আমার প্রিয় পোস্ট

প্রথম-আলো আর বসুন্ধরার যুদ্ধ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

শেয়ারঃ
0 1 0

বাংলাদেশের আলোচিত টপিক। যদিও ভেবে পাইনা প্রথম-আলো আজকের সংখ্যায় এমন একটা হেডলাইন কেমন করে করল!
মানে একটা বহুল প্রচারিত দৈনিকের কাছ থেকে এমনটি আশা করা যায় না।
বসুন্ধরার মালিক শাহ আলম একজন ভূমি দস্যু। সেটা আমরা কমবেশি সবাই অভিহিত। কিন্তু সেটা নিয়ে কেউ কথাটি পর্যন্ত বলেনি। এখন প্রথম-আলো বলছে। জানতে হবে তাদের স্বার্থ কি!

তার আগে আসুন দেখি প্রথম-আলোর ব্যাকগ্রাউন্ড। প্রথম-আলোর মালিক হলেন লতিফুর রহমান। বাংলাদেশের সনামধন্য শিল্পপতি। আর বসুন্ধরার মালিকও একজন শিল্পপতি। এই দুই ব্যাক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য একই হবার কথা। কিন্তু দ্বন্দটা কি নিয়ে সেটা বুঝতে অনেক সময় লাগছে।

এখানে তো কেউ কারওটা ভোগ দখলের চেষ্টা করছে না। এমনও তো না যে প্রথম-আলো কোনদিন বসুন্ধরার বিজ্ঞাপন ছাপেনি। ছেপেছে এবং একবার দুবার নয় বহুবার। তারমানে বসুন্ধরার কাছ থেকে তারা সেজন্য মোটা অংকের টাকাও নিয়েছে। তাহলে তারা যদি জানতই যে বসুন্ধরা গ্রুপ এতটা দূর্নীতিগ্রস্ত, বিজ্ঞাপণ নিলো কেন? টাকা নিল কেন?

উত্তরটা তারাই দিতে পারবে। অবশ্য উত্তরটা এরকম হওয়াও বেশ জটিল নয়। যে আমরা সব কম্পানিকে সমান চোখেই দেখি। বসুন্ধরাকেও দেখেছি। তার মানে তো এই নয় যে ওদের কেউ কুকর্ম করলে আমরা কিছু বলব না।

চলে আসি, পাওয়ার শব্দটার কাছে। প্রথম-আলোর ট্রান্সকম অনেক আগে থেকে একটি পাওয়ারফুল ইন্ডাস্ট্রিজ। তার উপর মিডিয়া। তার মানে সর্বেসর্বা। পাওয়ারফুল মিডিয়া। প্রথম-আলো মানুষকে যা খাওয়াবে তা অবশ্যই ভাল। কারণ তারা সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিকের মর্যাদা অর্জন করেছে। সাথে অবশ্য সমকালকেও ভিড়িয়েছে তাদের দলে।

শাহ আলম এবং লতিফুর রহমানের বিরোধে এখন মিডিয়া রমরমা হয়ে আছে নিউজে নিউজে। কোনটা সত্য তা বের করা সত্যিই এখন কঠিন হয়ে দাড়ালো।

বসুন্ধরার কোন মিডিয়া নেই। কিন্তু ওরা শুরু করছে খুব তাড়াতাড়ি। ওদের পত্রিকা বের হচ্ছে যার নাম কালের কণ্ঠ। ওদের টিভি চ্যানেল বের হচ্ছে শুনেছি। পার্মিশন পায়নি এখনও। তবে না পাবার সম্ভবনাই বেশি। যদি না পায় তাহলেও তার ব্যবস্থাও আছে। শাহ আলম একটি টিভি চ্যানেলে ভাগ বসাচ্ছে। যার নাম হলো সময় টিভি।

একটি কথা সত্য যে শাহ আলম এবং তার সম্পূর্ণ পরিবার আগা থেকে পা পর্যন্ত অসৎ। তারা মানুষের জমি দখল করে নিচ্ছে অনায়াসে। বসুন্ধরা সিটি যে জায়গাটিতে নির্মিত তাও অনেকের জমি দখল করে করা। বসুন্ধরার যাবতীয় আবাসিক প্রকল্পও মানুষের জমি দখল করে গড়ে উঠছে।

বলা যেতে পারে দুই শয়তানে মারামারি লেগেছে। কোনটা ভালো শয়তান আর কোনটা খারাপ শয়তান সেটা আমাদেরকে বুঝতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো, ভালো হলেও সে শয়তান আর খারাপ হলেও সে শয়তান!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাম্প্রতিক! প্রথম-আলোবসুন্ধরা! ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছেড়া কাগজ  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: সেটাই!

২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫০
ব্রাইট বলেছেন:

".....বলা যেতে পারে দুই শয়তানে মারামারি লেগেছে।....."

এইটাই সইত্যে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: হুম...ধন্যবাদ!

৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৯
গ্যাঁড়াকল বলেছেন: প্রথম-আলো মানুষকে যা খাওয়াবে তা অবশ্যই ভাল। কারণ তারা সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিকের মর্যাদা অর্জন করেছে। সাথে অবশ্য সমকালকেও ভিড়িয়েছে তাদের দলে।

সমকালের মালিক তো জানতাম আরেক মাফিয়া বাবুল (যমুনা গ্রুপ)।
যতদূর জানি যমুনা আর বসুন্ধরা এক সাথে মিলল্যা আরেকখান বিশালকার মার্কেট বানাইতেছে। এখন তাইলে সমকাল বসুন্ধরার বিপক্ষে যায় ক্যামনে?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: সমকালের মালিক বাবুল না। বাবুল হলো যুগান্তরের মালিক!

৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ ভোর ৬:৫৯
কাঙাল বলেছেন: আপনি বিখ্যাত ব্লগার। এই পোস্টটি হঠাৎ নজরে পড়লো

বসুন্ধরাকে ভূমিদস্যু বলেছেন কিন্তু লতিফুর রহমানকে কী বললেন বুঝলাম না। লতিফ মিয়া কি খারাপ মানুষ? কিভাবে খারাপ তার কিছু আলামত দেন দেখি। তা না করে বললেন দুই গ্রুপই শয়তান......

এই ব্লগে নানা রকম ব্লগার আছে জানি কিন্তু আপনার লেখায় যুক্তি থাকবে না এটা কেমন কথা!

একটা পত্রিকার নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা থাকতেই পারে। এটা অনেকের ভাল লাগবে অনেকের লাগবে না। এটাই স্বাবাবিক......

প্রথমআলো অসৎ পথে টাকা কামাচ্ছে কিনা, নীতিভ্রষ্ট কাজ করছে কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

একটা বিষয় লক্ষ করুন, প্রথমআলো যত ভাল লেখালেখি করুক না, জামায়াত কিন্তু তাদের পছন্দ করবে না। কারণ, জামায়াতের নীতির সাথে প্রথম আলো'র নীতির সম্পর্ক নেই। এভাবে বসুন্ধরার ভূমিদস্যুতার সাথেও প্রথম আলোর আপোস না-ও থাকতে পারে। বিজ্ঞাপন দিলে ছাপবো না, এটা তো কোন নিয়ম হতে পারে না। অনেক পত্রিকা হুমকি দিয়ে এদেশে বিজ্ঞাপন গ্রহন করে। আমার অভিজ্ঞতা থেকেই তা বলছি।
৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৭:০০
কাঙাল বলেছেন: আপনি বিখ্যাত ব্লগার। এই পোস্টটি হঠাৎ নজরে পড়লো

বসুন্ধরাকে ভূমিদস্যু বলেছেন কিন্তু লতিফুর রহমানকে কী বললেন বুঝলাম না। লতিফ মিয়া কি খারাপ মানুষ? কিভাবে খারাপ তার কিছু আলামত দেন দেখি। তা না করে বললেন দুই গ্রুপই শয়তান......

এই ব্লগে নানা রকম ব্লগার আছে জানি কিন্তু আপনার লেখায় যুক্তি থাকবে না এটা কেমন কথা!

একটা পত্রিকার নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা থাকতেই পারে। এটা অনেকের ভাল লাগবে অনেকের লাগবে না। এটাই স্বাবাবিক......

প্রথমআলো অসৎ পথে টাকা কামাচ্ছে কিনা, নীতিভ্রষ্ট কাজ করছে কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

একটা বিষয় লক্ষ করুন, প্রথমআলো যত ভাল লেখালেখি করুক না, জামায়াত কিন্তু তাদের পছন্দ করবে না। কারণ, জামায়াতের নীতির সাথে প্রথম আলো'র নীতির সম্পর্ক নেই। এভাবে বসুন্ধরার ভূমিদস্যুতার সাথেও প্রথম আলোর আপোস না-ও থাকতে পারে। বিজ্ঞাপন দিলে ছাপবো না, এটা তো কোন নিয়ম হতে পারে না। অনেক পত্রিকা হুমকি দিয়ে এদেশে বিজ্ঞাপন গ্রহন করে। আমার অভিজ্ঞতা থেকেই তা বলছি।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৯৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার আমি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ