অজ্ঞাত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে সবখানেই। এমন কি ব্লগে কৌশিকের লেখা পড়ে বুঝলাম, এ রোগ বড় কঠিন রোগ, তারেও ছাড়ে নাই। সে প্রসঙ্গের কথা না হ্য় সে লেখাতেই থাকুক। আমি ভার্চুয়াল সে লেখা ছেড়ে বাস্তবে অজ্ঞাত এ রোগের বিষয়ে আমার নিতান্ত একটা সন্দেহের কথা বলি।
অনেকদিন ধরেই দশ উপদেষ্টার রাজনীতি আর রাজনীতিবিদদের ধরা খাওয়ার ভ্য়ভীতি নিয়েই ব্যস্ত বাংলাদেশ, বাংলাভাই আর শায়খের ফাঁসির সাথে সাথে অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে জঙ্গি বিষয়ক আলোচনা। কিন্তু তারা কি চুপচাপ? আমার মনেহ্য না। সেদিন কোন এক চ্যানেলে দেখেছিলাম এক জঙ্গির বোরখা পড়া সাক্ষাৎকার, শুনলাম তারা নাকি আবার সংগঠিত হচ্ছে আবার, তৈরী করছে নতুন নতুন প্লান। ইদানীং এই অজ্ঞাত রোগের ঘটনাগুলোর পর আমার সন্দেহটা পড়ছে ওদের উপরেই।
প্রথম এ ঘটনার পর সব পক্ষই এটাকে অজ্ঞাত রোগ বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করেছে। অদ্ভুদ ব্যাখ্যাও দিয়েছে তারা। এটা নাকি একজনার দেখাদেখি আরেকজনের হচ্ছে, রোগটা নাকি মানসিক! তাহলে এখন যখন আরও অনেক যায়গায় একই ঘটনা ঘটছে, তারা এখন কি বলবেন, হঠাৎ করেই বাংলাদেশের মানুষ মানষিক রোগি হয়ে যাচ্ছে! যাইহোক আমার সন্দেহের প্রসঙ্গে আসি। ঘটনাগুলো ঘটছে বিভিন্ন স্কুলগুলোতে, এবং অবাক হয়ে খেয়াল করছি অসুস্থদের তালিকায় মেয়েদের সংখ্যাটাই বেশি। এবার আসুন হিসাব করি। আমাদের দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার (যদিও তা খুব আধুনিক না) বিরুদ্ধে কাদের অবস্থান? বিশেষকরে মেয়েদের শিক্ষার বিরুদ্ধে কারা কথা বলে?
এই ঘটনা যদি আরও ঘটতে থাকে আরও, তাহলে মানুষ তার ছেলে বা মেয়েটাকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাবে। আর তাতে শিক্ষা ব্যবস্থার উপর খানিকটা হলেও বিরুপ প্রভাব পরবে। হতে পারে জঙ্গিরা তাদের অস্ত্রগুলো যেভাবে এনেছেন, তেমনভাবেই যোগার করেছেন এমন কোন আধুনিক রাসায়নিক, যা খুব অল্পপরিমানে কোথাও রেখে দিলে তা ধীরে ধীরে আশপাশের বাতাস বিষাক্ত করে ফেলছে, আমাদের মান্ধাত্তার আমলের পরীক্ষার যন্ত্র যা ধরতে পারছে না।
আমার সন্দেহ যে ঠিক, তা আমি জোর গলায় বলতে পারবো না, কোন প্রমান নেই আমার হাতে। কিন্তু যাদের হাতে প্রমান যোগারের উপায় আছে, তারা কি একটু চেষ্টা করবে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




