পরে চ্যালেন্জের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা।(২ নিশ্চয়তা)
কতৃত্ব প্রতিস্ঠার স্হানীয় সহযোগী সৃস্টি । (২ নিশ্চয়তা ৩ টেকসই করা )
স্হানীয় সহযোগীর সম্ভাব্য বা উপস্হিত প্রতিপক্ষ শক্তি গুলো কে
(পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের ভিতরেই যুদ্বকালীন পরিস্থিতির সম্মুখিন) অভ্যন্তরীন বিরোধে মুখো মুখি করে দুর্বল বা ধংস করা। (২ নিশ্চয়তা)
অপেক্ষাকৃত সংবদ্ধ শক্তিশালী ও সহিন্চু শক্তি গুলো কে মুখো মুখি দাড় করানো। (২ নিশ্চয়তা)
স্পর্সকাতর বিষয়গুলো জনসন্মুখে এনে শক্তিশালী ও সহিন্চু শক্তি গুলোর মাঝে বিভেদ সৃস্টি। (২ নিশ্চয়তা
৩ টেকসই করা )

ভারত ও মার্কিন লবি এক জোগে কাজ করে যাচ্ছে।
(বর্তমান সরকার এসিস্টেন্ট টু রিজিওনাল এসিস্টেন্ট এর ভুমিকা পালন করছে)



৩৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৮
কথেবিডি বলেছেন: এইসব প্রপাগান্ডা টপাগান্ডা নিয়ে বাতচিত না করে, আপাতত পাহাড়ে গাছ কাটাই সামিল হই। এইসব তত্ত্ব ফত্ত্ব বাদ দিয়ে চলেন, সবাই পাহাড়ে যাই। সবাই মিলে গাছ উপরিয়ে ঘাস লাগিয়ে আছি। ভয় কিছের ১৫ কোটি মানুষের দুইটা হাতে দুইটা গাছ উপড়াইয়ে ফেললে তো পাহাড় আর থাকবে না আর পাহাড় না থাকলে পাহাড়িও থাকবে না, পাহাড়ি না থাকলে ভারতও এইসব ন্যাংড়া পাহাড়ও নিতে চাইবো না, আর ই ইউ ও পাহাড়ি গো স্বাধীন করার স্বপ্ন থাকবে না।
চল চল পাহাড়ে চল!
চল চল পাহাড় চল!
পাহাড়ে পাহাড়ে সুন্দর সুন্দর ঘাসের কার্পেটিং করবো, আহারে পাহাড়িরা ঘাসের কার্পেটের নিচে শুয়ে থাকবে, জুম্মুলেন্ড এর স্বপ্ন দেখবে শুয়ে শুয়ে। আর মহাপন্ডিত এবং মহাত্মা পি মুন্শী কে দিয়ে গাছ কাটা প্রকল্পের উদ্বোধন করানো হবে।


১৫ কোটি নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে কয়েক লাখ ( টাকা ) মাইনাস হলেও তেমন ক্ষতি নাই। সুতরাং সংখ্যা এবং অঙ্ক নিয়ে যাদের চিন্তা তাদের কাছে ডিজিট টা তো একটা ব্যাপার বৈকি।

আরেকটু বলি, অনেকেই জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বেশ চিন্তিত, কিন্তু জমি জমার হিসাব করতে গিয়ে উপমানু দের কথা কেউ চিন্তা করে না।

ভাইজান তোই আপনার এই শুকনো কথাই চিড়ে ভিজবে না, দেশে সমাজতন্ত্রও আসবে না আর তেনাগোও শেষপর্যন্ত থাকা হবে না। এত্ত এত্ত মানুষ যামু কই, তাই পাহাড়িগো রাইখা ঝামেলা কইরা লাভ কি।
৩৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৪
রাহি বলেছেন:
আমি আশ্চর্য হচ্ছি এই পোষ্টে ষোলটি মাইনাস!!!

আপনি বলেছেন: ''চীনারা যেমন ওয়েবে তাদের দেশের সার্বভৌমত্বের বিরোধী সবকিছুর সঙ্গে লড়ে, আমাদেরও সেভাবেই লড়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।''
কিভাবে লড়ব বলুন, আমাদের বর্তমান রাষ্ট্রযন্ত্রই'তো দেশদ্রোহী! এক্স গভর্ণমেন্টগুলির কথা নাহয় বাদই দিলাম। শুরু থেকেই আমাদের রাজনিতিবিদ'দের দূরদর্শিতার অভাবে ওখানে বিচ্ছিন্নতাবাদের জন্ম! দেশের কথা মনে হলেই মন খারাপ হয়ে যায়।
৪০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬
চন্দন বলেছেন:

‌আমাদের একশ্রেনীর চুচিল(সুশীল= ভাল নাপিত) এই সব ভাল লোকদের পক্ষে লিখে যাচ্ছে, ছবিতে দেখুন ওরা হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে আমাদের সেনা বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছে।
৪২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
এস এম মোমিন বলেছেন: ভাই অসাধারণ এক পোষ্ট.প্রিয়েতে নিলাম।

এতো কিছুর পরও যারা ওদের হয়ে দালালি আর পদলেহনে ব্যস্ত তাদেরকে ছাগু ছাড়া আর কি বলা যায়? এই পোষ্ট এ মাইনাসদাতারা এদেশের নাগরিক কিনা আমার সন্দেহ হয়।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ
৪৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫১
নেক্সাস বলেছেন: ফিফা পোষ্ট টা পড়ালাম আর চোখের জলে সিক্ত হলাম।

আমি নিজেও এই ওয়েব সাইটগুলো দেখেছি।আর মাতৃভুমির ধর্ষন যন্ত্রনায় মর্মাহত হয়েছি।

আর যখন তথাকথিত আবাল শ্রেনীর বুদ্ধিজীবি আর তাদের দোসরেরা মাতৃভূমির এই ধর্ষনযজ্ঞে করতালি দিয়ে উৎসাহ যোগায় তখন তাদের কে ঘৃণা করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা।
ওরে আবাল বুদ্ধিজীবি সমাজ! ওরে আঁতেল সুশীল তোদের মুখে একদলা থুথু ছিটিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নাই।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ৫ বছর সময় কাটিয়ে এসেছি।১৯৯১-১৯৯৬।আমি কোথাও দেখিনি পাহাড়ীদের ইসলাম ধর্মে সেরকম আনুষ্ঠানিক ভাবে ইসলামে কনভার্ট করা হচ্ছে।বিচ্ছিন্ন ভাবে দু একটা ঘটনা দেখেছি প্রেম সংক্রান্ট ব্যাপারে।
আপর দিকে আমি দেখেছি ক্রিশ্চান মিশনারীদের আনুষ্ঠানিক তৎতপরতা।
সেখানে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে ক্রিশ্চান মিশনারীরা "ঈসা মসীহ"-এর কেরামতি সমগ্র নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে দিবা রাত্রী।ইতমধ্যে ২০% উপজাতি ক্রিশ্চান ধর্মে দিক্ষিত হয়েছে।


আথচ উপরের ছবিতে কি দেখা যাচ্ছে?

stop converting to Islam

কত বড় মিথ্যা!
কত বড় প্রপাগান্ডা!!

কি এই মিথ্যা প্রপাগান্ডার উদ্দেশ্য?

একমাত্র ড্রইংরূম বুদ্ধিজীবিরা ছাড়া আর সবাই এই অসৎ উদ্দেশ্য বুঝতে পারে।



ধন্যবাদ ফিফা আমার অন্তরের বহুদিন থেকে চলে আসা কান্নার সহযাত্রী হওয়ার জন্য।

৪৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
ধীবর বলেছেন: তথাকথিত প্রগতিশীলদের মুখে উপযুক্ত ঝামা ঘসে দেবার জন্য লেখাটা প্রিয়তে নিলাম। এই ধরনের বাংলাদেশ বিরোধি সাইটের উদ্যোক্তা যে শুধু মুস্টিমেয় কিছু দালাল পাহাড়িরা নয়, অনেক দালাল বাঙ্গালিদেরও এধরণের সাইট আছে। যেমন হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর মাইনরিটিস ইন বাংলাদেশ। এদের নেপথ্যে সমর্থন জোগায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। নিউইয়র্কে সুনিল পাল, মিনা ফারাহ, ডঃ নুরুন্নবি, ফরাসত আলি প্রমুখ আঃ লিগাররা এই উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদি সংগঠনের প্রত্যক্ষ সমর্থনকারি। এরাই ইরাকে বুশের আগ্রাসনের সময়, বাংলাদেশকে তালেবান রাস্ট্র চিত্রিত করে, সেখানেও সামরিক আগ্রাসন চালানোর আহবান জানিয়েছিল।

শরীরের সব নির্গমন পথ দিয়ে মানবাধিকার চুইয়ে চুইয়ে পড়া শাহরিয়ার কবির গং, আমেরিকায় এলে শুধু যে এই গোষ্ঠির আদর সোহাগ গ্রহন করেন তাই না, বরং ওদের সাথে একাত্মতাও প্রকাশ করে আসেন। এই শাহরিয়ার কবির গং এবং তাদের সমর্থক গোষ্ঠিই আজকে ওই একই ভড়ং এ পাহাড়িদের জন্য নাঁকি কান্না শুরু করেছে। যার ঢেউ এই ব্লগে এবং এই পোস্টেও দেখতে পাচ্ছি।

কোন খেতাববাজ বা গালিবাজের জন্য আপনার লেখনি যেন থেমে না থাকে, এই শুভ কামনাই করছি। প্লাস।
৪৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
নেক্সাস বলেছেন: শ।মসীর বলেছেন: এই দেশে অকারনে যত রক্ত বয়ে গেছে তাতে নিশ্চিত করে আরেকটি পদ্মা, মেঘনা অথবা যমুনা হয়ে যেত খুব সহজেই । বয়ে যাওয়া রক্ত গঙ্গার দাগ লেগে থাকা আজ তেমন আরেকটি দিন...। আমাদের বোধদয় কবে হবে......লক্ষ্যহীন একটি দেশের মানুষ আমরা কবে দিশা পাব....

আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা কেন একপেশে নীতি নেয়, কোন স্বার্থে, এ স্বরুপ কেউ উম্মোচন করছেনা কেন -সরকারই বা কি চাই !!!

পাহাড়ে আমরা যেতে পারবনা এটা মেনে নেয়া যায়না-অথচ বুদ্ধিজীবিরা ক্ষনে ক্ষনে তাই বলতে চায়-শান্তিপূর্ণ সহাবস্হান কেন তাদের মুখ থেকে বের হয়না-তাদের দেশ প্রেমের এই স্বরুপ কেন-কত টাকায় তারা বিক্রি হয় এটা দেশবাসীর জানা দরকার।

রক্তাক্ত বাংলার বেনিফিশিয়ারি কারা, কোন দেশ




শামসীর এই সুন্দর বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
পাহাড়ে শান্তি পূর্ন সহাবস্থান এটাই হ্ওয়া উচিত ছিল আমাদের সবার দৃপ্ত উচ্চারণ।
৪৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৭
আতা63 বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। আবহমানকাল থেকে আমাদের কিছু দুর্জন বিদ্যানএই রকম বিভীষণীয় কাজে লিপ্ত আছে। দেশ প্রেমিকদের সতর্ক থাকতে হবে।
৪৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৪
জেড ইসলাম বলেছেন: ফিউশন ফাইভ, আপনি উল্টাইয়া গেলেন কবে ?
এই কয়েকমাস আগেও আমি দেখেছিলাম সম্ভবত আমার একটা পোস্টে না হলে অন্য কারও একটা পোস্টে, সেখানে আপনি পাহাড়ের সেটেলার বাঙালীদের একটা অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন ওরা সব সমস্যার মুল, ওরা সবাই খুবই খারাপ।
ঠিক বলেছিলেন, সেটেলাররা ওখানে থাকার কোন অধিকার নাই, ওরা ওখানে অবৈধ অনুপ্রবেশ কারী। কারন পাহাড় তো আর বাংলাদেশের অংশ না যে সমতলের কোন বাঙালী ওখানে গিয়ে বসবাসের অধিকার রাখে।
৪৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০
জেড ইসলাম বলেছেন: তারপরেও ফিউশন ফাইভ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দেই যে দেরীতে হলেও আপনার বোধোদয় হয়েছে।

যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের মাথার মণির মত এই অংশটিকে ধর্ষন করে আসছে, পতিতা বানিয়েছে সবাই। আর সাথে কিছু শুয়োরের বাচ্চা বাঙালী সুশীল এতে সহযোগিতা করেছে আন্তরিক ভাবে।
৪৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২০
তীরান্দাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ, ফিউশন ফাইভকে অনেক তথ্য বহুল লেখা উপহার দেয়ার জন্য।
ব্লগ করে শান্তি আনা যাবে না। আমাদের তর্ক-বিতর্কে কর্তৃপক্ষ এতটুকু টলবেনা। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে এতটুকু পরিবর্তন আসবে না। তবে এই তর্ক-বিতর্ক থেকে আমাদের নিজস্ব চিন্তাচেতনার বহি:প্রকাশ ঘটছে।
হতাশার সাথে দেখছি যে- একটি নতজানু প্রজন্ম তৈরী হচ্ছে।
আশংকা করছি- এ দেশ আমাদের থাকবে তো?
ধর্ম বর্ণের বৈচিত্র না থাকলে হয় না। পাহাড়ী বাঙ্গালী মিলেই আমাদের সমাজ সংস্কৃতি। আমাদের বুঝতে হবে- এখানে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে দেশী-বিদেশী এনজিও এবং আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গোয়েন্দারা। তাদের শ্যোন দৃষ্টি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সম্পদের দিকে। আমি সরজমিনে দেখেছি পার্বত্য চট্টগ্রামে আমাদের সেনাবাহিনীর গাড়ীর চেয়ে এনজিও এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গাড়ীর সংখ্যা অনেক বেশী। বান্দরবানের বাইচিং মারমা নামে একজন বন্ধু আছে আমার। সে জানিয়েছে- অশিক্ষিত উপজাতিদের অর্থের বিনিময়ে ইউএনডিপি আর ওয়াল্ড ভিশন উপজাতিদের খৃষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করছে প্রতিনিয়ত। মারমা পল্লীতে গিয়ে দেখেছি আমার বন্ধুর বর্ণনার চেয়ে আরো ভয়ংকর কাজ চলছে সেখানে। এমন কেউ কি আছেন যে দেখাতে পারবে একটি মুসলিম মিশনারী সংস্থা অথবা এনজিও?
অথচ তারা বিদেশে প্রচার করছে- Stop Converting ISLAM
৫০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০
তীরান্দাজ বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তির প্রয়োজন। ব্লগার ভাইয়েরা যার যার পরামর্শ দেন (একটি জনমত জরিপ)
Click This Link
৫১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩২
ওরাকল বলেছেন: তথ্যমূলক লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
৫২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: তাইতো কই কিসের আওয়াজ এইটা? খোঁয়ার ভাইঙা সব ছাগু দেখি এইখানে আয়া জড়ো হৈসে।
৫৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন: লেখা পড়ে একটা কথা মনে পরে গেল কৃষ্ণ করলে লীলা খেলা আমি করলে দোষ মানবঅধিকার ভঙ্গ নিয়ে এধরনের প্রতিবাদ সভা তো সমতল ভূমির লোকেরা প্রায় করে আসছে কই তখন দেশ ধর্ষণ হচ্ছে বলে পোষ্ট দিচ্ছেন না
নিচের ছবিটা আজকের জামাতের দলীয় মুখপত্র সংগ্রামে হতে নেওয়া



এই প্রতিবাদ সমাবেশ এর মানুষগুলি দাবি করছে দেশে নাকি ধর্মীয় স্বাধীনতা নেই সরকার নাকি স্বৈরচার বিরোধী দলকে অত্যাচার করছে এতে কি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে না বিদেশ লোকদের কাছে

৫৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯
পশু বলেছেন: মাইনাস কেডা দ্যায়? যারা এই ষড়যন্ত্র গুলা করে!!

অসাধারণ ইনফরমেটিভ লেখা।
৫৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২
ফুরামন ২ বলেছেন: সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য গুলো পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। সুশীল নামের অমানুষগুলোর ভন্ডামীটা প্রকাশ হয়ে যেতো পারতো। প্রিয়তে নিলাম।
৫৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮
সামিউর বলেছেন: পোস্টটা প্রিয়তে নিলাম। দেশ ভাগের যেকোনো অপতৎপরতা ধ্বংস করে দিতে হবে।
৫৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
ভন্ডপি২ বলেছেন: মাইনাস।

ভাল হাসাইলেন। মুখে দুর্গন্ধযুক্ত এসলামী উটের মত "পার্বত্য সমস্যা মিডিয়ার সৃষ্টি" বইলা বালির মধ্যে মুখ ঢুকায়া থাকেন। সব বিদেশীদের ষড়যন্ত্র আর কত শুনমু? ৯১ তে বিদেশ আমাগো তথ্য নিয়া যাবে বইলা সাবমেরিন কেবল নিলাম না।

সেনাবাহিনীর লেখা আর কোন ইমেইল থাকলে বাইর করেন। আরো হাসতে চাই। পুরা ইত্যাদি অনুষ্ঠান দিসেন এখানে। :P :D :D
৫৯. ২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৪
দাসত্ব বলেছেন: ভালো লাগলো , প্রিয়তে নিলাম।
৬০. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৪০
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: //দেশে সরকারি চাকরির ৯০ ভাগ কোটাই কেবলমাত্র উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত।//

ভাইজান সম্ভবত জিন্দেগীতে কুনো সরকারী চাকরির জন্য চেষ্টা করেননাই।বিপিএসসির ওয়েবসাইটে ঘাঁটলে কোটা নিয়া আকবর আলী খানের একটা প্রবন্ধ আছে ওইটা পড়লে কিছুটা আইডিয়া হইবো।তবে হ্যাঁ,কোটা সুবিধা পাহাড়ের মানুষেরা পায় এইটায় কুনো সন্দেহ নাই।

বাবার বনবিভাগের চাকরির সুবাদে ১২ বছর কাটাইছি রাঙ্গামাটি,বান্দরবান,খাগড়াছড়ি এইসব এলাকায়।এখন আপনে দুনিয়ার যাবতীয় উপাত্ত আইন্নাও যুদি কন যে পাহাড়ে আদিবাসীদের উপ্রে কুনো অত্যাচার হয়নাই,তাগো ভূমি দখল হয়নাই,তাদের মা-বোনদের রেপ করা হয়নাই,পাহাড়ীগো রাগের কুনো ভিত্তি নাই-তাইলে একটাই ডায়ালগ দিতে বাধ্য হমু-দূরে গিয়া মর।শরীরের ঘা লুকায় রাখাটা কুনো কাজের কথা না-অত্যাচার কইরা কাউরে দাবায় রাখা যায়না সেইটার পরিচয় বাঙ্গালিরা ১৯৭১ সালে দিছে।পাহারে বাঙ্গালির পাকিপনা বন্ধ হউক,আপনার শুভবুদ্ধির উদয় ঘটুক এই কামনা করি।ভালো থাকবেন।
৬১. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২০
গরম কফি বলেছেন:
অসাধারন লেখা । প্রতিটা মন্তব্য সহ পড়লাম ।
৬৩. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০০
মেঘেরদেশ বলেছেন: পাহাড়ি বলেন বাঙালী বলেন আমরা সবাই বাংলাদেশের ! কিছু কিছু মানুষ সুযোগ নিছছে !এটাই মুল কথা
৬৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৩৪
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন: আমি যতদুর জানি ৭১ এ পাকিদের মদদ দিয়েছিল পাহাড়ীরা, বর্তমানে তো ভারতের দালালীতে লিপ্ত। মগদের অতীত ইতিহাসও বর্বর। সেদিন আমাদের পাড়ার এক চা দোকানদারকে টাকা না দিয়ে উল্টে চোটপাট করার দায়ে গণপিটুনি খেল দু আদিবাসী।
৬৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:৪০
বালক বন্ধু বলেছেন: পাহাড় নিয়ে বা চট্টগ্রাম নিয়ে যখন কথা হবে তখন অনেক কিছুকেই মাথায় রাখতে হবে।

চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর এই আলাদা হয়ে যাওয়ার চিন্তা আজ থেকে না অনেক আগে থেকেই। সেই মুজিব আমলে একবার আক সাংবাদিকের কাছে শেখ মুজিবর রহমান মন্তব্য করেছিলেন "তারা কি চট্টগ্রাম আলাদা করে ফেলতে চায় নাকি?"

সেই সাংবাদিকের লিখার কিছু অংশ-
"বঙ্গবন্ধু ঘাড় ফিরিয়ে বললেন, 'আয়'।. . .বঙ্গবন্ধু সোফায় বসে বললেন, 'বয়'। বসলাম তার পাশে, মুখোমুখি হয়ে। বঙ্গবন্ধুর মেখে চাপা উত্তেজনা ভাব। বললেন, 'তোদের মানবেন্দ্র লারমা কী শুরু করেছে? সে এমন বক্তৃতা দিল, তোদের চট্টগ্রাম কি আলাদা করে নিতে চায়?. . .(বঙ্গবন্ধু আরো কিছু কথা বললেন). . এখন একে কি করা যায় বলতো।'
তার কথা শুনতে শুনতে বঙ্গবন্ধুর মনের অবস্থা বুঝে নিলাম।'শান্তিবাহিনীর আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা সম্পর্কে জানতাম। মনে হলো, পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বঙ্গবন্ধু একটি পন্থা খুঁজছেন যা তার আওয়ামী লীগ হাইকমান্ডের সাথে আলোচনা করতে চান না, যেই হাইকমান্ডের মধ্যে তাজউদ্দীন প্রমুখ আছেন।"

__________________________________

লক্ষ্য করলে বোঝা যায় শান্তি বাহিনীর অশান্তি তখনো ছিল। তার মানে ব্যাপারটা এমন না যে বাংলাদেশ হওয়ার পর বঞ্চনার স্বীকার হয়ে তারা না পেরে অস্ত্র ধরেছে। তাদের অস্ত্র ধরার ইতিহাস অনেক আগের।

তাদের অস্ত্রের শক্তি খুব বেশি ছিল না। সেটিকে বড় হওয়া সুযোগ দিয়েছি আমরা। আমরা যদি ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীগুলোর জন্য প্রকৃত অর্থে উন্নয়নের ব্যবস্থা করতে পারতাম তাহলে তাদের দিয়ে হেন জঘন্য কাজ কোন হারামীর পক্ষে করিয়ে নেওয়া সম্ভব হত না।

আমরা আমাদে নিজের পায়ে কোরাল মেরেছি চট্টগ্রামে শান্তি আনতে সেনা তলব করে। তারা শান্তি বাহিনীকে রুখতে গিয়ে সাধারণ মানুষগুলোর সাথে যে কঠোর এবং মাঝে মাঝে অমানবিক আচরণ করেছে তার জন্যই আজ সাধারণ পাহাড়িদের মাঝে বাংলাদেশ নিয়ে এতটা ঘৃণা কাজ করে।

আমরা তাদের উপর হওয়া অত্যাচার অস্বীকার করতে পারি না। আবার তাদেরকে নির্দোষ বলার কোন সুযোগ নেই।

এখন ব্লগে ব্লগে লিখে গেলেই কাজ হবে না। এর সমাধানের জন্য সরকারকেই নিতে হবে আসল পদক্ষেপ। তাকের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তা হতে হবে তাদের ভাষাতে। তাদের জন্য আধুনিক কৃষি কাত ও জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের দিতে হবে বাড়তি সুযোগ। এভাবে চট্টগ্রমের বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দূর্গম এলাকার গোষ্ঠীগুলোকেও উন্নয়নের আওতায় আনলে এই ষড়যন্ত্র বন্ধ করা যাবে। অন্যথায় আগুন বাড়বে এবং জ্বালাবে আমাদেরই।


আমাদের দেশে যে প্রচলিত পুলিশ বাহিনী রয়েছে তাদের পক্ষে চট্টগ্রামে কাজ করা সহজ নয়। কিংবা অসম্ভব বলা যায় । কারণ তারা প্রশিক্ষণ নেয় সমতলের জন্য। তারা পাহাড়ে কাজে অভ্যস্ত নয়। এক্ষেত্রে র‍্যাবের মত করে পাহাড়ী পুলিশ গড়ে তুললে সেনা তুলে নিলে সমস্যা হবে না।

পাহাড়ে জোর চালালে তা হিতে বিপরীত হবে। দরকার ভালবাসা এবং তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
৭০. ০২ রা অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:০৩
বালক বন্ধু বলেছেন: সাংবাদিকের নাম ও মেইল

 

মোট সময় লেগেছে ৩.০২৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ