
বন্ধুত্ব এমন একটি শক্তির নাম যার দ্বারা সব কিছু করা সম্ভব ।
যা ভেঙ্গে যায় কিন্তু মচকায় না .... আরও অনেক কিছু ......
সেই বন্ধুত্ব কেন হয় কি ভাবে হয় তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই বিজ্ঞানীদের । আর সেই কৌতুহলের ফল সরুপ ........
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা বন্ধুত্বের আসল রহস্য খুঁজে বের করতে পেরেছেন। তাদের মতে, মানুষ পরস্পরকে পছন্দ করে বলে নয়, বরং আগ্রহের খাতিরে এবং সমমনাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব তৈরি হয়। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।
গবেষকদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আগ্রহ এবং শখের বিষয়টিই ভালো বন্ধুত্বের বন্ধন গড়ে দেয়। আমাদের আগ্রহ বদলে গেলে আমাদের বন্ধুত্বও বদলে যায়। নতুন আগ্রহে এবং সমমনাদের সঙ্গে নতুন বন্ধত্ব তৈরি হয়।
জানা গেছে, ইউনিভার্সিটি অফ সাউদাম্পটন, রয়্যাল হলোওয়ে, ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন এবং ইনস্টিটিউট অফ জুওলজি অ্যাট লন্ডন জু-এর গবেষকরা এই গবেষণা করেছেন। গবেষকরা ফেসবুক ফ্রেন্ড বিষয়ে গবেষণা করে বাস্তব জীবনের সত্যিকার বন্ধু নির্বাচনের গোপন সূত্রটি প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন।
জানা গেছে, আগ্রহের পরিবর্তন হলে বন্ধুত্বের পরিবর্তন হয় কিনা সেটাই ছিলো গবেষণার বিষয়।
গবেষকরা দেখেছেন, ফেসবুক টুইটারের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বা কোনো গ্রুপে যোগ দেবার আগে পছন্দানুযায়ী তাদের আগ্রহের বিষয় এবং শখের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব দেন। আর এই ভিত্তিতে গবেষকরা সত্যিকারের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এর একটি কম্পিউটার মডেলও দাঁড় করিয়েছেন।
গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে রয়্যাল সোসাইটি ইন্টারফেস সাময়িকীতে।
গবেষণায় দেখা গেছে, সমাজের মধ্যে আমরা বন্ধুত্ব গড়ে তুলি আমাদের মতোই সমমনা ব্যক্তির সঙ্গে। আর এসব বন্ধুর মধ্যে রাজনীতি, সংগীত, ধর্ম খেলা বা পেশার ক্ষেত্রেও মিল দেখা যায়। এমনকি ক্ষণিক সময়ের বন্ধুত্বের বেলাও সমমনা হলে বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে দেখা যায়।
এখন আসুন আমরাও আমাদের গবেষনায় কি ফল আশে তা নিয়ে আলুছেনা করি ........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



