এ ব্লগে আর কোন মৌলিক লেখার দরকার নেই, যেহেতু আমি আমার নিকৃষ্টতম লেখার স্বত্ব ও কাউকে দিতে রাজী নই

এইসব 'ঘাড়ত্যাড়ামী' ও সামহোয়ারইনে মিথস্ক্রিয়া
০৩ রা জুন, ২০০৭ রাত ৮:১৮
তখন আমরা কজন বছর একুশের বিপর্যস্ত তরুন । বিপর্যস্ততা আমাদের বোধ ও বুনন নিয়ে । সহজে মুক্তি খুঁজে যারা, সেই বন্ধুদের কেউ কেউ মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে গেছে । আমরা ও অভিজ্ঞতা নেই কিন্তু মুক্তি পাইনা, এই সব ঠিক আপনে মনে হয়না, ভেতরে অন্য কেউ মন্ত্রনা দেয় অন্য কিছু করার ।
আমরা ক'জন সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু করি ছোটগল্পের কাগজ 'সহবাস' । জড়িত সকলে তখন পুরোদমে বেকার । বাপের ও পয়সা নেই দেদার । সেই ৯৭ সালে একফর্মার কাগজ বের করতেই খরচ চারহাজার টাকা!
টাকা তুলে ফেলা যায়, জটিল কোনো সমস্যা নয় । নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো এই তরুনের দলকে শহর সিলেটের লোকজন মোটামোটি 'ভালো' বলেই জানে । দু চারজন ব্যাবসায়ীর কাছে বিজ্ঞাপনের জন্য গেলেই খরচ উঠে আসে,এমনকি দু চার প্যাকেট বেন্সনহেজেজ এর দাম ও বের করে ফেলা যায় ।
তবু আমরা 'ঘাড় ত্যাড়ামী' করি । নিজেদের টাকা নেই, তবু আমরা বিজ্ঞাপন নেবোনা । ছোটগল্পের কাগজের পেছনে নারকেল তেলের কিংবা ব্রিটিশ টোব্যাকোর বিজ্ঞাপন নেবোনা আমরা ।
এই 'ঘাড়ত্যাড়ামী' বহাল রাখতে গিয়ে বদ্ধ বেকার আসিফ মনি রিক্সা ভাড়ার টাকা বাঁচায়, পুরান লেন থেকে শিবগঞ্জ হেঁটে হেঁটে আসে(মনি এখন বিদেশী জাহাজ কোম্পানীর বড়কর্তা, ডলারে বেতন গুনে), সিগারেটখোর বন্ধুরা গোল্ডলিফ এর বদলে বিড়ি কেনে (বিশ্বাস হয়?), একজন তার প্রেমিকার কাছ থেকে জন্মদিনের উপহারের বদলে কাগজ কেনার টাকা নেয়!
শুভাকাংখীরা ভুঁরু কোঁচকান--' এরকম কতদিন? বিজ্ঞাপন না নিয়ে কতোদিন চালাবে হে?
আমরা ঘাড়ত্যাঁড়া রা হাসি-- 'যতোদিন পারি । বেঁচে থাকার জন্য লেখালেখি করা তো আবশ্যক নয় । যেদিন পারবোনা সেদিন আর করবোনা । তবে করবো যতদিন, ততোদিন আপোষ নয়, এক বিন্দু ও'
-------------------------------------------------------------
জনপদ শ্বাপদসংকুল হলে একদল শ্বাপদ খেদানোর জন্য অস্ত্র হাতে নেন। যে কোনো অস্ত্র হাতেই যারা শ্বাপদ খেদাতে এগিয়ে আসেন, সাহসী তারা ।
কিন্তু জনপদের অভিভাবক যদি নিজেই শ্বাপদের কাছে সবকিছু নিলাম করে দেন তাহলে? তাহলে ও ঘাড়ত্যাঁড়া কেউ কেউ শ্বাপদ ও শ্বাপদের পৃষ্ঠপোষকদের মোকাবেলা করেন ।
আরেকদল সাহসী মানুষ-শ্বাপদ সংকুল জনপদ ছেড়ে চলে যায় । ভয়ে নয় ঘৃনায় । তারা নতুন অন্য কোথাও যায়, আবাদ করে, স্বপনের বীজ বুনে, নিজেদের মতো করে গড়ে তুলে নিরাপদ জনপদ যেখানে শ্বাপদের প্রবেশাধিকার নেই ।
*** এই সব বিনাশ ও বিন্যাসের গল্প এইভাবে চলতেই থাকে,যতোদিন না মানুষ ফুরিয়ে যায় ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কাপালিক বলেছেন:
নতুন করে গড়ার এই জিদই শেষ পর্যন্ত মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে...
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
ভালো।
কাপালিক বলেছেন:
সবাই থাকেন এবং প্রতিবাদ করেন...ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড...
তারেক রহিম@কিছুই স্থিত নয়রে ভাই, না মানুষ, না মানুষের ভালোবাসা ।
সাদিক@কি ভালো?
চোর বলেছেন:
হাসান মোরশেদ ভাই, কথা ওইটাই। অভিভাবকই ছাগু।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
নিজের অস্তিত্ব আর স্বপ্নের সাথে আপোষ কীসের দাদা?
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
ঘাড়ত্যাড়ামী বিষয়টা কখনো কখনো ভালো।
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
অবস্থা দৃষ্টে তাইতো মনে তো হয়। আপনি যেটারে ঘাড়ত্যাড়ামী বলেন, আমি তারে পাগলামি বলি। গুরু লুয়ালেন ভন লি সেইটারে কয় ইনসেইন ডিটারমিনেশন।
গরীব বুদ্ধিতে যা বুঝি, দরকার আছে জিনিসটার।
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
স্টক এন্ড ট্রেন্ট অপারেশনের আপডেট তো আর দিলেন না। একটা সাইড আপডেট। যখন পোস্টটা পড়ছিলাম মনে একটা কু ডাকছিলো। এইটা পাবলিক করার বিপদ নিয়া। কার মনে কি আছে ঠিক নাই, তাই এক্সটা প্রিকশন বিষয়ক শেয়ারিং। স্রেফ শুভকামনা থেইকাই বললাম। আগে পিছে কিছু নাই।
স্টক এন ট্রেন্ট এর ঘটনার একটা সমাধান হয়েছে । অন্য ফর্মুলায় । একটা পোষ্ট আছে (ঠিক আগের পোষ্ট টা) । সমাধানের ধরনের কারনেই বিস্তারিত লিখতে পারিনি এই ব্লগে ।
তবে আপনার 'গরীবি' বুদ্ধি তে ধরতে পারবেন ইনশাল্লাহ
হযবরল বলেছেন:
অভিভাবক ?
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
এইসব 'ঘাড়ত্যাড়ামী' ও সামহোয়ারইনে মিথস্ক্রিয়া
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
ঠেলা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














