আমাদের স্কুলে মোল্লা মোকছেদ আলী নামের এক স্যার ছিলেন।উনি আমার দুর্সম্পর্কের ভাই হতেন। সিক্সের পর তার কোন ক্লাস পাইনি। মানুষ হিসেবে অনেক ভালই ছিলেন। আমি ক্লাস সেভেনে থাকাকালীন স্যার বিয়ে করেন। বউটা ছিলেন স্যারের থেকে লম্বা, অনেক ফর্সা। তার সাথে দেখা হলেই বউ এর গল্প দিতেন। আমরা খুব মজা পেতাম। তার ১টা ছেলে হইছিল। ১দিন ঐটারে কোলে নিতে গিয়ে আমার তো যায় যায় অবস্থা
ক্লাস এইটে থাকতে উনি বয়েজ স্কুলে বদলি হয়ে যান। ঐ স্কুলটার সাথে আমাদের আজীবন শত্রুতা। আমরা যেমন লক্ষী ; ছেলেগুলা তেমন একএকটা বান্দরের হাড্ডি। কোন স্কুলে কয়টা বৃত্তি পেল,, কয়টা স্ট্যান্ড করল,, এইসব নিয়ে খুনসুটি লেগেই থাকত।
২ বছর পর স্যার আবার বদলি হয়ে আমাদের স্কুলে এলেন। তখন আমরা টেনে পড়ি। তিনি আমাদের অংক ক্লাস নিলেন। হঠাৎ করে আমরা আবিস্কার করলাম,,,,,,, স্যার আর আগের মত নাই। যে কখনো কাউকে মারে নাই ; এখন সে কথায় কথায় মাইর লাগায়।
কি আর করা ওদের কি করে বুঝাব আমি এমন কিছু করিনা যাতে মাইর খেতে হবে।
অবশেষে সেই মহেন্দ্র ক্ষণ আসল। স্যার ক্লাসে এসে জানাল আমাদের বিস্কিট দেয়া হবে। ১৯৯৯ সাল। মাঝে কোথায় কোথায় যেন বন্যা হয়ে গেছে। আমাদের শহরটা উঁচু হওয়ায় বন্যার পানি ওঠেনা। তো সবাই জিজ্ঞেস করল কিসের বিস্কুট? আমি ফিসফিস করে বললাম রিলিফের বিস্কুট। সবাই এইটা নিয়ে ফান করতেছে। স্যারের কানে গেল রিলিফের বিস্কুট কথাটা। অমনি জিগাইল রিলিফেল বিস্কুট কে বলছে?
লিজা ছিল আমার পাশে। ও অনেক নরম একটা মেয়ে। আমার হাত ধরে বলল,,,ব্যাথা লাগছে??
স্যার আইসা বলল,,,, খুব কষ্ট লাগতেছে? তুইও এখখান খাইয়া দেখ ওর কেমন ব্যাথা লাগছে
স্যারের হাতের পিটুনি-১
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



