গতকাল বিকেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম আদালতে বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের আদালতে ১২ পৃষ্ঠার জবানবন্দি দেয় বিসিআইসি'র সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইমামুজ্জামান ।
১০ ট্রাক অস্ত্র খালাসের বিষয়টি তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী ও জামাতের আমির মতিউর রহমান নিজামী ভালোভাবেই জানতো বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)'র সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইমামুজ্জামান। ফেসে গেল নিজামী । ঢেকে রাখতে পারলনা পাপ । সফেদ দারি , টুপি নামাজ হজ্ব জ্বাকাত ৭১ এর গণহত্যা অস্বীকার , জেএমবি ফরমেশন --- কোন কাজটা ইসলামের সাথে জরিত ?? এই কাজগুলোর মাধ্যমে কিভাবে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করবে জামায়েত ইসলাম , ইসলামী ছাত্রশিবির ??
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল রাতে বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন সিইউএফএল জেটিঘাটে খালাসের সময় অবৈধ সমরাস্ত্রের বিশাল চালানটি ধরা পড়ে। এগুলোর মধ্যে ছিল এসএমজি, রকেট লঞ্চার, টমিগান, অটোমেটিক স্পোর্টিং রাইফেলসহ ১১ লাখ ৪৩ হাজার ৫২০টি গুলি, ২৭ হাজার ২০টি গ্রেনেডসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ। অস্ত্র ও চোরাচালান আইনে আলাদা ২টি মামলা করা হয়েছিল ।
জবানবন্দীর কিছু অংশ :
দশ ট্রাক অস্ত্র খালাসের সময়ও তিনি বিসিআইসির চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল রাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিসিআইসির প্রতিষ্ঠান সিইউএফএলের সংরক্ষিত জেটি ঘাটে দশ ট্রাক অস্ত্র খালাস হলেও পরদিন তিনি তা জানতে পারেন। চট্টগ্রামের একটি স্থানীয় দৈনিকের সাংবাদিকের কাছে তিনি অস্ত্র খালাস ও আটকের খবর পান। এরপরই তিনি সিইউএফএলের তৎকালীন এমডি মোহসিন উদ্দিন তালুকদারকে ফোন করে এ ব্যাপারে জানতে চান এবং কৈফিয়ত তলব করেন। এমডি ঘটনা শুনলেও সবকিছু জেনে তাকে জানানোর কথা বলেন। পরে ফোন করে মোহসিন তালুকদার তাকে জেটি ঘাটে অবৈধ মালামাল আটক হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন পুলিশ, ডিজিএফআইসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজন সিইউএফএল কারখানা ঘিরে রেখেছে। এরপর বিসিআইসি চেয়ারম্যান কারখানার নিরাপত্তা জোরদার এবং এ জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে বলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার লিখিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে রোববার সচিবালয়ে গিয়েই তিনি জানতে পারেন অতিরিক্ত সচিব নুরুল আমিন ঘটনার রাতে চট্টগ্রামে সিইউএফএল রেস্ট হাউসে ছিলেন। এরপর তিনি সচিব ড. শোয়েব আহমেদের কার্যালয়ে গিয়ে সিইউএফএল ঘাটে অস্ত্র আটক হওয়ার বিষয়ে আলাপ করেন। সচিব তাকে বলেন, তিনিও বিষয়টি জানতে পেরেছেন এবং তা মন্ত্রীকে জানিয়েছেন। সচিব তাকে বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, 'তিনি (মন্ত্রী) আমার মুখ থেকে শুনেছেন। আপনার মুখ থেকেও শুনুক।'
সচিবের নির্দেশে তিনি নিজেও শিল্পমন্ত্রী নিজামীর কার্যালয়ে যান। দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের কথা বলতে না বলতেই মন্ত্রী তাকে বলে, বিষয়টি তিনি জানেন। যেহেতু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি দেখভাল করছে তাই তাদের কিছু করার নেই।
তিনি মন্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, সিইউএফএল জেটি ঘাট যেহেতু তাদের নিয়ন্ত্রিত সংরক্ষিত ঘাট এ ঘাটে কীভাবে অস্ত্র এলো, সিইউএফএল কর্মকর্তারা কী করছিলেন_ এসব বিষয় খতিয়ে দেখা দরকার। তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার। নয়ইলে এসবের দায় তারা এড়াতে পারবেন না। কিন্তু মন্ত্রী এতে তেমন কর্ণপাত করেননি।
এ সময় মন্ত্রীকে বেশ গম্ভীর ও চিন্তান্বিত মনে হয়েছিল। তার মনে হয়েছে মন্ত্রী ঘটনাটি এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন। তাই তিনি আর বেশি কিছু না বলে মন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বের হয়ে বিসিআইসিতে ফিরে যান। প্রথমে তিনি অবৈধ মালামাল নামার কথা জানলেও পরে পত্রপত্রিকা পড়ে জানতে পেরেছেন দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের কথা। সিইউএফএলের এমডিকে লিখিত প্রতিবেদন দাখিলের কথা বললে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি একটি প্রতিবেদন পাঠান। ৩ এপ্রিল স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে আশ্চর্যজনকভাবে কোনো অস্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, অবৈধ মালামাল নামার কথা। তাছাড়া প্রতিবেদনে সিইউএফএলের এমডির স্বাক্ষর করার নিয়ম থাকলেও করেছিলেন জিএম এনামুল হক। দায়সারা প্রতিবেদনে আসল চিত্র ফুটে ওঠেনি। বরং ঘটনা ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা ছিল। এরপরও তিনি নিজেই সিইউএফএল জেটি ঘাটের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের সুপারিশ সংবলিত একটি প্রতিবেদন দাখিল করে মন্ত্রণালয়ে। দুর্ভাগ্য যে, এতবড় ঘটনার পরও মন্ত্রণালয় বিষয়টি বার বার এড়িয়ে গেছে, তার সুপারিশও কোনো কাজে লাগেনি
জামাত সাপোর্টারদের কাছে আমার প্রশ্ন হল - নিজামীর এই পাপও কি আপনারা ঘারে নেবেন ??
আবার দেখলাম গতকাল পিরোজপুরের এক মাদ্রাসা থেকে অস্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার । জামাত-শিবির আমাদের দেশের কোমলমতি শিশুদের দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে এদের ঠেলে দিয়েছে এই পথে ।
মাদ্রাসা শিক্ষা যদি এতই ভাল হয় তবে গোলাম আযম, নিজামী মুজাহিদদের ছেলে পেলেরা কেন মাদ্রাসায় পরেনা ??
জামাত-শিবিরের কাছে প্রশ্ন : সৎলোকের শাসন চাবেন , আল্লাহর আইন চাবেন আর এইসব কাজ করে বেরাবেন , এইসবের সাপোর্ট দিবেন - ---- মানে এই ডাবলষ্টান্ডার্ড ক্যারেক্টার এই হিপোক্রেসী কি মানুষ বুঝবেনা ভাবছেন ??
নাকি মনে করেন আওয়ামিলীগ সরকার এইগুলান মিথ্যাকথা কইছে --- এই বলে গোৎ গোৎ করলে হামলাইলে দেশের মানুষগুলানরে বুঝ দিবার পারবেন মনে করেন ? সত্যরে মিথ্যা দিয়া ঢাকবার পারবেন ??
আপ্নারা বোঝেন যে আপ্নারা কত জঘন্য গাধা ?
কিভাবে আপনাদের বোকা বানাইয়া আল্লাহ রসূলের কথা বলে আপনাদের তিন বেলা টুপি পরাই যাইতেছে ??
আকাম কুকাম করতেছে এরা আর নাম পরতেছে আপনাদের সবার ঘারে ।
উপরের ছবিতে দেখেনতো ইসলামের পর্দা প্রথা অনুযায়ী নিজামী কি পর্দা ভংগ করছেনা ?
বিএনপির সাথে জামাতের যুক্ত হওয়া কি ইসলাম ম্যান্ডেট দেয় আর কিভাবে তা বাংলাদেশের ইসলাম প্রতিষ্ঠার করে ??
আচ্ছা নিজামীর জায়গায় একজন জামাত/ শিবির কর্মী / সাপোর্টার হিসাবে যদি আপ্নি থাকতেন -- আপনি কি করতেন এই চালান ধরার খবর পাবার পর ???
এই সমস্ত আকাম কুকাম আল্লাহর আইন কিভাবে প্রতিষ্ঠা করে আর যার ইশারায় এই বিশ্বব্রম্মান্ড চলে , এই দুনিয়াতে তার আইন প্রতিষ্ঠাকরার জন্য নিজামী-মুজাহিদ আর জামাত- শিবিরের ক্যাডার লাগবে কেন ?? তিনি কি অচল না আক্ষম ( নাউজুবিল্লাহ ) ??
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




